cursed life

cursed life

Share

জীবনের গল্প

06/01/2024

আমার পক্ষ থেকে তো আমি ভোট বর্জন করচি।আর আপনি?

Photos from cursed life's post 19/12/2023

“প্রেস রিলিজ”
বোতামের সূত্র ধরে দাগনভূঞা বারাহিগোবিন্দ গ্রামে গৃহকর্ত্রী হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন, প্রধান আসামীসহ হত্যাকান্ডে জড়িত ০৩ জন আসামী গ্রেফতার, আলামত উদ্ধার ও বিজ্ঞ আদালতে স্বীকারোক্তি প্রদান...........

গত ১৩/১২/২০২৩ ইং তারিখ সন্ধ্যা ০৫.০০ ঘটিকা হইতে রাত ১০.০০ ঘটিকার মধ্যবর্তী সময়ে দাগনভূঞা থানাধীন ৮নং জায়লস্কর ইউপিস্থ ৬ নং ওয়ার্ডের বারাহিগোবিন্দ গ্রামের গৃহকর্ত্রী মমতাজ বেগম প্রকাশ পারুল (৪৮) কে তার বসত বাড়ীতে একা পেয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীরা মাথায় আঘাত করে এবং গলায় পায়জামা র্প্যঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। ভিকটিম মমতাজ বেগম প্রকাশ পারুল এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে তাহার ছেলে মাহমুদুল হাসান তন্ময় তার পার্শ্ববর্তী বাড়ীর চাচাত ভাই রাজিনুল কবির কে তাদের বাড়ীতে গিয়ে ফোন বন্ধ পাওয়ার বিষয়টি দেখেতে বলেন।রাজিনুল কবির ভিকটিম মমতাজ বেগমের বাড়ীতে গিয়ে তাদের ঘরের দরজা খোলা এবং মমতাজ বেগমকে তার ছেলের বউয়ের শয়ন কক্ষে ফ্লোরে চিৎ অবস্থায় নিথর দেহে শায়িত দেখে আশেপাশের লোকজনদের ডেকে আনে। আশেপাশের লোকজন মমতাজ বেগমের বাড়ীতে এসে তাকে জখমী অবস্থায় মৃত দেখিতে পায়।স্থানীয় লোকজন পুলিশকে সংবাদ দিলে ফেনী জেলার পুলিশ সুপার জনাব জাকির হাসান মহোদয়, পুলিশের উর্দ্বতন কর্মকর্তা ও দাগনভূঞা থানা পুলিশ দ্রুত ভিকটিম মমতাজ বেগমের বাড়ীতে হাজির হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে ঘটনাস্থল হতে ১টি দা, ১টি প্লাস্টিকের পোড়া ও কাটা ব্যাংক, ১টি গ্যাস লাইট, ১টি লাঠি, ভিকটিমের গলায় প্যাঁচানো অবস্থা হতে ১টি পায়জামা, আসামীর শার্ট হতে ছেড়া ২টি বোতাম, আসামীদের ব্যবহৃত ১টি হাত মোজা সহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার পূর্বক জব্দ করেন।ঘটনার পরের দিন ভিকটিমের ছেলে মাহমুদুল হাসান তন্ময় বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করিলে দাগনভূঞা থানার মামলা নং-০৮, তারিখ-১৪/১২/২০২৩ইং, ধারা-৩০২/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
ফেনী জেলার পুলিশ সুপার জনাব জাকির হাসান মহোদয়ের বিশেষ নির্দেশনা মতে ঘটনাস্থল হতে প্রাপ্ত আসামীর শার্টের বোতাম এবং ভিকটিমের গায়ে থাকা কামড়ের দাগের সূত্র ধরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস্) জনাব শাহাদাত হোসেন মহোদয়ের তত্বাবধানে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জনাব তাছলিম হুসাইন মহোদয়ের নেত্বত্বে দাগনভূঞা থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ আবুল হাসিম, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব মোঃ রাসেল মিয়া, এসআই রাশেদুল হক ও এসআই মোঃ আজমগীর এর সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ টিম গোপন সূত্রের ভিত্তিতে দাগনভূঞা থানা ও ফেনী সদর থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১৮/১২/২০২৩ খ্রিঃ সকাল ০৮.১৫ ঘটিকার সময় ঘটনার প্রধান আসামী মোবারক হোসেন(২০), পিতা-মঈন উদ্দীন, মাতা-সাজেদা বেগম, সাং-টুমচর (বাদশার বাপের বাড়ী), থানা ও জেলা-লক্ষীপুর, বর্তমানে সাং-মাথিয়ারা (খালুর দোকানের পাশে, তারেকের ভাড়াটিয়া), থানা ও জেলা-ফেনী কে বারাহিগুনি দরবার শরীফের পার্শ্ববর্তী চর এলাকা হতে গ্রেফতার করা হয়।ঘটনার সময় ধস্তাধস্তিতে আসামী মোবারক হোসেন এর বোতাম ছেড়া শার্ট ও ঘটনায় ব্যবহৃত ০১টি হাত মোজা জব্দ করা হয়।গ্রেফতারপূর্বক মোবারক হোসেনকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে মোবারক হোসেন বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।ঘটনার প্রধান আসামী মোবারক হোসেন এর স্বীকারোক্তি মতে হত্যাকান্ডে জড়িত তার সহযোগী অপর আসামী আব্দুল আউয়াল প্রঃ সাদ্দাম (৩৫), পিতা-মৃত সিরাজ মিয়া, মাতা-মোছাঃ করিমের নেছা, সাং-উত্তর বারাহি গোবিন্দ (হাজী সিরাজ মিয়ার নতুন বাড়ী), থানা-দাগনভূঞা, জেলা-ফেনীকে উত্তর বারাহিগোবিন্দ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৮/১২/২০২৩ খ্রিঃ রাত ০৮.৪০ ঘটিকার সময় এবং আসামী ইয়াব হোসেন শুভ(২০), পিতা-মোঃ সেলিম, মাতা-রিপনা বেগম, সাং-মাথিয়ারা (আফজল মেস্ত্রি বাড়ী), থানা ও জেলা-ফেনী কে মাথিয়ারা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১৮/১২/২০২৩ খ্রিঃ রাত ০৯.০০ ঘটিকার সময় গ্রেফতার করা হয়।
আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে তাহারা জানায় মামলার প্রধান আসামী মোবারক হোসেন মামলার ভিকটিম মমতাজ বেগম প্রঃ পারুল এর পূর্ব পরিচিত। আসামী মোবারক হোসেন মাঝে মধ্যে ভিকটিমের বাড়ীতে গাছের ডাল কাটা এবং নারিকেল, সুপারি পারার কাজ করতো। আসামী মোবারক হোসেন, আব্দুল আউয়াল প্রঃ সাদ্দাম এবং ইয়াব হোসেন শুভ পূর্ব পরিচিত।ঘটনার দিন গত ১৩/১২/২০২৩ ইং তারিখ সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর পর আসামী মোবারক হোসেন, আব্দুল আউয়াল প্রঃ সাদ্দাম এবং ইয়াব হোসেন শুভ ভিকটিমের বাড়ীর পাশে বিলে ভিকটিমের বাড়ীতে টাকা পয়সা ও জিসিনপত্র লুন্ঠনের পরিকল্পনা করে।এরপর আসামীরা ভিকটিমের বাড়ীতে যায়। ভিকটিমের বাড়ীতে গেলে আসামী মোবারক হোসেন ভিকটিমকে নানু নানু বলিয়া ডাকতে থাকে। আসামী মোবারক হোসেন এর ডাকে সাড়া দিয়ে ভিকটিম মমতাজ বেগম প্রঃ পারুল দরজা খুলে দেয়। ভিকটিম দরজা খুলে দিলে আসামী মোবারক হোসেন প্রথমে ঘরে প্রবেশ করে এবং তার পিছু পিছু আসামী শুভ লাঠি নিয়ে ও সাদ্দাম দা নিয়ে ঘরে প্রবেশ করে।
ভিকটিমের ঘরে প্রবেশ করার পর আসামী মোবারক হোসেন ভিকটিমের ডাইনিং রুমের চেয়ারে ভিকটিমের পাশে বসে। অপর ২জন আসামী ভিকটিমের রুমের লাইট বন্ধ করে দেয় এবং ভিকটিমকে তার কাছে যা আছে তা দিয়ে দিতে বলে।আসামী মোবারক হোসেন ভিকটিমের ঘরে থাকা ব্যাংকটি গ্যাস লাইট দিয়ে জ্বালিয়ে ও কেটে এবং আলমারি খুলে অনুমান ৫,০০০/- টাকা নিয়ে নেয়।এরপর ভিকটিম থরথর করে কাপাকাপি শুরু করে অন্য রুমে চলে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকে।ভিকটিম মমতাজ বেগম তার হাতে থাকা মোবাইল নিয়ে তার ছেলের বউয়ের রুমে প্রবেশ করে দরজা লাগানোর চেষ্টা করলে আসামী শুভ তার হাতে থাকা লাঠি দিয়ে ভিকটিমের মাথায় স্বজোরে আঘাত করলে ভিকটিম ফ্লোরে পড়ে যাওয়ার পর আসামী শুভ ভিকটিমের মোবাইল ফোনটি নিয়ে নেয়।আসামী মোবারক হোসেন ভিকটিমের মুখ চেপে ধরলে ভিকটিমের সাথে আসামী মোবারক হোসেন ধস্তাধস্তিতে মোবারক হোসেনের গলায় আছড় ও হাতে আঙ্গুলে ভিকটিমের কামড়ের দাগ লাগে।ভিকটিম মোবারকের গলায় চাপ দিয়ে ধরলে মোবারক ভিকটিমের হাতে একাধিক এলোপাথাড়ি কামড় দেয়।ধস্তাধস্তিতে আসামী মোবারক হোসেনের পরিহিত শার্টের ০২টি বোতাম ফ্লোরে পরে যায়(যা ভিকটিমের লাশের পাশে পাওয়া যায়)। একপর্যায়ে আসামীগণ ভিকটিমের গলায় পায়জামা প্যাছিয়ে শ্বাসরোধ করে ভিকটিমেকে হত্যা করে। ধস্তাধস্তিতে ভিকিটিম দূর্বল হয়ে পরলে সাদ্দাম ও শুভ ভিকটিমের পেটে স্বজোরে লাথি মারে।ভিকটিম নিস্তেজ হয়ে জিহবায় কামড় দেওয়া অবস্থায় মৃত্যু নিশ্চিত করে আসামীরা ভিকটিমের কানের দুল, মোবাইল এবং আলমারী ও প্লাস্টিকের ব্যাংক হতে আনুমানিক ৫,০০০/- টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।

18/12/2023

Dropped out of school joined online

স্কুল থেকে বিদায় নিলো অনলাইনে জয়েন্ট হলো🤗

মেডাম থেকে বিদায় নেওয়া সেই আয়েশা আপা🫡😅

18/12/2023
17/12/2023

শৈশব কাল

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Barisal?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Feni
Barisāl