Natural birth stories
“Sharing awareness about normal delivery & newborn care. Because every mother deserves a safe Birth
28/07/2026
একসাথে তিন সন্তানের জন্ম দিলেন সৌভাগ্যবতী এক মা।
👶👶👶
এদের মধ্যে একটি ছেলে এবং দুইটি মেয়ে।
তিনজনের ওজনই ঠিকঠাক রয়েছে। মা ও বাচ্চারা সবাই সুস্থ আছে। 💗
লোকেশন : খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল লেবার ওয়ার্ড।
28/07/2026
আজ ১০ জন মিলে একজন মায়ের নরমাল ডেলিভারি করালাম। 💗
অনেকে ভাবতে পারেন, এতজন কেন? বা, জোর করে করানো হয়েছে নাকি ?
না, মোটেও তা নয়।
এই মা আমাদের কাছে এসেছিলেন প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া (Pre-eclampsia) থেকে খিঁচুনি (Eclampsia) এবং প্রসববেদনা নিয়ে। তখন এমন একটি অবস্থা ছিল, যেখানে দ্রুত ডেলিভারি করানোই ছিল মা ও শিশুর জীবন বাঁচানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত।
খিঁচুনির সময় একজন মানুষের শরীরে এত বেশি শক্তি চলে আসে যে তাকে নিরাপদে ধরে রাখা একা কারও পক্ষে সম্ভব হয় না। ডেলিভারির সময় বারবার খিঁচুনি হওয়ায় মা যেন আঘাত না পান এবং নিরাপদে প্রসব সম্পন্ন করা যায়, তাই একাধিক নার্স, মিডওয়াইফ ও চিকিৎসক একসঙ্গে কাজ করেছি।
এ কারণেই আমরা বারবার বলি—গর্ভাবস্থায় নিয়মিত চেকআপ করানো খুবই জরুরি। কারণ প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া অনেক সময় শুরুতে তেমন কোনো লক্ষণ না দেখালেও সময়মতো শনাক্ত করা গেলে গুরুতর জটিলতা অনেকটাই প্রতিরোধ করা সম্ভব।
🌸 একজন মায়ের নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে নিয়মিত গর্ভকালীন চেকআপ করুন। আপনার সামান্য সচেতনতাই বাঁচাতে পারে দুটি মূল্যবান মা ও শিশুর জীবন। 💚
26/07/2026
🌿 গর্ভবতী মায়েরা নিয়মিত খেজুর খাচ্ছেন তো?
🌸 খেজুরের উপকারীতা:
খেজুরে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট গর্ভবতী মায়ের ক্লান্তি দূর করে এবং দ্রুত শক্তি জোগায়।
রক্তস্বল্পতা রোধ করে। এতে প্রচুর আয়রন আছে, যা মা ও শিশুর শরীরে রক্ত উৎপাদন বাড়ায় এবং রক্তাল্পতা দূর করে। হজমে সহায়তা করে, উচ্চ ফাইবার বা আঁশ থাকায় কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। প্রসব সহজ করে জরায়ুর পেশি সবল করে। গর্ভাবস্থার শেষের দিকে (বিশেষ করে শেষ ৪ সপ্তাহে) নিয়মিত খেজুর খেলে জরায়ুর পেশি শক্তিশালী হয়।স্বাভাবিক প্রসবের সম্ভাবনা বাড়ায়। এটি প্রসবের সময় জরায়ুর মুখ নমনীয় বা ফ্লেক্সিবল করতে সাহায্য করে, ফলে প্রসব বেদনা ও প্রসবের সময়কাল কমে যায়।
25/07/2026
🌸 সন্তান জন্মের পরে মায়ের তিনটি জটিলতা সম্পর্কে জানতে হবে। নইলে হতে পারে মারা*ত্মক বিপদ।
অনেকেই মনে করেন সন্তান জন্মের পর সব কষ্ট শেষ। কিন্তু বাস্তবে প্রসবের পর কিছু গুরুতর শারীরিক ও মানসিক জটিলতা দেখা দিতে পারে, যেগুলো সম্পর্কে সচেতন থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
🔹 Postpartum Depression (প্রসব-পরবর্তী বিষণ্নতা):
প্রসবের পর দীর্ঘদিন ধরে মন খারাপ থাকা, অকারণে কান্না, উদ্বেগ, ঘুম ও ক্ষুধার সমস্যা, নিজের বা শিশুর প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া—এসব এর লক্ষণ হতে পারে। এটি দুর্বলতার নয়, চিকিৎসাযোগ্য একটি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা।
🔹 Postpartum Psychosis (প্রসব-পরবর্তী সাইকোসিস):
এটি বিরল কিন্তু অত্যন্ত জরুরি চিকিৎসাজনিত অবস্থা। মা অস্বাভাবিক আচরণ করতে পারেন, বিভ্রান্ত হতে পারেন, কল্পিত কিছু দেখা বা শোনা (হ্যালুসিনেশন) বা ভুল বিশ্বাস (ডিলিউশন) তৈরি হতে পারে। এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
🔹 Postpartum Eclampsia (প্রসব-পরবর্তী এক্ল্যাম্পসিয়া):
প্রসবের পরও উচ্চ রক্তচাপের কারণে খিঁচুনি হতে পারে। তীব্র মাথাব্যথা, ঝাপসা দেখা, শ্বাসকষ্ট, হাত-পা বা মুখ ফুলে যাওয়া কিংবা খিঁচুনি—এসব বিপদজনক লক্ষণ। এটি একটি মেডিকেল ইমার্জেন্সি এবং দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।
🌸 মনে রাখবেন:
প্রসবের পর মায়ের শারীরিক ও মানসিক যেকোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তনকে অবহেলা করবেন না। সময়মতো চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সুস্থ হওয়া সম্ভব।
একজন সুস্থ মা মানেই একটি সুস্থ পরিবার। ❤️ তাই সন্তান প্রসবের পরে একজন মায়ের সঠিক যত্ন নেওয়া প্রতিটা পরিবারের লোকেদের দায়িত্ব।
24/07/2026
🌿 ডেলিভারি ডেট (EDD) পার হওয়ার কতদিন পর্যন্ত নরমাল ডেলিভারির জন্য অপেক্ষা করা যেতে পারে?
🌸 সবকিছু স্বাভাবিক থাকলে,বাচ্চার নড়াচড়া ঠিক থাকলে ৭ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করা যেতে পারে।
EDD পার হওয়ার পর অনেক ক্ষেত্রেই ৭ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করা যায়, যদি মা ও শিশুর অবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকে।
৪২ সপ্তাহ পার হয়ে গেলে সাধারণত আর অপেক্ষা না করে প্রসব করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। কারণ এ সময় প্লাসেন্টার কার্যকারিতা কমে যেতে পারে, শিশুর অক্সিজেনের ঘাটতি হতে পারে, মেকোনিয়াম যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে এবং মৃতভ্রূণের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়।
যদি—
✅ শিশুর নড়াচড়া স্বাভাবিক থাকে
✅ পানি না ভাঙে
✅ রক্তপাত না হয়
✅ মা ও শিশুর সব রিপোর্ট স্বাভাবিক থাকে
তাহলে আপনার স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করা যেতে পারে। তবে EDD পার হওয়ার পর অবশ্যই নিয়মিত ফলো-আপে থাকতে হবে।
♦️যে কোনো সময় নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে অপেক্ষা না করে দ্রুত হাসপাতালে যান : শিশুর নড়াচড়া কমে যাওয়া
• পানি ভেঙে যাওয়া
• রক্তপাত হওয়া
• নিয়মিত প্রসববেদনা শুরু হওয়া
• তীব্র মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা বা খিঁচুনি।
23/07/2026
রোগীর স্বামী : আপু আপনাকে বোন হিসেবে একটা রিকোয়েস্ট করি, সাইড কাটবেন না। 🙏
আমি (মিডওয়াইফ) : চেষ্টা করবো। 👩⚕️
রোগী : না, আমি নরমাল ডেলিভারি করাব না, আমাকে সিজারে নিয়ে যান। 🥺
রোগীর স্বামী : আরে ভয় পেয়ো না, আপুকে বলছি তো সাইড কাটবে না।
☘️ এই "সাইড কাটা" (এপিসিওটমি) বিষয়টাকে আমাদের দেশের অনেক মা এত বেশি ভয় পান যে, অনেক সময় তারা সিজারিয়ান অপারেশনকেও এতটা ভয় পান না। অথচ প্রয়োজন হলে এটি একটি ছোট প্রক্রিয়া। সঠিক যত্ন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে সাধারণত ১ সপ্তাহের মধ্যেই কাটা জায়গা অনেকটাই ভালো হয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।
যাইহোক, রোগীর স্বামীর কথাটা রাখার চেষ্টা করেছি এবং সাইড না কেটেই সফলভাবে নরমাল ডেলিভারি করাতে সক্ষম হয়েছি।
👶 বাচ্চার ওজন ছিল ৩ কেজি ১০০ গ্রাম। ❤️
শেষে রোগীর স্বামী : দেখছো, ডাক্তার, নার্স ও মিডওয়াইফের উপর বিশ্বাস রাখতে হয়। 😍❤️
22/07/2026
👶 আপনার নবজাতককে জন্মের কতদিন পরে প্রথম গোসল করাবেন?
নবজাতকের প্রথম গোসল জন্মের অন্তত ২৪ থেকে ৭২ ঘণ্টা পরে করানো সবচেয়ে বেশি নিরাপদ। যদি কোনো কারণে ২৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করা সম্ভব না হয়, তবে কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা পরে গোসল করানো উচিত।
🌸 প্রথম কয়েক সপ্তাহ প্রতিদিন গোসল করানোর প্রয়োজন নেই। সপ্তাহে ২–৩ দিন হালকা গরম পানি দিয়ে গোসল করালেই যথেষ্ট। তবে প্রতিদিন শিশুর মুখ, হাত, ঘাড়, কুঁচকি ও ডায়াপার এলাকা পরিষ্কার রাখুন।
🌸 গোসলের পর শিশুকে দ্রুত মুছে শুকিয়ে নরম কাপড়ে জড়িয়ে রাখুন, যাতে শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকে।
💙 মনে রাখবেন: সঠিক সময়ে ও সঠিকভাবে গোসল করানো নবজাতককে সংক্রমণ ও ঠান্ডাজনিত ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
সাইড না কে*টেও নরমাল ডেলিভারি করানো যায়। করিয়েছি অসংখ্য বার 💗
21/07/2026
সাইড না কে*টেও নরমাল ডেলিভারি করানো যায়। করিয়েছি অসংখ্যবার ❤️
20/07/2026
👶পেটের মধ্যে বাচ্চা হেঁচকি তুলছে - এটা কি স্বাভাবিক?
🌸 পেটের ভেতর হঠাৎ টুকটুক, বুদবুদের মতো নড়াচড়া? ভয় নয়, এটা হতে পারে আপনার সোনামণির হেঁচকি! 👶
গর্ভাবস্থায় অনেক মা পেটের নিচের দিকে নিয়মিত ছন্দময় টুকটুক বা বুদবুদের মতো অনুভূতি পান। এটি অনেক সময় গর্ভের শিশুর হেঁচকি (Fetal Hiccups) হয়ে থাকে।
এটি সাধারণত একেবারেই স্বাভাবিক এবং শিশুর ডায়াফ্রাম (শ্বাস-প্রশ্বাসের গুরুত্বপূর্ণ পেশি) ও স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক বিকাশের একটি অংশ। গর্ভের শিশুটি শ্বাস নেওয়ার অনুশীলন করার সময় এমন হেঁচকি হতে পারে।
✅ সাধারণত যা স্বাভাবিক:
ছন্দময়ভাবে কয়েক মিনিট ধরে অনুভূত হয়।
ব্যথা হয় না।
দ্বিতীয় ও তৃতীয় ত্রৈমাসিকে বেশি অনুভূত হতে পারে।
🌿 তবে যদি শিশুর নড়াচড়া স্বাভাবিকের তুলনায় স্পষ্টভাবে কমে যায়, অথবা কোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দেয়, তাহলে দেরি না করে আপনার প্রসূতি বিশেষজ্ঞের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।
💙 মনে রাখবেন: পেটের ভেতর শিশুর হেঁচকি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বাভাবিক একটি বিষয়। তাই অযথা ভয় না পেয়ে নিয়মিত শিশুর নড়াচড়া পর্যবেক্ষণ করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ফলোআপ করুন।
👩⚕️ এই তথ্যটি সকল গর্ভবতী মায়ের জন্য শেয়ার করুন। হতে পারে আপনার একটি শেয়ার কারও অযথা দুশ্চিন্তা দূর করবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Barisal
8540