Today's Remedy Tomorrow's Sefty
Know medi knowledge be healthy ���
25/03/2025
Pls explain & help to overcome this task
একটু আলাদা করে ভিডিও করলাম,,,সংশোধন থাকলে জানাবেন প্লিজ। পুরোটা দেখে কমেন্টস করুন প্লিজ।।।
pls watch & like/follow me
যারা ঘুমে নাক ডাকেন তাদের সহ সবার উপকারে আসবে।ভিডিও বড় হয়েছে তথ্যের প্রয়োজনেই।সংশোধন থাকলে জানাবেন।
apnia
02/01/2025
TREATMENT WITHOUT MEDICATIONS!!!
----------------------------------------
নিয়মিত নিয়মতান্ত্রিক ব্যায়াম ও কায়িকশ্রমের ফলে কিডনি রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
এছাড়াও ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ ও নিয়ন্ত্রণে থাকে।
দেহের কলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে হৃদরোগ প্রতিরোধ করা যায় এবং রক্তনালী সচল থাকে।
পর্যালোচনা করে দেখা গেছে শুধু নিয়মিত হাঁটার কারণে গড় আয়ু ১৩ বছর পর্যন্ত বেড়ে গেছে।
ডায়াবেটিস ও উচ্চরক্তচাপ কিডনি বিকলের অন্যতম প্রধান কারণ। তাই যার যে বয়স অনুযায়ী উচ্চরক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
এই দুইটি রোগ শুধু কিডনিই বিকল করে না,-হৃদরোগ, ব্রেইন স্ট্রোক, অন্ধত্ব সহ দেহের অনেক রোগের জন্যই দায়ী।
উচ্চরক্তচাপ সব সময় ১৩০/৮০ নিচে রাখতে হবে।
এছাড়াও ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে যাতে-
হিমোগ্লোবিন HbA1c লেভেল ৭ এর নিচে থাকে।
আমাদের দেশের প্রাপ্ত বয়স্কদের মধ্যে ২০ থেকে ৩০ ভাগ মানুষেরই উচ্চরক্তচাপ রয়েছে।
এর প্রধান কারণ হলো,এর কোন লক্ষ্মণই প্রকাশ পায় না।
তাই উচ্চরক্তচাপ নির্ণয়ের জন্য ৩/৪ মাস পর পর রক্তচাপ মেপে নেওয়া উচিৎ।
অতি ভোজন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। খাবার সময় পাতে কাঁচা লবন খাওয়া মোটেই ঠিক না।
বেশী মসলাযুক্ত খাবার, তেলে ভাজা খাবার, ফাস্টফুড, অতিরিক্ত পরিমাণ ঝাল,প্রাণীজ তেল,যেমনঃগরু,
খাসির চর্বি, ঘি,মাখন না খাওয়া।
কিডনি ভালো রাখতে হলে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে। একজন বয়স্ক মানুষের প্রতিদিন অন্তত
৪/৬ লিটার পানি পান করা উচিৎ।
যাদের কিডনিতে পাথর আছে,যাদের প্রস্রাবে ইনফেকশন আছে, যারা রোদ ও কলকারখানায় কাজ করে তাদের আরো বেশী পরিমাণ পানি পান করতে হবে।
তবে যাদের শরীরে অতিরিক্ত পরিমাণ পানি জমা আছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পানি পান করতে হবে।
অতিরিক্ত ধুম পানের ফলে কিডনি বিকল হতে পারে।
ধূমপানে কিডনিতে ক্যান্সার, কিডনি ও মূত্রথলিতে ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে।
এছাড়াও ধুমপানে ফুসফুসের ক্যান্সার, মুখ ও খাদ্যনালীর ক্যান্সার, হৃদরোগ,স্ট্রোক সহ অনেক রোগেরই কারণ হতে পারে।
তাই আজ থেকে ধুমপান পরিহার করুন।
চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোন ঔষধ সেবন করবেন না। দীর্ঘমেয়াদী বিভিন্ন ব্যথার মেডিসিন খাবার জন্য কিডনির সমস্যা হয়।
একটি জরিপে দেখা গেছে, ১০ থেকে ১৫ ভাগ কিডনি বিকল হয় পেইন কিলার বা ব্যাথার ঔষধ সেবনের ফলে।
আর ৭০ থেকে ৮০ ভাগ কিডনি নষ্ট হবার আগে অনেক সময় কোন উপসর্গই দেখা যায় না।
অথচ সামান্য রক্ত ও প্রস্রাব পরীক্ষা করেই এই প্রাণঘাতী রোগ আছে কি না সহজেই জানা সম্ভব।
বয়স যাদের ৪০ এর উপরে তাদের বছরে অন্তত ২ বার কিডনি পরীক্ষা করানো উচিৎ।
উপরোক্ত পরামর্শ গুলো মেনে চললে শুধু কিডনিই না,
অন্যান্য সংক্রামক রোগ থেকেই নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব। তাই আসুন, সকলেই সচেতন হই এবং নিয়মগুলো মেনে চলি।
আমি বা আপনি শুধু নিজেদের জন্যই না,পরিবারের সকলের জন্য সুস্থ্য থাকতে হবে।
সবাই ভালো থাকবেন, সুস্থ্য থাকবেন।
মহান আল্লাহর নিকট সর্বদা এই প্রার্থনা করি।
(SOIKAT)
"কিডনি রোগের ১০ টি লক্ষ্মণ"
***************
১।কিডনি রোগের একটি বড় লক্ষ্মণ হলো,প্রস্রাব পরিবর্তন হওয়া। কিডনির সমস্যা হলে প্রস্রাব বেশী বা কম হয়।বিশেষত রাতে সমস্যা বাড়ে।প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়।
২।প্রস্রাবের সময় ব্যথা হয়ঃ
***************
প্রস্রাবের সময় ব্যথা হওয়া কিডনির রোগের আরেকটি লক্ষ্মণ। প্রস্রাবের সময় ব্যথা, জ্বালাপোড়া এগুলো Urinary track infection এর লক্ষ্মণ।যদি এটি কিডনিতে ছড়িয়ে পড়ে তখন জ্বর হয় এবং পিঠের পিছনে ব্যথা হয়।
৩।প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়াঃ
***************
প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে এটি খুবই ঝুঁকির বিষয়। এমন হলে সাথে সাথে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
এটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ একটি বিষয় ও গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্মণ।
৪।দেহ ফুলে যাওয়া বা ফোলা ভাবঃ
***************
কিডনি শরীর থেকে বর্জ্য ও বাড়তি পানি বের করে দেয়। কিডনি রোগ হলে এই বাড়তি পানি বের হতে সমস্যা হয়।বাড়তি পানি শরীরে ফোলাভাব তৈরী করে বা শরীরকে ফুলিয়ে দেয়।
৫।মনোযোগের অসুবিধাঃ
***************
দেহ থেকে লোহিত রক্ত কণিকা কমে যাবার ফলে মস্তিষ্কে অক্সিজেন সরবরাহ কমে যায়। এই কারণে মনোযোগের অসুবিধা হয়।
৬।শীত শীত অনুভব হওয়াঃ
***************
কিডনি রোগ হলে গরম আবহাওয়ার মধ্যেও শীত শীত অনুভব হয়। আর কিডনিতে সংক্রমণ হলে জ্বরও আসতে পারে।
৭।ত্বকে ফুসকুড়ি হওয়াঃ
***************
কিডনি অকার্যকর হয়ে গেলে রক্তে বর্জ্যপদার্থ বাড়তে থাকে।তাই ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে।
৮।বমি বা বমি বমিভাবঃ
***************
প্রায় সময়ই বমি বমিভাব হয়।খাবারে অরুচি ও মাঝে মাঝে বমি হতে পারে।
৯।শ্বাস-প্রশ্বাস ছোট ছোট হওয়াঃ
******************************
কিডনি রোগের কারণে ফুসফুসে তরল পদার্থ জমা হয়।এছাড়া শরীরে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। এসব কারণে শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা হয়।তাই অনেকে ছোট ছোট শ্বাস নেয়।
১০।পিছনে ব্যথাঃ
***************
কিডনি রোগের কিছু কিছু ক্ষেত্রে শরীরে ব্যথা হয়। পিঠের পাশে নিচের দিকে ব্যথা হয়।
এটিও কিডনি রোগের অন্যতম একটি লক্ষ্মণ।
(SOIKAT)
14/11/2024
★বাচ্চা জন্মের পর এবং লালন পালনের সময়, মা বাবা এবং আত্মীয় স্বজনদের কিছু কমন প্রশ্ন
প্রশ্ন ১ঃবাচ্চা জন্মের পর কতক্ষণ পর পায়খানা ও প্রস্রাব করবে?
➡️প্রতিটি নবজাতক জন্মের ২৪ ঘন্টার মধ্যে অন্তত একবার পায়খানা ও প্রস্রাব করবে। প্রস্রাবের ক্ষেত্রে ৪৮ ঘন্টা অপেক্ষা করা যায়
প্রশ্ন ২ঃবাচ্চাকে বাইরে কোনো খাবার খাওয়ানো যাবে কিনা?
➡️বাচ্চাকে ৬মাস পর্যন্ত বুকের দুধ ছাড়া কোনো কিছু খাওয়ানোর দরকার নেই। চিনির পানি, তাল মিসিরি পানি, মধু, এমনকি এক ফোটা পানিও খাওয়ানোর দরকার নেই।
প্রশ্ন ৩ঃবাচ্চার নাভীতে কি দিব?
➡️বাচ্চার নাভীতে কোন ওষুধ দেওয়ার দরকার নেই।এটা ৭দিনের মধ্যে এমনিতেই পড়ে যাবে। যদি না পড়ে ২১দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করা যায়।
প্রশ্ন৪ঃকীভাবে বুঝবো বাচ্চার নাভীতে সংক্রমণ হয়েছে?
➡️যদি বাচ্চার নাভী লাল হয়ে ফুলে যায় এবং দূগন্ধ অথবা পুজ বের হয় তখন বুঝতে হবে যে নাভীতে ইনফেকশন হয়েছে।
প্রশ্ন ৫ঃনাভীতে ইনফেকশন হলে কমনীয় কি?
➡️বাচ্চার নাভী পভিডিন আয়োডিন দিয়ে পর পর তিন দিন ড্রেসিং করতে হবে এবং, Bactrocin 2%ointment লাগাতে হবে দিনে দুই বার সাত দিন। যদি ইনফেকশন থেকে সেপসিস হয় তখন থাকে, neontologist এর কাছে রেফার করতে হবে।
প্রশ্ন ৬ঃবাচ্চাকে কত দিন পর পর গোসল করানো যাবে?
➡️বাচ্চাকে নাভী পরলে গোসল করাতে হবে। এক্ষেত্রে প্রথম ৪০দিন সপ্তাহে ২-৩ বার গোসল করানো যাবে, ৪০ দিন পর থেকে প্রতিদিন করানো যাবে
প্রশ্ন ৭ঃবাচ্চার শরীরে তেল, সাবান, লোশন দেওয়া যাবে কি না?
➡️প্রথম একমাস বাচ্চাকে, তেল, সাবান, লোশন দেওয়ার দরকার নেই। এক্ষেত্রে অনেক বাবা মা অথবা দাদা দাদি তেল ব্যবহার করতে চাই, সেক্ষেত্রে বাচ্চাকে গোসল করানোর আগে অলিভ অয়েল দেওয়া যেতে পারে।
প্রশ্ন৮ঃবাচ্চাকে রোদে দেওয়া যাবে কিনা?
➡️এই বিষয় নিয়ে ডাক্তারদের মধ্যে দ্বিমত আছে, তবে বাচ্চাকে রোদে দিলে বাচ্চার শরীরে ভিটামিন ডি এক্টিভ হয়। তবে খেয়াল রাখতে হবে ঠান্ডা বাতাসে বাচ্চার যেন ঠান্ডা না লাগে।
প্রশ্ন ৯ঃ বাচ্চাকে ফরমুলা মিল্ক খাওয়ানো যাবে কিনা?
➡️এই বিষয় নিয়ে বাচ্চার মা খুবই চিন্তিত থাকে, তার মনে হয় তার বাচ্চা পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার পাচ্ছে না।সেক্ষেত্রে বাচ্চার মাকে একটা প্রশ্ন করতে হবে, বাচ্চা ২৪ঘন্টায় কয় বার প্রস্রাব করে?যদি একটি বাচ্চা ২৪ ঘন্টায় ৭-৮ বার প্রস্রাব করে তাহলে বুঝতে হবে বাচ্চা পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার পাচ্ছে। সুতরাং তাকে ফরমুলা মিল্ক খাওয়ানোর দরকার নেই।
প্রশ্ন ১০ঃ বাচ্চাকে গরুর দুধ খাওয়ানো যাবে কিনা? বাচ্চাকে ১৮ মাস পর্যন্ত গরুর দুধ খাওয়ানো যাবে না, কারণ এতে বাচ্চার ডায়রিয়া ও এনেমিয়া হতে পারে।
প্রশ্ন১১ঃনবজাতকের ঘুম কেমন হবে?
➡️সাধারানত নবজাতক পিরিয়ডের বাচ্চারা ২৪ ঘন্টায় ১৮ ঘন্টা ঘুমাবে এটা নরমাল। এক্ষেত্রে বাচ্চারা প্রথম কয়েক সাপ্তাহ একটানা ৩-৪ ঘন্টা ঘুমাবে এবং জেগে উঠবে এবং আবার ঘুমাবে।
বিঃদ্রঃ টাইপিং জনিত ভুল থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।(SOIKAT)
08/11/2024
Asthma (অ্যাজমা)
----------------------------
দীর্ঘদিন ধরে শ্বাসতন্ত্রের প্রদাহ সংবেদনশীলতায় স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয় যাকে বলে হাঁপানি বা অ্যাজমা।
অ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট এমন একটি রোগ যার কারণ ভিন্ন ভিন্ন। তবে প্রধান কারণ ২ টি।
১।"এটোপি"বা বংশগত(Genetic)ও এলার্জি এবং পরিবেশগত।
২।শ্বাসনালীর অতি সক্রিয়তা(Bronchial hyper-responsiveness)
পৃথিবীর ৩০ কোটি লোক অ্যাজমায় আক্রান্ত,যা ২০২৫ সাল নাগাদ ৪০ কেটিতে পৌছাবে।
বাংলাদেশে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ।
যার মধ্যে ৪০ লাখই কোমলমতি শিশু।
৬৫% মানুষের আক্রান্ত হবার কারণ অ্যালার্জি।
যুবক বয়সে অ্যাজমা আক্রান্তের হার ১৫%।
পেশাগতভাবে "Potent Sensitizer" সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের মধ্যে ১৫-২০% অ্যাজমা আক্রান্ত হয়।
অ্যাজমা রোগের লক্ষ্মণঃ
**********************
★শ্বাসকষ্ট,সাথে শুকনো কাশি।
★শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় বাঁশির মতো শাঁ শাঁ শব্দ করা।
★হঠাৎ দমবন্ধ অনুভব করা।
★ধুলোবালি বিশেষভাবে ঘরের ধুলো, ঠান্ডা বা গরমের কারণে শুকনো কাশি।
★ঋতু পরিবর্তনের সময় শ্বাসকষ্ট।
★বিটাব্লকার বা অ্যাস্প্রিন জাতীয় ঔষধ খাওয়া।
চিকিৎসার জন্য প্রথমেই দরকার রোগনির্ণয় করা।
রক্ত পরীক্ষা বিশেষ করে রক্তের "ইয়োসিনোফিল"
এবং "সিরাম আইজিইয়ের" মাত্রা বেশি আছে কি না দেখে রোগ নির্ণয় করা।
বুকের "চেষ্ট পিএ ভিউ এক্স-রে।
অ্যাজমা সম্পর্কে আমাদের প্রচলিত ভুল ধারণা।
যা আসলে সত্যি নয়।
********************************************
★অ্যাজমা কখনোই ছোঁয়াচে বা সংক্রমণ নয়।
★অ্যাজমা রোগের কোন চিকিৎসা নেই,তা সত্যি নয়।
★অ্যাজমা রোগী ইনহেলারে অভ্যস্ত হয়ে যায়।
★ইনহেলার নিলে অন্য ঔষধ কাজ করে না,এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।
অ্যাজমার কারণঃ
****************
★বংশগত।
★পরিবেশগত।
★ছোটবেলায় ব্রংকিওলাইটিস বা নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়া।
অ্যাজমার প্রধান ৪ টি উপসর্গঃ
***************************
★দীর্ঘমেয়াদী কাশি।
★শ্বাসকষ্ট।
★বুকে চাপ অনুভব করা।
★বুকের মধ্যে বাঁশির মতো শাঁ শাঁ শব্দ করা।
যে সকল কারণে অ্যাজমা আক্রমণ বাড়েঃ
*************************************
★ধুলায় বসবাসকারী কীট" মাইট"
★অ্যারোসল বা স্প্রে ব্যবহারের ফলে।
★পশুর পশম।
★ধুলাবালি।
★ঠান্ডার আক্রমণ।
★ফুলের পরাগরেণু
★ধুমপান ও চুলার ধোঁয়া।
★ম্যাট বা কার্পেট।
★আবহাওয়া ও তাপমাত্রার তারতম্য।
★অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম।
নিয়মিত একাধারে ২ মাস এবং পরবর্তী সময় শীতের আগমনের পূর্বে কয়েকটি সিজন চিকিৎসা নিলে অ্যাজমা রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয়।
03/11/2024
"COPD"(সিওপিডি)হতে সাবধান!
******************************
আপনার শ্বাসকষ্টের কারণ শুধুমাত্র" অ্যাজমা"নয়।
COPD ও হতে পারে।
COPD( সিওপিডি)দ্বারা বুঝায়-
Chronic Obstructive Pulmonary Disease.
★Chronic-যা দীর্ঘদিন যাবৎ নিরাময় হয় না।
★Obstructive-আংশিকভাবে বন্ধ।
★Pulmonary-ফুসফুসের।
★Disease -রোগ।
COPD(সিওপিডি)কি?
----------------------------
এটি শ্বাসতন্ত্রের বা ফুসফুসের একটি মারাত্মক রোগ।
এই রোগে আক্রান্ত হলে ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়।শ্বাসনালীর দেয়াল মোটা হয়ে ফুলে যায় এবং শ্বাসনালীর ভিতরে আঠালো শ্লেষ্মা তৈরী হয়।
ফলে শ্বাসনালীর ভিতরে কম বাতাস প্রবেশ করতে পারে এবং ফুসফুসের ভিতরের ক্ষুদ্র বায়ু থলিগুলোতে বাতাস আটকে থাকে যার ফলে ফুসফুস সবসময় পরিপূর্ণ অনুভূত হয়।
ইংরেজি পরিভাষায় একে "ক্রনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমোনারি" বলে।
WHO ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের এক জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ১০ লক্ষ মানুষ COPD রোগে মাঝারি থেকে গুরুতর আকারে ভোগে !
COPD-র উপসর্গ।
--------------------------
★দীর্ঘমেয়াদী কাশি।
★কাশির সাথে শ্লেষ্মা নির্গত হওয়া।
★শ্বাসকষ্ট।
★বুকে চাপ অনুভব করা।
★অবসাদ বা ক্লান্তিবোধ হওয়া।
চিকিৎসক আপনার COPD নিরাময় করতে না পারলেও উপসর্গগুলোর উন্নতি ঘটাতে সহায়তা করতে পারেন এবং আপনার ফুসফুসের ক্ষতিকে বিলম্বিত করতে পারেন।
COPD- র কারণ।
-------------------------
★ধূমপান।
★কর্মক্ষেত্রে ধোঁয়া ও ধূলাবালি।
★রান্নার চলা থেকে উৎপন্ন ধোঁয়া।
★বায়ুদূষণ।
★বংশগত।
COPD হলে করণীয়?
------------------------------
★ধূমপান ত্যাগ করুন।
★নিয়মিত চিকিৎসকের নির্দেশ মেনে চলুন।
★নিয়মিত হাঁটুন এবং ব্যায়াম করুন।
★শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম শিখুন।
★পুষ্টিকর খাবার খান এবং সঠিক ওজন বজায় রাখুন।
মনে রাখবেন, বেশীরভাগ COPDরোগীর বয়স ৪০থেকে শুরু হয়।যদিও কম বয়সেও COPD হতে পারে।
নিয়মিত শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করলে এই রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তিরা সুস্থ্য থাকতে পারে।
COPD রোগের চিকিৎসা।
-----------------------------------
এই রোগে মেডিসিনের চেয়ে নিয়মের মধ্যে চলা বেশী জরুরী। নিয়মিত শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করা ও বদঅভ্যেস পরিত্যাগ করতে হবে।
Erdostenine IMM 300 mg
দিনে ২ বার ১ থেকে ২ মাস।
Doxophylline-200/400 ১ বার ১/২মাস।
Amoxicillin 250/500 দিনে ৩ বার।১ মাস।
Montelukast 4/5/10 ১বার।১/২ মাস।
Unani Medicine:Echinacea purpurea-400mg Capsule.১ টা করে দিনে ২ বার।১/২ মাস।
Syrup :Nonsedating Cough Syrup.
৪ চামচ করে দিনে ২ বার।১/২ মাস।
আপনাকে আমাকে সুস্থ্য থাকতে হবে আপনার বা আমার নিজের জন্য নয়।
আমাদের জীবনের সাথে আরো অনেকের জীবন জড়িয়ে আছে।
আপনার আমার অবর্তমানে ওরা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? এটা ভেবেই আমাদের সুস্থ্য থাকতে হবে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Rupatoli Road
Barishal
BARISAL