Abdul Mamin

Abdul Mamin

Share

পজিটিভ দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে সমাজ পরিবর্তন করতে চাই।

17/08/2026

পা কামড়ানো বা পায়ে অস্বস্তি ও ব্যথা অনুভব করা বেশ সাধারণ একটি সমস্যা। সাধারণত পেশির টান, ক্লান্তি বা পুষ্টির অভাবের কারণে এমনটি হয়ে থাকে।
পা কামড়ানোর প্রধান কারণসমূহ
* পুষ্টি ও ভিটামিনের অভাব: শরীরে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম, এবং ভিটামিন B-12 বা D-এর ঘাটতি থাকলে স্নায়ু ও পেশিতে ব্যথা বা কামড়ানোর অনুভূতি হয়।
* পানিশূন্যতা (Dehydration): শরীরে পর্যাপ্ত পানি ও ইলেক্ট্রোলাইটের অভাব হলে পেশি সংকুচিত হয়ে পা কামড়াতে পারে।
* অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম বা কায়িক শ্রম: সারাদিন বেশি হাঁটাচলা, দাঁড়িয়ে কাজ করা বা ভারী ব্যায়ামের পর পেশি ক্লান্ত হয়ে পড়লে এমন হতে পারে।
* রক্ত সঞ্চালনে ব্যাঘাত: দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকলে পায়ে রক্ত সঞ্চালন কম হতে পারে।
* গর্ভাবস্থা: গর্ভবতী নারীদের শরীরে খনিজের ভারসাম্যহীনতা ও ওজন বৃদ্ধির কারণে পায়ে টান বা কামড়ানোর অনুভূতি হতে পারে।
* অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যা: থাইরয়েড, ডায়াবেটিস, নার্ভের সমস্যা কিংবা কিডনির জটিলতা থাকলেও পা কামড়াতে পারে।
পা কামড়ানোর সমাধান ও যা খাওয়া উচিত
* পানি ও পানীয়: প্রতিদিন অন্তত ৮–১০ গ্লাস পানি পান করুন। তীব্র গরম বা ঘাম হলে ডাবের পানি, স্যালাইন বা লেবুর শরবত খেতে পারেন, যা ইলেক্ট্রোলাইটের ঘাটতি মেটায়।
* ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D সমৃদ্ধ খাবার: দুধ, দই, ছানা, ডিম, ছোট মাছ এবং সবুজ শাকসবজি (যেমন পালং শাক)।
* পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার: কলা, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, মিষ্টি আলু, খেজুর এবং তিল।
* ভিটামিন B-complex সমৃদ্ধ খাবার: লাল চালের ভাত, ডিম, কলিজা ও বিভিন্ন ধরনের ডাল।
তাত্ক্ষণিক আরাম ও প্রতিরোধের উপায়
* হালকা গরম পানি দিয়ে পা ধোয়া বা হালকা গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে পা ডুবিয়ে রাখা।
* হালকা হাতে পা মালিশ করা এবং পায়ের পেশির হালকা স্ট্রচিং (Stretching) করা।
* ধূমপান ও অতিরিক্ত ক্যাফেইন (চা/কফি) এড়িয়ে চলা।
যদি এই সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে, পায়ে অতিরিক্ত ফুসকুড়ি বা ফোলাভাব দেখা দেয়, অথবা রাতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়, তবে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্র প্রয়োজনীয় রক্ত পরীক্ষা (যেমন ভিটামিন বা ক্যালসিয়াম পরীক্ষা) করিয়ে নেওয়া উচিত।

20/07/2026

লিওনেল মেসিকে নিয়ে আজ রাইভাল ফ্যানরা ট্রল করবেন, মেসির গোল্ডেন বল মিস করা নিয়ে মজা করবেন, ফানি মিমস শেয়ার করবেন, হয়তো মেসির কান্নার ছবি শেয়ার করে মজা করবেন। ফুটবলের ব্যান্টারে এটা ভুল কিছু না।

কিন্তু লিওনেল মেসির ২০২৬ সালের জার্নিটা যারা দেখেছেন, তারা আসলে জানবেন মেসি ২০২৬ বিশ্বকাপে কি না করেছেন! সেমি ফাইনাল শেষ হওয়া পর্যন্ত যে লোকটা গোল্ডেন বুট আর গোল্ডেন বলের রেইসে সবচেয়ে এগিয়ে, তৃতীয় নির্ধারণী ম্যাচে এমবাপ্পের ২ গোল, ১ এসিস্ট, আর ফাইনালে মেসি আর আর্জেন্টিনার মলিন পারফরম্যান্স মেসিকে বল আর বুট দুইটা থেকেই বঞ্চিত করলো। তবে সত্যি বলতে তেমন আক্ষেপ নেই, আক্ষেপ থাকলে একটা জায়গাতেই থাকবে যে অনেক বছর পর মানুষ ২০২৬ সালে মেসির পারফরম্যান্সটা হয়তো একনোলেজ করতে পারবেন না!

৩৯ বছর বয়স, জর্ডান ম্যাচ বাদ দিলে প্রতি ম্যাচেই ফুল টাইম খেলেছেন, তিনটা ম্যাচে ১২০ মিনিট করে খেলেছেন! এই ৩৯ বছর বয়সে যেখানে অন্যদের মেসিকে ক্যারী করার কথা, সেখানে মেসিই ক্যারি করেছেন দলকে। ৩৯ বছর বয়সে অনেক ফুটবলার চ্যারিটি ম্যাচ শুরু করেন, সেখানে ৩৯ বছর বয়সী মেসিই হাঁটুর বয়সী ছেলেদের সাথে কম্পিট করে নিজের দেশকে ফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে যান। ২০২৬ বিশ্বকাপে মেসির যেখানে ৮ গোল আর ৪ এসিস্ট, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আর্জেন্টাইন গোল কন্ট্রিবিউটার লাউতারোর ৩ গোল আর ১ এসিস্ট। ভাগ্যটা দেখেন, ফাইনাকে সেই লাউতারোকেই এক মিনিট খেলাতে পারেনি আর্জেন্টাইন কোচ।

৩৯ বছর বয়সে মেসি যেই পারফরম্যান্স করেছেন, যেভাবে আর্জেন্টিনাকে টেনে ফাইনাল পর্যন্ত নিয়ে গেছেন, এটা অবিশ্বাস্য। এই আর্জেন্টিনা ফাইনাল পর্যন্ত আসবে, এটা বোধহয় খুব কম মানুষই প্রেডিক্ট করেছিলো। যাই হোক, পার্সোনাকি আমি চেয়েছিলাম, মেসি ২০২২ বিশ্বকাপ খেলেই অবসরে যাক; এরপর যখন ২৪ এর কোপা দেখলাম, মনে হলো ডি মারিয়ার সাথে অবসর নিলে ভাল হতো। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ খেলায় মনে হয়েছিল শেষটা ভালো হবে না; শেষটা আসলেই ভালো হয়নি, তবে শেষটা অন্তত ফাইনালিস্ট হিসেবে মেসি শেষ করেছেন, এটাও আসলে অনেক। সবসময় আসলে রুপকথা জন্মায় না! তবু ৩৯ বছর বয়সে এসে স্ট্যাটিস্টিকালি নিজের সেরা বিশ্বকাপ ক্যামপেইন কাটানো চাট্টিখানি কথা না।

আর্জেন্টিনার সোনালী অধ্যায়টা এই মেসিকে ঘিরেই ছিলো, সোনালী অধ্যায়ের শেষটা বোধহয় ২০২৬ বিশ্বকাপের মাধ্যমেই হলো।

08/07/2026

আপনি কি কখনো ভেবেছেন, যখন আপনি জায়নামাজে দাঁড়িয়ে বলেন "আল্লাহু আকবার"

তখন আল্লাহ ঠিক কোথায় থাকেন? এই প্রশ্নটা হয়তো কখনো মাথায় আসেনি।
অথবা এসেছে; কিন্তু উত্তর খোঁজার সাহস হয়নি।

কিন্তু চৌদ্দশত বছর আগে, এক সাহাবী এই প্রশ্নের উত্তর জেনেছিলেন। এবং সেই উত্তর শুনে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন।

আজ সেই ঘটনাটি শেয়ার করবো।

একটি রাতের ঘটনা, মদিনার অলিতে গলিতে মদিনার রাত। চাঁদের আলোয় ধুয়ে যাচ্ছে পথঘাট। মসজিদে নববীতে তখনো প্রদীপ জ্বলছে। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর সাহাবীদের নিয়ে বসে আছেন।

সেদিন হযরত আবু যর গিফারী (রা.) রাসূলের ﷺ কাছে এসে বসলেন। মনের ভেতর একটা প্রশ্ন অনেকদিন ধরে ঘুরছে। লজ্জায় জিজ্ঞেস করতে পারছেন না। কিন্তু আজ আর থাকা গেল না। আস্তে আস্তে বললেন, "ইয়া রাসূলাল্লাহ! নামাজে যখন আমি দাঁড়াই, আল্লাহ তখন কোথায় থাকেন?"

মসজিদে একটু নীরবতা নামল। রাসূলুল্লাহ ﷺ তাঁর দিকে তাকালেন। সেই চোখে ছিল অসীম মায়া। তারপর ধীরে ধীরে বললেন,
"আল্লাহ তা'আলা বান্দার দিকে মুখ করে থাকেন যতক্ষণ সে নামাজে থাকে এবং অন্যদিকে মনোযোগ না দেয়।" (সুনানে নাসাঈ, হাদিস: ১১৯৫)

আবু যর (রা.) কথাটা শুনলেন।এক সেকেন্ড! দুই সেকেন্ড! তারপর হঠাৎ তাঁর চোখে পানি। পা কাঁপতে শুরু করল। বুকের ভেতর কী যেন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

আল্লাহ...নামাজে...আমার দিকে মুখ করে থাকেন?

সেই মহান রব, যিনি সমগ্র সৃষ্টিজগতের মালিক; যাঁর একটি "কুন" বলায় পৃথিবী, গ্রহ-নক্ষত্র সহ সকল কিছু সৃষ্টি হয়েছে তিনি...আমার মতো একজন সামান্য বান্দার দিকে মুখ করে থাকেন?

এবং আমি...নামাজে দাঁড়িয়ে এদিক-ওদিক তাকাই? মাথায় সংসারের চিন্তা ঘোরে? ব্যবসায়ের হিসাব করি?

এই ভাবনা এসে আঘাত করল বুকের মাঝখানে। আর সেই আঘাত সহ্য করতে পারলেন না আবু যর (রা.)। তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন।

আল্লাহ কি সত্যিই এতটাই কাছে থাকেন? এটা কি শুধু একটা গল্প? না। কুরআনে আল্লাহ নিজেই বলেছেন, "আমি তোমার শাহরগ (গলার শিরা) থেকেও বেশি কাছে।"
(সূরা ক্বাফ: ১৬)

আরেক হাদিসে আছে, "বান্দা যখন নামাজে দাঁড়ায়, আমি তার সামনে থাকি। সে যদি ডানে তাকায়, আমিও তার ডানে। বামে তাকালে আমিও বামে। সরাসরি সামনে তাকালে আমি তার সামনে।"
(মুসনাদে আহমাদ)

একটু থামুন।

এই কথাটা আবার পড়ুন। আল্লাহ আপনার সামনে থাকেন, নামাজে। তিনি আপনার দিকে তাকিয়ে আছেন। আপনার ঠোঁটের নড়াচড়া দেখছেন। আপনার চোখের পানি দেখছেন। আপনার বুকের কান্না শুনছেন।

আমরা কি জানি, নামাজে কাকে পাচ্ছি?

আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ একদিন বললেন, "তোমরা কি জানো, নামাজে বান্দা কার সাথে কথা বলে?"

সাহাবীরা চুপ। রাসূল ﷺ বললেন,
"সে তার রবের সাথে কথা বলে। তাই সে যেন ভালো করে ভাবে সে কীভাবে কথা বলছে।" (মুস্তাদরাকে হাকিম)

ভাবুন একবার। দুনিয়ার কোনো বড় নেতার সাথে দেখা হলে আমরা কতটা প্রস্তুতি নিই!
পোশাক ঠিক করি। কথা গুছিয়ে নিই। ওনার কথায় মনোযোগ দিই।

কিন্তু! আল্লাহর সাথে কথা বলার সময়, মন থাকে বাজারে আর নামাজের পর ব্যবসা কিংবা প্রতিষ্ঠানের হিসাবে।

আবু যর (রা.) অজ্ঞান হননি ভয়ে। তিনি অজ্ঞান হয়েছিলেন লজ্জায়। সারাজীবন নামাজ পড়েছেন। কিন্তু কখনো ভাবেননি
এই নামাজে আল্লাহ নিজে সামনে থাকেন।

এই ব্যাপারটি ভাবতেই তাঁর হৃদয় আর নিতে পারেনি।

আর আমরা?

আমরা প্রতিদিন পাঁচবার এই সুযোগ পাচ্ছি। প্রতিদিন আল্লাহ আমাদের দিকে মুখ করে অপেক্ষা করছেন। এবং আমরা মোবাইল রেখে উঠি। কোনরকম নামাজ শেষ করে উঠে যাই। পুরো নামাজে মনোযোগ থাকে কার ব্যাপারে কি প্ল্যান, নিজের ব্যবসার হিসাব আর অফিসের মাসিক মিটিং-এ কি হবে!

শেষ কথা, আজ থেকে নামাজটা একটু আলাদা হোক। আজ যখন নামাজে দাঁড়াবেন, একটু থামুন। চোখ বন্ধ করুন।

মনে করুন, মহা মুনিব আল্লাহ এখন আপনার সামনে। তিনি আপনার দিকে তাকিয়ে আছেন। তিনি সব শুনছেন। শুধু এটুকু মনে রাখুন। দেখবেন আপনার চোখও ভিজে আসবে।

হয়তো আবু যর (রা.)-এর মতো না, কিন্তু বুকের ভেতর কিছু একটা নড়ে উঠবে।
সেটাই ঈমান। সেটাই নামাজের প্রাণ।

"যে ব্যক্তি এমনভাবে নামাজ পড়ে যেন সে আল্লাহকে দেখছে, এটাই হলো ইহসান।"
(সহিহ মুসলিম; হাদিসে জিবরাঈল)

(লেখা সংগৃহীত)

06/07/2026

মাসে ৫০০ টাকা… আর পাশে সরকারও ৫০০ টাকা দিলে ভবিষ্যৎটা কি বদলে যেতে পারে না?

আমরা প্রতিদিন পরিবারের জন্য কত কিছুই না করি।
বাজারের খরচ, বাসা ভাড়া, সন্তানের পড়াশোনা, বাবা-মায়ের ওষুধ, সবকিছুর জন্য হিসাব করি।
কিন্তু খুব কম মানুষই একবার থেমে ভাবে,

“আমি যখন ৬০ বছর বয়সে পৌঁছাব, তখন আমার নিজের জন্য কী থাকবে?”

আজ আমরা কাজ করছি, আয় করছি, পরিবার সামলাচ্ছি।
কিন্তু একদিন তো বয়স বাড়বে, শক্তি কমবে, কাজের গতি কমে যাবে।
সেই সময় যদি নিজের হাতে নিয়মিত একটা টাকা আসে, তাহলে সেটাই হতে পারে জীবনের সবচেয়ে বড় স্বস্তি।

এখানেই সর্বজনীন পেনশন স্কিম ‘সমতা’ নিয়ে নতুন করে ভাবার কারণ আছে।

ধরুন, আপনি প্রতি মাসে ৫০০ টাকা জমা দিলেন।
শুধু আপনিই নন সরকারও আপনার সঙ্গে আরও ৫০০ টাকা যোগ করল।
অর্থাৎ প্রতি মাসে মোট ১,০০০ টাকা আপনার পেনশন ফান্ডে জমা হচ্ছে।

এখন ভাবুন, এই টাকাটা শুধু জমা থাকছে না:
এর ওপর cumulative compounding বা চক্রবৃদ্ধি হারে মুনাফা যোগ হচ্ছে।
অর্থাৎ সময় যত যাচ্ছে, আপনার টাকাও তত বাড়ছে।
ছোট অঙ্কের নিয়মিত সঞ্চয় একসময় বড় অঙ্কের একটি তহবিলে পরিণত হতে পারে।

এই কারণেই আজকের ৫০০ টাকা ভবিষ্যতে শুধু ৫০০ টাকা থাকে না,
এটা ধীরে ধীরে একটি বড় আর্থিক নিরাপত্তায় রূপ নেয়।

ধরুন, আপনার বয়স এখন ৩০।
আপনি নিয়মিত জমা দিতে থাকলেন।
যখন আপনার বয়স ৬০ হবে, তখন আপনি এমন একটি অবস্থায় পৌঁছাতে পারেন,
যেখানে আপনার জন্য নিয়মিত পেনশনের ব্যবস্থা তৈরি হয়ে গেছে।

আরও বড় বিষয় হলো:
চাইলে ১০ বছর পর আপনি voluntary retirement-এও যেতে পারবেন।
অর্থাৎ দীর্ঘদিন অপেক্ষা না করেও নির্দিষ্ট সময় পর আপনি সুবিধা নেওয়ার সুযোগ পেতে পারেন।

শুধু তাই নয়,
এককালীন ৩০% gratuity পাওয়ার সুযোগও আছে।
মানে, আপনি চাইলে একটি অংশ একসঙ্গে হাতে পেতে পারেন,
আর বাকি অংশ থেকে নিয়মিত পেনশন নিতে পারেন।
যাদের একসময় বড় কোনো প্রয়োজন হতে পারে, তাদের জন্য এটি সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ একটি সুবিধা।

এই স্কিমের সবচেয়ে সুন্দর দিক হলো:
এটি শুধু সঞ্চয় না,
এটি ভবিষ্যতের সম্মান, নিরাপত্তা, আর মানসিক শান্তির প্রস্তুতি।

অনেকেই DPS করেন, সঞ্চয় করেন, টাকা জমিয়ে রাখেন।
কিন্তু এখানে পার্থক্য হলো:
আপনি একা না, সরকারও আপনার পাশে থাকছে।
আপনার ৫০০ টাকার সঙ্গে সরকারের ৫০০ টাকা,
তার ওপর চক্রবৃদ্ধি মুনাফা:
এই সমন্বয়টাই বিষয়টিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে।

একদিন যখন বয়স হবে,
তখন সবচেয়ে বড় কষ্ট শুধু টাকার অভাব না,
সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো অন্যের ওপর নির্ভর করতে হওয়া।
কিন্তু যদি নিজের একটি পেনশন ব্যবস্থা থাকে,
তাহলে সেই বয়সেও মানুষ মাথা উঁচু করে বলতে পারে:

“আমি এখনো নিজের জন্য প্রস্তুত ছিলাম।”

আজ অনেকের কাছে ৫০০ টাকা হয়তো খুব বড় কিছু না।
কিন্তু সেই ৫০০ টাকাই যদি সরকারের সমপরিমাণ অবদানে,
চক্রবৃদ্ধি মুনাফায়,
আর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায়
একদিন বড় একটি নিরাপত্তা হয়ে দাঁড়ায়:
তাহলে এটাকে ছোট সিদ্ধান্ত বলা যায় না।

সঞ্চয় একদিন শেষ হতে পারে,
কিন্তু পরিকল্পিত পেনশন ভবিষ্যতে নিয়মিত ভরসা দিতে পারে।

আজকের ছোট পদক্ষেপ,
আগামী দিনের বড় নিরাপত্তা হতে পারে।

আপনার মতে, ভবিষ্যতের জন্য কোনটি বেশি জরুরি, শুধু সঞ্চয়, নাকি সরকার-সহযোগিতায় পেনশনের নিশ্চয়তা?

website: https://www.upension.gov.bd/

06/07/2026
Photos from Abdul Mamin's post 21/06/2026

যার ছায়ায় বড় হয় প্রতিটি স্বপ্ন

নিজের ইচ্ছা, ক্লান্তি আর স্বপ্নগুলো আড়াল করে আমাদের জন্য গড়ে তুলেছেন সম্ভাবনার এক নতুন পৃথিবী।

সেই নীরব ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি সব বাবাকে জানাই বাবা দিবসের আন্তরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

17/06/2026

মেসি নিজের বয়সের সাথে খাপ খাইয়ে নিজের খেলার ধরন বদলেছেন, কিন্তু রোনালদো তাঁর শরীরকে অস্বীকার করে সেই আগের গতি আর শক্তির ফুটবলেই আটকে থাকতে চাইছেন। রোনালদো পুরো ক্যারিয়ার জুড়ে নিজের অতিমানবিক পরিশ্রম আর জেদ দিয়ে এই অমানবিক মানদণ্ডটি নিজেই তৈরি করেছিলেন। তিনি মানুষকে বিশ্বাস করতে বাধ্য করেছিলেন যে, তিনি ফিজিক্সের সব সূত্রকে বুড়ো আঙুল দেখাতে পারেন। কিন্তু আজ যখন তিনি পারছেন না, তখন মানুষ তাঁকে ক্ষমা করছে না।

ম্যাচ শেষ। রেফারির লম্বা বাঁশি বেজে ওঠার সাথে সাথে পুরো স্টেডিয়ামে নেমে এল এক অদ্ভুত, পরাবাস্তব পিনপতন নীরবতা।

ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো একা, মাথা নিচু করে টানেলের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন। তাঁর বুক তীব্রভাবে ওঠানামা করছে। ৪১ বছরের ক্লান্ত শরীরটা আজ হয়তো সবটুকু নিংড়ে দিয়েছে। তাঁর চোখে কোনো জল, আছে এক শূন্য, হিমশীতল দৃষ্টি। তিনি কি রুনির কথাগুলো শুনেছেন? তিনি কি বুঝতে পারছেন যে, তাঁর নিজের তৈরি করা সাম্রাজ্য আজ তাঁকে ছুঁড়ে ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে?

ড্রেসিংরুমের দরজা খুলে তিনি ভেতরে ঢুকলেন। কিন্তু সেখানে কোনো উল্লাস নেই। কঙ্গোকে হারানোর আনন্দ নেই। ব্রুনো ফার্নান্দেজ, বার্নার্দো সিলভারা মাথা নিচু করে নিজেদের বুট খুলছেন। কেউ রোনালদোর চোখের দিকে তাকাচ্ছে না। এই নীরবতা কোনো সাধারণ নীরবতা নয়; এটি হলো এক প্রজন্মের অবদমনের নীরব বিদ্রোহ।

রোনালদো তাঁর লকারের সামনে বসে আছেন। তিনি জানেন, তাঁর রাজমুকুট খসে পড়ছে। এই প্রাচীন সম্রাট কি নিয়তির এই নিষ্ঠুর নীল নকশার কাছে আত্মসমর্পণ করে নীরবে বিদায় নেবেন? নাকি আহত বাঘের মতো শেষবারের মতো ঘুরে দাঁড়িয়ে এই পুরো সিস্টেমকে, এই তরুণদের বিদ্রোহকে একাই ধ্বংস করে দিয়ে এক নতুন ইতিহাস লিখবেন?

17/06/2026

লোকটার বয়স ৩৮ বছর।
ফুটবল মাঠে ৩৮ বছর মানে কী সেটা একটু বুঝিয়ে বলি। তোমার এলাকার যে বড় ভাই আছে যে বলে, আরে আমরা তখন কী ফুটবল খেলতাম, সে এখন মাঠে নামলে পাঁচ মিনিটে হাঁটু ধরে বসে পড়বে। আর মেসি? ৩৮ বছর বয়সে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ এ আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক করে ঘরে ফিরে গেছে।

তিনটা গোল। ১৭ মিনিটে, ৬০ মিনিটে, ৭৬ মিনিটে। আর্জেন্টিনা জিতেছে ৩-০।
কিন্তু শুধু এইটুকু বললে গল্পটা অসম্পূর্ণ থেকে যায়।

মেসি এই হ্যাটট্রিক দিয়ে বিশ্বকাপে মোট ১৬টা গোল করে ফেলেছে। মানে সর্বকালের সর্বোচ্চ বিশ্বকাপ গোলদাতা মিরোস্লাভ ক্লোজের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছে। আর মাত্র একটা গোল করলেই একা দাঁড়িয়ে থাকবে ইতিহাসের শীর্ষে।

এই লোকটা ছোটবেলায় গ্রোথ হরমোনের সমস্যায় ভুগছিল। চিকিৎসার খরচ দিতে পারছিল না পরিবার। বার্সেলোনা ট্রায়ালে গিয়ে একটা ন্যাপকিনে কন্ট্র্যাক্ট সই করিয়ে এনেছিল মাত্র এই কারণে যে কোনো কাগজ ছিল না হাতের কাছে। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলে এসে একের পর এক ফাইনাল হেরেছে। ২০১৪ বিশ্বকাপ ফাইনাল হেরেছে। কোপা আমেরিকা ফাইনাল হেরেছে। একবার না, তিনবার। অবসরও নিয়েছিল হতাশায়। তারপর ফিরে এসেছে। ২০২১ এ কোপা জিতেছে। ২০২২ এ বিশ্বকাপ জিতেছে।

আর এখন ৩৮ বছর বয়সে আবার মাঠে। আবার হ্যাটট্রিক।
কোচ স্কালোনি ম্যাচের পর বলেছেন, এটা বর্ণনা করার ভাষা আমার কাছে নেই।
ভাষা না থাকাটাই স্বাভাবিক। কারণ যা দেখছি সেটা শুধু ফুটবল না। এটা একটা জীবনের গল্প।
কিন্তু এই গল্পটা তোমার জীবনের সাথে কীভাবে মেলে সেটাই আসল কথা।

তুমি হয়তো এখন কোনো একটা কাজ করছো। ডেভেলপমেন্ট শিখছো, ডিজাইন শিখছো, ব্যবসা করার চেষ্টা করছো, পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছো। আর বারবার মনে হচ্ছে হচ্ছে না। ইন্টার্নশিপে রিজেক্ট হচ্ছো, প্রজেক্ট ফেল করছে, রেজাল্ট ভালো হচ্ছে না।

মেসি কিন্তু এই জায়গাতেই ছিল। শুধু সে একটা কাজ করেছে যেটা বেশিরভাগ মানুষ করে না। সে থামেনি। হেরেছে, উঠেছে। আবার হেরেছে, আবার উঠেছে। অবসর নিয়েছে, আবার ফিরে এসেছে। আমরা ট্রল করেছি। আর প্রতিবার ফেরার সময় আগের চেয়ে ভালো হয়ে ফিরেছে।
৩৮ বছর বয়সে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক এমনি এমনি হয় না। এইটার পেছনে আছে বিশ বছরের ঘাম, শত শত ট্রেনিং সেশন, হারের রাতে ঘুম না আসা, আবার সকালে উঠে মাঠে যাওয়া।
ডেডিকেশন মানে এইটাই।

ডেডিকেশন মানে একদিন মন ভালো থাকলে কাজ করা না। ডেডিকেশন মানে মন খারাপ থাকলেও, ক্লান্ত থাকলেও, মনে হচ্ছে কিছুই হচ্ছে না তারপরেও প্রতিদিন একটু একটু করে এগোনো।

মেসি যদি ২০১৬ সালে অবসরের পর সত্যি সত্যি চলে যেত, আমরা কখনো ২০২২ এর বিশ্বকাপ জয় দেখতাম না। আর আজকে এই হ্যাটট্রিক তো কল্পনাই করা যেত না।
তোমার জীবনেও এমন একটা মুহূর্ত আসবে যখন মনে হবে ছেড়ে দেওয়াই ভালো। সেই মুহূর্তে মেসির কথা মনে করো।

লোকটার বয়স ৩৮। মাঠে নেমেছে। হ্যাটট্রিক করে ঘরে ফিরেছে।
তোমার অজুহাতটা আবার কী ছিল?

17/06/2026

৪১ বছর বয়সে লোকটা এখনো বিশ্বকাপ জেতেনি।
এইটা পড়ে হয়তো মনে হচ্ছে, আহারে, বেচারা। কিন্তু থামো। গল্পটা আহারের না। গল্পটা অন্য জায়গায়।

ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ারের লিস্টটা একটু দেখো। পাঁচটা ব্যালন ডি'অর। পাঁচটা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। ইউরো কাপ। নেশনস লিগ। আন্তর্জাতিক ফুটবলে সর্বোচ্চ গোল ১৪৩টা। সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক ম্যাচ ২২৭টা। ক্লাব আর দেশ মিলিয়ে ৯০০ এর বেশি গোল।
এই লিস্ট দেখে যেকেউ বলত, ভাই যথেষ্ট হয়েছে। এখন বাসায় বসো।
কিন্তু রোনালদো বসেনি।

কারণ একটা জিনিস এখনো নেই। বিশ্বকাপ।
২০০৬ সেমিফাইনালে থামল। ২০১০ কোয়ার্টারফাইনালে। ২০১৪ গ্রুপ স্টেজেই বিদায়। ২০১৮ রাউন্ড অফ সিক্সটিনে। ২০২২ কোয়ার্টারফাইনালে। পাঁচটা বিশ্বকাপ। একটাতেও ট্রফি নেই।
আর এখন ৪১ বছর বয়সে ষষ্ঠবার মাঠে নামছে।

এই পৃথিবীতে এইটা আগে কেউ করেনি।

কিন্তু যারা শুধু সংখ্যা দেখে তারা আসল গল্পটা মিস করে। আসল গল্পটা হলো কোথা থেকে এসেছে এই লোক।

পর্তুগালের ছোট্ট মাদেইরা দ্বীপ। বাবা মাতোয়া, মানে মাঠ দেখাশোনা করতেন। পরিবারের এতটাই টানাটানি ছিল যে চারজন একটা ছোট্ট ঘরে থাকত। আর সেই ছেলের হার্টে সমস্যা ধরা পড়ল ছোটবেলায়। অপারেশন হলো। ডাক্তার বলেছিল ফুটবল হয়তো হবে না।
সেই ছেলে এখন ৪১ বছর বয়সে ষষ্ঠ বিশ্বকাপে।

মাঝখানে কী ছিল? শুধু কাজ। প্রতিদিন, প্রতিটা ট্রেনিং সেশনে সবার শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকা। ঘুমানোর আগে আলাদা করে ওয়ার্কআউট। খাওয়াদাওয়া নিয়ে এতটাই সিরিয়াস যে সতীর্থরা হাসত। বছরের পর বছর এই রুটিন একদিনও মিস করেনি।
দলের সতীর্থরা বলেছে, রোনালদো ৩৫ বছর বয়সেও ২২ বছরের ছেলেদের মতো ট্রেনিং করত। এখনো করে।

কিন্তু সবচেয়ে কঠিন রাতটা ছিল ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে।
কোয়ার্টারফাইনালে মরক্কোর কাছে হারল পর্তুগাল। রোনালদো পুরো ম্যাচ বেঞ্চে বসে ছিল, কারণ কোচ তাকে প্রথম একাদশে রাখেনি। ১৪ বছর পর এই প্রথম কোনো বড় টুর্নামেন্টে সে বেঞ্চে। ম্যাচ শেষে মাঠ থেকে বের হওয়ার সময় ক্যামেরায় ধরা পড়ল চোখে জল।
সেই মুহূর্তে যেকেউ বলত, এইবার শেষ। ৩৭ বছর বয়সে এই অপমান সহ্য করে আর না।
কিন্তু রোনালদো ফিরে এল।

আবার পর্তুগাল জার্সিতে। আবার গোল। আবার রেকর্ড। আর এখন ৪১ বছর বয়সে আবার বিশ্বকাপে। শেষবারের মতো। একটাই স্বপ্ন নিয়ে, যেটা পাঁচবার চেষ্টা করেও পাওয়া হয়নি।
এইটাই রোনালদোর সবচেয়ে বড় গল্প। ট্রফি জেতাটা না। বারবার উঠে দাঁড়ানোটা।
এখন একটু ভাবো।

তুমি একটা পরীক্ষায় ফেল করেছ, দুইটা ইন্টার্নশিপে রিজেক্ট হয়েছ, একটা প্রজেক্ট কাজ করেনি। আর তুমি ভাবছ ছেড়ে দেওয়াই ভালো। কিন্তু রোনালদো পাঁচটা বিশ্বকাপে গিয়ে একটাও ট্রফি পায়নি। বেঞ্চে বসে কেঁদেছে। তারপরেও উঠে দাঁড়িয়েছে। আবার ট্রেনিং করেছে। আবার গোল করেছে। আবার স্বপ্ন দেখেছে।

কারণ সে একটা জিনিস বিশ্বাস করে। যতক্ষণ মাঠে আছি, সুযোগ আছে। মাঠ ছেড়ে গেলে সুযোগও শেষ।

তোমার ক্ষেত্রেও এইটাই সত্যি।
যতক্ষণ চেষ্টা করছ, সুযোগ আছে। থেমে গেলে গল্প শেষ। আর থেমে যাওয়াটা হারের চেয়েও বড় পরাজয়, কারণ হারলে আবার উঠে দাঁড়ানো যায়, কিন্তু থেমে গেলে আর শুরু করার ইচ্ছাটাই হারিয়ে যায়।
রোনালদো ৪১ বছর বয়সে মাঠে নামছে কারণ সে থামেনি।

আর তুমি কত বছর বয়সে থেমে গেছ?

Telephone

Website

Address

Balshid, Shahrasti
Chandpur
3620

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdul Mamin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Subscribe

We will notify you when anything happens in Chandpur.