Islamic_talking_
๏ সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য
๏ কুরআন 》হাদিস 》ইসলামিক রিমাইন্ডার ♡
๏ প্রচার করো আমার পক্ষ থেকে যদি একটি মাত্র
আয়াতও হয়। [সহিহ বুখারী: ৩৪৬১] �
23/08/2026
জান্নাতে প্রবেশ করবে কারা?
* তারা, যারা অনবরত ক্ষমা প্রার্থনা করে।
* তারা, যারা খাঁটি মনে তওবা করে।
* তারা, যারা বারবার আল্লাহর দরবারে ফিরে আসে।
বিষয়টি নিষ্পাপ হওয়ার নয়;
বিষয়টি হলো আল্লাহর পানে ফিরে আসার চেষ্টা কখনো না ছাড়ার।
22/08/2026
নেক কাজের প্রতিযোগিতায় আপনি কতটুকু এগিয়ে?
কাউকে এক ঢোক পানি দেওয়া থেকে শুরু করে কোনো অবলা প্রাণীর মুখে খাবার তুলে দেওয়া—আল্লহর কাছে কোনো ভালো কাজই ছোট নয়।
فَاسْتَبِقُوا الْخَيْرَاتِ
"অতএব তোমরা সৎকাজে প্রতিযোগিতা কর।"
সূরা আল-বাকারাহ: ১৪৮
আজ এমন একটি ছোট ভালো কাজ বেছে নিন, যা আপনার দিনটিকে অর্থপূর্ণ করবে।
19/08/2026
আপনার ঘর কি প্রশান্তির জায়গা, নাকি কেবলই ইটের তৈরি একটি খাঁচা? 🚩
আমরা প্রায়ই জীবনের অশান্তি এবং হতাশার জন্য বাইরের কারণগুলোকে দায়ী করি, কিন্তু আমাদের নিজেদের ঘরের ভেতরের 'রেড ফ্ল্যাগ' বা সতর্কসংকেতগুলো এড়িয়ে যাই। ফজরের সলাহ মিস করা, ধুলো জমে থাকা কুরআন, এবং আল্লহ-র স্মরণের চেয়ে রাগ বা গীবতের চর্চা বেশি হওয়া—এগুলো স্পষ্ট প্রমাণ করে যে আমাদের ঘর থেকে বরকত শূন্য হয়ে যাচ্ছে।
রসুলুল্লহ (ﷺ) বলেছেন:
مَثَلُ الْبَيْتِ الَّذِي يُذْكَرُ اللَّهُ فِيهِ وَالْبَيْتِ الَّذِي لاَ يُذْكَرُ اللَّهُ فِيهِ مَثَلُ الْحَىِّ وَالْمَيِّتِ
"যে ঘরে আল্লহ-র স্মরণ করা হয় এবং যে ঘরে আল্লহ-র স্মরণ করা হয় না, তাদের দৃষ্টান্ত হলো জীবিত ও মৃত ব্যক্তির মতো।"
(সহীহ মুসলিম: ৭৭৯)
দারিদ্র্য কখনো ঘরের শান্তি নষ্ট করে না; বরং আল্লহ-র স্মরণ থেকে দূরে সরে যাওয়াই পারিবারিক অশান্তির মূল কারণ। সলাহ-তে অবহেলা এবং দুনিয়ার মোহে ডুবে থাকা আজই বন্ধ করুন। কাজের জন্য যদি অ্যালার্ম বাজতে পারে, তবে ফজরের জন্যও তা বাজতে হবে।
18/08/2026
ইসলাম মেনে চলা মানে শুধু কিছু কাজ করা নয়; বরং নিজের জীবনকে আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করা।
দুনিয়ার জীবন যত সুন্দরই হোক, আমাদের আসল সফলতা হলো—আল্লাহ যেন আমাদের ওপর সন্তুষ্ট থাকেন এবং আখিরাতে আমাদের সফল করেন।
তাই আসুন, ইসলামকে শুধু পরিচয় হিসেবে নয়, জীবনের পথ হিসেবে গ্রহণ করি।
নামাজকে আঁকড়ে ধরি, কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ি, গুনাহ থেকে বাঁচার চেষ্টা করি এবং প্রতিটি কাজে আল্লাহর সন্তুষ্টিকে অগ্রাধিকার দিই।
হে আল্লাহ, আমাদের ঈমানকে মজবুত করুন, আপনার পথে অটল রাখুন এবং ঈমানের সঙ্গে আমাদের মৃত্যু দান করুন। আমিন।🤲🤍✨
Follow 👉Al Faatiha for more Islamic reminder in sha Allah 🌷
17/08/2026
একটি সুস্থ অন্তর কেবল বাহ্যিক আমলে নয়; বরং আল্লাহর স্মরণ, তাঁর ভয়, উপদেশ গ্রহণ, চিন্তা-ভাবনা এবং ঈমানের দৃঢ়তার মাধ্যমে গড়ে ওঠে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্বলবে সালীম (নির্মল ও সুস্থ অন্তর) দান করুন। আমীন।শেয়ার করে বন্ধু ও পরিবারের কাছে পৌঁছে দিন 🤲
Follow ◦•●◉✿al.faatiha✿◉●•◦ for more Islamic reminder in sha Allah 🤍✨
13/08/2026
সালাত শুধু একটি ফরজ ইবাদত নয়—এটি আমাদের রবের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার সবচেয়ে সুন্দর মাধ্যম। তাই নিজে সালাতকে ভালোবাসুন এবং পরিবারকেও ভালোবাসা, বোঝাপড়া ও সুন্দর পরিবেশের মাধ্যমে সালাতের প্রতি আগ্রহী করে তুলুন।
আল্লাহ আমাদের সালাতকে চোখের শীতলতা এবং অন্তরের প্রশান্তির কারণ বানিয়ে দিন। আমিন। 🤲🤍✨
♥️
10/08/2026
তাওবার (তওবা) দোয়া মূলত আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনার জন্য করা হয়। এখানে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তাওবার দোয়া দেওয়া হলো:
১. সাধারণ তাওবার দোয়া
رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ أَنْتَ التَّوَّابُ الرَّحِيمُ
উচ্চারণ: Rabbighfir li wa tub ‘alayya innaka anta at-Tawwabur-Rahim.
অর্থ: হে আমার প্রভু, আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার প্রতি দয়া করুন। নিশ্চয়ই আপনি তাওবা গ্রহণকারী, দয়ালু।
---
২. তাওবার জন্য প্রিয় দোয়া
اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي، لا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي، فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ.
উচ্চারণ:
Allahumma anta Rabbi, la ilaha illa anta, khalaqtani wa ana ‘abduka, wa ana ‘ala ‘ahdika wa wa’dika ma istata’tu, a’udhu bika min sharri ma sana’tu, aboo’u laka bini’matika ‘alayya, wa aboo’u bidhanbi, faghfir li fa innahu la yaghfiru adh-dhunuba illa anta.
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি আমার প্রভু, আপনি ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি যতটুকু সম্ভব আপনার প্রতিশ্রুতি এবং চুক্তিতে অটল থাকার চেষ্টা করছি। আমি আপনার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি আমার কৃতকর্মের খারাপ দিক থেকে। আমি স্বীকার করছি যে আপনি আমাকে যে নিয়ামত দিয়েছেন এবং আমি আমার পাপের দায় স্বীকার করছি। আমাকে ক্ষমা করুন, কেননা আপনার ছাড়া কেউ পাপ ক্ষমা করতে পারে না।
---
৩. ইস্তিগফারের সংক্ষিপ্ত দোয়া
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ
উচ্চারণ: Astaghfirullah wa atubu ilayh.
অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর দিকে ফিরে আসি।
---
৪. দীর্ঘ তাওবার দোয়া
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ، دِقَّهُ وَجِلَّهُ، أَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، عَلَانِيَتَهُ وَسِرَّهُ
উচ্চারণ: Allahumma ighfir li dhanbi kullahu, diqqahu wa jillahu, awwalahu wa akhirahu, ‘alaniyatahu wa sirrahu.
অর্থ: হে আল্লাহ! আমার সব পাপ ক্ষমা করুন, ছোট হোক বা বড়, প্রথম হোক বা শেষ, প্রকাশ্যে হোক বা গোপনে।
---
এই দোয়াগুলো তাওবা করার সময় হৃদয় থেকে আন্তরিকভাবে পড়া উচিত এবং পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার দৃঢ় সংকল্প করতে হবে।
09/08/2026
ইসলামি শরিয়তের পরিভাষায় **'ছোট শিরিক' (শিরকে আসগর)** বলতে এমন সব কথা, কাজ বা বিশ্বাসকে বোঝায় যা একজন মানুষকে সরাসরি ইসলাম থেকে বের করে দেয় না, তবে তা তাওহিদের (একত্ববাদের) পূর্ণতার পরিপন্থী এবং এক বিরাট মহাপাপ।
কোরআন ও হাদিসের আলোকে ছোট শিরিকের একটি তালিকা ও তার দলিল নিচে উল্লেখ করা হলো:
# # ১. রিয়া বা লোকদেখানো আমল
ইবাদত একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য না করে মানুষের প্রশংসা বা সুনাম অর্জনের উদ্দেশ্যে করা হলো 'রিয়া'। এটি ছোট শিরিকের অন্যতম প্রধান রূপ।
> **হাদিসের দলিল:**
> রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
> *"আমি তোমাদের ওপর যার সবচেয়ে বেশি ভয় করি, তা হলো 'শিরকে আসগর' বা ছোট শিরিক।"*
> সাহাবিগণ জিজ্ঞাসা করলেন, "হে আল্লাহর রাসুল! ছোট শিরিক কী?" তিনি বললেন: *"রিয়া বা লোকদেখানো আমল।"*
> — *(মুসনাদে আহমাদ: ২৩৬৮০)*
>
# # ২. আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে কসম করা
আল্লাহ তাআলা ব্যতীত কোনো সৃষ্টি—যেমন পিতা-মাতা, সন্তান, কাবা ঘর, কসমকারীর জীবন ইত্যাদির নামে কসম বা শপথ করা ছোট শিরিক।
> **হাদিসের দলিল:**
> রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:
> *"যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করল, সে কুফরি করল অথবা শিরিক করল।"*
> — *(জামে আত-তিরমিজি: ১৫৩৫, সুনানে আবু দাউদ: ৩২৫১)*
>
# # ৩. "আল্লাহ ও অমুক যা চান" — এভাবে বলা
আল্লাহর ইচ্ছার সাথে কোনো মানুষের ইচ্ছাকে 'এবং' বা 'ও' শব্দ দিয়ে সমান পর্যায়ে উল্লেখ করা অনুচিত। এর পরিবর্তে "আল্লাহ যা চান, তারপর অমুক যা চায়" বলা উচিত।
> **হাদিসের দলিল:**
> এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বলল, *"আল্লাহ এবং আপনি যা চান।"* নবীজি (সা.) সঙ্গে সঙ্গে তাকে সংশোধন করে বললেন:
> *"তুমি কি আমাকে আল্লাহর সমকক্ষ বানিয়ে দিলে? বরং বলো: 'একমাত্র আল্লাহ যা চান'।"*
> — *(মুসনাদে আহমাদ: ১৮৩৯, সুনানে ইবনে মাজাহ: ২১১৭)*
>
# # ৪. কুলক্ষণ বা অশুভ লক্ষণ মানা (তিয়ারা)
কোনো পাখি, সংখ্যা, দিন বা বস্তুকে অশুভ মনে করে নিজের কাজকর্ম বা সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা ছোট শিরিক।
> **হাদিসের দলিল:**
> রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন:
> *"অশুভ লক্ষণ মানা শিরিক, অশুভ লক্ষণ মানা শিরিক (কথাটি তিনি তিনবার বললেন)।"*
> — *(সুনানে আবু দাউদ: ৩৯১০, জামে আত-তিরমিজি: ১৬১৪)*
>
# # ৫. ভাগ্য পরিবর্তন বা রক্ষার নিয়তে তাবিয ঝুলানো
আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল (ভরসা) না করে কোনো সুতা, আংটি বা তাবিয নিজের কাছে রেখে সেটির ওপর ভরসা করা ছোট শিরিকের অন্তর্ভুক্ত।
> **হাদিসের দলিল:**
বাকি অংশ কমেন্টে 👇
07/08/2026
পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করা ইসলামের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি নফল ইবাদত। কুরআন হলো মহান আল্লাহর কালাম বা বাণী। নিয়মিত কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করতে পারে।
কুরআন ও হাদিসের আলোকে কুরআন তেলাওয়াতের প্রধান প্রধান ফজিলত ও মর্যাদা নিচে উল্লেখ করা হলো:
# # ১. প্রতিটি হরফে ১০টি নেকি
কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে খুব সহজেই বিপুল সওয়াব অর্জন করা যায়। প্রতিটি বর্ণ বা হরফ তেলাওয়াতের জন্য ১০টি করে নেকি দেওয়া হয়।
> **রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন:**
> *"যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব থেকে একটি হরফ পাঠ করবে, সে একটি নেকি পাবে। আর একটি নেকির সওয়াব হলো দশ গুণ। আমি বলি না যে, 'আলিফ-লাম-মীম' একটি হরফ; বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ এবং মীম একটি হরফ।"*
> *(সুনান আত-তিরমিজি)*
>
# # ২. কিয়ামতের দিন সুপারিশকারী
কুরআন তেলাওয়াতকারীর জন্য কুরআন নিজেই শেষ বিচারের দিনে আল্লাহর দরবারে সুপারিশ করবে।
* **রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:** *"তোমরা কুরআন পাঠ করো, কারণ কিয়ামতের দিন তা পাঠকারীর জন্য সুপারিশকারী হিসেবে উপস্থিত হবে।"* *(সহীহ মুসলিম)*
# # ৩. সর্বশ্রেষ্ঠ মানব হওয়ার মর্যাদা
কুরআন শিক্ষা করা এবং অন্যকে তা শেখানো বা তেলাওয়াত অনুশীলনে সাহায্য করা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ কাজ।
* **হাদিস:** *"তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি সর্ব উত্তম, যে নিজে কুরআন শেখে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।"* *(সহীহ বুখারী)*
# # ৪. অন্তরের প্রশান্তি ও ফেরেশতাদের বেষ্টন
যে ঘরে বা মজলিসে কুরআন তেলাওয়াত করা হয়, সেখানে আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ প্রশান্তি (সাকীনা) নাজিল হয় এবং ফেরেশতারা তা ঘিরে রাখেন।
* **হাদিস অনুযায়ী:** আল্লাহর রহমত তাদেরকে ঢেকে নেয়, ফেরেশতাগণ তাদেরকে বেষ্টন করে রাখেন এবং আল্লাহ তাআলা তাঁর নিকটস্থ ফেরেশতাদের কাছে তাদের প্রশংসা করেন। *(সহীহ মুসলিম)*
# # ৫. বাবা-মায়ের জন্য বিশেষ সম্মান
যে ব্যক্তি কুরআন তেলাওয়াত করে এবং এর হুকুম-আহকাম অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করে, কিয়ামতের দিন তার পিতা-মাতাকে এমন একটি নূরানি মুকুট পরানো হবে, যার আলো সূর্যের আলোর চেয়েও উজ্জ্বল হবে। *(সুনান আবু দাউদ)*
# # ৬. অন্তরের রোগের শেফা ও হিদায়াত
কুরআন হলো মানুষের অন্তরের কলুষতা দূর করার মাধ্যম এবং সকল প্রকার পথভ্রষ্টতা থেকে বাঁচার জন্য পথপ্রদর্শক।
> **আল্লাহ তাআলা বলেন:**
> *"আমি কুরআনে এমন বিষয় নাজিল করি, যা মুমিনদের জন্য আরোগ্য ও রহমত।"*
> *(সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত: ৮২)*
>
# # ৭. সাবলীলভাবে পড়তে না পারলেও দ্বিগুণ সওয়াব
যাঁরা কুরআন তেলাওয়াত করতে গিয়ে আটকে যান বা কষ্ট করে শেখার চেষ্টা করেন, তাঁদের জন্যও রয়েছে বিশেষ পুরস্কার।
05/08/2026
আজ ঐতিহাসিক ৩৬শে জুলাই!
ফ্যা*সিস্ট খু*নী হাসিনার পতনের ২ বছর। ২০২৪ সালের এই দিনে বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় লিপিবদ্ধ হয়েছে; যে অধ্যায় লেখা হয়েছিল ছাত্র-জনতার র*ক্ত, ত্যাগ, সাহস আর আল্লাহর রহমতের অনুপম চিত্র দিয়ে।
২০২৪ সালের সেই ভয়াল দিনগুলোতে, যখন দেশের মানুষ জা*লিমের জু*লুমের শিকলে বন্দি; তখনই রুখে দাঁড়ায় এই দেশের ছাত্রসমাজ, তরুণ-যুবক, নির্যাতিত জনতা— সবাই। ফ্যা*সিস্ট খু*নী হাসিনার সরকারের বিরুদ্ধে যু*দ্ধে নামে তারা, হাতে ছিল না অ*স্ত্র; কিন্তু হৃদয়ে ছিল ঈমান, ন্যায়ের দৃঢ়তা, আর আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল। শহীদ হয় বহু প্রিয় মুখ, আহত হয় হাজার হাজার সাহসী; কিন্তু নত হয়নি মাথা।
অবশেষে ২০২৪-এর সেই মধ্যাহ্নে— দিল্লিতে পলায়ন করে খু*নী হাসিনা, যার মধ্যে দিয়ে অবসান ঘটে তার তাবেদার শাসনের এবং ফ্যা*সিস্ট আওয়ামী লীগের। মিথ্যার মুখোশ ছিঁড়ে বেরিয়ে আসে সত্যের আলো। সেই আলোয় স্নান করে নেয় নিপীড়িত জনগণ, বিজয় আসে মাজলুমদের কাঁধে ভর করে।
আজকের এই দিনে— আমরা কাঁদছি এবং আমরা হাসছি। কাঁদছি শহীদদের স্মরণে, আর হাসছি বিজয়ের আনন্দে। এই বিজয় কোনো দলের নয়– এটা এক উম্মাহর, এক জাতির এবং মাজলুমের বিজয়!
আলহামদুলিল্লাহ! সকল প্রশংসা সেই মহান আল্লাহর; যিঁনি জা*লিমের হাত ভেঙে, মাজলুমের মুখে হাসি ফিরিয়ে দিয়েছেন। যিঁনি সবার উপরে, সব ষড়যন্ত্রের উপরে এবং সব শক্তির উপরে!
আজ আমরা স্মরণ করি— সেই সকল বীরদের, যাদের র*ক্তের মাধ্যমে আমরা অর্জন করেছি এই নতুন বাংলাদেশ : ২.০। আল্লাহ সকল শহীদকে কবুল করুন।
৩৬শে জুলাই চিরস্মরণীয় থাকুক— ফ্যা*সিবাদের পতন এবং মাজলুমের বিজয়ের প্রতীক হয়ে! ইনকিলাব জিন্দাবাদ!
লেখা : মাহমুদুল হাছান
#স্মৃতিতে_জুলাই
#সীরাহ
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
4000, 4100, 42XX