Asthma Care
Asthma problem solve centre
04/04/2023
এ্যাজমা প্রতিরোধে পেঁয়াজ :
ইনফ্লামেশন বা প্রদাহও এ্যাজমা বা হাঁপানি নিরোধি হিসেবে কাজ করে পেঁয়াজ। পেঁয়াজ খেলে শরীরে হিস্টামিন নিঃসরনের হার কমে যায়।এতে শ্বাসনালীর সংকোচনজনিত জটিলতাও কমে, ফলে শ্বাসকষ্ট কম হয়।পেঁয়াজে আছে প্রোস্টাগ্লানডিন যা শ্বাসনালী দিয়ে নিঃশ্বাসের চলাচলের কাজ সহজ করে দেয়
04/04/2023
এ্যাজমা বা হাঁপানি প্রতিরোধে পালংশাক:
ম্যাগনেশিয়ামের ভালো উংস পালংশাক।আর এই ম্যাগনেশিয়াম এ্যাজমার কষ্ট লাগবে কাজ করে।যারা এ্যাজমা বা হাঁপানি আক্রান্ত তাদের রক্ত ও টিসু্যতে ম্যাগনেশিয়ামের উপস্থিতি কমে যায়
নিয়মিত ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেলে রক্তে ও টিস্যুতে এর উপস্থিতি বাড়ে এবংএ্যাজমা বা হাঁপানি অ্যাটেকের প্রবনতা হ্রাস পায়।এছাড়া পালংশাকে থাকে ভিটামিন বি এটিতে এ্যাজমা বা হাঁপানি কমিয়ে রাখতে সাহয্য করে
02/04/2023
এ্যাজমা প্রতিরোধে আদা:
আদাএ্যাজমা বা হাঁপানিসহ বিভিন্ন রোগের জন্য প্রাকৃতিক চিকিৎসা। আদা শ্বাসনালির প্রদাহ কমাতে এবং শ্বাসনালি সংকোচন রোধে সাহায্য করে। এক কাপ ফুটন্ত পানির মধ্যে মেথি, আদার রস ও মধু মিশিয়ে অল্প কিছুক্ষণ জ্বাল দিয়ে মিশ্রণটি রোজ সকাল ও সন্ধ্যায় পান করলে উপকার পাওয়া যায়। কাঁচা আদা লবণ দিয়ে মিশিয়ে খেলেও কিংবা কুচি করে খেলে এ্যাজম্া বা হাঁপানির উপকার মেলে।
30/03/2023
এ্যাজমা বা হাঁপানি প্রতিরোধে কমলা লেবু ও লেবু:
ভিটামিন ‘সি’-যুক্ত যেকোনো খাবারই আসলে এ্যাজমার কষ্ট লাঘবে ভালো কাজ করে। বিশেষ করে শিশুদের এ্যাজমায়। লেবু ও কমলায় ভিটামিন ‘সি’ আছে পর্যাপ্ত পরিমাণে। কিছুকাল আগে ইতালিতে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব এ্যাজমা আক্রান্ত শিশু প্রতিদিনই ভিটামিন ‘সি’-যুক্ত ফল খায় তাদের এ্যাজমা অ্যাটাকের হার যেসব এ্যাজমা আক্রান্ত শিশু নিয়মিত ফল খায় না তাদের চেয়ে অনেক কম। এ কারণে যাদের এ্যাজমা ও শ্বাসকষ্টসংক্রান্ত জটিলতা আছে, তাদের প্রতিদিন লেবু, কমলাজাতীয় ভিটামিন ‘সি’-যুক্ত ফল খাওয়া উচিত।
29/03/2023
কোল্ড এলার্জির উপসর্গ ও করনিয়:
ঠান্ডা বাতাস,সিগারেটের ধোয়া,সুগন্ধি তীব্র গন্ধ, পত্রিকাবা খাতারধুলা যাতে মাইট থাকে,ফুলের রেনু ইত্যদির উপস্থিতিতে অনেকেই সহ্য করতে পারে না।এ সবের উপস্থিতিতে অ্যাজমা বা হাঁপানির সমস্য দেখা দেয়।এসব বিষয়কে চিকিংসা বিজ্ঞানের ভাষায় এলার্জেন বলে।এসব এলার্জেন জনিত উপসর্গকেএলার্জি বলা হয়।তাই প্রচন্ড শীতেও এলার্জেন হিসেবে কাজ করে এবং একারনে সৃষ্ট উপসর্গকে কোল্ড এলার্জি বলে।
★কেন হয়;
আমাদের নাসারন্ত্র ও শ্বাসনালিতে স্নায়ুকোষে কিছু রিসেপ্টর আছে।এই রিসেপ্টার গুলোকে ভ্যাগনাস নার্ভ (এক)জোড়া নার্ভ যা ৷ শ্বাসনালীও কন্টনালীর মাংশপেশীয় সংকোচন ও প্রসারনকে উদ্দীপত করে এর সাথে সংযুক্ত। ইতিপূর্বে উল্লেখিত এলার্জেনসমূহ শ্বাসনালীর মাংসপেশিয় রিসেপ্টার নার্ভকে উদ্দীপত করে। ফলে অ্যাজমা বা হাুপানি দেখা দেয়। সাধারনত খুব কম বয়সী বাচ্চাদের মধ্যে এর প্রকোপ বেশী, তবে যে কোনো বয়সেই হতে পারে।
★★কোল্ড এলার্জির উপসর্গ :
১)নাক দিয়ে পানি পড়া।
২)নাক চুলকায়।
৩)কাশি
৪)শ্বাসকষ্ট
৪)বাশির মতো আওয়াজ বের হওয়া ইত্যদি এসবের ফলে কোল্ড এলার্জি হওয়ার আশংকা থাকে।
★★★করনিয়:
১) যে কারনে উপসর্গগুলো দেখা দেয় এলার্জি টেস্ট করে কারন নির্নয় করে তা পরিহার করে চলা।
২)ঠান্ডা বাতাস থেকে পরিত্রান পাওয়ায় জন্য এক ধরনের মুখোশ(ফিল্টার মাস্ক)বা মুখবন্ধি ব্যবহার করা যেতে পারে।যা ফ্লানেল কাপরের তৈরি এবং মুখের অর্ধাংশসহ মাথা নাক ঢেকে রাখে।ফলে ব্যবহার কারিরা উত্তপ্ত বাতাস হ্রহন করতে পারে।
৩)সালবিউটামল ইনহেলার নেয়া যাতে পারে কারন এ ওসুধ উপসর্গ নিরসনে প্রথম পচন্দনিয় ওষুধ।
৪)দীর্ঘমেয়াদি ভালো থাকার জন্য স্টেরয়েড নেওয়া যেতে পারে।ভ্যাকসিন পদ্ধতিতে কার্টিকোস্টেরয়ডের ব্যবহার কমে যায়।যার ফলে
কার্টিকোস্টেরয়েডের প্বার্সপ্রতিক্রিয়া থেকে রেহাই পাওয়া যায়।
কোষলগুলো সটিক ভাবে মেনে চললে কোল্ড এলার্জির উপসর্গ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে
28/03/2023
এ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীরা যা খাবেন ও যা ★খাবেন না:
এ্যাজমা রোগের সাথে এলার্জির সম্পর্ক রয়েছে।বেশিরভাগ এ্যাজমা রোগীর নানা বস্তু ও খাবারে এলার্জি থাকে।অনেক সময় ধুলাবালি বা ঠান্ডা খাবার এ ধরনের রোগীর শ্বাসকষ্ট ও অন্যন্য বাড়িয়ে দেয়।তাই প্রত্যেক এ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীর জানা উচিত তাদের কি খাবারে এলার্জি আছে বা কী ধরনের খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।
যা খাবেন না বা এড়িয়ে যাবেন:
১)চিংড়ি মাছ- চিংড়ি মাছে সালফাইটের পরিমান বেশিবলে এটি অনেকেরই এলার্জির কারন হয়।প্রক্রিয়াজাত কিংবা টিনজাত যেসব খাবারে প্রিজারভেটিব ব্যবহার হয় সেগুলোর বিষয়ে সাবধান হতে হবে। এ ধরনের খাবারে থাকা রাসায়নিক উপাদান।যেমন পটাশিয়াম বাই সালফাইট বা সোডিয়াম ইত্যাদি ফুসফুসে প্রদাহ বাড়ায়।
২)চিনাবাদাম,পেস্তা,কাজুবাদামে কারও কারও এলার্জি থাকে।গমের প্রোটিন গ্লুটনে অনেকের এলার্জি হয়।
৩)ঠান্ডা দুধ,পনির,দই আইসক্রিম ইত্যদি খেলে অনেকে হাঁপানি রোগের সমস্যয় ভোগে কাজেই শ্বাসকষ্ট শুরু হলে ঠান্ডা দুধ,দই বা আইসক্রিমনা খাওয়ায় ভালো।
৪)অনেকের ডিমে এলার্জ থাকে।এ ছাড়া গরুর মাংস,ইলিস মাছ,বেগুন,মিষ্টিকুমরা,হাসের মাংস নারকেল, লবস্টার,ব্লু চিজ ইত্যাদি খাবারেও এলার্জি হয়।
উপরে উল্লেখিত খাবার গুলো খেলে এলার্জি হয়ে থাকে। যার ফলে এ্যাজমা বা হাঁপানি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই যত সম্ভব খাবারগুলো এড়িয়ে চলতে হবে।
★★যা খাবেন:
প্রচুর পরিমানে শাকসবজি খেতে হবে।সবুজ শাকসবজিতে থাকা ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রদাহ কমায়।গাজরে বিটা ক্যারোটিন আছে,যা সুরক্ষা দেয়।সপ্তাহে ২-৩টিআপেল খাওয়া ভালো।সামুদ্রিক মাছে ওমেগা৩ থাকে যা উপকারি।ব্রকলিতে সালফোরফেউন থাকে যা শ্বাসনালীর কোষগুলোকে সুরক্ষা দেয়।আদা শ্বাসনালীর সংকোচন ও প্রদাহ কমাতে কার্যকর।আদা দিয়ে চা বা আদাকুচি চিবোলে শ্বাসকষ্ট কমে।রসুনে রয়েছে প্রদাহরোধী উপাদানএ্যাজমা বা হাঁপানি রোগীর উপসর্গ কমাতে মধুও বেশ কার্যকর।৮ আউস গরম পানিতে ১ চামচ মধু মিশিয়ে দিনে ২-৩বার পান করুন।
মনে রাখতে হবে সবার সব খাবারে এলার্জি হয় না। তাই এ্যাজমা বা হাঁপানি রোগ থেকে বাঁচতে চাইলে এলার্জি প্রবন খাবার এগয়ে চলতে হবে।
28/03/2023
এজমা বা হাপানি কি?
হাঁপানি একটি শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ। কার্যত এটি শ্বাসনালীর অসুখ।এর ইংরেজি নাম এ্যাজমা যা এসেছে গ্রিক শব্দ asthma থেকে বাংলায় হাঁপানি।যার অর্থ হাঁপান বা হা করে শ্বাসনিয়া। হাঁপানি বলতে আমরা বুঝি শ্বাসষপথে বায়ু চলাচলে বাঁধা সৃষ্টির জন্য শ্বাসকষ্ট। হাঁপানি মুলত ফুসফুসিয় শাষনালির দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ।
★এ্যাজমা বা হাঁপানি রোগের যেসব লক্ষনগুলো দেখা দিতে পারে:
১)কাশি
২)শ্বাসকষ্ট
৩)শাষ নিতে সমস্যা দেখা দেয়া।
৪)নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া।
৭)বুকের তীব্র ব্যথা।
৮)বুকের চাপা ব্যথা।
৯)বুক বার অনুভব করা।
১০)কাশির সাথে শেলেষা নির্গত হওয়া।
★★অ্যাজমা বা হাঁপানি হলে করনিয়:
১)অ্যাজমার ঔষধ বা ইনহেলার সবসময় হাতের কাছে রাকতে হবে।
২)ভিটামিনএ জাতীয় খাবার,কলিজা,গাজর,শাকসবজি ও মধু খেতে হবে।
৩)নিয়মিত চেকআপ করাতে হবে।
৪)নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করতে হবে।
৫)ধুমপান ও ধুলাবালি এরিয়ে চলতে হবে।
৬)বালিশ -লেপ তোশক পরিষ্কার রাখতে হবে।
৭)ঠান্ডা জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
৮)বাড়িতে পোষা প্রাণী থাকলে নিয়মিত গোসল করাতে হবে বা পরিষ্কার রাখতে হবে।
৯)মানসিক চাপ উৎকন্ঠা এড়িয়ে চলতে হবে।
উপরে উল্লেখিত কোষলগুলোগুলো মেনে চললে এ্যাজমা বা হাঁপানি রোগ থেকে পরিত্রান পাওয়ার যেতে পারে।
26/03/2023
প্রিয় গ্রাহক,
আপনি কি এ্যা*জমা বা শ্বাস-কষ্টে ভুগছেন?
দেখুন আমাদের এ্যা*জমা বা হাঁ*পানি রোগ বিভিন্ন কারনে হয়ে থাকে।
১)ছোট বেলায় নিউমোনিয়া কিংবা শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ হলে।
২)পরিবার ও বংশে কারও এই সমস্যা হয়ে থাকলে।
৩) রক্তের এলার্জি পরিমান বেশি হয়ে থাকলে।
৪) অতিরিক্ত ধুলা বালি কিংবা ঠান্ডায় থাকলে।
উপরিউক্ত সকল কারনে একজন মানুষের এ্যা*জমা বা শ্বাস-কষ্ট রোগ হয়ে থাকে।তবে এর একটি স্থায়ী সমাধান অবশ্যই আছে। কিন্তু আমরা ক্ষনিকের সস্থির জন্য বিভিন্ন ধরনের মেডিসিন কিংবা ইনহেলার ব্যবহার করে থাকি যার ফলে দীর্ঘ দিন মেডিসিন বা ইনহেলার ব্যবহারের ফলে আমাদের শরীরে ইমিউনিটি কমে আসে এবং শরীরের বিভিন্ন কোষকে নষ্ট করে ফেলে। এতে করে আমাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে সমস্য আরো বেড়ে যায় এবং ভবিষ্যতে শরীরের ভিবিন্ন অংশে হার্টের, কিডনির সমস্য দেখা দেয়।।।
★সঠিক সেবা নিতে নিচে দেয়া সেন্ড মেসেজে ক্লিক করুন।
★আমরা গ্রাহকদের পুরো দেশে পাঠাও কুরিয়ারের মাধ্যমে হোম ডেলিভারি সেবা দিয়ে থাকি।।।
26/03/2023
অ্যাজমার কারন হিসেবে কোল্ড এলার্জি:
ঠান্ডা বাতাস,সিগারেটের ধোয়া,সুগন্ধি তীব্র গন্ধ, পত্রিকাবা খাতারধুলা যাতে মাইট থাকে,ফুলের রেনু ইত্যদির উপস্থিতিতে অনেকেই সহ্য করতে পারে না।এ সবের উপস্থিতিতে অ্যাজমা বা হাঁপানির সমস্য দেখা দেয়।এসব বিষয়কে চিকিংসা বিজ্ঞানের ভাষায় এলার্জেন বলে।এসব এলার্জেন জনিত উপসর্গকেএলার্জি বলা হয়।তাই প্রচন্ড শীতেও এলার্জেন হিসেবে কাজ করে এবং একারনে সৃষ্ট উপসর্গকে কোল্ড এলার্জি বলে।
কেন হয়;আমাদের নাসারন্ত্র ও শ্বাসনালিতে স্নায়ুকোষে কিছু রিসেপ্টর আছে।এই রিসেপ্টার গুলোকে ভ্যাগনাস নার্ভ (এক)জোড়া নার্ভ যা ৷ শ্বাসনালীও কন্টনালীর মাংশপেশীয় সংকোচন ও প্রসারনকে উদ্দীপত করে এর সাথে সংযুক্ত। ইতিপূর্বে উল্লেখিত এলার্জেনসমূহ শ্বাসনালীর মাংসপেশিয় রিসেপ্টার নার্ভকে উদ্দীপত করে। ফলে অ্যাজমা বা হাুপানি দেখা দেয়। সাধারনত খুব কম বয়সী বাচ্চাদের মধ্যে এর প্রকোপ বেশী, তবে যে কোনো বয়সেই হতে পারে।
25/03/2023
অ্যাজমা বা হাঁপানি কখন এবং কেন হয়:
অ্যাজমা বা হাঁপানি যে কোনে বয়সে হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ বেশি দেখা যায়।দেখা গেছে কারও বংশগত কারনে বা পরিবেশগত কারনেও এ রোগ হতে পারে। এছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা ডাস্ট মাইটস নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগেরনু, পশুপাখির,পালক,ছত্রাক,ইস্ট প্রত্যক্ষ৷৷৷৷৷ পরোক্ষভাবে সিগারেটের ধোয়ার মধ্যে যারা থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে।এ ছাড়া মানসিক চাপে থাকলে অ্যাজমা বা হাঁপানির তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে।কারও কারও বিভিন্ন সুগন্ধি, মশার কয়েল বা কারও কীটনাশকের গন্ধ থেকেও শ্বাসকষ্ট বেড়ে যেতে পারে।
24/03/2023
ডাস্ট এলার্জির কারনে অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগের উপসর্গ:
ডাস্ট এলার্জির ফলে সৃষ্টি করা অ্যাজমা বা হাঁপানি নিম্নলিখিত উপসর্গগুলো অনুভব হতে পারে-
১)শ্বাস নিতে কষ্ট।
২)বুক থেকে সাঁসাঁ করে নিঃশ্বাস ফেলার শব্দ।
৩)ঘুমানোর অসুবিধা।
এর প্রধান কারন হলো :
ডাস্ট মাইটস বা ধুলোর পোকাগুলি মানুষের খসে পড়া মরা চামড়ার কোষগুলি ভোজন করে,যা দিয়েই প্রধানত বাড়ির ধুলো তৈরি হয়।ডাস্ট মাইটস বা ধুলোর পোকাদের বাড়ির ডাস্ট মাইটস এবং স্টোরেজ মাইটস এই দুই শ্রেনিতে ভাগ করা যায় এবং বাতাস চলাচল এবং ভিতরে জালার জন্য দায়ী।
ডাস্ট মাইটসের মতো অ্যালার্জেনের(অ্যালার্জি সৃষ্টিকারি জীবের) উপস্থিতথে আমাদের শরীরে এন্টি বডি বা প্রতিরোধক তৈরি করে যা আপনাকে ঐ প্রতিক্রিয়া থেকে বাঁচতে এবং নিজের প্রতিরক্ষা করতে সাহয্য করে।ঐ প্রতিক্রিয়া শরীরের কোনো একটি অংশকে নিয়ে হতে পারে।
কিছু বিরল ক্ষেত্রে এই ডাস্ট এলার্জি শরীরে অ্যানাফাইলেটিক শক তৈরি করতে পারে। যা একধরনের মারাত্মক অবস্থা যা শুধুমাত্র ডাস্ট মাইট খেয়ে ফেলার ফলে হতে পারে।এই ডাস্ট মাইট সাধারনত গদি,কার্পেট এবং আসবাবপত্রের উপর বাস করে।
24/03/2023
অ্যাজমার কারন হিসেবে ডাস্ট এলার্জি:
অ্যাজমার অন্যতম একটি কারন হলো ডাস্ট এলার্জি।ডাস্ট এলার্জি হলো কিছু প্রতিক্রিয়া,যার মধ্যে রয়েছে রাইনাইটিস,কনজাংটিভাইটিস (চোখ উটা),একজিমা(চামড়ার রোগ) এবং অ্যাজমা বা হাঁপানি,যা ধুলোর কারনে হয়।খুব সাধারনত ডাস্ট এলার্জির এই প্রতিক্রিয়াগুলো সৃষ্টি করে তা একটি ক্ষুদ্র পোকামাকড় বা ধুলার অংশ।যা সাধারনত বাড়িতে পাওয়া যায়।এই পোকাগুলোকে ডাস্ট মাইটস বা ধুলোর পোকা বলা হয় এবংতারা আকারে অনুবিক্ষণিক হয় এবং খালি চোখে দেখা যায় না।সারা বিশ্বে ৮৫% অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগী ডাস্ট এলার্জিতে আক্রান্ত।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
NASIRABAD