Rajbonshi-Haimanti
Think positive, be positive, digital creator
আমাদের নক্ষত্রের নাচ সানাইয়ের সাথে😁😁🧿🧿
মন ভালো ছিলোনা 🍃🍃🍃
💥বাস্তুতে কোন ঘরে কি রং করাবেন :-
💥পূর্ব দিকে কুসুম বা ভোরের সূর্য্যর মতন
💥পশ্চিম হালকা নীল
💥উত্তর হালকা সবুজ
💥দক্ষিণ লাল বা গোলাপি
💥উত্তর পূর্ব সুবর্ণ হলুদ
💥দক্ষিণ পশ্চিম গাঢ় সবুজ বা ধূসর
💥দক্ষিণ পূর্ব সাদা বা অফ হোয়াইট
💥উত্তর পশ্চিম ক্রিম
🌟অনেক জ্যোতিষ বিদ রাশি অনুযায়ী গৃহ রং এর পরামর্শ প্রদান করেন কিন্তু যুক্তি পূর্ণ হলো
জন্ম চার্ট এর লগ্ন সাপেক্ষে এবং দিক এর শুভ রং মিলিয়ে সাম্যতা করে রং নির্বাচন করা!
নবগ্রহ প্রণাম মন্ত্র এবং গ্রহ বীজ মন্ত্র
======================
নবগ্রহ প্রণাম মন্ত্র
===========
ওঁ জবাকুসুমসংকাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম্।
ধ্বান্ত্যারিং সর্বপাপঘ্নম্ প্রণতোহশ্মি দিবাকরম্॥
দিব্যশঙ্খতুষারাভং ক্ষীরোদার্নভসম্ভবম্।
নমামি শশীনং ভক্তা শম্ভোর্মুকুটভূষণম্॥
ধরণীগর্ভোসম্ভূতং বিদ্যূতপুঞ্জসমপ্রভম্।
কুমারং শক্তিহন্তস্চ লোহিতাঙ্গং প্রণম্যহং॥
প্রিয়ঙ্গুকলিকাশ্যমং রূপেনাপ্রতিমং বুধম।
সৌম্যং সৌম্যগুণপেতং নমামি শশীনংসুতম্॥
দেবতানাংম্রিশিনান্চং গুরুং কনকসন্নিভং।
বন্দে ভক্তা ত্রিলোকেশং ত্বং নমামি বৃহস্পতিম্॥
হিমকুন্দমৃণালাভং দৈত্যানাং পরমং গুরুম্।
সর্বশাস্ত্রপ্রবক্তারং ভার্গবং প্রণম্যহম॥
নিলাঞ্জনংচয়প্রক্ষ্যং রবিসূতং মহাগ্রহম্।
ছায়ায়ং গর্ভসম্ভূতং বন্দেভক্তা শণৈশ্চরম॥
অর্দ্ধকায়াং মহাঘোরং চন্দ্রাদিত্যবিমর্দকম্।
সিংহিকায়া মহারৌদ্রং ত্বং রাহুং প্রণম্যহম্॥
পলাশধূমসংকাশং তারাগ্রহবির্মদকম।
রৌদ্রং রৌদ্রত্বকং ঘোরং ত্বং কেতুং প্রণম্যহম্॥
গ্রহ বীজ মন্ত্রঃ
========
সূ্র্য্য মন্ত্র :-
======
ওঁ হ্রীং হ্রীং সূর্য্যায়ঃ
জপ সংখ্যা ৬০০০ বার
দেবতা-মাতঙ্গী
ধূপ-গুগুল
বার-রবিবার
প্রশস্ত- সকাল ১২ টা পর্যন্ত।
চন্দ্র মন্ত্র :-
======
ওঁ ঐং ক্লীং সোমায়ঃ
জপ সংখ্যা ১৫০০০ বার
দেবতা-কমলা
ধূপ- সরলকাষ্ঠ
বার-সোমবার
প্রশস্ত-সন্ধা ৬-৯ পর্যন্ত।
মঙ্গল মন্ত্র :-
=======
ওঁ হুং শ্রীং মঙ্গলায়ঃ।
জপ সংখ্যা-৮০০০ বার
দেবতা-বগলামুখী
ধূপ-দেবদারু
বার-মঙ্গলবার
প্রশস্ত-সকাল ১২ টা পর্যন্ত।
বুধ মন্ত্র :-
======
ওঁ ঐং স্ত্রীং শ্রীং বুধায়ঃ
জপ সংখ্যা-১০০০০ বার
দেবতা-ত্রিপুরাসুন্দরী
ধূপ-সঘৃত দেবদারু
বার-বুধবার
প্রশস্ত-বেলা ১২টা পর্যন্ত।
বৃহস্পতি মন্ত্র :-
=========
ওঁ হ্রীং ক্লীং হুং বৃহস্পতয়ে
জপ সংখ্যা-১৯০০০ বার
দেবতা-তারা
ধূপ-দশাঙ্গ
বার-বৃহস্পতিবার
প্রশস্ত-বেলা ১২ পর্যন্ত।
শুক্র মন্ত্র :-
========
ওঁ হ্রীং শুক্রায়ঃ
জপ সংখ্যা - ২১০০০ বার
দেবতা - মহাদেব (শিব)
ধূপ - গুগুল
বার - শুক্রবার
প্রশস্ত - সন্ধ্যাবেলা।
শনি মন্ত্র :-
======
ওঁ ঐং হ্রীং শ্রীং শনৈশ্চরায়ঃ
জপ সংখ্যা - ১০০০০ বার
দেবতা - দক্ষিনাকালী
ধূপ - কৃষ্ণাগুরু
বার - শনিবার
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা।
রাহু মন্ত্র :-
=======
ওঁ ঐং হ্রীং রাহবে
জপ সংখ্যা - ১২০০০ বার
দেবতা - ছিন্নমস্তা
ধূপ - দারুচিনি
বার - শনি/মঙ্গল বার
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা।
কেতু মন্ত্র :-
=======
ওঁ হ্রীং ঐং কেতবে
জপ সংখ্যা-২২০০০ বার
দেবতা-ধূমাবতী
ধূপ-মধূযুক্ত দারুচিনি
বার-শনি/মঙ্গল বার
প্রশস্ত সন্ধ্যাবেলা।
জয় নবগ্রহ 🌼🙏
গ্রাম।।
🌟আদর্শ বাস্তু কি ভাবে নির্মাণ করবেন :
💥১)প্রবেশ দ্বার পূর্ব বা উত্তর দিকে হবে!
💥২)সিঁড়ি দক্ষিণ পশ্চিম দিকে হবে!
💥৩)সিঁড়ি ডান দিকে ঘুরে ওপরে উঠবে!
💥৪)সিঁড়ির ধাপ সর্বদা বিজোড় সংখ্যা হবে!
💥৫)ওভার হেড ট্যাংক দক্ষিণ পশ্চিম দিকের পশ্চিম এ হবে!
💥৬)রান্না ঘর দক্ষিণ পূর্ব দিকে!রান্না করার সময় মুখ পূর্ব দিকে থাকবে!
💥৭)পড়ার ঘর উত্তর পূর্ব বা উত্তর পশ্চিম এ থাকলে ভালো পড়ার সময় মুখ উত্তর বা পূর্ব দিকে থাকবে!
💥৮)বাড়ির কর্তার শোয়ার ঘর দক্ষিণ পশ্চিম দিকে থাকবে!
💥৯)বিবাহিত ছেলের ঘর দক্ষিণ পূর্ব দিকে অবিবাহিত হলে উত্তর বা পূর্ব!
💥১০)কন্যার ঘর উত্তর পশ্চিম এ!
💥১১)ঠাকুর ঘর উত্তরপূর্ব!
💥১২)অথিতিদের ঘর উত্তর পশ্চিম এ!
💥১৩)অসুস্থ /বৃদ্ধ দের ঘর উত্তর পূর্ব!
💥১৪)গ্যারাজ দক্ষিণ পূর্ব বা উত্তর পশ্চিম!
💥১৫)সেপটিক ট্যাঙ্ক উত্তর পশ্চিম এ!
💥১৬)ওয়াশ রুম পশ্চিম বা উত্তর পশ্চিম এর পশ্চিম ঘেঁষা!
💥১৭)মূল প্রবেশ দ্বার সব দরজা থেকে কিছূ টা বড়ো হতে হবে!
💥১৮)মোট দরজার সংখ্যা যেন বিজোড় না হয়!
💥১৯)মোট জানালার ও দরজার সংখ্যার শেষে যেন শূন্য না হয় ১০/২০/৩০ এমন না হয়!ভেন্টিলেটর থাকলেও যোগ করতে হবে!
💥২০)ব্রহ্মস্থানে যেন পিলার না পরে!
💥২১)খাওয়ার সময় মুখ পূর্ব দিকে থাকবে!আর ওয়াশরুম এ বসার সময় মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে থাকবে!
💥২২)ঘুমোনোর সময় মাথা পূর্ব বা দক্ষিণ দিকে থাকবে!
💥২৩)বাড়িতে অথিতি এলে তার সাথে কথা বলার সময় আপনার মুখ পূর্ব বা উত্তর দিকে থাকবে।।
আ,জা্্😁😁
26/02/2026
১৮ মাসে নাকী নাড়ী ছেড়া ধন (সন্তান)
নাড়ীর বন্ধন থেকে শারীরিকভাবে বের হয়।।
মায়ের সাথে সন্তানের মানসিক বন্ধন আজীবন থেকে যায় ~~~~
বাদশাহ্্😁😁
🦋🦋🦋
''কর্মফল হিসাবে সন্তান রূপে কে আসে''.????
'পূর্বজন্মের কর্মের কারণেই আমাদের এই জীবনে আনা হয়েছে'। পৃথিবীর সব সম্পর্ক যেমন বাবা-মা, ভাইবোন, স্বামী-স্ত্রী, বান্ধবী, বন্ধু-শত্রু, আত্মীয়স্বজন ইত্যাদি পাওয়া যায়। কারণ আমাদের হয় তাদের সবাইকে কিছু দিতে হবে, নয়তো তাদের কাছ থেকে কিছু নিতে হবে। একইভাবে, শিশু হিসাবে আমাদের পূর্বজন্মের একজন 'আত্মীয়' আসে এবং জন্ম নেয়।আমাদের কোনো না কোনো কর্মের কারণেই আমরা একে অপরের সাথে বাঁধা পরি সংসারে 🥹
আমাদের কর্মফলের কারণেই সন্তান রূপে আসে
যাকে শাস্ত্রে চার প্রকার হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে...
♦️'ঋণ অনুবন্ধ সন্তান':-
'আপনি যদি পূর্বজন্মের কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে কোনোভাবে ঋণ নিয়ে এসে থাকেন বা কোনোভাবে তার সম্পদ নষ্ট করে এসে থাকেন, তাহলে সে আপনার ঘরে সন্তান রূপে জন্ম নেবে এবং তার হিসাব নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অসুস্থতা বা অকেজো কাজে না না ভাবে আপনার সম্পদ নষ্ট করবে।
♦️ 'শত্রু সন্তান':-
'আপনার কাছ থেকে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য পূর্বজন্মের একজন শত্রু সন্তানের আকারে আপনার ঘরে আসবে এবং সে যখন বড় হবে, তখন সে বাবা-মায়ের সাথে মারামারি করবে, ঝগড়া করবে বা সারা জীবন তাদের যে কোনো ভাবে হয়রানি করবে। সে সর্বদা কটু কথা বলে তাদের অপমান করবে এবং দুঃখ দিয়ে সুখী হবে।
♦️উদাসীন সন্তান':-
'এই ধরনের 'সন্তান' বাবা-মায়ের সেবা করে না, তাদের কোনো সুখ দেয় না এবং তাদের ভাবে, তাদের মতো, তাদের ভাগ্যের উপর ছেড়ে দেয়। বিয়ে হলেই বাবা-মায়ের কাছ থেকে আলাদা হয়ে যায়।
♦️সেবক্ সন্তান':---
'আপনি যদি আপনার পূর্বজন্মে কাউকে অনেক সেবা করে থাকেন, তবে সে যে সেবা পেয়েছিলো তার ঋণ শোধ করার জন্য সে পুত্র রূপে আপনার সেবা করতে আসে। আপনি যে বীজ বুনেছন তাই কাঁটবেন। যদি আপনি আপনার পিতামাতার সেবা করে থাকেন, তবেই আপনার সন্তানরা বৃদ্ধ বয়সে আপনার সেবা করবে। নইলে, জল তুলে দেওয়ার মতো কাছে কেউ থাকবে না।
'আপনি ভাববেন না যে এই সমস্ত জিনিস শুধুমাত্র মানুষের জন্য প্রযোজ্য। যে কোনো প্রকারের জীবের মধ্যে হতে পারে।
'আপনি যদি নিঃস্বার্থভাবে একটি গরুর সেবা করে থাকেন, তাহলে সেও আপনার ছেলে বা মেয়ে হয়ে আসতে পারে। আপনি যদি স্বার্থপর হয়ে একটি গাভী লালন-পালন করেন এবং দুধ দেওয়া বন্ধ করার পরে তাকে ঘর থেকে বের করে দেন, তবে তা ঘৃণায় পুত্র বা কন্যা হয়ে জন্মগ্রহণ করবে। আপনি যদি কোনো নিরপরাধ প্রাণীকে অত্যাচার করে থাকেন, তবে সে আপনার জীবনে শত্রু হয়ে আসবে।
"তাই জীবনে কখনো কারো সাথে খারাপ কর্ম করবেন না। কারণ প্রকৃতির নিয়ম আপনি যা কিছু করবেন তা আপনাকে এই জন্মে বা পরের জন্মে শতগুণ দেবে। আপনি যদি কাউকে এক টাকা দিয়ে থাকেন তাহলে বুঝবেন আপনার একাউন্টে একশ টাকা জমা হয়েছে।
আপনি যদি কারো কাছ থেকে এক টাকা ছিনিয়ে নিয়ে থাকেন, তাহলে বুঝবেন আপনার জমা থেকে একশ টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে।
'একটু ভেবে দেখুন, আপনি আপনার সাথে কোনো কিছু টাকা-পয়সা এনেছিলেন.? আর আপনি কতো টা বা সাথে নিয়ে যাবেন.?
যারা চলে গেছে, তারাই বা কতো টাকা-পয়সা, সোনা-রূপা, ধন-দৌলত নিয়ে গেছে.?
মৃত্যুর পর যা কিছু সম্পদ ব্যাংক ব্যালান্স সবই পড়ে থাকবে, ভেবে দেখুন তা বৃথা অর্জিত হয়েছে।
'সন্তান যদি ভালো ও যোগ্য হয়, তবে তার জন্য কিছু রেখে যাওয়ার দরকার নেই, সে নিজে খাবে এবং উপার্জন করবে। সন্তান যদি ভালো না হয় নষ্ট-ভ্রষ্ট বা মূল্যহীন হয়, তবে তার জন্য যত টাকা চাইবে রেখে দিন, কিছু দিনের মধ্যেই সব নষ্ট হয়ে যাবে। তাই করে সে শান্তি অনুভব করবে।
আমি, আমার এবং আপনার, সমস্ত সম্পদ এখানেই থাকবে, আমাদের সাথে কিছুই যাবে না, তাই কেবল হরি ভজন করার মাধ্যমে জীবন অতিবাহিত করাই শ্রেয়।।
অন্তিম কালে ভগবান শ্রীগোবিন্দ ছাড়া আর কোনো গতি নেই 🥹🥹
হরে কৃষ্ণ 🙏🙏
পেজটি ফলো করে আমাদের সাথে যুক্ত থাকবেন 🙏
Click here to claim your Sponsored Listing.