Asthma Relief
Complete asthma solution
সাইড ইফেক্ট: সাধারণত সাইড ইফেক্ট থাকে ক্যামিক্যালযুকত ড্রাগ/মেডিসিন এ।আমাদের প্রোডাক্ট টি সম্পুর্ন প্রাকৃতিক উপাদান দিয়ে তৈরি। কোন মেডিসিন বা ক্যামিকেল ব্যবহার করা হয় নি।
ফলে বিন্দুমাত্র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।
তাছাড়া আমাদের প্রোডাক্ট বাংলাদেশ সাইন্সল্যাব কর্তৃক পরিক্ষিত ও অনুমোদিত।
তাই,ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ০% আর সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ১০০%..
22/06/2024
আমাদের প্রতিষ্ঠান এবং পেইজে যারা ২৪ ঘন্টা পেশেন্টদের অক্লান্ত শ্রমের বিনিময়ে ট্রিটমেন্ট দিয়ে থাকে,তারা সকলেই স্বনামধন্য আয়ুর্বেদিক ডাক্তার।তারা,DUMS এবং DAMS কোর্সটি কমপ্লিট করে চেম্বার খুলে পেশেন্টদের ট্রিটমেন্ট দিয়ে আসছে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে ১০০% সফলতা সাথে।তারা সর্বদা রোগীকে সুস্থ করার জন্য,সঠিক ট্রিটমেন্ট দেয়ার জন্য মুখিয়ে থাকে।
তাই,আপনি সঠিক-কার্যকরী-যুগোপযোগী ট্রিটমেন্ট পাবেন।এবং কোন সন্দেহ ছাড়াই সুস্থ হয়ে উঠবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি
22/06/2024
এটি সেবনের ফলেঃ
১.আপনার ব্লাডে IGE লেভেল কমে 150 এর নিচে চলে আসবে
২.যে যে খাবারে ফুড অ্যালার্জি আছে সে খাবারে ফুড অ্যালার্জি চলে যাবে
৩.ইনহেলার/মেডিসিন ৭ থেকে ১০ দিনে ছেড়ে দিতে পারবেন
৪.শ্লেষ্মা-কফ তরল হয়ে থুথু অথবা মলের সাথে বের হয়ে যাবে
৫.হাঁচি-কাশি,বুকের মধ্যে শো শো শব্দ ১০-১৩ দিনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যাবে
৬.শরীরের তাপমাত্রা ফিরে আসার ফলে কোল্ড এলার্জি নিরাময় হয়ে যাবে ফলে ঠান্ডায় কোন সমস্যা দেখা দিবে না
৭.নাকের ঝিল্লি এবং শ্বাসনালী পরিষ্কার হয়ে যাওয়ার ফলে ধূলাবালি তে গেলে হাঁচি-কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দিবে না
৮.শ্বাসনালী প্রসারিত হয়ে যাবে এবং ফুসফুসের প্রদাহ কমে অক্সিজেনের লেভেল বেড়ে ৯৮ এ চলে আসার ফলে শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিরাময় হয়ে যাবে।
দেড় মাস আমাদের ট্রিটমেন্ট ফলো করলে আপনার সমস্যা গোড়া থেকে নির্মূল হয়ে যাবে এবং ভবিষ্যতে এই সমস্যা দেখা দিবে না এবং কোনো ইনহেলার/মেডিসিন ও প্রয়োজন পড়বে না।
07/10/2022
এ্যা জমা বা হাঁ পানি হলো শ্বাস নালির প্রদাহজনিত দীর্ঘমেয়াদি একটি রোগ। এই প্রদাহের ফলে শ্বাস নালি ফুলে যায় এবং অতিমাত্রায় সংবেদনশীল/সরু হয়ে পড়ে। এতে হাঁ পানির বিভিন্ন উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন-হা চিঁ-কা শি,অক্সি জেন এর লেভেল কমে গিয়ে-শ্বাস কষ্ট/বু কে চাপ চাপ অনুভব করা/দম নিতে কষ্ট হওয়া, বাঁশির মতো শোঁ শোঁ আওয়াজ হওয়া ইত্যাদি। এ অবস্থায় শ্বাস নালিতে যদি ধুলা,ঠান্ডা বা গরম বাতাস প্রবেশ করে তাহলে রোগের মাত্রা বেড়ে যায়।অনেকের গলায় সারাক্ষণ কফ/শ্লেষ্মা জমে থাকায় নাক বন্ধ হয়ে থাকে।
এ্যা জমা/হাঁ পানি যে কোন বয়সেই হতে পারে। তবে শিশুদের ক্ষেত্রে এ রোগ বেশি দেখা যায়। দেখা গেছে, কারও কারও বংশগত কারণে বা পরিবেশগত কারণেও এ রোগ হতে পারে। এ ছাড়া ধুলোবালির মধ্যে থাকা মাইট নামের ক্ষুদ্র কীট, ফুলের পরাগরেণু,পশুপাখির পালক, ছত্রাক,মল্ট,ইস্ট,প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সিগারেট/যান্ত্রিক ধোঁয়ার মধ্যে যারা প্রতিনিয়ত থাকে তাদের এ রোগ হতে পারে।
তাছাড়া দীর্ঘদিন যাবত এলা-র্জী এর সমস্যায় ভুগলে তা এ্যা-জমায় রূপান্তর হয়।
এছাড়া মানসিক চাপে থাকলে হাঁ পানি/শ্বাস কষ্টের তীব্রতা বেড়ে যেতে পারে।কারও কারও বিভিন্ন সুগন্ধি,মশার কয়েল বা কারও কারও কীটনাশকের গন্ধ থেকেও শ্বাস কষ্ট বেড়ে যেতে পারে।বাংলাদেশে শীতকালে এ্যা জমার প্রকোপ বেশি দেখা দেয়।
বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগীরা যে ভুলটা করে, তারা শুরুতে রোগ টাকে সাধারন মনে করে অবহেলা করে।ধীরে ধীরে সমস্যা বেগতিক মনে হলে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়।আর ডা ক্তার মেডি সিন/ইন হেলার দিয়ে থাকলেও সেগুলো ক্যা-মিকেল/স্টে-রয়েডযুক্ত হওয়ায় সমস্যাকে সাময়িকভাবে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সক্ষম হয়।ফলে রোগ শরীরের মধ্যে থেকে যায় এবং
বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই সমস্যা আরো মারাত্মক আকার ধারন করে।
এই সমস্যার জন্য আমরা দীর্ঘ ৮ বছর ধরে দিয়ে আসছি Natural & Organic Medi-cation।
ক্যামিকেল শরীরের সাথে মিশে না,তাই একটা এ্যালো প্যথিক মেডিসিনে ১৬ঘন্টা-১ দিন সুস্থ থাকা যায়।কিন্তু আমাদের এই Natural ওষুধ সেবনের ফলে তা রক্ত এবং শরীরের সাথে মিশে যায়।ফলে এটার গুনগত মান কয়েক যুগ(১২ বছর+) আপনার শরীরে লাস্টিং করবে।যার ফলে আমাদের ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোর্স সেবন করলে আপনি কোন ইন-হেলার/মেডি-সিন ছাড়াই চিরস্থায়ীভাবে সুস্থ থাকতে পারবেন।
উপরওয়ালা আমাদের বেঁচে থাকার জন্য পৃথিবীতে এবং প্রকৃতিতে সকল উপকরণ দিয়েছে।রোগ/ব্যাধির ক্ষেত্রে ও একই।তিনি প্রকৃতিতে এমন কিছু মহাও-ষৌধ দিয়েছেন যেগুলো সেবনে আমাদের দূরারোগ্য রোগ ও সেরে যায়।কিন্তু আমরা শুরুতেই ডা ক্তারের কাছে ছুটে যাই এবং হাতের কাছে যে উপরওয়ালা প্রদত্ত সহজ সমাধান ছিল সেটাকে ভুলে যাই।আসুন উপরওয়ালা কে স্মরণ করি এবং তার দেয়া উছিলার মাধ্যমে সুস্থ হই..
আমাদের ট্রিটমেন্ট পদ্ধতি হল"Food supplement"।
এটি একবিংশ শতাব্দীর Unique এবং কার্যকরী চিকিৎসা পদ্ধতি।যেটা Nature & Science এর কম্বিনেশন তৈরি করা
আমাদের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়নি এমন পেশেন্ট বাংলাদেশ একটাও নেই।কারন আমরা আপনাকে গ্যারান্টি দিব যে,আপনি অবশ্যই সুস্থ হবেন।কারন,আমরা বিশ্বাস করি মৃত্যু ছাড়া সকল সমস্যার সমাধান রয়েছে
বিস্তারিত জানতে আমাদের কমেন্ট বক্সে ঘুরে আসুন এবং চিকিৎসা নিতে ইনবক্সে নক দিয়ে আপনার বয়স এবং সমস্যা খুলে বলুন।
29/09/2022
হাঁপানি হল ফুসফুসীয় শ্বাসনালির দীর্ঘ মেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ।[৩] এর বৈশিষ্ট্য হল রোগটি বিভিন্ন মাত্রায় ও বার বার লক্ষন দেখা দেওয়া এবং পরবর্তীতে চিকিৎসা না করলে খারাপ হতে থাকা, শ্বসনপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্থ হওয়া, এবং সহজেই বা অল্পতেই ব্রঙ্কোস্পাজম বা শ্বাসনালি সরু হয়ে যাওয়ার মত অবস্থায় চলে যাওয়া যার ফলে হাঁপানি বেড়ে যায়।[৮][৯] লক্ষনগুলোর মধ্যে আছে শো শো শব্দ হওয়া, কাশি, বুকে চাপ অনুভব করা (বুকের মাংসপেশি শক্ত হয়ে যাওয়া), এবং স্বল্প মাত্রায় শ্বাস নিতে পারা।[২] এগুলো এক দিনে একাধিকবার হতে পারে আবার এক সপ্তাহে ধীরে ধীরে হতে পারে।[৩] ব্যক্তিভেদে হাঁপানির লক্ষনগুলো রাতে বেড়ে যেতে পারে বা ভারি কাজ বা ব্যায়াম বা খেলাধূলা করলেও বেড়ে যেতে পারে।[৩]
29/09/2022
অ্যাজমা বা হাঁপানি শ্বাসতন্ত্রের অ্যালার্জিজনিত দীর্ঘমেয়াদি রোগ। বিভিন্ন অ্যালার্জেন, শ্বাসতন্ত্রের সংবেদনশীলতা এবং ফুসফুসের প্রদাহের জন্য শ্বাসনালিতে বাতাস চলাচলে বিঘ্ন ঘটে, ফলে স্বাভাবিকভাবে নিশ্বাস নিতে কষ্ট হয় বা শ্বাসকষ্ট হয়। একই সঙ্গে নিশ্বাসে সাঁই সাঁই শব্দ শোনা যায়। অ্যাজমা আক্রমণের সময় শ্বাসনালির আস্তরণ ফুলে যায়, ফলে শ্বাসনালি সংকীর্ণ বা চিকন হয়ে যায়। এর ফলে প্রশ্বাস ও নিশ্বাসে বাতাস চলাচলের গতি কমে যায় ও কষ্টসাধ্য হয়। লিখেছেন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ শিশু চিকিৎসক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. মনজুর হোসেন
Click here to claim your Sponsored Listing.