Sukoon - সুকূন
Quality is our Commitment...
14/08/2026
বাংলাদেশের জন্য এটা বেষ্ট। FRAGRANCE FREE, COTTON, biodegradable...
12/08/2026
অনেক মেয়েই ছোটবেলা থেকে নিজের শরীরের এই অংশগুলো সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে শেখার সুযোগ পায় না। তাই ভ্যাজাইনা, ইউরেথ্রা, পায়ুপথ, হাইমেন—কোনটা কোথায় এবং কোন পথ দিয়ে কী বের হয়, সেটা জানা খুবই জরুরি।
একটা সহজভাবে বুঝে নিন:
🌸 মেয়েদের নিচের অংশে আসলে কয়েকটি আলাদা পথ আছে
১. ইউরেথ্রার ছিদ্র (প্রস্রাবের পথ)
এটা দিয়ে শুধু প্রস্রাব বের হয়।
এটি যোনিপথের ওপরে, ক্লিটোরিসের নিচের দিকে থাকে।
২. যোনিপথ বা Va**na (মাসিকের রক্তের পথ)
এটাই সেই পথ, যেখানে মেন্সট্রুয়াল কাপ/ট্যাম্পন/ডিস্ক প্রবেশ করানো হয়।
মাসিকের রক্ত এই পথ দিয়েই বের হয়। সন্তান জন্মের পথও এটি।
👉 তাই মেন্সট্রুয়াল কাপ প্রস্রাবের ছিদ্রে ঢোকানো হয় না।
কাপ যোনিপথের ভেতরে বসে।
৩. পায়ুপথ বা A**s (পায়খানার পথ)
এটি যোনিপথের পেছনে থাকে এবং এখান দিয়ে পায়খানা বের হয়।
এটিও সম্পূর্ণ আলাদা একটি পথ।
তাহলে খুব সহজ করে—
সামনের দিক → ক্লিটোরিস → প্রস্রাবের ছিদ্র → যোনিপথ → পায়ুপথ
তবে বাইরে থেকে খুব কাছাকাছি মনে হওয়ায় অনেকের কাছে সবকিছু একই জায়গার মতো মনে হতে পারে। আসলে এগুলো আলাদা অঙ্গ ও আলাদা পথ।
আর একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—ভ্যাজাইনা আর পুরো বাইরের অংশ এক জিনিস নয়। বাইরে যে পুরো যৌনাঙ্গের অংশটি দেখা যায় তাকে ভালভা (v***a) বলা হয়। এর মধ্যে ল্যাবিয়া, ক্লিটোরিস, ইউরেথ্রার মুখ এবং যোনিপথের প্রবেশমুখ থাকে।
নিজের শরীর সম্পর্কে এগুলো জানা লজ্জার কিছু নয়—বরং নিজের শরীর, মাসিক, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং মেন্সট্রুয়াল কাপ সঠিকভাবে ব্যবহারের জন্য এগুলো জানা খুব দরকার।
বয়স বাড়ার সাথে সাথে.
🔔 Ring থেকে
🔕 Silent-এ চলে গিয়েছেন নাকি ভাইব্রেশন?
নাকি এখনও Ring-ই রাখেন?
06/08/2026
এলার্ম ঘড়ি নাকি হাত ঘড়ি??
আমার প্রেডিকশন স্পেন : ২ /আর্জেন্টিনা :১
চলুন একটা গেইম খেলা যাক। আজকের খেলায় বিশ্বকাপ জয়ী হবে কোন দল, কতো গোলের পার্থক্যে??
অনুমান করে কমেন্টে জানান। সঠিক উত্তরদাতাদের নাম লিখে লাইভে লটারির মাধ্যমে আমরা বিজয়ী একজন কে হাদিয়া উপহার দিবো। সেটা হতে পারে যে কোন স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট।
18/07/2026
আপু, প্রোডাক্টের দাম কীভাবে ঠিক করবো?
অনেক নতুন ব্যবসায়ী একটা ভুল করেন। তারা ভাবেন, "অমুক ১০৫০ টাকায় বিক্রি করছে, আমিও ১০৫০ টাকায় বিক্রি করব।" কিন্তু ব্যবসায় প্রাইসিং কখনো অন্যকে দেখে করা উচিত না।
কারণ আপনার আর অন্যের খরচ এক নাও হতে পারে। কেউ হয়তো অনেক কম দামে সোর্সিং করতে পারে, কেউ বড় পরিমাণে ইমপোর্ট করে খরচ কমিয়ে ফেলতে পারে, আবার কারও অফিস, স্টাফ বা মার্কেটিং খরচই নেই। তাই একই প্রোডাক্ট হলেও সবার বিক্রয়মূল্য এক হওয়ার কোনো কারণ নেই।
ধরুন, আপনি ৭০০ টাকা দিয়ে একটি প্রোডাক্ট কিনলেন। এরপর শিপিং, ইমপোর্ট, প্যাকেজিং, বিজ্ঞাপন, কুরিয়ার সংক্রান্ত খরচ, রিটার্নের সম্ভাব্য লস, কর্মচারীর বেতন—সব মিলিয়ে আপনার মোট খরচ দাঁড়াল ১০০০ টাকা।
এখন শুধু অন্যকে দেখে যদি ১০৫০ টাকায় বিক্রি করেন, তাহলে লাভ থাকবে মাত্র ৫০ টাকা। এই ৫০ টাকা দিয়ে কি ব্যবসা বড় করা, নতুন স্টক আনা বা হঠাৎ কোনো ক্ষতি সামলানো সম্ভব? বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই না।
আরেকটা বিষয় মনে রাখবেন, বেশি সেল মানেই বেশি লাভ নয়। অনেক সময় হাজার হাজার অর্ডার নিয়েও ব্যবসা লোকসানে চলে যায়, কারণ শুরু থেকেই প্রোডাক্টের প্রাইসিং ভুল ছিল।
তাই প্রোডাক্টের দাম ঠিক করার আগে নিজের সব খরচের হিসাব করুন। তারপর এমন একটি প্রফিট যোগ করুন, যাতে ব্যবসা শুধু চলেই না, ভবিষ্যতে আরও বড়ও হতে পারে।
অন্যের প্রাইস কপি করে নয়, নিজের হিসাব বুঝে প্রাইসিং করুন।
কারণ সঠিক প্রাইসিং একটি ব্যবসাকে বছরের পর বছর টিকিয়ে রাখতে পারে, আর ভুল প্রাইসিং ধীরে ধীরে একটি ভালো ব্যবসাকেও বন্ধ করে দিতে পারে।
08/07/2026
মেন্সট্রুয়াল কাপ ব্যবহার করলে ভার্জিনিটি "নষ্ট" হয় না।
প্রথমেই একটা ভুল ধারণা ভাঙি।
ভার্জিনিটি কোনো বস্তু নয়, যে এটা "নষ্ট" হয়ে যাবে। এটি মূলত একটি সামাজিক ধারণা। তাই মেন্সট্রুয়াল কাপ ব্যবহার করলেই কারও ভার্জিনিটি চলে যায়—এমন ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
আরেকটি প্রচলিত ভয় হলো, কাপ ব্যবহার করলে ভ্যাজাইনা লুজ হয়ে যায়।
এটাও ভুল ধারণা।
ভ্যাজাইনা এমন একটি অঙ্গ, যা প্রয়োজন অনুযায়ী প্রসারিত ও সংকুচিত হতে পারে। স্বাভাবিক প্রসবের পরও ধীরে ধীরে এটি আগের অবস্থার কাছাকাছি ফিরে আসে। তাই একটি সঠিক সাইজের নরম মেডিকেল-গ্রেড সিলিকন কাপ ব্যবহার করলে ভ্যাজাইনা স্থায়ীভাবে লুজ হয়ে যায় না।
মেন্সট্রুয়াল কাপ সঠিকভাবে ব্যবহার করলে সাধারণত ব্যথা লাগে না, অস্বস্তিও হয় না। এটি শরীরের ভেতরে ব্যবহারের জন্যই তৈরি এবং বিশ্বজুড়ে বহু বছর ধরে নিরাপদভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
আমি নিজেও ব্যবহার শুরু করার আগে আমার চিকিৎসকের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলেছিলাম। আমার সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পর তিনি বলেছিলেন, "এটি নিরাপদ।"
তারপরই আমি নিশ্চিন্তে ব্যবহার শুরু করি।
আজ আমার কাছে মেন্সট্রুয়াল কাপ মানেই ঝামেলামুক্ত পিরিয়ড।
পিরিয়ড শুরু হলে কাপটি কয়েক মিনিট ফুটন্ত গরম পানিতে জীবাণুমুক্ত করি। এরপর ইনসার্ট করি। ভরে গেলে বের করে পানি দিয়ে ধুয়ে আবার ব্যবহার করি। পিরিয়ড শেষ হলে আবার জীবাণুমুক্ত করে শুকিয়ে সংরক্ষণ করি।
সবচেয়ে ভালো লাগে কী জানেন?
ঘুম, অফিস, ক্লাস, ভ্রমণ, পাহাড়ে ওঠা, বৃষ্টিতে ভেজা, এমনকি সাঁতার—সবই করা যায় অনেক বেশি নিশ্চিন্তে।
বারবার প্যাড বদলানোর ঝামেলা নেই।
র্যাশ নেই।
স্যাঁতসেঁতে অনুভূতি নেই।
দুর্গন্ধের ভয় নেই।
আমার অভিজ্ঞতা এতটাই ভালো ছিল যে আমি আমার ছোট বোনকেও একটি কাপ কিনে দিয়েছিলাম। প্রথমে ও ভয় পেয়েছিল। পরে ব্যবহার শেখার পর এখন ও-ও কাপ ছাড়া পিরিয়ড কল্পনাই করতে পারে না।
একদিন ভুল করে ওর কাপ টয়লেটে পড়ে গিয়েছিল। টয়লেট থেকে বের হয়েই প্রথম কথা ছিল,
"আপু, আরেকটা কাপ অর্ডার করে দাও!"
আমার কাপটিও নেওয়া হয়েছিল Beauty Bucket By Amena থেকে। তাই কেউ যদি একটি অরিজিনাল ও মানসম্মত মেন্সট্রুয়াল কাপ নিতে চান, তাহলে পেইজটিতে যোগাযোগ করতে পারেন।
আর যারা ব্যবহার করতে চান না, অবশ্যই করবেন না। এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত।
তবে না জেনে ভুল তথ্য ছড়ানো, অন্যকে ভয় দেখানো বা অকারণে নেতিবাচক মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন।
সচেতনতা ছড়াই, ভুল ধারণা নয়।
অতএব তাদেরকে ছেড়ে দাও, তারা মগ্ন থাকুক বেহুদা কথায় আর খেল-তামাশায় মত্ত থাকুক, যতক্ষণ না সেদিনের (কে*য়ামত) সাথে তারা সাক্ষাৎ করে যার প্রতিশ্রুতি তাদেরকে দেয়া হয়েছে।
— সূরা আয-যুখরুফ, আয়াত : ৮৩
স্কিনো ও ইনসেই এর স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট স্টক ক্লিয়ারেন্স সেল এ দিবো।
Category
Contact the business
Website
Address
4216