Rahat Homeo Hall
Rahat Homeo Hall
শরীরের বিভিন্ন স্থানের টিউমারের সংক্ষিপ্ত
রেপার্টরী ---
______
টিউমার কি- টিউমার হল শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু পিণ্ড, যার কোষ বৃদ্ধি হয় স্বাভাবিকের চাইতে অনেক দ্রুত, অনিয়ন্ত্রিত ও সমন্বয়হীন ভাবে। কোষের ধরন ও আচরণ অনুসারে টিউমার ২ ধরনের-
১. বিনাইন (Benign) – যেটি বিপজ্জনক নয়। এর বৈশিষ্ট-
১. এই টিউমার একটি আবরণ (Capsule)
দ্বারা বেষ্টিত থাকে।
২. ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়।
৩. আশপাশে বা শরীরের অন্য কোনো
অংশে ছড়ায় না।
৪. অপারেশনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ ভাল হয়।
২. ম্যালিগন্যান্ট (Malignant) -
এটি ক্ষতিকর । ক্যান্সার এক ধরনের ম্যালিগন্যান্ট টিউমার। এর বৈশিষ্ট-
১. এটি কোন আবরণ (Capsule) দ্বারা বেষ্টিত থাকে না,ফলে বৃদ্ধি হয় অনিয়ন্ত্রিত ও অগোছালো।
২. অতি দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
৩. আশেপাশের টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়ে।
৪. রক্তের মাধ্যমে শরীরের অন্য জায়গায়ও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
৫. প্রাথমিক স্টেজে সঠিক চিকিৎসা পেলে বেশিরভাগ ক্যান্সার ভাল হয়, তবে পুনরায় হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়, তাই চিকিৎসা নিতে হয় ধৈর্য ধরে ও দীর্ঘ সময় নিয়ে।
ক্যান্সার রোগীর শারীরিক অবস্থা
১. ক্ষুধামন্দা।
২. বমিবমি ভাব।
৩. রক্তশূন্যতা।
৪. অল্প সময়ে ওজন কমে যাওয়া।
৫. দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়া ও
৬. ক্যান্সারের ধরন অনুযায়ী অন্যান্য লক্ষণ।
অতএব, শরীরে ফোলা বা টিউমারের আচরণ যদি ম্যালিগনেন্ট টিউমারের বৈশিষ্ট্যের মতো না হয় ও রোগীর যদি ক্যান্সারের অন্যান্য লক্ষণসমূহের কোনটাই না থাকে— তাহলে ওই টিউমার নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা গ্রহণের মাধ্যমে দুঃশ্চিন্তা মুক্ত হোন।
★★_________রেপার্টরী________★★
টিউমার চিকিৎসায় সাধারনত যে মেডিসিন গুলোর সিম্পটম বেশি পাওয়া যায় সেগুলো হল-
Thuja, Conium, Baryta Carb, Baryta Iod, Baryta Mur, Calcarea Carb, Calcarea Phos, Calcarea Fluor, Calcarea Iod, Ruta, Phytolacca, Silicea.
শরীরের বিভিন্ন স্হানের টিউমারের সংক্ষিপ্ত রেপার্টরী -
নবজাত শিশুর মাথায় টিউমারঃ Baryta Carb.
মুত্র পথে টিউমারঃ Thuja, Eucaliptus.
বুকে টিউমারঃ Thyroidinum.
উরুর মধ্যে বেদনাযুক্ত টিউমারঃ Conium.
রক্তময় টিউমারঃ Calcarea Floor.
বগলের টিউমারঃ Carbo Ani, Thuja
ফুসফুসে টিউমারঃ Thuja, Phosphorus.
ঠোটের টিউমারঃ Thuja, Silicea, Calcarea Phos.
রক্তবহা নাড়ির টিউমারঃ Calcarea Fluor.
Thoja Q and Phytolacca Q বাহ্য প্রয়োগ করা যায়।
শক্ত টিউমারে Conium, Ruta, Calcarea Fluor, Calcarea Phos. Carbo Ani. ভাল।
নরম টিউমারে Calcarea Carb, Thuja, Baryta Carb ভাল।
চোখের পাতায় টিউমারঃ Calcarea Fluor, Thuja. Staphysagria.
নাকে টিউমারঃ Thuja,
স্বরযন্ত্রের টিউমারঃ Thuja.
কানে টিউমারঃ Calcarea Carb, Thuja.
মাথায় টিউমারঃ Calcarea Carb, Calcarea Fluor, Thuja, Baryta Carb.
গলায় টিউমারঃ Baryta Carb, Thuja.
পেটে টিউমারঃ Calcarea Iod, Thuja.
কাঁধে বা পিঠে টিউমারঃ Conium, Baryta Carb.
কপালে টিউমারঃ Conium, Calcarea Fluor.
আঘাতের কারনে টিউমারঃ Conium, Ruta.
দাঁতের মাড়িতে টিউমারঃ Hecla Lava.
হাতের কব্জির টিউমারঃ Ruta, Calcarea Phos.
হাঁটুতে টিউমারঃ Calcarea Floor, Calcarea Phos.
আঙ্গুলে টিউমারঃ Calcarea Fluor, Thuja.
মুখের উপর টিউমারঃ Calcarea Fluor, Thuja.
মুখের ভিতর টিউমারঃ Arum Mur, Baryta Carb, Thuja.
অস্হির/হাড়ের টিউমারঃ Calcarea Phos, Calcarea Fluor, Silicea.
ব্রেন টিউমারঃ Sulpher, Acid Hydro, Tuber Bovi, Natrum Mur.
জিহ্বার টিউমারঃ Thuja, Arum Mur, Baryta Carb.
স্তনে টিউমারঃ Phytolacca, Conium, Carbo Ani, Calcarea Fluor.
ডিম্বকোষে/ওভারিতে টিউমারঃ Thuja, Calcarea Fluor.
জরায়ুর টিউমারঃ Arum Mur Nat., Calcarea Iod, Conium, Thuja.
গর্ভভ্রমে টিউমারঃ Natrum Carb, Thuja
রোগীর লক্ষন অনুযায়ী উল্লেখিত ঔষধ ব্যবহারে ভাল ফল পাওয়া যাব
:
বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথির সাফল্য
বন্ধ্যাত্ব নিজে কোন রোগ নয় অন্য রোগের প্রতিক্রিয়াতেই এইরোগ হয়ে থাকে।
জরায়ুতে টিউমার,স্বাদা স্রাব,ক্ষত,জরায়ু সংকোচন,মেদভুরী, এবং অন্যকোন রোগ যাহা স্ত্রীলোককে দুর্বল করে বন্ধা করে ফেলে।অসাস্হকর পরিবেশে ও অপুষ্টিকর খাদ্যের জন্যও স্ত্রীদের সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়।শরীরের প্রাকৃতিক বিধান জনিত কারনে বন্ধ্যাত্ব হলে কোন চিকিৎসাতেই সফল হয় না। কিন্তু অন্যরোগের পরিনামে বন্ধ্যাত্ব হলে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় আরোগ্য হয়ে স্তান জন্ম দিতে সক্ষম হয়। নারীর মনের বাসনা একজন মা হওয়া।কোন কারনে মা হতে না পারা খুবই কষ্টের ।মাতৃত্বেই নারীর পুর্নতা।নারীর আজীবনের লালিত স্বপ্ন একটি সন্তান লাভ।যার সন্তান হচ্ছেনা তার কষ্ট সে ছাড়া কেউ জানে না।সন্তানের আশায় নারী পুরুষ উভই পাগলের মত দিকবেদিক ছুটতে থাকেন।নানা আপচিকিৎসার ফলে সন্তানের আশায় নিজের জীবন বিষময় করে ফেলেন।চিকিৎসা নেওয়ার পুর্বেই বন্ধ্যাত্ব সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা থাকা প্রয়োজন ।চিকিৎসার প্রথমেই গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হলো রোগের কারন নির্নয় ও কারন অনুযায়ী প্রাকৃতিক চিকিৎসা নেয়া।চিকিৎসকের কাছে রোগের বর্ণনা দেয়ার প্রয়োজনের কথা বিবেচনায় নিচে রোগের কারনসহ বিস্তারিত আলোচনা করা হল।
সন্তানের জন্ম দিতে অসামর্থকে বন্ধ্যাত্ব বলা হয়।যে সমস্ত স্ত্রীলোক এক বা ্একাধিক কারনে সন্তান উৎপাদনের ক্ষমতা বিলুপ্ত হইয়া যায় তাহাকে বন্ধ্যা বলে।
প্রাচিন কামশাস্ত্রে ১২ প্রকার বন্ধাত্বের উল্লেখ রয়েছে।নারী বায়ু,পিত্ত, কফস এই ত্রিদোষের কারনে বন্ধ্যা হয়।রক্ত দোষ জনিত রোগসমুহ।ভূতজ বা জীবানু ঘটিত সার্ব দৈহিক রোগ সমুহ।দৈবকৃত বা মৃত ও অভিচারজ জন্ম দাত্রী । প্রাচীন চিকিৎসা শাস্ত্র অনুযায়ী নারীর বন্ধ্যাত্বের প্রকারভেদ :-
আদিবন্ধা
কাকবন্ধা
গর্ভস্রাবিনী।
গর্ভোৎপত্তির জন্য চারটি উপাদান প্রয়োজন।যথা:
ঋতু
ক্ষেত্র
জল
বীজ।।
এই চার বস্তুর সান্নিধ্যে বীজ হইতে অঙ্কুর উৎপত্তিহয়।এই প্রকার ঋতুকাল গর্ভাশয় মাতৃশরীরে রস ও বীজ (শৈুক্রানু ও ডিম্বানু )সমাবেশে নারীতে গর্ভোৎপত্তি হয়।এই চারটি বস্তুর কোন একটি বা একাধীক বস্তুর অভাব বা বিকৃতি হইলে সন্তান উৎপত্তি হয না।সন্তান লাভের জন্য নারী ও পুরুষ উভয়েরই সক্ষমতা থাকতে হবে ।
পুরুষের বন্ধ্যাত্বের কারনসমুহ:
পুরুষের অক্ষমতা গুলো শুক্রানুর অভাব অথবা বিকৃতি,শুক্রাণুর গতিহীনতা,বীজবাহিনীর অবরোধ,পুরুসাঙ্গ ছোট বা যোনি ছেদন করিতে অক্ষম,সঠিক সময়ের পুর্বেই বীর্যপাত,অন্তকোষ না থাকা ও যৌনরোগাক্রান্ত হওয়া ইত্যিাদি কারনে পুরুষেরা সন্তান দানে অসমর্থ হয়।পুরুষের অন্ডগ্রন্হি হতে নির্গত শুক্রানুর সুস্হতার অভাব ও মৈথুনের অক্ষমতা এই দুইটি কারনের জন্য যেহেতু পুরুষ সন্তান উৎপাদনে অসমর্থ হয সেই হেতু এই কারনের পিছনে যে সকর রোগদায়ী তাহার চিকিৎসা জরুরী।
নারীর বন্ধ্যাত্বের কারন:
মানসিক কারনসমুহ যেমন মৈথুনের সময়ে মানসিক অস্হিরতা,দাম্পত্য কলহ,পারিবারিক অশান্তি,মানসিক আঘাত ইত্যাদি।মৈথুন বিষয়ে বিঘ্ন যেমন মৈথুন সহ্য না হওয়া,মৈথুন বিদ্বেষ,মৈথুন ইচ্ছাহীনতা।জননাঙ্গ সম্বন্ধীয় বিকৃতি যেমন গর্ভাশয় একেবারে ছোট অথবা সংকীর্নতা,বীজগ্রন্হির অভাব।শোধ অবরোধ যেমন -গনেরিয়া বা অন্যকোন যৌণ রোগ দ্বারা শোধ,অম্লস্রাব,মৈথুন শেষে শুক্রানু বের হয়ে আসা,গর্ভাশয়ের রোগসমুহ,গর্ভাশয়ের বিকৃতি বীজবাহিনীর অবরোধ ও বিকৃতি বা টিউমার হওয়া ইত্যাদি।দৈহিক অপুষ্টি,রক্তহীনতা,হরমোন জনিত গোলযোগ ইত্যাদি কারনে নারীর সন্তান হয়না।
সম্ভাব্য কারন নির্নয় করে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দ্বারা সুফল পাওয়া যায়।হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা এই ক্ষেত্রে অত্যন্ত সফল।
নারীর বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধসমুহের লক্ষণভিত্তিক আলোচনা করা হল:
কালোফাইলম:
সাদা স্রাবের কারনে নারী গর্ভধারনে অসমর্থ হলে কলোফাইলম উপযোগী।
নেট্রাম কার্ব:
স্বামী-স্ত্রী সহবাসের পর স্বামীর বীর্য স্রীর যোনি হইতে বাহির হইয়া আসে বিধায় স্তান লাভ করতে অসমর্থ হয় তবে নেট্রাম কার্ব উপযোগী।
হেলোনিয়াস:
অতত্যন্ত খিটখিটে স্বভাব,গভীর বিষাদপুর্ন।জরায়ুর নানা রোগ ভোগগের কারনে সন্তান না হলে এ ঔষধটি উপযোগী।
কোনিয়াম:
নারীর অনিয়মিত মাসিক,মাসিক কম,মাসিকের সময় স্তনে বেদনা এই লক্ষণ সমষ্টি যে নারীর মাঝে পাওয়া যায় তার জন্য উপযোগী।
অরাম মিউর নাট:
জরায়ু রোগাক্রান্ত রোগিনীর জন্য অরাম মিউর নাট উপযোগী।জরায়ুতে ছোট ছোট টিউমার,বেশী বেশী রক্ত প্রদর ইত্যাদি লক্ষনে উপযোগী।
বোরাক্স:
ডিমের সাদা অংশের মত প্রচুর সাদা স্রাব সব সময় যোনী ভিজিয়া থাকে।চুল জরিয়ে যায়,উপর হতে নিচে নামতে ভয় নেই বন্ধ্যা নারীল জন্য উপযোগী।
অরাম মেট:
সন্তান না হওয়ার কারনে ভীষণ মনোকষ্ট,সর্বদা মনমরা,সন্তান পাওয়ার চিন্তা সবসময় চিন্তিত সেইরোগীর জন্য অরাম মেট উপযোগী।
এগনাস্টাস ক্যাকটাস:
যে রমনীর মাসিক অনিয়মিত,স্বল্পস্রাব,সাদা বা হলুদ প্রদর স্রাব কাপড়ে দাগ পরে সেই নারীর বন্ধ্যাত্বের জন্য উপযোগী।
উথানিয়া:
ইহার অপর নাম অশ্বগন্ধা এই ঔষধটি নিয়মিত বন্ধ্যা নারীকে নিয়মিত দ
িলে সে সন্তান লাভের উপযোগী হয়।এ ঔষধটি সেবনে নারীর স্বাস্হ্য সবল হয় ডিম্বানু উৎপন্ন হয় ও সন্তান লাভের উপযুক্ত হয়।
আয়োডিয়াম:
রাক্ষুষে ক্ষুধা রোগিনী ঠিকমত খায় কিন্তু শরীর ক্রমশ: শুকাইয়া যায়।স্তন শুষ্ক,ডিম্বকোষ,জরায়ুর রোগ ভোগ ইত্যাদির কারনে নারী সন্তান উৎপাদনে অসমর্থ হলে আইয়োডিয়াম উপযোগী।
প্লাটিনা:
রোগিনী প্রবল কামাতুর,নিজেকে শ্রেষ্ঠ মনে করে তলপেটে একটি জীবিত কোন বস্তুর নড়াচড়া অনুভব করেনমণ মণ সর্বদা পরিবর্তনশীল এই রমনীর জন্য প্লাটিনা উপযোগী।
পালসেটিলা:
নম্র স্বভাবের রমনী,ক্রন্দনশীল,মন পরিবর্তনশীল,জরায়ু তলপেট,কোমর বেদনায় কাতর,বাধক বেদনা মাসিক কম ইত্যাদি লক্ষণ সমষ্টি যে নারীর মাঝে পাওয়া যায় তার জন্য পালসেটিলা উপযোগী।
জরায়ু ও ডিম্বাশয়ের বিকৃতির জন্য অধিকাংশ স্ত্রীলোক বন্ধ্যা হইয়া থাকে।এই জন্য জন্য সকল লক্ষণ বিবেচনায় ঔষধ প্রয়োগ জরুরী।ধাতু দোষের কারনেও বন্ধ্যাত্ব হতে পারে তাহার জন্য ক্যালকেরিয়া কার্ব ,সিমিসিফুগা,ব্যাসিলিনাম,ফেরাম মেট,ডাস্কোরিয়া,ফসফরাস,এসিড ফস,স্যাবাইনা,সিপিয়া,সালফার প্রভৃতি ঔষধ ব্যবহার করা যেতে পারে।
নারীর বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধসমুহের লক্ষন সহ আলোচনা করা হল:
নেট্রামমিউর:
লবনপ্রীয় রোগীনির মাসিকের গোলযোগ,সহবাসে অনিচ্ছাসহ নেট্রাম মিউরের সার্বলাক্ষনিক বিবেচনায় যদি নেট্রাম মিউরের উপযোগী রোগী হয় তবে এ ঔষধটি একটি মুল্যবান ঔষধ।মাত্রা: ২০০শক্তির ৪ বড়ি দিনে ২বার আহারের পরে।
ক্যালকেরিয়া ফ্লোর:
জরায়ুতে টিউমার,পলিপাস সাদাস্রাব ও ওভারীর রোগসমুহ যে রোগীর মাঝে আছে সেই রোগীর জন্য ক্যালকেরিয়া ফ্লোর উপযোগী।মাত্রা: ২০০শক্তির ৪ বড়ি দিনে ২বার আহারের পরে।
সাইলেসিয়া:
ঋতুর পরিবর্তে সাদাস্রাব,স্রাবের পরিমান অনেক বেশী,হাজাকারক,স্রাব হওয়ার আগে তলপেটে বেদনা অনুভব ,ফেলোপিয়ান টিউবে পুজ বা পানি জমা।যোনি ফোলা,স্রাবে অত্যন্ত দুর্গন্ধ,অনিয়মিত মাসিক ,ইত্যাদি লক্ষন যে রেগিনীর মাঝে আছে তার জন্য অত্যন্ত প্রযোজনীয় ঔষধ।মাত্রা: ২০০শক্তির ৪ বড়ি দিনে ২বার আহারের পরে।
ক্যালকেরিয়া ফস:
জরায়ুর দুর্বলতা,মনে হয় জরায়ু নিচে নেমে যাচ্ছে,পায়খানা প্রস্রাবের পরে রোগ বেশী মনে হয়,জরায়ুর স্হানচ্যুতি।সাদা স্রাব দুধেরমত সাদা।মাসিকের পরে সাদা স্রাব।মাসিকের রং কখনও লাল কখনও কাল ইত্যাদি রোলক্ষন যে রোগিনীর মাঝে পাওয়া যাবে তার জন্য ক্যালকেরিয়া ফস উপযোগী।মাত্রা: ২০০শক্তির ৪ বড়ি দিনে ২বার আহারের পরে।
নেট্রাম ফস:
জরায়ু ও যোনির স্রাহ হলুদ,পাতলা,অম্ল গন্ধ যুক্ত ঘ্রানে বমি আসলে সেই রোগিনীর জন্য নেট্রাম ফস অত্যন্ত উপযোগী ঔষধ।মাত্রা: ৬,১২শক্তির ৪বড়ি দিনে তিন বার আহারের পরে।
বন্ধ্যাত্বের মুল কারন অনুসন্ধান করিয়া তার প্রতিকার প্রয়োজন।বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসা একটি জটিল ব্যাপার।বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার জন্য সময়ের প্রয়োজন । নারীর বন্ধাত্ব চিকিৎসার সফলতার জন্য নারীর সুস্হ্যতা প্রয়োজন এ জন্য পুষ্টিকর খাদ্য যেমন ঘী ও দুগ্ধজাত দ্রব্য পথ্য দিলে প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়
এক নজরে (কেলি ফস)
♦ বৃদ্ধদের শুষ্কতা,শীর্ণতা,জীবনীশক্তিহীনতায় দিবেন- কেলি ফস।
♦আহার করিলে ভাল থাকে -কেলি ফস।
♦উত্তেজনার মধ্যে ভাল থাকিলে -কেলি ফস।
♦মধুর সঙ্গ পাইলে ভাল খাকে-কেলিফস।
♦হার্টের প্যালপিটেশন হইতে থাকিলে -কেলিফস।
♦দুর্বলভাব ও অবসন্নতায় স্নায়ুমন্ডলী অসুস্হ হইলে-কেলিফস।
♦গ্যাংগ্রিন বা পচাঁক্ষতেরর প্রথম অবস্হায় শ্রেষ্ট ঔষধ -কেলি ফস।
♦রক্ত স্রাবে রক্ত পাতলা,কাল,পচাগন্ধযুক্ত এবং তাহা জমাট বাঁধেনা,এমন হইলে -কেলি ফস।
♦শিশুদের পক্ষাঘাতে -কেলি ফস।
♦হিষ্টিরিয়া বা স্নায়বিকতায় যেথায় কোন কারণ ও মেলে না_কেলি ফস।
♦যেকোন স্হানের পক্ষাঘাত এবং যেকোন রকমের পক্ষাঘাতেই মহৌষধ-কেলি ফস।
♦অত্যধিক যৌন ক্রিয়ার কুফল_কেলি ফস।
♦সায়েটিকা _কেলিফস।
♦বিষাক্ত বা দুষিত রক্তস্রাব -কেলি ফস।
♦একা থাকিলে রোগ বৃদ্ধি হইলে দিবেন-কেলি ফস।
♠♠ ব্রণ ♪
ব্রণ বিভিন্ন কারণে হতে পারে। যেমন বয়ঃসন্ধির সময় হরমনের করণ মাত্রার ভারসার্মের অভাবে ত্বকের তেল গন্হি সেবাম ক্ষরণ বেড়ে যায়। এতে লোমকুপ গুলো বন্ধ হয়ে যায়। ও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ বেড়ে যায়। এভাবে জীবানুর বিষক্রিয়ায় ত্বকে ব্রণ এর সৃষ্টি হয়। ব্রণের জীবানুর নাম ( প্রোপাইনো ব্যাকটেরিয়াম অ্যাকনে) ছেলেদের ক্ষেত্রে ১৬ থেকে ১৯ বছর বয়সের মাঝে এবং মেয়েদের ১৪ থেকে ১৬ বছর বয়সে ব্রণ হবার প্রবণতা দেখা যায়।
৮০ শতাংশের ক্ষেত্রে ২০ বছর বয়সের মাঝামাঝি সময় থেকে ব্রণ হওয়ার হার কমে যেথে থাকে। তবে অনেকের ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়স পর্যন্ত ব্রণ হওয়ার প্রবণতা থেকেই যায়। ব্রণ সাধারণত মুখে দেখা যায়, তবে পিঠে, ঘাড়ে ও বুকে হতে পারে। গরম কালে ব্রণ হওয়ার প্রবণতা অনেক বেড়ে যায়।
♥ নিছে ব্রণ এর কয়েকটি ঔষধ ও লক্ষণ দেওয়া হলো।
♦♦♦ ♣ Calcarea Pic : বয়ঃসন্ধির সময় ছেলে ও মেয়েদের মুখ মন্ডলের ব্রণে কার্যকারী। 3x--- 30 শক্তি উপকারী।
♦ Kali Brom : যৌবনে উদগমের সময় মুকে ও বুখে শরীরের বিভিন্ন স্হানে ব্রণ। 3x to 30 x উপকারী।
♣ Sulp Iod : ব্যাথা যুক্ত বয়ঃব্রণ। 3x থেকে 30 শক্তি উপকারী।
♣ Acid pic : অতিরিক্ত ইন্দ্রিয় চালনা জনিত ব্রণে কার্যকারী। 3x থেকে 30 উপকারী।
♣ Berberis Aqui : Q থেকে 3x শক্তির উপকার সবার জানা আছে।
♣ Pulsatila : ফোঁড়া বাগী ইত্যাদি বেশ পেকেছে কিন্তু ফাটছে না, ভিতরে পুঁ হয়েছে এই রুপ ক্ষেত্রে Q
বাহ্যিক প্রয়োগ উপকারী।
♣ Bovista : কসমেটিক ব্যবহারের কুপল জনিত ব্রণে উপকারী। 6 থেকে 30 শক্তি ব্যবহার্য।
♦ বায়োকেমিক♦
♣ Calc Phos : যে কোন ব্রণে উপকারী, বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। 6x থেকে 12 x শক্তি।
♣ Kali Mur : শাল ব্রণ বা ব্রণের ভেতর থেকে সাদা ভাতের মত পদার্থ বের হলে 6x থেকে 12x শক্তি।
♣♣বিঃদ্রঃ সকল ঔষধ রেজিঃ চিকিৎসকের পরামশ্য অনুযায়ী সেব্য
যৌন সমস্যায় ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ন ১০টি হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সংক্ষিপ্ত লক্ষন।
Lycopodium clavatum:
লাইকোপোডিয়াম ধ্বজভঙ্গের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। মাত্রাতিরিক্ত ধূমপানের কারণে ধ্বজভঙ্গ হলে এটি খেতে পারেন। লাইকোপোডিয়ামের প্রধান প্রধান লক্ষণ হলো এদের পেটে প্রচুর গ্যাস হয়, এদের ব্রেন খুব ভালো কিন্তু স্বাস্থ্য খুব খারাপ, এদের প্রস্রাব অথবা পাকস্থলী সংক্রান্ত কোন না কোন সমস্যা থাকবেই, অকাল বার্ধক্য, সকাল বেলা দুর্বলতা ইত্যাদি ইত্যাদি।
Selenium:
যৌন শক্তির দুর্বলতা, দ্রুত বীর্য নির্গত হওয়া, স্বপ্নদোষ, মাথার চুল পড়ে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যায় সেলিনিয়াম একটি প্রথম শ্রেণীর ঔষধ। বিশেষত যাদের কোষ্টকাঠিন্যের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি ভালো কাজ করে।
Agnus Castus:
সাধারণত গনোরিয়া রোগের পরে যৌন দুর্বলতা দেখা দিলে এটি ভালো কাজ করে। পুরুষাঙ্গ ছোট এবং নরম হয়ে যায়, পায়খানা এবং প্রস্রাবের আগে-পরে আঠালো পদার্থ নির্গত হয়, ঘনঘন স্বপ্নদোষ হয়।
Caladium seguinum:
যারা যৌনমিলনে কোন আনন্দ পান না বা যৌনমিলনের পর বীরয নির্গত হয় না বা যাদের বীরয তাড়াতাড়ি নির্গত হয়ে যায় বা যারা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন করে দুবর্ল হয়ে পড়েছেন, তাদের জন্য কার্যকরী।
Moschus Moschiferus:
ডায়াবেটিস রোগীদের ধ্বজভঙ্গে এটি ভালো কাজ করে। এটি ক্ষুদ্রাকৃতি হয়ে যাওয়া পুরুষাঙ্গকে পূর্বের আকৃতিতে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে পারে।
Staphisagria:
পুরুষদের যৌন দুর্বলতা দূর করার ক্ষেত্রে স্টেফিসেগ্রিয়া একটি শ্রেষ্ট ঔষধ। বিশেষত অতিরিক্ত যৌনকর্ম করার কারণে বা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুনের ফলে যাদের ধ্বজভঙ্গ হয়ে গেছে, তাদের ক্ষেত্রে বেশী প্রযোজ্য। বিয়ের প্রথম কিছুদিনে মেয়েদের প্রস্রাব সম্পর্কিত অথবা যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত কোন সমস্যা হলে নিশ্চিন্তে স্টেফিসেগ্রিয়া নামক ঔষধটি খেতে পারেন। কারণ স্টেফিসেগ্রিয়া একই সাথে যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত রোগে এবং আঘাতজনিত রোগে সমান কাযর্কর।
Salix nigra:
মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন, স্বপ্নদোষ প্রভৃতি কারণে সৃষ্ট পুরুষদের যৌনকর্মে দুর্বলতা বা অক্ষমতার একটি শ্রেষ্ট ঔষধ হলো স্যালিক্স নাইগ্রা। এসব কারণে যাদের ওজন কমে গেছে, এই ঔষধ একই সাথে তাদের ওজনও বাড়িয়ে দিয়ে থাকে যথেষ্ট পরিমাণে। পাশাপাশি অবিবাহিত যুবক-যুবতী বা যাদের স্বামী-স্ত্রী বিদেশে আছেন অথবা মারা গেছেন, এই ঔষধ তাদের মাত্রাতিরিক্ত উত্তেজনা কমিয়ে দিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপনে সাহায্য করে।
Sabal serrulata:
সেবাল সেরুলেটা পুরুষদের যৌনশক্তি বৃদ্ধি করে এবং পাশাপাশি হজমশক্তি, ঘুম, শারীরিক শক্তি, ওজন (কম থাকলে) ইত্যাদিও বৃদ্ধি পায়। এটি মেয়েদেরও যৌন উত্তেজনা বৃদ্ধি করে থাকে এবং ক্ষুদ্রাকৃতির স্তনবিশিষ্ট মেয়েদের স্তনের আকৃতি বৃদ্ধি করে থাকে। বয়ষ্ক পুরুষদের প্রোস্টেট গ্ল্যান্ডের বৃদ্ধিজনিত যে-কোন সমস্যা এবং ব্রঙ্কাইটিস নির্মূল করতে পারে।
Conium:
স্ত্রী সহবাসের ইচ্ছা অধিক কিন্তু অক্ষম।সহবাস কালে সোহাগ আলিঙ্গনের সময় লিঙ্গ শিথিল হইয়া পড়ে।
Nux Vomica:
নাক্স ভমিকা ঔষধটি যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে একটি শ্রেষ্ট ঔষধ বিশেষত যারা শীতকাতর, যাদের পেটের সমস্যা বেশী হয়, সারাক্ষণ শুয়ে-বসে থাকে, শারীরিক পরিশ্রম কম করে, মানসিক পরিশ্রম বেশী করে ইত্যাদি ।
Dr. Arman Hossain 🐈⬛:
📷ট্রিবিউলাস-ট্রেস্টিস
🍎Tribulus terrestris
🍎উৎসা:-ইক্ষুগন্ধা নামক এক প্রকার ক্ষুদ্র গাছ হতে টিংচা প্রস্তুুত করা হয়।
🍏প্রধান ক্রিয়া:-
__________
♦প্রস্রাবের ও জননেন্দ্রিয়ের উপর।
♦জননেন্দ্রিয়ের দুর্বলতা
♦বাহ্যে প্রস্রাবের সাথে বীর্যস্খলন
♦হস্হমৈথুন কিংবা অন্য কোন উপায়ে অবৈধ্যভাবে শুক্রক্ষয় করিয়া ধ্বজভংগ বা আংশিক ধ্বজভংগ।
♦প্রস্রাব ধারনে অক্ষমতা প্রস্রাব আসলে এক মিনিটও বেগ ধারন করতে পারেনা।
♦প্রস্রাবের সাথে জ্বালা যন্রনা।
যে ছয়টি লক্ষনের কথা বলা হয়েছে এই লক্ষনের কোন রোগীকে ভাল মানের প্রয়োজনে জার্মানী ঔষধ প্রয়োগ করলে অবশ্যয় ট্রিবিউলাস কার্যকরী মেডিসিন।পুরুষাঙ্গ পূর্বের ন্যায় শক্তিশালী ও যৌন মিলনে দীর্ঘক্ষন স্হায়ী হবে।
♦আমার বোধ হয় জননেন্দ্রিয়ের দোষ নিবারনে ও শংষোধনে সমস্হ ঔষধ অপেক্ষায় ইহা অধিকতর ফলপ্রদ পরীক্ষা করে দেখতে পারেন।
ডাঃ এন.সি.ঘোষ
🍏মাত্রাঃ-৫ ফোটা প্রত্যহ ৩ বার সেব্য
আধাকাপ পরিমান পানির সাথে মিশিয়ে।
ডাঃ বোরিকের মতে
সমস্যা অধিকতর হলে ১০-২০ ফোটা
দেওয়া যাবে
।
#টিউমারের_কয়েকটি_প্রধান_ঔষধ_হলোঃ-
Thoja, Conium, Baryta Carb, Baryta Iod, Baryta Mur, Calcarea Carb, Calcarea Phos, Calcarea Floor, Calcarea Iod, Ruta, Phytolacca, Silicea.
শরীরের বিভিন্ন স্হানের টিউমারের নির্ঘন্ট চিকিৎসাঃ
চোখের পাতায় টিউমারঃ Calcarea Floor, Thoja. Staphysagria.
নাকে টিউমারঃ Thoja,
স্বরযন্ত্রের টিউমারঃ Thoja.
কানে টিউমারঃ Calcarea Carb, Thoja.
মাথায় টিউমারঃ Calcarea Carb, Calcarea Floor, Thoja, Baryta Carb.
গলায় টিউমারঃ Baryta Carb, Thoja.
পেটে টিউমারঃ Calcarea Iod, Thoja.
কাঁধে বা পিঠে টিউমারঃ Conium, Baryta Carb.
কপালে টিউমারঃ Conium, Calcarea Floor.
আঘাতের কারনে টিউমারঃ Conium, Ruta.
দাতের মাড়িতে টিউমারঃ Hecla Lava.
হাতের কব্জির টিউমারঃ Ruta, Calcarea Phos.
হাটুতে টিউমারঃ Calcarea Floor, Calcarea Phos.
আঙ্গুলে টিউমারঃ Calcarea Floor, Thoja.
মুখের উপর টিউমারঃ Calcarea Floor, Thoja.
মুখের ভিতর টিউমারঃ Arum Mur, Baryta Carb, Thoja.
অস্হির/হাড়ের টিউমারঃ Calcarea Phos, Calcarea Floor, Silicea.
ব্রেন টিউমারঃ Sulpher, Acid Hydro, Tuber Bovi, Natrum Mur.
জিহ্বার টিউমারঃ Thoja, Arum Mur, Baryta Carb.
স্তনে টিউমারঃ Phytolacca, Conium, Carbo Ani, Calcarea Floor.
ডিম্বকোষে/ওভারিতে টিউমারঃ Thoja, Calcarea Floor.
জরায়ুর টিউমারঃ Arum Mur Nat., Calcarea Iod, Conium, Thoja.
গর্ভভ্রমে টিউমারঃ Natrum Carb, Thoja
নবজাত শিশুর মাথায় টিউমারঃ Baryta Carb.
মুত্র পথে টিউমারঃ Thoja, Eucaliptus.
বুকে টিউমারঃ Thyroidinum.
উরুর মধ্যে বেদনাযুক্ত টিউমারঃ Conium.
রক্তময় টিউমারঃ Calcarea Floor.
বগলের টিউমারঃ Carbo Ani, Thoja
ফুসফুসে টিউমারঃ Thoja, Phosphorus.
ঠোটের টিউমারঃ Thoja, Silicea, Calcarea Phos.
রক্তবহা নাড়ির টিউমারঃ Calcarea Floor.
Thoja Q and Phytolacca Q বাহ্য প্রয়োগ করা যায়।
শক্ত টিউমারে Conium, Ruta, Calcarea Floor, Calcarea Phos. Carbo Ani. ভাল।
নরম টিউমারে Calcarea Carb, Thoja, Baryta Carb ভাল।
রোগীর লক্ষণ অনুযায়ী উল্লেখিত ঔষধ ব্যবহারে ভাল ফল পাওয়া যাবে।
বেস্ট কেয়ার হোমিও চেম্বার
* টিউমার*
হাত ও পায়ের টিউমারের ৩১ টি হোমিওপ্যাথি লক্ষণ, ছবি, ঔষধ
ও রেপার্টরি। চিকিৎসা:
হোমিওপ্যাথি পদ্ধতিতে এ রোগের সফল ও কার্যকরী
চিকিৎসা রয়েছে। কোন প্রকার অপারেশন ছাড়াই অধিকাংশ
রোগী মূল থেকে পুর্নাঙ্গ ভাবে আরোগ্য হয়।
লক্ষণ ও তার রেপার্টরি রুব্রিকঃ
হোমিওপ্যাথিতে হাত ও পায়ের টিউমারের চিকিৎসার জন্য
নিচে দেয়া ৩১ টি লক্ষণ ও তার রেপার্টরি রুব্রিক অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যারা চিকিৎসা নিতে চান তারা এ লক্ষণ সমূহের
সাথে কোনটা আপনার রোগের সাথে মিলে তা
ডাক্তারকে স্পষ্ট করে জানালে চিকিৎসা পেতে সহজ
হবে। (লক্ষণ সমূহের গাইডলাইন-নির্দেশনা পোস্টের
নিচে দেয়া আছে)
হাতে টিউমার – Hands Tumors
1. টিউমার, মেটাকারপাল অস্থির মধ্যখানে – TUMORS, hands,
metacarpal bones, between (2)
2. টিউমার, আঙ্গুলের মেটাকারপাল অস্থির মধ্যখানে
অস্থিমজ্জার টিউমার – TUMORS, hands, metacarpal bones,
between enchondroma, fingers (1)
3. অস্থিবৃদ্ধি, হাতের আঙ্গুলের – EXOSTOSES, fingers (2)
4. হাতে অস্থি বৃদ্ধি টিউমার – EXOSTOSES, forearms (1)
5. থেতলানোবৎ বেদনা, তার সহিত সংযোগ মধ্যখানে,
যেন অস্থিবৃদ্ধি হয়েছে এমন অনুভূতি – BRUISED pain,
beaten, as if exostoses, on skull, with (1)
6. কব্জিতে উদ্ভেদ, পুজবটি টিউমার – Wrists ERUPTIONS
pustules pustular tumors (1)
7. কব্জির অস্থিবৃদ্ধি – Wrists EXOSTOSES (3)
8. কব্জিতে টিউমার,গ্যাংগলিয়ন প্রকৃতির – TUMORS, general,
ganglion (19)
9. টিউমার,কনুইএরবিন্দুতে, স্টেটোমা প্রকৃতির – TUMORS,
point of, steatoma (1)
10. টিউমার,কনুইএরবিন্দুতে, বেদনা যুক্ত স্টেটোমা
প্রকৃতির – TUMORS, point of, steatoma painful (1)
11. স্কন্ধে টিউমার, মেদবহুল – TUMORS, fatty (1)
12. বগলেটিউমার, মেদবহুল – TUMORS, fatty tumors,
axilla (6)
13. বগলে টিউমার, মেদবহুল, এনসিস্টেড – TUMORS, fatty
tumors, axilla encysted (1)
14. বগলেটিউমার, মেদবহুল, শক্ত নীলাভআব – TUMORS,
fatty tumors, axilla hard bluish lump (1)
15. বগলের গ্লান্ডেটিউমার, মেদবহুল – TUMORS, fatty
tumors, axillary glands (11)1 aster, 2 carb-an, 3 CON, 2
cund, 1 kali-i, 2 lach, 2 phos, 2 phyt, 1 sang, 1 sec, 2 sil
পায়ের টিউমার – Legs Tumors
1. আঙ্গুলে, টিউমার এন্ডোকনড্রোমা প্রকৃতির –
TUMORS, toes, endochondroma (1)
2. গোড়ালির টিউমার – Ankles TUMORS (1)
3. গোড়ালিতে উদ্ভেদ, পুজবটি টিউমার – ERUPTIONS
pustular tumors (2)
4. টিউমার, পায়ের পিছনের পেশিতে – TUMORS, calves
(2)
5.টিউমার, পায়ের পিছনের পেশিতে, নিচের দিকে –
TUMORS, calves tumors, lower (1)
6. টিউমার, পায়ের উরুতে – TUMORS, calves tumors, thighs
(2)
7. টিউমার, পায়ের
উরু এবং স্ত্রী জননাঙ্গের মধ্যবর্তী
স্থানে – TUMORS, calves tumors, thighs between thigh
and v***a (1)
8. টিউমার, পায়ের টিবিয়া স্থানে,অস্টিওসারকোমা প্রকৃতির –
TUMORS, calves tumors, tibia, osteosarcoma (1)
9. অস্থিবৃদ্ধি, টিবিয়া আস্থির – EXOSTOSES, tibia (16) 2 ang, 2
aur, 2 aur-m, 1 bad, 1 calc-f, 2 calc-f, 2 calc-p, 2 cinnb, 2
dulc, 2 hecla, 1 merc, 3 NIT-AC, 1 phos, 2 phyt, 1 rhus-t, 1
sars
10. টিউমার, পায়ের টিবিয়া স্থানে,অস্টিওসারকোমা প্রকৃতির ও
শিরাস্ফীতি – TUMORS, calves tumors, tibia, osteosarcoma
varicose (1)
11. হাঁটুতে টিউমার – Knees TUMORS (5)
12. টিউমার, হাটুর পেছনের গর্তাকার অংশে – TUMORS
tumors, hollow of (3)
13. অস্থিবৃদ্ধি, পেটেলার – EXOSTOSES, patella (1)
14. অঙ্গপ্রত্যঙ্গেরঅস্থিবৃদ্ধি –
Limbs EXOSTOSES (10) 1 aur, 1 aur-m, 3 CALC-F, 1 dulc,
3 HECLA, 1 mez, 1 ph-ac, 1 rhus-t, 3 SIL, 1 sulph
15. অস্থিবৃদ্ধি, সেকরাম অস্থির – EXOSTOSES, sacrum (3)
16. টিউমার, ডান ইলিক ফসাতে, যেন একটি নারিকেল, যার
ফলে, তাতে কেটেফেলার মত, ছুড়িকাঘাত করার মত,
বেদনা – TUMOR, in right iliac fossa, as large as a
cocoanut, at times cutting pain, like a stab, causing her
(1)
লক্ষণ সমূহের তথ্য সূত্রঃ মার্ফি রেপার্টরি।
পাঠকদের জন্য নির্দেশনা
১. বেরিকেট ( ) দেয়া স্থানের সংখ্যা, ঔষধ সংখ্যা হিসাবে
বিবেচ্য।
২. ঔষধের অপপ্রয়োগ হতে পারে, এ কারনে অনেক
স্থানে ঔষধের নাম দেয়া হয়নি।
৩. ডাক্তারগণ প্রদেয় ইংরেজি রুব্রিক দিয়ে রেপার্টরি
থেকে ঔষধের নাম সমূহ খুঁজে পাবেন।
Ziaul Zim
🌍টিউমার চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি।
অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন হোমিওপ্যাথিক ঔষধের তালিকা যেগুলো সফলতার সহিত টিউমার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
🌍টিউমার: টিউমারের চিকিৎসা পদ্ধতি জানার আগে আসুন জেনে নেওয়া যাক টিউমার কী?টিউমার হলো একটি কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি। প্রাণীর শরীর অসংখ্য ছোট ছোট কোষের মাধ্যমে তৈরী। এ কোষ গুলো একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর মারা যায়। পুরোনো কোষ গুলোর জায়গায় নতুন কোষ জন্ম নেয়। এই কোষগুলো কোনো কারণে অনিয়ন্ত্রিত ভাবে বাড়তে থাকে তখনি ত্বকের নিচে মাংসের দোলা অথবা চাকা দেখা যায়। একেই টিউমার বলে।
🌿টিউমার বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে।সাধারনত যে টিউমারগুলো সচরাচর দেখা যায় সেগুলো হচ্ছে-
👉👉ব্রেস্ট টিউমার
👉👉অস্থি বা হাড়ের টিউমার
👉👉হাত ও পায়ের টিউমার
👉👉 অভ্যন্তরীন অঙ্গের টিউমার
👉👉পুরুষ ও স্ত্রী জননাঙ্গের টিউমার
👉👉 রক্তনালীর ব্লক বা এনরিসম টিউমার
👉👉ব্রেন, মাথা,নাক, কান, গলা, মুখে টিউমার ইত্যাদি।
শতকরা ৮০% টিউমার হোমিওপ্যাথিতে ভাল হয়। তবে টিউমারের আকার ও অবস্থানের জন্য তা যদি ক্ষুব বেশী ক্ষতি ও অস্বস্তির কারন হয় তবে অপারেশনের সাহায্য নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়া মেলিগ্নেন্ট টিউমারের ক্ষেত্রে রোগের প্রাথমিক অবস্থায় মেটাসটেসিস হবার পূর্বে অপারেশন করে ফেলা উচিত।
🌿টিউমারের চিকিৎসায় যে সব হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ব্যবহার হয় তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল :-
১. ব্যারাইটা কার্ব (Baryta Carbonica),
২. ক্যালকেরিয়া কার্ব (Calceria Carb),
৩. ক্যালকেরিয়া ফ্লোর (calcarea fluor),
৪. সিস্টাস ক্যান (Sistas can),
৫. কোনিয়াম (conium),
৬. গ্রাফাইটিস (graphites),
৭. হেক্লালাভা (Hecla lava),
৮. লাইকো (lycopodium),
৯. থুজা (Thuja),
১০. আর্সেনিক এল্ব (Arsenicum Album),
১১. কার্ব এনিমেলিস (Carbo Animalis),
১২. হাইড্রাসটিস (Hydrastis),
১৩. আয়োডিয়াম (Iodium),
১৪. অরাম মিউর ন্যাট (Aurum Muriaticum Natronatum),
১৫. অর্নিথোগেলাম (Ornithogalum),
১৬. ফাইটোলাক্কা (Phytolacca),
১৭. সাইলিসিয়া (Silicea),
১৮. সিম্ফাইটাম (Symphytum),
১৯। ইথুজা (Ethuja),
২০. ফসফোরাস (Phosphorus),
২১. বেলিস পার (Bellis Perennis),
২২. রুটা (Ruta Graveolens),
২৩. ক্যাল ফস (Calcarea Phos), ইত্যাদি।
💦💦 DELUSIONS - poor he is 💦💦
এই লোকটি নিজের মধ্যে ঘারতি ,কমতি , আনুভব করে ।
সে নিজেকে দরিদ্র , কমজোর বলে লোকের কাছে বা ডাক্তারের কাছে তার নিজের পরিচয় দেয় । সে নিজেকে এমন ভাবে লোকের মধ্য ও ডাক্তারের কাছে পরিচয় দেয় । তাকে দেখে বা তার কথা বার্তায় সামনের লোকের মনে হবে যে সে একজন দিন - দরিদ্র ও কাঙ্গাল । তার যতই বিষয় সম্পত্তি থাকনা কেন । তার মধ্যে সে ঘাটতি আনুভব করে । ব্যক্তি নিজেকে কখনোই পারদর্শী হিসাবে মনে করেনা । তার মধ্যে কিছুনা কিছু ঘরত্তি সে অনুভব করে । সে সেটা ডাক্তারের কাছে এসে তার ঘরত্তির, ও কমিতির কথা বলে । এই কথা গুলো সে রোগজ আবস্তাতে বলে
🍃🍃 CALCARIA FLOUR 🍃🍃
✍ এই সকল মানুষেরা তার আর্থিক ও শারীরিক সক্ষমতা , হারিয়ে যাবার ভয় পায় । ও সে তার শারীরিক ও আর্থিক দিক দিয়ে চিন্তা গ্রস্থ থাকে । তার কিছু হলে । সে কোন ভাবে অসুস্থ হয়ে থাকলেও সে অন্যদের প্রতি খুবই চিন্তা করে ও অন্য দের জন্য ভাবে ।
MIND - ANXIETY - others ,for
✍. এই ক্যালকারিয়া ফ্লুর , মানুষটি সে খুব কাজ করে । সে কাজ ছাড়া কিছু বোঝেনা । সে একজন কাজ পাগল ব্যক্তি
সে কাজের মধ্যে দিয়েই জীবন যাপন করতে পছন্দ করে ।
MIND - INDUSTRIOUS
এই ভাবে সে অন্যের প্রতি খেয়াল ও পরিবারের সদস্যদের চিন্তায় দেখবল করতে করতে সে আর্থিক দিক দিয়ের ও শারীরিক দিকদিয়ে সে ভেজ্ঞে ও পরিসান হয়ে যায় । তখন সে তার শরীর নিয়ে চিন্তায় পরে যায় ।
MIND - ANXIETY - health about own health , his
এই ব্যক্তি তার নিজের কাজের প্রতি খুবই খেয়াল রাখে ও ধ্যান রাখে । কিন্তু কোন কারনে সে যখন আসুস্ত হয়ে পড়ে । ঐ সময় সে তার কাজ গুলো ঠিকঠাক করতে পারেনা । এই অসুস্থতার জন্য সে নিজের মধ্যে ঘাটতি অনুভব করতে শুরুকরে । সে ভাবতে শুরু করে এই ভাবেই যদি চলতে থাকে তাহলে আমি আরো ঘরতীতে পরে যাবো । সে ভাবে তার কাছে যতটুকু টাকা পয়সা আছে সেটা ঔষুধ কেনা আর ডাক্তারকে দিতেই ফুরিয়ে যাবে ।
MIND - FEAR - poverty ,of
সে ভাবতে থাকে ও ভয় পেয়ে যায় । এই ভাবে যদি আমার আসুস্ততা থাকে তা হলে নিয়মিত প্রতি দিনের কাজকর্ম গুলো আমি আর করতে পারবোনা ।
MIND - FEAR - work , of daily of
এই ভাবে যদি চলতেই থাকে তাহলে একটিন আমার কাছে আর কিছুই থাক বেনা । না থাকবে টাকাপয়সা না থাকবে শরীর । সব কিছু শেষ হয়ে যাবে ।
MIND - DELUSIONS - want , he will come to
এই কালকারিয়া ফ্লুর অকারনেই ভয় পায় । ছোট্ট খাটো জিনিসেই সে ভীতু হয়ে পড়ে
MIND - FEAR - Causeless
CALCARIA FLOUR , মানুষটি তার শারীরিক অসুস্থতার জন্য সে খুবই ভেঙ্গে পড়ে । এর ব্যথার জন্য সে পরিসান হয়ে পড়ে । যখন তার কোন কষ্ট বা আসুবিধা চলে ওই সময় তার শরীর ও মানুষিক দিয়ে ঠিক থাকতে পারেন । সে ছোটফট করতে থাকে ।
MIND - RESTLESS - back ,during tired aching in
তখন সে ভাবতে শুরুকরে দেয় তার দ্বারা আর কিছুই হবেনা ও সে কিছুই করতে পারবেনা । ঐ সময় সে তার মধ্যে দূর্বল অনুভব করে ।
MIND - DELUSIONS - poor , he is .
💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌💌
28/04/2025
🦆🦆🦆🦆🦆 Amusement desire for ..🦆🦆
কস্ট সহ্য করা সত্তেও বা কস্টকর অবস্থাতেও রোগী তার নিজের মনকে আনন্দ দেওয়ার জন্য বিশেষ কাজকর্ম , খেলা ধুলাতে রুচি রাখে বা করতে দেখা যায় ॥
🍂🍂🍂Pulsatilla🍂🍂🍂
Pulsatilla মানেই প্যার, মহব্বত , ও ভালোবাসা শব্দটি চলে আসে ॥ অর্থাত্ এই শব্দ গুলির সাথে pulsatilla র গভীর সম্পর্ক ॥ এক কথায় pulsatillaর অপর নাম হলো .......ভালোবাসার কাঙ্গাল বা ভিখারী ॥
একটি ভিখারী কে যেমন একমুঠো চাল দিলেই খুশি হয় , তেমনি pulsatilla কেও একটু আদর বা ভালবাসলেই খুশি হয়ে যায় ॥
কিন্তু , অদ্ভুত বিষয় হলো .....একে যতই অন্ন দান করা হোক না কেন , সেই অন্নে তার পেট তো ভরে কিন্তু মন ভরে না (fastidious)!
সেজন্য অতৃপ্ত মন নিয়ে বেশী বেশী ভালোবাসা সঞ্চয় করার জন্য (affection absorbs) সে ঝোলা হাতে নিয়ে সে রাস্তায় নেমে পরে ॥
অর্থাত্ একটি ভিখারীর মতো ঝোলা ভর্তি ভালোবাসা সে অর্জন করতে চায় (desire full of desire) !আর এই ঝোলা ভর্তি ভালোবাসা অর্জন করাটাই এর জীবনের সবচেয়ে বড়ো আনন্দ ও লক্হ্য (ambition increase)!
সুতরাং Pulsatilla ভালোবাসার দ্বারা নিজের মনকে সুখ অনুভূতি করানোর জন্য বা আনন্দময় জীবন উপভোগ করার জন্য ........যেখান থেকে সর্বাধিক স্নেহ ও ভালোবাসা পায় , সেখানে সে তার মন প্রান ঢেলে দেয় এবং সেই খুশীকে তার নিজের খুশী বানিয়ে নেয় ॥ অর্থাত্ নিজের প্রিয়পাত্রের ভালোবাসার রঙয়ে নিজেকে মিলিয়ে দেয় ॥
সেজন্য নিজের যতই কস্ট হোক না কেন তবুও সে তার প্রিয়পাত্রের খুশীর /প্রয়োজনীয়তার জন্য নিজেকে সমর্পিত করে দেয় (pleasing desire to please others)! খুব পরিশ্রম করে (Industrious), দায়িত্ব সহকারে যে কোন কাজ পালন করে (responsibility)!
কখন কি করতে হবে না হবে সে ব্যপারে খুব যত্ন নেয় ! অর্থাত্ কোন ভাবেই যেন আমার মনের মানুষ দুঃখ না পায় বা তার যেন কোন কস্ট না হয় (caresfull of others ) !
সে জন্য নিজের কাছে যত প্রেম ভালোবাসা থাকে সে সব উজাড় করে দিয়ে সে তার প্রিয়পাত্রের মন রক্ষা করে (affectionate)!
কিন্তু কেন ?
কারন , সে তার প্রিয়পাত্রের কাছ থেকে চায় শুধু ভালোবাসা আর প্রসংসা ॥ এই একটু ভালোবাসাই তার জীবনের AMUSEMENT !
সেজন্য একটু ভালোবাসা আর প্রসংসা পাওয়ার ইচ্ছায় Pulsatilla নিজেকে অন্যর কাছে বিক্রি করে দেয় (flattered desire to be gives everything when flattered)!
এর মানে এই নয় যে , সে সারাজীবন অন্যর গোলাম হয়ে থাকবে ? (Libertinism)!
যতক্ষণ সে অন্যর কাছ থেকে ভালোবাসা , স্নেহ পায় .....শুধুমাত্র ততক্ষনই অন্যর গোলাম হয়ে থাকে (Dependent of others)!
কোন কারনে সেই ভালোবাসার অভাব দেখা দিলেই সে পুনরায় নতুন ঝোলা হাতে নিয়ে নতুন দরবারের উদ্দেশ্য রওনা দেয় ! (Adelterous)!
এবার আপনারাই নির্বাচন করুন , একে কি ভালোবাসা দিয়ে বন্দী করে রাখবেন কি রাখবেন না ?
মতামত জানাবেন ধন্যবাদ 🙏
আর্সেনিক এলবাম (Arsenic Album) ইহা এক প্রকার বিষ। এই বিষ প্রয়োগ কালে একোনাইটের মত ইহার বিশেষ লক্ষণ -ছট্ ফটানি,গাএদাহ ও পিপাসা এই তিনটী লক্ষণের উপর সর্ব্বদা লক্ষ্য রাখিতে হইবে। অন্যান্য লক্ষনের সহিত রোগলক্ষণের বিশেষ সাদৃশ্য থাকিলেও উক্ত তিনটী লক্ষণ না থাকিলে বুঝিবেন যে, সে পীড়ায় আর্সেনিক কোন ভাবেই উপকারী নহে।
উপরোক্ত তিনটি লক্ষণ ছাড়া ইহার আরও কতকগুলি চরিএগত লক্ষণ,যেমন -মৃত্যু ভয়, অন্তর্দ্দাহ, এপাশ-ওপাশ করা, সর্ব্বাঙ্গে জ্বালা, রাএি দুইপ্রহরের পর পীড়ার বৃদ্ধি, পাকাশয়ে জ্বালা, নাক দিয়ে জ্বলের মত গরম সর্দ্দি বের হওয়া সহ নাক বন্ধ হওয়া রোগের পর্য্যায়শীলতা, চিৎ হইয়া শুইতে অক্ষমতা, চট্ চটে ঠাণ্ডা ঘাম, বেদনা ঠাণ্ডায় বৃদ্ধি এবং গরমে উপশম, স্তির হইয়া থাকিলে বেদনার বৃদ্ধি, ইত্যাদি।
ইহা ছাড়াও আর্সেনিকের প্রধান চরিএগত লক্ষণ ৭টি :-
(১) কোনও এক নির্দ্দিষ্ট সময়ে রোগ লক্ষণ সমূহ প্রকাশিত হয়।
(২) উওেজনা -অর্থাৎ যেমন মাথায় একটু ঠান্ডা লাগিল অমনিই - নাকে সর্দ্দি, জলপড়া, হাঁচি প্রভূতি উপস্হিত হয়। কিছু পান বা আহার করিলে - সঙ্গে সঙ্গে বমি হইয়া উঠিয়া গেল ইত্যাদি।
(৩) মানসিক উদ্বেগ ও মৃত্যুর ভয়।
(৪) অত্যন্ত অবসাদ, দূর্ব্বলতা ও অস্তিরতা।
(৫) অদম্য পিপাসা।
(৬) জ্বালাজনক বেদনা।
(৭) দিন বা রাএি দুই প্রহর হইলে রোগের বৃদ্ধি।
এছাড়া আর্সেনিকের যে কোন রোগে গরম দিলে উপশম। তাছাড়া আর্সেনিকের অন্য রকম লক্ষণ মাথায় ঠান্ডা দিলে উপশম।
চলবে --------------
Click here to claim your Sponsored Listing.