Mohammed Azim Uddin 2
Rangonia
08/04/2026
03/04/2026
#কপিপোস্ট
শেখ হাসিনা একবার বলেছিলেন, 'আপনাদের সবার কাছে মোবাইল আছে না? এই মোবাইল কে দিয়েছে? আমরা দিয়েছি। আওয়ামী লীগ সরকার দিয়েছে।' এই কথা শুনে সুশীল সমাজের সে কি প্রতিবাদ! তারা মোবাইল কিনেছে নিজের পকেটের টাকায়, শেখ হাসিনা কেনে বললো, মোবাইল আওয়ামী লীগ সরকার দিয়েছে?
এবার আসেন বর্তমান প্রসঙ্গে। এই যে এই লোকদের দেখছেন, কাঠফাটা রোদের মধ্যে অর্ধমৃত হয়ে ফুয়েলের জন্য পেট্রোল পাম্পে বসে আছে, এরা কিন্তু মাগনা বা ডিসকাউন্টে ফুয়েল নিতে আসে নি। পকেটে টাকা নিয়েই এসেছে। লাগলে নির্ধারিত টাকার চেয়ে বেশি টাকা দেবে। তাও পাচ্ছে না। অর্থাৎ পকেটে টাকা থাকলেই সব পাওয়া যায় না।
আমরা নিজেরা স্বয়ংসম্পূর্ণ নই। যে কোনো পণ্যের প্রয়োজন মেটাতে হলে আমাদের বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। সেটাও টাকা থাকলেই হয় না। এরজন্যও অনেক ভূরাজনৈতিক সমীকরণ থাকে, অনেক দেন-দরবার করতে হয়। তারপর সেই পণ্যটা দেশে আসে। শেখ হাসিনা এই বিষয়টা ইঙ্গিত করেই মোবাইল ফোন দেওয়ার কথা বলেছিলেন।
একইভাবে পদ্মাসেতু ও অন্যান্য স্থাপনা যে শেখ হাসিনা বাপের টাকায় না করেও ক্রেডিট নেয় এর কারণও এটাই। টাকা থাকলেই নদীর ওপরে সেতু ওঠে না। সেতু ওঠার জন্য সেই টাকার সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হয়। সেতু তৈরির জন্য অকল্পনীয় কর্মযজ্ঞ চালাতে হয়, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হয়। যা সবাই পারে না। শেখ হাসিনা পারতেন।
শেখ হাসিনা পারতেন বলেই শেখ হাসিনার সময়ে ফুয়েলের জন্য মানুষকে এতো কষ্ট করতে হয় নি। যুদ্ধ করে ফুয়েল কিনতে হয় নি। শেখ হাসিনা পিয়াঁজের সংকট নিরসন করেছিলেন ১০ দিনের মধ্যে। ফুয়েলের সংকট নিরসন করতেও ১০ দিনের বেশি লাগতো না। জটিল ভূরাজনৈতিক সমীকরণ মোকাবিলা করেও এতোদিনে ফুয়েলের অভাব পূরণ করতেন। অবশ্যই সেটা শেখ হাসিনার নিজের টাকায় নয়, জনগণের টাকা দিয়েই।
কোনো সরকারই নিজের টাকায় কিছু করে না। সব সরকারই জনগণের টাকায় কাজ করে। কিন্তু জনগণের টাকা কিভাবে কাজে লাগাতে হয় সেটা সব সরকার জানে না। বর্তমান সরকার জানলে মানুষকে এক মাসের বেশি সময় ধরে এভাবে সামান্য অকটেনের জন্য যুদ্ধ করতে হতো না।
#কপিপোস্ট
মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছেন কত তারিখ, এটা নিয়ে বিতর্ক আছে । তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেবেনই বা কেন? তিনি কি ৭১-এ রাজনীতিবিদ ছিলেন? কোনো সেনা কর্মকর্তা যদি স্বাধীনতার ডাক দিতেন, তবে সেটা হতো সামরিক ক্যু।
আর তিনি ডাক দিলেই বাংলাদেশের লোক যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়বে কেন? স্বাধীনতার পরিবেশ কি হঠাৎ করে ২৫ মার্চ শুরু হয়েছিল?
বঙ্গবন্ধু নির্বাচনে জিতেছেন বাঙালির অধিকারের পক্ষে কথা বলার জন্য তিনি ১২ বছরের বেশি সময় জেল খেটেছেন। ঐতিহাসিক ৭ মার্চে দেশ স্বাধীন করার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন। লাখ লাখ লোক বঙ্গবন্ধুর এক কথায় জীবন দিতে প্রস্তুত ছিল এবং যেকোনো সময় আন্দোলন-সমাবেশে ডাক দিলে ঝাঁপিয়ে পড়ত।
হঠাৎ করে কেও এসে স্বাধীনতার ঘোষণা দিল আর দেশটা স্বাধীন হয়ে গেল!
মেজর জিয়া শুধু বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন। এভাবে পাঠ করলে যদি ঘোষক হওয়া যায়, তবে এম এ হান্নানও ঘোষক সব মুক্তিযোদ্ধারাই ঘোষক। মুক্তিযোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করার ঘোষণা দিয়েই যুদ্ধে নেমেছিলেন।
এই দেশের স্বাধীনতার মহানায়কে যদি কেউ অস্বীকার করে, তবে সহজভাবে বুঝতে হবে তারা স্বাধীনতা নিয়ে খুশি নয়।
এ দেশের মাটি ও মানুষ বঙ্গবন্ধুর কাছে ঋণী। এই ঋণ যেভাবে শোধ করা হয়েছে, তা মানব ইতিহাসের জন্যই একটি কলঙ্ক। এজন্যই আমি ঘৃণা করি বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে মিথ্যাচারকারীদের এবং বাংলাদেশ বিরোধীদের।
পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র জাতি হচ্ছে বাঙালি, যেখানে স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তিও থাকে। তাও আবার পাকিস্তানের মতো একটি অসভ্য দেশের ভাঙন তাদের হৃদয়ে ব্যথার পাহাড় তৈরি করেছে।
25/03/2026
#কপিপোস্ট
শেখ হাসিনা আমাদের জাতিগত চরিত্রটাই যেন বদলে দিয়ে গেছেন—এমনটাই এখন অনেকের মনে হয়। হাত বাড়ালেই সবকিছু পাওয়া, যেন উন্নত দেশের মতো এক অভ্যেস হয়ে গিয়েছিল আমাদের। তিনবেলা ভাত খেয়েই সন্তুষ্ট থাকা বাঙালি, হঠাৎ করেই হাজার রকম কুইজিনে অভ্যস্ত হয়ে উঠল। মফস্বলের মানুষও “মামার বাড়ি–খালার বাড়ি” ছাড়িয়ে দেশ-বিদেশে ছুটি কাটাতে যেতে শুরু করল। গড়ে উঠল অসংখ্য রিসোর্ট, হোটেল, রেস্তোরাঁ—শহরের বুকে মাথা তুলল ঝলমলে বিপণিবিতান।
কিন্তু একটু থেমে ভাবলে প্রশ্ন জাগে—এই পথচলার আগে আমরা কোথায় ছিলাম? বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল মাত্র তিন বিলিয়ন ডলার। আর এখন? খাদ্যদ্রব্যের দুই বছরের মজুত রেখে যাওয়ার গল্প শোনা যায়, আজও চালের বস্তায় তার ছায়া খুঁজে পায় কেউ কেউ।
এদিকে আবার শোনা যাচ্ছে—পেট্রোলের মজুত নাকি ফুরিয়ে আসছে। যুদ্ধের আঁচ যখন বিশ্বজুড়ে লাগল, তখন একমাসে আমরা কী প্রস্তুতি নিলাম? প্রশ্নগুলো বাতাসে ভাসে, উত্তরগুলো ধরা দেয় না।
সবাই তো শেখ হাসিনা হয় না, হতে পারে না। কিছু মানুষ থাকে, যারা সময়কে এগিয়ে নেয়—আর বাকিরা দাঁড়িয়ে থাকে সেই সময়ের ধারে।
এটা হয়তো কেবল শুরু। শেষটা? সে তো আমাদের সবার সাথেই লেখা হবে—নীরবে, ধীরে, ঠিক যেমন করে গল্পের ভেতরে জীবন ঢুকে পড়ে।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Chittagong