A Touch of Class

A Touch of Class

Share

Makeup & Beauty

03/09/2025

যে থাকার সে এমনিতেই থাকবে
যেমন: চর্বি
যে যাওয়ায় সে এমনিতেই চলে যাবে
যেমন: চুল🤭

02/09/2025

জান্নাত লাভের দোয়া🌼
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
দাখালাল জান্নাহ❣️

31/08/2025

আসসালামু আলাইকুম 🌼
সালামের উত্তর দেওয়া ওয়াজিব 💖❣️

লাইক,কমেন্ট, শেয়ার করে পাশে থাকুন❣️
পাশে পাবেন🥰

26/08/2025

আমার ব্যাংক একাউন্ট আর ডেবিট কার্ড🙂🫣

24/08/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

23/08/2025

আসসালামু আলাইকুম। চলেন সবাই একে অপরকে সাপোর্ট করি যাতে সবাই এগিয়ে যায়🫶❣️❣️

22/08/2025

রাত তখন দশটা বেজে এগারো। ঢাকার মিরপুরের রাস্তায় শীতের ঠান্ডা হাওয়া আর কুয়াশার ঘোলাটে আবরণ। তানভীর বাইকের হেডলাইট জ্বালিয়ে মেইন রোড থেকে এক গলিতে ঢুকলো। সে তার শেষ ডেলিভারির লোকেশন দেখছে। ফুড ডেলিভারির পার্ট-টাইম কাজটা তার জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। দিনের বেলায় ইউনিভার্সিটির ক্লাস, আর রাতে বাইক নিয়ে শহরের এ মাথা থেকে ও মাথায় ছুটে বেড়ানো। এই কাজটা না করলে তার টিউশন ফি আর সংসারের খরচ চালানো অসম্ভব।

​আজ সারাদিনের সব অর্ডার শেষ। অ্যাপে একটাই অর্ডার বাকি দেখাচ্ছে-ব্লক-সি, রোড ৯, হাউস ৪৭। অ্যাপের ম্যাপে লোকেশনটা দেখতে গিয়ে তানভীরের কপালে ভাঁজ পড়লো। জায়গাটা বেশ পুরনো আর নির্জন। আশেপাশে কোনো বাড়িঘর নেই বললেই চলে। শুধু কিছু পুরনো বহুতল ভবন, যেগুলো মনে হয় দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত। "শেষ অর্ডারটা দিয়ে ফেরত গেলে রাত বারোটার আগেই বাসায় পৌঁছতে পারবো," নিজেকে সান্ত্বনা দিল তানভীর।

​গন্তব্যে পৌঁছে সে বাইক থামালো। চারদিকে শুনশান নীরবতা। হাউজিং এস্টেটের শেষ মাথায় পুরনো, ধূসর রঙের একটা বিল্ডিং। বিল্ডিংটার বাইরের দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়েছে, আর শেওলার মোটা আস্তরণ জমে আছে। হঠাৎ একটা হালকা আলো চোখে পড়লো। বিল্ডিংয়ের চারতলার একটা ফ্ল্যাটের বারান্দায় আলো জ্বলছে। "অ্যাপে ভুল দেখাচ্ছে না তাহলে," মনে মনে ভাবলো তানভীর। সে বাইক পার্ক করে খাবার আর বিলের স্লিপ নিয়ে হেঁটে গেল।
​বিল্ডিংয়ের লোহার গেট ঠেলে ভেতরে ঢুকতেই এক অদ্ভুত ঠান্ডা আর ভেজা গন্ধ নাকে এলো। যেন অনেকদিন ধরে বন্ধ কোনো গুদাম। লিফটের সামনে গিয়ে দেখলো লিফটটা ভাঙা। অগত্যা সিঁড়ি দিয়েই উঠতে শুরু করলো। প্রতিটা সিঁড়িতে পা রাখার সাথে সাথে পুরনো লোহার সিঁড়ির কিঁচ কিঁচ শব্দ প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল। তানভীরের বুকটা সামান্য ধুক করে উঠলো।

​চারতলায় পৌঁছে দেখলো ফ্ল্যাটটির দরজায় কাঠের একটা ভাঙা নেমপ্লেট। তাতে কোনো নাম নেই। সে দরজায় বেল দিল। কিছুক্ষণের মধ্যে ভেতর থেকে চাপা, ফিসফিসে একটা গলা ভেসে এলো, "ওপরে রেখে যান।"
​তানভীরের মনে হলো লোকটা যেন খুব দুর্বল বা অসুস্থ। সে বললো, "স্যার, বিলটা ক্যাশ পেমেন্ট। বিলটা দিলে ভালো হয়।"
​"বিল? ও আচ্ছা।"
​হঠাৎ দরজার নিচ দিয়ে একটা ভাঁজ করা ১০০০ টাকার নোট বেরিয়ে এলো। নোটটা অদ্ভুতভাবে ভেজা, আর তাতে কেমন একটা লালচে দাগ লেগে আছে। তানভীরের অস্বস্তি বাড়ছিল। কিন্তু এত রাতে আর ঝামেলা করতে ইচ্ছে হলো না। সে ভিজে নোটটা পকেটে রাখলো, খাবারের প্যাকেটটা দরজার সামনে রেখে দ্রুত পায়ে নেমে এলো।

​পরের দিন সকাল। তানভীর ভার্সিটির ক্লাস শেষ করে বাসায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, এমন সময় তার ফুড ডেলিভারি কোম্পানির অফিস থেকে ফোন এলো।
​"আপনি তানভীর বলছেন?"
​"জি, স্যার।"
​"আপনি গতকাল রাতে ব্লক–সি, রোড ৯–এর হাউস ৪৭-এ ডেলিভারি দিয়েছেন?"
​"জি, স্যার। ঠিক ১০টা ৩০-এর দিকে।"
​ফোনের ওপাশ থেকে একটা নীরবতা। এরপর কাঁপা কাঁপা গলায় বলা হলো, "অসম্ভব। ওই ফ্ল্যাটটা তো গত তিন মাস ধরে সিল করে রাখা। খুনের কেসে তালা দেওয়া।"
​তানভীর যেন আকাশ থেকে পড়লো। তার হাত থেকে ফোনটা প্রায় পড়েই যাচ্ছিল। "স্যার, আমি তো দেখেছি লাইট জ্বলছে, ভেতরে লোকও ছিল," সে কোনোমতে বললো।
​"তুমি কি নিশ্চিত?"
​"হ্যাঁ, স্যার। আর ক্যাশ পেমেন্টও পেয়েছি।"
​"তুমি এখনই আমাদের অফিসে আসো। যত দ্রুত সম্ভব।"

​অফিসে গিয়ে তানভীর বিস্তারিত সব বললো। অফিসের ম্যানেজারও হতভম্ব। তারা পুলিশকে খবর দিল। তানভীরের বন্ধু রাতুল তার সাথে ছিল। সে বললো, "চল তো, আরেকবার গিয়ে দেখে আসি। কোনো ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে নিশ্চয়ই।"
​দুই বন্ধু বাইকে করে আবার সেই হাউজিং এস্টেটের দিকে রওনা দিল। এবার দিনের আলোয় বিল্ডিংটা আরও বেশি জীর্ণ মনে হচ্ছে। দূর থেকে দেখেই বোঝা যাচ্ছে কেউ এখানে থাকে না। বিল্ডিংয়ের গেটে তালা ঝুলছে। গেট টপকে ভিতরে ঢুকলো তারা। ফ্ল্যাটের দরজার সামনে গিয়ে দেখলো, হ্যাঁ, সত্যিই দরজায় সিল লাগানো। আর একটাও তালা ভাঙা নেই। কিন্তু…
​দরজার সামনে পড়ে আছে গতকাল রাতের সেই খাবারের ব্যাগ। ভিতরের খাবার অর্ধেক খাওয়া, আর তার পাশেই একটা ছোট্ট চিরকুট।
​"ভাই, আবার আসবেন। রাতগুলো খুব লম্বা হয়।"
​তানভীর ভয়ে কাঁপছিল। তার মনে হচ্ছিল সে কোনো ভৌতিক গল্পের মধ্যে আটকা পড়েছে। যে ফ্ল্যাটে কেউ থাকার কথা না, সেখানে থেকে খাবার অর্ডার হচ্ছে, টাকা দিচ্ছে, আর তার দেওয়া খাবার অর্ধেক খাওয়া অবস্থায় পড়ে আছে?

​রাতুল দ্রুত ছবি তুলে পুলিশকে খবর দিল। কিছুক্ষণের মধ্যে ডিউটি অফিসার রাশেদ তার টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে এলো। রাশেদ বেশ গম্ভীর এবং অভিজ্ঞ। সে সব শুনে বললো, "তুমি যা বলছ, যদি তা সত্যি হয়, তাহলে ব্যাপারটা খুবই সিরিয়াস। কাল রাতেই তালা ভেঙে বা কোনোভাবে কেউ ফ্ল্যাটে ঢুকেছিল।"
​পুলিশের তদন্ত শুরু হলো। তারা জানতে পারলো, তিন মাস আগে এই ফ্ল্যাটে এক তরুণকে নির্মমভাবে খুন করা হয়েছিল। তার নাম নাফিস। মৃত্যুর রাতে সে অনলাইনে খাবার অর্ডার দিয়েছিল, কিন্তু খাবার পৌঁছানোর আগেই খুন হয়ে যায়। খুনের পর থেকেই ফ্ল্যাটটি সিল করে রাখা হয়েছে।

​পুলিশ তানভীরের দেওয়া ১০০০ টাকার নোটটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠালো। রিপোর্ট বের হলে সবাই স্তম্ভিত হয়ে গেল।
​নোটের ওপরের লালচে দাগগুলো শুকনো রক্ত। আর সবচেয়ে ভয়ের ব্যাপার হলো, নোটটির সিরিয়াল নাম্বার ওই হত্যাকাণ্ডের আলামতের সাথে মিলে গেল। নাফিস খুনের আগে তার ওয়ালেট থেকে যে টাকা চুরি গিয়েছিল, এই নোটটি ছিল সেগুলোরই একটি।
​"তার মানে টাকাটা নাফিসের ঘর থেকেই এসেছে," রাশেদ বললো। "কিন্তু ঘর তো সিল করা ছিল।"
​এই রহস্যের কিনারা করতে পুলিশ ওই ফ্ল্যাটের আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে শুরু করলো। একটি ফুটেজে দেখা গেল, রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে তানভীর খাবারের ব্যাগ রেখে চলে যাচ্ছে। তার ঠিক এক মিনিট পর ফ্ল্যাটের দরজাটা একটু ফাঁক হলো, আর একটা আবছা ছায়ামূর্তি খাবারের ব্যাগটা টেনে ভেতরে নিয়ে গেল। মূর্তিটার চেহারা পরিষ্কার না হলেও, পুলিশ ধারণা করলো, এই ছায়ামূর্তি খুনি নাফিসের ছোট ভাই, ইমরান। যে মামলার পর থেকেই নিখোঁজ।
​"তার মানে, ও এতদিন ধরে ওই ফ্ল্যাটেই লুকিয়ে ছিল," রাশেদ বললো। "পুলিশ আর প্রতিবেশীরা ভেবেছিল ফ্ল্যাট ফাঁকা, কিন্তু ভেতরে একজন মানুষ তিন মাস ধরে লুকিয়ে আছে। সে রাতে খাবারের অর্ডার দিত আর দিনে লুকিয়ে থাকতো।"

​পরের রাতে পুলিশ একটি ছদ্মবেশী ডেলিভারি টিমের ব্যবস্থা করলো। তানভীরের মতোই একজন পুলিশ অফিসার খাবার নিয়ে সেই ফ্ল্যাটে গেল। বেল বাজানো হলো, আর ভেতর থেকে সেই চাপা কণ্ঠ, "ওপরে রেখে যান।"
​ছদ্মবেশী পুলিশ বললো, "স্যার, বিলটা দিতে হবে।"
​দরজা একটু ফাঁক হতেই পুলিশ টিম দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকে গেল।
​ঘরের ভেতরে যা দেখা গেল, তা এক কথায় ভয়ানক। মেঝেতে শুকনো রক্তের মোটা আস্তরণ, ভাঙা চেয়ার, আর পুরনো খবরের কাগজের ছেঁড়া রিপোর্ট। দেওয়ালে নাফিসের বড় বড় ছবি ঝুলছে, আর তার নিচে শুকনো রক্তের ছাপ। ঘরের এক কোণায়, পুরনো খাটটির নিচে গুটিসুটি মেরে বসে ছিল ইমরান। তার চোখগুলো ভয়ে আর যন্ত্রণায় কুঁকড়ে আছে।
​ইমরান কাঁদতে কাঁদতে বললো, "আমার ভাইয়ের খুনিরা এখনো ধরা পড়েনি। আমি ওর ঘর ছাড়িনি। আমি চেয়েছি ওর স্মৃতিটা ধরে রাখতে। আমি বাইরে যেতে পারতাম না… পুলিশে বিশ্বাস ছিল না… তাই অনলাইনে খাবার অর্ডার দিতাম। রাতে দরজা খুলতাম, দিনে লুকিয়ে থাকতাম।"
​পুলিশ বুঝলো, ইমরান তার ভাইয়ের মৃত্যুর পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। সে শোকের যন্ত্রণায় সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এই ফ্ল্যাটে থাকতে শুরু করে। সে মনে করে তার ভাই এখনো তার সঙ্গে আছে, তাই সে তার ভাইয়ের রক্তমাখা নোটগুলো ব্যবহার করে। এই পুরো ঘটনাটা এক গভীর মানসিক যন্ত্রণার বহিঃপ্রকাশ।

​তানভীরের কাছে এই সত্যটা যখন পরিষ্কার হলো, তার বুকটা কেঁপে উঠলো। সে ভেবেছিল এটা কোনো ভূত, কিন্তু আসলে তা ছিল এক মানুষের মানসিক বিপর্যয়, এক ভাইয়ের যন্ত্রণার প্রতিচ্ছবি।

​এই গল্পের শেষটা এখানেই নয়। যখন আদালতের কাঠগড়ায় নাফিসের খুনিদের নাম ঘোষণা করা হলো, তখন হঠাৎ ইমরান চিৎকার করে উঠলো, "ওরা নির্দোষ! আমিই… আমিই ওকে মেরেছিলাম।"
​পুরো আদালত কক্ষ নিস্তব্ধ হয়ে গেল।
​পরবর্তী তদন্তে বেরিয়ে এলো এক নতুন সত্য। নাফিসের সঙ্গে ইমরানের সম্পত্তি নিয়ে ঝগড়া হয়েছিল। রাগের মাথায় ইমরানই ছুরি দিয়ে নাফিসকে হত্যা করে। এই অপরাধবোধ থেকে সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। সে নিজের ভেতরে আরেকটা চরিত্র তৈরি করে নেয়, যে বিশ্বাস করে তার ভাই এখনো বেঁচে আছে, এবং সে কেবল তার স্মৃতি বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। "আমি শুধু ওর স্মৃতি বাঁচিয়ে রেখেছি," এই কথা বলে সে আসলে তার অপরাধবোধকে চাপা দিতে চেয়েছিল।

​তানভীরের চোখের সামনে সবটা স্পষ্ট হলো। যে মানুষটা দরজার আড়াল থেকে বারবার বলছিল "আবার আসবেন", সে আসলে একজন খুনি, যে নিজের অপরাধের ভারে আর মানসিক যন্ত্রণায় ভেঙে যাওয়া এক অসুস্থ আত্মা।
​এই ঘটনা প্রমাণ করে, কখনো কখনো আমাদের দেখা সবচেয়ে সাধারণ দৃশ্যও ভয়ঙ্করতম রহস্য আর অকল্পনীয় সত্যকে লুকিয়ে রাখে।

#লাস্ট_অর্ডার

©️

18/08/2025

প্রিয় নবি 🌼❣️

18/08/2025

রাওয়ান ইউসুফ। বয়স মাত্র ৬ মাস।
গত রাতে হিজ্রাইল তার বাবা-মায়ের সাথে তাকেও মেরে ফেলে!

গা@জ্জার মানচিত্র থেকে আরও একটি পরিবার মুছে গেল।

তাতে কী? চলেন ঘুমাতে যাই!🙂

©️

17/08/2025

জীন-জাদুতে আক্রান্ত রোগীদের একাংশের- ডান কাত হয়ে শুতে ইচ্ছে করবেনা, বাম কাত অথবা উপুর হয়ে শুতে অত্যাধিক সাচ্ছন্দ্য বোধ করে!
©️©️

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Chittagong?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Chittagong