Dr.Mohammad Omar Faroque
Dr.Mohammad Omar Faroque, BHMS (Dhaka University)
Government Homoeopathic Medical College
Mirpur -14, Dhaka-1206
Health is Wealth
22/07/2025
আজকের সমাজে এক অদ্ভুত প্রতিযোগিতা চলেছে —
> ❝সহবাসে যদি ৩০ মিনিট না পারো — তুমি শক্তিশালী পুরুষ নও!❞
এই ধারণা শুধু ভুল না — এটি স্বাস্থ্যবিরোধী, বৈজ্ঞানিকভাবে অস্বাভাবিক এবং দাম্পত্য সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর।
---
📊 এখন চলুন দেখা যাক আন্তর্জাতিক গবেষণায় কী বলা হয়েছে:
🔹 গবেষণা ১: (Pennsylvania State University, USA)
👉 গবেষক Dr. Eric Corty এবং Jenay Guardiani-এর নেতৃত্বে এক যৌন স্বাস্থ্য জরিপে দেখা যায়:
ধরন সহবাসের সময়কাল (গড়)
“Too short” ১–২ মিনিট
“Adequate” ৩–৭ মিনিট
“Desirable” ৭–১৩ মিনিট
“Too long” ১০–২০ মিনিটের বেশি (অনেক নারী বিরক্ত বা ব্যথা অনুভব করে)
📌 এই গবেষণা অনুযায়ী, ৩–৭ মিনিট সহবাসই অধিকাংশ দম্পতির জন্য যথেষ্ট এবং স্বাভাবিক।
---
🔹 গবেষণা ২: (Journal of Sexual Medicine, 2008)
👉 ৫০০ দম্পতির উপর পরিচালিত এক আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গেছে:
প্রবেশের পর গড় সহবাসকাল: ৫.৪ মিনিট
“থ্রাস্ট” সংখ্যা (পুশ ইন–আউট): গড়ে ১০০–৫০০ বার, যার চেয়ে বেশি হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ক্লান্তি বা বিরক্তি তৈরি হয়।
📌 গবেষকরা বলেন:
> “Longer in*******se is not equal to better satisfaction. Connection, communication and emotional intimacy matter far more.”
---
🔹 গবেষণা ৩: (University of Queensland, Australia)
👉 Dr. Brendan Zietsch-এর নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণায় বলা হয়:
“Intercourse duration does not correlate with relationship satisfaction.”
অর্থাৎ, সহবাসের সময় বেশি হলেও দাম্পত্য সুখ বাড়ে না, বরং সঙ্গীর চাহিদা ও আরাম বোঝাই আসল বিষয়।
---
📛 সমাজ কী শিখাচ্ছে?
🔴 “৩০ মিনিট না পারলে ব্যর্থ”
🔴 “হাজার বার থ্রাস্টই সুখ”
🔴 “দ্রুত বীর্যপাত মানেই দুর্বলতা”
এই সব কুসংস্কার পুরুষদের মনে দুশ্চিন্তা, হীনম্মন্যতা ও আত্মবিশ্বাসহীনতা তৈরি করে।
আর স্ত্রীদের জন্য এটি হতে পারে — শরীরী কষ্ট, মানসিক দুরত্ব, নিরব ক্ষোভ।
---
🌙 ইসলাম কী বলে?
রাসূল ﷺ বলেছেন:
> “তোমরা স্ত্রীর সঙ্গে পশুর মতো আচরণ করো না। আগে আদর করো, পরস্পরের অনুভূতি বোঝো, তারপর মিলনে যেয়ো।”
(ইহইয়া উলুমুদ্দিন – ইমাম গাযযালি)
📌 কোনো হাদীস, কোনো ইসলামী শিক্ষায় —
❌ থ্রাস্টের সংখ্যা
❌ সময়ের দৈর্ঘ্য
— এগুলোর উপর কোনো গৌরব বা শর্ত নেই।
---
✅ উপসংহার:
> ❝ সহবাসে সাফল্য মানে — কতবার পুশ ইন–আউট হলো নয়, বরং স্ত্রী চোখ বন্ধ করে প্রশান্তির নিঃশ্বাস ফেললো কি না — সেটাই সত্যিকারের জয়। ❞
❝ বিজ্ঞান ও দ্বীন — উভয়েই বলে, সময় নয় — অনুভবই মুখ্য! ❞
---
📣 তরুণদের জন্য বার্তা:
➤ ৩ মিনিটে প্রেমে জয় করা যায়, ৩০ মিনিটে ক্লান্তি ডেকে আনা যায়
➤ হাজার থ্রাস্টে নয়, স্ত্রীর সন্তুষ্টির হাসিতে প্রমাণ হয় পুরুষত্ব
➤ বিজ্ঞানের কথা শোনো, সমাজের কুসংস্কার ভাঙো
#সহবাস_সচেতনতা
#যৌনশিক্ষা
#বিজ্ঞান_ও_ইসলাম
#থ্রাস্ট_কুসংস্কার
10/04/2025
যার জন্ম না হলে হোমিওপ্যাথির জন্ম হতো না..
আজ সেই হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার জনক,
ডাঃ ক্রিশ্চিয়ান ফ্রেডরিক স্যামুয়েল হ্যানিম্যান এর ২৭০ তম জন্মদিন।
#বিশ্ব_হোমিওপ্যাথি_দিবস ❤️
#১০এপ্রিল
30/03/2025
28/03/2025
(চাকার মতো ফুসকুড়ি) :
, বাংলায় যাকে বলা হয় "হাঁচি" বা "চাকার মতো ফুসকুড়ি," এটি একটি সাধারণ চর্মরোগ যা ত্বকের ওপর লালচে, ফুলে ওঠা ও চুলকানিযুক্ত দাগ সৃষ্টি করে। এই সমস্যা সাধারণত অল্প সময়ের জন্য স্থায়ী হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে এটি দীর্ঘস্থায়ীও হতে পারে।
এর কারণ
Urticaria সাধারণত শরীরের ইমিউন সিস্টেমের অতিসক্রিয় প্রতিক্রিয়ার ফলে ঘটে। এর প্রধান কারণসমূহ হলো:
1. অ্যালার্জি:
খাদ্য যেমন বাদাম, ডিম, চিংড়ি, দুধ ইত্যাদি
ওষুধ যেমন পেনিসিলিন, অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন
পোকামাকড়ের কামড় বা হুল ফোটানো
2. পরিবেশগত কারণ:
ঠান্ডা বা গরম আবহাওয়া
রোদ, ঘাম, চাপ বা মানসিক উদ্বেগ
ধুলাবালি ও পরাগকণা
3. সংক্রমণ:
ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাল সংক্রমণ
4. অটোইমিউন ডিজঅর্ডার:
কিছু ক্ষেত্রে শরীরের নিজস্ব ইমিউন সিস্টেম ভুলক্রমে নিজের কোষ আক্রমণ করে, যা Urticaria সৃষ্টি করতে পারে।
---
#উপসর্গ (Symptoms)
Urticaria-র সাধারণ উপসর্গগুলি হলো:
ত্বকের লালচে বা ফ্যাকাশে ফুলে ওঠা দাগ
চুলকানি বা জ্বালাপোড়া অনুভূতি
কখনো কখনো দাগ একত্রে মিশে বড় হতে পারে
ঠান্ডা বা গরমে উপসর্গ বাড়তে পারে
যদি চুলকানি ও ফুসকুড়ির পাশাপাশি ঠোঁট, চোখ, মুখ বা গলার ভেতরে ফোলাভাব দেখা যায়, তবে এটি Angioedema হতে পারে, যা মারাত্মক হতে পারে এবং তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রয়োজন।
---
-এর ধরন
Urticaria সাধারণত দুই প্রকারের হয়:
1. একিউট Urticaria (Acute Urticaria)
সাধারণত ৬ সপ্তাহের কম সময় স্থায়ী হয়
সাধারণত অ্যালার্জির কারণে হয়
শিশু ও তরুণদের মধ্যে বেশি দেখা যায়
2. ক্রনিক Urticaria (Chronic Urticaria)
৬ সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয়
বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এর নির্দিষ্ট কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না
এটি অটোইমিউন সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে
#চিকিৎসা ও প্রতিকার
Urticaria-এর চিকিৎসা প্রধানত উপসর্গ উপশমের ওপর নির্ভর করে।
কিছু সাধারণ #হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতি হলো:
১.রাস টক্স (Rhus Tox): বৃষ্টির জলে ঠান্ডা হাওয়া গায়ে লাগিয়া ভিজা সেতসেতে স্থানে বাস করিয়া আমবাত চাকা চাকা হইয়া ফুলিয়া যায় ।অধিক চুলকায় বেদনা করে ঠান্ডায় আমবাতের বৃদ্ধিতে রাস টক্স ব্যবহার করা হয়।
২.এপিস মেল (Apis Mel): গোলাপী রংয়ের উদ্ভেব সমস্ত শরীরে ছড়াইয়া পড়ে দাগড়া দাগড়া হইয়া ফুলিয়া উঠে চুলকায় হুল ফুটানো বেদনা ও জ্বালা। জ্বালা গরমে তিন ঘন্টা অন্তর ।এপিস ব্যবহার কালিন পেয়াজ খাওয়া নিষিদ্ধ
৩.আর্টিকা ইউরেন্স (Urtica Urens) : সর্ব প্রকার আমবাতে ইহা উপকারী ।চাকা চাকা হইয়া ফুলিয়া উঠে চুলকায় জ্বলে কাটা ফুটা ন্যায় যন্তনা করিতে থাকে ।ক্রমাগত হাত বুলাইতে হয় ।ঘুমাইলে যন্ত্রনা নিবৃত্তি ।
৪.হাইড্রাসটিস (Hydrastis) : নতুন বা পুরাতন উভয় প্রকার আমবাতে ইহা একটি কাযকারী ঔষধ ।বিশেষ করে পুরাতন আমবাতে ইহা কিছু সেবন করিতে দিয়া কয়েকটি রোগী আরোগ্য হইয়াছে ।
#বি:দ্র: চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতিত ওষুধ না খাওয়ার অনুরোধ।
# # #বাড়িতে করণীয়:
অতিরিক্ত চুলকানি এড়াতে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধোয়া
অ্যালার্জির কারণ শনাক্ত করে তা পরিহার করা
মানসিক চাপ কমানো
প্রচুর পানি পান করুন।
#ইনসাফ হোমিওপ্যাথিক ক্লিনিক
27/03/2025
🙋🇧🇩🇧🇩আজকের টপিকস অটিজম :
🇧🇩✅যদি আপনার বাবু চোখে চোখে না তাকায়, নাম ধরে ডাকলে না সারা দেয় ,একা থাকতে পছন্দ করে ,কোন কিছু ধরে ইশারায় ইঙ্গিতে বুঝাতে ব্যর্থ হয়, সালাম দেওয়া টাটা বাই বাই এগুলো না দেয়, একই কাজ বারবার করে তাহলে বুঝবেন আপনার বাচ্চার অটিজম আছে।
🌹💐💐অটিজম একটি নিউরো ডেভেলপমেন্টাল ডিজঅর্ডার
🧑🏫💐💐🧑🏫সাধারণত দুই থেকে তিন বছর বয়সী বাচ্চাদের থেকে শুরু হয় ,
💐💐🌹🌹 অটিজমের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য আছে
🌹🌹 তন্মধ্যে সামাজিকতার অভাব যেমন অন্যদের সাথে মিশতে চলতে, সালাম দেওয়া টাটা বাই বাই দেওয়া এগুলো কমতি দেখা দেয়, চোখে চোখে তাকায় না, ডাকলে সাড়া দেয় না, অন্য বাচ্চাদের সাথে মিশে না ,খেলে না ,এরা কথা বলে না এমনকি অঙ্গভঙ্গির দ্বারা মনের ভাব প্রকাশ করতে পারে না, যেমন ইশারা করে কোন কিছু দেখায় না কোন কিছু দরকার পড়লে তারা অভিভাবকের হাত ধরে টেনে নিয়ে দেখিয়ে দেয়
🌹🌹🌹একই কাজ বারবার করার প্রবণতা থাকে যেমন হাততালি দেওয়া চিৎকার করা ঘুরতে থাকা ইত্যাদি 🤾চঞ্চলতা 👯নির্দিষ্ট রুটিন থাকে যে রুটিন ভাঙ্গলে তারা প্রচন্ড রেগে যায়, 🧑🏫প্রচন্ড মোবাইলে আসক্তি থাকতে পারে🥷পূর্বের কথা ভুলে যেতে পারে।
#চাইল্ডনিউরোলজি #শিশুনিউরোলজী
একটি বাস্তব অভিজ্ঞতা: সঠিক চিকিৎসার গুরুত্ব 🌟
গত ১৫ দিন আগে, ১ মাস ১৫ দিনের একটি শিশু রোগী নিয়ে তার অভিভাবক আমার চেম্বারে আসেন। শিশুটির সমস্যা ছিল – সাধারণ জ্বর, ঠান্ডা, সর্দি, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, এবং সাথে রেশ (হালকা র্যাশ)। সমস্যা গুলি যদিও অত্যন্ত প্রকট ছিল না, তবে আমি শিশু চিকিৎসার ক্ষেত্রে খুব সতর্কতা অবলম্বন করি। 🩺
💡 *"চাইলেই দুইটা লক্ষণ দেখে অনুমান করে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়"* — এমন চিকিৎসা রোগীর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ভুল চিকিৎসা, শিশুর সুস্থতার পথে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এবং এই ভুলের প্রভাব তাকে স্বাভাবিক সুস্থতায় ফিরিয়ে আনার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
*তাহলে কী করা উচিত? 🤔*
আমি কোনো মেডিসিন না দিয়ে, শিশুটিকে *১ সপ্তাহ* পর্যবেক্ষণে রাখি। ১৫ দিন পর, শিশুটির অভিভাবক আবার আসেন। তখন আমি পুনরায় শিশুর অবস্থা মূল্যায়ন করি এবং এক দারুণ মেডিসিনের চমৎকার কিছু প্রভাব দেখতে পাই। উল্লেখযোগ্য যে, গত ১৫ দিনে মানসিক সেটিসফেকশনের জন্য কিছু প্লাসিব দিয়ে রেখেছিলাম।
---
*ঘটনার বিশেষত্ব: 🔍*
শিশুর প্রথম চিকিৎসায় ভুল হলে, পরবর্তীতে তার পুনরুদ্ধার বা চিকিৎসা পরিবর্তন করা অনেক কঠিন হয়ে পড়ে। তবে, যখন সঠিক চিকিৎসা দেয়া হয়, তখন তা সঠিক গতি অনুসরণ করে, এবং শিশুর শরীরও ভালোভাবে সুস্থ হতে থাকে। 💪 এমনকি, পরবর্তী সময়ে অন্য যেকোনো সমস্যা বা রোগের জন্য সঠিক চিকিৎসা নির্বাচন করা সহজ হয়ে যায়।
---
*হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার সুবিধা: 🌱
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা যদি সঠিক নিয়মে এবং সঠিক সময়ে দেওয়া যায়, তবে শিশুর রোগপ্রবণতার হার অনেকটাই কমে যাবে। অধিকাংশ বংশগত রোগ সহ বড় বড় রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। হোমিওপ্যাথি হলো একটি *নিরাপদ চিকিৎসা ব্যবস্থা*, যা শরীরের স্বাভাবিক প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করতে সহায়ক। 🦸♀️
---
*চিকিৎসার ভুল পথে চলা: ⚠️
অন্যদিকে, আমাদের সমাজে অনেক শিশুদের প্রথম চিকিৎসা হয় এলোপ্যাথি চিকিৎসার মাধ্যমে। ধরুন, শিশুটি জ্বরে আক্রান্ত হলে, প্রথমে *প্যারাসিটামল* দেওয়া হয়। ঠান্ডার জন্য *এন্টি-হিস্টামিন* দেয়া শুরু হয়, এবং শ্বাস কষ্টের জন্য *নেবুলাইজার* ব্যবহার করা হয়।
এমনকি, কিছুটা আরাম পেলেও, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগটি বারবার ফিরে আসে, আবারও প্রকট হয়ে যায়। একপর্যায়ে *এন্টিবায়োটিক* দেওয়া শুরু হয়, এবং শিশুর শরীরের স্বাভাবিক ইমিউনিটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ❌
এই দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার ফলাফল হলো, শিশুর স্বাস্থ্যের মেরুদণ্ড প্রায় ধ্বংস হয়ে যায় এবং তার শরীরে মারাত্মক নানা রোগের সূত্রপাত হতে পারে।
---
*সমাজের বাস্তবতা: 🌍*
বর্তমানে অধিকাংশ শিশু সিজারিয়ান পদ্ধতিতে জন্ম নেয়। এতে শিশুর শরীর প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউনিটি) তৈরি করতে ব্যর্থ হয়। তার উপর ক্যামিক্যাল ড্রাগস আরও বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করে ইমিউনিটিকে। ❗
আসুন, সঠিক চিকিৎসা প্রদান ও গ্রহণের দিকে সচেষ্ট হই, যাতে আমাদের প্রিয় শিশুরা থাকে *সুস্থ, নিরাপদ এবং সুন্দর*। 💖
26/03/2025
# # Dysfunction
# #লজ্জা নয় সঠিক চিকিৎসা
# # Dysfunction,premature ej*******on এই সমস্যাগুলো (দ্রুত বীর্যপাত, ইরেক্টাইল ডিসফাংশন) শারীরিক ও মানসিক উভয় কারণেই হতে পারে। সাধারণত রুগিদের বর্ণনা অনুযায়ী, দীর্ঘদিনের হস্তমৈথুন বা অভ্যাসগত কারণে শারীরিক সংবেদনশীলতা কমে যাওয়া, উদ্বেগ, বা গ্লানির প্রভাব থাকতে পারে। তবে আশার কথা হলো, সঠিক চিকিৎসা ও লাইফস্টাইল মডিফিকেশনের মাধ্যমে এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। নিচে ধাপে ধাপে পরামর্শ দেওয়া হলো:
---
# #১.মেডিকেল চেকআপ জরুরি:**
- ** # #হরমোন টেস্ট:** টেস্টোস্টেরন লেভেল, থাইরয়েড ফাংশন, প্রোল্যাকটিন পরীক্ষা করুন।
- ** # #কার্ডিওভাসকুলার হেলথ:** রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস স্ক্রিনিং করুন (এই সমস্যাগুলো ইরেকশনকে প্রভাবিত করে)।
- ** # #নার্ভ ড্যামেজ চেক:** ডায়াবেটিস বা স্পাইনাল ইস্যু থাকলে নার্ভ ফাংশন পরীক্ষা করুন।
- ** # #মনোরোগ বিশেষজ্ঞ:** উদ্বেগ, ডিপ্রেশন, বা পারফরমেন্স অ্যাংজাইটি থাকলে কাউন্সেলিং নিন।
---
# #২. # #লাইফস্টাইল পরিবর্তন:**
- ** # #সুষম খাদ্য:**
- জিংক সমৃদ্ধ খাবার (মাছ, বাদাম, ডাল), ভিটামিন-D (সূর্যালোক, ডিম), অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (শাকসবজি, বেরি)।
- প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত মসলা, অ্যালকোহল ও ধূমপান এড়িয়ে চলুন।
- ** # #ব্যায়াম:**
- নিয়মিত অ্যারোবিক এক্সারসাইজ (হাঁটা, সাইক্লিং) রক্তসঞ্চালন বাড়ায়।
- ** # #কেগেল এক্সারসাইজ:** পেলভিক ফ্লোর মাসল শক্তিশালী করলে ইরেকশন ও বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
- ** # #ঘুম:** দিনে ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম টেস্টোস্টেরন লেভেল বাড়ায়।
- ** # #স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট:** মেডিটেশন, প্রাণায়াম, বা যোগব্যায়াম চাপ কমাতে সাহায্য করে।
---
# # # **৩. # #হস্তমৈথুনের অভ্যাস নিয়ন্ত্রণ:**
- ** # #ধীরে ধীরে কমিয়ে আনা:** সপ্তাহে ১-২ বার সীমিত করুন। অতিরিক্ত ম্যাস্টারবেশন পেনিসের সংবেদনশীলতা কমিয়ে দিতে পারে।
- ** # #সেন্সিটিভিটি ট্রেনিং:** হস্তমৈথুনের সময় বীর্যপাত দেরি করার চেষ্টা করুন (যেমন: যখন বীর্যপাত আসে বলে মনে হয়, থেমে যান, তারপর আবার শুরু করুন)।
- ** # #পর্নোগ্রাফি এড়ানো:** ভার্চুয়াল উত্তেজনা প্রাকৃতিক উত্তেজনাকে দুর্বল করতে পারে।
---
# # # **৪. # #বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণের টেকনিক:**
- ** # #স্টার্ট-স্টপ মেথড:** সঙ্গমের সময় বীর্যপাত আসতে থাকলে থেমে যান, ৩০ সেকেন্ড বিশ্রাম নিয়ে আবার শুরু করুন।
- ** # টেকনিক:**
বীর্যপাত আসার আগে পেনিসের বেসে চাপ দিয়ে বীর্যপাত সাময়িক বন্ধ করুন।
# # # **৫. # #সাইকোলজিকাল সাপোর্ট:**
- ** # #কগনিটিভ বিহেভিয়ারাল থেরাপি (CBT):** নেগেটিভ চিন্তা, পারফরমেন্স ফোবিয়া কাটাতে সাহায্য করে।
- ** # #কাপল থেরাপি:** যদি পার্টনারের সাথে সম্পর্কে টেনশন থাকে।(counselling).
---
# # # **৮. # #যা এড়িয়ে চলবেন:**
- ঘনঘন পর্নোগ্রাফি দেখা বা অতিরিক্ত ফ্যান্টাসিতে মগ্ন হওয়া।
- রাতজাগা, অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাস।
- স্ব-দোষারোপ বা হতাশায় ভুগা (এটি সমস্যাকে জটিল করে)।
---
# # # **৯. # #জরুরি পরামর্শ:**
- ** # #ধৈর্য্য ধরুন:** উন্নতি হতে কয়েক সপ্তাহ থেকে মাস লাগতে পারে।
- ** # #পার্টনারের সাথে খোলামেলা আলোচনা করুন:** সমর্থন পেলে মানসিক চাপ কমে।
- ** # #কোনো লজ্জা নেই:** যৌন স্বাস্থ্য হলো সামগ্রিক স্বাস্থ্যের অংশ। বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে দ্বিধা করবেন না।
---
# # # ** # #চিকিৎসকের কাছে কখন যাবেন?**
- ঘরোয়া পদ্ধতিতে উন্নতি না হলে।
- ইরেকশন একেবারেই না হলে বা ব্যথা থাকলে।
- ওজন কমা, ক্লান্তি, বা অন্যান্য লক্ষণ দেখা দিলে।
সঠিক ডায়াগনোসিস ও সমন্বিত চিকিৎসায় এই সমস্যা নিয়ন্ত্রণযোগ্য। আশা হারাবেন না, এবং আজই একজন ক্লাসিকাল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক এর সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।
Dr. md Shahidullah shishir sir
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Cox's Bazar