Aspi islam
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Aspi islam, Health/Beauty, Cumilla.
10/09/2023
আচ্ছা , আপনি হিমুর বইগুলো পড়েছেন ? অনেক সুন্দর না গল্পগুলো ? ইশ ! আমি তো হিমুর প্রেমে পড়েছি অনেক আগে । বাস্তবে হিমু থাকলে তাকেই আমি বিয়ে করতাম ।
- ও আচ্ছা ! তাই নাকি ? হিমুতো বন্ধনে জড়ায় না , জানেন না ? বাস্তবে হিমু থাকলে তো আপনার দশা রূপার মতই হতো ।
- নাহ ! আমি ওকে আমার প্রেমের ফাঁদে ফেলতাম । সে আমাকে ছেড়ে যেতেই পারত না ।
- তাই ? আপনি ছেলেদের খুব ভালোভাবে পটাতে পারেন মনে হচ্ছে !
এভাবেই তার সাথে আমার প্রথম কথা হয়েছিল । প্রথম দেখাও হয়েছিল সেদিন , এক বিয়ের অনুষ্ঠানে । আমি ছিলাম বরপক্ষ আর ও ছিল কনেপক্ষ । বিয়ের অনুষ্ঠান আমার কাছে খুব বিরক্তিকর লাগে , তবুও খাওয়াদাওয়ার লোভে না গিয়ে পারি না । তো সেদিন এমন একটা অস্বস্তিকর গরমের দিনে এক বন্ধুর নিমন্ত্রণ রক্ষা করতে গেলাম এক অপরিচিত কমিউনিটি সেন্টারে । রাত আটটার বেশি বাজে , তবুও কেন খেতে ডাকছে না সে চিন্তা করতে করতে আমার প্রিয় এক্সপেরিয়াতে ফেসবুকে মেসেজ দেখছিলাম । তখনি পিছন থেকে একটি মেয়ের গলা শুনতে পেলাম ।
- আপনি কি বরের কিছু হন ?
পিছন ঘুরে তাকালাম । নীল শাড়ি পড়া এক নারী । প্রথম দেখাতেই ধাক্কামত খেলাম । মনে হল আকাশ থেকে কোন নীলপরী নেমে এসেছে ডানা লুকিয়ে । বাইরে থেকে সে ধাক্কাটা সামলে জবাব দিলাম , ‘হে । আমি বরের বন্ধু । আপনি ?’
- আমি কনের খালাতো বোন । তো , একা দাঁড়িয়ে আছেন যে ? সাথে কেউ নেই বুঝি ?
- আসলেই নেই । আর আমার এসব লোকারণ্য ভালো লাগেনা । তাই নীরব জায়গা খুঁজে নিয়ে একটু নিঃশ্বাস নিচ্ছি । আপনি একা কেন ?
- আমি ? আমিও একা থাকতে পছন্দ করি । দুইজন একা মানুষ এক হয়ে কথা বলছি , কেমন না ব্যাপারটা ? হা হা হা ।
এভাবেই কথা হচ্ছিল আগন্তুকের সঙ্গে । আগন্তুক ? না তো । তেমন তো লাগছে না , মনে হচ্ছে অনেক পুরনো বন্ধু আমরা । পরিচয় , নাম , সবই জানলাম । বয়সে তিন বছরের ছোট , নাম মৃদুলা । নাম শুনে মনে হল এ নামটা ওর সাথেই যায় । যাই হোক , সেদিন অনুষ্ঠান শেষে যখন ফিরছিলাম তখন কি যেন মনে করে তাকে আমার মোবাইল নাম্বারটা দিয়ে আসলাম । সেও হাসিমুখে নিল , বলল , ‘আবার দেখা হবে ।‘ আমিও জানতাম আবার ওর সাথে আমার দেখা হবে , খুব শীঘ্রই ।
সেদিন রাতে বাড়ি ফেরার পর ক্লান্তি আমাকে ছাড়ল না । সটান হয়ে শুয়ে ঘুমে তলিয়ে গেলাম । স্বর্গের পরী মৃদুলার কথা মনে করার জন্য এক সেকেন্ড সময়ও পেলাম না ।
পরদিন সকালে মোবাইলে দেখলাম ৩টা মিসড কল , সবগুলোই
09/09/2023
একটি ছেলে যার ছিল অনেক স্বপ্ন। অনেকের সাথে বন্ধুত্ব করবে সে। এই কারনে তার ফেসবুক এ আইডি খোলা। তার নাম ছিল রাফা। সে স্কুল-এ খুব চুপচাপ থাকতো। স্কুলে ছিল তার অনেক বন্ধু। কিন্তু সবাই ছিল ছেলে। কোন মেয়ের সাথে তার বন্ধুত্ব হয়নি। ফেসবুক আইডি খুলেছে সে ২০০৯ সালে। তখন সে প্রতিদিন এ সাইবার ক্যাফ-এ গিয়ে ফেসবুক ব্যভার করতো। সে কখনো ভাবে নি যে তার আজ এই পরিস্থিতির সম্মুখিন হতে হবে। তখন তার ফেসবুক আইডি তে ও কোন মেয়ে বন্ধু ছিল না। ঈদের ছুটিতে বাড়ি যায় সে। জানতে পারে যে তার মামাতো ভাইয়ের ফেসবুক আইডি আছে। ভাইকে তার ফ্রেন্ড লিস্ট এ অ্যাড করল সে। তার ভাই তাকে পরিচয় করিয়ে দিলো তার অনেক বন্ধু-বান্ধব এর সাথে। সাথে তার জিএফ এর সাথেও। রাফা তার ভাই এর জিএফ কে ভাবি বলে ডাকতো FB তে । সামনাসামনি তাদের এখন দেখা হয় নি।
রাফা অনেক দুস্টামি করতো তার ভাবির সাথে। হঠাৎ একদিন তার ভাবি তাকে বলল তোমার জিএফ নাই। সে সরাসরি উত্তর দিলো না। ওর ভাবি একজন এর প্রফাইল লিঙ্ক দিয়ে বলল তোমার মত আমার এই বান্ধবীটিও একা। রাফা তাকে ফ্রেন্ড রেকুয়েস্ট পাঠায়। মেয়েটি এক্সেপ্ট করে। তার নাম তানি। তাদের মধ্যে অনেক দিন কথা হয়। তানি কে তার খুব ভালো লেগে যায়। কিন্তু সাহস হয়নি কখনো বলার। এমন করে অনেক দিন কেটে গেল। রাফার SSC পরীক্ষা এসে পরে। পরীক্ষার আগে একদিন সাহস করে তানি কে তার ভাল লাগার কথা বলে। তানি ৩ দিন এর সময় নেয়। এর পর এর কাহিনী আমি আগামি কাল লিখব…………… ৩দিন সময় নিয়ে সে আর আসে না… ৩দিন এর জায়গায় ১৫দিন পার হয়ে যায়। কিন্তু তানি এখনও অনলাইন এ আসে নি। আমি আমার বিশ্বাস হারিয়ে ফেলি। তানি কে পাব না বলে ধরে নিলাম। তখন এত কষ্ট লাগে নি। ৩সপ্তাহ পর ………… একদিন দেখি তানি অনলাইন এ। আমি তাকে কিছু বললাম না।
সে আমাকে বলল আমি তোমার প্রোপজাল আমি এক্সেপ্ট করলাম। আমি তখন ও এত খুসি হয় নি। আমি তানি কে জিজ্ঞাসা করলাম, এত দিন কোথায় ছিলে?? তানিঃ হ্যাঁ বলব নাকি না বলব তা চিন্তা করতে করতে আমার জ্বর এসে গিয়েছিল। তাই আস্তে পারি নি। এর পর থেকে অনেক কথা হত আমাদের। SSC পরীক্ষা শেস হওয়ার পর একটি মোবাইল কিনলাম। তানি আর আমি এবার মোবাইলে কথা বলেই দিন কাঁটিয়ে দিতাম। এভাবে ৫ টা মাস পার হয়ে গেল…… তানির ফেমিলি থেকে চট্টগ্রাম আসছে সবাই। আমাদের দেখা করার সুযোগ হয়ে এলো। তানি তারিখ ফিক্সড করে জানায়। আমদের সুন্দর ভাবে দেখা ও হয
09/09/2023
রিফাত যখন নতুন বিয়ে করে নতুন বউ কে একা বাসায় নিয়ে আসে তখন রিফাতের খুব আনন্দ হয়েছিল। বিয়ে বাড়ির মতো রিফাতের বাড়িটা সাজানো ছিল না। সব দিকে বাসার সব ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। আনিকা বউ সেজে বাসর ঘরে বসে আছে। রিফাত রুমে ঢুকতেই দেখতে পেল আনিকার মধ্যে কোনো সাড়াশব্দ নেই। রিফাত খুব অবাক হলো তারপর রিফাত মাথা টা হাতিয়ে নিল। রিফাত ভাবল বাসর ঘরে বউ এসে স্বামী কে সালাম করে কিন্তু আনিকা তা করছে না। রিফাতের বুকের মধ্যে একটা কামড় দিল। তারপর রিফাত বোকার মতো করে একটা ফ্যাকাসে হাসি দিয়ে আনিকার সামনে বসল। আনিকার দিকে রিফাত একটা রাক্ষস পাখির মতো করে চেয়ে রইল। আনিকার মুখে কি মায়া সেটা তো শুধু রিফাত দেখেছিল। সারা গলায় গয়না । মুখে লাল রঙের মেকাপ। ঠোঁটে গোলাপি লিপস্টিক। চোখে মন জড়ানো কাজল। ইশ! কি ভালো ওই না লাগছিল। রিফাত তার হাত টা নিয়ে আনিকার হাতের মধ্যে রাখতে যাবে ঠিক তখনি আনিকা বলে আপনারা এতো নিষ্ঠুর? আপনাদের কাছে আমার কোনো মূল নাই? আমার জীবন টা আপনাদের কাছে একটা খেলনা? আপনারা আমাকে নিয়ে শুধু খেলবেন? আমার ইচ্ছার কোনো দাম নাই? আমার ইচ্ছামত আপনারা আমাকে বাঁচতে দিবেন না? একদিন দেখবেন আপনারাও আমার মতো কষ্ট পাবেন। সেদিন এই পৃথিবী টা শুধু হাসবে। কেউ আপনাদের কষ্ট বুঝবে না। এসব কথা বলে আনিকা কান্না করতে থাকলো। রিফাত কিছু ওই বুঝতে পারল না । আনিকার জীবনে এতো কষ্ট কিসের? কি জন্য রিফাত কে এতো গুলা কথা বলল? রিফাত নিজের চোখের পানি নিজের হাত দিয়ে মুছে পেল। রিফাত আবার একটা চরম ধাক্কা পেল। রিফাত বলল ” আপনি এখন থেকে আপনার ইচ্ছামত বড় হবেন। আপনার স্বপ্ন নিয়ে বড় হবেন। সেখানে আমার কোনো ইচ্চা থাকবে না। আচ্ছা আপনি ঘুমিয়ে পড়েন। আমি সোফায় ঘুমিয়ে পড়ছি । ” রিফাত এসব কথা বলে সোফায় ঘুমাতে গেল। সোফায় সাথে মুখটা ছেপে ধরে কান্না করতে থাকলো। কেন তার সাথে এসব হচ্ছে? তার একটা ইচ্ছাও পূরণ হচ্ছে না। এসব ভাবতে ভাবতে রিফাত ঘুমিয়ে পড়ল।
খুব সকালে রিফাত ঘুম থেকে উঠে কফি করল। সে এক কাপ কফি খেয়ে আরেক কাপ কফি করে আনিকার ড্রয়িংরুমে এর সামনে রেখে অফিসে চলে গেল। অফিসে যেতেই দশ জন কর্মী দশ কথা বলছে। কি রিফাত সাহেব নতুন বিয়ে? নতুন বউ। কেমন চলছে সংসার। নতুন বউ বুঝি বিয়ের পরের দিন ওই অফিস পাঠিয়ে দিল। সবাই এ রকম কথা বলে সবাই হাসাহাসি করছে।
রিফাত মুচকি হাসি দিয়ে বলে আপনাদের ছেড়ে থাকতে ভালো লাগছে না। তাই চলে আসলাম। পাশের সীটে বসে থ
08/09/2023
এলাকার যে ছেলেটি কখনো খারাপ কাজ বা নেশা করে নি,
আজকে সে এখন নাম কড়া নেশাখোর আর খারাপ কাজে লিপ্ত। যে ছেলেটি সিগারেটে থাকা নিকোটিনের ধোঁয়া সহ্য করতে পারতো না,
আজ সে সেই নিকোটিন তার চলার পথের সঙ্গী।
. সে এখন প্রতি রাতেই ছাদের কোণে গিয়ে নিকোটিনের আগুনে নিজেকে পুড়তে বসে।
যে ছেলেটি কলেজ, কোচিং, কিংবা বন্ধুদের সাথে আড্ডা মেরে সবাইকে মাতিয়ে রাখতো, আজ সে একদম চুপ।
কারো সাথে কোনো কথা বলে না সব সময় একা থাকে।
. যে ছেলে অন্ধকার কে এবং কালো জিনিস অপছন্দ করতো,
আজ সে শপিং এ গেলে সবথেকে আগে কালো রঙটাকে চয়েজ করে আর প্রায় সময়টাই অন্ধকারের মধ্যে থাকতে চায়।
এছাড়াও আরো অনেক ঘটনা আছে যা আমাদের চারপাশে ঘটে চলছে।
হয়তো কারোটা প্রকাশ পায় আবার কারো টা প্রকাশ পায় না।
. সমাজের ছোট বড় প্রত্যেকেই ভাবে হয়তো খারাপ সঙ্গ পেয়েই ভালো খারাপ হয়েছে।
এভাবেই আমাদের সামনে ঘটে যাওয়া কর্মকাণ্ড গুলোর প্রতিক্রিয়া জানাই।
প্রতিক্রিয়া গুলো হয় সাধারনত এরকমঃ-
. ★ ছেলেটা ভালো ছিল, কিন্তু এখন রোজ সিগারেট খায়।
★ ছেলেটা একদম নষ্ট হয়ে গেছে, রোজ মারপিট আর নেশা করে।
★ এই ছেলে ছোট থেকে অনেক সম্মান করতো, কিন্তু এখন সামনে বসে সিগারেট ধরায়।
★ ছেলেটা খারাপ হবে কখনোই ভাবি নি।…. ইত্যাদি।
. আমরা ভেবে থাকি এসব ছেলেগুলো এভাবে নষ্ট হওয়া আর বিগড়ে যাওয়ার পিছনে খারাপ সঙ্গ একমাত্র দায়ী।
কিন্তু কখনো কি জানতে চেয়েছি বা চেয়েছেন তাদের এই খারাপ হওয়ার পিছনের কারনটা। কিসের জন্য তারা এ পথে এসেছে…??
. একটা ছেলে শুধু খারাপ সঙ্গ পেয়ে নেশার জগতে পা দেয় না।
এর পিছনে জড়িয়ে থাকে পারিবারিক সমস্যা না হয় কাছের মানুষের দেয়া কষ্ট আর অবহেলা।
আমাদের সমাজের প্রায় অর্ধেকের বেশি ছেলেরা নেশায় আসক্ত হয় প্রেম বিচ্ছেদে। আর অল্প কিছু ছেলেরা হয় পারিবারিক কারনে।
তখন এরা বেঁচে থাকার জন্য এবং পুরাতন স্মৃতি গুলো মুছে ফেলার জন্য নেশার জগতে পা দেয়।
. আচ্ছা কতটা কষ্ট পেয়ে একটা ছেলে তার চোখের পানি ফেলে…!!
হ্যাঁ, আপনাকেই জিজ্ঞাস করছি যিনি বা যে এই গল্পটাকে পড়ছেন।
আমার জানা মতে, একটা ছেলেকে কখনো আপনি সামনে বসে তেমন একটা কান্না করতে দেখবেন না।
কারন সে জানে সবার সামনে বসে কান্না করতে দেখলে তাকে নিয়ে হাসি-ঠাট্টা, তামাশা করবে।
. তাই সে নিরবে তার কষ্টটাকে বুকের মধ্যে লুকিয়ে রাখে। কারন ওখানে লুকিয়ে রাখলে কেউ দেখতে পাবে না, এ
Click here to claim your Sponsored Listing.