Sanju's World

Sanju's World

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sanju's World, Health/Beauty, Cumilla.

"আমাদের পেইজে পাবেন অনুপ্রেরণা, শিক্ষা, বিনোদন এবং জ্ঞানের ভাণ্ডার। প্রতিদিনের জীবনের গল্প, টিপস এবং মতামত শেয়ার করে আপনাদের সঙ্গে এগিয়ে যেতে চাই। যুক্ত থাকুন এবং আমাদের কমিউনিটির অংশ হোন!"

31/12/2024

নতুন বছরে একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত নিজের ইবাদত ও আমলের মান উন্নত করার জন্য চেষ্টা করা।

1. ইমান মজবুত করা:
আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও তাওয়াক্কুল বৃদ্ধি করা এবং যেকোনো অবস্থায় তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য চেষ্টা করা।

2. নিয়মিত সালাত আদায়:
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যথাযথ সময়ে আদায় করা এবং তাহাজ্জুদসহ নফল নামাজের অভ্যাস গড়ে তোলা।

3. কুরআন তিলাওয়াত ও অধ্যয়ন:
প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত করা এবং এর অর্থ ও ব্যাখ্যা সম্পর্কে জানার চেষ্টা করা।

4. তাওবা ও ইস্তিগফার:
অতীতের ভুল-ত্রুটির জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং ভবিষ্যতে সেগুলো পরিহার করার প্রতিজ্ঞা করা।

5. জ্ঞান অর্জন:
দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য উপকারী জ্ঞান অর্জনের প্রতি মনোযোগী হওয়া।

6. পরোপকার ও সাদাকা:
গরিব-দুঃখীদের সাহায্য করা, সাদাকা প্রদান করা এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করা।

7. নিজেকে সংশোধন:
নিজের চরিত্র গঠন করা, অহংকার, রাগ, হিংসা ইত্যাদি পরিহার করা এবং অন্যদের প্রতি সদয় হওয়া।

8. সুন্দর পরিকল্পনা করা:
আগামী বছরের জন্য একটি পরিকল্পনা করা যাতে ইবাদত, শিক্ষা, পরিবার ও সমাজের জন্য উন্নত কিছু করতে পারা যায়।

9. পরিবার ও সমাজের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন:
আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা, প্রতিবেশীর প্রতি সদয় হওয়া এবং সামাজিক দায়িত্ব পালন করা।

10. ধৈর্য ও কৃতজ্ঞতা:
প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণ করা এবং আল্লাহর দেওয়া প্রতিটি নিয়ামতের জন্য কৃতজ্ঞ থাকা।

নতুন বছরকে একটি নতুন সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করে নিজের আমল ও জীবনযাত্রা আরো উন্নত করার চেষ্টা করুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তৌফিক দিন। আমিন।

31/12/2024

জংলা বাড়ির রাত

একটা ছোট গ্রামে ছিল একটি পুরনো, জংলা বাড়ি। বাড়িটি নিয়ে গ্রামে অনেক কাহিনি প্রচলিত ছিল। সবাই বলত, রাতে ওই বাড়িতে ভুতেরা নাকি খেলা করে।

একদিন, গ্রামের ছয় বন্ধু ঠিক করল, বাড়িটায় রাত কাটাবে। তারা মশাল, লাঠি আর খাবার নিয়ে সন্ধ্যাবেলায় সেখানে হাজির হলো। ঘরটিতে ঢুকে দেখে, মেঝেতে ধুলো জমে আছে, জানালা-দরজা কটকট শব্দ করছে। সবাই একটু ভয় পেলেও সাহস করে এক জায়গায় বসে গল্প শুরু করল।

রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হঠাৎ করেই একটা ঠান্ডা বাতাস বইল। জানালার পর্দা নিজে থেকে নড়তে লাগল। একজন বন্ধু বলে উঠল, "কিছু একটা নড়ছে।" ঠিক তখনই একটা চাপা হাসির আওয়াজ শোনা গেল।

সাহস করে একজন উঠে মশাল নিয়ে দেখল, কিন্তু কিছুই নেই। হঠাৎ পিছন থেকে একটা ঠান্ডা হাত তার কাঁধে স্পর্শ করল। ভয়ে সে চিৎকার করে উঠল। বাকি সবাই ভয় পেয়ে বাড়ির বাইরে ছুটে গেল।

পরদিন সকালে, তারা বাড়িটা দেখতে এলে দেখে, দেওয়ালে বড় বড় অক্ষরে লেখা, "ভয় পেয়ো না, আমি তোমাদের সঙ্গে মজা করছিলাম!"

সেই থেকে কেউ আর ওই বাড়ির কাছে যায়নি। তবে বন্ধুরা আজও ভাবে, সত্যিই কি সেটা ভুত ছিল, নাকি কারও মজার পরিকল্পনা!

27/12/2024

নির্ভরতা❤️

শীতের এক বিকেল। সূর্যের নরম আলো বারান্দার গায়ে এসে পড়েছে। মা আয়েশা বসে আছেন চেয়ারে, তার পাশে ছোট্ট মেয়ে নিশা খেলায় মগ্ন। দশ মাস বয়সি নিশার পায়ের শব্দ, খিলখিল হাসি আর মাঝে মাঝে ভেঙে ভেঙে কথা বলার চেষ্টা পুরো ঘরটাকে আনন্দে ভরিয়ে রেখেছে।

আয়েশা তাকে দেখে মুগ্ধ হয়ে যায়। মেয়েটার হাসিতে যেন সব দুঃখ ভুলে যান। জীবনের সব কঠিন সময়ের মধ্যেও নিশার মুখ দেখে নতুন করে বাঁচার শক্তি পান।

মেয়েকে দেখেই আয়েশা মনে মনে প্রতিজ্ঞা করেন—যতই কঠিন হোক, তিনি কখনো হার মানবেন না। নিশার জন্যই তিনি আরও শক্ত হয়ে উঠবেন। মেয়েকে সুশিক্ষিত ও ভালো মানুষ করে তোলার জন্য সবকিছু করবেন।

হঠাৎ নিশা হুমড়ি খেয়ে মাটিতে পড়ে যায়। আয়েশা তৎক্ষণাৎ তাকে কোলে তুলে নেন। নিশা কাঁদতে কাঁদতে মায়ের বুকে মুখ গুঁজে দেয়। আয়েশা নিশাকে আঁকড়ে ধরে বলেন,
"ডরাবি না মা, তুই পড়লে আমি ধরবো। তোর মা সবসময় তোকে আগলে রাখবে।"

নিশা মায়ের চোখের দিকে তাকিয়ে হেসে দেয়। আয়েশার মনে হয়, এই হাসিটুকুই তার জীবনের সবচেয়ে বড় সাফল্য।

20/12/2024

রাত জাগা একটি সাধারণ অভ্যাস বা পরিস্থিতি যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। এটি কখনো ইচ্ছাকৃত, আবার কখনো প্রয়োজনবশত। তবে দীর্ঘ সময় রাত জাগার প্রভাব শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

রাত জাগার সাধারণ কারণগুলো:

1. পেশাগত চাপ: অফিসের কাজ বা অন্যান্য পেশাগত দায়িত্ব শেষ করতে অনেক সময় রাত জাগতে হয়।

2. পড়াশোনা: পরীক্ষার প্রস্তুতি বা গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্টের কাজের জন্য শিক্ষার্থীরা প্রায়ই রাত জাগে।

3. বিনোদন: টিভি দেখা, গেম খেলা, বা সোশ্যাল মিডিয়ায় সময় কাটানোর জন্য অনেকে ইচ্ছাকৃতভাবে রাত জাগেন।

4. ঘুমের সমস্যা: অনিদ্রা বা অন্যান্য ঘুমের ব্যাধি রাত জাগার কারণ হতে পারে।

5. জীবনধারার প্রভাব: দেরি করে ঘুমানোর অভ্যাস বা অনিয়মিত রুটিন।

রাত জাগার ক্ষতিকর প্রভাব:

1. স্বাস্থ্যের অবনতি: রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে হৃদরোগ, স্থূলতা এবং ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

2. মানসিক চাপ: ঘুমের ঘাটতি মানসিক স্বাস্থ্য, যেমন উদ্বেগ এবং বিষণ্নতা বাড়াতে পারে।

3. স্মৃতি এবং মনোযোগের ঘাটতি: নিয়মিত রাত জাগলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়।

4. ইমিউন সিস্টেম দুর্বল হওয়া: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে।

রাত জাগা থেকে বাঁচার উপায়:

1. নিয়মিত রুটিন তৈরি করুন: প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমানো এবং জাগার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

2. স্ক্রিন টাইম কমান: ঘুমানোর আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ কম ব্যবহার করুন।

3. পুষ্টিকর খাবার খান: ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলুন এবং হালকা খাবার খান।

4. রিলাক্সেশন টেকনিক ব্যবহার করুন: ধ্যান, যোগব্যায়াম বা হালকা বই পড়ার মাধ্যমে মন শান্ত করুন।

যদি ঘুমের অভাব দীর্ঘস্থায়ী হয় বা এটি আপনার জীবনে বড় প্রভাব ফেলতে থাকে, তবে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। রাত জাগা মাঝেমধ্যে ঠিক হলেও এটি অভ্যাসে পরিণত হওয়া এড়ানো জরুরি।

20/12/2024

রিজিকের মালিক একমাত্র আল্লাহ তায়ালা❤️

20/12/2024

বাহ ম্যাডাম!! ধারুন😂

03/10/2024

বুদ্ধিমেধামস্তিস্কের সৌন্দর্য চিন্তাভাবনায়। যবানের সৌন্দর্য চুপ থাকায়। চেহারার সৌন্দর্য ইবাদতে। অন্তরের সৌন্দর্য হিংসাত্যাগে। বিপদাপদের সৌন্দর্য ইস্তেকামত অবিচলতায়। কথার সৌন্দর্য সত্যবাদিতায়।

- শাইখ আতিক উল্লাহ (হাফিঃ)

10/09/2024

Many are married, but few have found their life partner ❤️

07/07/2024

And what is happiness?

Happiness is when the door of your house closes, and everything you need is inside - the people you love, the warmth of a cozy home, and the sense of belonging.

It's the feeling of being surrounded by those who bring joy to your life, and knowing that you have everything you need to be content, right there within those walls.

It's the peace of mind that comes from knowing you're exactly where you're meant to be, with the people who make your heart full.

✍️: Rosanna B. Lundberg

Delilah Loeppky Probably in my kitchen wearing a dress holding a baby sipping coffee teaching homeschool 🧺

Saved by grace 🕊️

👧🏼👼🏻🧒🏻🧒🏼👶🏼

📍 Saskatchewan, Canada

06/07/2024

কিছু জিনিস কখনো ঠিক হয় না।মানুষ কল্পনায় সুখি থাকে বেশি। কারণ সেখানে তার পছন্দের মানুষগুলোকে রাখে। যারা কখনো তাকে কষ্ট দেয় না।

03/07/2024

বীথিকে যখন বিয়ে করি, আমার বেতন ছিল ১১ হাজার টাকা। ‘ফার্নিচার’ ছিল: একটি তোশক ও একটি চার শ টাকা দামের টেবিল, যেখানে কম্পিউটারটা রাখি।

খাট কেনার সামর্থ্য নেই। একজন বুদ্ধি দিল, জাজিম বানায়া ফ্লোরিং করো। এতে তোমরা ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচবা, নিচ তলার লোকও রাত–বিরাতে ধুপধাপ শব্দ থেকে বাঁচবে। O.o

বীথিকে নিয়ে যেদিন প্রথম রংপুর থেকে ঢাকায় এলাম, সেদিন বুঝলাম, আসল জিনিসটাই এখনো কেনা হয়নি। নববিবাহিতদের জন্য সবচেয়ে বেশি দরকার জানালার পর্দা! :p

আরও বুঝলাম, পুরুষ মানুষের জামা যেখানে সেখানে রাখা যায়। মেয়েদেরগুলো যায় না। তার ওপর আমরা ওই বাসায় একটা রুমে থাকি, অন্য রুম দুই ব্যাচেলর ছেলে। কিন্তু আলমারি কেনার টাকা নাই।
সেই বুদ্ধিমান ব্যক্তির পরামর্শে নিউ মার্কেট থেকে ৬০০ টাকায় একটা ‘জিনিস’ কিনলাম, ওটার নাম যে কী এখনো জানি না।
চিকন চিকন স্টিলের চারকোনা স্টিক একের পর এক জোড়া লাগিয়ে ফ্রেমটা বানাতে হয়। ওই ফ্রেমের ওপর র‍্যাকসিনের একটা চৌকো প্যাকেট ঢুকায় দিলে আলমারির মতো দেখায়। চায়নিজ আবিষ্কার!

দোকানের ছেলেটা বলে দিয়েছিল, টুকরো টুকরো স্টিকগুলা কীভাবে সেট করতে হয় ভেতরে একটা কাগজে লেখা আছে।
বাসায় এসে প্যাকেট খুলতে চোখ কপালে। ১৬–১৮ টা ছোট ছোট স্টিক, একটা র‍্যাকসিনের কাভার; এবং এগুলো জোড়া লাগিয়ে কীভাবে আলমারি বানাতে হয় সেটা লেখা আছে ঠিকই: চায়নিজ ভাষায়!

বিয়ের দুই বছর পর আমরা ‘হানিমুনে’ গেছি। সেন্ট মার্টিন। তখনই হঠাৎ করে খেয়াল হলো, বীথির একটা হ্যান্ডব্যাগ দরকার। বীথি নিউ মার্কেটের রাস্তায় বিক্রি হওয়া ব্যাগ কিনেছে হাসিমুখে। ফুটপাতে বিক্রি হওয়া একদাম তিন শ টাকার থ্রি পিস কিনেছে হাসিমুখে। ১২০ টাকার স্যান্ডেল কিনেছে হাসিমুখে।
এবং ওই ১১ হাজার টাকার বেতনে সব খরচ মিটিয়ে কীভাবে কীভাবে যেন একটা ডিপিএসও খুলে ফেলেছিল!

আমি খুব বেশি দিন আগের গল্প করছি না। ষাটের দশকের সাদাকালো যুগের নয়। মাত্র কয়েক বছর আগে সাদা-কালো এই জঞ্জালে ভরা মিথ্যে কথার শহরে এমনই ছিল বীথি–আমার লাল-নীল সংসার!

***
আমার এক বড় ভাই, বাংলাদেশে বড় করপোরেট হাউসে চাকরি করেন। গত দশ বছর ধরে তার একটা কথাই শুনছি, ‘দাঁড়াও নিজের পায়ে আরেকটু দাঁড়ায় নেই।’

দেখা হলেই এই গল্প, সেই গল্প করেন। কত টাকা সেভিংস হলো, শেয়ার বাজারের এই দুর্দশাতেও কীভাবে লাভ হাঁকিয়ে নেওয়া যায়, কারা এফডিআরে সবচেয়ে বেশি ইন্টারেস্ট রেট দিচ্ছে...
সবই করছেন, শুধু বিয়েটা বাদে।

দশ বছর আগে:
: ভাই বিয়েটা এবার করে ফেলেন।
–– দাঁড়াও নিজের পায়ে আরেকটু দাঁড়ায় নেই।

পাঁচ বছর আগে:
: ভাই বিয়েটা এবার করে ফেলেন।
–– দাঁড়াও নিজের পায়ে আরেকটু দাঁড়ায় নেই।

দুই বছর আগে:
: ভাই বিয়েটা এবার করে ফেলেন।
–– দাঁড়াও নিজের পায়ে আরেকটু দাঁড়ায় নেই।

এবার দেখা হলে কী বলব ঠিক করে রেখেছি। ভাই, নিজের পায়ে দাঁড়াইতে দাঁড়াইতে বয়স যেই দিকে যাচ্ছে, ঠিক সময়ে ঠিক জিনিস দাঁড়াইব তো? :3

***
চারদিকে টোনাটুনিদের সংসার শুরু করার ছবি দেখছি। আরও অনেক টোনাটুনি নিশ্চয়ই লাল-নীল সংসার শুরুর স্বপ্ন দেখছে, সাহস পাচ্ছে না। একজন বলল, ভাই, ঢাকায় মোটামুটি একটা ভালো বাসারই যা ভাড়া!

বলেছিলাম: বিয়ে করতে ভালো বাসা লাগে না। ভালোবাসা লাগে।
***

কাঁটাসুরে ২০০ স্কয়ার ফিটের যে বাসায় আমাদের দীর্ঘ দিনের সংসার ছিল, তখন একটা ছড়া লিখেছিলাম।

মোহাম্মদপুরে, ছোট্ট একটা পাখির বাসায়
থাকি আমরা টোনাটুনি
সেই বাসাতেই ভালোবাসা, নতুন আশার দিন গুনি।

এখন কিন্তু আমাদের একটা পোনাপুনিও আছে, তার নাম ঋদ্ধি। এবং আপনাদের দোয়ায় সৎ উপার্জনের প্রতিটা পয়সায় ঢাকায় আমাদের ছোট হলেও ১০৬০ স্কয়ার ফুটের নিজেদের এখন একটা বাসা হয়েছে। ভালোবাসা থাকলে ভালো বাসাও হয়!

~Rajib Hasan

collected

01/07/2024

আমি যখন জব করতাম তখন আমার বড় সন্তানের মাত্র ১০ বছর বয়স। সে পঞ্চম শ্রেণীতে পড়ে। জবের জন্য আমাকে বাহিরে থাকতে হত। ঠান্ডা ভাত যেন খেতে না হয় সেজন্য আমি তাকে ভাত রান্না শিখাই। ছোট ছেলে ৭ বছর বয়স। গ্লাসে পানি ঢালা, বিছানা গোছানো, মেহমান আসলে পানি দেয়া এগুলো তাদের আমি শিখাই। আস্তে আস্তে তারা বুঝে যায় এগুলো তাদের দায়িত্ব। আমি মাঝে মাঝে অসুস্থ হলে আমার আশায় তারা কখনও থাকত না। ভাত রান্না করে নিজেও খেত আমাকেও ডাকত। এখনও তারা সেটা করে। বাচ্চাদের নিজেদের কাজের ভার তাদের উপরেই দেয়া উচিত। এতে তারা কাজের মূল্যায়ন করতে শিখবে। আমি কখনও আমার বাচ্চাদের মুরগির রান খাওয়া শিখাই নি। মুরগির রান তারা কোন অনুষ্ঠানে গেলেই দেখতে পেত। তাদের কাছে মুরগির রানটা অন্যান্য মাংসের টুকরার মতই মনে হত। রান কোন স্পেশাল টুকরা সেটা আমি তাদের কখনও শিখাই নি। পরিস্থিতি কখনও এক হয় না। জীবনে চলতে গেলে সব পরিস্থিতিতে যেন তারা খাপ খাওয়াতে পারে আমি সব সময় সে চেষ্টাই করেছি। আমি চাইলেই আমার বাসায় এসি লাগাতে পারি। এতে আমার বাচ্চারা হয়ত আরাম পাবে। কিন্তু বাহিরের পরিবেশে তারা খাপ খাওয়াতে পারবে না।কোথাও গেলে তার বাসায়ও এসি খুঁজবে। এসি না থাকলে কোথাও যেতে চাইবে না। ২০২৪ সালে এসেও আমি তাদের হাত পাখা কিনে দিয়েছি। প্রচন্ড গরমেও তারা নিজেদের সামলাতে পারে। বাবা-মা হয়ে সন্তানকে অতিরিক্ত ভালোবাসা দিয়ে কখনও বাদর বানাতে হয় না। আবার কড়া শাসন করে বিগড়ে দেওয়াও ঠিক না। আমার বড় ছেলে প্রায় ২ বছর সাইকেলের জন্য অপেক্ষা করেছে। সে এখন এই সাইকেলের খুবই যত্ন নেয়। চাওয়া মাত্রই কিছু পেয়ে গেলে বাচ্চারা সেটার মর্ম বুঝে না + সে মনে করে তার বাবা-মার অনেক আছে। এই কথাগুলো দিয়ে আমি আমার গুণ প্রকাশ করছি না। আমি বুঝাতে চাচ্ছি বাবা-মার একটু সচেতনতা একটা সুস্থ বাচ্চা গড়ে তুলতে পারে। আপনারা হয়ত একটু অবাক হবেন ২০২৪ সালে এসেও আমার বাচ্চারা ফোন ইউজ করে না। আমার ফোনটাই ওরা ব্যাবহার করে তাও খুব কম যদি আমি রাজি হই তখন। আমরা একসাথে মুভি দেখি। আমরা গল্প করি। আমরা সুখ দুঃখের কথা বলি।আমরা মাঝে মাঝে ঘুরতে যাই।রেস্টুরেন্টে খেতে যাই। আমার সন্তান কোন বিষয় নিয়ে ডিপ্রেশনে আছে কিনা, সে কোন বিষয় নিয়ে চিন্তিত কিনা আমি সব কিছু খেয়াল করি। সন্তানকে কত দামী জিনিস দিয়েছেন সেটা সন্তান কখনই মনে রাখবে না। সে যেটা মনে রাখবে সেটা হলো, তাকে কতটা সময় দিয়েছি, কতটা ভালোবেসেছি, কতটা সাপোর্ট করেছি, কতটা বুঝতে চেষ্টা করেছি।

collected

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Cumilla?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Address

Cumilla