Viral Zone 2.0
"Easy to make 10 friends in a year , but 1 friend for 10 years is special."
15/12/2025
২৪ ঘন্টা সময় নিয়েছে গ্রে*ফ*তারের, তাও নিজেরা না পেরে ৫০ লক্ষ্য টাকা পুরস্কার ঘোষণা, দেখি কি হয়‼️
14/12/2025
দাফন শেষে ১০ ঘণ্টা পর ক*ব*র খুরে উদ্ধার করা হলো মোবা.......See More
14/12/2025
এই শীতে গরম গরম খিচুড়ি খেতে কার নাই ভালো লাগে
আমার তো অনেক ভালো লাগে
আপনাদের কেমন লাগে কমেন্টে জানান
বাবা হলো বট গাছ #ভাইরালভিডিওシ
14/12/2025
মাত্র চৌদ্দ বছর বয়সেই সারারাত স্বামি নামক মানুষটার শা-রিরীক ক্ষু*ধা নিবারন আর ভোর রাত থেকেই মাত্র এক মাস বয়সি মা হারা বা*চ্চা কে নিজের বুকের দু'ধ খাওয়ানোর অভিনয় করতে হচ্ছে..বা*চ্চা টার নাম ইরিনা তালুকদার অরু..!
কাল এই বাড়িতে আসার এক মুহুর্ত আগেও জানতাম না এই লোকটাকে আমার বিয়ে করতে হবে..আমি শুধুই জানতাম একটা বা*চ্চা কে দেখতে হবে বা*চ্চার মা নেই..কিন্তু আমি বা*চ্চার মায়ের কথা জিজ্ঞাসা করেও কিছু উত্তর পাইনি..পেয়েছি এক ভারি নিশ্বাস এর শব্দ..!
পুরান ঢাকার নাম করা তালুকদার বাড়ি..আব্রাহাম তালুকদার এর নাম অনুযায়ী এ বাড়ি প্রতিষ্ঠিত হয়...কিন্তু বর্তমানে সেখানে বসবাস রত ও এক মাত্র উত্তরাধিকারী ফারিস তালুকদার শুভ্র বাদে কেও বে*চে নেই..শুভ্র অনেক ঢাকার এক মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানির মালিক...!
শুভ্র তার এক মাত্র মেয়ে অরুকে দেখাশোনার জন্য একজন বিশ্বস্ত আয়া খু'জ্জিলেন..একদিন শুভ্র সোফাই বসে মেয়েকে ঘুম পড়াচ্ছিলেন তখন বাড়ির কাজের লোক রহিম মিয়া এসে শুভ্র কে বলেন একটা মেয়ের খোজ পেয়েছে তবে বয়স অল্প..শুভ্র প্রথম এ রাজি না হলেও পরে নিজের মেয়ের মায়াবী মুখের দিকে তাকিয়ে রাজি হয়ে যায়..!
ঘুম থেকে উঠে আসরের নামাজ পড়ে যখন ঘর থেকে বের হচ্ছিলাম তখন আমার চোখ গেলো ডাইনিং এর সোফার দিকে মামা আর দুই জন লোক কথা বলছে.. এক জন কে আমি চিনি গ্রামেই বাড়ি রহিম দাদা...!কিন্তু কি কথা বলছে তাতে আমি কান না দিয়ে সোজা বাইরে চলে গেলাম..যাওয়ার আগে পিছনে তাকাতেই লোকটার সাথে আমার চোখাচোখি হয়ে গেলো আমি ল*জ্জায় মাথা নুইয়ে বের হয়ে গেলাম..!
সোফায় বসে আছে সয়ং শুভ্র তালুকদার রহিমের কাছ থেকে খবর পাওয়ার পর সাথে সাথে ছুটে এসেছেন তিনি.. নিজের মেয়েকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটা মা এনে দিতে চাই সে..সে জন্যই মি. নাজমুল হুদা আমার ম্বমার সাথে কথা বলছিলেন..মামা প্রথমে রাজি না থাকলেও পরে বি'শ ল*ক্ষ টা*কার কথা শুনে এক পায়ে রাজি হয়ে যায় কিন্তু শুভ্র বাধাই অন্য এক বি*পত্তি..সে একটা চু*ক্তি পত্র এগিয়ে দেই নাজমুল হুদার কাছে....চু*ক্তি টা এমন ছিলো...
❝আগামী চার বছরের জন্য আমার ভাগ্নীকে শুভ্র তালুকদার এর বা*চ্চার মা হয়ে থাকবে.. তার সকল পড়াশোনা আর যাবতীয় খরচ শুভ্র তালুকদার বহন করবে. আমি বি'শ ল*ক্ষ টাকার বিনিময়ে আমার ভাগ্নিকে শুভ্র তালুকদার এর কাছে বি*ক্রি করে দিচ্ছি চার বছরের জন্য আর চার বছরের আগে আমি যদি ভাগ্নি কে ফেরত পেতে চায় তাহলে প*ঞ্চাশ ল*ক্ষ টা*কা দিবো❞
ন্সজমুল হুদা টা*কার গরমে অ*ন্ধ হয়ে রাজি হয়ে গেলেন সাথে শুভ্র বি*শ ল*ক্ষ টা*কা নাজমুল হুদার দিকে এগিয়ে দিলো...নাজমুল হুদা এক পলক টা*কা গুলোর দিকে তাকিয়ে শুকনো ঢোক গিলে বললো আমার ভাগ্নি টা ছোট যদি কোনো ক্ষ*তি করে ফেলেন..?
-সেই দায় ভার আমার।। শুভ্র গম্ভীর কন্ঠে বললো..!
-কবে নিয়ে যাবেন..? নাজমুল হুদা চোখ চিকচিক করে জিজ্ঞাসা করলেন..!
-এক্ষনি আমার একটু ওর সাথে কথা বলার সুজোগ করে দিন...!
-আচ্ছা বাবা বসো চা নাস্তা কিছু দিবো নাজমুল হুদার স্ত্রী মারজিয়া বেগম বললেন...
-নাহ আমি যা বলছি তাই করেন...!শুভ্র বি*র*ক্তি*কর কন্ঠে বলে উঠে..!
ডান পাশের ওই কর্নারের রুমে আছে নাজমুল হুদা বলার সাথে সাথেই শুভ্র চলে গেলো ওই রুমে.....
****
সকাল সাতটা বেজে গেছে আমার এক পাশে সুয়ে আছে শুভ্র নামক পুরুষটি..আর আমার অন্য পাশে তার মেয়ে অরু...আমি সিদরাতুল সারা..বয়স মাত্র চৌদ্দ.. ছোট বেলায় বাবা-মা'কে হা*রানোর পর থেকে মামা বাড়িতে বড় হয়েছি..সারাদিন অ*ক্লান্ত পরিশ্রম এর পর খাবার খেয়ে দিন কে*টেছে কোনো কোনো রাতে খাবার পড়েনি পে*টে মামির মা-র খেয়েও দিন কে*টেছে স্কুলে পড়াশোনার সৌভাগ্য ছিলো না ব*ল্লেও চলে সপ্তাহে একদিন স্কুলে যেতে দিতো সেভাবেই ক্লাস নায়নে উঠেছি..!
আমি একটু নড়েচড়ে উঠতেই অরু কেদে উঠলো সাথে আমি নিজেও ব্যা*থায় ক*কিয়ে গেলাম...চোখ মুখ খি*চে অরুর দিকে তাকিয়ে......
চলবে.........
12/12/2025
অবশেষে মা-মেয়ের খু*নি জা*নোয়ারটাকে গ্রে*ফ*তার করা হয়েছে।🤲
নিয়োগের সময় সে বলেছিলো - তার গ্রামের বাড়ি রংপুর, জে*নেভা ক্যা*ম্পে চাচা-চাচির স*ঙ্গে থাকেন। বাবা-মা আ*গু*নে পুড়ে মা*রা গেছেন, তার শরীরেও আ*গু*নে পো*ড়ার ক্ষ*ত রয়েছে।
💥আর এই কারণেই বলা যায় - অস*হায় একটি মেয়েকে দয়া করে চাকুরী দিয়েছিলেন নি*হত লায়লা আফরোজ। কিন্তু এই দয়ার মূল্য দেয়নি এই সা'ইকো খু*নি। তাকে ৩০টি এবং তার মেয়েকে ৬টি কো*পে অত্যন্ত কষ্ট দিয়ে, নৃ'শংস*ভাবে হ *ত্যা করেছে।
হ*ত্যার সময় ধ*স্তা*ধস্তি*তে হয়তো হাত*টা কেটে গিয়েছিলো। আর সেই কারণেই হাতে ব্যা*ন্ডেজ।
প্রশাসনকে ধন্যবাদ জা*নো*য়ার*টাকে গ্রে*ফ*তার করার জন্য। কিন্তু আমার আফসোস একটাই,
জা*নোয়ারটার ফাঁ'সি হবে না।
কারণ বাংলাদেশের ইতিহাসে আজ পর্যন্ত কোন নারীর ফাঁ'**সি হয়নি। ওরও হবে না 😭😭
10/12/2025
হায়রে কিস্তির টাকা, নিয়ে গেলো হাফিজার হাঁস🤩
মো. মুরাদ হোসেনের স্ত্রী হাফিজা খানম একটি এনজিওর সদস্য। ওই এনজিও থেকে ২০২৫ সালের প্রথমদিকে ৬০ হাজার টাকা লোন উত্তোলন করেন হাফিজা খানম। প্রতি সপ্তাহে ১ হাজার ২৫০ টাকা করে নিয়মিত কিস্তি দিয়ে আসছিলেন।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে কিস্তির টাকা উত্তোলন করতে ওই এনজিওর মাঠকর্মী ফিরোজ খানসহ দুইজন হাফিজা খানমের বাড়িতে আসেন। এ সময় হাফিজা কিস্তি দিতে অপারগতা জানান; কিন্তু ফিরোজ খান নাছোড়বান্দা, কিস্তির টাকা না নিয়ে হাফিজার বাড়ি থেকে যাবেন না। এ সময় ফিরোজ খান হাফিজার উঠানে থাকা হাঁস-মুরগি দেখে টাকার পরিবর্তে হাঁস দাবি করেন। হাফিজা কিস্তির পরিবর্তে হাঁস দিতে অপারগতা জানিয়ে পাশের বাড়িতে চলে যান।
এ সময় মাঠকর্মী ফিরোজ খান তার সঙ্গে থাকা সহযোগীকে নিয়ে ধাওয়া করে হাফিজার বাড়ি থেকে একটি চীনাহাঁস ধরে নিয়ে যান।
ঘটনাটি ঘটেছে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার ফুল্লশ্রী গ্রামে।
#ভাইরালভিডিওシ #ভাইরাল
09/12/2025
😂 জীবনটা যদি হতো মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের মতো! 👑
কী আরাম, কী স্টাইল, কী অদ্ভুত সরলতা—সব মিলিয়ে একদম “কিং-সাইজ কমেডি লাইফ”!
প্রতিদিন রাজসভায় হাজির হয়ে গোপাল আর মন্ত্রীদের কাণ্ড দেখে নিজেই হাসতে হাসতে সভা শেষ ঘোষণা! কখনো রাণীর পাশে, কখনো একলা ঘুম—মহারাজ হয়েও মাঝে মাঝে গয়নার খরচে কিপটামি! 🙈
তারপর আবার দয়ালু এমন—মন্ত্রী যত দুষ্টামিই করুক, মহারাজ তাকে কখনো বাদ দেন না। শাস্তি দেন ঠিকই, কিন্তু শেষে আবার নিজের হাতে ফিরিয়ে আনেন। নবাবের দূত দেখলেই একটু টেনশন—তখন খালি বলেন: “ও গোপাল! এবার আমি কী করবো?” 😂
মন্ত্রী হাজারটা ভুল করার পরেও শেষে কোষাগারের দায়িত্বও তার কাছেই! এতো হৃদয় বড় মানুষের দেখা মেলে না সত্যি!
আর যুদ্ধ-বিগ্রহ? না না—মহারাজের দৈনন্দিন রুটিন হলো:
ঘুম থেকে ওঠা → বাগানে হাঁটা → নবাবকে বোকা বানানোর প্ল্যান → গোপালের বুদ্ধির তারিফ → আবার রাগ করে তাকে বের করে দেওয়া → পরে নিজেই মাফ চেয়ে ফিরিয়ে আনা → খাওয়াদাওয়া → আরামে ঘুম! 😴
এটাই মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র—রাজত্ব কম, রসিকতা বেশি! 👑✨
পেট ব্যাথা হলে আমার কোনো দোষ নাই কিন্তু 🤣 ゚
09/12/2025
গরুর পেটে ঘোড়ার বাচ্চা হয়েছে, দেখার জন্য লোকের ভির। 😮😮😮এমন অদ্ভুত কালচার শুধু আমাদের দেশেই সম্ভব
゚ ゚viralシ
07/12/2025
"চাচু,চাচু তুমি না থুব তুন্দর,আমি বলো হয়ে তোমাতে বিয়ে তলবো তুমি আমাকে বিয়ে তরফা"
"হ্যাঁ,করবো তো আমি দেশে এসে ফার্স্ট তোকে বিয়ে করলো প্রিয়তমা "
কথাখানা বলতে গিয়ে ছেলেটির চোখ পানিতে ভরে উঠলো, দু-এক ফোঁটা পানি নেচে গোড়িয়ে পড়লো গালে । ছোট বাচ্চা মেয়েটি ছেলেটি সামনে গিয়ে আলতো হাতে চোখের পানিটুকু মুছে দিয়ে আদুরে
কণ্ঠে বলে উঠলো,
"তুমি কাঁদছো কেন চাচু?"
"এমনি প্রিয়তমা"
কথাখানা বলেই কিছু সময় পর ছোট বাচ্চাটিকে ঘুম পাড়িয়ে নিজের রুমের দিকে হাটা ধরে ছেলেটি। রুমে এসে নিজের বেগ নিয়ে বাসা থেকেই বেড়িয়ে যায় নিজের গন্তব্য স্থানে। সে পেছন ফিরে দেখে নেই সেই বাড়িটাকে,হয়তো এটাই তার শেষ দেখা,তাই মন ভরে দেখে নেই বাড়িটিকে।সে আবার ফিরে গাড়িতে উঠে চলে যায় ।
____________________________________________
দশ বছর পর আমেরিকা থেকে দেশে আসছে চৌধুরী বাড়ির ছোট ছেলে দ্বীপ চৌধুরী। তাকে এয়ারপোর্টে নিতে গেছে চৌধুরী বাড়ির বড় ছেলে জাহিদ চৌধুরী। তিনি গাড়ি থেকে বেরিয়ে দ্বীপের জন্য অপেক্ষা করছে কিছুক্ষণের মধ্যেই দ্বীপ চোখে গ্লাস কালো কোট, পান্ট,হাতে কালো (olevs) ব্র্যান্ডের ঘড়ি। দ্বীপ এসে থামলো জাহিদ চৌধুরীর সামনে ভাইয়ের সাথে কোলাকুলি করে দু'জনে বাসায় উদ্দেশ্যে রায়না হলো । গাড়ি এসে থামলো চৌধুরী বাড়ির সামনে, দরজা খোলে হলো গাড়ি ভেতরে প্রবেশ করলো গাড়ি থেকে নেমে,বাড়ির দরজাই বেল বাজালো দ্বীপ,দরজা খোলেতে আসলো এক মেয়ে যার সাজে রয়েছে হলুদ শাড়ি মুখে লেগে রয়েছে হলুদ,সে দরজা খোলতেই চিৎকার করে বলে উঠলো,
"ভাইয়া"
কথাখানা বলে জড়িয়ে ধরলো দ্বীপ কে, দ্বীপ তাকে জড়িয়ে ধরে বলে উঠলো কেমন আসিস সে বললো ভালো এভাবে একটু কথা বলার পর বাসার ভেতরে ঢুকলো । দ্বীপ তার মাকে জড়িয়ে ধরলো, দশ বছর পর ছেলেকে পেয়ে মিনা বেগম কান্না করতে করতে ছেলে কপালে চুমু খেলেন। দ্বীপ কে এতো বছর পর দেখে জাহিদ চৌধুরীর স্ত্রী খুশি চৌধুরী ও কান্না করে দ্বীপের মাথায় হাত বুলিয়ে দেয় আর বলে উঠে,
"কত বড় হয়ে গেছিস রে?"
দ্বীপ কথাখানা শুনে মুচকি হাসে, আজ দ্বীপের ছোট বোনের গায়ে হলুদ তাই সব আত্নীয় স্বজন বাসায় উপস্থিত।বাড়ি সবাই তাকে বসিয়ে একের পর এক প্রশ্ন করতেই থাকে । সে এতো বছর সেখানে কিভাবে তার ব্যবসার সামলেছে নিজের হাতে আর কেন সে ওই দেশে নিজের ব্যবসা শুরু করলো, যেখানে তার নিজের বাবার ব্যবসা তার ভাই সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে।সে কাউ কে সে ভাবে কিছু বলছে না, শুধু বলছে সে নিজে কিছু করতে চাই । তার এই ব্যাপারে তাকে জাহিদ চৌধুরী কিছু বলে না কারণ তিনিই চান দ্বীপ তার নিজের পরিশ্রমে কিছু করুক। এমন সময় বাসাই প্রবেশ করলো দশ বছর আগের সেই ছোট্ট বাচ্চা মেয়েটি রুহি চৌধুরী।সে এখন ১৯ বছরের হয়ে গিয়েছে।সেই বাসার ঢুকেই দেখে সবাই এক ছেলে সাথে গল্পে মেতে আছে,সে মনে করে ছেলেটি মিশু চৌধুরীর হবু বর (দ্বীপের ছোট বোন) তাই সে মজার ছলে বলে উঠলো,
"আরে জিজু আপনার তো দেখছি আমার বোন কে ছাড়া মনই বসছে না"
সবার মনোযোগ যায় রুহি দিকে,রুহি সেদিকে খেয়াল না করে পানি খেতে থাকে । মিনা বেগম রুহির কথা শুনে কিছুটা মজার ছলে মন খারাপ করে বলে উঠে,
"জানিস রুহি, তোর চাচু আমাকে ফোনে বললো সে আসবে না"
কথাটা বলেই কেন জানি রুপির খারাপ লাগলো,সে ভেবেছিল তার এতো দিনের অপেক্ষার অবসান ঘটবে কিন্তু না তা আর হলো কই।তাকে সেই নরক নামক অপেক্ষা যন্ত্রণা থাকতে হবে।সে নিজেকে সামলে একাটু করা গলায় বললো,
"যেই মানুষটা আমাদের কথা ভাবে না তাকে নিয়ে আমাদেরও ভাবার কথা না"
কথাখানা বলেই সে কাউ কে কিছু বলতে না দিয়ে চলে যায় উপরে, সবাই তার দিকে চেয়ে থাকে তার কাছে একথা আশা করেনি কেউ। দ্বীপ এতোক্ষণ নীরব দর্শক ছিল সে রুহির কথাখানা শুনে একটু হেসে মনে মনে বলে উঠলো,
"তোর প্রাপ্তিটা যদি বুঝতি আমার জীবনে, তাহলে আভিমানটা মনে হয় থাকতো না প্রিয়তমা "
রুহির এই কথাখানাতে সবাই চুপ,কেউ কিছু বলাতে পারছে না মিয়া বেগম দ্বীপের দিকে চেয়ে বলে উঠলো,
"ও তোর উপর অভিমান হয়েছে,যা গিয়ে ওর অভিমান ভাঙ্গা"
"আমি ফ্রেশ হবো, রুমে গেলাম "
গম্ভীর কণ্ঠে কথা খানা বলে নিজের রুমে চলে যায়, রুমে গিয়ে লম্বা শাওয়ার নিয়ে সে বের হয়।কাপড় পড়ে, একটু রেস্ট নিয়ে সে হাঁটা ধরে রুহির রুমের দিকে, রুমের সামনে গিয়ে নক করে। ওপাশ থেকে রুহি বেলকনিতে দাঁড়িয়ে রয়েছে মন খারাপ করে আবশ্য মন কথা যাকে দেখার জন্য দশটা বছর পার করলো,যার জন্য সে প্রতিটা সেকেন্ড অপেক্ষা করছে সে আজ আসলো না তার কথা রাখলো না সে জোরে বলে উঠে দরজা খোলা আছে,রুহি মনে করে মিশু এসেছে তাই সে কিছু বলে না। দ্বীপ রুমে ঢুকে রুহিকে বেলকনিতে দেখে একটু হেসে দশ বছর আগের সেই রাশভারী কণ্ঠে বলে উঠে,
"প্রিয়তমা"
কথাখানা শোনা মাত্রই তার হঠাৎ দশ বছর আগের সেই শেষ বারের শোনা প্রিয়তমা কথাটার মতো লাগলো,যা সে সেদিন শেষ শুনে ছিলো।পেছন ফিরে তাকায়,তার সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছে সে চেনা মুখখানা। রুহির কিছু সময় দাঁড়িয়ে সবটা বুঝলো তার চোখ জোড়ার পানি এসে যায়,সে কিছু না ভেবেই দৌড়ে গিয়ে দ্বীপকে জোড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে। দ্বীপ তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলে উঠলো,
"সরি মাফ করে দে জান, তোকে কষ্ট দিতে চাইনি সরি,মাই লাইফ,সরি"
চলবে.........
#প্রিয়তমা
#সূচনা_পর্ব
(উপন্যাসটির কাল্পনিক, বাস্তবে কোনো মিল নেই।কেমন হয়েছে জানাবেন আর ভালো রেসপন্স হলে হলো উপন্যাসটা আগে চলবে)
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Cumilla