Dr.Chamber

Dr.Chamber

Share

স্বাস্থ্য বিষয়ক সব ধরনের তথ্য, টিপস ও পরামর্শ পেতে আমাদের পেইজের সাথেই থাকুন।

07/09/2024

লো প্রেসার বা নিম্ন রক্তচাপ হলে কিছু খাবার খাওয়া যেতে পারে যা রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করতে পারে। নিম্নলিখিত কিছু খাবার ও পরামর্শ আছে যা লো প্রেসার হলে উপকারী হতে পারে:

1. **লবণ যুক্ত খাবার**: লবণ রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করে। সামান্য বেশি লবণযুক্ত খাবার, যেমন স্যুপ, স্যালাইন, বা লবণ পানি খেতে পারেন। তবে লবণের মাত্রা অতিরিক্ত না করা উচিত।

2. **জলপান বৃদ্ধি**: বেশি করে পানি পান করা উচিত, কারণ ডিহাইড্রেশন রক্তচাপ কমিয়ে দিতে পারে। নারকেল পানি, ইলেকট্রোলাইট সমৃদ্ধ পানীয়ও ভালো হতে পারে।

3. **ক্যাফেইনযুক্ত পানীয়**: চা বা কফি সাময়িকভাবে রক্তচাপ বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

4. **ফল ও সবজি**: বিশেষ করে কলা, পালংশাক, ব্রকোলি ইত্যাদি পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার লো প্রেসারের ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।

5. **শর্করা যুক্ত খাবার**: হালকা শর্করা যুক্ত খাবার, যেমন বিস্কুট বা চকোলেট, সাময়িকভাবে শক্তি বাড়াতে পারে।

6. **ড্রাই ফ্রুটস**: বাদাম, কিশমিশ, খেজুর রক্তচাপ বাড়াতে সহায়ক।

7. **মাংস ও ডিম**: প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার, যেমন মাংস, ডিম ইত্যাদি শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক।

**পরামর্শ**:
লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে যদি এটি দীর্ঘস্থায়ী হয় বা অন্যান্য উপসর্গের সাথে যুক্ত থাকে।

24/09/2022

ডায়াবেটিস রোগীর সুগার কমে গেলে কি করবেন Hypoglycemia Health Tips Bangla

ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘমেয়াদী রোগ | এই রোগের জন্য ডায়াবেটিস রোগীদের যে কোনো সময় শরীরে নানারকম উপসর্গ দেখা দিতে পারে , সেই সমস্যা গুলির মধ্যে একটি হলো সুগার ফল হয়ে যাওয়া | সুগার ফল শব্দের সঙ্গে এখন অনেকেই পরিচিত i এই সমস্যার বিজ্ঞানসম্মত নাম হলো হাইপোগ্লাইসেমিয়া | কোনো ব্যক্তির রক্তে সুগারের মাত্রা স্বাভাবিকের থেকে কমে গেলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয় | রক্তে সুগারের মাত্রা 54 mg/dl
এর নিচে নামলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া বলা যেতে পারে |

সুগার ফল হলে অনেক লক্ষণ দেখা যায় যেমন মাথা ঘোরা, ঘাম হওয়া,খিদে পাওয়া | আমরা এই ভিডিও টে সুগার ফল হওয়ার কারণ ,লক্ষণ সম্পর্কে জানব ও কিভাবে প্রতিকার করা যায় তাও জানব | এক কথায় ডায়াবেটিস রোগীর সুগার ফল হলে বা হাইপোগ্লাইসেমিয়া হলে কি করা দরকার তা জানব ও হাইপোগ্লাইসেমিয়া এর বিপদ সম্পর্কে জানব |

আমরা আরো জানতে পারব ...

1.রক্তে সুগারের মাত্রা কমে গেলে কি করবেন
2.ব্লাড সুগার কমে গেলে কি করবেন
3.ব্লাড সুগার কমে যাওয়ার লক্ষণ
4. symptoms
5.hypoglycemia causes and treatment
6. ব্লাড সুগার কমে গেলে করনীয়
7.hypoglycemia from diabetes

video Credit Youtube Channel
Video Link : https://youtu.be/7TN4vlEa6RY

15/01/2021

আজকে আমরা জানব,পাইলস রোগীদের কি খাওয়া উচিত আর কি খাওয়া উচিত নয়। একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে প্রায় 70% মানুষ পাইলসের সমস্যায় ভুগছেন। মলত্যাগের প্রক্রিয়া মসৃণ না হলে দেখা দিতে পারে এই সমস্যা। ফলে মলত্যাগের সময় রক্তক্ষরণ ও অসহ্য যন্ত্রণা হতে পারে।
এক্সপার্টদের মতে খাদ্যাভ্যাস ও লাইফ স্টাইলের পরিবর্তনের মাধ্যমে পাইলস নামক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব,তাই আজকের এই ভিডিওতে আমরা জানব,পাইলস রোগীদের কি খাওয়া উচিত আর কি খাওয়া উচিত নয়।
পাইলস সমস্যা দূর করতে যেসব খাবার খাওয়া উচিত সেগুলি হল সবুজ শাক-সবজি,রুট জাতীয় খাবার,বীজ জাতীয় খাদ্য,শসা,তরমুজ,কলা,নাশপাতি ,আপেল ইত্যাদি এবং যেসব খাবারগুলো পাইলস রোগীদের এড়িয়ে চলা উচিত সেগুলি হল দুগ্ধজাত জিনিস,রেডমিট,তেলে ভাজা খাবার,অতিরিক্ত মসলাদার খাবার,অ্যালকোহল, চা-কফি ইত্যাদি।
তাহলে বুঝতে পারলেন,পাইলস রোগীদের কি খাওয়া উচিত আর কি খাওয়া উচিত নয় | আমরা একটু সচেতন হলেই কিন্তু সুস্থ থাকতে পারি এবং পাইলসের যেকোনো জটিলতার জন্য ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন। সচেতন থাকুন,সুস্থ থাকুন।

we'll find out more in this video....
1.piles treatment at home in bangla
2.piles hole ki koribo lage
3.পাইলস হলে কি কি খাওয়া যাবে না
4.পাইলস থেকে মুক্তির উপায়
5.pails problem solution at home bangla
6.অর্শ রোগ
video Credit Youtube Channel
Video Link : https://youtu.be/-EZTrs3PPy

Photos from Dr.Chamber's post 11/01/2021

#হার্ট অ্যাটাকের এক মাস আগে থেকেই শরীর যে ৭টি সিগনাল দেয়"""
#হার্ট অ্যাটাক একটি ভীতিকর বিষয়। যার একবার হার্ট অ্যাটাক হয়ে যায় তাকে প্রায় সারাজীবনই বেশ সতর্কভাবে জীবনযাপন করতে হয়। হার্ট অ্যাটাক এক নীরব ঘাতক। যে কেউ যেকোনো সময় এর শিকার হতে পারেন। শরীরচর্চা না করা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণ ও জীবনযাপনে অনিয়ম হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। এর লক্ষণগুলো জানা থাকলে একটি জীবন হয়তো বাঁচিয়ে দেওয়া সম্ভব। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে হার্ট অ্যাটাকের কিছু লক্ষণের কথা তুলে ধরেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
হার্ট অ্যাটাক হয় সাধারণত হৃদপিণ্ডে পর্যাপ্ত রক্ত চলাচল কমে গেলে বা বন্ধ হয়ে গেলে। অথবা রক্ত চলাচলের শিরা-উপশিরাগুলোতে কোনো ব্লক হলে হার্ট অ্যাটাক হয়। তবে আগেভাগেই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো ধরতে পারলে হয়তো অকাল মৃত্যু এড়ানো সম্ভব হতে পারে।
হার্ট অ্যাটাকের এক মাস আগে থেকেই দেহ কিছু সতর্কতা সংকেত দিতে শুরু করে। এখানে এমন ৭টি লক্ষণ বাতলে দেওয়া হলো যেগুলো দেখা গেলে বুঝবেন আপনি শিগগিরই হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হতে যাচ্ছেন। আর লক্ষণগুলো দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আসুন জেনে নেওয়া যাক-
১. অস্বাভাবিক রকমের শারীরিক দুর্বলতা: রক্তপ্রবাহ কমে গেলে এবং রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে এমনটা হয়। রক্তের শিরা-উপশিরাগুলোতে চর্বি জমে বাধা সৃষ্টি করলে এবং মাংসপেশী দুর্বল হয়ে পড়লে হৃদরোগের প্রধানতম এই লক্ষণটি দেখা দেয়।
২. ঝিমুনি: দেহে রক্তের প্রবাহ কমে গেলে ঝিমুনিও দেখা দেয়। মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ কমে গেলে ঝিমুনির সৃষ্টি হয়।
৩. ঠাণ্ডা ঘাম: রক্তপ্রবাহ কমে গেলে দেহে ঘাম ঝরলে স্যাঁতসেতে ও ঠাণ্ডা ভাব অনুভূত হবে।
৪. বুক ব্যথা: বুক, বাহু, পিঠ এবং কাঁধে ব্যাথা অনুভূত হলে দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বুকে ব্যথা এবং সংকোচন হৃৎপিণ্ডের অসুস্থতার একটি বড় লক্ষণ।
৫. ঠাণ্ডা বা ফ্লু: হার্ট অ্যাটাকের শিকার অনেককেই এক মাস আগে থেকে ঠাণ্ডা-সর্দি বা ফ্লু-তে আক্রান্ত হতে দেখা গেছে।
৬. শ্বাসকষ্ট: ফুসফুসে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন এবং রক্ত সরবরাহ না হলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। হার্টের সমস্যা থাকলে ফুসফুসে রক্ত চলাচল কমে যায়। আর শ্বাসকষ্ট বা শ্বাস ছোট হয়ে আসার মতো সমস্যা দেখা যায়।
৭. বমি, বদহজম, তলপেটে ব্যথা: বমিভাব, বদহজম, বুক হৃৎপিণ্ডে জ্বালাপোড়া করা বা তলপেটে ব্যথাও অনেক সময় হার্ট অ্যাটাকের পূর্ব লক্ষণ হতে পারে।

07/01/2021

কোলেস্টেরল কমানোর উপায় | Cholesterol Lowering Foods in Bengali | (NEW)

আজকে এই ভিডিও তে কোলেস্টেরল কমানোর ১০০% ঘরোয়া উপায় নিয়ে কথা বলব। আজকের ভিডিওতে কোলেস্টেরল বাড়ার কারন ও তা নরমালাইজ করার খাবার, বায়াম নিয়ে কথা বলব।

এখন ঘরে ঘরে মানুষ হাই ব্লাড প্রেশার , হার্ট ডিজিজ, কিডনি ডিজিজ, স্ট্রোক, ইত্যাদি রোগে ভুগছে জা ডাক্তার দের মতে সরাসরি কোলেস্টেরল এর সাথে সম্পৃক্ত। আজকের এই ভিডিও তে আমরা জানব কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ রাখা সম্ভব কোন কোন খাবার খেলে বা কোন কোন ফল ও সবজি খেলে এবং জানব কিছু ঘরোয়া উপায় যার দ্বারা খুব সহজে কোলেস্টেরল এর মাত্রা কমানো যায় |

তাই আপনার কোলেস্টেরল কমানোর উপায় জানার আগে জানা উচিত কোলেস্টেরল বাড়ার কারণ কি? আর কোলেস্টেরল সত্যি আপনার জন্য ক্ষতিকর কিনা, কোলেস্টেরল আপনার জন্য কেন প্রয়োজন, এবং কি করে আপনি কোলেস্টেরল স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখবেন।

আজকের ভিডিও তে আমরা জানব ....

1. কোলেস্টেরল কমানোর উপায়
2. Cholesterol Lowering Foods in Bengali
3.কোলেস্টেরল কী এবং কেন হয়
4.যেসব খাবারে কমবে শরীরের কোলেস্টেরল
5. কোলেস্টেরল কমানোর ঘরোয়া উপায়
6.কোলেস্টেরল ভালো করার উপায়
7.কোলেস্টেরল কমানোর খাদ্য তালিকা
8.
video Credit Youtube Channel
Link - https://youtu.be/9ozWJ--D1R4

Photos from Dr.Chamber's post 07/01/2021

#আপনি কি থাইরয়েডের রোগী? Problem
তাহলে ক্ষতিকর এই খাবার সম্পর্কে জানুন
#থাইরয়েড হলো প্রজাপতি আকৃতির একটি গ্রন্থি এটি আমাদের ঘাড়ের গোড়ায় অবস্থিত। এটি আমাদের শরীরে হরমোন রিলিজ করে যা একাধারে আমাদের হজম ক্রিয়া ঠিক রাখা, হৃদস্পন্দন, শারীরিক বৃদ্ধি, শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা এবং আরও অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করে। তাহলে বুঝতেই পারছেন এই হরমোনের উঠানামা বা কম বেশির কারণে আমাদের শরীরে প্রচুর সমস্যা দেখা দিতে পারে।
সাধারণত থাইরয়েড রোগ দুই ধরনের হয়ে থাকে, হাইপোথাইরয়েডিজম এবং হাইপারথাইরয়েডিজম। থাইরয়েড পর্যাপ্ত হরমোন তৈরি না করলে বা হরমোন কমে গেলে হাইপোথাইরয়েডিজম হয়। থাইরয়েড নিজেই অকার্যকর হলে এটি ঘটতে পারে, যাকে প্রাথমিক হাইপোথাইরয়েডিজম বলা হয়। অথবা আমাদের মস্তিস্কের পিটুইটারি গ্রন্থি থাইরয়েডে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা পাঠাতে ব্যর্থ হয় যা থাইরয়েড হরমোন নিঃসরণে বাধা দেয়, একে সেকেন্ডারি হাইপোথাইরয়েডিজম বলে। উভয় ক্ষেত্রেই লক্ষণগুলির মধ্যে ওজন বৃদ্ধি, ক্লান্তি, হতাশা এবং সর্দি বা ঠান্ডা জনিত এলার্জির সমস্যা দেখা যায়।
অন্যদিকে, থাইরয়েড যখন খুব বেশি হরমোন নিঃসরণ করে তখন তাকে হাইপারথাইরয়েডিজম বলে। হাইপারথাইরয়েডিজমে ওজন হ্রাস, আতংকিত হওয়া, বিরক্তি, গরমে সংবেদনশীলতা এবং অনিয়মিত হৃদস্পন্দন অনুভব হতে পারে।
চলুন জেনে নিই ৭ টি খাবার সম্পর্কে যেগুলো আপনার থায়রয়েডের সমস্যা আরো বাড়িয়ে তুলতে পারে। আপনি অবাক হবেন কিছু খাবারের নাম দেখেই কারণ এইসব খাবারকে আমরা স্বাস্থ্যকর খাবার হিসেবেই জানি।
১. ফাস্ট ফুড : থাইরয়েড গ্রন্থি T-3 এবং T-4 হরমোন তৈরি করতে আয়োডিন ব্যবহার করে, যা আমাদের প্রতিদিনের সুষম খাবার থেকে পাওয়া যায়। ফাস্ট ফুড এড়িয়ে চলার যথেষ্ট কারণ রয়েছে আমাদের। তবে থাইরয়েড রোগের ক্ষেত্রে এটি বেশি ক্ষতিকর, কারণ ফাস্ট ফুডে অনেক লবণ থাকলেও আয়োডিনের পরিমাণ খুব কম থাকে। আমরা বাসায় আয়োডিনযুক্ত লবণের তৈরি খাবার খেয়ে যথেষ্ট আয়োডিন শরীরের জন্য গ্রহণ করতে পারি। এদিকে ফাস্ট ফুডে আসক্তি থাকলে শরীরের জন্য যথেষ্ট আয়োডিন আমরা পাইনা।
২. প্রক্রিয়াজাত খাবার: ফাস্টফুডের মতোই প্রক্রিয়াজাত এবং প্যাকেজযুক্ত খাবারেও এক টন সোডিয়াম থাকলেও খুব কমই আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার হয়। অত্যধিক সোডিয়ামযুক্ত খাবার গ্রহণ করলে তা হৃদরোগ এবং উচ্চ রক্তচাপের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দেয়। প্রক্রিয়াজাত খাবারগুলি থেকে আপনি যে সোডিয়াম বা লবণ গ্রহণ করছেন তা ক্ষতিকর কারণ এতে আয়োডিন নেই বললেই চলে। এজন্য ঘরে বসে টাটকা খাবার তৈরি করা এবং খাবারে আয়োডাইজড লবণ ব্যবহার করা থায়রয়েড রোগীর জন্য নিরাপদ।
৩. গম : সিলিয়াক নামক একটি রোগ আছে যে রোগে আমাদের শরীর গম, বার্লি, রাই-এর মতো গ্লুটেন বা উচ্চ ফাইবার যুক্ত খাবার গ্রহণ করতে পারেনা। সিলিয়াক রোগে আক্রান্ত রোগীর থাইরয়েড ডিজঅর্ডারের ঝুকি বেশি থাকে। তাই কেউ সিলিয়াক রোগে আক্রান্ত হলে গ্লুটেন যুক্ত খাবার সবার আগে খাদ্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া উচিত। এটি শুধু হজমেই সাহায্য করবেনা, এটি থাইরয়েডের সমস্যা থেকে আপনাকে দূরে রাখবে।
৪. সয়া : সয়াবিন বা সয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা নিয়ে মোটামুটি বিতর্ক রয়েছে। এটি মাংসের বিকল্প স্বাস্থ্যকর খাবার হিসাবে বিবেচিত হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলিতে প্রমাণিত হয়েছে যে সয়া থাইরয়েড ফাংশনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সয়া থাইরয়েডে জমাকৃত আয়োডিন শুষে নিতে পারে। সুতরাং আপনার যদি ইতিমধ্যে আয়োডিনের ঘাটতি থাকে তবে এটি হাইপোথাইরয়েডিজম হওয়ার ঝুঁকিকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
৫. গরু-খাসির কলিজা বা হৃৎপিণ্ড :আমরা গরু বা খাসির কলিজা, হৃৎপিন্ড বা অনান্য অঙ্গ খেয়ে থাকি। যেকোনো প্রানীর এই অঙ্গগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমান লাইপোইক নামক এসিড থাকে। দূর্ভাগ্যবশত এই এসিড অতিরিক্ত গ্রহনে থাইরয়েড গ্রন্থিতে খারাপ প্রভাব ফেলে। তাই ইতিমধ্যে যারা থাইরয়েডের ঔষধ নিয়মিত গ্রহন করছে তাদের ক্ষেত্রে এই লাইপোইক এসিড গ্রহণ করা মোটেও উচিত নয়। কারণ, এতে ঔষধের কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৬. কিছু সবজি : ব্রোকলি, বাঁধাকপি, ফুলকপি এবং কালের সাথে ক্রুশিফেরাস শাকসব্জী খুবই স্বাস্থ্যকর কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার এবং গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন এবং খনিজ সরবরাহ করে। এই সবজিগুলি খুবই ভালো কারণ তাদের মধ্যে গ্লুকোসিনোলেটস নামক সালফারযুক্ত যৌগ রয়েছে এবং গবেষণাতে দেখা গেছে যে গ্লুকোসিনোলেট ক্যান্সারের সাথে লড়াই করার ক্ষমতা রাখে।
আপনার যদি থাইরয়েড এর সমস্যা থাকে তাহলে এইসব সবজি খুব বেশি না খাওয়ায় ভালো। কারণ, এই সবজিগুলো হজমের প্রক্রিয়া আপনার থায়রয়েডের আয়োডিন ব্যবহারের ক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করে। তবে আপনি যদি সবজিগুলো খুব বেশি পছন্দ করে থাকেন তাহলে কোনো সমস্যা ছাড়াই দিনে ৫ আউন্স পরিমাণ সবজি গ্রহন করতে পারবেন।
৭. প্রক্রিয়াজাত চিনি : প্রক্রিয়াজাত চিনি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য প্রধান শত্রু বলা যায়। আমরা বেশিরভাগ সময়ই এটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া উপলব্ধি না করে খুব বেশি পরিমাণে চিনিযুক্ত খাবার খেয়ে থাকি। চিনি কেবল ওজন বাড়িয়ে তোলে না, এটি সারা শরীরে প্রদাহ ছড়ায় এবং ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং দাঁত ক্ষয়ের মতো সমস্যাগুলির ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।
থাইরয়েড এর সমস্যায় ভুগলে হজমে সমস্যা হয় যার কারণে চিনি গ্রহন না করলেও ওজন অতিরিক্ত বাড়ে যায়। তাই আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে এবং থাইরয়েড ডিসঅর্ডারের ক্ষতিকারক প্রভাবগুলি হ্রাস করতে আপনি যে পরিমাণ চিনি খাচ্ছেন তার পরিমাণ হ্রাস করা জরুরি।
খুশির খবর হলো থাইরয়েডজনিত রোগ আপনার স্বাভাবিক ডায়েটে খুব বেশি হস্তক্ষেপ করে না। ফাস্ট ফুড, প্রক্রিয়াজাত খাবারের পাশাপাশি অতিরিক্ত চিনি এড়িয়ে যাওয়ার গুরুত্ব নতুন নয় এবং যারা সুস্বাস্থ্য নিয়ে চিন্তিত তাদের ক্ষেত্রে এটি বেশি প্রযোজ্য।
আপনি যতক্ষণ বাসায় তৈরি খাবার খাচ্ছেন ততক্ষন নিশ্চিন্ত থাকুন যে আপনার খাবার কোনোভাবে থাইরয়েডের উপর প্রভাব ফেলবে না। আর একবার থাইরয়েডের ঔষধ নিয়মিত গ্রহণ করা শুরু করলে আপনার শারীরিক সমস্যা গুলোও অনেকাংশে কমে যাবে।
(ডাঃঅমিত সূত্রধর)
বিঃদ্রঃ আমার পোষ্টগুলো যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে সংক্ষেপে।
T=Thanks
G=Good,
V=Very Good
E=Excellent
T, G, V কিংবা E লিখে কমেন্টস করবেন।
নিয়মিত স্বাস্থ্যতথ্য পেতে ফেসবুক পেইজে লাইক দিন৷

Photos from Dr.Chamber's post 06/01/2021

#অ্যাজমা শব্দটির সঙ্গে আমরা কমবেশী সবাই পরিচিত। এর বাংলা অর্থ হাঁপানি। এটি গ্রিক শব্দ (Asthma) থেকে বাংলায় এসেছে। এটি শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগ। যা মূলত শ্বাসনালীর অতি সংবেদনশীলতার (Hypersensitivity) কারণে হয়। এতে আমাদের শ্বাসনালীর স্বাভাবিক ব্যাস কমে গিয়ে আগের চেয়ে সরু হয়ে যায়। ফলে ফুসফুসে পর্যাপ্ত পরিমাণ বায়ু যাওয়া-আসা করতে পারে না এবং দেহে অক্সিজেনের অভাব অনুভূত হয়।
অ্যাজমা আক্রান্ত হলে যা হয়- ১. শ্বাসকষ্ট ২. সাঁ, সাঁ শব্দে কষ্টসহকারে শ্বাস নেয়া ৩. বুকে চাপ ধরা বা দমবন্ধভাব অনুভব করা ৪. বুকে ব্যথা ৫. শুকনো কাশি।
সাধারণত, অ্যাজমা প্রতিকারের কোনো উপায় নেই। তবে কিছু উপায় অবলম্বন করে এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। চলছে শীত মৌসুম। এ সময়ে এটি একটি সাধারণ রোগ। ছোট বড় সবার মধ্যে এটি দেখা যায়। কষ্টেরও শেষ থাকে না।
এখানে শীত মৌসুমে অ্যাজমা নিয়ন্ত্রণের ৫ উপায় আলোচনা করা হলো-
১. ধুলা : অ্যাজমার ভীষণ শত্রু এটি। তাই পারতপক্ষে চেষ্টা করতে হবে তা এড়িয়ে চলার। চেষ্টা করতে হবে সুষ্ঠু, সুন্দর, নির্মল পরিবেশে চলাফেরা করার। যতোটুকু পারা যায়, থাকা-শোবার ঘরটি রাখতে হবে ধুলাবালি মুক্ত।
২. ফুলের ঘ্রাণ : ফুলের ঘ্রাণ কে না পছন্দ করে। অনেকে এর সুমিষ্ট ঘ্রাণে পাগলপারা হয়ে যায়। সকাল-বিকেল এর নির্মল ঘ্রাণে মন ব্যাকুল হয়ে ওঠে। তবুও শীত মৌসুমে এর ঘ্রাণ আপনার-আমার জন্য সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে অ্যাজমাজনিত সমস্যা থাকলে। তাই ফুলের ঘ্রাণ ও বাড়ন্ত গাছের পাতার গন্ধ যতটুকু পারা যায় এড়িয়ে চলুন।
৩. ধূমপান : এটি এড়াতে পারলে শুধু অ্যাজমা নয়, শীত মৌসুমে আরো অনেক রোগের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। বিশেষ করে ধূমপান পরিহারে কাশিকে বাই বাই বলা যায়। শিশুর শারীরিক সুস্থ্যতার জন্যও এটি গুরুত্বপূর্ণ।
৪. ব্যায়াম : অনেকেই জানেন না নিয়মিত ব্যায়ামে অ্যাজমা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। তাই এ মৌসুমে যতোটুকু সম্ভব ব্যায়ামের ওপর জোর দিতে হবে।
৫. অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা পরিবেশ : শীত মৌসুমে আমরা অনেক সময় ঠাণ্ডার হাত থেকে রক্ষা পেতে এসি বাড়িয়ে দিই। তবে অ্যাজমা রোগিদের জন্য এটি মোটেই সুখকর নয়। আবার অতিরিক্ত ঠাণ্ডা থেকে বাঁচতে উষ্ণতার জন্য বেশি গরম কাপড়চোপড় পরি। এতে দেখা যায়, অল্পক্ষণে গরমে ঘেমে যায়। ফলে গায়ের জামাকাপড় খুলে ফেলি। এটিও অ্যাজমা রোগিদের জন্য ভালো নয়। এসবে হিতে-বিহিত ঘটে। তাই যতোদূর সম্ভব এ থেকে দূরে থাকুন।
(ডাঃঅমিত সূত্রধর)
বিঃদ্রঃ আমার পোষ্টগুলো যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে সংক্ষেপে।
T=Thanks
G=Good,
V=Very Good
E=Excellent
T, G, V কিংবা E লিখে কমেন্টস করবেন।
নিয়মিত স্বাস্থ্যতথ্য পেতে ফেসবুক পেইজে লাইক দিন৷

Photos from Dr.Chamber's post 06/01/2021

#হার্ট অ্যাটাকের এক মাস আগে থেকেই শরীর যে ৭টি সিগনাল দেয়"""
#হার্ট অ্যাটাক একটি ভীতিকর বিষয়। যার একবার হার্ট অ্যাটাক হয়ে যায় তাকে প্রায় সারাজীবনই বেশ সতর্কভাবে জীবনযাপন করতে হয়। হার্ট অ্যাটাক এক নীরব ঘাতক। যে কেউ যেকোনো সময় এর শিকার হতে পারেন। শরীরচর্চা না করা, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যগ্রহণ ও জীবনযাপনে অনিয়ম হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়। এর লক্ষণগুলো জানা থাকলে একটি জীবন হয়তো বাঁচিয়ে দেওয়া সম্ভব। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে হার্ট অ্যাটাকের কিছু লক্ষণের কথা তুলে ধরেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।
হার্ট অ্যাটাক হয় সাধারণত হৃদপিণ্ডে পর্যাপ্ত রক্ত চলাচল কমে গেলে বা বন্ধ হয়ে গেলে। অথবা রক্ত চলাচলের শিরা-উপশিরাগুলোতে কোনো ব্লক হলে হার্ট অ্যাটাক হয়। তবে আগেভাগেই হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলো ধরতে পারলে হয়তো অকাল মৃত্যু এড়ানো সম্ভব হতে পারে।
হার্ট অ্যাটাকের এক মাস আগে থেকেই দেহ কিছু সতর্কতা সংকেত দিতে শুরু করে। এখানে এমন ৭টি লক্ষণ বাতলে দেওয়া হলো যেগুলো দেখা গেলে বুঝবেন আপনি শিগগিরই হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হতে যাচ্ছেন। আর লক্ষণগুলো দেখা গেলে দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আসুন জেনে নেওয়া যাক-
১. অস্বাভাবিক রকমের শারীরিক দুর্বলতা: রক্তপ্রবাহ কমে গেলে এবং রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে এমনটা হয়। রক্তের শিরা-উপশিরাগুলোতে চর্বি জমে বাধা সৃষ্টি করলে এবং মাংসপেশী দুর্বল হয়ে পড়লে হৃদরোগের প্রধানতম এই লক্ষণটি দেখা দেয়।
২. ঝিমুনি: দেহে রক্তের প্রবাহ কমে গেলে ঝিমুনিও দেখা দেয়। মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ কমে গেলে ঝিমুনির সৃষ্টি হয়।
৩. ঠাণ্ডা ঘাম: রক্তপ্রবাহ কমে গেলে দেহে ঘাম ঝরলে স্যাঁতসেতে ও ঠাণ্ডা ভাব অনুভূত হবে।
৪. বুক ব্যথা: বুক, বাহু, পিঠ এবং কাঁধে ব্যাথা অনুভূত হলে দ্রুত ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বুকে ব্যথা এবং সংকোচন হৃৎপিণ্ডের অসুস্থতার একটি বড় লক্ষণ।
৫. ঠাণ্ডা বা ফ্লু: হার্ট অ্যাটাকের শিকার অনেককেই এক মাস আগে থেকে ঠাণ্ডা-সর্দি বা ফ্লু-তে আক্রান্ত হতে দেখা গেছে।
৬. শ্বাসকষ্ট: ফুসফুসে পর্যাপ্ত পরিমাণে অক্সিজেন এবং রক্ত সরবরাহ না হলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। হার্টের সমস্যা থাকলে ফুসফুসে রক্ত চলাচল কমে যায়। আর শ্বাসকষ্ট বা শ্বাস ছোট হয়ে আসার মতো সমস্যা দেখা যায়।
৭. বমি, বদহজম, তলপেটে ব্যথা: বমিভাব, বদহজম, বুক হৃৎপিণ্ডে জ্বালাপোড়া করা বা তলপেটে ব্যথাও অনেক সময় হার্ট অ্যাটাকের পূর্ব লক্ষণ হতে পারে। সুতরাং এই লক্ষণগুলো দেখা গেলেও হৃদরোগের ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন।
হাসপাতালে ২জন রোগী পাশাপাশি বিছানায় থাকেন। ২জনেই মৃত্যু শয্যায়। একজন রোগী থাকতো জানালার কাছে। বিছানা থেকে উঠে বসার মতো শক্তি ছিল না কারোরই। তবুও জানালার কাছে থাকা রোগীটি নার্স কে ডেকে প্রতিদিন বিকেলে এক ঘণ্টার জন্য জানালার পাশে উঠে বসতেন।অপলক চেয়ে থাকেন তিনি বাইরের দিকে…
১ ঘণ্টা পরে পাশের বিছানায় শুয়ে থাকা রোগীর কাছে বাইরে কি কি দেখল তাঁর বর্ণনা করতেন। তিনি প্রতিদিন বলতেন–“বাইরে অনেক পাখি উড়ে বেড়াচ্ছে। ছোট ছোট শিশুরা মাঠে খেলা করছে। বাচ্চারা কাগজের নৌকা বানিয়ে ভাসিয়ে দি চ্ছে পানিতে…
পাশের বিছানায় শুয়ে শুয়ে রোগীটি এইসব কল্পনা করতো। আর মনের আকাশে উড়ে বেড়াতো মেঘেদের সাথে। অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করতো এসব বর্ণনা শুনে। হঠাৎ একদিন জানালার পাশে থাকা রোগীটি মারা গেলেন। পাশের বিছানার রোগীটি তখন নার্স কে অনুরুধ করলো তাকে যেন জানালার পাশের বেড এ থাকতে দেওয়া হয়।
বিকেল হলো। সে আজ প্রকৃতি নিজ চোখে দেখবে। অনেক আশা নিয়ে কনুই এ ভর করে চোখ রাখলেন জানালায়… কিন্তু হায়!! সেখানে তো সাদা দেয়াল ছাড়া আর কিছুই নেই!!!! নার্স কে ডাকলেন,জিজ্ঞেস করলেন–“এখানে তো দেয়াল ছাড়া কিছুই নেই! তাহলে প্রতিদিন সে আমাকে কিভাবে সুন্দর ফুল,প্রকৃতির,পাখির বর্ণনা করতো?!!”
নার্স হাসিমুখে উত্তর দিলো–“আসলে উনি ছিলেন অন্ধ। আপনাকে বেঁচে থাকার উৎসাহ দিতেই এসব গল্প শুনাতেন..উপরে দুইজনের গল্পের মানে হলো নিজের দুঃখ কারো সাথে শেয়ার করুন, তাহলে দুঃখটা অর্ধেক হয়ে যাবে। আর নিজের সুখটা কারো সাথে শেয়ার করে দেখুন, দেখবেন তা দ্বিগুন হয়ে যাবে!
(ডাঃঅমিত সূত্রধর)
বিঃদ্রঃ আমার পোষ্টগুলো যদি আপনাদের ভালো লাগে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আপনার যদি লিখতে কষ্ট হয় তাহলে সংক্ষেপে।
T=Thanks
G=Good,
V=Very Good
E=Excellent
T, G, V কিংবা E লিখে কমেন্টস করবেন।
নিয়মিত স্বাস্থ্যতথ্য পেতে ফেসবুক পেইজে লাইক দিন৷

01/01/2021
20/12/2020

Dr.Chamber

Website