Dr.Nur Mohammad Masud Akhond
Change your Thinking Change your life
"বাবা নিজের ছেলের সাথে দেখা করতে শহরে এল। গিয়ে দেখলো, তার ছেলের সাথে একটা খুব সুন্দরী মেয়েও থাকে..!😊
রাতে তিন জন যখন এক সাথে ডিনার টেবিলে বসলো, বাবা জিজ্ঞেস করলো-- তোর সাথে এই মেয়েটি কে রে ? 🤔
ছেলে বলল- বাবা, ও আমার রুম পার্টনার, আমার সাথে থাকে . . . তুমি এটা নিয়ে কী ভাবছ, সেটা আমি জানি। কিন্তু আমাদের দুজনের মধ্যে সে রকম কোন সম্পর্কই নেই। আমাদের দুজনের আলাদা আলাদা কামরা, আলাদা আলাদা বেড | আমরা দু'জন শুধু খুব ভাল বন্ধু।
বাপ বলল- ঠিক আছে..! 😇
পরের দিন বাপ নিজের গ্রামে চলে গেল..!
এক সপ্তাহ পর...!😊
মেয়েটি ছেলেটিকে বলল --শোনো, গত রবিবার তোমার বাবা যে প্লেটে ডিনার করেছিলেন, ওই প্লেটটা খুঁজে পাচ্ছি না, আমার সন্দেহ তোমার বাবাই এটা নিয়ে গেছেন।
ছেলেটি রেগে গিয়ে বলল-- শাট আপ.. . এসব কী কথা, তুমি কি আমার বাবাকে চোর বলছো ?
মেয়েটি বলল- তা না | কিন্তু, তুমি একবার তোমার বাবাকে জিজ্ঞেস করেই দেখো না, জিজ্ঞেস করতে আপত্তি কিসের?
ছেলেটি বলল- OK, আমি জিজ্ঞেস করব..!🙄
পরদিন ছেলে বাপকে একটা ই-মেল পাঠালো..তাতে লিখলো--আমি এটা বলছি না যে আপনি আমাদের প্লেটটা চুরি করে নিয়ে গেছেন, অথবা এটাও বলছি না যে আপনি প্লেটটা নিয়ে যাননি ... মানে, যদি ভুলবশতঃ আপনি প্লেটটা নিয়ে গিয়ে থাকেন, তাহলে ওটা ফেরত দিয়ে দেবেন কারণ, ওটা ওই মেয়েটির খুব পছন্দের প্লেট।
ইতি,
আপনার ছেলে..! 😊
এক ঘন্টা পরই বাবার জবাব এলো-- আমি এটা বলছি না যে তোর্ রুম পার্টনার রাতে তোর্ সাথে ঘুমায় আবার এটাও বলছি না যে ওই মেয়েটি রাতে তোর্ সাথে ঘুমায় না। তবে ওই মেয়েটি যদি পুরো সপ্তাহের মধ্যে একবারও তার নিজের রুমে, নিজের বেডে শুতে যেত, তাহলে ওর বালিশের নিচেই সে তার প্লেটটা পেয়ে যেত, কারণ প্লেটটা আমি ওখানেই লুকিয়ে রেখে এসেছিলাম।
ইতি
তোর বাপ..!😂
07/08/2024
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নদ্রষ্টা , যার দান করা ৬০০ একর জমির উপর দাড়িয়ে আছে আজকের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় , ঢাকা মেডিকেল , বুয়েট সেই নবাব স্যার সলিমুল্লাহর কে স্মরণ করে না।
নোংরা রাজনীতির জন্য এই স্বপ্নদ্রষ্টাকে ভুলতে বসেছে জাতি, অথচ একটি চক্র মুসলিমদের উচ্চশিক্ষায় বিরোধীতাকারি রবীন্দ্রপূজায় মত্ত।
আসুন আমরা সংক্ষিপ্ত পরিসরে হলেও এই জাতির উচ্চশিক্ষার মহানায়ককে জানার চেষ্টা করিভ
***জীবনী :
নবাব সুলিমুল্লাহর জন্ম ১৮৭১ সালের ৭ ই জুন। তাঁর বাবা ছিলেন নওয়াব স্যার খাজা আহসানউল্লা (১৮৪৬-১৯০১) এবং দাদা ছিলেন নওয়াব স্যার খাজা আবদুল গণি (১৮১৩-৯৬)। এই দুজনই ঊনবিংশ শতকের বাংলাদেশের সমাজ-রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। নিঃসন্দেহে পরিবারটি ছিল অভিজাত ও ধনাঢ্য। কিন্তু অভিজাত পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি সাধারণ মানুষের দুঃখকে তিনি নিজের দুঃখ মনে করতেন। তিনি আকাতরে দান-খয়রাত করে গেছেন।
স্যার সলিমুল্লাহর বাবা আহসানউল্লা ১৯০১ সালের ৭ ডিসেম্বর সাড়ে ৩ লাখ টাকা খরচ করে ঢাকায় তথা বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো #বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করেছিলেন, প্রথম বিজলি বাতির আলো জ্বলেছিল #আহসান_মঞ্জিলে।
(১)নবাব সলিমূল্লাহ সেই যিনি সর্বপ্রথম পানীয় জল এবং টেলিফোন ব্যবস্থা চালুর মাধ্যমে আধুনিক ঢাকার জন্ম দেন।
(২)ঢাকার ইঞ্জিনিয়ারিং বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯০২ সালে তিনি ১লাখ ২০হাজার টাকা দান করেছিলেন। সেই টাকায় এবং তাঁর দান করা জমিতে স্থাপিত হয়েছিল আহসানউল্লা স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং, ১৯২২ সালে যা আহসানউল্লা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ এবং ১৯৬০ সালে আহসানউল্লা ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিতে উন্নীত হয়। সেটিই এখনকার বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়(BUET)।
(৩) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯০৩ সালে বড় লাট লর্ড কার্জন ঢাকায় সফরে এলে আহসান মঞ্জিলে অনুষ্ঠিত দীর্ঘ বৈঠককে তার নিকট পূর্ব বাংলার সমস্যাগুলো তুলে ধরেন।শেষ পর্যন্ত ঢাকাকে কেন্দ্র করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে একটি নতুন প্রদেশ গঠনের বিষয়ে ইংরেজরা মত দেয়।
(৪)নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯১১ সালের ২৯ আগস্ট ঢাকার কার্জন হলে ল্যান্সলট হেয়ারের বিদায় এবং চার্লস বেইলির যোগদান উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নওয়াব আলী চৌধুরীকে নিয়ে পৃথক দুটি মানপত্র নিয়ে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান।
(৫) (DU) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি জমিই শুধু দান করেননি, প্রধান অর্থদানকারীও ছিলেন। এতে তাঁর অর্থভাণ্ডারে ঘাটতি দেখা দিয়েছিল। শেষে সরকারের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে মহাজনদের কাছ থেকে নেওয়া ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছিল। জমিদারি চলে গিয়েছিল কোর্ট অব ওয়ার্ডসে।
(৬) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি ১৯০৬ সালে নিজস্ব ইতিহাস ঐতিহ্য এবং ধর্ম রক্ষায় প্রায় ছয় মাসের প্রচেষ্টায় পাক-ভারত উপমহাদেশে ‘অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ’ গঠন করেন।
(৭) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি আন্দোলনের ফলে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক শিক্ষা বিভাগে মুসলমানদের জন্য সহকারী পরিদর্শক ও বিশেষ সাব ইন্সপেক্টরের পদ সৃষ্টি করেন।
(৭) নবাব সলিমূল্লাহ যিনি বর্ণবাদী-ব্রাহ্
মণ্যবাদী চক্রান্তে বিট্রিশ সামাজ্যবাদে শত বছরের অধিক চাষাভূষা, কচোয়ান-দাঁরোয়ান ও গোলাম বানিয়ে রাখা মুসলিমদের কথা ভেবে প্রথম জেগে উঠেন তারপর মুসলিমদের সংগঠিত করার কাজ শুরু করেন।
(৮)নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি সুদূর তুরস্কের ভূমিকম্পে মানুষের কষ্টের কথা শুনে সাহায্যের জন্য টাকা-পয়সা পাঠিয়েছিলেন।
(৯)নবাব সলিমূল্লাহ, যিনি মানুষকে তার সকল সম্পদ অকাতরে বিলিয়ে দিয়ে ঋণী হয়েছিলেন। সোনালী ব্যাংক সদরঘাট শাখায় এখনও তার বন্ধক রাখা সিন্ধুক “দরিয়ায়ে নূর” রক্ষিত আছে।
আচ্ছা আমরা ক'জন জানি এই মহান ব্যক্তির কথা? তার অসামান্য কীর্তির কথা?
এই বুয়েট না থাকলে কারা বিশ্বমানের ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার সুযোগ করে দিত?
আজ যত-শত আবর্জনারই আমাদের জ্ঞানের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাড়িয়েছে যেখানে এই মহান ব্যক্তিদের একটু জায়গা কোথায়!!
****রহস্যজনক মৃত্যুঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে তৎকালীন হিন্দু সমাজ এবং লাটের সাথে তার বাদানুবাদ হয়।
কথিত আছে যে, বড়লাট রাজি ছিলেন না ঢাকায় কোন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে। এই নিয়ে নবাবের সাথে বড় লাটের তীব্র বিতর্ক হয়। এসমসাময়িক সময়েই তার মৃত্যু হয় কলকাতায়। পরে প্রচার করা হয় যে হৃদরোগে তিনি মারা গেছেন।
তিনি সেদিনই কলকাতায় অনুষ্ঠিত তাঁর জানাজায় বিপুল জনসমাগম হয়েছিল। পরদিন লাশ ঢাকায় আনা হয় এবং কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ঢাকার বেগমবাজারে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
উনার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি , আল্লাহ্ উনাকে জান্নাত দান করুন (আমিন)।
( সংগৃহিত)
খানকা শরীফ আগে না মসজিদ?
06/02/2024
সুবহানাল্লাহ, আলহামদু লিল্লাহ,লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আল্লাহু আকবার।
24/01/2024
১. ভুলঃ কোমর ব্যথা মানে কিডনি রোগ।
নির্ভুলঃ কিডনি রোগে প্রস্রাব কমে যায়, খাওয়ার রুচি কমে যায়, বমি বমি লাগে, মুখ ফুলে যায়।
২. ভুলঃ ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ।
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হলে প্রথম অনুভূতি হল- এতো খেলাম, তবুও কেন শক্তি পাইনা, এছাড়া ওজন কমে যায়, মুখে দুর্গন্ধ হয়, ঘা শুকাতে চায়না।
৩. ভুলঃ ঘাড়ে ব্যথা মানেই প্রেসার।
নির্ভুলঃ প্রেসার বাড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ
পাওয়া যায় না! একটু অস্বস্তিকর অনুভুতি হয় মাত্র।
৪. ভুলঃ বুকের বামে ব্যথা মানে হার্টের রোগ।
নির্ভুলঃ হার্টের রোগে সাধারণত বুকে ব্যথা হয় না। হলেও বামে নয়তো বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়... হার্টের সমস্যায় সাধারণত বুকের মাঝখানে চাপ চাপ অনুভূতি হয়, মনে হয় বুকের মাঝখানটা যেন কেউ শক্ত করে ধরে আছে।
৫. ভুলঃ মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়।
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হরমোনাল অসুখ। অগ্ন্যাশয় ঠিকমত কাজ না করলে ডায়াবেটিস হয়। তাই মিষ্টি খাওয়ার সাথে এই রোগ হবার সম্পর্ক নেই। কিন্তু ডায়াবেটিস হয়ে গেলে মিষ্টি খেতে হয় না।
৬. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে বেশি পানি খেলে পায়ে পানি আসে।
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে প্রোটিন কম খেয়ে, কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে পায়ে পানি আসে। তাই প্রোটিন বেশি বেশি খেতে হয়।
৭. ভুলঃ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীন বেবির (৬মাসের আগে পানিও খাওয়ানো যায় না একারণে) ডায়রিয়া হলে, মা স্যালাইন খেলেই বেবিরও চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।
নির্ভুলঃ মা খেলেই বাচ্চার চাহিদা পূরণ হয় না... বেবিকেও স্যালাইন খাওয়াতে হয়।
৮. ভুলঃ দাঁত তুললে চোখের আর ব্রেইনের ক্ষতি হয়।
নির্ভুলঃ দাঁত তোলার সাথে চোখের আর ব্রেইনের কোনো সম্পর্ক নেই। দাঁত, চোখ, মাথার নার্ভ সাপ্লাই সম্পূর্ণ আলাদা।
৯. টক/ ডিম/ দুধ খেলে ঘা দেরীতে শুকায়।
নির্ভুলঃ টক/ ডিমের সাদা অংশ/ দুধ খেলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়।
১০. ভুলঃ অস্বাভাবিক আচরন, ভাংচুর, পাগলামি মানেই জ্বিন ভুতে ধরা!!!
নির্ভুলঃ এটা বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, হ্যালুসিনেশন।
১১. ভুলঃ তালু কাটা, এক চোখ, কপালে চোখ, বাঘের মত ডোরাকাটা দাগ নিয়ে জন্ম গ্রহন করা বাচ্চা কিয়ামতের আলামত, আল্লাহর গজব, বাঘের বাচ্চা।
নির্ভুলঃ মানুষের পেট থেকে বাঘের বাচ্চা হয় না আর কিয়ামতের আলামত বা গজব বাচ্চাদের উপর আসে না। এসব জিনগত রোগ বা জন্মগত রোগ।
১২. ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম এসব খেলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়। তাই গাইনী ডাক্তার সিজার করার জন্য এগুলা প্রেসক্রাইব করে....
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম না খেলে গর্ভস্থ বেবির নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়।
১৩. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে সাদাস্রাব হলে ফ্লুইড কমে যায়।
নির্ভুলঃ White discharge এবং Amniotic fluid সম্পূর্ণ আলাদা দুটো ফ্লুইড.. একটার সাথে আর একটার কোনো সম্পর্ক নেই।
১৪. ভুলঃ বাচ্চা না হওয়া মানেই বন্ধ্যা নারী।
নির্ভুলঃ বন্ধ্যা, নারী এবং পুরুষ উভয়ই হতে পারে।।
এ ধরণের আরো অনেক ধরণের গুজব বা কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত, যেগুলোর কোনো ভিত্তি বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।
Collected
01/11/2023
Skip to content
Main Menu
HomeUncategorizedডেঙ্গু এর লক্ষণ, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
ডেঙ্গু এর লক্ষণ, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
Leave a Comment / By ferdoussgdzz / 12/08/2023
বর্তমানে ডেঙ্গু একটি ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। ডেঙ্গুকে একটি মৌসুমি রোগ মনে করা হলেও বিগত বছরগুলোতে তাকালে দেখা যাবে সারাবছরই ডেঙ্গুর প্রকোপ ছিল।বিশেষ করে ঢাকা শহরে ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গুর কারণে মৃতের সংখ্যা দাড়িয়েছে তিনশোর উপরে। এছাড়াও প্রায় অর্ধ লক্ষ মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ডেঙ্গুর কারনে। তাই ডেঙ্গু থেকে বাচতে ডেঙ্গু কি,কেন হয়, ডেঙ্গু এর লক্ষণ গুলো কি কি এবং এর প্রতিকার সম্পর্কে জেনে রাখা উচিত।
ডেঙ্গু জ্বর কি?
ডেঙ্গু জ্বর একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা স্ত্রী এডিস মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়। এডিস মশার উপদ্রব দিনের বেলায় বেশি লক্ষ্য করা যায় বিশেষ করে সকালে ও বিকালে। উপক্রান্তিয় এবং ক্রান্তীয় অঞ্চলের গ্রীষ্ম-প্রধান দেশগুলোতে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি। সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই রোগটি বেশি দেখা যায়।
ডেঙ্গু এর লক্ষণ
প্রথমবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে ৪-১০ দিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পায়। এক্ষেত্রে নিম্নোক্ত লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে:
জ্বর
তীব্র মাথা ব্যাথা
চোখের নিচে ব্যাথা
বমি করা
নাক দিয়ে পানি পরা
জয়েন্ট এবং পেশীতে ব্যাথা
ক্লান্ত অনুভব করা
ফুসকুড়ি
এছাড়াও অন্যান্য লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে
পেটে ব্যাথা
অস্থিরতা
ফ্যাকাশে ও ঠান্ডা ত্বক
অস্থিরতা
দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়া
বমি বা মলে রক্ত পরা
অনেক বেশি তৃষ্ণার্ত অনুভব করা
ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা
শুরুতে জ্বর দেখা দিলে নাপা বা প্যারাসিটামল সেবনের মাধ্যমে জ্বর নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। যদি অন্যান্য লক্ষণগুলো দেখা দেয় তাহলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে। কারণ অবহেলার কারণে ডেঙ্গু মৃত্যু ডেকে আনতে পারে।
ডেঙ্গু প্রতিরোধ
বাসস্থান হিসেবে ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকা পরিহার করুন
যেহেতু ডেঙ্গু মশার মাধ্যমে ছড়ায় তাই মশার প্রজননস্থল গুলো নির্মূল করতে হবে। যেমন: ডাবের খোসায়,টবে ভা টায়ারে জমে থাকা পানি পরিষ্কার করতে হবে।
মশা থেকে বাচতে কয়েল বা মশারি ব্যবহার করতে হবে।
ঘরের জানালায় মশা প্রতিরোধী নেট বা জাল লাগাতে হবে
যেহেতু এডিস মশা সকলে এবং বিকালে বেশি দেখা যায় তাআ এই সময়টাতে সতর্ক থাকুন
প্রতিবেশীদের সহায়তায় আপনার এলাকার সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থলগুলো চিন্হিত করুন ও নির্মূল করুন।
ডেঙ্গু সম্পর্কে আপনাদের করা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর:
প্রশ্ন: ডেঙ্গু কি মানুষ থেকে মানুষে ছড়াতে পারে?
উত্তর: না, ডেঙ্গু সরাসরি ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়াতে পারে না। এটি সংক্রমণের জন্য বাহক হিসেবে মশার দরকার হয়।
প্রশ্ন: ডেঙ্গুর কি নির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা আছে?
উত্তর: না, ডেঙ্গুর জন্য নির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা নেই। ডাক্তার হয়তো কিছু ওষুধ দিতে পারে। তবে সেগুলো শুধু আপনার লক্ষণগুলোকে দমিয়ে রাখার জন্য দেয়া হয়। এছাড়া ডেঙ্গু হলে বেশি বেশি পানি পান করতে হবে পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। গুরুতর সমস্যার ক্ষেত্রে হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হতে পারে।
প্রশ্ন: ডেঙ্গুর জন্য কি ভ্যাকসিন পাওয়া যায়?
উত্তর: হ্যা, ডেঙ্গুর জন্য ভ্যাকসিন আছে। তবে বাংলাদেশে এখনো ডেঙ্গুর জন্য কার্যকরী কোন ভ্যাকসিন নেই। কারন ডেঙ্গুর অনেক ধরনের ভেরিয়েন্ট আছে বাংলাদেশে।
প্রশ্ন: অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে কি ডেঙ্গু নিরাময় করা যায়?
উত্তর: না, ডেঙ্গু একটি ভাইরাল সংক্রমণ এবু অ্যান্টিবায়োটিক ডেঙ্গুর ভাইরাসের বিরুদ্ধে কার্যকর নয়। এক্ষেত্রে বিশ্রাম এবং শরীরের যত্ন নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে।
প্রশ্ন: ডেঙ্গু হলে কি মারা যাবার সম্ভাবনা আছে?
উত্তর: সাধারণত প্রতি তিনশো জনের মধ্যে একজন আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়ে থাকে। তবে অঞ্চলভেদে এই হার কম বেশি হতে পারে।
প্রশ্ন: ডেঙ্গু এবং অন্যান্য সংক্রামক রোগের মধ্যে পার্থক্য কি?
উত্তর: ডেঙ্গুর লক্ষণগুলো অন্যান্য ভাইরাল সংক্রমণের মতো হতে পারে। তবে ডেঙ্গুতে প্রায়ই গুরুতর জয়েন্ট এবং পেশী ব্যাথা থাকে যা অন্যান্য ভাইরাল সংক্রমণের অসুস্থতার ক্ষেত্রে কম দেখা যায়?
Read more: ডেঙ্গু এর লক্ষণ, প্রতিরোধ ও চিকিৎসা
বিভিন্ন রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানতে চাইলে ভিজিট করুন pharmacistbd.com/
Leave a Comment
Your email address will not be published. Required fields are marked *
Type here..
Type here..
Name*
Name*
Email*
Email*
Website
Website
Save my name, email, and website in this browser for the next time I comment.
Copyright © 2023 reserved by PharmacistBD
Home - পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন পরীক্ষা-২ কুইজ প্রেসক্রিপশন জেনে রাখা ভালো বিভিন্ন শব্দের পূর্ণরূপ জেনেরিক নাম ও কাজ র....
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Address
Dhaka
1211FESTIVAL