Tuhin vai official
ভালোবাসা নিয় প্রিয়❤️🩹🌹
হুম অভিশাপ দিবনা # foryou
হ্যাকার সিরিজ
#গল্প:- হ্যাকার দ্যা কিলার
#লিখা> RAJA Bhuiyan.(মি.440)
#পর্ব:- সূচনা
…………………….,
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ্ হল, রুম নাম্বার ১১২০ নং। একটা ছেলে থাকে যার নাম নিলয়। ছেলেটা দেখতে শ্যামলা আকৃতির,, হ্যাংলা টাইপের। সারাদিন চোখে একটা মোটা ফ্রেমের চশমা পরে থাকে। মাথার চুল গুলো কুঁকড়ানো,, অনেক টা বড় বড় আকৃতির। মুখে খুঁচা খুঁচা দাঁড়ি আছে। দেখতে বেশি একটা খারাপ না। কিন্তু ভার্সিটির কেউ নিলয়ের সাথে মিশতে চায় না,, কারণ নিলয় অনেক বোকা সহজ সরল একটা ছেলে। ক্যাম্পাসের সকলে নিলয় কে এক নামে চিনে,," ইনোসেন্ট বয় "। নিলয় অনার্স শেষ বর্ষে পড়ছে,, কিন্তু ছোট বড় সবার কাছে সে একজন মজার পাত্র। হবে নাই বা কেন? একটা ছেলে যদি ঢিলেঢালা পোশাক আশাক পড়ে ক্যাম্পাসে ঘুরেবেড়ায়,, সাথে আবার বোকার মতো কথা বার্তা বলে তাহলে তো সে হাসির পাত্র হবেই।
নিলয়ের কাছে একটা ল্যাপটপ আছে যেটা অনেক দামি। সে সারাক্ষণ রুমের ভিতর বসে বসে সেই ল্যাপটপে কি যেন করে। একজন সাইকোলজির স্টুডেন্টের মন যে ল্যাপটপে এত আসক্ত এটা নিলয় কে না দেখলে বুঝাই যেতো না। অন্য সব রুম গুলো তে তিন চার জন মিলে থাকে। কিন্তু নিলয় একা একটা রুমে থাকে। তার সাথে কেউ থাকতেও চায় না , কারণ নিলয় অনেক চুপচাপ থাকে কারো সাথে প্রয়োজন ছাড়া কথা বলে না। সবাই বিরক্তও নিলয়ের উপর। এমন একটা ছেলে কিভাবে কারো সাথে কথা না বলে থাকতে পারে। ......
সকাল দশটা নিলয় ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে,, অন্য দিনের মতো করে আজকেও ক্যাম্পাসের মাঠের কোনে কোনে স্টুডেন্ট রা বসে বসে আড্ডা দিচ্ছে। কোন কোন ছেলে আবার তাদের প্রেমিকার হাত ঝাপটে ধরে বসে বসে তাদের দুজনার প্রেম আলাপ করছে। তারা সবাই তাদের মতো ব্যস্ত। এই ক্যাম্পাসে দুইটা গ্রুপ আছে একটা হলো লেডি গ্রুপ যার প্রধান হলো তিতলি। অন্য আরেকটা বয়েজ গ্রুপ এটারও লিডার আছে যার নাম আরিয়ান। দুইটা গ্রুপের একই কাজ আর সেটা হলো এই ক্যাম্পাসের বোকাসোকা ছেলে মেয়েদের কে র্যাগ দেওয়া। অন্য দিনের মতো আজকে এটাই হচ্ছে। নিলয় তার ডিপার্টমেন্টে দিকে যাবে,, তখনই দুই দিক থেকে দুই গ্রুপের সদস্য রা ডাক দেয় নিলয়কে। নিলয় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। এখন কোথায় যাবে সে,,, ছেলেদের দিক থেকে ডাকছে সাকিব নামের একটা ছেলে। আর মেয়েদের দিক থেকে অন্তি নামের একটা মেয়ে ডাকতেছে। নিলয় মনে মনে ভাবছে,, আরিয়ান হচ্ছে এই ভার্সিটির ভিপি প্লাস ছাত্র। তার বাবা হচ্ছেন একজন রাজনৈতিক নেতা। যার ক্ষমতার কারণে কেউ তার দিকে মুখ তুলে কথা বলতে পারে না। অন্য দিকে তিতলি এই শহরের কমিশনারের মেয়ে। ভার্সিটির সকলের ক্রাশ বলতে গেলে সে। তবে তাকে একজন খুব ভালোবাসে আর সেটা হলো আরিয়ান,, কিন্তু তিতলি আরিয়ানকে ভালোবাসে না।
নিলয় উপরের সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করে ছেলেদের গ্রুপের দিকে এগিয়ে যায়।
" নিলয় সাকিব তকে ডাক দেওয়ার পর তুই এমন করে দাঁড়িয়ে ছিলি কেন?
কথাটা বলে সিগারেটের মধ্যে আরেকটা টান দেয় আরিয়ান। নিলয় মাথাটা উচু করে বলে :-
- ঐ পাশ থেকে অন্তি ডাকছিল। তাই দাঁড়িয়ে ছিলাম।
- অন্তি তকে ডেকেছে তাহলে যাস নি কেন? (আরিয়ান)
- আসলে ভাই,, আপনার কাছে যদি না আসি , তাহলে পরে আবার আপনি যদি আমাকে কিছু বলেন তাই অন্তিদের দিকে যাই নি।
- হাহাহাহা,, তার মানে তুই আমাকে ভয় পাস! (আরিয়ান)
- এই ক্যাম্পাসের সবাই তো আপনাকে ভয় পায়। তাহলে আমি ভয় পাবো না কেন?
- আচ্ছা নিলয়,, তুই তর ল্যাপটপ টা আমাকে দিয়ে দে। (আরিয়ান)
- না।
নিলয়ের কথা শুনে সাকিব তেড়ে আসে নিলয় কে মারার জন্য। আরিয়ান নিজের হাত দিয়ে বাঁধা দেয় সাকিব কে।
- সাকিব পিছনে যা,, নিলয় কে কিছু বলতে হবে না। (আরিয়ান)
- ভাই এই নিলয়ের সাহস হয় কী করে,, তোমাকে না করার। (সাকিব)
- কী রে নিলয় দেখলি! আমাকে মুখে মুখে কোনো জিনিস না দেওয়ার কথা বল্লে পোলাপান কীভাবে ক্ষেপে যায়। (আরিয়ান)
- ভাই আপনি তো কত ধনী পরিবারের সন্তান,, আপনি চাইলেই কিন্তু একটা নতুন ল্যাপটপ কিনতে পারেন। (নিলয়)
- চাইলেই পারি কিন্তু কিনি না কেন? সেটা জানিস! (আরিয়ান)
- আমি কীভাবে জানবো?
- পছন্দ আমার তর ল্যাপটপ টা। কারণ আমি দেখতে চাই কি আছে তর ঐ ল্যাপটপে,, যার জন্য তুই রুম থেকে বের হস না। (আরিয়ান)
- এমনিতেই ভাই ল্যাপটপ চালাতে আমার অনেক ভালো লাগে। (নিলয়)
- ল্যাপটপ কি শুধু তর ই আছে। আরে বেটা সবার কাছে ল্যাপটপ আছে। কিন্তু সবাই কি তর মতো এত আসক্ত নাকি। (আরিয়ান)
এবার সাকিব বলে উঠে :-
- ভাই তুমি বুঝ না , এই নিলয় ক্ষেত টা জীবনের প্রথম ল্যাপটপ দেখেছে আবার সেটা নিজের " তাই এমন করে চালাচ্ছে। (সাকিব)
সাকিবের কথা শুনে উপস্থিত সব ছেলেরা হাসতে থাকে। নিলয় মাথাটা নিচু করে ফেলে,, সে চাইলেই কিছু বলতে পারবে না এখন। কারণ ক্ষমতা। ক্ষমতা এমন একটা জিনিস যা মানুষ অনেক সাধনার পর পেয়ে থাকে আবার অনেকে আছে যারা কোনো সাধনা ছাড়াই ক্ষমতা পেয়ে যায়। টাকার জন্য। মূর্খ কে ও নেতার চেয়ারে বসাতে পারে এই টাকা। নিলয়ের কাছে টাকাও নেই ক্ষমতাও নেই,, টাকা থাকলে সে অবশ্য ক্ষমতার চেয়ার কিনে নিতে পারতো। কিন্তু তার কাছে এই মহামূল্যবান জিনিস টাও নেই।
আরিয়ান সবার হাসি থামিয়ে দিয়ে নিলয় কে উদ্দেশ্য করে বলে :-
- সাকিব যা বল্লো তা কি সত্যি?
- কথাটা মিথ্যাও না আবার সত্যিও না।
- তাহলে সত্যি আর মিথ্যা টা বলে দে!
- আমি ল্যাপটপ অনেক আগে থেকে ব্যবহার করি। আর গরীব মানুষের জানার প্রতি অনেক আগ্রহ। তাই আমি সারাক্ষণ রুমের ভিতর বসে বসে ল্যাপটপ চালাই। (নিলয়)
- ঐ রুমের ভিতর বসে বসে কী জানবি তুই। বের হ,, শহর টা প্রতিদিন একবার করে ঘুর দেখবি সব কিছু জানতে আর বুঝতে পারবি। (আরিয়ান)
- হিহিহিহি,, এই শহর তো আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে। গ্রাম থেকে পালিয়ে আসা একটা ছেলেকে কিভাবে শহরের অবস্থাশালী ব্যাক্তিরা অপমান অপদস্ত করে তা দেখেছি। তবে এই ব্যস্ত শহর থেকে আমি একটা জিনিস ভালো শিখেছি সেটা হলো রাতের আধারে কাউকে ছাড় দেওয়া ঠিক নয়। সেটা গরীব হওক বা ধনী। (নিলয়)
- নিলয় তুই অনেক সহজ সরল একটা ছেলে,, তুই যখন প্রথম এই ক্যাম্পাসে এসেছিলি তখনকার সময়ের কথা মনে আছে। (আরিয়ান)
- আমি অতীত কে মনে রাখি না। বর্তমান কে উপেক্ষা করে ভবিষ্যৎ তৈরী করি৷ (নিলয়)
- বাহ্ বেশ ভালো করেই দেখছি কথা বলতে শিখে গেছিস তুই। আমাকে শিখাবি! (আরিয়ান)
- আমি আপনাকে কথা বলা কিভাবে শিখাবো? (নিলয়)
- তুই এখনো বোকাই রয়ে গেলি। আমাকে কথা বলতে শিখাবি কেন? তুই আমাকে তর কথা বলার স্টাইল টা শিখিয়ে দে। (আরিয়ান)
- আপনি ভার্সিটির বড় ভাই,, আপনাকে আমি কী শিখাবো,, আপনি আমার থেকে আরো বেশি উন্নত স্টাইলে কথা বলতে পারেন। (নিলয়)
- নিলয় তুই কালকে ক্যাম্পাসে তর সেই বিখ্যাত ল্যাপটপ টা নিয়ে আসবি। আমি দেখতে চাই কি আছে সেই ল্যাপটপে। (আরিয়ান)
- না, না ভাই এটা আমি পারবো না। ক্যাম্পাসে কোন ভাবে ই না। (নিলয়)
- কেন রে তুই আবার ল্যাপটপে ঐ সব ভিডিও দেখিস নাকি। (সাকিব)
কথাটা বলে সবাই জোরে জোরে হাসতে থাকে,, নিলয় শুধু বোকার মতো করে তাকিয়ে আছে,, সাকিব কি বলছে! ঐ সব ভিডিও এটার মানে বুঝতে পারছে না নিলয়। এবার আরিয়ান বলে:-
- আমি কিন্তু না শব্দ টা পছন্দ করি না, তুই কালকে ল্যাপটপ নিয়ে আসবি এটা আমার শেষ কথা। (আরিয়ান)
- যদি প্রফেসর বা প্রিন্সিপাল স্যার কিছু বলে?
- এই আরিয়ানের উপর কেউ কোনো কথা বলবে এমন দূর সাহস ক্যাম্পাসের কারো নেই। স্যারে রা কিছু বল্লে আমার কথা বলবি সব সমাধান। (আরিয়ান)
- আরিয়ান ভাই আমার ল্যাপটপে দেখার মতো কিছু নেই। (নিলয়)
- দেখার মতো কিছু না থাকলে,, সাকিবের কাছ থেকে কিছু নিয়ে যাস পরে কোনো কাজে লাগবে। তুই কালকে ল্যাপটপ নিয়ে আসবি। এখন তুই ক্লাসে যা। (আরিয়ান)
- ভাই আমার কথা...
নিলয় কে থামিয়ে সাকিব বলে : -
- আর কথা না,, ভাই যেটা বলেছে এটাই শেষ কথা যা এখন। তুই পরে এক সময় আমার সাথে দেখা করিস ল্যাপটপে দেখার জন্য কিছু গান দিয়ে দিবো। (সাকিব)
- আমি গান শুনি না,, ধন্যবাদ।
নিলয় তার ডিপার্টমেন্টের দিকে যেতে থাকে,, তৃতীয় তালার পনেরো নাম্বার রুমটাই নিলয়ের সাইকোলজির ক্লাস রুম। নিলয় যাওয়ার পরে সাকিব আরিয়ান কে জিজ্ঞেস করে :-
- ভাই আপনার তো ল্যাপটপ আছেই। তাহলে ঐ নিলয় সালার পুতের ল্যাপটপ দেখবেন কেন?
- দেখবো ছেলেটা কি করে এই ল্যাপটপ দিয়ে। নিলয়ের রুমের পাশে যে থাকে ওর নাম মিদুল সে আমাকে বলেছে নিলয় নাকি ল্যাপটপ দিয়ে বড় কোনো কিছু একটা করছে। আমি সেটারই রহস্য উন্মোচন করবো কালকে। (আরিয়ান)
- ভাই একটা কথা শুনেছেন!
- কি কথা! বল তাড়াতাড়ি?
- শিমুল কিন্তু তিতলি ভাবির পিছনে পরে আছে,, কালকে বিকালে প্রপোজ পর্যন্ত করে ফেলেছে।
কথাটা শুনা মাত্র আরিয়ান সাকিবের ডান গালে চড় বসিয়ে দেয়। সাকিব কিছু না বলে মাথাটা নিচু করে রাখে। সে জানে আরিয়ান রেগে গেলে তাঁকে চড় দিবেই। তাই সাকিব কোনো কথা বলে না। সব কিছু সহ্য করে নেয়।
- চড় টা কেন মেড়েছি জিজ্ঞেস করবি না! (আরিয়ান)
- প্রয়োজন নেই ভাই। আমি জানি আপনি রেগে গেলে পাশে আমি থাকলে আমাকে চড় মারেন। রাগ কমানোর জন্য। (সাকিব)
- আজকে কেন মেড়েছি এটা জিজ্ঞেস করবি না। (আরিয়ান)
- কেন মেড়েছেন সেটা তো আমি কখনো আপনাকে জিজ্ঞেস করি না। আপনি এটা জানেন ভাই। (সাকিব)
- শিমুল কালকে বিকেলে তিতলি কে প্রপোজ করেছে এটা এত লেটে বলার জন্য চড় টা মেড়েছি। তুই যদি কালকে বিকেলেই আমাকে কথাটা বলতি তাহলে আমি শিমুল কে যে কি করতাম। (আরিয়ান)
- শান্ত হন ভাই। আমি দেখছি শিমুলের কি করা যায়। সালা অনেক বেরে গেছে,, এলাকায় খুব ভাব নিয়ে চলাফেরা করে। (সাকিব)
- আজকে বিকেলে শিমুল কে ধরে আমার সামনে নিয়ে আসবি। বেটা কে বুঝিয়ে দিবো অন্যের ভালোবাসার মানুষ কে প্রপোজ করার পরিনতি কত খারাপ হতে পারে। (আরিয়ান)
শিমুল ছেলেটা এলাকায় রংবাজি করে বেড়ায়। বাবা ব্যবসায়ী হওয়ার কারণে এলাকার লোকজন তাকে কিছু বলে না। ভার্সিটি থেকে কয়েক বছর আগে বিদায় নিয়েছে। সে হতে চেয়েছিলো ভার্সিটির ভিপি, কিন্তু আরিয়ানের জন্য সেটা আর সম্ভব হয় নি। তাই শিমুল এখন তিতলির পিছনে পরে আছে,, তিতলি কে নিজের প্রেমে ফাঁসিয়ে আরিয়ানের উপর বদলা নিতে চায় সে। আরিয়ানও কম যায় না শিমুলের থেকে। আরিয়ান কখনো হাড়তে শিখেনি,, জোর করে হলেও সে ছিনিয়ে নিয়েছে। তার কোনো জিনিসের উপর কেউ হাত দেওয়া এটা সে কখনো পছন্দ করে না। এবার তো শিমুল নামের ছেলেটা আরিয়ানের ভালোবাসার মানুষের দিকে হাত বাড়িয়েছে। কি হবে কে জানে!!
....…………….…....
নিলয়ের সব গুলো ক্লাস শেষ হয়েছে। তিতলি সাইকোলজি নিয়ে নিলয়ের সাথেই পড়ে। নিলয় যখন তার নির্দিষ্ট জায়গায় বসে বসে ক্লাস করছিলো। তার মাঝেই তিতলি হাত দিয়ে নিলয় কে কিছু একটা ইশারা করে বলছিলো। নিলয় প্রথমে না বুঝতে পারলেও পরে যে বুঝতে পেরেছে। ক্লাস শেষে গাছ তলায় দেখা করার জন্য। নিলয়ের মনে একটা ভয় কাজ করতে শুরু করে,, সকালে যখন অন্তুি ডাক দিয়েছিলো তখন নিলয় যায় নি। হয়তো এটা নিয়ে কিছু বলবে তাকে।
নিলয় কিছু একটা ভেবে ক্লাস থেকে বের হয়। সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় শারমিন মেডামের সাথে দেখা। নিলয় পাশ কাটিয়ে চলে যাবে তখনই মেডাম হাত দিয়ে নিলয় কে আটকায়। নিলয় বিরক্ত হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। শারমিন মেডাম দেখতে অনেক সুন্দরী বয়স টা প্রায় ত্রিশের কাছাকাছি এখনো বিয়ে করে নি। ভার্সিটির শত শত ছেলের ক্রাশ ইনি। কিন্তু তিনি কাউকে পাত্তা দেয় না। কিছুদিন যাবত শারমিন মেডাম নিলয়ের কাছাকাছি থাকছে। ক্লাসের সময় নিলয়ের সাথে প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে কথা বলে। নিলয় এই ব্যবহারে খুবই বিরক্ত বোধ করে,, মেডামের দিক চিন্তা করে সে কিছু বলে না। সম্মান দিয়ে যায়। আজকে এসে সরাসরি হাত ধরে ফেলেছে। নিলয় জোর করে হাত ছাড়িয়ে নেয়।
- কি হলো নিলয় তুমি এমন করছো কেন? (শারমিন)
- কেমন করছি আমি। (নিলয়)
- এই যে হাতটা ছুটিয়ে নিলে কেন! (শারমিন)
- তাহলে কী করবো আমি! কেউ যদি এমন অবস্থায় দেখে ফেলতো তাহলে কি হতো আপনি জানেন। (নিলয়)
- কি আর হতো! সবাই বলাবলি করতো শারমিন মেডাম ভার্সিটির সবচেয়ে বোকা ছেলের হাত ধরেছিলো। (শারমিন)
- মেডাম আপনি জানেন আমি একজন গরীব, বোকাসোকা ছেলে। তাহলে আমার সাথে এমন করছেন কেন। (নিলয়)
- আমার এমন একটা ছেলেই পছন্দ। (শারমিন)
- এমন ছেলে পছন্দ মানে! কি বলতে চাচ্ছেন আপনি? (নিলয়)
- তেমন কিছু না। আবার অনেক কিছু তুমি না সাইকোলজির স্টুডেন্ট তাহলে বুঝতে পারছো না আমি কী বুঝাতে চাচ্ছি। (শারমিন)
- দেখেন মেডাম,, আমি বুঝে গেছি আপনি কি চান কিন্তু সেটা কখনো সম্ভব হবে না । আমি ছাত্র আপনি শিক্ষিকা। (নিলয়)
- বাহ্ তুমি তো খুবই ইন্টেলিজেন্ট বয়। আমার না বলা কথা তুমি বুঝে গিয়েছ। (শারমিন)
- মেডাম আমার একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে এখন আমায় যেতে হবে। (নিলয়)
- যেতে হলে যাও আমি বাঁধা দিবো না। তবে যেখানে যাও আমাকে বলে যেতে হবে কিন্তু। (শারমিন)
নিলয় পড়ে গেছে বড় ঝামেলায়,, এখন যদি তিতলির কথা বলে তাহলে কী করবে যে মেডাম। এই কথা না বলেও উপায় নেই।
- আসলে মেডাম আমাদের ডিপার্টমেন্টের অন্তি নামের মেয়েটা সকালে আমাকে ডেকেছিলো। তাই এখন তার কথা শুনে আসতে হবে। (নিলয়)
- যাবে যাও তবে তুমি মেয়েদের দিকে তাকিয়ে থাকবে না। ঐ চোখ জোরা শুধু আমায় দেখবে। (শারমিন)
নিলয় কথাটা শুনা মাত্র এক দৌড়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচে চলে আসে। শারমিন মেডাম কে দেখলেই নিলয়ের মনের ভিতর ভয় কাজ করে। তাই সে যত পারে পালিয়ে ঘুরেবেড়ায়। গাছ তলায় অনেক গুলো মেয়ে বসে আছে। নিলয় সেদিকে যায়, তারপরই.........
[পরীক্ষা চলছে তবুও আপনাদের জন্য লিখে যাচ্ছি যদি সম্ভব হয় তাহলে সাপোর্ট করবেন। আর পরীক্ষা শেষ হওয়ার সাথে সাথে মাস্তানী অফ রাফিয়ান চ্যাপ্টার ২ পেয়ে যাবেন ] ধন্যবাদ
wait for the next part.
আসসালামু আলাইকুম
সালামের উত্তর দেওয়া
,,,,,,,,,,,,,,,,ওয়াজিব,,,,,,,,,,
Click here to claim your Sponsored Listing.