Riyajul online BD
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Riyajul online BD, Health/Beauty, Doher, Dhaka.
21/11/2022
গরুকে ইনজেকশন দেওয়ার সময় বিবেচ্য বিষয়সমূহঃ
গরু মহিষকে ইনজেকশন করার ক্ষেত্রে খামারিদের যেসকল দিক বিবেচনায় রাখা দরকার তার মাঝে অন্যতম হলো সিরিঞ্জ/সুইয়ের পজিশন। নির্দেশিকা মোতাবেক বিভিন্ন ধরণের মেডিসিন বিভিন্ন ভাবে পুশ করতে হয়।
যেমনঃ ইন্ট্রামাসকুলার ইনজেকশন ৯০° এঙ্গেলে সোজাসুজি মাশল পর্যন্ত যাবে আবার, ইন্ট্রাডার্মালের ক্ষেত্রে ১০° থেকে ১৫° বাকানো অবস্থায় শুধু চামড়ার নিচে পুশ করতে হবে। আবহাওয়া ঠান্ডা থাকা অবস্থায় ইঞ্জেকশন জাতীয় মেডিসিন ব্যবহার করলে ভালো হয়। এবং ইঞ্জেকশন দেয়ার পর কিছুক্ষণ ঠান্ডা জায়গায় গরুকে রাখতে হয়।
ইনজেকশন প্রয়োগে সতর্কতাঃ
১। ইঞ্জেকশন দেয়ার আগে গরুকে সঠিকভাবে ধরা, যেনো লাফালাফি করে সুই ভেঙ্গে না যায় বা অন্যকোনো সমস্যা দেখা না দেয়।
২। নতুন ও জীবাণুমুক্ত সিরিঞ্জ ও সুই ব্যবহার করা।
৩। ইনজেকশন অবশ্যই দক্ষ লোক অথবা ডাক্তারের মাধ্যমে প্রদান করতে হবে।
৪। সকল ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োগ করতে হয়।
🍁গবাদি পশুর রোগ ও প্রতিকার - প্রথম পর্ব🍁
----‐----------------------------------------------------
আমাদের গৃহপালিত বা খামারের গবাদি পশুর মাঝে মাঝে বিভিন্ন রোগ-ব্যাধি দেখা দেয়। এতে গবাদি পশুর উৎপাদন কমে যায়। এসব বিষয়ে সবারই প্রাথমিক জ্ঞান থাকা আবশ্যক। গবাদিপশু পালন ও কৃষি পেইজে আসুন জেনে নেই গবাদি পশুর রোগ ও তার প্রতিকার সম্পর্কে। আজ থাকছে প্রথম পর্ব-
🐄রক্ত আমাশয়🐄
♥♥♥♥♥♥
গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়ার ককসিডিয়া বা আইমেরিয়া নামে এক প্রকার প্রোটোজোয়া কৃমির সংক্রমণের ফলে এই রোগ দেখা যায়।
🍀লক্ষণ🍀
১. হঠাৎ করে দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা পায়খানা হয়।
২. ডায়রিয়া সহজে কমতে চায় না।
৩. কয়েকদিন পর পায়খানার সাথে রক্ত ও মিউকাস দেখা যায়।
৪. আমাশয়ের মত লক্ষণ দেখা দেয়।
৫. লেজের গোড়ায় রক্ত মিশ্রিত মল লেগে থাকে।
৬. তীব্র কোথ দেওয়ার ফলে অন্ত্র থেকে মল বেরিয়ে আসে।
৭. রেকটাল প্রলাপস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
৮. পশু দুর্বল হয়ে যায়।
৯. পশুর খাদ্যে অরুচি দেখা যায় এবং শুকিয়ে যায়।
১০. পশুর শরীরে খিঁচুনি দেখা দেয়।
চিকিৎসা
প্রথম দিন প্রতি ৫০ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ২৫-৩০ মিলিলিটার করে মাংসে বা চামড়ার নিচে বা শিরায় ডিমিডিন বা ডায়াডিন ইনজেকশন দিতে হবে। দ্বিতীয় দিন থেকে ওই মাত্রার অর্ধেক হিসেবে পরপর ৩-৫ দিন প্রয়োগ করতে হবে। অথবা প্রতি ৪০ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য একটি সালফাট্রিম বোলাস দৈনিক একবার বা দুইটি বিভক্ত মাত্রায় ৩-৫ দিন খাওয়াতে হবে।
🍁প্রতিরোধ🍁
• স্বাস্থ্যসম্মত পালন ব্যবস্থা।
• বাচ্চা প্রসবের ঘর বা স্থান পরিষ্কার ও শুষ্ক থাকা আবশ্যক।
• ঠাসাঠাসিভাবে পালন করা উচিত নয়।
• পশুর সব খাদ্য ও পানীয়তে যাতে মল লেগে দূষিত না হয়, সে ব্যবস্থা করা।
• নির্দিষ্ট সময় ওষুধ খাওয়ালে এ রোগ প্রতিরোধ করা যায় ।
মোঃ রাজু বেপারী ব্র্যাক এ,আই,এস,পি
মাহমুদপুর, দোহার,ঢাকা।।
০১৮৭১১৯৩৬৫৭
13/11/2022
যারা ছাগল লালন পালন করেন আপনাদের জন্য এই পোষ্ট টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কাচা ঘাসের সাথে দানাদার মিশ্রণ খাওয়ালে অধিক লাভবান হতে পারবেন।
🔺বিভিন্ন পর্যায়ে ছাগলের দানাদার খাদ্যের মিশ্রন~
🔹দুধ ছাড়ানোর পর বাচ্চার জন্য~
চালভাঙা~২৫০ গ্রাম
খেসারী ভাঙ্গা~২৫০ গ্রাম
গমের ভুষি~২৫০ গ্রাম
সয়াবিন তেল~১০ গ্রাম
চিটাগুড়~৪০ গ্রাম
লবন~১০ গ্রাম
ভিটামিক্স-ডিবি~৫ গ্রাম
ডিসিপি~৫ গ্রাম
(
বাচ্চার বয়স ৩০ দিন হলে দুধের পাশাপাশি দানাদার দেওয়া শুরু করতে হবে। ৫ মাস পর্যন্ত অল্প অল্প করে পরিমান বাড়াতে হবে। ১০০ গ্রামের বেশী দেওয়া যাবে না)
🔹বাড়ন্ত ছাগলের জন্যঃ-
ভুট্টা ভাঙ্গা~৩৫০ গ্রাম
গমের ভুষি~২৫০ গ্রাম
সয়াবিন খৈল~২১০ গ্রাম
খেসারীর ভুষি~১৬০ গ্রাম
লবন~১০ গ্রাম
ভিটামিক্স-ডিবি~৫গ্রাম
ডিসিপি~১৫গ্রাম
( ৫-১৪ মাস পর্যন্ত ছাগলের বাড়ন্ত বয়স, এই সময় ওজন অনুযায়ী ২০০-৬০০ গ্রাম বা তার অধিক পরিমানেও দানাদার খাওয়ানো যাবে)
🔹দুগ্ধবতী ছাগীর জন্য~
ভুট্টা ভাঙ্গা~৩৫০ গ্রাম
গমের ভুষি~২৫০ গ্রাম
সয়াবিন খৈল~২১০ গ্রাম
খেসারীর ভুষি~১৬০ গ্রাম
লবন~১০ গ্রাম
ভিটামিক্স-ডিবি~৫গ্রাম
ডিসিপি~১৫গ্রাম
( শেষ দুই গর্ভবতী ছাগীর জন্য দানাদার অত্যন্ত প্রয়োজন, ২০ কেজি ওজনের একটা ছাগীর জন্য ৭০০-৯০০ গ্রাম দানাদার প্রতিদিন খাওয়ানো যেতে পারে)
[Note: ছাগলকে একেবারে অনেক পরিমানে দানাদার দেওয়া যাবে না। সাথে প্রচুর পরিমান কাচা ঘাস খাওয়াতে হবে]
03/11/2022
ছাগল কেনার পূর্বে যেসব বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে
ছাগল কেনার পূর্বে অনেক বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয়। আমাদের দেশে ছাগল পালন একটি লাভজনক পেশা। ছাগল পালনে অপেক্ষাকৃত খরচ কম হওয়ায় দিন দিন ছাগল পালনের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ছাগল পালনে লাভবান হতে চাইলে ছাগল কেনার আগে কিছু বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আসুন জেনে নেই ছাগল কেনার আগে লক্ষণীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে-
পাঁঠা কেনার ক্ষেত্রেঃ
পাঁঠার পিছনের পা সুঠাম ও শক্তিশালী হতে হবে।
পাঁঠা কেনার ক্ষেত্রে বয়স ১২ মাসের মধ্যে হতে হবে।
পাঁঠা কেনার ক্ষেত্রে বংশ সম্পর্কে অবহিত হতে হবে অর্থাৎ পাঁঠার মা সঠিকভাবে দুধ দিত কিনা এবং তাদের বংশে কোন মারাত্মক ব্যাধি আছে কিনা ইত্যাদি সম্পর্কে।
ছাগী কেনার ক্ষেত্রেঃ
ছাগীকে হতে হবে অধিক উৎপাদনশীল বংশের এবং আকারে বড় হতে হবে।
৯-১২ মাস বয়সের ছাগী (গর্ভবতী হলেও কোনো সমস্যা নেই) কিনতে হবে।
পেট তুলনামূলকভাবে বড়, পাজরের হাড়, চওড়া, প্রসারিত ও দুই হাড়ের মাঝখানে কমপক্ষে এক আঙ্গুল ফাঁকা জায়গা থাকতে হবে।
ছাগীর ওলান সুগঠিত ও বাঁট সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।
ছাগলের স্বাস্থ্য সম্পর্কেঃ
ছাগল অবশ্যই সকল ধরনের সংক্রামক ব্যাধি, চর্মরোগ, চক্ষুরোগ, যৌনরোগ ও বংশগত রোগমুক্ত হতে হবে। পিপিআর খুবই মারাত্মক রোগ বিধায় কোনো এলাকা থেকে ছাগল সংগ্রহ করার আগে উক্ত এলাকায় পিপিআর রোগ ছিল কীনা তা জানতে হবে।
ছাগলের বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রেঃ
শুরুতেই ছাগলের দাঁত দেখে বয়স নির্ধারণ করতে হয়। বয়স ১২ মাসের নিচে হলে দুধের সবগুলোর দাঁত থাকবে, ১২-১৫ মাসের নিচে বয়স হলে স্থায়ী দাঁত এবং ৩৭ মাসের ঊর্ধ্বে বয়স হলে ৪ জোড়া স্থায়ী দাঁত থাকবে।
28/10/2022
যার কাজ করার সামর্থ্য নাই তার খামার করার দরকার নাই। আর যারা গরুর গোবর পরিষ্কার করতে,গরু কিনতে, বিক্রি করতে, স্কুল কলেজের সুন্দর সুন্দর মেয়েদের সামনে রাস্তা দিয়ে ঘাস আনতে,বাড়িতে মেহমান আসলে মেহমানদের সামনে কাজ করতে, এইসব বিষয়ে যারা লজ্জাবোধ করেন বিশ্বাস করুন তারা খামার করে কোনদিন সফ'লতা অর্জন করতে পারবে না।
আপনি গরু লালন পালন করবেন কি না এটা আপনার ব্যাপার। আর যদি গরুর খামার করার ইচ্ছে থাকে তবে নিচের কথা গুলি একটু পড়ে দেখুন।
♥লজ্জা দূর করতে হবে।
♥ইউটিউব নয় বাস্তবে কিছু খামার দেখতে হবে।
♥শতভাগ রাখালের উপর নির্ভারশীল না হওয়া।
♥গরুর প্রতি আপনার প্রেম ভালবাসা থাকতে হবে, নিজের পরিবারের মত।
♥আবাল প্রাণী আপনার উপর নির্ভর সেটা মাথায় রাখতে হবে।
♥আপনার কাজ আপনাকেই করতে হবে।
♥সমালোচনা সহ্য করতে হবে।
♥লাভ/লস যেটাই হোক অন্ততপক্ষে ৩/৪ বছর খামার চালিয়ে যেতে হবে।
♥সঠিক খামার ব্যবস্থাপনা মানতেই হবে।
♥সঠিক হিসাব নিকাশ রাখতে হবে।
♥হতাশা দূর করুন।
♥নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন
♥আপনি সফল হবেন এই কথা প্রতিদিন চিন্তা করুন।
♥মানুষের কথায় কান না দেওয়া।
মনে রাখবেন আপনার টাকা থাকলে সমাজ,পরিবার,পরিজন সবাই আপনার কাছে আসবে আর যদি টাকা না থাকে তবে কেও খোজ নিবে না।
বিভিন্ন যায়গায় আপনাকে নিয়ে সমালোচনা হবে অমুক এই পাশ ওই পাশ করে গরুর রাখাল হয়েছে,ছেলেটা পাগল হবে,গোবর খাবে ইত্যাদি... ইত্যাদি.......
দমে যাবেন না....
মনে রাখবেন.... আপনার নিয়ে যত বেশি সমালোচনা হবে আপনি ঠিক ততো বেশি সাফল্যের কাছা কাছি যাবেন।
সমালোচিত হতে যোগ্যতার প্রয়োজন হয় কিন্তু
সমালোচনা করতে যোগ্যতার প্রয়োজন হয় না।
আমার অভিজ্ঞতা থেকে লিখছি.. কাওকে আঘাত বা ছোট করার জন্য নয়।
আশা করি ভুল হলে ক্ষমার সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
26/10/2022
মাছের লেজ ও পাখনা পঁচা রোগ.......
আক্রান্ত মাছ: সাধারণত রুইজাতীয় মাছ, শিং-মাগুর ও পাঙ্গাস মাছ আক্রান্ত হয়ে থাকে।
রোগের কারণ:
* অ্যারোমোনাস ও মিক্সো ব্যাকটেরিয়া দিয়ে এ রোগ হয়।
* পানির ক্ষার স্বল্পতা ও পি-এইচ ঘাটতি দেখা দিলেও এ রোগের উৎপত্তি হতে পারে।
রোগের লক্ষণ:
* দেহের পিচ্ছিল পদার্থ কমে যায়।
* লেজ ও পাখনায় সাদাটে দাগ দেখা যায়।
* এ রোগে আক্রান্ত হলে প্রাথমিকভাবে পিঠের পাখনা এবং ক্রমান্বয়ে অন্যান্য পাখনাও আক্রান্ত হয়।
* লেজ ও পাখনা খসে পড়ে।
* রক্তশূন্যতা দেখা দেয় ও রঙ ফ্যাকাশে হয়।
* দেহের ভারসাম্য হারায় ও খাদ্য গ্রহণে অনীহা দেখা দেয়।
* মাছ ঝাঁকুনি দিয়ে চলাফেরা করে।
* আক্রান্ত স্থানে তুলার মতো ছত্রাক জন্মায়।
প্রতিরোধ ও প্রতিকার:
* নিয়মিত হররা বা জাল টেনে পুকুরের তলার বিষাক্ত গ্যাস কমাতে হবে।
* মজুদকৃত মাছের ঘনত্ব কমাতে হবে।
* পুকুরে প্রতি শতাংশে ১ কেজি হারে চুন প্রয়োগ করা।
* এরোগ আক্রান্ত মাছ পুকুর থেকে তুলে ০.৫ পিপিএম পটাশযুক্ত পানিতে আক্রান্ত মাছকে ৩ থেকে ৫ মিনিট ডুবিয়ে রাখতে হবে। পুকুরে শতাংশ প্রতি ২৪-৩৬ গ্রাম পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট প্রয়োগ করতে হবে।
* প্রতি কেজি খাদ্যের সাথে ২৫ মিলিগ্রাম টেট্রাসাইক্লিন মিশিয়ে পর পর ৭ দিন দিতে হবে।
এছাড়া রোগ-জীবাণু ধ্বংসের পর মজুদকৃত মাছের সংখ্যা কমিয়ে ফেলতে হবে।
* সারের ব্যবহার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে।
23/10/2022
গরুর শরীরে 'জিংক' এর ভূমিকা :
জিঙ্ক কি ?
জিংক একটা ধাতব পদার্থ এবং একই সাথে গরুর জন্য প্রয়োজনীয় একটা ট্রেস মিনারেল। ট্রেস মিনারেলস এই জন্য বলা হয় কারণ গরুর শরীরে এটা খুব সামান্য মাত্রায় দরকার হয়। কিন্তু পরিমানে কম হলেও গরুর শরীরবৃত্তীয় কাজে এটার ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। হল্যান্ড সরকার এবং ওয়েজেনিনজেন বিশ্ববিদ্যালয় এর এক যৌথ গবেষণায় বলা হয়েছে ৪০ লিটার দুধ দেয় এরকম একটা গভীর দৈনিক ৩২ মিলিগ্রাম জিঙ্ক দরকার হয় যার বেশিরভাগ গরু ঘাস থেকে পেয়ে থাকে। কিন্তু যেসব গরুকে সঠিক মাত্রায় পর্যাপ্ত পুষ্টিকর ঘাস দেয়া সম্ভব হয়না এবং দুধের পরিমান বেশি হয়, সেইসব গরুকে বাইরে থেকে খাদ্যের উপাদান হিসাবে জিংক সরবরাহ করা হয়।
জিংক এর প্রয়োজনীয়তা : জিংক গরুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, কোষের গঠন ঠিক রাখে। জিংক স্বল্পতায় গরু ধীরে ধীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এছাড়া জিংক এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো স্বাদের অনুভূতি ঠিক রাখে এবং খাদ্যের প্রতি চাহিদার ধরে রাখে। জিংক স্বল্পতায় গরু খাদ্য গ্রহণ কমিয়ে দেয়। জিংক এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ চামড়ার গঠন ঠিক রাখে ,যার ফলে গরু দেখতে সুন্দর হয় এবং ত্বকের রোগ থেকে রক্ষা পায়। চেক রিপাবলিক সরকারের প্রাণিসম্পদ বিভাগের করা এক গবেষণায় দেখা গেছে জিংক স্বপতায় গরুর দৃষ্টিশক্তি কমে যায়, এমনকি অন্ধ হয়ে যায় এবং অবয়ব বিকৃত হয়ে যায় এবং গরুর শরীরে প্রোটিন এবং এনার্জি মেটাবলুজম বাধাগ্রস্থ হয়। যার ফলে গরুর ওজন কমে যায়। একই গবেষণায় আরো দেখা যায় জিংক গরুর প্রজনশক্তির উপরে প্রভাব বিস্তার করে এবং দুধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে সাহাজ্য করে।
16/10/2022
রক সল্ট বা হিমালয় পিংক সল্ট।
👉🐄 গরু বা অন্যান্য প্রাণীর লালার নিঃসরণ বৃদ্ধি করে
👉🐄প্রানীর শরীরের মিনারেলের অভাব পুরন করে।
👉🐄হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
👉🐄খাবার গ্রহনের রুচি বৃদ্ধি করে।
👉🐄গরুর প্রজনন স্বাস্থ্য উন্নত করে।
👉🐄দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি করে।
👉🐄মাংসের উৎপাদন বৃদ্ধি করে।
👉🐄দেখতে সুন্দর ও চকচকে করে।
👉🐄রক সল্ট দুধের ফলন প্রায়13% বৃদ্ধি করে।
👉🐄ধুলোবালি ও দেয়াল চাটা বন্ধ করে।
👉🐄পিকা রোগ হয় না।
খাওয়ানোর নিয়মঃ-
👉🐄গরুর বিশ্রামের জায়গায় এটি রেখে দেওয়া যেতে পারে – চেটে খাওয়ার জন্য।
👉🐄প্রতিদিন ২০ - ৩০মিনিট করে দিনে ১- বার চাটার সুজোগ করে দিন।।
03/10/2022
আসুন খামার করে রাতারাতি ধনী হই।
আপনি কী জানেন, সঠিক উপায়ে যাচাই-বাছাই করে নতুন খামারি ভায়েরা ৯ লিটার দুধের গরু ক্রয় করে ২ লাখ টাকা দিয়ে! 😥
নতুন খামারিদের প্রচুর টাকা, তারা মুক্ত হস্তে দান করে।
যা-ই-হোক এবার আসল কথায় আসি। আপনি যদি দুধের গাভি ক্রয় করে খামার শুরু করেন, তাহলে ১৫ মাস পরে গিয়ে অর্ধেক পুঁজি হারাবেন, কথাটা আজ লিখে রাখুন। ১৫ মাস পরে মিলিয়ে নিবেন।
সতর্কতা, দেখতে সাদাকালো হলেই সেটা কিন্তু হাইকোয়ালিটির ফ্রিজিয়ান নয়। চিলচোখে হাই কোয়ালিটির মেয়ে বাছুর সংগ্রহ করে নিজের খামারে দুধের গরু তৈরি করুন, ১৫ মাস পরে পুঁজি সত্যি দিগুন হবে, ইনশাআল্লাহ।
আর একটি কথা। আপনি কি জানেন, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ার সমস্ত পুরাতন খামারিরা তার খামারের জঘন্য বা সব চেয়ে খারাপ গাভি গুলো বিক্রি করে দেয় ব্যাপারির কাছে। আর নতুন খামারি ভায়েরা ব্যাপারির থেকে সেই,,,
সেই গাভি গুলো কিনে স্বপ্নের খামার শুরু করে।
ভাবছেন ১৬-১৭ লিটার দুধের ভালো গরু নিয়ে বাংলাদেশের ব্যাপারিরা আপনার পথ চেয়ে বসে আছে, আর আপনি ২ লাখ দিয়ে সেটা কিনে নিবেন, আর সফল খামারি হবেন। ও দাদু, দাদুরে এই আশা ছেড়ে দিন। আপনাকে কেউ পথ তৈরি করে দেবে না-যে-সেই পথে হাঁটবেন। দাদু, আপনার পথ আপনাকেই তৈরি করে নিতে হবে। জাতময় বকনা বাছুর দিয়ে শুরু হোক আপনার খামার।
17/07/2022
গবাদিপশুতে তীব্র গরমের চাপ,লক্ষণ শনাক্তকরণ এবং করণীয়ঃ
----------------------------------------------------------------------
ইদানীং আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে প্রচন্ড গরম পরছে হঠাৎ করেই। এতে খামারের গবাদিপশু গুলি হিট স্ট্রেসে বা তীব্র গরমের চাপে আক্রান্ত হচ্ছে। এই হিট স্ট্রেস কিন্তু গবাদিপশুর জন্য প্রাণঘাতী এবং এটাকে খামারীরা অবশ্যই গুরুত্বের সাথে নিবেন। আমি নীচে কিছু আলোচনা করলাম কি ভাবে আপনারা আপনাদের খামারের গবাদিপশুটি কি হিট স্ট্রেসে আক্রান্ত হচ্ছে কিনা তার লক্ষণ গুলি শনাক্ত করবেন এবং সাথে সাথে এটার প্রতিকারে কি ব্যাবস্থা নিবেন সেই বিষয়ে!
হিট স্ট্রেসের লক্ষণ গুলি:
১। দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়া।
২। দীর্ঘ সময় ধরে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে দাঁড়িয়ে থাকা।
৩। ঘন ঘন মুখ দিয়ে শ্বাস ফেলা।
৪। মুখে দিয়ে ফেনা বা গেজলা বের হওয়া।
৫। গবাদিপশু যদি ছাড়া অবস্থায় থাকে তাহলে ছোট ছোট ভাগে দলবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা।
৬। ফ্ল্যাংকস থেকে ধাক্কা দিয়ে মুখের মাধ্যমে শ্বাস ছাড়া,অনেকটা হাপানোর মতোই!
৭। গবাদিপশু গুলির অস্থির থাকা।
৮। খাদ্য গ্রহণে অনীহা দেখা দিবে।
৯। এসিডোসিসের প্রবণতা বেড়ে যাবে।
১০। দুগ্ধ উৎপাদন কমে যাবে।
১১। রেক্টাল টেম্পারেচার বেড়ে যাবে।
১২। ইমিউনিটি কমে যাবে।
১৩। বডি মেইন্টেনেন্স এনার্জি বেড়ে যাবে যা উৎপাদনের উপর প্রভাব ফেলবে।
* যদি গবাদিপশুর ব্রেদিং রেইট মিনিটে ৯০ বার হয় তাহলে বুঝবেন এটা স্বাভাবিক!
* যদি গবাদিপশুর ব্রেদিং রেইট মিনিটে ১১০ বার হয় তাহলে এটা এলার্মিং!
* যদি গবাদিপশুর ব্রেদিং রেইট মিনিটে ১৩০ বার হয় তাহলে বুঝবেন এটা বিপদজনক!
এবার গবাদিপশুর হিট স্ট্রেস এড়াতে কিছু করণীয় বলে দিচ্ছি!
ক) এই সময় গবাদিপশুকে স্থানান্তর বা পরিবহন করাবেন না।গবাদিপশুকে যতটা কম পারা যায় হ্যান্ডেলিং করানোর সময় নড়া-চড়া করাবেন।
খ) গবাদিপশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পরিষ্কার ঠান্ডা পানি পান করার জন্য সরবরাহ করবেন। যদি পারেন,তাহলে পানিতে মাঝেমধ্যে ইলেক্ট্রোলাইট বা স্যালাইন মিশিয়ে দিবেন।
গ) গবাদিপশুকে অতিরিক্ত গরম আবহাওয়াতে দিনে কমপক্ষে ২~৩ বার গোসল দিয়ে দিবেন।
ঘ) গোয়ালঘর বা শেডের ভ্যান্টিলেশন ব্যবস্থা বিজ্ঞানসম্মত এবং উন্নত যাতে থাকে সেই ব্যাবস্থা করবেন। অর্থাৎ শেডে যাতে পর্যাপ্ত বাতাস ঢুকতে এবং বেরোতে পারে সেই ব্যাবস্থা করতে হবে।
ঙ) শেড বা গোয়ালঘরে কোনো অবস্থায় যাতে গরম ভাব না থাকে। এই ক্ষেত্রে ফ্যান ব্যাবহার করা যেতে পারে।
চ) গোয়ালঘর বা শেডে স্প্রিংকলার ব্যাবহার করতে পারেন।
ছ) গবাদিপশুকে উচ্চ কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য কম দিবেন এই সময়ে এবং সবুজ ঘাসের পরিমাণ বাড়িয়ে দিবেন।
জ) আবার বেশী ঠান্ডা করতে গিয়ে গোয়ালঘরের মেঝে সব সময় ভেজা রাখবেন না এতে আবার গবাদিপশুর অন্যান্য রোগ দেখা দিতে পারে!
ঝ) যে সব গবাদিপশুকে ছেড়ে পালন করা হয় তীব্র গরমে বা রোদে তাদের গোয়ালঘরে অথবা গাছের ছায়ায় বাঁধুন।
উপরের পদক্ষেপ গুলি নিতে পারলে ইনশাআল্লাহ দেখবেন আপনার গবাদিপশু গুলি হিট স্ট্রেসে আক্রান্ত হবে না। ফলে আপনার গবাদিপশু হিট স্ট্রোক থেকে বেঁচে যাবে। অতিরিক্ত গরমে গবাদিপশু ভাস্কুলার শকে আক্রান্ত হয় ফলে হিট স্ট্রোক করে,যা নিঃসন্দেহে প্রাণঘাতী!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Dhaka
1330