Hidden Beauty Gallery
Provider of 100% original & best cosmetics and beauty products at best price just in your budget! Authentic Brands are available in our page.
আপনি কি জানেন, আপনার মৃত্যুর ঠিক ৪০ দিন আগে আসমানে আপনার নামে একটা ঘোষণা হয়?
সাহাবায়ে কেরাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম বলতেন, মৃত্যুর ৪০ দিন আগে থেকেই রুহের দুনিয়ার সাথে সম্পর্ক আলগা হতে শুরু করে। অথচ আমরা দিব্যি খাচ্ছি, ঘুমাচ্ছি, প্ল্যান করছি... কিছুই টের পাই না।
কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এতটাই দয়ালু যে, বান্দাকে খালি হাতে নেন না। যাওয়ার আগে তিনি ১টি চুপচাপ ইশারা পাঠান। সেই ইশারাটা কী?
১. দুনিয়ার স্বাদ হঠাৎ ফিকে লাগা শুরু করে
কথিত আছে, মৃত্যু ঘনিয়ে এলে মানুষের অন্তরে এক অদ্ভুত পরিবর্তন আসে। যে খাবারটা কালও প্রিয় ছিল, আজ সেটা বিস্বাদ লাগে। যে বন্ধুদের আড্ডা ছাড়া দিন কাটতো না, হঠাৎ তাদের সঙ্গ অসহ্য লাগে। মন শুধু একটা কথাই বলে — "কিছু একটা মিসিং"।
ইমাম গাজ্জালী রহ. তাঁর 'ইহইয়াউ উলুমিদ্দীন' কিতাবে এক বুজুর্গের ঘটনা বলেন। সেই বুজুর্গ মৃত্যুর ৪০ দিন আগে থেকে হঠাৎ চুপ হয়ে যান। পরিবার জিজ্ঞেস করলে বলেন, "আমার জিভে দুনিয়ার কোনো খাবারের স্বাদ পাচ্ছি না। মনে হচ্ছে, আমাকে অন্য কোথাও দাওয়াতের জন্য তৈরি করা হচ্ছে।" ঠিক ৪০ দিনের মাথায় তিনি ইন্তেকাল করেন।
২. চোখের পানি কারণ ছাড়াই চলে আসে
ব্যাখ্যা ছাড়া কান্না। নামাজে দাঁড়ালে, কুরআন শুনলে, এমনকি রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে গেলে চোখ ভিজে যায়। দুনিয়ার কোনো কষ্ট না, তবুও বুকের ভেতর হাহাকার।
উলামায়ে কেরাম বলেন, এটা রুহের কান্না। কারণ রুহ বুঝে যায়, তার দুনিয়ার সফর শেষের দিকে। সে তার রবের সাথে মোলাকাতের জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠে। কিন্তু আমরা ভাবি, "হয়তো মন খারাপ"।
৩. সেই ১টি ইশারা: "ফিরে আসার তীব্র ইচ্ছা"
এবার আসল কথাটা শুনুন।
মৃত্যুর ৪০ দিন আগে আল্লাহ বান্দার অন্তরে তওবার একটা আগুন জ্বালিয়ে দেন। হঠাৎ করে মনে হয়, "ইশ! জীবনে কত গুনাহ করলাম। যদি আরেকটা সুযোগ পেতাম, সব শুধরে নিতাম। যদি মা-বাবার পা ধরে মাফ চাইতে পারতাম। যদি একবার সিজদায় পড়ে মন খুলে কাঁদতে পারতাম।"
এই ইচ্ছাটাই হলো আল্লাহর পাঠানো শেষ ইশারা। এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে একটা "ওয়ার্নিং" না, এটা একটা "মার্সি কল"। তিনি চান, বান্দা যেন পাক-সাফ হয়ে তাঁর কাছে ফিরে।
সমস্যা হলো, ৯০% মানুষ এই ইশারাকে 'ডিপ্রেশন' বা 'মনের ভুল' ভেবে উড়িয়ে দেয়। দুনিয়ার কাজে আরও বেশি ডুবে যায়। আর ১০% মানুষ ঠিকই বুঝে ফেলে। তারা তওবা করে, কাদা-মাটির দুনিয়া থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
শেষ কথাটা কলিজায় লাগবে...
প্রিয় ভাই/বোন, আপনার-আমার মৃত্যুর ৪০ দিন কখন শুরু হবে, সেটা একমাত্র আল্লাহ জানেন। হতে পারে, আপনি এই লেখাটা পড়ছেন, আর আপনার ৪০ দিন অলরেডি শুরু হয়ে গেছে।
কুরআনে আল্লাহ বলেন: "কেউ জানে না আগামীকাল সে কী অর্জন করবে এবং কেউ জানে না কোন জমিনে সে মৃত্যুবরণ করবে" $Quran 31:34$
তাই এই ইশারার জন্য ৪০ দিন অপেক্ষা করবেন না। আজ, এখনই, এই মুহূর্তে যদি বুকের ভেতর তওবার ইচ্ছাটা জাগে, বুঝে নেবেন — এটাই আল্লাহর ডাক।
উঠে দাঁড়ান। ২ রাকাত নামাজ পড়ুন। মা-বাবাকে ফোন দিন। যার হক মেরেছেন, ফিরিয়ে দিন। কারণ আমরা কেউ জানি না, আমাদের নামে আসমানে ঘোষণা কবে হয়ে যাবে...
আপনি কি চান, মৃত্যুর আগে আল্লাহ আপনাকে এই ইশারাটা দিন? কমেন্টে 'আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খাতিমাহ' লিখে দুআ করুন — "হে আল্লাহ, আমাকে সুন্দর মৃত্যু দিও"।
30/06/2026
এক সময় এর বহুল আলোচিত সেট এটি
এটা use করে উপকার পায় নি এমন কেউ নেই
৫০% কমে ড.আলভিন সেট🍀
রেগুলার প্রাইজ-১৮৫০ /-
গিফট প্রাইজ-৯২৫ /-
একজন পাবেন গিফট প্রাইজে 😍(নতুন কাস্টমার হতে হবে সরি রেগুলার কাস্টমার এর জন্য না,আমি চাই নতুন কাওকে হেল্প করতে,যার উপকার আসবে এবং যিনি সবার আগে ডেলিভারি চার্জ পে করে অর্ডার কনফার্ম করবে।)
বি:দ্র:- পেজে একটিভ থাকবে হবে।লাস্ট ৩ টা পোস্টে রিয়্যাক্ট দিতে হবে🌺
29/06/2026
ও কিন্তু ১০০% পারফেক্ট বনুরা
29/06/2026
আমার প্রথম সন্তান মাশিয়ার যখন জন্ম, তখন আমি এবং আমার স্ত্রী দুইজনই ফিফথ ইয়ারে। মাশিয়ার জন্ম ছিল একটি মেডিকেল মির্যাকল। আমার স্ত্রীর কিছু সমস্যা ছিল যার কারণে ওর মা হতে পারার কথা ছিল না। ব্যাপারটা আমি বিয়ের আগে থেকেই জানতাম। নিজেকে বুঝালাম - পুরো পৃথিবীকে না, আমার আসলে শুধুমাত্র একজন মানুষের কাছে নিজের মনুষ্যত্বের পরীক্ষাটা দিতে হবে। আমি চাইলেই তাকে হতাশার সাগরে একা ছেড়ে দিতে পারি, আবার সারাজীবনের জন্যে তার পাশেও দাঁড়াতে পারি। তাই পছন্দের মানুষটা কখনো মা হতে পারবেনা এটা জানার পরেও থার্ড ইয়ারে থাকা অবস্থাতেই, মানসিক সুস্থতার জন্যে হলেও, ওর সব দায়িত্ব নেয়া আমার কাছে জরুরী বলে মনে হয়। সব জেনে-বুঝে ঠান্ডা মাথায় পরিবারকে বুঝাই। ২০০৭ সালের মে মাসে আমাদের বিয়ে হয়ে যায়।
ইনফার্টিলিটির চিকিৎসা ছিল আমাদের কাছে এক ভয়াবহ মানসিক যুদ্ধের নাম। অনেক চেষ্টার পরে, বিয়ের প্রায় তিন বছর পর,পৃথিবী আলো করে আমাদের প্রথম সন্তানের জন্ম হয়। ডাক্তার মেয়েটাকে কোলে দিয়ে বলেছিলেন - "ও তোমাদের বিস্ময় শিশু! আগলে রেখ।”
আমাদের ফাইনাল প্রফের আর ৫ মাস বাকি তখন। আমার স্ত্রী ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ছাত্রী। তাই অনেক ঠিক-ভুলের হিসেব মেলানো বাকি রেখে ওকে একা চট্টগ্রাম ফেরত পাঠালাম। কথা দিলাম শুধু ৫টা মাস,আরেকটু কষ্ট যেন করে। এরপর আমরা তিন জন সারাজীবন একসাথে থাকব। সিজারের মাত্র ২১ দিনের মাথায় সন্তানকে ছেড়ে ও হোস্টেলে ফিরে যায়। কথা দিলাম,মেয়েকে আমি দেখে রাখব।
ফাইনাল প্রফের প্রচন্ড চাপের মধ্যে অপরিপক্ক হাতে মেয়েকে পালতে পারব কি পারব না সেসব নিয়ে ভাবিনি। হাতে বই আর কাঁধে মেয়ে- এভাবেই প্রফের প্রস্তুতি নিতে থাকি। কিন্তু সত্যিটা হল, এর মধ্যেই আমাদের বন্ধুত্বটা ভীষণ জমে গেল। তখন আমি একই সাথে তার বাবা ও মা।
কিন্তু প্রফের পরেও সমস্যা একটা রয়েই গেল। কিছুতেই আমার স্ত্রীর ইন্টার্নশিপ ঢাকায় ট্রান্সফার করা গেলনা। মেয়েও চিটাগাং যেয়ে খাপ খাওয়াতে পারছিল না। ফলে মেয়ে আমার কাছেই রয়ে গেল। মোট দু বছর প্রায় একা ওকে কোলে পিঠে করে বড় করি। সবাই আমাকে ডাকত কুশল ভাই, দেখাদেখি মেয়েও আমাকে ডাকতে শুরু করলো, “কুতল ভাই”। নিঃসন্দেহে আমার জীবনের শ্রেষ্ঠ সময় ছিল ওটা।
এই ভাঙা পরিবারটা নিয়েই আমরা সুখী ছিলাম। কিন্তু জন্মের কয়েক মাসের মাঝেই আমাদের মেয়েটার Coronal Craniosynostosis ধরা পড়ে। আমাদের পুরো পৃথিবী থমকে যায়। আমার সুস্থ মেয়েটা আস্তে আস্তে মেন্টালি রিটার্ডেড হয়ে যেতে পারে ভাবতেই দম বন্ধ হয়ে আসত। ডাক্তার দুই বছর সময় বেঁধে দেন। আমি শুধুমাত্র সৃষ্টিকর্তার কাছে দু' হাত পেতেছি যাতে আমাদের মেয়েটাকে তিনি সুস্থ করে দেন। খুব বাঁশি বাজাতে ভালবাসতাম, তবলা বাজাতেও ভাল লাগত। ওর সুস্থতার আশায় প্রয়োজনে এগুলো ছেড়ে দেব বলেও মন ঠিক করে ফেললাম।
সৃষ্টিকর্তা আমাকে ফেরান নি, একজন পিতার দোয়া তিনি কবুল করেছেন। মাশিয়া কে তিনি সুস্থ রেখেছেন। আমাদের মেয়েটা হাতেগোনা কয়েকজন Coronal Craniosynostosis সারভাইভারদের একজন। আমি সবাইকে বলি যে, আমি হচ্ছি একজন অতি ভাগ্যবান বাবা এবং আমার 'বিস্ময় কন্যা' আসলেই এক বিস্ময়। কারণ সবগুলো ফন্টান্যালি প্রিম্যাচিওরলি ফিউজড হলেও সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছায় ওর বিন্দুমাত্র কোন বিপদ হয়নি। ওর এবার সাত বছর হলো। সেই বিপদটা কেটেছে আজ প্রায় ৫ বছর হতে চলছে। ও এখন একদম ঝুঁকিমুক্ত।
ইন্টার্নশীপ শেষে আর্মি মেডিক্যাল কোরে ক্যাপ্টেন হিসেবে চাকরির সুযোগ পাই। জাপানে পেলাম পিএইচডি করার জন্য মনবুশো স্কলারশিপ। কিন্তু সাইকায়াট্রির প্রতি ভালবাসা পিছিয়ে দিল। বিএসএমএমইউ তে এমডি রেসিডেন্সিতে চান্স পেয়ে যাই। একদিন বড় সাইকায়াট্রিস্ট হয়ে মানুষের উপকারে আসব সেই অপেক্ষাটা করতে পারিনি। নিজের স্বপ্নগুলোকে বাস্তবে দেখতে ইচ্ছে হত। সেই লক্ষ্যেই আস্তে আস্তে কাজ করতে শুরু করি। লাইফস্প্রিং নামে একটি মেন্টাল হেলথ ইন্সটিটিউট শুরু করি। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে অনেক কিছু করার স্বপ্ন দেখি। 'হোপ অটিজম স্কুল' এর চেয়ারম্যান হিসেবে অটিস্টিক শিশুদের সাথে যুক্ত হয়েছি। কাজ করতে চাই সব স্পেশাল বাচ্চাদের জন্যেও। নিজের মেয়েকে নিয়ে সেই দু:সহ দিনগুলো থেকেই এই সামাজিক দায়বদ্ধতার জন্ম।
গত ৫ বছরে শুধু ঢাকা মেডিকেলেরই অনেক স্টুডেন্ট এর কাউন্সিলিং করেছি ব্যক্তিগতভাবে। তাদের প্রত্যেকের গল্প আমি যত্ন নিয়ে নিজের কাছে জমিয়ে রেখেছি। ওদেরকে জীবনে বেঁচে থাকার উদ্দেশ্য বোঝানোর চেষ্টা করেছি। স্বপ্নজয়ীদের মিছিলে সবাই চাইলেই মিশে যেতে পারে না। তাই আমরা যেন এদেরকে আগে থেকে চিনতে ভুল না করি,ভালবেসে জড়িয়ে ধরতে ভুল না করি, বলতে ভুলে না যাই যে - চড়াই উতরাই পেরিয়ে সাফল্য আসবেই। নিজের জীবনকে ভালবাসতে না পারাটাই মানুষ হিসেবে আমাদের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা। জীবনের হিসাব যেন 'জীবনে কী পেলাম না' সেটা দিয়ে না মেলাই, কী পেয়েছি বরং সেটা দিয়ে মেলাই।
[Humans of DMC]
উপরের লেখাটি কুশল ভাই আর সুষমা আপুর বিয়ের জীবনের শুরুর দিকের.....এরপর প্রায় ১৫ -২০ বছর..... শেষের গল্পটা তো সবাই জানেনই।
এখন শুরুর এই ঘটনাটা পড়ে কি একবারও মনে হতে পারে এই সম্পর্কটাই অন্যভাবে শেষ হবে!এরকম ভাবা প্রায় অসম্ভব! কিন্তু জীবন এমনই। নিজেদের ভুলত্রুটির প্রায়শ্চিত্ত হোক বা তাকদীরে রাখা পরীক্ষা হোক......আপনাকে বাস্তবতার কাছে সমর্পন করা লাগবেই।
অনেকেই দেখলাম বিয়ে ভাঙছে এজন্য প্রচুর সেলিব্রেট করতেছেন! কিন্তু ইসলাম তো এক ধরনের ত্রুটিবিচ্যুতির কারনে অন্য কোনো ব্যাথাতুর গল্পে এরকম নোংরা উদযাপনকে অনুমোদন দেয় নি!
যাই হোক, রিজিকের সবচেয়ে সুন্দর একটা ফর্ম হচ্ছে জীবনভর পাশে থাকা মানুষগুলো হেল্পফুল, আন্ডারস্ট্যান্ডিং,প্রশান্তিকর হওয়া। আল্লাহ তা'লা যেনো আমাদের সবাইকেই এরকম রিজিকে প্রাচুর্য দান করেন নয়তো শেষ বয়সে সব থাকলেও একটা প্রশান্তময় মানুষ/পরিবারের অভাবে বেচে থাকাটাই মিনিংলেস মনে হবে!
28/06/2026
সুষমা রেজাকে একটা সময় ডাক্তার বলে দিয়েছিলেন যে তিনি কোনোদিন মা হতে পারবেন না। এরপরও তিনি সন্তান লাভের জন্য চিকিৎসা চালিয়ে গিয়েছেন। ডাক্তারের চেম্বারের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেছেন, দিনের পর দিন। সঙ্গে থাকতেন তার স্বামী ড. কুশলও।
অবশেষে তারা মা-বাবা হতে পেরেছিলেন। আল্লাহর পক্ষ থেকে তিন-তিনজন আমানত তারা পেয়েছিলেন। কিন্ত এত আরাধ্য বস্তু যে সন্তান, মা-বাবার সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য তারাও যথেষ্ট হলো না। সংসার ভেঙেই গেল অবশেষে। হয়তো আরও আগেই ভেঙে টুকরো হয়ে গিয়েছিল, আমরা কেবল বাইরে থেকে স্ট্র্যাকচারটা দেখতে পেতাম।
এমন অনেক দম্পতিকে চিনি যাদের একাধিক সন্তান, স্বাচ্ছন্দ্যে বাঁচার জন্য যা লাগে সব আছে জীবনে, শুধু নেই স্বামীর সঙ্গে স্ত্রীর মিল। তাদের চিন্তা আলাদা, বিছানা আলাদা, কেবল ছেড়ে গেলে আরও `খারাপ` অবস্থায় থাকতে হবে তাই একে অন্যকে ছেড়ে যায় না।
বন্ধ দরজার ওইপাশে কী ঘটে তা স্বামী আর স্ত্রী ছাড়া পৃথিবীর কোনো মানুষ জানে না। সবার সামনে ভেজা বেড়াল হয়ে থাকা, স্ত্রীর টাকায় চলা এবং স্বামী হিসেবে কোনো হক আদায় না করা স্বামীটিও হয়তো দরজার ওইপাশে স্ত্রীর জন্য ভয়ংকর সাইকো হয়ে ওঠে, যে রূপ আর কেউ দেখে না!
আমাদের মানুষের জীবন নিয়ে জাজ করা বন্ধ করা উচিত। যার যার জীবন তার তার। আজকে বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে বলেই একটা সময় জানপ্রাণ দিয়ে একে অন্যের পাশে থাকাটা মিথ্যে হয়ে যায় না। সন্তান থাকার পরেও বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে বলেই মিথ্যে হয়ে যায় না সন্তানের আশায় থাকা পরস্পরের কাঁধে মাথা রাখার দীর্ঘ অপেক্ষার দিনগুলো। আজ কেউ একসঙ্গে আছেন বলেই যে সারাজীবন থাকবেন, সে কথাই বা কে বলতে পারে! লাইফ ইজ সো আনপ্রেডিক্টেবল।
আমাদের উচিত মানুষের চোখে পারফেক্ট কাপল হয়ে ওঠার চেষ্টা বন্ধ করা। জীবনে হাসির পাশাপাশি কান্নাও সত্যি। পুরোপুরি পারফেক্ট কেউ হয় না। বাথরুম ভেজা রাখার `অপরাধে` স্ত্রীর সঙ্গে মেজাজ দেখানো স্বামিটিই স্ত্রীর অসুখে মাঝরাতে ওষুধ কিনতে ফার্মেসিতে ছুটে যান। মসলা রাখার শখের বয়াম কিনে দেয়নি বলে রাত-দিন স্বামীকে খোঁচা দিয়ে কথা বলা স্ত্রীটিই আবার স্বামীর প্রয়োজনে সবটুকু স্বর্ণ বেচে দেন। পৃথিবীতে পারফেক্ট কে হতে পারে, বলুন!
আগামীর দিনগুলো কার, কোথায়, কীভাবে কাটবে তা কে বলতে পারে। যতদিন একসঙ্গে আছি, আমাদের উচিত প্রতিটি দিন একে অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়ে পাশে থাকা। একে অন্যকে ক্ষমা করে পাশে থাকা। পাশাপাশি জায়নামাজে দাঁড়িয়েও মোনাজাতে পাশের মানুষটিকেই চাওয়া!
24/06/2026
কখন বুঝবেন , আপনি অনেক বেশি পাপ করে ফেলেছেন???
যখন দেখবেন আপনার নিউজফিডে এসব আসতেছে 😭😭😭
পরীমনি কে তাও আমি মেনে নিছি। কিন্তু এই বারিষা হক। এন্টাসিড খেয়েও হজম করতে পারছি না 🤮🤮🤮
তারপর কখন বুঝবেন,, একেবারে আপনি পাপে পাপে টইটম্বুর হয়ে গেছেন। এবং আপনি গরীব এবং আপনি বাংলাদেশী চরম গরীব যার বেঁচে থাকার কোন অধিকার নাই 😭😭😭
যখন আপনার সামনে নিপুণ আসবে 😫😫😫
বেচারি ঠোঁটে ফিলার করছে। ঠোঁটটা ঠিকমতো নাড়াতে পারতেছে না। সম্ভবত ইউটিউব দেখে বাসায় বসে নিজে নিজেই ফিলার করছে। নইলে এই অবস্থা হওয়ার কথা না 😭😭
যাইহোক আমি বাঙালি ,, আমাকে এসব সহ্য করে বেঁচে থাকতে হবে। কারণ আমরা গরীব। আর এরা সবাই গরীবের শাকিরা আর নোরা 😭😭😭😭
বি:দ্র:- একটা দুষ্টু ছেলে আমাকে বললো,, আর্জেন্টিনার কাপের চাইতে নাকি পরীমনির স্বামীর সংখ্যা বেশি ,, যাহ দুষ্টু 🫣🫣
আবার ভূমিকম্প ..বুঝতে পারছেন?
21/06/2026
নারীদের ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা অপরিহার্য। প্রতিদিনের সঠিক যত্ন ভবিষ্যতের সুস্থ জীবন নিশ্চিত করে 🌸। V Wash Intimate Hygiene Wash এই ক্ষেত্রে একটি নির্ভরযোগ্য সমাধান প্রদান করে। এটি ল্যাকটিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ ফর্মুলা দ্বারা pH ভারসাম্য (3.5) বজায় রাখে 💧। এর নিয়মিত ব্যবহারে অস্বস্তি ও জ্বালাপোড়া প্রতিরোধ করা সম্ভব 🌿।
20/06/2026
ভিডিওটা আমার চোখের সামনে যতবার আসে, ততবারই দেখি, আর ক্যাপশনটা? সেটাও বারবার পড়ি।
ভদ্রলোক তার স্ত্রীর একটি "জীবন উপভোগ" করার মুহূর্তের ভিডিও শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন—
Dear wife,
Always keep flying like this like a free bird
And let’s keep spinning like this around the whole world.
Remember, your husband got your back to support you at any circumstances, my Queen.
ভিডিওটা প্রচুর রিচ পেয়েছে তবে আমার মনে হয়, শুধু ভিডিওর জন্য না এর চেয়েও বেশি মানুষ মুগ্ধ হয়েছে ওই কয়েকটা লাইনের জন্য।
কারণ, প্রায় প্রত্যেকটা মেয়েই চায় তার জীবনে এমন একজন মানুষ থাকুক, যে তার জন্য আকাশ হয়ে দাঁড়াবে।
যে তাকে খাঁচায় বন্দী না করে, বরং মুক্ত পাখির মতো উড়তে দেবে, যার কাছে ভালোবাসা মানে নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং সমর্থন।
আসলে শুধু মেয়েরা না, আমরা সবাই জীবনে এমন একজন মানুষ চাই যে আমাদের পাশে থাকবে, যে আমাদের স্বপ্ন গুলোকে ছোট করবে না, বরং ডানা মেলে উড়তে সাহায্য করবে।
যে দুনিয়া বিপক্ষে গেলেও অন্তত আমাদের হাতটা শক্ত করে ধরে বলবে, “আমি আছি।
এমন একজন সাপোর্টিভ পার্টনার পাওয়া সত্যিই অনেক বড় শান্তির ব্যাপার।
আপনি যদি ছেলে হয়ে থাকেন, তাহলে চেষ্টা করুন আপনার পার্টনারের জন্য আকাশ হতে, তাকে উড়তে দিন, নিজের মতো করে বাঁচতে দিন, বিশ্বাস করুন, তার সুখের মধ্যেই আপনারও ভালো লাগা খুঁজে পাবেন।
আর আপনি যদি মেয়ে হয়ে থাকেন, তাহলে যে মানুষটা আপনার জন্য আকাশ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তার আকাশটাকেও আরও রঙিন করে তুলুন।
দু'জন মানুষ যখন একে অপরকে আগলে রেখে, সমর্থন দিয়ে, হাত ধরে একসাথে বড় হয় তার চেয়ে সুন্দর দৃশ্য খুব কমই আছে।
Hasiba Kaysar ✍🏻
19/06/2026
যারা আসলে বুজতে পারেন নি ফুট পিল অফ মাস্ক কিভাবে কাজ করে। তাদের জন্য বিস্তারিত পোস্ট।
এই মাস্ক টি প্যাকেটের মধ্যে মোজার আকারে ইনটেক থাকে।পা ধুয়ে মুছে নিবেন।এরপর এটাকে আপনি কেচি দিয়ে কেটে পা এর মধ্যে রেখে পাশে সিল করার যায়গা আছে আটকে লক করে শুয়ে বসে থাকবেন।৩০-৪০ মিনিট পর পা নরমাল পানিতে ধুয়ে ফেলবেন। ব্যস আপনার কাজ এতটুকুই।
এরপর ৪৮-৭২ ঘন্টার মধ্যে আস্তে আস্তে চামরা আলাদা হতে শুরু করবে।এরপরের ২৪ +ঘন্টায় আশা করছি পুরো পিল অফ হয়ে আপনি পাবেন একদম ফ্রেশ বেবি সফট পা।
এতটা সিউর হয়ে বলছি কারন প্রোডাক্ট সেল করার আগে আমি নিজে ব্যবহার করেছি এসব ছবিও আপ্লোড দিয়েছি।অবাক করা বিষয় হয়েছে যে আমার পা ফাটা ছিল আমি কয়েকদিন পর খেয়াল করলাম যেটা পুরো ভ্যানিস।এটা এক্সপেক্ট ও করি নি।এই জিনিস টা শুধু নিজেদের পায়ের যত্ন না আপনি আপনার আম্মুর জন্যেও নিতে পারেন।
এত ভালো একটা জিনিস ইউজ করে ভালো লাগার পরেই আমি আনাইসি।
Click here to claim your Sponsored Listing.