HEALTH BOST WITH TOWHID

HEALTH BOST WITH TOWHID

Share

please contact with doctor for health issue
i am not a doctor
so don’t take my advice as a doctor

Photos from HEALTH BOST WITH TOWHID's post 10/08/2026

সূর্য গ্রহণের সময় খালি চোখে সরাসরি সূর্যের দিকে তাকানো উচিত নয়। বিজ্ঞান অনুযায়ী এটি চোখের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে। এছাড়া ধর্মীয় ও সামাজিক বিশ্বাস অনুযায়ী এই সময়ে খাওয়া-দাওয়া, রান্না করা এবং ঘর থেকে বাইরে বের হওয়া থেকে বিরত থাকার প্রচলন রয়েছে।

বৈজ্ঞানিক সতর্কতা ও নিষিদ্ধ কাজ

খালি চোখে তাকাবেন না: কোনো অবস্থাতেই খালি চোখে বা সাধারণ সানগ্লাসে সূর্য গ্রহণ দেখবেন না।

ফিল্টার ছাড়া যন্ত্র ব্যবহার নিষেধ: ক্যামেরা, বাইনোকুলার বা টেলিস্কোপে বিশেষ সোলার ফিল্টার ছাড়া সূর্য দেখবেন না।

নিরাপদ মাধ্যম ব্যবহার করুন: দেখতে হলে সার্টিফাইড ইক্লিপস গ্লাস বা পরোক্ষ প্রজেকশন পদ্ধতি ব্যবহার করুন।

ধর্মীয় ও ঐতিহ্যগত নিষেধ (লোকবিশ্বাস)

খাবার গ্রহণ ও রান্না: অনেক সংস্কৃতিতে গ্রহণের সময় রান্না করা ও খাবার খাওয়া নিষেধ করা হয়।

ভ্রমণ ও বাইরে যাওয়া: অশুভ ছায়া এড়াতে এই সময়ে যাত্রা বা বাইরে ঘোরাফেরা না করার প্রথা আছে।

গর্ভবতী নারীদের সতর্কতা: গর্ভবতী নারীদের ছুরি-কাঁচি বা ধারালো বস্তু ব্যবহার না করার প্রচলিত লোকবিশ্বাস রয়েছে।

Photos from HEALTH BOST WITH TOWHID's post 10/08/2026

চুলের যত্নে পেঁয়াজের রস অত্যন্ত কার্যকর। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে সালফার চুলের ফলিকল ও কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে নতুন চুল গজাতে এবং চুল পড়া কমাতে সাহায্য করে। এটি রক্ত চলাচল বাড়িয়ে চুল মজবুত করে এবং এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ খুশকি দূর করে।

পেঁয়াজের রসের উপকারিতা

চুল পড়া কমায়: চুলের গোড়া শক্ত করে চুল ভাঙন রোধ করে।

নতুন চুল গজায়: রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

খুশকি দূর করে: মাথার ত্বকের ইনফেকশন ও খুশকি কমায়।

চকচকে করে: চুলের রুক্ষ ভাব দূর করে উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

ব্যবহারের নিয়ম

পেঁয়াজ ব্লেন্ড করে বা বেটে রস ছেঁকে নিন।

তুলো বা আঙুলের সাহায্যে সরাসরি স্ক্যাল্পে ও চুলের গোড়ায় লাগান।

৩০ থেকে ৬০ মিনিট রেখে মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

গন্ধ দূর করতে চাইলে লেবুর রস বা পানি ও অ্যাপল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে চুল ধুতে পারেন।

10/08/2026

হঠাৎ বুক ব্যথা শুরু হলে তৎক্ষণাৎ সব ধরনের কাজ ও হাঁটাচলা বন্ধ করে শান্ত হয়ে বসে বা শুয়ে পড়ুন। গভীর ও ধীরে শ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করুন। ব্যথা তীব্র হলে, বুকে চাপ বা ভারী ভাব অনুভূত হলে এবং তা পিঠ, চোয়াল বা হাতে ছড়িয়ে পড়লে দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন।

তাৎক্ষণিক করণীয়

বিশ্রাম নিন: শারীরিক পরিশ্রম বা নড়াচড়া সম্পূর্ণ বন্ধ করুন।

ঢিলেঢালা পোশাক: টাই বা শার্টের গলার বোতাম খুলে দিন যেন শ্বাস নিতে সুবিধা হয়।

আতঙ্কিত হবেন না: ভয় পেলে হার্টবিট ও রক্তচাপ বেড়ে যায়, যা ব্যথা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

ওষুধ গ্রহণ: পূর্বে কোনো হার্টের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাবলিঙ্গুয়াল নাইট্রোগ্লিসারিন স্প্রে ব্যবহার করতে পারেন। রোগীর এসপিরিন বা ডিসপিরিন খাওয়ার অ্যালার্জি না থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী একটি চিবিয়ে খেতে পারেন।

কখন জরুরি অবস্থা হিসেবে ধরবেন

বুকের মাঝখানে প্রচণ্ড চাপ, মোচড় দেওয়া বা ভারী ভাব।

ব্যথা বাঁ হাতে, ঘাড়ে, পিঠে বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়া।

ঠান্ডা ঘাম হওয়া, মাথা ঘোরানো বা বমি ভাব।

শ্বাসকষ্ট বা বুক ধড়ফড় করা।

Photos from HEALTH BOST WITH TOWHID's post 10/08/2026

রক্তে প্লাটিলেট দ্রুত বাড়াতে পাকা পেঁপে, পেঁপে পাতার রস, ডালিম (বেদানা), ভিটামিন 'সি' সমৃদ্ধ লেবু বা কমড়া জাতীয় ফল এবং পালং শাক বা ব্রোকলির মতো সবুজ শাকসবজি খাওয়া খুবই উপকারী। এগুলো প্লাটিলেট তৈরিতে ও রক্ত গঠনে সাহায্য করে।

কার্যকরী খাবার ও উপাদান

পেঁপে পাতা ও ফল: পাকা পেঁপে এবং পেঁপে পাতার রস প্লাটিলেট বাড়াতে দারুণ কাজ করে।

ডালিম বা বেদানা: এতে প্রচুর আয়রন আছে যা রক্ত ও প্লাটিলেট বাড়াতে সাহায্য করে।

ভিটামিন সি: কমলা, লেবু ও আমড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং আয়রন শুষে নিতে সাহায্য করে।

সবুজ শাকসবজি: পালং শাক ও ব্রোকলিতে ভিটামিন কে ও ফলিক অ্যাসিড থাকে যা রক্ত জমাট বাঁধতে ও প্লাটিলেট ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

মিষ্টি কুমড়া: এতে থাকা ভিটামিন এ বোন ম্যারো বা অস্থিমজ্জাকে সুস্থ রাখে।

যা এড়িয়ে চলবেন

অ্যালকোহল ও অতিরিক্ত ক্যাফেইন

প্রক্রিয়াজাত ও অতিরিক্ত তেল-মসলাযুক্ত খাবার

রক্ত পাতলা করে এমন খাবার বা ভেষজ (যেমন অতিরিক্ত রসুন ও আদা)

Photos from HEALTH BOST WITH TOWHID's post 09/08/2026

অল্প বয়সে নারীদের ত্বকে দ্রুত বয়সের ছাপ বা বলিরেখা পড়ার প্রধান কারণগুলো হলো রোদ্রে সানস্ক্রিন না ব্যবহার করা, অপর্যাপ্ত ঘুম, কম পানি পান করা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং ত্বকের ভুল বা অতিরিক্ত যত্ন। এসব ক্ষতিকর অভ্যাস ত্বকের কোলাজেন নষ্ট করে এবং চামড়া কুঁচকে দেয়।

ক্ষতিকর অভ্যাসসমূহ

সানস্ক্রিন না লাগিয়ে রোদে যাওয়া: রোদের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের কোষ ও কোলাজেন দ্রুত ধ্বংস করে।

কম ঘুমানো: রাতে পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ত্বক নিজেকে মেরামতের সুযোগ পায় না, ফলে চোখের নিচে কালি ও বলিরেখা পড়ে।

কম পানি পান করা: শরীরে পানির অভাব হলে ত্বক শুষ্ক ও মলিন হয়ে যায়।

অতিরিক্ত চিনি খাওয়া: মিষ্টিজাতীয় খাবার ত্বকের ইলাস্টিসিটি বা নমনীয়তা কমিয়ে দেয়।

মানসিক চাপ: দুশ্চিন্তা করলে শরীরে কর্টিসল হরমোন বেড়ে যায় যা ত্বক দ্রুত বুড়িয়ে দেয়।

মেকআপ না তুলে ঘুমানো: রাতে মেকআপ রেখে ঘুমালে রোমকূপ বন্ধ হয়ে যায় এবং ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়।

ত্বক অতিরিক্ত ঘষাঘষা করা: মুখ মোছার সময় বা মেকআপ তোলার সময় জোরে টানাহেঁচড়া করলে বলিরেখা আসে।

Photos from HEALTH BOST WITH TOWHID's post 09/08/2026

সুস্থ ও দীর্ঘ জীবন পেতে সুষম খাবার খাওয়া, প্রতিদিন নিয়মিত শরীরচর্চা বা হাঁটা, পর্যাপ্ত পানি পান করা, রাতে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম এবং মানসিক চাপ মুক্ত থাকা জরুরি। এছাড়া ধূমপান ও অতিরিক্ত তেল-চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।

খাদ্যাভ্যাস ও পানিশূন্যতা রোধ

শাকসবজি ও ফলমূল বেশি খান।

ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।

প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে বিশুদ্ধ পানি পান করুন।

অতিরিক্ত চিনি ও লবণ খাওয়া কমান।

জীবনযাপন ও শারীরিক সক্রিয়তা

প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন বা ব্যায়াম করুন।

একটрус দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা থেকে বিরত থাকুন।

ধূমপান এবং মাদক থেকে দূরে থাকুন।

ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।

মানসিক শান্তি ও বিশ্রাম

রাতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যান এবং ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান।

অতিরিক্ত চিন্তা বা মানসিক চাপ কমানোর চেষ্টা করুন।

পরিবার ও প্রিয়জনদের সাথে সময় কাটান।

Photos from HEALTH BOST WITH TOWHID's post 08/08/2026

কাঁচা কলায় প্রচুর পরিমাণে রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ, ফাইবার ও পটাশিয়াম থাকে। এটি ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে, হজমশক্তি বাড়ায়, কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেট ফাঁপা দূর করে। এছাড়া ওজন কমাতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে কাঁচা কলা অত্যন্ত উপকারী।

হজম ও পেট সুস্থ রাখা

হজমশক্তি বাড়ায়: পেটের কার্যক্ষমতা ঠিক রাখে।

গ্যাস কমায়: বুকজ্বালা ও এসিডিটি কমায়।

ডায়রিয়ায় উপকারী: পাতলা পায়খানা ও পেটের সংক্রমণ কমায়।

ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রণ

শর্করা কমায়: গ্লাইসেমিক সূচক কম থাকায় রক্তে শর্করা ধীরে বাড়ে।

ইনসুলিন ঠিক রাখে: শরীরের ইনসুলিন কাজ করার ক্ষমতা বাড়ায়।

ক্ষুধা কমায়: ফাইবার বেশি থাকায় পেট ভরা রাখে এবং ওজন কমায়।

হৃদপিণ্ড ও অন্যান্য পুষ্টি

রক্তচাপ কমায়: পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।

রোগ প্রতিরোধ: ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর সুস্থ রাখে।

Photos from HEALTH BOST WITH TOWHID's post 08/08/2026

ওষুধ না খেয়ে গ্যাসের সমস্যা কমাতে টক দই, পাকা কলা, আদা কুচি বা আদার রস, লাউ ও পেঁপের মতো সহজপাচ্য সবজি এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে কুসুম গরম পানি বা ডাবের পানি খেতে পারেন। এগুলো হজমশক্তি বাড়িয়ে পেট ঠাণ্ডা রাখে এবং গ্যাস তৈরি হতে বাধা দেয়।

উপকারী খাবার ও পানীয়

টক দই: হজম ভালো করে এবং পেটে উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়।

আদা: বুক জ্বালা ও পেট ফাঁপা দ্রুত কমায়।

নরম সেদ্ধ সবজি: লাউ, পেঁপে ও চালকুমড়া সহজে হজম হয়।

পাকা কলা: পাকস্থলীর অতিরিক্ত এসিড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

জিরা বা মৌরি ভেজানো পানি: পেট ফাঁপা ও অস্বস্তি দূর করে।

খাবার খাওয়ার কিছু নিয়ম

একবারে বেশি না খেয়ে অল্প করে সারাদিনে ৫-৬ বার খান।

খাবার চিবিয়ে ধীরে ধীরে খান।

অতিরিক্ত তেল-মসলা ও ভাজাপোড়া খাবার এড়িয়ে চলুন।

Photos from HEALTH BOST WITH TOWHID's post 08/08/2026

সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানি, ভেজানো বাদাম ও কিসমিস, মধু, ওটস, পাকা পেঁপে বা কলা খাওয়া ভালো। এগুলি হজমে সাহায্য করে, শরীরকে শক্তি দেয় এবং পাকস্থলীর ক্ষতি করে না।

পানীয় ও তরল খাবার

হালকা গরম পানি বা সামান্য মধু ও লেবু মেশানো কুসুম গরম পানি।

ডাবের পানি, যা অ্যাসিডিটি দূর করতে সাহায্য করে।

ফলমূল ও বাদাম

ভেজানো বাদাম ও আখরোট।

পাকা পেঁপে, তরমুজ বা কলা।

খেজুর বা কিসমিস।

নরম ও পুষ্টিকর খাবার

ওটস বা ওটমিল (চিনি ছাড়া)।

সেদ্ধ ডিম।

Photos from HEALTH BOST WITH TOWHID's post 08/08/2026

প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হলো এমন কিছু ভেষজ উপাদান ও খাবার, যাতে প্রাকৃতিকভাবে জীবাণুনাশক বা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ থাকে। এর মধ্যে প্রধান কয়েকটি হলো রসুন, খাঁটি মধু, আদা, হলুদ, নিম এবং অরিগানো তেল। এগুলো শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও সাধারণ সংক্রমণ কমাতে সাহায্য করে।

প্রধান প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিকসমূহ

রসুন: রসুনে থাকা 'অ্যালিসিন' নামক উপাদান ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণু ধ্বংস করতে দারুণ কার্যকর।

মধু: খাঁটি মধু ক্ষত সারাতে এবং গলার সংক্রমণ ও ব্যাকটেরিয়া দূর করতে প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

আদা: আদার অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান শরীরের ভেতরের প্রদাহ ও ইনফেকশন কমাতে সাহায্য করে।

হলুদ: হলুদে থাকা 'কারকিউমিন' শক্তিশালী অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল হিসেবে কাজ করে।

নিম: নিমের পাতায় থাকা নিম্বোলাইড ও নিমবিন জীবাণু ও ত্বকের সংক্রমণ দূর করে।

অরিগানো তেল: এর মধ্যে থাকা কারভাকোল নামক উপাদান শক্তিশালী অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল হিসেবে কাজ করে।

সতর্কতা

প্রাকৃতিক উপাদানগুলো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও সাধারণ সমস্যায় উপকারী। তবে এগুলো ডাক্তারের দেওয়া মূল প্রেসক্রিপশন বা সিন্থেটিক অ্যান্টিবায়োটিকের সম্পূর্ণ বিকল্প নয়। কোনো বড় ধরনের bacterial infection বা জটিল অসুস্থতার ক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Telephone

Website

Address

Dhaka
Dhaka