Ayra’s Mumma
"A good traveller has no fixed plans and is not intent on arriving"
23/08/2026
https://www.facebook.com/share/18PzhV4Me9/?mibextid=wwXIfr
মাঝে মাঝে আমার জানতে ইচ্ছা করে এই অখাদ্য বানানো শুরু কে করেছিল আর আইডিয়া কার ছিল।চিনিতে ভরা প্যাকেটের সেরেলাক তো অফই করতে পারলেন না।তার উপর কম্পিটিশান দিয়ে মায়েরা এই অখাদ্য বানাচ্ছেন আর প্রাউডলি বলছেন ও।কি যে ভয়ংকর অবস্থা।
আফসোস তো হয় বাচ্চাগুলাকে নিয়ে।যখন কয়েকদিন পর এদের নিয়ে চেম্বারে দৌঁড়াতে থাকেন আর কিছু খায় না বলে কাদঁতে থাকেন।
কেন এসব বাজে খাবার দেয়া যাবেনা কমেন্টে পিন করে দিয়েছি।
Dr.Tajrina Rahman Jenny
Child Specialist
একটা মা কে কতটা সহজে আসামী বানিয়ে দেওয়া যায়! কত সহজে এই সমাজ তাঁকে খুনি বানিয়ে দিয়েছে 😅
একটু খেয়াল করলে দেখবেন মেয়েটার বয়স আনুমানিক ১৬ বা ১৭ হবে , মেয়েটার বয়সটা কত কম, এই সময় একটা মায়ের কতটা সাপোর্টের দরকার কতটা সাহায্য দরকার , কতটা ঘুমের প্রয়োজন এই সমাজ তা জানে??
মানসিক অবসাদ পোস্ট পার্টাম ডিপ্রেশন একটা মাকে কোথায় নিয়ে যায়? কোথায় ছিলো কথিত বাপ যে কেঁদে ভাসাচ্ছে? সেকি পারেনি একটু সময় মাকে বের করে দিতে? কোথায় ছিলো সুশীল সমাজ মা টাকে একটু বিশ্রামের সুযোগ করে দিতে ?
https://www.facebook.com/share/v/1Gp37X8tSf/?mibextid=wwXIfr
02/08/2026
https://www.facebook.com/share/p/1LmxeowxWV/?mibextid=wwXIfr
"আমাদের মায়েরা তো একাই ৫-৬ টা বাচ্চা পালতো, আর তুমি একটা বাচ্চা নিয়েই হাঁপিয়ে উঠছো! আজকালকার মেয়েদের শরীরে কোনো জোর নেই!"—এই একটি কথায় আপনি কি প্রতিদিন অপরাধবোধে ভোগেন?.....
হয়তো সারাদিন বাচ্চার পেছনে দৌড়ে, তাকে খাইয়ে, ঘুম পাড়িয়ে আপনি যখন ক্লান্ত হয়ে সোফায় একটু হেলান দেন, ঠিক তখনই পরিবারের কোনো বয়স্ক মানুষ বা আত্মীয় এই কথাটা বলে ওঠেন। কথাটা শোনার পর আপনার নিজেরও হয়তো মনে হয়, "সত্যিই তো, আমার শাশুড়ি বা মা তো একাই এতগুলো বাচ্চা বড় করেছেন। আমি কেন একটা বাচ্চা নিয়ে এত ফ্রাস্ট্রেটেড হয়ে যাচ্ছি? আমি কি সত্যিই দুর্বল? আমার মধ্যে কি কোনো সমস্যা আছে?"
এই অপরাধবোধ বা 'মম-গিল্ট' (Mom-guilt) আধুনিক যুগের প্রতিটি মায়ের নিত্যদিনের সঙ্গী। সমাজ আমাদের বোঝায় যে, মায়েদের শারীরিক ও মানসিক শক্তি আগের চেয়ে কমে গেছে। কিন্তু আমরা কেউ এটা তলিয়ে দেখি না যে, আগের যুগের বাচ্চা পালনের ধরণ আর বর্তমান যুগের বাচ্চা পালনের ধরণ আকাশ-পাতাল তফাৎ!
কিডোরা স্মার্ট প্যারেন্টিং-এর আজকের এই অত্যন্ত মনস্তাত্ত্বিক এবং বাস্তবমুখী আর্টিকেলে আমরা জানবো, "আগেকার মায়েরা একাই ৫টা বাচ্চা পালতেন"—এই দাবির পেছনের আসল সত্য কী, কেন একটি বাচ্চা সামলাতেই আধুনিক মায়েরা হাঁপিয়ে ওঠেন এবং কীভাবে এই মিথ্যা অপরাধবোধ থেকে নিজেকে মুক্ত করবেন।
১. বিজ্ঞানভিত্তিক বিশ্লেষণ: 'মেন্টাল লোড' এবং 'লস অফ ভিলেজ'
অদৃশ্য মেন্টাল লোড (Invisible Mental Load):
আগের যুগে প্যারেন্টিং ছিল মূলত 'সারভাইভাল' বা বেঁচে থাকার লড়াই—বাচ্চাকে সময়মতো খাওয়ানো আর পরিষ্কার রাখাটাই ছিল যথেষ্ট। কিন্তু আধুনিক যুগে প্যারেন্টিং হয়ে গেছে 'ইনটেনসিভ' (Intensive)। এখন একজন মাকে বাচ্চার ব্রেন ডেভেলপমেন্ট, স্ক্রিন টাইম, মেন্টাল হেলথ, নিউট্রিশন, সোশ্যাল স্কিল—সবকিছু নিয়ে ভাবতে হয়। এই যে সারাক্ষণ ব্রেনের ব্যাকগ্রাউন্ডে হাজারটা চিন্তা ঘোরে, একে সাইকোলজিতে বলে 'মেন্টাল লোড'। আধুনিক মায়ের শরীর যতটা না ক্লান্ত হয়, তার চেয়ে হাজার গুণ বেশি ক্লান্ত হয় তার ব্রেন।
'দ্য লস অফ ভিলেজ' (Loss of the Village):
একটি আফ্রিকান প্রবাদ আছে, "It takes a village to raise a child" (একটি শিশু বড় করতে একটি পুরো গ্রামের প্রয়োজন হয়)। আগের যুগে বাচ্চারা উঠানে খেলতো, কাজিনরা একসাথে বড় হতো, বড় ভাইবোনরা ছোটদের দেখে রাখতো। মা আক্ষরিক অর্থেই 'একা' ছিলেন না। কিন্তু বর্তমানের নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি বা একক পরিবারে চার দেয়ালের মাঝে বাচ্চার একমাত্র খেলার সঙ্গী, শিক্ষক এবং আয়া—সবকিছুই ওই একজন মা!
২. মিথ বনাম ফ্যাক্ট: 'আগের যুগের প্যারেন্টিং' নিয়ে সমাজের ভুল ধারণা
সমাজ আমাদের যে তুলনা দিয়ে ছোট করে, চলুন তার পেছনের ফ্যাক্টগুলো জেনে নিই:
** ভুল ধারণা (সমাজের মিথ): আগের যুগের মায়েরা অনেক স্ট্রং ছিলেন, তারা একাই ৫-৬ টা বাচ্চা বড় করেছেন।
** বাস্তব সত্য: আগের যুগের মায়েরা ৫টা বাচ্চা জন্ম দিতেন ঠিকই, কিন্তু তাদের বড় করার ক্ষেত্রে 'বেনাইন নেগলেক্ট' (Benign Neglect) বা স্বাস্থ্যকর অবহেলা ছিল। বাচ্চারা নিজেদের মতো করে বড় হতো। একজন মা সারাদিন বাচ্চার পেছনে চামচ নিয়ে দৌড়াতেন না বা বাচ্চার সাথে বসে লিগো (Lego) খেলতেন না।
** ভুল ধারণা (সমাজের মিথ): আধুনিক মায়েরা একটা বাচ্চা নিয়েই সারাদিন শুধু কমপ্লেইন করেন, তাদের মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা কম।
** বাস্তব সত্য: আধুনিক মায়েরা কমপ্লেইন করেন না, তারা 'বার্নআউট' (Burnout) বা চরম মানসিক অবসাদে ভোগেন। কারণ তাদের একই সাথে একজন পারফেক্ট মা, পারফেক্ট স্ত্রী এবং অনেক ক্ষেত্রে একজন পারফেক্ট এমপ্লয়ি (চাকরিজীবী) হতে হয়।
** ভুল ধারণা (সমাজের মিথ): একটি বাচ্চা সামলানো ৫টি বাচ্চা সামলানোর চেয়ে সহজ।
** বাস্তব সত্য: ৫টি বাচ্চা থাকলে তারা নিজেদের মধ্যে খেলে বা ঝগড়া করে সময় কাটায়। কিন্তু একটি মাত্র বাচ্চা থাকলে তাকে বিনোদন দেওয়ার (Entertain) ১০০% চাপ ওই বাবা-মায়ের ওপরই এসে পড়ে।
৩. চেকলিস্ট: এই 'সুপার-মম' সিনড্রোম থেকে বাঁচার প্রটোকল
সমাজের চাপিয়ে দেওয়া এই পারফেকশনের ইঁদুর দৌড় থেকে নিজেকে এবং নিজের মানসিক স্বাস্থ্যকে বাঁচাতে আজ থেকেই এই প্রটোকলগুলো মেনে চলুন:
পারফেকশনিজম বাদ দিন (Drop the Perfectionism):
সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা পারফেক্ট মায়েদের মতো সব সময় বাচ্চার ঘর পরিপাটি রাখার বা প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন রেসিপি বানানোর চাপ নেওয়া বন্ধ করুন। আপনার বাচ্চা একটু অগোছালো ঘরে থাকলেও কিছু হবে না, তার একটি মানসিকভাবে সুস্থ মা প্রয়োজন।
বাচ্চাকে 'বোর' হতে দিন (Let them be bored):
আপনার দায়িত্ব বাচ্চাকে সারাক্ষণ এন্টারটেইন করা নয়। বাচ্চাকে নিজের মতো করে কিছু সময় বোর বা একঘেয়েমিতে ভুগতে দিন। সাইকোলজি বলে, বোরডম থেকেই শিশুদের ব্রেনে সবচেয়ে বেশি ক্রিয়েটিভিটি বা সৃজনশীলতার জন্ম হয়।
সাহায্য চাইতে শিখুন (Ask for Help):
"আমি একাই সব পারবো"—এই ইগো থেকে বেরিয়ে আসুন। স্বামীর কাছে বা পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে স্পষ্টভাবে সাহায্য চান। স্বামী যখন বাচ্চার সাথে সময় কাটাবেন, তখন তাকে 'মাইক্রোম্যানেজ' বা খুঁত ধরবেন না।
নিজের জন্য 'মি-টাইম' (Guilt-free Me-Time):
সারাদিনে অন্তত ৩০ মিনিট শুধু নিজের জন্য রাখুন। এই সময়ে বাচ্চার কোনো কাজ করবেন না। চা খান, বই পড়ুন বা চুপচাপ শুয়ে থাকুন। এই ৩০ মিনিট রিচার্জ আপনার পুরো দিনের মেন্টাল স্ট্রেস কমিয়ে দেবে।
৪. বিশেষজ্ঞের মতামত ও গবেষণা
"আধুনিক সমাজের মায়েরা ইতিহাসের যেকোনো সময়ের মায়েদের চেয়ে বাচ্চার পেছনে বেশি সময়, শ্রম এবং অর্থ ব্যয় করছেন। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, তারা আগের যেকোনো প্রজন্মের মায়েদের চেয়ে নিজেদের সবচেয়ে বেশি 'অযোগ্য' বা 'খারাপ মা' বলে মনে করেন!"
— আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (APA)
মনোবিজ্ঞানীরা এই অবস্থাকে 'প্যারেন্টাল বার্নআউট' (Parental Burnout) হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। যখন প্যারেন্টিংয়ের ডিমান্ড বা চাপ, আপনার সাপোর্ট সিস্টেমের চেয়ে অনেক বেশি হয়ে যায়, তখনই এই বার্নআউট তৈরি হয়। এটি কোনো শারীরিক দুর্বলতা নয়, এটি সিস্টেমের দুর্বলতা।
৫. বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট এবং 'অতীতের গ্লোরিফিকেশন'
আমাদের দেশে বয়স্করা সবসময় অতীতকে 'গ্লোরিফাই' বা মহিমান্বিত করতে পছন্দ করেন।
তারা যখন বলেন, "আমরা তো বুঝতেই পারিনি বাচ্চারা কবে বড় হয়ে গেছে!"—তারা আসলে সত্যি কথাই বলেন। কারণ তারা সত্যিই বাচ্চাদের পেছনে আজকের দিনের মতো এত সময় দেননি। কিন্তু বর্তমানের কংক্রিটের শহর ঢাকায় না আছে কোনো মাঠ, না আছে পাড়া-প্রতিবেশীর সাথে মেলামেশার সুযোগ। একজন আধুনিক মা যখন যানজট ঠেলে অফিস করেন, বাসায় ফিরে বাচ্চার স্ক্রিন টাইম কন্ট্রোল করার যুদ্ধ করেন এবং ডেঙ্গু বা ভেজাল খাবারের আতঙ্কে থাকেন—তখন তার মাথার ওপর যে কী পরিমাণ চাপ থাকে, তা আগের প্রজন্মের পক্ষে বোঝা প্রায় অসম্ভব। আপেল আর কমলার তুলনা যেমন হয় না, তেমনি আগের যুগের প্যারেন্টিংয়ের সাথে বর্তমানের তুলনা করাটাও চরম অবৈজ্ঞানিক।
৬. আপনি দুর্বল নন, আপনি একজন যোদ্ধা!
প্রিয় মা,
কেউ যখন আপনাকে বলবে যে আপনি একটা বাচ্চা নিয়েই হাঁপিয়ে উঠছেন, তখন আর মাথা নিচু করে অপরাধবোধে ভুগবেন না।
আপনাকে বুঝতে হবে, গেমের নিয়ম পুরোপুরি বদলে গেছে। আপনি এমন একটি মাঠে একা খেলছেন, যেখানে আগে পুরো একটা টিম খেলতো। আপনি দুর্বল নন, বরং আপনি আগের চেয়ে অনেক বেশি সচেতন, অনেক বেশি ইনভলভড একজন মা। আপনি আপনার বাচ্চার মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে ভাবছেন, তার সাথে কোয়ালিটি টাইম কাটানোর চেষ্টা করছেন, যা হয়তো আপনার নিজের ছোটবেলায় আপনি পাননি। এই যে আপনি প্রতিদিন নিজের ক্লান্তি ভুলে আপনার সন্তানের জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী গড়ার চেষ্টা করছেন—এটাই আপনার সবচেয়ে বড় সুপারপাওয়ার। নিজের পিঠ নিজে চাপড়ে দিন, আপনি আসলেই অসাধারণ একটি কাজ করছেন!
কিডোরা স্মার্ট কমিউনিটি:
আধুনিক প্যারেন্টিংয়ের এই চ্যালেঞ্জিং জার্নিতে মেন্টাল বার্নআউট থেকে বাঁচতে এবং বিজ্ঞানভিত্তিক সাপোর্ট পেতে আজই হাজারো সচেতন বাবা-মায়ের সাথে যুক্ত হোন আমাদের Kidora - Parenting Club ফেসবুক গ্রুপে।
28/07/2026
বর্তমানে একটা ভয়াবহ ভাইরাস জ্বরের প্রকোপ চলছে।
তীব্র জ্বর আসবে, ১০৩°/১০৪° এর মতো শরীরের তাপমাত্রা উঠে যাবে।
সাথে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় তীব্র ব্যথা হবে।
শরীরে ভয়াবহ রকমের দূর্বলতা থাকবে।
প্রেসার লো করবে। ব্লাড টেস্ট করালে দেখা যায় এটা ডেংগু ও না, চিকনগুনিয়া ও না। কিন্তু ভয়াবহ এক জ্বর। হসপিটালাইজড ও হওয়া লাগতে পারে।
আর জ্বর সেরে গেলেও শরীরের ব্যথা সহজে সারে না। সকলেই সাবধানে থাকুন। শরীরের ইমিউনিটি বাড়ান, সকালে তুলসী, আদা, লবঙ্গ, দারুচীনি ছেচে ( পারলে এক চামচ মধু দিয়ে) রং চা পান করুন, ভাল ফল পাবেন।
06/07/2026
06/07/2026
গতকাল ঘুরে এলাম গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুরের নক্ষত্রবাড়ি রিসোর্টে। চারপাশে সবুজের সমারোহ, গ্রামের নির্মল পরিবেশ, পাখির ডাক আর শান্ত জলরাশি—সব মিলিয়ে যেন মনটা একদম প্রশান্ত হয়ে গেল। এই রিসোর্টটি প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য একটি পরিচিত গন্তব্য, যেখানে গ্রামীণ পরিবেশের সঙ্গে আরামদায়ক। ব্যস্ত জীবনে মাঝে মাঝে এমন কিছু সময় নিজের জন্য রাখা খুব দরকার। যেখানে ঘড়ির কাঁটা নয়, প্রকৃতির ছন্দই বলে দেয় সময়ের গল্প।
04/07/2026
মাঝে মাঝে নিজের জন্য একটু আকটু সময় বের
করে সাজিয়ে নেয়া❤️Beautiful earrings from: Goynar Gontobbo
Dress: Fashion for you """
Shoes: MYRO
02/07/2026
আমার প্রেগনেন্সি জার্নির শুরু থেকে শেষ অবধি এই দুইটা অ্যাপ বেশ কাজে লেগেছে।
প্রথম অ্যাপ - প্রেগনেন্সি কেলেন্ডার, বেবী ডেভলপমেন্ট, কিক কাউন্টার, ওয়েট, ট্রাইমেস্টার চার্ট- কত সপ্তাহ কত দিন এইগুলো আমাকে কখনো খেয়াল করতে হয়নি সব সময় নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছে, বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি কাজে লেগেছে কন্ট্রাকশন এর সময় কাউন্ট করা এত সুন্দর ভাবে আমি কাউন্ট করতে পেরেছি, কনট্রাকশনের স্কিন শর্ট নিয়ে ডক্টরকে দেখিয়েছিলাম ডক্টর বলছে বাহ বেশ ভালো বুদ্ধি করেছেন তো ।
দ্বিতীয় অ্যাপ- আমার বেবি দিন দিন কত টুকু হচ্ছে কিভাবে বড় হচ্ছে পেটের মধ্যে সাউন্ড করছে ওর হার্টবিট শুনতে বেশ ভালো লাগতো ।
যারা নতুন মা ট্রাই করে দেখতে পারো সুবিধার জন্য দিলাম।
28/06/2026
যারা নতুন মা, বা মা হতে যাচ্ছেন তাদের জন্য বেশ উপকার হতে পারে এই ছোট্ট অ্যাপটি,
প্রতিটি মাসে বেবির বেড়ে ওঠার সাথে সাথে নতুন নতুন অনেক কিছু শেখার,
বেবির কোন মাসে কী ধরনের পরিবর্তন হয়, কী কী মাইলস্টোন থাকতে পারে, কীভাবে যত্ন নিতে হয়—এমন অনেক তথ্য সহজ ভাষায় পাওয়া যায়।
মায়েদের জন্য ভালো গাইড হিসেবে বেশ কার্য্যকর হতে পারে। ট্রাই করতে পারেন ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka