S Nahar Beauty Zone
সকল প্রকার অর্গানিক স্কিন কেয়ার প্রডাক্ট বিক্রি, ও রূপচর্চা সেবা দেওয়া হয়।
রুহুল কবির রিজভীর আজকের বক্তব্যটা আরো বোল্ড।
মমতারে ধুয়েছেন। তারচে বেশি ধুয়েছেন মোদিকে। বলেছেন, গুজরাটে হাজার হাজার মানুষ খুন করার করা। ফেলানীর লাশের কথাও বলেছেন।
বিজেপিকে আক্রমন করে বলেছেন, "কেন্দ্রীয় সাম্প্রদায়িক শাসক গোষ্ঠী।"
মমতাকে ধুয়ে দিয়ে বলেছেন, মমতাও কেন্দ্রীয় সাম্প্রদায়িক শাসক গোষ্ঠীর সাথে হাত মিলাইছে।
বোল্ড মুভমেন্ট।
দেশের সমস্ত রাজনৈতিক দলের উচিত বিএনপির এই অবস্থান সমর্থন করে এক হয়ে বসা, বসে ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়া।
৫ আগস্ট ভারত আমাদের ঐক্যের কাছে হেরে গিয়েছিলো।
ঐ ঐক্য নিয়ে আবারও দাঁড়াতে পারলে দিল্লীর দাসীর মতো দিল্লীর প্রভুদেরও আমরা পরাজিত করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।
02/12/2024
ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন। 😭
প্রোগ্রাম করে আসার পথে রংপুর জল ঢাকা বিশ্বরোডে একজন তরুণ আলেম মাওলানা নাজমুল হাসান সাহেব এক্সিডেন্টে ইন্তেকাল করেছেন 😭
আল্লাহ তাকে জান্নাতের আলা মাকাম দান করুক।
গতকালকেই লিখেছিলাম, রিপাবলিক বাংলার ময়ূখের চট্টগ্রাম দখলের হুমকি আমরা যতটা হালকাভাবে নিই, ভারত ততটাই সিরিয়াসলি নেয়।
বাংলাদেশ ভাগ করে দুটো হিন্দু দেশের সম্ভাবনা নিয়ে ভারতের আমলারা কাজ শুরু করেছে বলে শুনেছি।
পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত অস্থির করে রাখা হয়েছে।
আর একটু আগে মমতা জাতিসংঘের কাছে বাংলাদেশে শান্তিবাহিনী মোতায়েনের আর্জি জানাইছেন। নাহলে নাকি বাংলাদেশের সংখ্যালঘুরা শেষ হয়ে যাবে। (নিউজ লিঙ্ক কমেন্টে)
ময়ূখের চট্টগ্রাম দখল বা রংপুর দখল নিয়ে হাসাহাসি বন্ধ করে বাংলাদেশের সিরিয়াসলি আন্তর্জাতিক সাহায্য চাওয়া উচিত।
আমেরিকা ইউরোপের সাথে ডক্টর ইউনূসের জরুরি মিটিং ডাকা উচিত এবং চীনের সাথেও একটা ডিলে আসতে হবে।
কারণ, ভারতের সমস্ত রাজনৈতিক শক্তি তথা মমতা, কংগ্রেস আর বিজেপি বাংলাদেশ ভাঙার ব্যাপারে একমত হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।
বাংলাদেশকেও খুব দ্রুত ওদের ব্যাপারে শক্ত এবং কার্যকর একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতেই হবে। সময় নষ্ট করার মতো সময় হাতে একদম নাই।
এই মুহূর্তে চিন্ময় দাসকে গ্রেফতার করা আরো একটা ভুল ডিসিশন হলো।
অটো রিকশা, ছাত্রদের পর এবার ইসকনকেও মাঠে ডেকে আনা হলো।
সরকারকে আরো অস্থিতিশীল করার দিকে এক ধাপ আগাইয়া যাওয়া হলো।
খুব সম্ভবত চট্টগ্রামে বড় ধরণের শোডাউন বা বিক্ষোভ রাতেই শুরু হবে। ইসকন সদস্যরা জড়ো হতে শুরু করেছে।
জাস্ট পুলিশের বড় দুইটা পদে নতুন নিয়োগের পরই পুরো দেশকে এভাবে যুদ্ধ ফ্রন্ট বানাইয়া ফেলা কোনভাবেই কাকতালীয় কোন ঘটনা না।
নতুন ডিএমপি কমিশনার চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলেন প্রথম দিন। আর আজকেই এমন গ্যাঞ্জাম শুরু হলো, যে পুরো প্রশাসন এখন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে গেছে।
এই চ্যালেঞ্জ থেকে ওভারকাম না করতে পারলে আমাদের বিপ্লব হয়তো চূড়ান্ত ব্যর্থতার দিকেই আগাতে যাচ্ছে।
আন্দোলন যদি শুধু নির্বাচনের দাবিতেই হতো, তাহলে তো এই আন্দোলন জুলাইতে হওয়ার কথাই ছিলো না।
বরং নির্বাচনের আন্দোলন হওয়ার কথা ডিসেম্বর বা জানুয়ারিতে।
জানুয়ারির পর সকল রাজনৈতিক দল পরাজয় মেনে নিয়েছিলো যে আপাতত হাসিনা আর ভারতকে ঠেকানো সম্ভব না।
বিএনপির ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশে দশ লাখ লোক ছিলো এইটা ট্রু।
বাট সেই ১০ লাখ লোক যে ১০ মিনিটেই পালাইছিলো, এটাও তো সত্যি নাকি?
জুলাই আন্দোলনে কাউকে পালাতে দেখেছিলেন? না। বরং জুলাই আন্দোলনে পুলিশের কথা ছিলো, একটা গুলি করি। একটাই মরে, একটাই যায় স্যার বাকিডি যায় না।
এমন আন্দোলন গত ১৫ বছরের ইতিহাসে কোন রাজনৈতিক দল করতে পেরেছে?
পারেনি।
কেন? কেন জনগণ মির্জা ফখরুলের ঢাকা অবরোধে আসলো না অথচ আসিফ, নাহিদদের ডাকে ঢাকা অবরোধ সফল করলো?
কারণ জনগণ রাজনৈতিক নেতাদের বিশ্বাস করেননি। রাজনৈতিক নেতাদের জন্য প্রাণ দিতে চাননি। শুধু নির্বাচন চাইলে মানুষ তো ভোট চুরির পরেই এসে সব অফ করে আন্দোলন করে ভোটের অধিকার ফিরে চাইতো।
মানুষ নির্বাচন চায়নি।
মানুষ চেয়েছে হাসিনার বিদায়। আওয়ামীলীগের বিলুপ্তি।
আমাদের একটা স্লোগানও নির্বাচন কেন্দ্রিক ছিলো না।
আমাদের সব স্লোগান ছিলো আওয়ামীলীগ বিরোধী এবং ভারতের সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে। আমাদের স্লোগান কী ছিলো?
লাখো শহীদের রক্তে কেনা, দেশটা কারো বাপের না।
হাসিনা তুই স্বৈরাচার, এই মুহূর্তে বাংলা ছাড়।
হাসিনা তোর অনেকগুণ, পুলিশ দিয়ে করলি খুন।
এসব স্লোগানে নির্বাচন কই? ভোট কই? আছে? নাই।
ছাত্ররা একবারের জন্যও কেয়ারটেকার সরকার চেয়েছে? নির্বাচনের ভোট চেয়েছে? চায়নি।
বরং এসব স্লোগান ছিলো সিস্টেমের বিরুদ্ধে। আমরা সেই সিস্টেমের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছি, যে সিস্টেমে দেশটা কারো বাপের হবে না। পুলিশ দিয়ে খুন করা যাবে না। স্বৈরাচার হওয়া যাবে না।
শুধু নির্বাচন কি সেটা এনশিওর করে? করে না তো।
দেশে ৪ টা সুষ্ঠু নির্বাচন দেওয়া হয়েছে। রাজনীতিবিদদের হাতে দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজনীতিবিদরা কী বাল করেছেন, আমরা দেখেছি।
আবার রাজনীতিবিদদের হাতে দেশ দিতে চাইলে এই আন্দোলন কোন রাজনৈতিক নেতৃত্বেই হতো।
যেমন ৯০ তে হয়েছিলো, ২০০৭ এও হয়েছিলো।
বাট ২৪ এর আন্দোলন কি কোন রাজনৈতিক নেতার ডাকে হয়েছে? কোন নির্বাচনের দাবিতে হয়েছে?
না।
এর অর্থ, মানুষ রাজনীতিবিদদের না, ভরসা করেছে অরাজনৈতিক ছাত্রদের।
মানুষ প্রথাগত রাজনীতি চায় না বলেই মানুষ ২৮ অক্টোবর প্রাণ না দিয়ে, জানুয়ারির ইলেকশনের পর প্রাণ না দিয়ে ২৪ এর জুলাইতে কিছু অরাজনৈতিক ছাত্রদের ডাকে প্রাণ দিয়েছে।
শুধু নির্বাচন এই প্রাণের মূল্য না।
বরং পুলিশ যাতে আর কোনদিন কাউকে গুলি করে খুন না করতে পারে, কোনদিন যাতে স্বৈরাচারী না হতে পারে, দেশটা যাতে আর কোনদিন কারো বাপের না হয়ে যায়, তাই মানুষ প্রাণ দিয়েছে।
নির্বাচন অবশ্যই গনতন্ত্রের প্রধান দাবি। তবে সেই নির্বাচন যাতে আমাদের ইনকিলাব দেয়, নির্বাচন যাতে কোন দলের কাছে দেশ বর্গার বন্দোবস্ত না হয়।
ইনকিলাবের জন্য দেওয়া রক্তকে শুধু ক্ষমতার পালাবদলের সিড়ি করার যে কোন চেষ্টা ছাত্র জনতা মিলে রুখে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
ইনকিলাব জিন্দাবাদ।
19/11/2024
অন্তর্বর্তী সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আজ রোববার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
15/11/2024
সকল প্রকার অর্গানিক স্কিন কেয়ার বিউটি প্রডাক্ট বিক্রয় করা হয়। সম্পূর্ন প্রাকৃতিক ভেজাল মুক্ত।
S Nahar Beauty Zone সকল প্রকার অর্গানিক স্কিন কেয়ার প্রডাক্ট বিক্রি, ও রূপচর্চা সেবা দেওয়া হয়।
15/11/2024
সকল প্রকার অর্গানিক বিউটি প্রাডাক্ট বিক্রি করা হয়। ভেজাল প্রমানে লক্ষ টাকার পুরস্কার।
S Nahar Beauty Zone সকল প্রকার অর্গানিক স্কিন কেয়ার প্রডাক্ট বিক্রি, ও রূপচর্চা সেবা দেওয়া হয়।
Website
Address
Dhaka
1216