Dr. Abu Jafor

Dr. Abu Jafor

Share

MBBS,BCS(Health)
MD Cardiology(Course Ongoing)
Dhaka Medical College Hospital
Fcps Part 2 Medicine
General Physician

12/06/2026

পজিটিভ MT বা IGRA মানেই কি যক্ষ্মা প্রতিরোধ করতে TPT দিতে হবে? Latent বা সুপ্তTB নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা
===
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে MT/TST (Tuberculin Skin Test) এবং IGRA (Interferon Gamma Release Assay) পরীক্ষার ব্যবহার বেড়েছে। একই সঙ্গে একটি উদ্বেগজনক প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে কেবলমাত্র TST বা IGRA পজিটিভ পাওয়া মাত্রই রোগীকে TB Preventive Therapy (TPT) শুরু করে দেওয়া হচ্ছে, রোগীর প্রকৃত ঝুঁকি মূল্যায়ন না করেই।

ফলাফল কী হচ্ছে? অনেক সুস্থ-স্বাভাবিক মানুষ হঠাৎ শুনছেন যে তাদের 'টিবি ধরা পড়েছে'। যদিও বাস্তবে তাদের active TB নেই, সংক্রমণ ছড়ানোর ক্ষমতাও নেই, এমনকি জীবদ্দশায় কখনও যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। কিন্তু "টিবি" শব্দটি শোনার পর অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন, পরিবারে আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে, অপ্রয়োজনীয় ওষুধ সেবন করছেন এবং কখনও কখনও ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ারও শিকার হচ্ছেন।

এখানে একটি মৌলিক বিষয় পরিষ্কারভাবে বোঝা জরুরি। TST বা IGRA কোনো পরীক্ষাই "সক্রিয় যক্ষ্মা রোগ" নির্ণয়ের পরীক্ষা নয়। এই পরীক্ষাগুলো কেবল দেখায় যে জীবনের কোনো এক সময়ে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা যক্ষ্মা জীবাণুর সংস্পর্শে এসেছে। অর্থাৎ এগুলো সংক্রমণের স্মৃতি (immunological memory) শনাক্ত করে, রোগ শনাক্ত করে না। তাই একটি পজিটিভ রিপোর্ট মানে এই নয় যে রোগী বর্তমানে যক্ষ্মায় আক্রান্ত, কিংবা অন্যকে সংক্রমিত করতে সক্ষম।

প্রকৃতপক্ষে পৃথিবীর বিপুল জনগোষ্ঠীর শরীরে সুপ্ত অবস্থায় TB জীবাণু আছে। এদের অধিকাংশেরই কখনও সক্রিয় TB রোগ হবে না। শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা জীবাণুটিকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো কারা ভবিষ্যতে সক্রিয় TB হওয়ার ঝুঁকিতে আছে?

এই প্রশ্নের উত্তরই TPT দেওয়ার সিদ্ধান্তের মূল ভিত্তি। আধুনিক TB নীতিমালার দর্শন হলো "Test positive = Treat" নয়; বরং "Test positive + High risk of progression = Consider TPT"।

যাদের মধ্যে সক্রিয় TB হওয়ার ঝুঁকি বেশি, তাদের ক্ষেত্রে TPT প্রযোজ্য। উদাহরণ হিসেবে HIV আক্রান্ত ব্যক্তি, অঙ্গ প্রতিস্থাপনপ্রাপ্ত রোগী, anti-TNF বা অন্যান্য শক্তিশালী immunosuppressive ওষুধ গ্রহণকারী রোগী, dialysis রোগী, silicosis রোগী, সাম্প্রতিক close household TB contact, অথবা অল্পবয়সী শিশুদের কথা বলা যায়। এদের ক্ষেত্রে সুপ্ত সংক্রমণ ভবিষ্যতে সক্রিয় যক্ষ্মায় রূপ নেওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। তাই TPT-এর উপকারিতা সম্ভাব্য ক্ষতির চেয়ে বেশি হতে পারে।

অন্যদিকে একজন সম্পূর্ণ সুস্থ ব্যক্তি, যার কোনো immunosuppressive রোগ নেই, কোনো immunosuppressive ওষুধ চলছে না, কোন সংক্রামক TB রোগীর ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে থাকছেন না, তার ক্ষেত্রে, আপনার একটা রোগ ধরে দিলাম এই ইম্প্রেশন তৈরি করার জন্য, কেবল একটি পজিটিভ IGRA বা TST-এর ভিত্তিতে TPT শুরু করা মোটেও উচিত নয়।

কারণ TPT কোনো "ভিটামিন" নয়। Isoniazid, Rifampicin বা অন্যান্য ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। লিভার ক্ষতি, ওষুধের পারস্পরিক ক্রিয়া, ত্বকের প্রতিক্রিয়া, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা এসব বাস্তব ঝুঁকি। তাই যে ব্যক্তির সক্রিয় TB হওয়ার সম্ভাবনাই খুব কম, তার ক্ষেত্রে ওষুধের সম্ভাব্য ক্ষতি কখনও সম্ভাব্য লাভের চেয়ে অনেক বেশি।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো মানসিক স্বাস্থ্য। আমরা প্রায়ই দেখি, একজন ব্যক্তি বহু বছর সুস্থ আছেন। হঠাৎ একটি স্ক্রিনিং পরীক্ষায় IGRA পজিটিভ আসার পর তিনি বিশ্বাস করতে শুরু করেন যে তার "টিবি হয়েছে"। তিনি পরিবারকে নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন, সামাজিকভাবে অস্বস্তিতে ভোগেন, এমনকি ভবিষ্যৎ নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। অথচ বাস্তবে তার কোনো সক্রিয় রোগ নেই, সংক্রমণ ছড়ানোর ঝুঁকিও নেই। ভুল বার্তা ও ভুল কাউন্সেলিং অনেক সময় পরীক্ষার ফলের চেয়েও বেশি ক্ষতি করতে পারে।

সুতরাং রোগীকে প্রথমেই বোঝাতে হবে যে Latent TB (LTBI) এবং Active TB এক বিষয় নয়। LTBI মানে শরীরে জীবাণুর উপস্থিতির স্মৃতি, কিন্তু রোগ নয়। LTBI আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যকে সংক্রমিত করেন না। এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো একটি পজিটিভ TST বা IGRA রিপোর্ট TPT-এর জন্য স্বয়ংক্রিয় টিকিট নয়।

সঠিক পদ্ধতি হলো প্রথমে সক্রিয় TB আছে কি না তা খুঁজে দেখা, তারপর রোগীর ব্যক্তিগত ঝুঁকি মূল্যায়ন করা, ঝুকি না থাকলে আশ্বস্ত করা। আর ঝুঁকি না থাকলে, Biologics/Ant-TNF দেয়া হবে এরকম কোন সিদ্ধান্তে উপনীত না হলে, এই টেস্ট করানোটাও প্রয়োজনীয় কিছু না। কারণ পজেটিভ নেগেটিভ তাই আসুক তাকে তো আমরা ওষুধ দিচ্ছি না। উল্লেখ্য Methotrexate, Salphasalazine এই ওষুধগুলি যেহেতু Anti-TNF না, এবং ঝুকি অত্যন্ত কম, এগুলি দেবার জন্য MT/IGRA টেস্ট করানো বাধ্যতামূলক নয়।

TPT এর যত্রতত্র এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যবহার উপকারের চেয়ে অপকার বেশি করতে পারে। আমাদেরকে সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন মেনে লক্ষ্যভিত্তিক (Targeted) চিকিৎসা প্রদান করতে হবে, যাতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের ঝুঁকি এড়ানো যায় এবং রোগীরাও অপ্রয়োজনীয় ওষুধের দীর্ঘমেয়াদী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা পান।

TB প্রতিরোধের যুগে আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত বেশি ওষুধ দেওয়া নয়, বরং সঠিক ব্যক্তিকে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া। কারণ চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি চিরন্তন নীতি আজও সত্য, যে রোগীর চিকিৎসা দরকার নেই, তাকে চিকিৎসা দেওয়াও এক ধরনের ক্ষতি। Non-maleficence (Do no harm), রোগীর উপকার করতে না পারি, শারীরিক বা মানসিক ক্ষতি যাতে আমার দ্বারা না হয়, এটা চিকিৎসা বিজ্ঞানের অন্যতম ethics।

কিছু কিছু এনজিও (বিশেষ করে B আদ্যাক্ষর এর একটি) বাণিজ্যিক কারণে, অধিক রুগী এনরোলমেন্ট, অধিক ঔষধ বিক্রির জন্য নরমাল মানুষদের টিবি রোগী বানিয়ে দেয় সেটাই নয়, TPT দেবার বেলাতেও তারা বাড়াবাড়ি করে।
Collected

05/05/2026

১. আজ বিশ্ব এজমা দিবস। প্রতি বছর মে মাসের প্রথম মঙ্গলবার গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ ফর অ্যাজমা (GINA) এর উদ্যোগে এই দিনটি পালিত হয়। গতকাল বাংলাদেশ সময় বিকাল চারটায় GINA আনুষ্ঠানিকভাবে অ্যাজমা (হাপানী) চিকিৎসার সর্বশেষ আপডেট প্রকাশ করেছে। প্রতিবছর একই দিনে সর্বশেষ গবেষণালব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে এটি প্রকাশ করা হয়।

GINA এর মূল লক্ষ্য হলো এই দীর্ঘমেয়াদী রোগটি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা এবং এর সঠিক চিকিৎসা ও প্রতিকার সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা। এজমা সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য না হলেও সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব- এই বার্তাটি পৌঁছে দেওয়াই এই দিবসের উদ্দেশ্য। যেহেতু এজমা রোগীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, তাই সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় এবং আধুনিক ইনহেলার থেরাপির ব্যবহার সম্পর্কে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার জন্য এই দিবসটি গুরুত্বপূর্ণ।

২. ২০২৬ সালের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, ৫ বছরের কম বয়সী যেসব শিশুর হাঁপানি বা অ্যাজমা আছে, তাদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে 'ইনহেলড কর্টিকোস্টেরয়েড' (Inhaled Corticosteroids বা ICS) নামক ইনহেলার ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে (গোলাপি/খয়েরী রঙের ইনহেলার)

আগে এই ইনহেলার সাধারণত বড় শিশুদের/ বড়দের জন্য বেশি ব্যবহার করা হতো। কিন্তু এখন বিশেষজ্ঞারা বলছেন, ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের যাদের নিয়মিত শ্বাসকষ্টের সমস্যা থাকে, তাদের বেশিরভাগেরই এই ইনহেলার (spacer এর মাধ্যমে) ব্যবহার করা উচিত। এই ইনহেলার শ্বাসনালীর ভেতরের প্রদাহ বা inflammation কমাতে সাহায্য করে। এটি নিয়মিত ব্যবহার করলে হঠাৎ বড় ধরণের অ্যাজমা অ্যাটাক বা শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

৩. শুধুমাত্র "সাময়িক আরামের নীল ইনহেলার" (Azmasol, Sultolin) ব্যবহার করলে সাময়িক স্বস্তি পাওয়া গেলেও ভেতরের প্রদাহ থেকে যায়, যা ভবিষ্যতে মারাত্মক বা প্রাণঘাতী অ্যাজমা অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, এমনকি মৃদু হাঁপানি থাকলেও শিশুদের শুধুমাত্র নীল ইনহেলার না দিয়ে ইনহেলড কর্টিকোস্টেরয়েড (ICS) ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, যাতে মূল প্রদাহ দীর্ঘস্থায়ী ভিত্তিতে প্রশমিত হয়।

ছোট শিশুদের শ্বাসকষ্ট বা বুক গড়গড় করার (Wheezing) কারণ সবসময় অ্যাজমা না-ও হতে পারে। চিকিৎসকরা সাধারণত অন্য কিছু সম্ভাবনাও যাচাই করে দেখেন, যেমন: ভাইরাল ইনফেকশন, ব্রঙ্কিওলাইটিস,
নিউমোনিয়া বা অন্য সংক্রমণ।

৪. ইনহেলার ব্যবহারের পাশাপাশি ট্রিগার এগিয়ে চলাটাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। শিশুকে এমন সব জিনিস থেকে দূরে রাখতে হবে যা তার হাঁপানির সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে (যাকে 'ট্রিগার' বলা হয়)।

ঘরের আসবাবপত্র বা বিছানার ধুলা থেকে সাবধান থাকা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ধোঁয়া বিশেষ করে সিগারেটের ধোঁয়া শিশুর ফুসফুসের জন্য খুবই ক্ষতিকর। এ ছাড়া রান্নার ধোঁয়া বা মশার কয়েলের ধোঁয়াও এড়িয়ে চলা উচিত। শিশুকে অতিরিক্ত ঠান্ডা বা কুয়াশা বা ঠান্ডা খাবার থেকে দূরে রাখতে হবে।

ঘরদোর পরিষ্কার এবং শিশুকে ধোঁয়ামুক্ত পরিবেশে রাখলে হাঁপানির টান ওঠার ঝুঁকি অনেক কমে যায়। এজন্য কার্পেট মুক্ত ঘর, খেলনা পরিষ্কার, পোষা প্রাণী থেকে দূরে রাখা, দেয়াল স্যাঁতস্যাঁতে না রাখা, সেখানে ছত্রাক জম্মাতে তে না দেয়া দরকার।

তীব্র গন্ধ ও সুগন্ধিকড়া পারফিউম, আগরবাতি, স্প্রে এবং কড়া পরিষ্কারক দ্রব্যের (যেমন ফিনাইল, ব্লিচিং পাউডার) গন্ধ ফুসফুসে হঠাত সংকোচন ঘটাতে পারে। শিশুর উপস্থিতিতে এগুলো ব্যবহার এড়িয়ে চলুন।

আবহাওয়া পরিবর্তন, হঠাত ঠান্ডা পড়া বা ঋতু পরিবর্তনের সময় শিশুদের বিশেষ যত্ন নিতে হবে।

একটি 'অ্যাজমা ডায়েরি' রাখুন যেখানে শিশু কখন এবং কোথায় গেলে অসুস্থ হচ্ছে তা লিখে রাখুন। এতে তার নির্দিষ্ট 'ট্রিগার' চেনা সহজ হবে।
Collected

27/04/2026

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে সচেতন থাকুন
সামান্য অসতর্কতায় হতে পারে বড় দুর্ঘটনা। বজ্রপাতের সময় ঘরে থাকুন, খোলা জায়গা ও গাছের নিচে আশ্রয় নেবেন না। বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার এড়িয়ে চলুন এবং নিরাপদ স্থানে থাকুন।

26/04/2026

#উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে...
২৯শে এপ্রিল থেকে ১২ই মে পর্যন্ত, সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত, কোনো ব্যক্তি যেন বাইরে (খোলা আকাশের নিচে) না যান, কারণ আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে যে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। তাই যদি কোনো ব্যক্তির শ্বাসকষ্ট হয় বা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন, তাহলে অবিলম্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিন, ঘরের ভেতরের দরজা খোলা রাখুন যাতে বায়ু চলাচল করতে পারে, মোবাইলের ব্যবহার কমিয়ে দিন, মোবাইল ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, দয়া করে সতর্ক থাকুন এবং অন্যদের জানান, যতটা সম্ভব দই, ঘোল, বেলের রস ইত্যাদির মতো ঠান্ডা পানীয় ব্যবহার করুন।

অত্যন্ত জরুরি তথ্য

বেসামরিক প্রতিরক্ষা অধিদপ্তর নাগরিক ও বাসিন্দাদের নিম্নলিখিত বিষয়ে সতর্ক করছে।

আগামী দিনগুলিতে তাপমাত্রা ৪৭ থেকে ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বৃদ্ধি এবং কিউমুলাস মেঘের উপস্থিতির কারণে বেশিরভাগ এলাকায় শ্বাসরুদ্ধকর পরিবেশের জন্য, এখানে কিছু সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বনের কথা বলা হলো।

গাড়ি থেকে এই জিনিসগুলি সরিয়ে ফেলা উচিত

১. গ্যাসের সামগ্রী ২. লাইটার ৩. কার্বনেটেড পানীয় ৪. সাধারণত পারফিউম এবং অ্যাপ্লায়েন্সের ব্যাটারি ৫. গাড়ির জানালা সামান্য খোলা রাখা উচিত (বাতাস চলাচলের জন্য) ৬. গাড়ির ফুয়েল ট্যাঙ্ক পুরোপুরি ভর্তি করবেন না ৭. সন্ধ্যায় গাড়িতে জ্বালানি ভরুন ৮. সকালে গাড়িতে ভ্রমণ করা এড়িয়ে চলুন ৯. গাড়ির টায়ারে অতিরিক্ত হাওয়া দেবেন না, বিশেষ করে ভ্রমণের সময়।

বিছা এবং সাপ থেকে সাবধান থাকুন কারণ তারা তাদের গর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে পারে এবং শীতল জায়গার সন্ধানে পার্ক ও বাড়িতে প্রবেশ করতে পারে।

প্রচুর পরিমাণে জল ও তরল পান করুন, গ্যাস সিলিন্ডার রোদে রাখবেন না, বিদ্যুৎ মিটারে অতিরিক্ত চাপ দেবেন না এবং এয়ার কন্ডিশনার শুধুমাত্র বাড়ির ব্যবহৃত জায়গাগুলিতে ব্যবহার করুন, বিশেষ করে গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহের সময়। এবং প্রতি দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর ৩০ মিনিটের বিশ্রাম নিন। বাইরের তাপমাত্রা ৪৫-৪৭° হলে, বাড়িতে এসি ২৪-২৫° তে রাখুন, এতে আপনার স্বাস্থ্য ও সুস্থতা ভালো থাকবে। সরাসরি সূর্যের আলোতে আসা পরিহার করুন, বিশেষ করে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টার মধ্যে।

পরিশেষে: অনুগ্রহ করে এই তথ্যটি শেয়ার করুন, কারণ অন্যরাও হয়তো এটি জানেন না এবং প্রথমবারের মতো পড়ছেন।

31/03/2026

ঢাকায় হামের (Measles) জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে

কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও করণীয় তুলে ধরা হলো—

#হাম_Measlesকী?

-একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ (R₀ খুব বেশি)

-বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় (cough/sneeze droplets, airborne spread)

-আক্রান্ত ব্যক্তি র‍্যাশ ওঠার ৪ দিন আগে থেকে ৪ দিন পর পর্যন্ত সংক্রমণ ছড়াতে পারে

#লক্ষণসমূহ:

1.উচ্চ জ্বর (≥101°F)

2.কাশি, সর্দি, চোখ লাল হওয়া (3C: cough, coryza, conjunctivitis)

3.Koplik spots (মুখের ভেতরে সাদা দাগ)

4.৩–৫ দিনের মধ্যে শরীরে র‍্যাশ (face → trunk → limbs)

#অভিভাবকদের_জন্য_সতর্কতা:

1.জ্বর + র‍্যাশ = অবহেলা নয় → দ্রুত ডাক্তার দেখান

2.নিজে নিজে ওষুধ (বিশেষ করে steroid/antibiotic) না খাওয়ানো

3.শিশুর টিকা কার্ড চেক করুন—complete কিনা

4. MMR vaccine 2 dose নিশ্চিত করা

5.Unvaccinated শিশুদের দ্রুত catch-up vaccination

6.Symptomatic (fever + rash) শিশুদের অন্তত ৭–১০ দিন স্কুল থেকে বিরত রাখা

7..শিশুকে পুষ্টিকর খাবার দিন (Vitamin A rich food: গাজর, ডিম, লিভার)

#চিকিৎসা :

মিজেলস এ বাচ্চাদের ভিটামিন -এ লেভেল কমে যায়, তাই মিজেলস আক্রান্ত বাচ্চাদের Vitamin A supplementary দেওয়া হবে ২ দিন ২ টা ডোজ-

ডোজ: বয়স ৬ মাসের কম হলে প্রতি ডোজ 50,000 unit
৬ মাস থেকে ১২ মাস : 1 lac unit
>12 month = 2 lac unit

2 dose
Day-1
Day-2

Severe case এ ৩ টা ডোজ দেওয়া হয়, 3rd dose ১৪ তম দিনে দেওয়া হয়;

বাজারে capsule Retinol forte 50,000 unit, 2 lac unit এইভাবে পাওয়া যায়, বাচ্চার ডোজ অনুযাই
ক্যাপসুল টা কিনে নিয়ে আসবেন,

যেমন ৬ মাসের বাচ্চা হলে 50000 unit এর একটা,
৬-১২ মাস হলে 50000 unit এর দুইটা অথবা 1 lac unit এর একটা - এইভাবে খাওয়াবেন। দুই দিন।
ক্যাপসুল ছিদ্র করে লিকুইড টা খাওয়াবেন শুধু ।

ভিটামিন এ সাপ্লিমেন্টারী দিলে অনেক জটিলতা এড়ানো যায়.

#র‍্যাশের জন্য করনীয় কি?

rash দেখে আতংকিত হবার কিছু নাই-
Tab : Biltin 20 mg Once daily ( বাচ্চাদের এন্টিহিস্টামিন সিরাপ: Alatrol according to age)
সাথে calamine lotion দিবেন।
লোশন চুলকানি থাকলে দিবে, না থাকলে দরকার নাই--

মিজেলস প্রতিরোধের উপায় কি?
একটাই উপায়- বাচ্চাদের কে ছোট বেলায় টিকা দিয়ে দেওয়া,MR টিকা দেওয়া হয় মিজেলস প্রতিরোধের জন্য।
মোট ২ টা ডোজ:
১ম ডোজ ৯ মাস বয়সে
২য় ডোজ ১৫ মাস বয়সে

30/03/2026
Photos from Dr. Abu Jafor 's post 13/02/2026

ধন্যবাদ প্রধান উপদেষ্টা ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস স্যারকে দেশে এত সুন্দর অবাধ সুষ্ঠু এবং আনন্দময় পরিবেশে ভোটগ্রহণের পরিবেশ করে দেয়ার জন্য।। অভিনন্দন জানাব তারেক রহমান এবং বিএনপিকে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠনের জন্য। আশা করি তারা পূর্বের ভুল সংশোধন করে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।।অভিনন্দন জুলাই যোদ্ধাদের যারা সংসদে নির্বাচিত হয়েছেন জনপ্রতিনিধি হিসেবে। আশা করি শক্তিশালী বিরোধী দল হিসেবে তারা কাজ করে দেশকে আরো স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং সংসদকে জবাবদিহিতার মধ্যে নিয়ে আসবেন।।।
স্থিতিশীল ও প্রগতিশীল একটি দেশ গঠনের স্বপ্নে।।

09/02/2026

ডায়াবেটিস রোগীদের কমন কিছু ভুল:

১) শরীর দুর্বল এর জন্য বেশি বেশী ফল খান (আপেল, আঙ্গুর)। আসলে শরীর দুর্বল এর কারন ডায়াবেটিস বেশী, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে আসলে দুর্বলতা কেটে যাবে। বেশি ফল খেলে আরো ক্ষতি হবে। ডায়াবেটিস রোগীরা অপেক্ষাকৃত কম মিষ্টি ফল যেমন- পেয়ারা, শক্ত কলা, মালটা,আমড়া, জাম্বুরা, আপেল, আঙ্গুর খেতে পারবেন।

২) মাঝে মাঝে মিষ্টি না খেলে সুগার নিল হবে। সুগার নিল হবার কারন হলো-ভুল করে বেশি ইনসুলিন নেয়া, ঔষধ বেশি করে খাওয়া, ইনসুলিন বা ঔষধ খেয়ে খাবার না খাওয়া বা খাবার খেতে দেরী করা, প্রতিদিনের নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশি ব্যায়াম বা কায়িক শ্রম করা। মিষ্টি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার বা চিনি জাতীয় খাবার বা বিস্কুট বা চকলেট শুধুমাত্র ডায়াবেটিস যদি ৪ এর নীচে নেমে যায় তখন খেতে হবে। এমনি এমনি মিষ্টি বা মিষ্টি জাতীয় খাবার খেলে ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত হয়ে যাবে।

৩) ডায়বেটিসের ঔষধ চলছে, সাথে সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুল ইত্যাদি খাওয়া চলছে। তামাক বা তামাক জাতীয় জিনিস খাওয়া সবার জন্যই হারাম বা অনুচিত।

৪) ডায়াবেটিস বেশি নাই তাই হাঁটার এবং খাবার নিয়ন্ত্রন করার দরকার নাই। প্রকৃতপক্ষে নিয়মিত হাঁটা এবং খাবার নিয়ন্ত্রন করা ডায়াবেটিস রোগীর প্রধান চিকিৎসা।

৫) যেদিন ডায়াবেটিস টেস্ট করা হবে সেদিন সকালের ইনসুলিন বা ঔষধ খাবার দরকার নেই। এটি ভুল; ঔষধ বা ইনসুলিন না খেয়ে ডায়াবেটিস টেস্ট করলে ডায়াবেটিস এর রেজাল্ট বেশি আসবে। টেস্টের দিন অবশ্যই নিয়ম মত সকালে খালি পেটে ঔষধ বা ইনসুলিন নিতে হবে, নাস্তার পর কোন ঔষধ থাকলে সেটা খেতে হবে। টেস্টের দিন অন্যান্য দিনের মত একই নাস্তা খেতে হবে, যেমন- বাড়িতে সকালে ভাত খেলে, টেস্টের দিনও সকালে ভাত খেতে হবে।

৬) ডায়েবেটিস রোগীকে শুধু একবার ভাত খেতে হবে। এটিও ভুল। ডায়াবেটিস রোগীকে শর্করা জাতীয় খাবার কম খেতে হবে, বিশেষ করে যেগুলো দ্রুত রক্তে গ্লুকোজ বাড়ায় যেমন- মিষ্টি, জিলাপী ইত্যাদি। ভাত এবং রুটি দুটোই শর্করা, পার্থক্য হলো- ভাত দ্রুত শোষণ হয়, রুটি ধীরে ধীরে হয়, রুটি গোনা যায়, ভাত গোনা যায় না, রুটি একটা সব্জী দিয়ে খাওয়া যায়, কিন্তু ভাত খেতে ডাল, সব্জী, মাছ বা ডিম বা মাংস লাগে, ফলে অনেক কিছু খাওয়া হয়। অল্প পরিমানে ভাত দুই বেলা এমনি তিন বেলা খেলেও কোন সমস্যা নেই।
Collected

Photos from icddr,b's post 31/01/2026
Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

158/2, West Rampura, Hiron Point, Wapda Road
Dhaka
1212