Dr. Emteaz hosse
Homoeo
08/04/2026
♦️টেরিজিয়ামে(Pterygium) ব্যবহৃত হোমিওঔষধ♦️
🔴Argen Nit
-চোখে জ্বালাপোড়া ও খচখচে অনুভূতি। চোখ লাল এবং conjunctiva irritated. ঘন স্রাব থাকতে পারে।
- আলোতে তাকালে কষ্ট (photophobia)।
- চোখে যেন বালি পড়েছে এমন অনুভূতি
-দীর্ঘদিনের conjunctival irritation-এর সাথে fleshy growth
-এছাড়া রোগী গরম কাতর,মিষ্টি খেলে গ্যাস বাড়ে।উচ্চ শব্দে বায়ু নিঃসরণ হয়।কোথাও যেতে গেলে টয়লেটে যায় এবং খুব তাড়াহুড়ো করা স্বভাব।উচ্চ দালান দেখলে,গাড়ি দেখলে ভয় করে।
🔴 Calcarea Fluor
- চোখের ঝিল্লি মোটা হয়ে কর্নিয়ায় এগোলে ।
- ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা টেরিজিয়ামে।
- চোখ লাল হয়ে যায় এবং চুলকায়।
-চোখ ঘষলে চোখ চুলকানি কমে।
🔴Euphrasia Officinalis
- চোখে জ্বালা, অশ্রু, লালচে ভাব
- টেরিজিয়ামের শুরুতে চোখে জ্বালা ও অস্বস্তি থাকলে
- চোখে ধুলা ঢোকার মতো অনুভব।
-চোখ দিয়ে পানি পড়ে এবং চোখের কোন
হেজে যায়।
🔴 Ruta Graveolens
- চোখে ক্লান্তি ও চাপ লাগা
- বেশি পড়াশোনা বা স্ক্রিনে তাকানোর পর জ্বালা
- চোখের উপর চাপজনিত সমস্যা।
🔴 Natrum Muriaticum
- সূর্য বা আলোতে চোখে অস্বস্তি
- চোখে অশ্রু পড়া, হালকা ফোলা ভাব
- টেরিজিয়ামের সাথে চক্ষু শুষ্কতা।
-পানি/ঠান্ডা দিলে ভালো লাগে।
🔴Nitric Acid
- চোখে তীক্ষ্ণ সুচ ফোটার মতো ব্যথা।
- conjunctiva-তে জ্বালা ও কাঁচা ঘা-এর মতো irritation.
- চোখ লাল এবং স্পর্শে অস্বস্তি. ঠান্ডা বাতাসে কষ্ট বাড়ে।
- চোখের কোণায় ক্ষয় বা ulcer tendency থাকতে পারে
-প্রস্রাব, পায়খানায় প্রচন্ড দুর্গন্ধ।
-রোগী প্রচুর রাগী স্বভাবের। ক্ষমা করার প্রবণতা থাকে না।
🔴Silicea
- দীর্ঘস্থায়ী টেরিজিয়াম
- বারবার চোখে ইনফেকশন হলে
- শরীরের অপ্রয়োজনীয় বৃদ্ধি (growths) কমাতে সহায়ক
🔴Ratanhia
--চোখে টেরিজিয়াম এবং এর সাথে যদি
পাইলস বা অর্শের সমস্যা থাকে।
-অর্শে প্রচন্ড জ্বালা যন্ত্রণা থাকে। মরিচ লাগার মতো।
-চোখ লাল হয়ে যায় এবং জ্বালা থাকে।
🔴Thuja Occidentalist
-টেরিজিয়ামে থুজা খুব ভালো মেডিসিন।
শরীরের যেখানে সেখানে আঁচিল হওয়ার প্রবণতা।
-রোগী মোটাসোটা, জোড়া ভ্রু।সনান ধরনের ভ্রান্ত বিশ্বাস।
-উড়ে যাওয়া, পড়ে যাওয়া, মৃত মানুষের স্বপ্ন দেখে।
❤️♦️টেরিজিয়াম সারাতে হলে পূর্ণাঙ্গ রোগী লিপি করতে হবে ।প্রোপার কেস টেকিং এর মাধ্যমে যেকোনো মেডিসিন আসতে পারে।
29/09/2025
15/06/2025
বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচুর পরিমানে এই রোগ টা ছরাচ্ছে৷
নিজে সতর্ক হন,, অন্য কে সতর্ক করুন । লেখাটি পড়ার জন্য অনুরোধ রইল!!!
আপনাদের সন্তানের চুলকানি বা স্ক্যাবিস থেকে মুক্তি পেতে হলে আমার লেখা এই পোস্টটি ভালো ভাবে পড়ুন এবং বুঝুন।
________________________________________
স্ক্যাবিস এখন মহামারি আকার ধারন করেছে। সবাইকে তাই সচেতন হবার অনুরোধ করছি।
স্ক্যাবিস (Scabies) একটি তীব্র চর্মরোগ, যা Sarcoptes Scabiei নামক এক ধরনের পোকা বা ক্ষুদ্র পরজীবী মাইট (mite) দ্বারা হয়। এটি খুবই সংক্রামক এবং চুলকানির মাধ্যমে এর প্রধান উপসর্গ প্রকাশ পায়।
স্ক্যাবিসের ভয়াবহতা :
১. চরম চুলকানি: স্ক্যাবিস হলে বিশেষ করে রাতে বেশি চুলকানি হয়, ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। অনেক বাচ্চারা চুলকাতে চুলকাতে ঘুম ভেঙে যায়, যন্ত্রনায় কান্নাকাটি করে।
২. চামড়ায় ফুসকুড়ি ও ক্ষত: স্ক্যাবিস হলে ঘর্ষণ এবং চুলকানোর ফলে চামড়ায় ঘা ও ইনফেকশন হতে পারে। কখনো কখনো চামড়ার নিচে পুঁজ জমে যায়।
৩. পরিবারে দ্রুত ছড়ায়: স্ক্যাবিস রোগে পরিবারে একজন আক্রান্ত হলে তার সংস্পর্শে এলে পুরো পরিবার এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে। মারাত্মক ছোঁয়াচে রোগ এটি।
৪. দীর্ঘমেয়াদে হলে সেকেন্ডারি ইনফেকশন: স্ক্যাবিসের সঠিক চিকিৎসা না হলে শরীরে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, সেলুলাইটিস, এমনকি শিশু রোগীর কিডনি সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে, তাই সচেতনতা ভীষন ভাবে প্রয়োজন।
৫. মানসিক অস্বস্তি: অতিরিক্ত চুলকানি ও অস্বস্তির কারণে শিশুর মানসিক চাপ ও অস্থিরতা তৈরি হয়।
স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির উপায়:
১. চিকিৎসা:
☞ পারমেথ্রিন - ৫% (Permethrin - 5%) ক্রিম: এটি সবচেয়ে কার্যকর। শরীরের গলা থেকে পা পর্যন্ত মেখে রাতভর রেখে সকালে (১০-১২ ঘন্টা শরীরে রাখার পর) ধুয়ে ফেলতে হয়। এই নিয়মে একটু ভুল হলে কোনেভাবেই এউ স্ক্যাবিস রোগ শরীর থেকে যাবেনা। মাসের পর মাস এই রোগের অসহ্য যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে। হাজার হাজার টাকা, ১০-১২টা ডাক্তার যাই করেন, কাজ হবেনা। শরীরের এক ইঞ্চি তো দূরের কথা একসূতা পরিমাণ জায়গাও বাদ রাখবেন না, রাতে ওয়াসরুমে গেলে, ওষুধ ধুয়ে গেলে, আবার প্রয়োগ করুন। মনে রাখবেন, ভীষণ জরুরি। না কমলে ৭ দিন পরপর একই নিয়মে ব্যবহার করুন। আর অবশ্যই পরদিন সকালে গায়ে থাকা পোষাক, বিছানার চাদর, বালিশের কাভার সব কিছু গরম পানিতে ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে ধুয়ে ফেলুন। নিজের ও শিশুর শরীর গরম পানি ও বডি ওয়াস দিয়ে ভালো ভাবে রগরে গোসল করুন ও করান।
☞ আপনার শিশুকে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখানোর পর শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী (Permethrin - 5% + Crotamiton) Combined Cream বা Monosulfuram - 25% Solutions ইত্যাদি ব্যাবহার করতে পারবেন।
☞ আইভারমেকটিন (Ivermectin) ওষুধ: কিছু ক্ষেত্রে শিশু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক আপনার শিশুর স্ক্যাবিস রোগের চিকিৎসায় খাওয়ার ওষুধ দিতে পারেন, বিশেষ করে জটিল ও পুনঃসংক্রমণের ক্ষেত্রে।
☞ অ্যান্টিহিস্টামিন ট্যাবলেট: চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। শিশুদের ক্ষেত্রে Syrup বড়দের ক্ষেত্রে ট্যাবলেট।
২. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা:
আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানার চাদর, তোয়ালে গরম পানিতে ৩০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে।
এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকে ৩ দিন পর্যন্ত দূরে রাখতে হবে (কারণ রোগ সৃষ্টিকারী পোকা বা মাইট ২–৩ দিন বেঁচে থাকে)।
৩. একসাথে চিকিৎসা:
পরিবারের সকল সদস্যকে একসাথে চিকিৎসা গ্রহণ করা জরুরি। এমনকি উপসর্গ না থাকলেও। এটা খুবি জরুরি।
৪. নিয়মিত হাত ধোয়া ও শরীর পরিষ্কার রাখাবেন। বাইরে থেকে বাসায় ফিরে সবার আগে ভালো ভাবে হাত ধোয়ার অভ্যাস করবেন। এতে রিইনফেকশন হবার সম্ভাবনা কমে যায়।
বিশেষ সতর্কতা:
শিশুদের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞ এবং গর্ভবতীদের নারীদের গাইনী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ ঔষধ গুলো শিশু ও নারীদের প্রতি বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে।
বিশেষ দ্রষ্টব্য:
এই স্ক্যাবিসকে সাধারন ভাবে দেখবেন না। এর ভয়াবহতা অনেক। তাই সচেতন হবেন। যারা আক্রান্ত হয়েছিলেন এখন সম্পূর্ণ সুস্থ তারাও প্রতি মাসে একবার করে পরিবারের সবাই একসাথে পারমিথ্রিন ৫% ব্যবহার করুন এবং পরিধেয় পোষাক, বিছানার চাদর গরম পানিতে ধুয়ে নিন।
নিজে জানুন অন্যকে জানান।
আশা করি আজকের আলোচনা আপনাদের অনেক উপকারে আসবে, আমার জন্য দোয়া রাখবেন, সবাই সুস্থ থাকবেন, সম্ভব হলে এই পোস্টটি শেয়ার করবেন।
দয়া করে আপনারা সবাই সচেতন হবেন।
মনে রাখবেন, আপনার সচেতনতা, আপনার সন্তানের জন্য আশীর্বাদ।
ফার্মেসীতে বসে ।
কালমেঘ।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
3002