Dr Bashar BHMS
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr Bashar BHMS, Health/Beauty, 33/34 Nababgonj Bazar Road, Lalbag, Hazi Mension, Dhaka.
27/08/2026
annularae:
✅ গ্রানুলোমা অ্যানুলারে একটি চর্মরোগ,
🧐 এটি দেখতে অনেকটা Ringworm বা দাদ এর মত হলেও এটাতে তেমন চুলকানি নেই ।
🏋🏿 সাধারণত শিশুরা বেশি আক্রান্ত হয়,
সারা শরীরে যে কোন জায়গায় হতে পারে কিন্তু বেশিরভাগ হাতের পিছনে সাইটে দেখা যায়।
🤖 গ্রানুলোমা অ্যানুলারের সঠিক কারণ এখনও অস্পষ্ট, তবে মনে করা হয় এটি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া, সংক্রমণ, আঘাত বা নির্দিষ্ট কিছু ওষুধের মতো কারণ দ্বারা প্রভাবিত হয়।
☠️ যদিও এটি অনেক সময় সাধারণত নিজে থেকেই সেরে যায়, কিন্তু দীর্ঘদিন হলে তখন চিকিৎসার প্রয়োজন হয় ।
🚨চিকিৎসা:
সিম্টোমেটিক হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন :
C virosa, Graph, K sulph, Sul, Tel... ইত্যাদি।
Bashar BHMS
ঘনঘন বাধাযুক্ত প্রস্রাব,জ্বালাপোড়া...
#আঁচিল চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি...
017 107 322 52
27/07/2026
#আঁচিল (Wart) মূলত Human Papillomavirus (HPV) নামক ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে হয়।
ভাইরাসটি ত্বকের ক্ষুদ্র কাটা, ফাটা বা ঘর্ষণের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে।
আঁচিল হওয়ার প্রধান কারণ যেমন:
🦠 HPV ভাইরাসের সংক্রমণ (সবচেয়ে সাধারণ কারণ)
✋ আক্রান্ত ব্যক্তির আঁচিল স্পর্শ করা
🪒 অন্যের ব্যবহৃত নেইল কাটার, রেজর, তোয়ালে বা গ্লাভস ব্যবহার করা
🩹 ত্বকে ছোট কাটা, ফাটা বা ক্ষত থাকা
💧 ভেজা ও আর্দ্র পরিবেশে (যেমন সুইমিং পুল, পাবলিক বাথরুম) খালি পায়ে চলাফেরা
🛡️ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া
😬 নখ কামড়ানোর বা আঙুলের চামড়া খোঁটার অভ্যাস
👨👩👧👦 পরিবারের কারও আঁচিল থাকলে সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
মনে রাখা জরুরি:
আঁচিল সাধারণত ক্যান্সার নয়।
এটি সংক্রামক, তাই খোঁচানো বা কাটলে শরীরের অন্য জায়গায়ও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
নিজে থেকে অ্যাসিড বা রাসায়নিক লাগিয়ে চিকিৎসা করলে পোড়া দাগ বা সংক্রমণ হতে পারে।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
আঁচিল দ্রুত বড় হলে
ব্যথা, রক্তপাত বা পুঁজ হলে
মুখ, চোখ, যৌনাঙ্গ বা নখের আশেপাশে হলে
বারবার ফিরে এলে
ডায়াবেটিস বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে..
মাংস পেশীর দুর্বলতা..
#কোমর ব্যথা, হাড় ক্ষয় ও প্যারালাইসিস জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা... 🩻
সেলুনে কেমিক্যাল দিয়ে আঁচিল তোলার পর মুখে কালো দাগ..
#লালাগ্রন্থি সিস্ট..
30/05/2026
🧠 একটি ভয়ংকর সামাজিক সত্য:
“তকমা” কখনও কখনও বাস্তবতার চেয়েও শক্তিশালী!
১৯৭৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ঘটে এক অবিশ্বাস্য ঘটনা।
স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী David Rosenhan একটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চাইলেন—
❝ একজন সত্যিকারের মানসিক রোগী আর সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষের মধ্যে পার্থক্য কি চিকিৎসকরা সবসময় বুঝতে পারেন? ❞
এই উদ্দেশ্যে ৮ জন সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মানসিক হাসপাতালে ভর্তি হন।
তারা শুধু একটি মিথ্যা বলেছিলেন—
তারা নাকি কানে তিনটি শব্দ শুনতে পাচ্ছেনঃ
🔹 “Empty”
🔹 “Hollow”
🔹 “Thud”
ব্যস!
তাদের সবাইকে মানসিক রোগী হিসেবে ভর্তি করে নেওয়া হলো। 😮
কিন্তু হাসপাতালে ঢোকার পর তারা আর কোনো অভিনয় করেননি।
তারা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আচরণ করতে থাকেন এবং ডাক্তারদের জানান যে তারা এখন ভালো আছেন।
তবুও আশ্চর্যজনকভাবে ডাক্তার ও নার্সরা তাদের স্বাভাবিক কাজগুলোকেও “রোগের লক্ষণ” হিসেবে ব্যাখ্যা করতে থাকেন।
✍️ ডায়েরি লেখা = “Obsessive Behaviour”
🙂 ভদ্র আচরণ = “অস্বাভাবিক মানসিক অবস্থা”
সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো—
ডাক্তাররা বুঝতে না পারলেও হাসপাতালের প্রকৃত রোগীদের অনেকেই বুঝে ফেলেছিলেন তারা সুস্থ মানুষ!
কেউ ফিসফিস করে বলেছিল—
❝ তুমি তো পাগল নও… তুমি হয়তো সাংবাদিক বা গবেষক! ❞
⏳ গড়ে ১৯ দিন, কেউ কেউ ৫২ দিন পর্যন্ত হাসপাতালে আটকে ছিলেন।
পরে এই গবেষণা প্রকাশিত হলে পুরো চিকিৎসা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
কারণ এটি একটি ভয়ংকর সত্য সামনে এনেছিল—
⚠️ একবার সমাজ কারো গায়ে কোনো “লেবেল” লাগিয়ে দিলে, মানুষ তখন বাস্তবতাকে নয়… সেই তকমাকেই সত্য মনে করতে শুরু করে।
আমরা কি সত্যিই মানুষকে বুঝি?
নাকি শুধু তার পরিচয়, তকমা আর গুজবকে বিচার করি?
💭
“মানুষের ভুল ধারণা অনেক সময় পাগলামির চেয়েও ভয়ংকর হতে পারে।”
গবেষণাটি নিয়ে পরবর্তীতে কিছু বিতর্কও তৈরি হয়েছিল এবং কয়েকজন গবেষক এর কিছু অংশের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তবে মনোরোগ নির্ণয় ও “লেবেলিং” নিয়ে আলোচনায় এটি এখনও অত্যন্ত প্রভাবশালী একটি গবেষণা হিসেবে পরিচিত। �
━━━━━━━━━━━━━━━
📚 Reference:
David L. Rosenhan (1973)
On Being Sane in Insane Places
Published in the journal Science
🔗 Original Research:
https://www.science.org/doi/10.1126/science.179.4070.250
🔗 More Details:
https://en.wikipedia.org/wiki/Rosenhan_experiment
#01710732252
26/05/2026
🔬 H. pylori কি?
কেন Gastric Erosion হয়?
আপনি কি দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস্ট্রিক, বুক জ্বালাপোড়া বা পেটের অস্বস্তিতে ভুগছেন?
এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে
H. pylori ( হেলিকোব্যাক্টর পাইলরি ) নামক একটি ব্যাকটেরিয়া, যা পাকস্থলীর আবরণে ক্ষয় (Gastric Erosion) সৃষ্টি করতে পারে।
⚠️ লক্ষণগুলো হতে পারে:
✅ বুক জ্বালাপোড়া
✅ দীর্ঘদিনের গ্যাস্ট্রিক সমস্যা
✅ অম্বল ও বদহজম
✅ পেটে অস্বস্তি বা ব্যথা
✅ ক্ষুধামন্দা
🩺 সঠিক পরীক্ষা ও যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে এ সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
👨⚕️ Dr Bashar (BHMS)
📞 017 107 322 52
⚕️ লক্ষণ থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
1211
Opening Hours
| Monday | 16:00 - 22:00 |
| Tuesday | 10:00 - 13:00 |
| 16:00 - 22:00 | |
| Wednesday | 16:00 - 22:00 |
| Friday | 16:00 - 22:00 |
| Saturday | 16:00 - 22:00 |
| Sunday | 16:00 - 22:00 |