emotional ful
truly emotional ful
স্ত্রী কখনো স্বামীর প্রিয় নারী হতে পারে না।
কারণ স্ত্রীর অনেক ভুল,, বেশিরভাগ লোকেই যদি প্রশ্ন করা হয়,, আপনার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় নারী কে??
স্বাভাবিকভাবেই অনেকেই উত্তর দেন,,-"মা" কেউ বলেন -"মেয়ে" কেউবা বলেন -"বোন", কেউবা বলেন -"নানি"!!!! কারণ সে তাকে কোলে পিঠে মানুষ করেছে। এমন অনেকগুলো সম্পর্কের কথা উঠে আসে।
খুব অবাক লাগে একজন মানুষও উত্তর দেন না যে,,,,, তার -"বউ" তার সবচেয়ে প্রিয় নারী। দিলেও হাতেগোনা খুব অল্প সংখ্যক মানুষ, আসলে বাঙালি পুরুষের সমস্যা বউকে ভালোবাসি বললে মান সম্মান চলে যাবে...!! লোকে বউ পাগল বলবে!! বউয়ের কাছে ছোট হয়ে যাবে!! অথবা বাকি পুরুষদের সামনে সম্মান কমে যাবে!!
এমন একজন মানুষ কি নেই.?? যার হাসপাতালের বেডের পাশে নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন তার _"স্ত্রী" অথবা একসাথে জীবনের যুদ্ধটা করবে বলে বাবার বাড়ির অভিজাত্যকে ধরে রেখে 'স্বল্প' বেতনের ছেলেটার হাত ধরে বাবার বাড়িটা ছেড়ে এসেছে.......! শ্বশুরবাড়ির ঝাল তরকারিতে ভাত খেতে না পেরেও ফোনে বাবার বাড়িতে জানিয়েছে অনেক ভালো আছে....!!
নাকি নিজের বিছানা,, মায়ের রান্না,, জন্মের পরের বাড়িটা,, সব ফেলে আসা অনেক সহজ!!! যার কারণে বউ কখনোই কারোর প্রিয় নারী হবার যোগ্যতা রাখে না..!!!
যে মেয়েটা সরাসরি স্বামী,, সন্তান,, সংসার,, নিয়ে পড়ে থাকে,, অথচ নিজের দিকে খেয়াল রাখতেও সময় পায় না,,!! সে কখনোই প্রিয় স্ত্রী হতে পারে না.....! প্রিয় মানুষ হতে পারে না....! হতে পারে না প্রিয় বউ...! হতে পারে না এটাই হলো মেয়েদের জীবন....! কখনোই কারোর প্রিয় হতে পারে না,,
একটা কথা সব সময় মনে রাখবেন,,,,,,,
স্ত্রীদের খুশি করতে বেশি কিছু লাগে না,,,, তারা চায় তাদেরকে মেন্টালি সাপোর্ট করবেন,,, আর সব সময় ভালবাসবেন,,, কোন রকম অবহেলা করবেন না,,,,
তাদের ভালো লাগে এমন কিছু করতে পারেন,,, তারা কষ্ট পাবে এমন কোন কথা বলবেন না,,,, বা এমন কোন কাজ করবেন না।
মনে রাখবেন...... এই মানুষটি সারাদিন পরিবারের সবার জন্য পরিশ্রম করে,,,, স্বামীর ভালোবাসায় তারা সেই সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে।
একটা মেয়ের সংসার জীবনে স্বামীর সাপোর্ট ছাড়া কিছু করা সম্ভব নয়। বিয়ের পর একটা মেয়ের সবথেকে ভরসার জায়গা হল তার স্বামী।।।
তাই স্ত্রীকে ভালোবাসতে শিখুন এবং অবহেলা অভিযোগ করা থেকে বিরত থাকুন।।।
©️
21/05/2025
🔴 বিশেষ সতর্কতামূলক পোস্ট: বাঁচতে হলে জানতে হবে। মিনিকেট চালের ভাত গরমকালেও অনেকক্ষণ ভালো থাকে! আহারে! কত ভালো চাল! তাইনা⁉
আসুন জেনে নিই আসলেই কি আমরা ভালো চাল খাচ্ছি? নাকি আবর্জনা?
❌ মিনিকেট নামে কোন ধান চাষ হয় না বাংলাদেশে। তাহলে, এই চাল বাজারে আসে কোথা থেকে? এই প্রশ্নের উত্তর খুব সহজ, মিনিকেট চাল তৈরী হয় কারখানায়।
🌾দেশী জাতের ধান (মোটা চালের) চালকলে আসার পর শুরু হয় তেলেসমাতি। প্রথমে ধানের খোসা ছাড়ান হয়। খোসা ছাড়ানোর পর চালের অকৃত্রিম/ন্যাচারাল রঙে কিছুটা খয়েরি/বাদামি আভা থাকে। এরপর কেমিক্যাল ও হোয়াইটনার মেশিনের মাধ্যমে চালের খয়েরি/বাদামি আভার আবরণটিকে আলাদা করা হয়। এই আবরণটি বাদ দেওয়ার পর চাল কিছুটা সরু ও সাদা হয়। এখানেই শেষ নয়, পলিশার মেশিনের মাধ্যমে পলিশ করলেই হয়ে গেলো মিনিকেট চাল।
🗣️এবার প্রশ্নের তীর তাক করে কেউ বলতেই পারেন- মোটা চালকে এতোভাবে প্রসেস করে মিনিকেট বানালে তো চাল ব্যবসায়ীর ক্ষতি।
💥এবার ক্ষতির হিসেবটা করা যাক:- ১০০০কেজি মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানালে সাধারণত চাল পাওয়া যায় ৯৩৩কেজি, সাদা খুদ ২৬.৫ কেজি, কালো খুদ ১৪কেজি, মরা চাল ৪.৫ কেজি, ময়লা ০.৭৫ কেজি এবং পলিশ ২৭ কেজি। যোগ করলে দেখা যায় এক হাজার কেজি চাল প্রসেস করার পর পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৬কেজি বেশী।
✅এই ছয় কেজি হচ্ছে জলীয় বাষ্প ও পানি। রাইস ব্রান তেল কারখানাগুলো পলিশ কিনে নেয়, সাদা খুদ বাজারে চালের অর্ধেক দামে বিক্রি হয়।
✅কালো খুদ আর মরা চাল পশুখাদ্য হিসেবে বিক্রি হয়। ভাবছেন চাল প্রসেসের খরচ কত? ১০০০ কেজি মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানাতে খরচ হয় মাত্র ৯০০ টাকা হতে ১৫০০ টাকা। অর্থাৎ কেজি প্রতি ৯০ পয়সা থেকে দেড় টাকা।
✅মোটা চাল প্রসেস করে মিনিকেট বানিয়ে বিক্রেতা একটু বেশী লাভ করলে ক্রেতার ক্ষতি কী?
✅ছোট ক্ষতি হচ্ছে ক্রেতা চিকন চালের দামে মোটা চাল কিনছেন, অর্থাৎ কেজিতে ১৫থেকে ২০টাকা পর্যন্ত ঠকছেন।
✅বড় ক্ষতি হলো কেজিতে ১৫ থেকে ২০টাকা বেশী দিয়ে মিনিকেট চাল নয়, ক্রেতা কিনছেন মোটা চালের আবর্জনা। কারণ, প্রসেস করার মাধ্যমে চালের উপরি আবরণ (bran অর্থাৎ pericarp, seed coat, aleurone layer, embryo) বা পুষ্টিকর অংশ বাদ দেওয়া হয়।
✅উল্লেখ্য, চালের সর্বমোট ৮৫ ভাগ ভিটামিন B3 থাকে pericarp–এ, প্রোটিন আর ফ্যাট থাকে Aleurone layer -এ, খনিজের ৫১ ভাগ ও মোট আঁশের ৮০ ভাগ থাকে bran –এ, ভিটামিন B1 ও ভিটামিন E থাকে embryo -তে।
✅চালের সব পুষ্টিকর উপাদান তেলের মিলে বিক্রির জন্য প্রসেস করে আলাদা করার পর চাল আর চাল থাকেনা, হয়ে যায় চালের আবর্জনা।
❌ মিনিকেট চাল নামে চালের আবর্জনাকে যতোটা ক্ষতিকর মনে করছেন বাস্তবে আরও বেশী ক্ষতিকর। মোটা চালকে মিনিকেটে রূপান্তর করার বিভিন্ন পর্যায়ে সোডিয়াম হাইড্রোক্লোরাইড, সোডিয়াম হাইড্রোক্লোরাইড + টুথপেস্ট + এরারুটের মিশ্রণ, সোয়াবিন তেল, ফিটকারি, বরিক পাউডার ব্যবহার করা হয়। প্রতি মৌসুমেই বের হয় নিত্য নতুন কৌশল।
❌ মিনিকেট চালে কখনো পোকা ধরেনা। কারণ পোকাও জানে এই চাল খাওয়ার যোগ্য নয়, এতে পুষ্টিগুণ নেই।
অথচ দেখতে সুন্দর এই অখাদ্যকে আমি আপনি আমাদের পরিবারকে নিশ্চিন্তে খাওয়াচ্ছি এবং নিজেরাও খাচ্ছি!
কিন্তু কেন!?😕
✅শুধু চাল নয়, এমন আরও হাজারো অখাদ্য, আবর্জনা আমরা প্রতিনিয়ত খেয়ে যাচ্ছি জেনে, না জেনে আর তার ফলাফল স্বরূপ ভুগতে হচ্ছে কঠিন কঠিন রোগে সেই সাথে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে যাচ্ছি এক ভয়াবহ অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও জীবন ব্যবস্থা!
✅হিসেবটা মেলানো খুবই সহজ, বাড়িতে কোনো মুরব্বী থাকলে একটু জেনে নিতে হবে আগেকার দিনে তারা কেমন খাবার খেয়ে জীবন যাপন করেছে আর তাদের রোগ বালাই কেমন ছিলো এবং তাদের চিকিৎসা-ই বা কেমন ছিলো।
🔴আজকের দিনে আমরা হাজারো নিত্য নতুন রোগে আক্রান্ত হচ্ছি আর নিত্য নতুন ঔষধ সেবন করে চলেছি যা একটা রোগকে ঠিক করে আরো শত রোগের জন্ম দিচ্ছে আমাদের শরীরে। এ যেনো এক চোরাবালির মধ্যে ডুবে আছি আমরা।
"সুস্বাস্থ্য যেমন
সকল সুখের মূল,
ঠিক তেমন
স্বাস্থ্যকর খাবার সুস্বাস্থের মূল।"
Online Collected Info
Related??
শুভ সকাল বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন???
২৪ ঘন্টায় বউ'য়ের ৪৮ র'কমের মুড সুইং সামলাইতে না পারলে আপনি বিয়ে করবেন না 🙂
জুম্মা মুবারক সবাইকে
আচ্ছা এই সান্ডা টা আসলে কি???
Assalamualaikum
Good morning everyone 🪷
প্রতিশোধ নেওয়ার মতো ছোটো লোক যেমন আমি নই!
ঠিক তেমনি মাফ করে দেওয়ার মতো বড় মনও আমার নেই।
আমি সব টুকুর নালিশ মন প্রাণ থেকে শুধু এক জনকেই জানাই, যার কাছে সব কিছুর হিসাব থাকে, যিনি সব কিছু দেখেন ,শুনেন এবং জানেন ।
তার বিচারে কেউই ছাড় পায় নাহ।
Click here to claim your Sponsored Listing.