Umme Anabia

Umme Anabia

Share

Go back to Allah even if you have sinned million times �

24/07/2026

এক গ্রামে আরিফ নামে এক কাঠুরে বাস করতেন। তিনি ছিলেন ভীষণ গরিব, কিন্তু তাঁর অন্তরে ছিল আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস (তাওয়াক্কুল) এবং সততা। প্রতিদিন সকালে তিনি আল্লাহর নাম নিয়ে বনের উদ্দেশ্যে রওনা হতেন এবং সারাদিন হাড়ভাঙা খাটুনি শেষে যা পেতেন, তাতেই আলহামদুলিল্লাহ বলে সন্তুষ্ট থাকতেন।
একদিন বনের গভীরে শুকনো কাঠ খুঁজতে খুঁজতে আরিফ একটি পুরনো, পরিত্যক্ত কুয়োর পাশে এসে দাঁড়ালেন। হঠাৎ তাঁর নজর গেল কুয়োর পাশে পড়ে থাকা একটি কাপড়ের পুটুলির দিকে। কৌতুহলবশত পুটুলিটি খুলতেই আরিফের চোখ ছানাবড়া! ভেতরে চকচক করছে ঝকঝকে সোনার মোহর আর মূল্যবান কিছু হীরা-জহরত।
মুহূর্তের জন্য আরিফের মনে হলো, "এই সম্পদগুলো নিলে আমার আর আমার পরিবারের সারাজীবনের অভাব দূর হয়ে যাবে। আর কখনো রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে কাঠ কাটতে হবে না।"
কিন্তু ঠিক পরের মুহূর্তেই তাঁর মনে আল্লাহর ভয় জাগ্রত হলো। তিনি ভাবলেন, "এই ধন-সম্পদ আমার হালাল উপার্জনের অংশ নয়। কোনো পথচারী হয়তো ভুলে এটা ফেলে গেছেন। যদি আমি এটা রেখে দিই, তবে তা হবে আমানতের খেয়ানত। আল্লাহ তো সবকিছু দেখছেন।"
আরিফ পুটুলিটি যেভাবে ছিল সেভাবেই রেখে কুয়োর পাশে বসে রইলেন এবং অপেক্ষা করতে লাগলেন, যদি এর প্রকৃত মালিক ফিরে আসেন।
কয়েক ঘণ্টা কেটে গেল। সূর্য তখন পশ্চিমে ঢলে পড়েছে। এমন সময় দূর থেকে এক ব্যবসায়ীকে হন্তদন্ত হয়ে খুঁজতে খুঁজতে আসতে দেখা গেল। ব্যবসায়ীটি কুয়োর কাছে এসে যখন কাপড়ের পুটুলিটি অক্ষত অবস্থায় আরিফের হাতে দেখলেন, তখন তাঁর চোখে আনন্দের জল চলে এলো।
ব্যবসায়ীটি বললেন, "ভাই! এই পুটুলিতে আমার জীবনের সব উপার্জন ছিল। আমি ধরে নিয়েছিলাম এটা আর কোনোদিন ফিরে পাব না। আপনি কেন এটা নেননি? এখানে তো কেউ ছিল না!"
আরিফ মৃদু হেসে উত্তর দিলেন, "মানুষ কেউ না দেখলেও, আমার আল্লাহ তো দেখছিলেন। অন্যের সম্পদ ভোগ করে আমি আমার আখিরাত নষ্ট করতে পারি না।"
আরিফের এই সততা এবং আল্লাহর প্রতি ভয় দেখে ব্যবসায়ীটি গভীরভাবে অভিভূত হলেন। তিনি খুশি হয়ে উপহারস্বরূপ আরিফকে বেশ কিছু সোনার মোহর দিতে চাইলেন। কিন্তু আরিফ বিনয়ের সাথে তা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বললেন, "আমি শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য এটা করেছি, কোনো প্রতিদানের আশায় নয়।"
ব্যবসায়ী তখন আর জোরাজুরি না করে একটি দারুণ বুদ্ধি বের করলেন। তিনি আরিফকে তাঁর ব্যবসার অংশীদার হওয়ার প্রস্তাব দিলেন এবং বললেন, "আপনার মতো সৎ ও বিশ্বাসী মানুষের সাথে ব্যবসা করলে আল্লাহ তাতে বরকত দেবেন।"
আরিফ এবার প্রস্তাবটি গ্রহণ করলেন। এরপর থেকে আরিফকে আর বনে বনে কাঠ কাটতে হতো না। আল্লাহর ওপর ভরসা এবং সততার কারণে তাঁর জীবনের মোড় সম্পূর্ণ ঘুরে গেল। তিনি অল্প দিনেই একজন সফল ব্যবসায়ী হলেন এবং তাঁর উপার্জনের একটি বড় অংশ গরিব-দুঃখীদের মাঝে বিলিয়ে দিতে লাগলেন।

21/07/2026

যে যেমন করবে, তার সাথে তেমন করা হবে
#হাদীস #ইসলামেরআলো

18/07/2026
18/07/2026

ইসলাম সহজ ও শান্তির ধর্ম। আসুন, মানুষের জীবনকে সহজ করতে এবং ইতিবাচকতা ছড়াতে ভূমিকা রাখি। 🌸

17/07/2026

🪻ব্যস্ত জীবনে মনের শান্তি খুঁজছেন?

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর বেশি বেশি দুরুদ পাঠ করুন। এটি যেমন গুনাহ মাফ করে, তেমনি দূর করে মনের সব হতাশা ও দুশ্চিন্তা।

#দুরুদশরীফ #শান্তি #ইসলামিকরিলস #সুবহানাল্লাহ🌺🪻

17/07/2026

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

14/07/2026

আমাদের কথা যেন কারও কষ্টের কারণ না হয়। অপ্রয়োজনীয় কথা পরিহার করে ভালো কথা বলাই ঈমানের পরিচয়। 🪻🌺

13/07/2026

তাহাজ্জুদ সালাত:আল্লাহর নৈকট্য ও হৃদয়ের প্রশান্তি
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ।

রাতের নিস্তব্ধতায় যখন পুরো পৃথিবী ঘুমে মগ্ন থাকে, তখন বান্দা আর তার রবের মাঝে এক অবিশ্বাস্য সুন্দর সংযোগ তৈরি হয়। সেই মাহেন্দ্রক্ষণটিই হলো তাহাজ্জুদ। এটি কেবল একটি নফল ইবাদত নয়, বরং আল্লাহর ভালোবাসার এক পরম নিদর্শন।
🌷তাহাজ্জুদ সালাতের মহান ফজিলত

আরশের ডাক: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "আমাদের রব প্রতি রাতের শেষ তৃতীয়াংশে দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন— কে আমাকে ডাকবে যে আমি তার ডাকে সাড়া দেব? কে আমার কাছে চাইবে যে আমি তাকে দেব? কে আমার কাছে ক্ষমা চাইবে যে আমি তাকে ক্ষমা করব?" (সহীহ বুখারী)

জান্নাতের পথ সুগম হওয়া: রাসূল (সা.) বলেছেন, "হে লোকসকল! সালামের প্রচার করো, মানুষকে খাবার খাওয়াও এবং রাতের বেলা যখন মানুষ ঘুমিয়ে থাকে তখন সালাত আদায় করো; তবে তোমরা নিরাপদে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে।" (তিরমিজি)

নেককারদের অভ্যাসএটি মুমিনের মর্যাদা বৃদ্ধি করে এবং পূর্ববর্তী সকল সৎ মানুষের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য ছিল।

দোয়া কবুলের শ্রেষ্ঠ সময়:তাহাজ্জুদের সময়ের দোয়া সরাসরি আল্লাহর দরবারে কবুল হয়। জীবনের যেকোনো কঠিন মুহূর্তে তাহাজ্জুদ হলো শ্রেষ্ঠ সমাধান।

⏱️ তাহাজ্জুদের সময় কখন?

এশার সালাতের পর থেকে ফজর পর্যন্ত সময়ের যেকোনো অংশে তাহাজ্জুদ পড়া যায়।
তবে রাতের শেষ তৃতীয়াংশ (ফজরের ঠিক ২-৩ ঘণ্টা আগে) তাহাজ্জুদ আদায়ের সর্বোত্তম সময়।
সাধারণত রাতে কিছু সময় ঘুমিয়ে উঠে এই সালাত আদায় করা সুন্নাত।
📖 তাহাজ্জুদ সালাতের নিয়ম ও রাকাত সংখ্যা

📌রতাহাজ্জুদ সাধারণত ২ থেকে ৮ রাকাত পর্যন্ত পড়া যায়। ন্যূনতম ২ রাকাত এবং সর্বোচ্চ ৮ রাকাত পড়া সুন্নাত দ্বারা প্রমাণিত। (২ রাকাত ২ রাকাত করে আদায় করতে হয়)।

মনে মনে নিয়ত করলেই হবে যে, "আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ২ রাকাত তাহাজ্জুদের সালাত আদায় করছি।" (মুখে নির্দিষ্ট কোনো আরবি নিয়ত পড়া জরুরি নয়)।

সুরা ও কেরাতসাধারণ নামাজের মতোই প্রথম রাকাতে সুরা ফাতিহার সাথে যেকোনো সুরা এবং দ্বিতীয় রাকাতে অন্য যেকোনো সুরা মেলাবেন। সুরা দীর্ঘ করে পড়া বেশি সওয়াবের, তবে ছোট সুরা দিয়ে পড়লেও নামাজ হয়ে যাবে।

নামাজ শেষ করে আল্লাহর প্রশংসামূলক জিকির, ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) এবং দুরুদ শরীফ পড়ে আপনার মনের আকুতিগুলো মহান আল্লাহর কাছে খুলে বলুন।

"হে আল্লাহ! আমাদের সবাইকে অলসতা দূর করে রাতের শেষ প্রহরে আপনার সামনে সিজদায় অবনত হওয়ার এবং তাহাজ্জুদের মাধ্যমে আপনার নৈকট্য লাভের তৌফিক দান করুন। আমিন।" 🤲🌷

13/07/2026
13/07/2026

আমাদের প্রতিটি কাজ যেন সৎ নিয়তে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য হয়, আমিন। ✨

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

568/A Block C Khilgao Taltola
Dhaka