E-Net Agro Farm
Natural Food Supplier for healthy and happiness life-Super Food Shopping. Nice Shop
আমাদের নিত্যদিন আমরা যা কিছু খাচ্ছি তার সিংহভাগে গ্রোথ হরমোন ব্যবহার হচ্ছে। যেখানে একটি রুই মাছ স্বাভাবিক ভাবে ১ কেজি হতে বছর দুয়েক সময় লাগে সেখানে ৬ মাসে ৫ থেকে ৭ কেজি বানানো হয়। গরু মোটা তাজা করার জন্য ব্যবহার হয় গ্রোথ হরমোন। মৌসুমের আগে ফল বাজারে আনতে ব্যবহার হচ্ছে গ্রোথ হরমোন। টমেটো, শসার মত সবজি শীত মৌসুম আসার আগে বাজারে আনতে ব্যবহার হচ্ছে গ্রোথ হরমোন। এর কিছু কৃষক সরাসরি প্রয়োগ করছে আবার কিছু সিক্রেট ইনগ্রেডিয়েন্ট হিসেবে কোম্পানী সার, কীটনাশকের সাথেই ইনবিল্ট করে দিচ্ছে যা আমরা জানতেই পারছিনা। এই গ্রোথ হরমোনের ফলাফল ভয়াবহ। সামনে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে দুঃসহনীয় পরিস্থিতি। প্রাপ্তবয়স্কদের শরীরে গ্রোথ হরমোনের মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে গেলে হাত, পা এবং মুখের হাড় অস্বাভাবিকভাবে মোটা ও বড় হতে পারে। কৃত্রিম হরমোন গ্রহণের ফলে হৃদপিণ্ড বড় হয়ে যাওয়া এবং রক্তচাপ বেড়ে যাওয়ার মতো কার্ডিওভাসকুলার জটিলতা দেখা দিতে পারে। শরীরের ইনসুলিন হরমোন ঠিকমতো কাজ করতে পারে না, যা টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়। হাড়ের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে হাত-পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা, পেশীর দুর্বলতা এবং অস্থিসন্ধি ফুলে যেতে পারে। অতিরিক্ত হরমোনের কারণে হাতের স্নায়ুতে চাপ পড়ে, ফলে হাত অবশ হয়ে যাওয়া ও ঝিঁঝিঁ ধরার সমস্যা হতে পারে। এই সমস্যাগুলো ইতোমধ্যে দেশে বেড়ে চলেছে যার ফলশ্রুতিতে সুস্থতার জন্য আমাদের ওষুধ নির্ভরতাও বেড়েছে। নগরাঞ্চলে এমন কোন মানুষ নেই যারা এসকল সমস্যায় আক্রান্ত না। ভবিষ্যতে আরও ভয়ংকট পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে এই গ্রোথ হরমোনের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার কারণে।
14/05/2026
বাংলাদেশে একটি ফল বলতে গেলে হারিয়েই গিয়েছে। আমরা বাজার থেকে আমদানি করা যে আঙ্গুর, আপেল খাই তার চেয়ে কয়েকগুণ বেশী উপকারী একটি বুনো ফল ফলসা যা এক সময়ে গ্রামের প্রতিটি বাড়ীতে দু একটা গাছ দেখা যেত। এখন কোথাও তেমন একটা দেখা যায় না। ফলসা গ্রীষ্মকালীন সুস্বাদু বুনো ফল, যা একসময় গ্রামীণ রাস্তার ধারে, বসতবাড়িতে বা পতিত জমিতে দেখা যেত। এটি চাষের জন্য কোন খরচাপাতি দরকার ছিল না। এমনিতেই এখানে সেখানে জন্ম নিত। অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান থাকায় বাতের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং প্রচুর ভিটামিন সি ও ক্যালসিয়াম থাকে। আমাদের দূর্ভাগ্য এসব ফল হারিয়ে গিয়ে আমাদের আমদানি নির্ভর হয়ে ফলের চাহিদা মেটাতে হয়।
16/03/2026
সাতক্ষীরার আম স্বাদে, গন্ধে ও মিষ্টির জন্য দেশ-বিদেশে বিখ্যাত এবং বাংলাদেশের প্রথম আম হিসেবে বাজারে আসে। এখানকার প্রধান জাতগুলোর মধ্যে হিমসাগর, আম্রপালি ও ল্যাংড়া অন্যতম, যা ফরমালিনমুক্ত এবং ইউরোপ-আমেরিকাতেও রপ্তানি হয় [১, ৩, ৫]। মে মাসের শুরুতেই (সাধারণত ৫ মে) এই সুস্বাদু ও নিরাপদ আম বাজারে পাওয়া যায় [৪, ৬, ১৫]।
সাতক্ষীরার আমের বিশেষত্ব:
স্বাদ ও গন্ধ: সাতক্ষীরার হিমসাগর আম তার মিষ্টি সুগন্ধ ও অতুলনীয় স্বাদের জন্য বিখ্যাত [১১]।
ফরমালিন মুক্ত: বিষমুক্ত ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে আম চাষ করা হয়, যা সরাসরি বাগান থেকে সরবরাহ করা হয় [১, ৮]।
প্রাথমিক প্রাপ্যতা: দেশের অন্য যেকোনো অঞ্চলের আগে সাধারণত সাতক্ষীরার আম বাজারে আসে [৪, ৭]।
রপ্তানি: এই জেলার আম উন্নত মানের হওয়ায় প্রতি বছর ইউরোপ ও আমেরিকার বাজারে রপ্তানি করা হয় [৫, ৯]।
সংগ্রহের সময়সূচি (২০২৫ অনুযায়ী):
৫ মে: গোপালভোগ, গোবিন্দভোগ, বোম্বাই ও গোলাপখাস আম সংগ্রহ শুরু [৪, ১৩, ১৫]।
২০ মে: হিমসাগর বা ক্ষীরশাপাত আম সংগ্রহের সময় [৬]।
প্রধান জাতসমূহ:
হিমসাগর (সবচেয়ে জনপ্রিয়)
আম্রপালি
ল্যাংড়া
গোপালভোগ
গোবিন্দভোগ [৫, ১৩]
সাতক্ষীরার আবহাওয়া ও মাটি আম চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী, বিশেষ করে ৪,১৪০ হেক্টর জমিতে এই বছর আম উৎপাদন হয়েছে, যার অধিকাংশ বাগান নিবন্ধিত [৫]।
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Address
1200