Through Lova's eyes
Stories of seasons and souls.
চড়ুই এর গল্পকথা
Nahid Sultana Lova
জিনান বাবুর প্রিয় ট্রিট কোন পাউচ না।
সে খেতে পছন্দ করে বরবটি!!
এটাও সম্ভব!
হ্যাঁ তা সম্ভব।
আমাকে বা মাকে বাজার থেকে সব সময় তার জন্য বরবটি আনতেই হয়।
সে বাজারের ব্যাগ থেকে নিজ দায়িত্বে বের করে নেয়।
১ম বরবটি খাওয়া তারপর সেটাই তার খেলনা....
আমরা এখন আর বরবটি খাই না আনিও না, চাঁদ।
তুমি ফিরে আসো কোন সকালে আলো হয়ে...
16/08/2026
কখনো কখনো আমাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তগুলো খুব সাধারণ হয়। তিন বান্ধুবীর , একটা ছাদ, একটা মাদুর, রাতের আকাশ আর অগুনতি তারা।
একসময় যারা স্কুলের বেঞ্চে পাশাপাশি বসে ভবিষ্যতের কত গল্প করত, ত্রিশ এর কোটায় এসে তাদের জীবন হয়তো তিন রকমের। কারও সংসার, কারও ক্যারিয়ার, কারও অসম্পূর্ণ স্বপ্ন; কারও মনে হয় সে অনেক পিছিয়ে গেছে, কেউ ভাবছে “আমার জীবনটা এমন হলো কেন?”
আমরা বড় হতে হতে আকাশের দিকে তাকানোটা ভুলে যাই।
তার বদলে অন্যের জীবন দেখি, নিজের জীবনের সঙ্গে তুলনা করি, একটা কথাকে বারবার মনে মনে ঘুরি, ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয় পাই, অতীতের একটা ভুলকে শতবার পুনরাবৃত্তি করি।
এই অতিরিক্ত ভাবনাগুলো কখন যে আমাদের বর্তমানটাকে চুরি করে নেয়, আমরা টেরও পাই না।
অথচ জীবন সবসময় কোনো সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়ার নাম নয়। কখনো কখনো জীবন মানে একটু থামা, পাশে থাকা মানুষটার হাত ধরা, মাথার ওপর আকাশটার দিকে তাকানো এবং মনে করা, “আমি এখনো এখানে আছি। এই মুহূর্তটাও আমার।”
সামাজিকভাবে আমরা একে অন্যের জীবনে এত প্রত্যাশা, তুলনা আর প্রশ্ন চাপিয়ে দিই,
“কবে বিয়ে করবে?”
“কবে সন্তান?”
“চাকরি কেমন?”
“বাড়ি হলো?”
“এখনও এটা করতে পারলে না?”
হয়তো আমাদের একটু কম প্রশ্ন করা দরকার।
একটু বেশি বোঝা দরকার।
কারণ আমরা জানি না আমাদের খুব সাধারণ একটা প্রশ্নও কারও মাথার ভেতর কত রাতের ওভারথিংকিং শুরু করে দিতে পারে।
৩টি মানুষ গল্প করতে পারছে বলে,নিজেদের জন্য সময় করে নিচ্ছে বলে, ৩০ এর কোটার ৩টা ছেলে বন্ধুর মতো অফিস শেষ বা কর্মস্থলের কাজ শেষে কিছুটা সময় নিজেদের দিতে চেষ্টা করছে মানেই তার জীবনে কোন প্রতিবন্ধকতা নেই! তার জীবন সরল রেখার মতো কিংবা সে সমাজের তোয়াক্কা করছে না, পরিবার এর কথা বা তার চারপাশের আপন জনদের কথা ভাবছে না! নিজেকে নিয়ে ভাবলেই অন্য সবকিছু ছেড়ে দিতে হয় না, সব কিছুর সহ নিজেকে নিয়েও ভাবা যায়।
সময় থাকলে একটু আকাশ দেখুন।
আর নিজের জীবনটাকে অন্য কারও জীবনের সঙ্গে মাপা বন্ধ করুন।
সবাই একই সময়ে একই জায়গায় পৌঁছাবে না।
কেউ কেউ শুধু একটু ধীরে হাঁটে তবু সে ঠিক পথেই থাকতে পারে।
আমরা সে সিদ্ধান্ত দেয়ার কে, কারো ধীরে হাঁটা দেরি হয়ে যাওয়া নাকি ইচ্ছে করেই দেরিতে যেতে চাওয়া!!
Just loveing my self
24/07/2026
ভূতুড়ে কাণ্ড আমাকে খুব একটা ভয়টয় দেখাতে পারে না। বরং খুব আগ্রহ বাড়ায়—কেন হলো, কী হলো, এসব।
রাতে হুট করে মাথায় এলো, মজার কিছু গল্প একটু গোছিয়ে রাখবো নাকি। কোনো এক সময় পেইজে ভয়েজ ওভারে বা লিখে পোস্ট করবো।
যেই কথা, সেই কাজ। বসে বসে গল্প গোছানো, জায়গা আর মানুষের নামগুলো মনে করে করে লিখছিলাম। আজকাল শহরে বৃষ্টির হিড়িক। তাই রাতে জানালা খুব একটা খোলা রাখা হয় না। আমি নিজেই সব বন্ধ করে ফেলি। তার আরেকটা বড় কারণ মশা! (আমি মশা একদমই নিতে পারি না, উফফ!)
যাক, লিখতে লিখতে হুট করে খেয়াল করলাম, প্রচণ্ড বাতাসে শোঁ শোঁ শব্দে ঘরে একটা অন্যরকম পরিবেশ। তখনই তাকিয়ে দেখি, জানালার ভারী পর্দা উড়ার জন্য ফরফর শব্দ করছে। কিন্তু গ্লাসের জানালাটা কিভাবে খুলে গেল, সেই সমীকরণটা মিললো না...
22/07/2026
আমাদের থেমে যাওয়া কোথায়? কোন গোধূলিতে? ক্লান্ত পথের শেষে আমরা কি সত্যিই থেমে যাই, নাকি শুধু কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়াই? আমরা কি কেবলই অতীতের স্মৃতিতে প্রোথিত হয়ে থাকি, নাকি পরের সূর্যটাও আমাদের জন্য অপেক্ষা করে _নতুন কোনো সূচনার আলো নিয়ে, আবার পথ চলার আহ্বান জানিয়ে?
বৃষ্টিতে ভিজে, নোনাজলে মিশে, ঢেউয়ের গর্জনে অশান্ত মন শান্ত হয়ে আসে। চোখ স্থির হয়ে যায়, একের পর এক ঢেউ গুনতে গুনতে।
উত্তাল সমুদ্র কোনো উত্তর দেয় না; শুধু নীরবে মনে করিয়ে দেয়—মানুষও এক একটি ঢেউয়ের মতো। আসে, কিছুক্ষণ অস্তিত্ব জানান দেয়, তারপর আবার ফিরে যায় অনন্তের কাছে।
Click here to claim your Sponsored Listing.