Asaf abiha
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Asaf abiha, Health/Beauty, 80 Goran, tempustand, Dhaka.
10/09/2026
ধোঁয়ার সাথে সাথে একজন ট্যাংক থেকে বের হয়ে শূন্যে ভাসলেন! তারপর ই মানুষ টা শেষ!
এমন এক দেশে থাকি,এই দেশে ফা**য়া**রিং প্র্যাকটিস করতে গিয়েও দুইজন সেনা সদস্য জীবন দেয়!
একজন নোয়াখালীর,একজন রাজশাহীর। আজকে কয়েক ঘন্টা আগের খবর, চট্রগ্রাম এর হাটহাজারী তে প্র্যাকটিস করার সময় দুর্ঘটনায় দুইজন সেনা সদস্য প্রাণ দিলো!
যদিও দুর্ঘটনা বলা হচ্ছে,আসলেই কি দুর্ঘটনা? নাকি অনেক পুরাতন ট্যাংক এর জন্য তারা তাদের জীবন দিয়ে দিলো? আমাদের তো আধুনিক কোনো সরঞ্জাম ই নাই, অনেক বছরের পুরাতন জিনিসপত্র দিয়েই প্র্যাকটিস চলে!
আমি ভিডিও টা বেশ কয়েকবার দেখলাম, কেমনে যে সেই সদস্য শূন্যে ভাসলেন কয়েক সেকেন্ড এর জন্য!
দেশের সেবা করতে এসেছিলো,প্রাণ গেলো দুর্ঘটনায়!
হাহ জীবন! দুইটা মায়ের কোল খালি,ফ্যামিলি তে শোক! তারা যখন আর্মি তে চান্স পেয়েছিলো,অনেক স্বপ্ন নিয়েই যোগ দিয়েছিলো।
সেই স্বপ্ন টা শেষ হয়ে গেলো এত্ত বাজেভাবে....
💔
06/09/2026
দুধলে গ্রামের বাড়িতে শোকের ছায়া: স্ত্রীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক।
পরকীয়ার অহেতুক সন্দেহে ঢাকার খিলক্ষেতে মুক্তা আক্তার নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। এ নির্মম হত্যাকাণ্ডের খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছানোর পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকার একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মুক্তা আক্তার বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুধল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের পশ্চিম সরসী গ্রামের মৃত নিজাম হাওলাদারের মেজো মেয়ে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জননী ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বাকেরগঞ্জের ৩নং দাঁড়িয়াল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের উত্তর কাজলাকাঠি গ্রামের আলতু শিকদারের ছেলে সোহেল শিকদারের সঙ্গে মুক্তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই সোহেল নানা অহেতুক বাহানায় স্ত্রীর ওপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন।
স্বজনদের অভিযোগ, ২ সেপ্টেম্বর রাতে সোহেল পরিকল্পিতভাবে মুক্তাকে বেদম মারধর করেন। নির্মম এই মারধরের সময় ভিডিও ধারণ করা হয় বলেও তারা জানান। একপর্যায়ে পিটিয়ে হত্যার পর ঘটনাটিকে 'আত্মহত্যা' হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালান ঘাতক স্বামী।
এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই বাদী হয়ে ঢাকার খিলক্ষেত থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত স্বামী সোহেল শিকদারকে আটক করে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হলে শুক্রবার জুমা নামাজের পর বাবার বাড়ি পশ্চিম সরসী গ্রামে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
ঘটনার বিষয়ে বাকেরগঞ্জ থানার সরসী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (আইসি) আব্দুস সালাম জানান, "ঘটনাটি আমি শুনেছি। নিহতের স্বামীকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে। বিস্তারিত জানার জন্য এবং সার্বিক তদন্তের স্বার্থে ওই বাড়িতে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।"
দুধল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য রেজাউল ইসলাম শোক প্রকাশ করে বলেন, "মেয়েটি আমার চোখের সামনে বড় হয়েছে, অত্যন্ত নম্র, ভদ্র ও পর্দানশীন একটি মেয়ে ছিল। তাছাড়া আমার বড় ভাইয়ের মেয়ের ক্লাসমেট। এই পাষণ্ড স্বামী সোহেল শিকদারের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।" অমানুষিক এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং স্থানীয়রা অবিলম্বে অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।
01/09/2026
আহ মানুষের জীবন🥲🥲
সাজিদের আজ ৬ নম্বর কে'মো দেওয়া হয়ে গেল। এতগুলো কে'মোর পরও শরীরে যেন কোনো পরিবর্তন নেই। বরং প্রতিটা দিন তাকে আরও কঠিন এক যু'দ্ধের মুখোমুখি করছে। 🥹
সাজিদকে দেখলে বারবার মনে হয়৷ আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় নিয়ামত আসলে একটা সুস্থ শরীর। অথচ সুস্থ থাকা অবস্থায় আমরা এই নিয়ামতের মূল্য কতটা বুঝি?
আজ প্রথমবার সাজিদের চোখে পানি দেখলাম।
তারপরও মুখের হাসিটা ধরে রাখার চেষ্টা করছে। আর এত কষ্টের মাঝেও আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে ভুলছে না।
আজ ৬ নম্বর কে'মো দিয়ে একা একা অসুস্থ শরীর নিয়ে নদীর পাড়ে বসে ছিল সাজিদ। চারপাশে নীরবতা… আর সেই নীরবতার মাঝেই বলছিল
“আমার এই নির্জনতায় অনেক শান্তি লাগছে।”
কিছুক্ষণ পর কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে বলল
“শরীরের য'ন্ত্র'ণায় মনে হচ্ছে এখনই ম'রে যাবো… কিন্তু তাও বাঁচার আকুতি আছে।”
বিশ্বাস করুন, সাজিদের কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে কথাগুলো শুনে বুকটা ভার হয়ে এসেছে। চোখে পানি চলে এসেছে আমারও। একটা মানুষ আর কতটা শক্ত হতে পারে, সত্যিই জানি না।
সাজিদ আজ শুধু নিজের জন্য লড়ছে না, সে আমাদের সবার জন্য একটা শিক্ষা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে জীবন কতটা মূল্যবান, সেটা অসুস্থ না হলে আমরা বুঝতেই পারি না।
সাজিদ, তুমি লড়াই করে যাও।
ইনশাআল্লাহ, এই যু'দ্ধেও তুমি জয়ী হবে। 🖤🥹
#কালেক্টেড #সাজিদ #ক্যান্সার
01/09/2026
১০-১২জনের একটা ফ্যামিলি গ্রুপ টাঙ্গুয়ার হাওরে বোট ভাড়া করে বেড়াতে গিয়েছিলো। এই গ্রুপে ১০-১২জন বড় মানুষের সাথে ৬-৭টি বাচ্চাও ছিলো। যাদের বয়স ৮মাস থেকে ৫ বছর হয়তোবা। (আরো কম ও হতে পারে, ভিডিও দেখে যা বুঝলাম) এর মাঝে ৮মাসের বাচ্চাটার হালকা জ্বর-ঠান্ডা ছিলো এবং গতকাল রাতে প্রচন্ড অসুস্থ অবস্থায় তাকে হসপিটালে নেবার পথেই মা*রা যায়। সেখানের ডাক্তার বলেছে নিউমোনিয়া তে মা*রা গেছে বাচ্চাটা। আমরা সবাই জানি যে নিউমোনিয়া একদিনে হয়না, এই বাচ্চাটা অন্ততপক্ষে ৭-১০দিন ঠান্ডায় ভুগেছে অবশ্যই। এবং এই অবস্থায় তাকে হাওরে এনে নদীর খোলা বাতাসে রেখে এমন জটিল অবস্থায় নিয়ে গেছে তার পরিবার যে নিউমোনিয়া তে মা*রাই গেলো। এই দায় কি বাচ্চাটির পরিবারের নয়??
আবার অন্যদিকে চিন্তা করলে এই ট্যুর পুরোটাই হাওরে আর এখন হাওর আর নদীতে অথৈ পানি, এই রিস্কি ট্যুরে একসাথে এতোগুলো অল্পবয়সী বাচ্চাকে এলাউ করলো কেন হাউজবোট কতৃপক্ষ?? কিছুটা দায় কি তাদের উপরেও আসে না??
প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে যে দোষ কার? বাচ্চা অসুস্থ না হলেও ৮মাসের বাচ্চা নিয়ে হাওরে ট্যুর দিতে হবে কেন? হাওরের বাতাস অনেক প্রাপ্তবয়স্ক মানুষকেও অসুস্থ বানিয়ে দেয় সেখানে এই বাচ্চাগুলোর অপরিপক্ব ফুসফুস এর চাপ কতটা নিতে পারে? অন্তত পক্ষে ৫টা বছর কি ওয়েট করা যায়না এসব রিস্কি জায়গায়? এখন অনেকে বলবেন "আমার বাচ্চাকে ১মাসে নিয়ে গিয়েছি কিছু হয়নি" আপনার বাচ্চার কিছু হয়নি আল্লাহ্র অশেষ মেহেরবানি, কিন্ত কিছু হলে? এই যে বাচ্চাটা মা*রা গেলো তার বেলায়??
ভাবুন ভাবুন, জীবনে বহু ট্যুর আসবে যাবে, কিন্ত সন্তান একবার হারিয়ে গেলে আল্লাহ্ আর দিবেন কিনা সেই গ্যারান্টি কেউ দিতে পারেনা......
27/08/2026
নেপালের ভয়াবহ প্রাকৃতিক(!) দূর্যোগের খবর সবাই এখন জানেন। অবাক হয়েছেন? আমি অতটা হই নাই। পুরোটা পড়লে আপনার কাছেও সহজ মনে হবে। মনে হবে আমরা ডিজার্ভ করি। আমরা ডিজার্ভ করি একটা ঝড়, একটা ডিজাস্টার, হয়তো একটা কেয়ামতও...
_____
এই মাসের ১৬ই আগষ্ট, রবিবার। হিমালয়ের দেশ নেপালে, একটা মিষ্টি মেয়েকে চকোলেট এর প্রলোভন দেখিয়ে ধ/র্ষ/ন করে ১৬ বছর বয়সী কিশোর, মধ্যবয়সী একজন বাস ড্রাইভার, হয়তো আরো অনেকে। সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার হয়েছে ৯জন!
বয়স কত ছিল মেয়েটার জানেন?
মাত্র ৩ বছর!! মাত্র ৩ বছরের একটা বাচ্চার শরীরে কি এমন থাকতে পারে, যার জন্য তাকে এক বা একাধিক পুরুষ রেইপ করতে পারে আমার মাথায় আসেনা। ৩দিন পর উদ্ধার হয়েছে মেয়েটার শরীর , যেই শরীরে প্রাণ নেই। আছে কিছু মানুষরূপী পশুর আঘাতের ক্ষত।
______
আপনি-আমি যা কল্পনা করতে পারছিনা, তা কিন্তু ঘটে গেছে। এপিস্টেইন ফাইল নিয়ে আমরা ছি ছি করেছি, অথচ দেশে দেশে অসংখ্য এপিস্টেইন ফাইল ছড়িয়ে আছে ওপেনে। আজকে নেপাল কেঁপে উঠেছে। ভূমিকম্প আর আকষ্মিক পাহাড়ধসে মিশে গেছে শত শত বাড়ি, ৪০০+ মানুষ নিখোঁজ। মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। নগর পুড়লে দেবালয় রক্ষা পাবেনা, এটাই স্বাভাবিক।
আমি বলছিনা মাত্র ১টা বাচ্চাকে রে//ইপ করে মেরে ফেলার জন্য এই বিপর্যয়। শুধু বলতে চাচ্ছি - আমাদের একজন স্রষ্টা আছেন, যে সর্বজ্ঞ। ৩ বছরের শিশু, তার কাছে কিন্তু বৌদ্ধ না। সে একটা নিষ্পাপ ফুল। একটা ফুলের করুণ মৃত্যুতে দুনিয়ার বুকে কিছুটা কেয়ামত নামিয়ে দিতেই পারেন সর্বশক্তিমান।
তো অবাক হবেন কেন? আমরা তো এটা প্রাপ্যই ছিলাম...
23/08/2026
বৃহস্পতিবার রাতে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ শিক্ষক গণপতির বাসার ছাদে গিয়ে ই’য়া’’বা সেবন করছিল । এ সময় ছাদে শব্দ শুনে শিক্ষক গণপতি সেখানে গিয়ে তাঁরা কী করছেন, তা জানতে চান।
এ নিয়ে প্রথমে শিক্ষকের সঙ্গে তাঁদের ত’র্ক হয়। একপর্যায়ে গ’লা’য় গা’ম’ছা পেঁ’চি’য়ে শিক্ষককে সেখানেই হ’’ত্যা করা হয়। তখন শিক্ষক খালি গায়ে ছিলেন এবং তাঁর কাঁধে একটি গামছা ছিল বলে জানা গেছে।
এরপর ছাদে গোলমালের শব্দ শুনে শিক্ষকের স্ত্রী সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠতে গেলে সিঁড়ির মধ্যেই তাঁকে হ’’ত্যা করা হয়। মায়ের চিৎকার-চেঁচামেচির শব্দ শুনে মেয়ে এগিয়ে এলে তাকেও একইভাবে গ’লা’য় গা’’ম’ছা পেঁ’চি’’য়ে হ’’ত্যা করা হয় ।
সবশেষে অভিযুক্তরা ঘরে ঢুকে শিক্ষকের শিশু সন্তানকেও হ’’ত্যা করে।
পুলিশের হাতে গ্রে’প্তা’র হওয়া দুই অভিযুক্ত পরস্পরের মামাতো ভাই। তাঁদের একজন স্বর্ণের দোকানে কর্মচারী বলে জানা গেছে।
ভাবতেই গা শিউরে ওঠে
একজন মানুষ নিজের বাড়িতে বসে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেও যদি নিরাপদ না থাকেন, তাহলে আমরা কোন সমাজে বাস করছি?
এই হ’ত্যা’কা’’ণ্ড শুধু চারটি প্রাণ কেড়ে নেয়নি, একটি পরিবারের স্বপ্ন, ভালোবাসা ও ভবিষ্যৎও শেষ করে দিয়েছে। এমন নৃশংসতার দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া জরুরি।
#রংপুর #মাছুয়াপাড়া
15/08/2026
এখন বাথরুমেই নিয়ে যাই।
গোসল করবেন না!... আপনার ছোট শিশুদের একা রাখবেন না, প্রয়োজনে আপনার সাথে বাথরুমে নিয়ে যান কিন্তু একা ছেড়ে দেবেন না।
"তুমি কি আছো, ছোট্ট মেয়ে?"
ঘটনাটি মাত্র এক মাস আগের, কিন্তু ব্যথাটা এখনও এতটাই তাজা মনে হচ্ছে যেন গতকালই ঘটেছে।
সেদিন আমার স্বামী কাজের জন্য তাড়াতাড়ি বেরিয়ে গিয়েছিলেন। আমি আমাদের তিন বছরের মেয়েকে নিয়ে বাড়িতে একা ছিলাম। সে তার প্রিয় পুতুল আর খেলনা নিয়ে বসার ঘরে আনন্দে খেলছিল। আমি সারা সকাল গোসল করা থেকে বিরত ছিলাম, সঠিক মুহূর্তের অপেক্ষায়। অবশেষে, আমি ভাবলাম, "ও ঠিক আছে... মাত্র কয়েক মিনিট লাগবে।"
আমি তাকে আলতো করে বললাম, "মাম্মা তাড়াতাড়ি গোসল করে আসবে, সোনা। এখানেই থেকো আর খেলো, কেমন?" পুতুল সাজানোয় মগ্ন থাকায় সে তেমন মনোযোগ না দিয়েই মাথা নাড়ল।
আমি বাথরুমের দরজা খোলা রেখে জল ছেড়ে দিলাম। যখন আমার চারপাশে বাষ্প উঠতে লাগল, আমি ডেকে উঠলাম, "তুমি কি আছো, বেবি গার্ল?"
সে হাসিমুখে উত্তর দিল, "এখানে, খেলনা মাম্মা!"
আমি হাসলাম। ওর ছোট্ট কণ্ঠস্বর সবসময় আমার হৃদয়কে উষ্ণ করত। কয়েক মিনিট কেটে গেল এবং আমি আবার ডাকলাম, শুধু নিশ্চিত হওয়ার জন্য।
"তুমি কি এখনও আছো, বেবি গার্ল?"
আবারও সে কিচিরমিচির করে বলল, "এখানে, খেলনা মাম্মা!"
আমি জল আরও কিছুক্ষণ চলতে দিলাম, শান্তির এক বিরল মুহূর্ত উপভোগ করছিলাম। হয়তো আরও পাঁচ মিনিট কেটে গেল। তারপর আমি আবার ডাকলাম।
"তুমি কি আছো, বেবি গার্ল?"
কোনো উত্তর এলো না।
প্রথমদিকে, আমি ভাবলাম সে হয়তো খেলায় মগ্ন হয়ে গেছে। কিন্তু কিছু একটা আমাকে টেনে ধরল—এক মায়ের সহজাত প্রবৃত্তি। আমি দ্রুত জল বন্ধ করে, গায়ে তোয়ালে জড়িয়ে বাথরুম থেকে বেরিয়ে এলাম।
যা দেখলাম তা আমাকে চিরকাল তাড়া করে ফিরবে।
সে মেঝেতে শুয়ে ছিল, চোখ দুটি বড় বড় করে খোলা, সম্পূর্ণ স্থির। আমি বারবার তার নাম ধরে ডাকলাম, তাকে তুলে নিলাম, কাঁপতে কাঁপতে, চিৎকার করে, তাকে ঘুম থেকে ওঠার জন্য অনুনয় করতে লাগলাম। কিন্তু সে শ্বাস নিচ্ছিল না।
আতঙ্কিত হয়ে আমি ৯১১-এ ফোন করলাম। প্যারামেডিকরা দ্রুত চলে এলেন, কিন্তু তাদের কিছুই করার ছিল না। যখন তারা আমাকে বলল যে সে আর নেই, আমার পৃথিবী ভেঙে পড়ল।
পরের দিন, ময়নাতদন্তের সময়, তারা কারণটি খুঁজে পেল — সে দুর্ঘটনাবশত তার একটি পুতুলের ছোট স্যান্ডেল গিলে ফেলেছিল। এটি তার শ্বাসনালী বন্ধ করে দিয়েছিল। সে হয়তো পুতুলকে খাওয়ানোর ভান করছিল বা তার সাথে খেলছিল যেমনটা সে সবসময় করত।
আমার স্বামী এবং আমি বিধ্বস্ত হয়ে গেলাম। শোক ভালোবাসার উপর অদ্ভুত প্রভাব ফেলে। আমাদের মাঝে নীরবতা ভারী হয়ে উঠল, এবং অবশেষে, দোষারোপ, অপরাধবোধ আর দুঃখের ভারে আমরা দূরে সরে গেলাম।
এখন আমি একা থাকি। আমার থেরাপিস্ট আমাকে এটা লিখতে বললেন—ব্যথা মুক্তি দিতে, কোনো ধরনের আরোগ্য খুঁজে পেতে। কিন্তু আরোগ্য যেন একটি মিথ। প্রতিবার যখন আমি বাথরুমের দিকে যাই, আমি জমে যাই। জলের কথা, আবার সেই দরজার পিছনে থাকার চিন্তা আমাকে আতঙ্কিত করে তোলে।
তবুও, কখনও কখনও আমি সাহস সঞ্চয় করি, এবং যখন উষ্ণ জল আমার পিঠ বেয়ে নামে, আমার ভেতরের একটি অংশ সাহস করে জিজ্ঞেস করে:
"তুমি কি আছো, বেবি গার্ল?"
আর বাষ্প আর নীরবতার নিস্তব্ধতায়, আমি শপথ করে বলতে পারি, আমি এখনও তার ফিসফিস শুনতে পাই:
"এখানে, খেলনা মাম্মা।"
লেখাটি বুক খালি হয়ে যাওয়া এক মায়ের। (কালেক্টেড)
14/08/2026
১৫ মাসের aijal বাচ্চার মাঝে কি ছিল? রেপ করে (17 বছর) মানান নামের এক এতিম ছেলে।
আমি গত দুই দিন ধরে পাকিস্তানের এই পোস্টটি দেখছিলাম, আর আজ বাচ্চার মায়ের চোখের কান্না 🥲কিছুতেই ভুলতে পারছি না। কারন আমার একটা মেয়ে আছে🥲
তিনি ছিলেন একজন একক মা। তিনি প্রায়ই তাঁর মেয়েকে খালার কাছে রেখে যেতেন। খালার মতে, তাঁদের ১৭-১৮ বছর বয়সী এক আত্মীয় প্রায়ই ছোট্ট আজেলকে বাইরে নিয়ে যেত। সেদিনও সে শিশুটিকে নিয়ে গিয়েছিল এবং প্রায় ২৫ মিনিট পরে ফিরিয়ে আনে।
খালা ভেবেছিলেন শিশুটি হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছে, কিন্তু শিশুটি অচেতন ছিল। পরে শিশুটির মা এসে একই অবস্থা দেখতে পান। শিশুটি বমি করায় তাকে ওষুধ দেওয়া হয়েছিল। এরপর শিশুটিকে ক্লিনিকে নেওয়া হয়।
ক্লিনিকে চিকিৎসক শিশুটির ডায়াপার পরিবর্তনের সময় দেখতে পান যে তার শরীরের নিচের অংশে গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এরপর দ্রুত চিকিৎসা শুরু হয়। চিকিৎসক জানান যে শিশুটির হৃদস্পন্দন ছিল, কিন্তু সে শ্বাস নিচ্ছিল না। তাকে অক্সিজেন দেওয়া হয় এবং সিপিআর দেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
মা যখন আসছিলেন, তখন শিশুটি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে।
এ ধরনের নিষ্ঠুর ব্যক্তিদের এমন কঠোর শাস্তি দেওয়া উচিত, যাতে তারা আর কখনো কোনো নিরীহ শিশুর দিকে খারাপ দৃষ্টিতে তাকানোর সাহস না করে।
নিজের মেয়ে বাচ্চাকে এক মূহুর্তের জন্য করো কাছে দিবেন না হউক 1 বছরের হউক 16 বছর কারন কেউ নিরাপদ না।
(কপি পোস্ট )
11/08/2026
সামিরা ছিলেন নায়ক সালমান শাহ্’র প্রিয়তমা! অথচ এই মুখোশ পরহিত সুন্দরীই নাকি ছিলেন নায়ক সালমান শাহ্ হ**’ত্যার মাস্টার মাইড!
লোকে বলে‚ “পাপ বাপকেও ছাড়ে না!” দির্ঘ ২৯ বছর গতকাল এয়ারপোর্ট থেকে ডনকে আ টক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। কারন- সালমান শাহ্ হ**‘ত্যা মামলার এজাহারে খল অভিনেতা ডনের বিরুদ্ধে সরাসরি হ**’ত্যায় অংশ নেওয়া এবং চুক্তি বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট ও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলার অন্যতম প্রধান সাক্ষী রেজভী আহমেদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদালত দিয়েছে।
এজহারে জবানবন্দি যেভাবে এসেছে-
“সালমান শাহর শাশুড়ি লতিফা হক লুসি এবং আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন আজিজ মোহাম্মদ ভাই সালমানকে শেষ করার জন্য ১২ লাখ টাকার চুক্তি করেছিলেন। এই চুক্তির অংশ হিসেবে অভিনেতা ডনসহ আরও কয়েকজন কি**‘লা*র ভাড়া করা হয়।
১৯৯৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর রাতে গুলিস্তানের একটি বারে ডন‚ ডেভিড‚ ফারুক‚ জাভেদ ও রেজভী মিলে চূড়ান্ত হ*‘ত্যা*কা*ণ্ড এবং টাকা লেনদেনের বিষয়ে গোপন বৈঠক করেন। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে ডনসহ অন্য অভিযুক্তরা সালমান শাহর ইস্কাটনের ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন। সালমান ঘুমন্ত অবস্থায় থাকলে ডন‚ ডেভিড‚ ফারুক ও জাভেদ তার ওপর ঝাঁ*পিয়ে পড়েন এবং তাকে শ*ক্তভাবে চে*পে ধরেন।
পরে ডনসহ বাকিরা সালমানকে চেপে ধরে রাখলে তার স্ত্রী সামিরা নাকে ক্লো*রোফর্ম দিয়ে তাকে অ*জ্ঞান করেন এবং পরে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের নির্দেশে তার শরীরে বি-*ষা*ক্ত ইন*জে*কশন পু*শ করা হয়।
সালমান শাহ মা*‘রা যাওয়ার পর অ‘*পরাধের প্রমাণ লুকাতে ডন ও তার সহযোগীরা নায়ককে সিলিং ফ্যানের সাথে ঝু*লিয়ে দেন‚ যেন এটিকে সবাই আ*‘ত্মহ*’ত্যা" বলে মনে করে।”
সালমান শাহ্’র চলে যাওয়ার দীর্ঘ ২৯ বছর পর গত বছর ২১ অক্টোবর তার মামা আলমগীর হোসেন রাজধানীর রমনা থানায় এই হ*‘ত্যা মামলাটি দায়ের করেন‚ যার ৪ নম্বর আসামি হলেন এই খল অভিনেতা ডন। আর এই অভিযোগেই গতকাল সে এরেস্ট হয়‚ তাকে আদালতে নেওয়ার পর কোনো আইনজীবীও তার পক্ষে দাঁড়ায়নি।
08/08/2026
সময়ের সাথে সাথে বয়স বেড়ে যায় এবং সাথে সাথে মানুষ ছোট শিশুদের মতো হয়ে যায়,,এটাই মহান আল্লাহর খেলা, কত সুন্দর অভিনয় করেছেন এরা ছিলেন অনেক ফিটনেস, শবনম ম্যাম কত স্ট্রং ছিল এবং সুন্দর ছিল তার অভিনয়,, মহা নায়ক মরহুম আসলাম তালুকদার মান্না সাহেবের আম্মাজান যখন বের হয়েছে তখন থেকে চিনতে পারি শবনম ম্যাম কে ,,,, আর ইলিয়াস কাঞ্চন স্যার তো অভিনয়ের পাশাপাশি একজন খুবই ভালো মনের মানুষ😊 অথচ সে এখন খুবই অসুস্থ তা তার চেহারায় স্পষ্ট,, এইভাবেই একদিন আমরাও বয়সের কাছে হার মেনে যাব😊😊
হে আল্লাহ সবাইকে সুস্থ রাখুন ও পরিবর্তনের পথ দেখান,,
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Dhaka
ASAF000