As sunnah Ruqyah Consultancy
জ্বীন,জাদু,বদ নজর ও যেকোনো প্যারানরমাল সমস্যার রুকাইয়া ও হিজামা চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র।
25/04/2026
জ্বীন কেন মানুষকে আছর করে?
জ্বীন আছর করার প্রধান কারণগুলো কী?
১.প্রতিশোধ গ্রহণ (The Revenge)
এটি জ্বীনের আছর করার সবচেয়ে সাধারণ কারণ। নিজের অজান্তে যখন মানুষের দ্বারা কোনো জ্বীন বা তার পরিবারের ক্ষতি হয়ে যায়!তখন জ্বীনেরা প্রচণ্ড রাগান্বিত হয়ে প্রতিশোধ নিতে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে।
এমনটা ঘটে:নির্জন স্থানে বা গাছের নিচে গরম পানি ফেলা,গর্তে প্রস্রাব করা, অন্ধকারে ঢিল ছোড়া বা আবর্জনা ফেলার মাধ্যমে যদি কোনো জ্বীন আঘাতপ্রাপ্ত হয় বা মারা যায়।
ফলে রুকইয়াহ করার সময় অনেক জ্বীন স্বীকার করে যে,"অমুক দিন অমুক জায়গায় সে আমার বাচ্চাকে মেরে ফেলেছে বা আমাকে কষ্ট দিয়েছে, তাই আমি তাকে ছাড়ব না।
২. তীব্র প্রেম বা আসক্তি
মানুষ যেমন মানুষের প্রতি ভালোবাসা বা আকর্ষণ তৈরি হয়, জ্বীনদেরও মানুষের প্রতি তীব্র আসক্তি তৈরি হতে পারে। একে বলা হয় ‘জ্বীনুল আশিক’।
কোনো মানুষ (নারী বা পুরুষ) যখন আল্লাহর নাম না নিয়ে আয়নার সামনে খুব বেশি সাজগোজ করে কিংবা একাকী অবস্থায় দীর্ঘ সময় উলঙ্গ থাকে, তখন কোনো কুদৃষ্টিসম্পন্ন জ্বীন তার সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তার ওপর আসক্ত হয়ে পড়ে।
৩. যাদু বা সিহরের মাধ্যমে মানুষের শরীরে জ্বীন প্রবেশে বাধ্য হওয়া।
অনেক সময় জ্বীন নিজের ইচ্ছায় আসে না,বরং একজন জাদুকর তাকে কুফরি কালামের মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির শরীরে প্রবেশ করতে বাধ্য করে । একে বলা হয় 'খাদীমুছ সিহর'।
জাদুকর জ্বীনকে নির্দেশ দেয় যাতে সে ওই ব্যক্তিকে অসুস্থ করে, বিয়েতে বাধা দেয়, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটায় বা ব্যবসায় লোকসান করায়। ইত্যাদি।
৪. স্রেফ দুষ্টুমি বা নিপীড়ন
কিছু দুষ্টু ও অবাধ্য (খবিশ) জ্বীন থাকে যারা কেবল মানুষকে ভয় দেখিয়ে বা কষ্ট দিয়ে আনন্দ পায়। তারা যখন কোনো মানুষকে মানসিকভাবে খুব দুর্বল দেখে,তখন তাকে আক্রমণ করে।
কুরআন-সুন্নাহর পথ ধরেই আপনার পথচলার বিশ্বস্ত সঙ্গী:আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ কনসালটেন্সি।
অকারণে কান্না আসা,মনে অস্থিরতা,আত্মহত্যার চিন্তা-এটা হালকাভাবে নেয়ার বিষয় নয়!
অনেক সময় মানুষ এমন এক মানসিক কষ্টে ভুগে-যার কোনো দৃশ্যমান কারণ থাকে না। হঠাৎ করে মন ভেঙে যায়,অকারণে কান্না আসে,ভেতরে ভেতরে ভয় ও অস্থিরতা কাজ করে,এমনকি জীবনকে অর্থহীন মনে হতে থাকে। এই অবস্থায় কেউ কেউ চিন্তা করে-
"সব শেষ করে দেই"(আত্মহত্যা করি)-নাউযুবিল্লাহ।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
“যারা ঈমান এনেছে এবং যাদের অন্তর আল্লাহর স্মরণে প্রশান্ত হয়-জেনে রাখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তর প্রশান্ত হয়।” (সূরা আর-রাদ: ২৮)
আরো বলেন:
“তোমরা নিজেদেরকে হত্যা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের প্রতি পরম দয়ালু।” (সূরা আন-নিসা: ২৯)
বোঝার বিষয়:
সবকিছুই জাদু বা জ্বীনের কারণে নয়!
মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, গুনাহ ও একাকীত্ব বড় কারণ হতে পারে!
তবে কখনো কখনো বদনজর হিংসা বিদ্বেষ বা অদৃশ্য ক্ষতির প্রভাবেও মন ভেঙে পড়ে!
আপনার করণীয়:
🔹 কখনো একা থাকবেন না!বিশ্বস্ত কারো সাথে কথা বলুন
🔹 নিয়মিত নামাজ, যিকির ও কুরআন তিলাওয়াত করুন
🔹 সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, ইখলাস-ফালাক-নাস পড়ুন
🔹 ঘুম, খাবার ও দৈনন্দিন রুটিন ঠিক রাখুন
🔹 প্রয়োজনে ডাক্তারের সাহায্য নিন—এটা দুর্বলতা নয়
গুরুত্বপূর্ণ কথা:
যদি আত্মহত্যার চিন্তা আসে, দেরি না করে কাছের মানুষ, আলেম বা চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন। জীবন আল্লাহর আমানত-এটা নষ্ট করার অধিকার কারো নেই।
রুকইয়াহ পরামর্শ:
যদি দীর্ঘদিন ধরে অস্বাভাবিক অস্থিরতা,ভয়, কষ্ট থাকে-রুকইয়াহ ডায়াগনোসিস করে দেখতে পারেন।
কুরআন-সুন্নাহর পথ ধরেই আপনার পথচলার বিশ্বস্ত সঙ্গী:আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ কনসালটেন্সি।
17/04/2026
জুম্মার আসরের পর রুকইয়াহ—শয়তান ও যাদু থেকে হেফাজতের একটি শক্তিশালী সময়
জুম্মার দিন মুসলমানদের জন্য এক বিশেষ বরকতময় দিন। এই দিনের মধ্যে এমন একটি মুহূর্ত রয়েছে, যখন বান্দার দোয়া আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না। অধিকাংশ আলেমের মতে, সেই সময়টি হলো আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত—যা দোয়া, যিকির ও রুকইয়াহর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, যখন কোনো মুসলিম বান্দা আল্লাহর কাছে যা কিছু চায়, আল্লাহ তা তাকে দান করেন।
(সহিহ বুখারি:৯৩৫), (সহিহ মুসলিম:৮৫২)
আরেক বর্ণনায় এসেছে:
সে সময়টি আসরের পরের শেষ সময়।
(সুনান আবু দাউদ:১০৪৮), মুসনাদ আহমদ
মুহাদ্দিসদের মতামত:
ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন:
আসরের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়টাই দোয়া কবুলের সবচেয়ে শক্তিশালী সময়।
ইবনু হাজার আসকালানী (রহ.) বলেন:
এই মতটিই অধিক গ্রহণযোগ্য।
কেন এই সময় রুকইয়াহ গুরুত্বপূর্ণ?
এটি দোয়া কবুলের সময়:রুকইয়াহ মূলত দোয়া ও কুরআনের আমল
শয়তান ও অদৃশ্য ক্ষতির বিরুদ্ধে এই সময়ের আমল বেশি কার্যকর
অন্তর নরম থাকে-আল্লাহর দিকে ফিরে আসা সহজ হয়
এই সময় করণীয় (রুকইয়াহ আমল):
🔹 ইসতেগফার ৭ বার
🔹দুরুদ শরীফ ৭ বার
🔹 আয়াতুল কুরসি ৭ বার
🔹 সূরা ইখলাস, ফালাক, নাস ৭ বার
🔹 শেষে দরূদ শরীফ ৭ বার পড়া
🔹 নিজের ও পরিবারের জন্য হেফাজতের দোয়া
সাথে জুমার দিনে সূরা কাহাফ পড়ার বিশেষ ফজিলত রয়েছে:
যে ব্যক্তি জুমার দিনে সূরা কাহাফ পাঠ করবে, তার জন্য দুই জুমার মধ্যবর্তী সময় আলোকিত থাকবে।
( সহিহ আল-জামি) (৬৪৭০)
শেষ কথা:
জুম্মার আসরের পর সময়টি অবহেলা করবেন না। এটি হতে পারে আপনার জীবনের পরিবর্তনের মুহূর্ত-যেখানে আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করে সব বিপদ দূর করে দিতে পারেন।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই বরকতময় সময়ের সঠিক ব্যবহার করার তাওফিক দান করুন এবং শয়তান ও যাদু থেকে হেফাজত করুন!আমীন!
কুরআন-সুন্নাহর পথ ধরেই আপনার পথচলার বিশ্বস্ত সঙ্গী:আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ কনসালটেন্সি।
যে কোনো বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুসরণ জ্বিন যাদুতে আক্রান্তের একটি কারণ। যারা ইতোমধ্যে আক্রান্ত তাদের সমস্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ। তাই পহেলা বৈশাখের মতো যে কোনো বিজাতীয় সংস্কৃতি পরিপূর্ণরূপে বর্জন করুন।
কুরআন-সুন্নাহর পথ ধরেই আপনার পথচলার বিশ্বস্ত সঙ্গী:আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ কনসালটেন্সি।
হাসাদ(হিংসা)ধীরে ধীরে, নীরবে আপনার জীবন থেকে বরকত কেড়ে নেয়।
আপনার কাছে সবকিছু থাকে, কিন্তু তা থেকে কোন উপকার পান না।
আপনি চেষ্টা করেন, পরিশ্রম করেন, কিন্তু কোনো ফল দেখতে পান না।
আর সবকিছু অকারণে কমে যেতে থাকে,রিজিকে বাঁধা,সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হতে থাকে,যার কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যাও খুঁজে পাওয়া যায় না।
কুরআন-সুন্নাহর পথ ধরেই আপনার পথচলার বিশ্বস্ত সঙ্গী:আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ কনসালটেন্সি।
10/04/2026
সূরা কাহফ ও জ্বিন-শয়তান!
সূরা কাহফ এমন একটি বিশেষ সূরা, যা খবিস জ্বিনদের প্রভু দাজ্জাল প্রতিরোধে অত্যন্ত শক্তিশালী-এটি হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।
যে ব্যক্তি সূরা কাহফ জুমার দিন তেলাওয়াত করবে সে দাজ্জালের মতো বড় ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে এবং আল্লাহ তায়ালা তাকে সুরক্ষা দিবেন ইনশাআল্লাহ! এবং এই সূরা জ্বিন-শয়তানের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তেও সহায়ক।
এই সূরার মাধ্যমে রুকইয়াহ অত্যন্ত ফলপ্রসূ। বিশেষ করে যারা ইয়াহুদি শয়তান বা মুশরিক শয়তানের দ্বারা প্রভাবিত, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী হতে পারে।
রুকইয়াহর নিয়ম:
আপনার সামনে কুরআনের একটি মুসহাফ রাখুন এবং ২ লিটার পানি নিন। এরপর এভাবে নিয়ত করুন:
“হে আল্লাহ! আমার সাথে সম্পৃক্ত সকল প্রকার আইন, হাসাদ ও জাদু এবং আমার শরীরে থাকা শয়তান ও জাদুর খাদেম শয়তানকে সূরা কাহফের মাধ্যমে ধ্বংস করে দিন। এবং আমাকে জ্বিন ও যাদু থেকে সেইভাবে নিরাপত্তা দিন, যেভাবে আপনি গুহাবাসীদের ৩০৯ বছর নিরাপত্তা দিয়েছিলেন।”
এরপর উচ্চস্বরে সূরা কাহফ তিলাওয়াত করুন। শেষ করে পানির মধ্যে ফুঁ দিন ।
এই পানি এক সপ্তাহ পান করুন এবং গোসলের পানিতে মিশিয়ে গোসল করুন।এবং পরিবার-পরিজনকেও করান। ইনশাল্লাহ এতে উপকৃত হবেন।
কুরআন-সুন্নাহর পথ ধরেই আপনার পথচলার বিশ্বস্ত সঙ্গী:আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ কনসালটেন্সি।
আপনার ঈমান যত বেশি শক্তিশালী শয়তান আপনার উপর তত বেশি দূর্বল!
আল্লাহ আমাদের ঈমানকে শক্তিশালী করুন।
08/04/2026
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মিল মুহাব্বাত হওয়ার দুআ..
اللَّهُمَّ أَلْفُ بَيْنَ قُلُوْبِنَا وَأَصْلِحْ ذَاتَ بَيْنِنَا وَاهْدِنَا سُبُلَ السَّلَامِ
আল্লা-হুম্মা আল্লিফ বাইনা কুলুবিনা, ওয়া আসলি'হ যা-তা বাইনিনা, ওয়াহদিনা সুবুলাস সালা-ম।
হে আল্লাহ! আমাদের মাঝে মহব্বত ও সম্প্রীতি দাও; আমাদের মধ্যকার (সমস্যাগুলো) সংশোধন করে দাও এবং আমাদেরকে তুমি শান্তির পথে পথপ্রদর্শন করো।
কুরআন-সুন্নাহর পথ ধরেই আপনার পথচলার বিশ্বস্ত সঙ্গী:আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ কনসালটেন্সি।
জ্বীন জাদু বদ নজর হিংসা থেকে বাঁচতে যে দোয়াটি আপনার জন্য প্রতিরক্ষা দেওয়াল হিসেবে কাজ করবে!
প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যায় ১০ বার করে পড়ুন! ইনশাআল্লাহ এসব থেকে নিরাপদ থাকবেন।
কুরআন-সুন্নাহর পথ ধরেই আপনার পথচলার বিশ্বস্ত সঙ্গী:আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ কনসালটেন্সি।
03/04/2026
বিখ্যাত দোয়ায়ে আবু দারদা!যে দোয়া নিয়মিত পড়লে আল্লাহ চাহে তো সমস্ত বিপদ আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায় اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي، لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ، عَلَيْكَ تَوَكَّلْتُ، وَأَنْتَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ، مَا شَاءَ اللَّهُ كَانَ، وَمَا لَمْ يَشَأْ لَمْ يَكُنْ، لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ، أَعْلَمُ أَنَّ اللَّهَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ، وَأَنَّ اللَّهَ قَدْ أَحَاطَ بِكُلِّ شَيْءٍ عِلْمًا، اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ نَفْسِي، وَمِنْ شَرِّ كُلِّ دَابَّةٍ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهَا، إِنَّ رَبِّي عَلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ
উচ্চারণঃ
আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বি, লা ইলাহা ইল্লা আনতা, ‘আলাইকা তাওাক্কালতু, ওয়াঅআনতা রাব্বুল ‘আর্শিল ‘আযীম, মা শা’আল্লাহু কানা, ওয়া মাল্লাম ইয়াশা’ লাম ইয়াকুন, লা হাওলা ওয়া লা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহিল ‘আলিয়্যিল ‘আযীম, আ‘লামু আন্নাল্লাহা ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর, ওয়া আন্নাল্লাহা কাদ আহাতা বিকুল্লি শাই’ইন ‘ইল্মা, আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন শাররি নাফসি, ওয়া মিন শাররি কুল্লি দাব্বাতিন আনতা আখিজুন বিনাসিয়াতিহা, ইন্না রাব্বি ‘আলা সিরাতিম মুস্তাকীম।
দোয়া সম্পর্কিত ঘটনা:
এক ব্যক্তি আবু আদ-দারদা রাযিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে এসে বললেন:হে আবু দারদা! আপনার ঘর পুড়ে গেছে,
তিনি বললেনঃনা, আমার ঘর পুড়েনি। আল্লাহ তা’আলা এটা করবেন না, কারণ আমি কিছু দোয়া রাসূলুল্লাহ ﷺ এর কাছ থেকে শুনেছি।
যে ব্যক্তি এই দোয়াটি দিনের শুরুতে (সকালে)পাঠ করবে, সন্ধ্যা পর্যন্ত তার কোনো ক্ষতি হবে না। আর যে ব্যক্তি এটি সন্ধ্যায় পাঠ করবে, সকাল পর্যন্ত তার কোনো বিপদ আসবে না।
এই দোয়াটি একটি বিশেষ রক্ষা কবচস্বরূপ,যা সকালে বা সন্ধ্যায় পাঠ করলে আল্লাহর ইচ্ছায় সকল বিপদ আপদ থেকে নিরাপদ থাকা যায়।
বি:দ্র:উক্ত ঘটনাটির হাদীসে বিভিন্ন বর্ণনা রয়েছে।
কুরআন-সুন্নাহর পথ ধরেই আপনার পথচলার বিশ্বস্ত সঙ্গী:আস-সুন্নাহ রুকইয়াহ কনসালটেন্সি।
Category
Website
Address
Dhaka
1204