Dr Sohel Sheikh

Dr Sohel Sheikh

Share

স্বাস্থ্য সেবায় নিয়োজিত

06/06/2026

ডেংগু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে।

Video credit: DGHS

04/06/2026
29/05/2026

অতিরিক্ত চিনি হৃদরোগ ও ডায়াবেটিস এর অন্যতম কারণ।

ছবি-WHO

29/05/2026

হামে আক্রান্ত শিশুর অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ার কারণ:-
১)ভ্যাক্সিন না নেয়া
২)অপুষ্টি
৩)বাচ্চা দীর্ঘমেয়াদি কোন রোগে আক্রান্ত

হাম সংক্রান্ত যে কোন প্রশ্ন কমেন্ট করতে পারেন।

27/05/2026

মাংস কাটার সময় অসাবধানতাবশত আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত রক্তপাত বন্ধ করা এবং বিচ্ছিন্ন অংশটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সবচেয়ে জরুরি কাজ।মাইক্রোসার্জারির মাধ্যমে এই বিচ্ছিন্ন আঙুল আবার জোড়া লাগানো সম্ভব।

১. রোগীর রক্তপাত বন্ধ করা ও প্রাথমিক চিকিৎসা

ক)চাপ দিয়ে ধরুন: কাটা স্থানে একটি পরিষ্কার সুতি কাপড়, গজ বা ব্যান্ডেজ দিয়ে ১০-১৫ মিনিট শক্ত করে চেপে ধরুন।

খ)হাত ওপরে রাখুন: আক্রান্ত হাতটি হৃদপিণ্ডের স্তরের চেয়ে উঁচুতে তুলে রাখুন। এতে রক্তপাতের বেগ কমে আসবে।

গ)বাঁধনে সতর্কতা: কাটা স্থানের কিছুটা ওপরে কাপড় দিয়ে মাঝারি শক্তিতে বাঁধতে পারেন, তবে খুব বেশি শক্ত করে বাঁধবেন না যেন রক্ত চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে অন্য অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

২. বিচ্ছিন্ন আঙুলটি সংরক্ষণের সঠিক উপায়:-

বিচ্ছিন্ন অংশটি ভুলভাবে সংরক্ষণ করলে তা আর জোড়া দেওয়া সম্ভব হয় না। তাই এই সঠিক পদ্ধতি অনুসরণ করুন:

ক)পরিষ্কার করুন: বিচ্ছিন্ন আঙুলটি নরমাল স্যালাইন বা পরিষ্কার পানি দিয়ে হালকাভাবে ধুয়ে নিন। কোনো রাসায়নিক বা সাবান ব্যবহার করবেন না।

খ)মুড়িয়ে নিন: ধোয়ার পর একটি ভেজা পরিষ্কার গজ বা সুতি কাপড় দিয়ে আঙুলটি আলতো করে মুড়িয়ে নিন।

গ)প্রথম পলিথিন: মোড়ানো আঙুলটি একটি পরিষ্কার প্লাস্টিকের ব্যাগে (পলিথিন) ভরে ব্যাগের মুখটি বাতাস বের করে শক্ত করে আটকে দিন।

ঘ)বরফের বক্স ও দ্বিতীয় পলিথিন: আরেকটি বড় পলিথিন বা আইস বক্সে বরফ ও পানি নিন। এবার আঙুল থাকা প্রথম পলিথিনটি এই বরফ-পানির মধ্যে রাখুন।

সতর্কতা: বিচ্ছিন্ন আঙুলটি কখনোই সরাসরি বরফ বা পানির সংস্পর্শে রাখবেন না। সরাসরি বরফে রাখলে আঙুলের কোষগুলো মরে যায় এবং তা আর জোড়া লাগানো যায় না।

৩.হাসপাতাল স্থানান্তর :

৬ ঘণ্টার মধ্যে একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে যেখানে ভাস্কুলার সার্জারী সহ বিশেষায়িত সেবা রয়েছে

25/05/2026

আর ২ দিন পরেই ইদ-উল-আযহা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইনশাআল্লাহ। অনেকেই দূর-দূরান্ত থেকে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন।ইদের আগে জেলা সদর হাসপাতালে ডিউটি অভিজ্ঞতা থেকে কিছু শেয়ার করতে চাচ্ছি:-

১)ইদের আগে সবচেয়ে বড় ভোগান্তি হলো সড়ক দুর্ঘটনা। বাড়ি আসার সময় তাড়াহুড়ো করবেন না।দেখে শুনে ভাল গাড়িতে আসবেন।মৃত বা পংগু হয়ে আসার চেয়ে দেরিতে আসা ভাল।

২)হাসপাতালে অনেক রোগী আসে অজ্ঞান হয়ে অজ্ঞাত পয়জনিং শিকার হয়ে। এই সব ক্ষেত্রে আমাদের স্বাস্থ্য কর্মীদের অনেক বিড়ম্বনায় পড়তে হয় যেমন,রোগী মানিব্যাগ বা মোবাইল সবকিছু নিয়ে যায় তাই রোগী স্বজন দের সাথে যোগাযোগ করা যায় না আবার টাকা না থাকাতে কিছু অষুধ বাইরে থেকে কিনতে হলে আমাদের পকেট থেকেই অনেক সময় দেয়া লাগে এবং এইসব স্ট্রিট পয়জনিং এর স্পেসিফিক ওষুধ (antidote)না থাকায় চিকিৎসা করতেও সমস্যা হয়।তাই রাস্তায় অপরিচিত কারো কাছ থেকে কিছু তো খাবেনই না সাথে চেষ্টা করবেন বাইরে থেকে কোনো কিছু(ঝালমুড়ি,ফুসকা, সরবত ইত্যাদি) কিনেও না খেতে।সেজন্য বাসা থেকে শুকনো খাবার ও পানি নিয়ে আসা যেতে পারে।

৩)স্প্রে জাতীয় পয়জনিং থেকে বাচতে মাস্ক ব্যবহার করতে পারেন।মাস্ক আপনাকে ধুলোবালি থেকেও রক্ষা করবে ফলে এলার্জি, শ্বাসকষ্ট সহ অন্যান্য রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

ধন্যবাদ
ছবি ইন্টারনেট থেকে নেয়া

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dhaka?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Dhaka