Lit the Q-Light vigils
Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Lit the Q-Light vigils, Health/Beauty, wazirpur, Barisal and H#42, R#06, Block-C, Bonoshree, Rampura, Dhaka 1219, Dhaka.
আগামী এক হাজার বছরে ফ্যাসিস্ট মুদি হাসিনা গংদের দুই মিলিয়ন খুনি, পনের হাজার গুমি, তিন মিলিয়ন স্কুল কলেজ ভার্সিটির মেয়েদের গণধর্ষণ ও ধর্ষক,চারশো ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার লুটপাট কারী আওয়ামী লীগের লুটেরা চক্রের এবং তাদের সহায়তা কারী ভারতীয় ব্রাহ্মণ্য হিন্দুত্ববাদের দালাল র-এর ইসকনের এজেন্ট এবং বাংলাদেশের হলুদ সাংবাদিক হলুদ দুদক হলুদ বিচারক হলুদ পুলিশ হলুদ প্রশাসন হলুদ আর্মি অফিসারদেরকে পৃথিবীর যেদেশের যেখানেই পাবেন সেখানেই পিটিয়ে হাত পা চূর্ণবিচূর্ণ করে দিয়ে তারপর পুলিশের কাছে সোপর্দ করুন। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।
প্রচারণায় :বিগত সতেরো বছরে ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনের একমাত্র মুখপাত্র দেশ প্রেমিক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সৈনিক এবং তারেক জিয়ার ক্লাসমেট শোষিত নিপিড়ীত নির্যাতিত মানুষের প্রতিনিধি জনাব প্রকৌশলী মো শাখাওয়াত হোসেন বাবলু ইঞ্জিনিয়ার। উজিরপুর বরিশাল এবং ঢাকা বাংলাদেশ।
https://www.facebook.com/share/r/1D5dzMRrvA/
04/07/2026
বাংলাদেশ হেফাজতে ইসলাম নামধারীরা ইবলিস শয়তানের কুচক্রী গ্রুপের ইহুদি, নাছাড়া, র-এর ইসকনের এজেন্ট বুড়ো খাটাশ মুফতি নামধারী গরীবের হক্ব ভক্ষন কারী সফি, বাবুনগরি, মাগী খোর লাট সাহেব, শাদ, মালেক,,মামুনুল হক, ইত্যাদি মুনাফেক চক্র ২০১৩ সালে লক্ষ লক্ষ শহীদের রক্তের সাথে বেইমানি করে ফ্যাসিস্ট, দুই মিলিয়ন খুন, পনের হাজার গুম, তিন মিলিয়ন স্কুল কলেজ ভার্সিটির মেয়েদের গণধর্ষণ, চারশো ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার লুটপাট কারী চক্রের দলনেতা মাফিয়া সম্রাট মুদির রক্ষিতা মাফিয়া সম্রাজী হাসিনাকে কওমি জননী উপাধি দিয়েছিলো কিন্তু মুদি*হাসিনা কুচক্রী হায়েনা মুজিব বাহিনীর কুত্তা কুত্তী লীগের চক্র মুর্তাদ সফিকে পরিকল্পিত ভাবে হাসপাতালে পয়জনিং দিয়ে সাইদির মতো মেরেছে। এই হেফাজতে ইসলামের গংদের ইবলিশ শয়তানির আর একটা কুফরি কর্ম ২০১৬ সালে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক তাবলীগ জামাতের দায়ী ইয়াল্লার মধ্যে চরম ফিত্না ছড়িয়ে হাসিনা, মুদি, ফেরাউন, নমরূদের চেয়েও জঘন্যতম ঘৃণিত মিথাচারের মাধ্যমে অতি পরিকল্পিত ভাবে তাবলীগ জামাতের দায়ীদের মধ্যে ঢুকে ভাগাভাগি করে ইহুদি, নাছাড়া, মুশরিকদের র-এর ইসকনের এজেন্টদের বহুল কাংখ্যিত মিশন বাস্তবায়ন করেছিলো প্রচুর অবৈধ অর্থের বিনিময়ে নিজেদের আখের গুছিয়ে নিয়েছে। এরা পৃথিবীর জঘন্যতম ঘৃণিত পাপীদের মধ্যে সেরার সেরা কাফের চক্র। বিএনপি জামাতের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহবান এখন মিলিয়ে নিন, না হলে আসন্ন ভবিষ্যতে কোটি কোটি মুসলমানদের রক্তের গজাতুল হিন্দ ও আরবের পটভূমি, সম্প্রসারণ ইতিমধ্যেই এদের দ্বারা কাফের বাদশারা শুরু করে ফেলেছে।
আব্রাহাম লিংকনের গনতন্ত্র, মুয়াবিয়া বিদ্রোহীর রাজতন্ত্র, মাওও সেতুং - লেলিনের সমাজতন্ত্র ইত্যাদি ১০০% ইসলামের আইনের শাসন পরিপন্থী।। বন্ধুবর তারেক জিয়ার বিএনপি এবং আমিরে জামাতের নেতা-কর্মীদের প্রতি আহবান ইসলামের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন এবং পাশে পাশেই থাকুন।।
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।
প্রচারণায়: আসন্ন গজাতুল হিন্দ ও আরবের সৈনিক, মিডিয়া থেকে রাজপথ কাপানো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সৈনিক,। মহান আল্লাহর গোলাম প্রকৌশলী মো শাখাওয়াত হোসেন বাবলু ইঞ্জিনিয়ার।
উজিরপুর বরিশাল এবং ঢাকা, বাংলাদেশ।।
যোগাযোগ : +8801711984501, 01554365277. [email protected] [email protected]
চর্চা করুন :
(১). প্রফেসর মোজাম্মেল হক সাহেব, তাফসীরে ওয়াফী।
মেশকাত, জালালাইন, রাহীকুল মাখতুম ইত্যাদি।
https://www.facebook.com/share/19AiWxKQmC/
https://www.facebook.com/Alhajj.Engr.Md.Shakhawat.Hossain
(২). আমার বিগত সতেরো বছরে ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনের মুখপাত্র জেহাদে ফিসাবিলিল্লাহর সকল পোস্ট। যাহা বিএনপি জামাতে এনসিপি, জাতীয় ঐক্য ফোরামের নেতা কর্মিদের আধ্যাত্মিক শক্রির উতস।
https://www.facebook.com/Shakhawat1964
03/07/2026
যাকাতের ফরজ তের আর এহসানের নয় ফরজ:
পবিত্র কুরআন অনুযায়ী প্রতিটি ঈমানদার বা মুসলমানদের উপর পাচ ওয়াক্তের সতেরো রাকাত নামাজ বা সালাত কায়েম যেমন ফরযে আইন (আহকাম-৭, আরকান-৬: ১৩ টি ফরজ) ঠিক তেমনই পাচটি খাতে যাকাত আদায়-৫ এবং আটটিও খাতে ব্যয়-৮: মোট ১৩ টি ফরজ) ফরজে আইন। সালাত কায়েম এবং যাকাত আদায় আল কুরআনে একত্রেই ৮২~৯১ বার এসেছে।
বিস্তারিত :
সালাতের জন্য মসজিদ, জামাত ও পবিত্রতার শর্ত। যাকাতের জন্য নিসাব পরিমাণ তয়্যেবা (পবিত্র) সম্পদের (জিনিসের- টাকা, পশু, ফল, মূল, ফসল, স্বর্ন, রূপা, খনিজ সম্পদ ইত্যাদির উপর যাকাত যাহা ওসরের অনুপাতে দিবে)। খাবারের ক্ষেত্রে হালাল ও তয়্যেবার শর্ত, কিন্তু যাকাতের ক্ষেত্রে তইয়েবা(পবিত্র) সম্পদ শর্ত, চুরি, লুটপাট বা ডাকাতির সম্পদ অবশ্য-ই তয়্যেবা কিন্তু হালাল নহে কিন্তু যাকাত আদায় করতে হবে, নেকি পাবেন যাদের সম্পদ তাঁরা।
সালাত কায়েম দ্বারা মুসলমানদের মনের ময়লা বিদূরিত হয় আর যাকাত আদায় দ্বারা মুসলমানদের মালের ময়লা বিদূরিত হয়।
যাকাত ফরজ হওয়ার প্রধান শর্ত বা ফরজ ৫টি। এগুলো হলো: ১. মুসলমান হওয়া। ২. সম্পদের ওপর পূর্ণ মালিকানা থাকা। ৩. নেসাব পরিমাণ (সাড়ে ৭ তোলা সোনা বা সাড়ে ৫২ তোলা রূপা বা সমমূল্যের) সম্পদ থাকা। ৪. সম্পদ উৎপাদনশীল ও বর্ধনশীল হওয়া। ৫. নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা ও ধার-কর্জ মেটানোর পর সম্পদটি এক চন্দ্র বছর বা এক বছর অক্ষুণ্ন থাকা।
যাকাত ফরজ হওয়ার বিস্তারিত শর্তাবলী:
ইসলাম: অমুসলিমের ওপর যাকাত ফরজ নয়। হারাম পশুর, দ্রব্যের উপরে যাকাত নেই।
পূর্ণ মালিকানা: সম্পদ মালিকের নিয়ন্ত্রণে থাকতে হবে।
নেসাব পরিমাণ: পবিত্র ফসল, ফলমূল ২৬.২৫ মন। এবং সাড়ে ৭ তোলা সোনা বা সাড়ে ৫২ তোলা রূপা বা সমমূল্যের টাকা বা ব্যবসার পণ্য।
সম্পদ উৎপাদনক্ষম হওয়া: সম্পদ থেকে আয় বা উৎপাদন সম্ভব হতে হবে।
ঋণমুক্ত হওয়া: নিজের প্রয়োজনীয় খরচের পর ঋণের টাকা বাদে নেসাব পরিমাণ সম্পদ থাকতে হবে।
এক বছর অতিবাহিত হওয়া: সম্পদের ওপর এক চান্দ্র বছর পূর্ণ হতে হবে।
ফসল ও খনিজ সম্পদ যখনই উত্তোলন করা হবে তখনই যাকাত আদায় করতে হবে।
যেসব সম্পদে (উসুলের খাত) যাকাত ফরজ:
(১) সোনা-রুপা ও অলঙ্কার। বছরে ২.৫% যাকাত আদায় ফরজ। রোবো ওসর=১/৪*১/১০=২.৫%।
(২.১) নগদ টাকা, ব্যাংক ব্যালেন্স ও শেয়ার সময় নিউজ। বছরে ২.৫% যাকাত আদায় ফরজ। (রোবো(এক চতুর্থাংশ) ওশর বা ১/১০*১/৪=১/৪০ বা ২.৫% অংশ ।
(২.২) ব্যবসার পণ্য। বছরে ২.৫% যাকাত আদায় ফরজ। রোবো ১/৪-ওসর বা ১/৪০ অংশ।
(৩) ফসলের ওসর: কৃষি ফসল ও সকল ফল-মূল। ফসল যখনই তুলা হবে তখনই ২৬.২৫ মন হলেই ওশর (১/১০ বা ১০%) দিতে হবে। সেচ+সার+ঔষধ ইত্যাদি ব্যাবহার হলে যাকাত নেসবে (অর্ধেক) ওসর=১/২*১/১০= ১/২০ অংশ বা ৫% যাকাত আদায় ফরজ। যদি ২৬.২৫ মনের চেয়ে ১/৫ (৫.২৫ মন) বেশি ফসল হলেও তার ওসর দিতে হবে।
(৪) পালিত পশু (উট, গরু, ছাগল, মেষ - নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী)। রোবো ওসর। ১/৪০ বা ২.৫%।
এক্ষেত্রে, আলুফা পশু: যেসব পশুদেরকে খাবার কিনে লালন পালন করা হয় সেসব পশুর যাকাত নেই এবং হারাম পশুর ফার্মের(শুকর, কুমির, সাপ ইত্যাদি) ওসর নেই।
সায়মা পশু : যেসব পশুদেরকে চারন ভূমিতে লালন পালন করা হয় তাদের উপর ২.৫% (রোবো ওশর) যাকাত আদায় ফরজ।
(৫) খনিজ সম্পদ : যখনই তোলা হবে তার ১/৫ বা ২০% যাকাত আদায় ফরজ। জেফে(দ্বিগুণ) ওসর=[২*(১/১০)=১/৫ বা ২০%]।
যাকাত বন্টনের খাত মোট ৮টি (আটটি)। এই খাতগুলো সূরা আত-তাওবা: ৯/৬০ নম্বর আয়াতে সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
৯ : ৬০ اِنَّمَا الصَّدَقٰتُ لِلۡفُقَرَآءِ وَ الۡمَسٰكِیۡنِ وَ الۡعٰمِلِیۡنَ عَلَیۡهَا وَ الۡمُؤَلَّفَۃِ قُلُوۡبُهُمۡ وَ فِی الرِّقَابِ وَ الۡغٰرِمِیۡنَ وَ فِیۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ وَ ابۡنِ السَّبِیۡلِ ؕ فَرِیۡضَۃً مِّنَ اللّٰهِ ؕ وَ اللّٰهُ عَلِیۡمٌ حَكِیۡمٌ ﴿۶۰(
নিশ্চয় সদাকা হচ্ছে ফকীর ও মিসকীনদের জন্য এবং এতে নিয়োজিত কর্মচারীদের জন্য, আর যাদের অন্তর আকৃষ্ট করতে হয় তাদের জন্য; (তা বণ্টন করা যায়) দাস আযাদ করার ক্ষেত্রে, ঋণগ্রস্তদের মধ্যে, আল্লাহর রাস্তায় এবং মুসাফিরদের মধ্যে। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত, আর আল্লাহ মহাজ্ঞানী, প্রজ্ঞাময়।
অর্থাৎ যাকাত বন্টনের ৮টি খাত হলো:
১. ফকীর (অভাবী বা যার কিছুই নেই)
২. মিসকীন (যাদের সম্পদ আছে কিন্তু অভাবের কারণে তা পর্যাপ্ত নয়)
৩. যাকাত আদায়ে নিয়োজিত কর্মচারী (যাকাত সংগ্রহের কাজে কর্মরত কর্মী)
৪. ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট করার জন্য (নওমুসলিম বা ইসলামের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তি)
৫. দাস মুক্তির জন্য (ক্রীতদাসদের মুক্ত করার জন্য)
৬. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি (ঋণ পরিশোধে অক্ষম ব্যক্তি)
৭. আল্লাহর রাস্তায় (ইসলামের প্রচার ও প্রতিষ্ঠায় নিয়োজিত)
৮. মুসাফির (যিনি ভ্রমণকালে অভাবে পড়েছেন)
এই আটটি খাত ছাড়া অন্য কোনো খাতে যাকাত প্রদান করা বৈধ নয়।
আবার সুরা নিসা:৪/৩৬ আল্লাহ পাকের ইবাদতের হক্কের পরপরই বান্দার পর্যায়ক্রমিক নয়টি হক্কের বা এহসানের বা সদ্ব্যবহারের খাতের হুকুম করেছেন। অর্থাৎ ০৯ টি এহসানের ফরজে আইন।
بِهٖ شَیۡئًا وَّ بِالۡوَالِدَیۡنِ اِحۡسَانًا وَّ بِذِی الۡقُرۡبٰی وَ الۡیَتٰمٰی وَ الۡمَسٰكِیۡنِ وَ الۡجَارِ ذِی الۡقُرۡبٰی وَ الۡجَارِ الۡجُنُبِ وَ الصَّاحِبِ بِالۡجَنۡۢبِ وَ ابۡنِ السَّبِیۡلِ ۙ وَ مَا مَلَكَتۡ اَیۡمَانُكُمۡ ؕ اِنَّ اللّٰهَ لَا یُحِبُّ مَنۡ كَانَ مُخۡتَالًا فَخُوۡرَا ﴿ۙ۳۶﴾
অর্থ:
তোমরা ইবাদাত কর আল্লাহর, তাঁর সাথে কোন কিছুকে শরীক করো না। আর সদ্ব্যবহার কর মাতা-পিতার সাথে, নিকট আত্মীয়ের সাথে, ইয়াতীম, মিসকীন, নিকট আত্মীয়-প্রতিবেশী,অনাত্মীয়-প্রতিবেশী, পার্শ্ববর্তী সাথী, মুসাফির এবং তোমাদের মালিকানাভুক্ত দাস-দাসীদের সাথে। নিশ্চয় আল্লাহ পছন্দ করেন না তাদেরকে যারা দাম্ভিক, অহঙ্কারী। এহসানের খাতের হুকুম যাকাতের সাথে সংশ্লিষ্ট নহে, শুধু আল্লাহর ইবাদতের হকের পাশাপাশি হকের অধিকারী পর্যায়ক্রমিক দাবিদারের ধারা যাদেরকে উপহার-হাদিয়ার এবং দান-সাদকার হুকুম।
جَارِ ذِي الْقُرْبَىٰ‘বলতে সেসব প্রতিবেশীকে (জারে-যিলকোরবা’) বোঝায়, যারা প্রতিবেশী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আত্মীয়ও বটে। এভাবে এতে দু’টি হক সমন্বিত হয়ে যায়। আর' وَالْجَارِ الْجُنُبِ 'জারে-জুনুব' বলতে শুধু সে প্রতিবেশীকে বোঝায় যার সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক নেই।
মানুষকে সৃষ্টির সেরা বলা হয় যে কারণে
সুরা আল ইমরান আয়াত ১০৪:আরবি:
وَلْتَكُنْ مِّنْكُمْ اُمَّةٌ يَّدْعُوْنَ اِلَى الْخَيْرِ وَيَأْمُرُوْن
بِالْمَعْرُوْفِ وَيَنْهَوْنَ عَنِ الْمُنْكَرِ ۚ وَاُولٰٓئِكَ هُمُ الْمُفْلِحُوْن
উচ্চারণ: “ওয়ালতাকুম মিনকুম” উম্মাতুইঁ ইয়াদ'ঊনা ইলাল খাইরি ওয়া ইয়া'মুরূনা বিল মা'রূফি ওয়া ইয়ানহা ওনা 'আনিল মুনকারি ওয়া উলাইকা হুমুল মুফলিহুন। (এখানে মুলত মিন: থেকে বা হতে উহ্য থাকবে কুম-তোমাদের, অর্থাৎ সবাইকে)।
বাংলা অর্থ: "আর তোমাদের মধ্যে এমন একটি দল থাকা উচিত, যারা (তোমরা সবাই-ই উপরে ফরজ হুকুম) কল্যাণের দিকে আহবান করবে, সৎকাজের নির্দেশ দেবে এবং অসৎ কার্য থেকে নিষেধ করবে। আর এরাই হলো সফলকাম।"
অর্থের ভারসাম্যতা: সুরা হাজ্জ আয়াত ২২/৩০:
ذٰلِكَ ٭ وَ مَنۡ یُّعَظِّمۡ حُرُمٰتِ اللّٰهِ فَهُوَ خَیۡرٌ لَّهٗ عِنۡدَ رَبِّهٖ ؕ وَ اُحِلَّتۡ لَكُمُ الۡاَنۡعَامُ اِلَّا مَا یُتۡلٰی عَلَیۡكُمۡ فَاجۡتَنِبُوا الرِّجۡسَ مِنَ الۡاَوۡثَانِ وَ اجۡتَنِبُوۡا قَوۡلَ الزُّوۡرِ
এটিই বিধান আর কেউ আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত পবিত্র বিষয়সমূহকে সম্মান করলে তার রবের নিকট তা-ই তার জন্য উত্তম। আর তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে চতুষ্পদ জন্তু; তবে যা তোমাদের কাছে পাঠ করা হয় সেগুলি ছাড়া। সুতরাং মূর্তিপূজার অপবিত্রতা থেকে বিরত থাক এবং মিথ্যা কথা পরিহার কর। ( কতক না সব্বাইকে বলা হয়েছে)।
আয়াতের মূল শিক্ষা ও সারমর্ম: দাওয়াহ বা প্রচার: মুসলমানদের মধ্য থেকে একটি নির্দিষ্ট দলকে বা দায়িত্বশীল গোষ্ঠীকে সবসময় ইসলামের সুমহান শিক্ষা ও কল্যাণের দিকে মানুষকে আহ্বান করতে হবে।
সৎকাজের আদেশ (আমর বিল মা'রূফ): সমাজে প্রচলিত ও নির্দেশিত ভালো কাজ, যা শরীয়ত ও সমাজ সমর্থন করে, তার প্রসার ঘটাতে হবে এবং মানুষকে তা করতে উৎসাহিত করতে হবে।
অসৎকাজে নিষেধ (নাহি আনিল মুনকার): সমাজ ও শরীয়ত বিরোধী যাবতীয় মন্দ, পাপাচার এবং ক্ষতিকর কাজ থেকে মানুষকে বিরত থাকতে সতর্ক করতে হবে এবং বাঁধা প্রদান করতে হবে।
সফলতা: যারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে সমাজ সংস্কারের এই দায়িত্ব পালন করবেন, মহান আল্লাহ তাদের চূড়ান্ত সফলকাম বা মুক্তিপ্রাপ্ত হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
সুরা আল ইমরান আয়াত ১১০:
كُنتُمْ خَيْرَ أُمَّةٍ أُخْرِجَتْ لِلنَّاسِ تَأْمُرُونَ بِٱلْمَعْرُوفِ وَتَنْهَوْنَ عَنِ ٱلْمُنكَرِ وَتُؤْمِنُونَ بِٱللَّهِۗ وَلَوْ ءَامَنَ أَهْلُ ٱلْكِتَـٰبِ لَكَانَ خَيْرًا لَّهُمۚ مِّنْهُمُ ٱلْمُؤْمِنُونَ وَأَكْثَرُهُمُ ٱلْفَـٰسِقُونَ
উচ্চারণ: কুনতুম খাইরা উম্মাতিন উখরিজাত লিন্না-ছি তা'মুরূনা বিল মা'রূফি ওয়া তানহা ওনা 'আনিল মুনকারি ওয়া তু'মিনূনা বিল্লা-হি ওয়া লাও আ-মানা আহলুল কিতা-বি লাকা-না খাইরাল্লাহুম মিনহুমুল মু'মিনূনা ওয়া আকছারুহুমুল ফা-ছিকূন।
অর্থ: তোমরাই হলে সর্বোত্তম উম্মত, যাদেরকে মানুষের জন্য বের করা হয়েছে। তোমরা ভাল কাজের আদেশ দেবে এবং মন্দ কাজ থেকে বারণ করবে, আর আল্লাহর প্রতি ঈমান পোষণ করবে। আর যদি আহলে কিতাব ঈমান আনত, তবে অবশ্যই তা তাদের জন্য কল্যাণকর হত। তাদের কতক ঈমানদার। তাদের অধিকাংশই ফাসিক।
বুদ্ধি ও বিবেক: আল্লাহ মানুষকে বিচার-বুদ্ধি, ভালো-মন্দের পার্থক্য করার জ্ঞান এবং চিন্তা করার শক্তি দিয়েছেন।
সুন্দরতম অবয়ব: পবিত্র কুরআনের সুরা ত্বীন-এ আয়াত-৪ আল্লাহ বলেছেন, তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন সুন্দরতম অবয়বে।
বাকশক্তি: মানুষ তার মনের ভাব সুন্দরভাবে প্রকাশ করতে পারে এবং ভাষা ব্যবহারের অনন্য ক্ষমতা রাখে।
জ্ঞান অর্জন: অন্য সব প্রাণী স্বভাবগতভাবে চলে, কিন্তু মানুষ তার বুদ্ধি ও জ্ঞান কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু শিখতে ও অর্জন করতে পারে।
সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষের দায়িত্বও অনেক। সৎকর্ম, ভালো চরিত্র ও আল্লাহর নির্দেশিত পথে চলার মাধ্যমেই কেবল মানুষ এই শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা ধরে রাখতে পারে।
বাকারা: আয়াত ২/২৫৩-২৮৬ (বিশ্বাস ও কুদরতের প্রমাণ):
বিশেষ ফজিলত পূর্ণ আয়াত :
২৫৪: লা ইকর ফি দ্বীন- দ্বীনের পথে জবরদস্তি নেই, মুলত আল্লাহর বার্তা যুদ্ধে আশ্রয় গ্রহণকারি (এজাইলাম) কাফেরদের প্রতি মুসলমানদের আচরণ হবে তাদেরে পূর্ণ প্রটেকশন দিয়ে দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া এবং গ্রহণের স্বাধীনতা, তাদের শিবিরে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া দ্বযিত্ব। কিন্তু তাফসিরে সম্পূর্ণ বিপরীতে ব্যাখ্যা রয়েছে(শুধু রাজনৈতিক এজাইলামের আওতাভুক্ত শত্রুদের কতল না করে উত্তম আচরণের হুকুম, কিন্তু যুদ্ধ ক্ষেত্রে বা অন্যত্র এই আয়াত. ০% ও কার্যকরী নহে তাহলে কৌশলগত বুমেরাং হবে।
২৫৫:আয়তাল কুরশী-আল্লাহর পরিচয় ক্ষমতা বা স্বার্বভৌমতত্বের একমাত্র মালিক এবং হেফাজতকারি। আল্লাহ তায়ালা রাসূলদের মধ্যে মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন এবং নবী ইব্রাহিম (আ.) ও নমরুদের মধ্যকার বিতর্কের ঘটনা উল্লেখ করে একত্ববাদের অকাট্য প্রমাণ তুলে ধরেছেন।
আয়াত ২৬১-২৮২ (দান-সদকা ও সামাজিক বিধান): এ অংশে নিঃস্বার্থ দানের মাহাত্ম্য, রিয়াবিহীন (লোক দেখানো নয়) দানের ফজিলত এবং সুদের ভয়াবহতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এছাড়া পারস্পরিক লেনদেন ও ঋণ আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে লিখিত দলিল রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মুসলমানদের মোয়ামেলাত, মোয়াশরাত, আমল, এবং আখলাকের হুকুম নামা।
আয়াত ২৮৪ (আল্লাহর সার্বভৌমত্ব): আসমান ও জমিনের সবকিছু আল্লাহর। মানুষ তার মনের গোপন বা প্রকাশ্য যেকোনো বিষয়ের হিসাব আল্লাহর কাছে দিতে বাধ্য। সুরা: মুলক আয়াত ১~৪।
আয়াত ২৮৫ (ঈমানের ঘোষণা): এই আয়াতে মুমিনদের ঈমানের মূল ভিত্তি বর্ণনা করা হয়েছে— আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতা, কিতাব এবং সকল রাসূলের ওপর পূর্ণ বিশ্বাস স্থাপন করা এবং আল্লাহর আনুগত্যের স্বীকৃতি দেওয়া।
আয়াত ২৮৬ (শেষ দুই আয়াত): অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ এই দুই আয়াতে বলা হয়েছে— "আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যের অতিরিক্ত দায়িত্ব অর্পণ করেন না।" মুমিনরা সবসময় আল্লাহর কাছে নিজেদের ভুলত্রুটির ক্ষমা ও রহমত প্রার্থনা করেন।
রুহের প্রভাব : একজোড়া রুহু। যেসকল মানুষ দুইটা রুহুর মালিক হবে সেই-ই মু'মিন। একটা রুহ (আমর) সকল প্রাণীকে-ই আল্লাহ দিয়েছেন বেচে থাকার জন্য কিন্তু আরেকটা রুহু (আল কুরআন) অর্জন (রুহুয়ে কাসবি) করতে হবে। যাদের দ্বিতীয় রুহুটি নেই তাদেরকে আল্লাহ পাক বলেছেন সুম্মুন, বুকমুন, ওমিউন–পশুর মতন, বা তার চেয়েও খারাপ [সুরা: বাকারা-২/১৮: সুম্মুম বুকমুন 'উমইয়ুন ফাহুম লা-ইয়ারজি'ঊন। অর্থ: "তারা বধির, বোবা এবং অন্ধ। সুতরাং তারা (সত্যের পথে) ফিরে আসবে না]।
নফসের প্রভাব: মানুষের মনে ভালো ও মন্দ—উভয়ই থাকতে পারে। যখন মানুষ আল্লাহর নির্দেশ থেকে দূরে সরে যায় এবং শয়তানের প্ররোচনায় পড়ে, তখন তার মধ্যে এই জুলমাত বা অন্ধকার বৃদ্ধি পায়।
যাদের সেন্স অর্গানগুলো নফছে আম্বারার (দানা সক্রিয় হয় শয়তানের ওহী দ্বারা) বা ফুজুরের সাথে চলে তাদেরকে আল্লাহ আলো থেকে অন্ধকারে ধাবিত করেন। আর যাদের সেন্স অর্গান গুলো নফছে মোতমাইনার ও লাউয়ামার (দানা সক্রিয় হয় আল্লাহর ওহী দ্বারা) বা তাকওয়াপূর্ণ ঈমান বিল্লাহর সাথে চলে তাদেরকে আল্লাহ অন্ধকার থেকে আলোতে নিয়ে আসেন।
দাওয়াত এবং এবাদত : ঈমান বিল্লাহ বৃদ্ধি করে।
হিজরত: ঈমান বিল্লাহকে একিনে পৌঁছে দেয়।
জান, মালের সর্বোচ্চ কুরবানী বা জেহাদে ফিসাবিলিল্লাহ বা কস্ট, মোজাহেদা (ইচ্ছার বিপক্ষে) : হেদায়েত প্রাপ্তি এবং জান্নাতে প্রবেশ। (আলমে আরোহায় বান্দার “বালা” উত্তরে আল্লাহর ঘোষণা: “ফাদ খুলি ফি এবাদি ওয়াদ খুলি জান্নাতি” সুরা আল ফজর আয়াত ২৭-৩০)।
يٰۤاَيَّتُهَا النَّفۡسُ الۡمُطۡمَٮِٕنَّةُ ۖ ٢٧ ارۡجِعِىۡۤ اِلٰى رَبِّكِ رَاضِيَةً مَّرۡضِيَّةً ۚ ٢٨ فَادۡخُلِىۡ فِىۡ عِبٰدِىۙ ٢٩ وَادۡخُلِىۡ جَنَّتِى ٣٠
তোমরা চোখে যা কিছু আসমানে দেখো বা দেখোনা কিন্তু রয়েছে তা সবাই-ই সাতার কাটছে নির্ধারিত গতিতে বেগবান (যেমন, পৃথিবীর গতি ৪৩২০০ মাইল/ঘন্টা) এবং ক্রমশ পশ্চাতগামী।
জুলকারনাইন ইয়াজুজ-মাজুজদের ২১টি গ্রুপের ২০টি দল আটকে রাখেছিল (৫০ হাত চওড়া * ২০০ হাত উচ্চ * ১০০ মাইল লম্বা লোহা + তামার বাঁধ দুই পাহাড়ের মধ্যে)। একটা দলকে ছেড়ে দেয়া (তারাকা-তাতারি চিনা জাতি) হয়েছিল।
04/05/2026
মাশাল্লাহ।
Md Shamim 666 49 likes, 4 comments. "অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি দোয়া shot ♥️♥️♥️"
14/04/2026
দেশ প্রেমিক বিএনপি জামাতের জাতীয় নেতা কর্মীদের আত্মত্যাগী শহীদের প্রতি কোটি কোটি সালাম ও মোবারকবাদ। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ। ইনকিলাব জিন্দাবাদ।
৩৬-জুলাই সনদের বাস্তবায়নে বাধ্যতামূলকভাবে বিএনপি জামাতের নেতা-কর্মীদের দায়বদ্ধতা রয়েছে।
ধন্যবাদান্তে- বিগত সতেরো বছরের মাফিয়া সম্রাট*সম্রাজী মুদি*হাসিনা চক্র ও তাদের দালালদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধের একটানা সমর সেনা আলহাজ্ব প্রকৌশলী মো শাখাওয়াত হোসেন (বাবুল ইঞ্জিনিয়ার), উজিরপুর, বরিশাল।
সাদিক কায়েমদের কোনো কৃতিত্ব নেই, সবটুকুই শহীদদের রক্তের বদলা। #shorts #shortsvideo #foryou
Category
Website
Address
Dhaka
Alerts
Be the first to know and let us send you an email when Lit the Q-Light vigils posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.