RIP-Rise If Possible
চির উন্নত তব শির
03/09/2026
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল।
বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের জন্য সেই রাত ছিল এক ভয়ংকর রাত। আকাশ কালো হয়ে এসেছিল।
বাতাসের গতি ক্রমেই বাড়ছিল।
সমুদ্রের পানি ভয়ংকরভাবে ফুলে উঠছিল। চারদিকে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক—কেউ সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরেছে, কেউ পরিবারের সদস্যদের নিরাপদ জায়গায় নেওয়ার চেষ্টা করছে।
আর সেই ভয়াবহ পরিস্থিতির অন্যতম জায়গা ছিল কুতুবদিয়া।
কুতুবদিয়ার মানুষ জানত—এ ধরনের ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস কতটা ভয়ংকর হতে পারে।
কিন্তু সেই সময় একজন মানুষ ছিলেন সম্পূর্ণ অন্যরকম অবস্থায়।
তিনি হলেন—
হযরত শাহ আবদুল মালেক আল-কুতুবী (রহ.), যিনি মানুষের কাছে মালেক শাহ হুজুর নামে পরিচিত।
প্রচলিত বর্ণনা অনুযায়ী, চারদিকে যখন ভয় আর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে, তখন মালেক শাহ হুজুর তাঁর হুজরায় অবস্থান করছিলেন।
মানুষ তাঁকে নিরাপদ জায়গায় চলে যেতে অনুরোধ করছিল।
কেউ বলছিল—
“হুজুর, পানি বাড়ছে, এখান থেকে চলে যান। কেউ আবার তাঁকে উঁচু জায়গায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু তিনি নিজের জায়গা ছেড়ে যেতে রাজি হননি। তিনি আল্লাহর জিকির ও ইবাদতে মশগুল ছিলেন
বাইরে তখন প্রকৃতি যেন ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে।
একসময় জলোচ্ছ্বাসের পানি চারপাশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করল।
মানুষ নিরাপদ জায়গার দিকে ছুটছে।
কেউ ঘর ছেড়ে বের হয়ে যাচ্ছে।
কেউ সন্তানকে কোলে নিয়ে দৌড়াচ্ছে।
কেউ আবার নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য প্রাণপণে চেষ্টা করছে।
কিন্তু মালেক শাহ হুজুর তখনও তাঁর হুজরায় অবস্থান করছিলেন। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় ছিল, ভয়াবহ ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মধ্যেও তাঁর হুজরা মোবারক অক্ষত থাকে
মালেক শাহ হুজুর হুক্কা ব্যবহার করতেন
১৯৯১ সালের সেই ভয়াবহ ঝড়ের সময় তাঁর হুক্কার আগুন পর্যন্ত নেভেনি।
কারামত আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে।
অর্থাৎ কোনো নেক বান্দার মাধ্যমে যদি অসাধারণ কোনো ঘটনা প্রকাশ পায়, সেটি আল্লাহর কুদরত।
১৯৯১ সালের সেই ঘটনা শুধু একটি কারামতের গল্প হিসেবে দেখলে হয়তো এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাটি বাদ পড়ে যাবে।
এই ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয়—
দুনিয়ার যত ভয়ংকর বিপদই আসুক, আল্লাহর ওপর ভরসা রাখতে হবে।
তাঁর জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে—
ইলম, জিকির, ইবাদত, রিয়াজত, তাসাউফ এবং অসংখ্য প্রচলিত কারামতের কাহিনি।
১৯৯১ সালের সেই ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের রাতের ঘটনাও তাঁর জীবনের সবচেয়ে আলোচিত বর্ণনাগুলোর একটি।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে বিপদ-আপদ থেকে হেফাজত করুন এবং তাঁর নেক বান্দাদের জীবনী থেকে শিক্ষা নেওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।
03/09/2026
নেপালের তরুণপ্রধানমন্ত্রী "বালেন শাহ"!
মেরুদণ্ডওয়ালা প্রধানমন্ত্রী! কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া ট্রাজেডির আজকে ক্ষতিপূরণ চাইছে!
তাও আবার সেটা যুক্ত*রাষ্ট্র ,চী*ন ,ভা*রত থেকে!
কারণ এই সা***রাই পুরো পৃথিবীরে বিষাক্ত বানিয়ে ফেলছে।
মুনাফা লোভীরা প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করছে।
প্রকৃতিরে শত্রু বানাইছে! প্রকৃতিও ফ্রেশ ফ্লাড, বন্যা, টর্নেডো, দাবানল দিয়া রিঅ্যাকশন দেখাচ্ছে।
মুনাফালোভী মার্দা**দোচ কয়েকটা রাষ্ট্র উন্নয়নের নামে পৃথিবীটা ডাস্টবিন বানিয়ে ফেলছে!
সা**রা পারমাণবিক বানায়, বো*মা বানায়, 
পৃথিবী আর মানুষ ধ্বংস করার জন্য মুনাফার লোভে এমন কোন জিনিস নাই বানায় না!
এইতো নেপালে Flash flood কতো মানুষ নাই হইয়া গেলো।
কিন্তু কেন?
গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর কারণে পাহাড়ের বরফ গলে গেছে।
বরফ পানি হইয়া flash flood হইছে!
_কয়দিন আগে শুধু স্পেন, ফ্রান্স আর ইতালিতে প্রায় ৪ লাখ হেক্টর ভূমি দাবানলে পুড়ে গেছে!
কেন?
ঐটাও গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর কারণে!
এতো এতো টেকনোলজি দিয়াও আগুণ কন্ট্রোল করতে পারে নাই।
_গ্রীনল্যান্ডের সবচেয়ে বড় যে আইসবার্গটা গলে যাচ্ছে।
কিন্তু কেন?
গ্লোবাল ওয়ার্মিং!
ধীরে ধীরে হয়তো পৃথিবীর অনেক দেশ তলিয়ে যাবে।
_টর্নেডো হয়, অতিবৃষ্টিতে বন্যা হয়, ল্যান্ড স্লাইড হয় কিন্তু কেন?
এইতো পুরো পৃথিবীর বায়ু একেবারে দূষিত করে ফেলছে।
মাটির নিচে যা পাচ্ছে সা**লারা সব তুইল্লা জ্বালাইয়া পুড়াইয়া শেষ করে দিচ্ছে।
আর তার নাম দিছে মর্ডানিজম, ক্যাপিটালিজম, টেকনোলজির উন্নয়ন।
মানুষ যতো মর্ডান হচ্ছে পৃথিবী তত সংকুচিত হয়ে যাচ্ছে।
এই পৃথিবী যেন দিন দিন মানুষের বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে!
এই ধ্বংস ,এই অশান্তি সবকিছু আমাদের কামাই।
এমুহূর্তে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর সাথে পৃথিবীর প্রত্যেকটা রাষ্ট্রের সহমত পোষণ করা উচিত।
মুনাফালোভী ,সাম্রাজ্য*বাদীদের গলা টিপে ধরা উচিত।
নয়তো এরা পুরো পৃথিবীর ধ্বংস করে দিবে,পৃথিবী গিলে খাবে।
উন্নয়নের নামে পৃথিবীটা মানুষ বসবাসের অনুপযোগী করে তুলবে!
ধ্বংস করবে তারা! তথাকথিত সুফল ভোগী তারা কিন্তু সাফার করবে পুরো বিশ্ব।
এভাবে একটা বিশ্ব চোখের সামনে নষ্ট হয়ে যাওয়াটা সত্যিই অসহায়ত্বের!
স্যালুট বালেন শাহ!
প্রধানমন্ত্রীর তেজ থাকতে হয়! হক কথা বলার সাহস থাকতে হয়।
তাহলেই একটা দেশ একটা জাতির ভাগ্য পরিবর্তন সম্ভব।
নমনম, দুর্বল চরিত্রের রাষ্ট্রপ্রধান দিয়া কচুটাও হয় না!!!
31/08/2026
রুহি চেনেটের ট্রাভেল ডকুমেন্টারি: একটি অদ্ভুত ও রহস্যময় জীবনযাত্রার চিত্র
বিখ্যাত ট্রাভেল ব্লগার রুহি চেনেটের ডকুমেন্টারিটি দেখে একটি নির্দিষ্ট রক্ষণশীল সম্প্রদায়ের জীবনধারা ও বিশ্বাস সম্পর্কে অনেক অজানা ও গা ছমছমে তথ্য জানা যায়। ভিডিওতে উঠে আসা মূল এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
১. পড়াশোনা, কঠোর তপস্যা ও শেষ জামানার বিশ্বাস
তারা তাদের ইবাদতখানার নিচের একটি কক্ষে দিনে তিনবার প্রার্থনা করে এবং দিনের বাকি সময়টা গবেষণা ও পড়াশোনায় ব্যস্ত থাকে। তাদের দাবি অনুযায়ী, তারা দৈনিক ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় পড়াশোনা করে। প্রায় ৫০০ জন যুবকের এই দলে বেশিরভাগই ইসরাইল থেকে এসেছে। পৃথিবী ও সময়ের শেষ পরিণতি সম্পর্কে তাদের একটি অদ্ভুত দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে—যেমন একজন মা সন্তান প্রসবের শেষ মাসে সবচেয়ে বেশি কষ্ট সহ্য করেন, তেমনি পৃথিবীও এখন তার শেষ সময়ের দিকে এগোচ্ছে। তাদের বিশ্বাস, খুব শীঘ্রই তাদের ‘মাসীহ’ বা ত্যাগের দিন আসবে এবং পবিত্র ভূমিতে ‘তৃতীয় মন্দির’ নির্মাণের মাধ্যমে তারা সেখানে ফিরে যাবে।
২. আধুনিক প্রযুক্তি বর্জন ও আধ্যাত্মিকতা
তারা মোবাইল, ইন্টারনেট বা আধুনিক কোনো প্রযুক্তি ব্যবহার করে না। তাদের বিশ্বাস, এসব প্রযুক্তি মনকে বিভ্রান্ত করে এবং ঈশ্বরের প্রতি মনোযোগ ও রুহানিয়াত (আধ্যাত্মিকতা) নষ্ট করে দেয়। ইবাদতের আসল স্বাদ ও আত্মিক প্রশান্তি বজায় রাখতেই তারা আধুনিক জগত থেকে নিজেদের সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে।
৩. জীবিকা ও ক্যারিয়ার সম্পর্কিত ভাবনা
জীবিকা অর্জন বা ক্যারিয়ার গড়া নিয়ে তাদের বিন্দুমাত্র চিন্তা নেই। ভবিষ্যৎ বা আয়-রোজগার সম্পর্কিত প্রশ্নের জবাবে তারা অত্যন্ত সহজভাবে জানায়—এসব নিয়ে ভাবার কিছু নেই, ঈশ্বর নিজেই সবকিছুর ব্যবস্থা করে দেবেন।
৪. ইবাদতের নিয়ম ও দান-সদকা
প্রার্থনা বা ইবাদত শুরুর আগেই তারা দান বা সদকা করে থাকে। তারা মূলত জেরুজালেমের দিকে মুখ করে প্রার্থনা করে। তাদের প্রার্থনা কক্ষে বিভিন্ন ধর্মীয় স্কুল, কলেজ ও সংস্থার আলাদা আলাদা দান বাক্স রয়েছে, যেখানে তারা নিয়মিত অর্থ দান করে।
৫. বহিরাগতদের প্রতি মনোভাব ও বিচ্ছিন্ন জীবন
তারা নিজেদের সম্প্রদায়ের বাইরে কারো সাথে সহজে মিশতে চায় না। কথোপকথনের শুরুতেই তারা নিশ্চিত হতে চায় সামনের মানুষটি ‘ইহুদি’ কি না। বহিরাগতদের সাথে যোগাযোগের প্রয়োজন হলে তাদের জন্য বিশেষ ধরনের আলাদা ফোন রয়েছে। প্রযুক্তি ছাড়াও টিভি, সিনেমা, খেলাধুলা বা বাইরের জগতের জনপ্রিয় কোনো সেলিব্রিটি সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণাই নেই। তাদের সম্পূর্ণ জগত গড়ে উঠেছে তাদের নিজস্ব ‘রাব্বি’ (ধর্মগুরু) এবং তাঁর নির্দেশকে কেন্দ্র করে।
৬. পারিবারিক জীবন ও জনসংখ্যা বৃদ্ধি
এই সম্প্রদায়ে ১০ জনের কম সন্তান নেওয়া বিরল ঘটনা; সাধারণত প্রতিটি পরিবারেই সন্তানের সংখ্যা অনেক বেশি। সন্তান জন্মদান বা পরিবারের পরিকল্পনা সংক্রান্ত যেকোনো সিদ্ধান্তের জন্য তাদের প্রধান রাব্বির পরামর্শ নিতে হয়, কারণ তারা রাব্বির আদেশকে ঈশ্বরের আদেশের মতোই মেনে চলে। তাদের তথ্যমতে, প্রতি ২০ বছর পর পর তাদের জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যায়।
৭. তাওরাতভিত্তিক নিজস্ব আইন ও বিচারব্যবস্থা
তাদের সমাজ পরিচালনার জন্য নিজস্ব বিচারব্যবস্থা রয়েছে, যেখানে তারা যাবতীয় বিবাদ বা সমস্যার বিচার সরাসরি ‘তাওরাত’ বা তাদের ধর্মীয় আইনের ওপর ভিত্তি করে সম্পন্ন করে।
এটি এমন এক জীবনধারা, যা আধুনিক পৃথিবীর রুটিন থেকে পুরোপুরি আলাদা এবং বিশ্বাসের জায়গায় অত্যন্ত কঠোর।
07/08/2026
📍ইস্তিগফারের একটি গল্প
জীবনে বেশি বেশি "ইস্তেগফার ও দরুদপাঠ" করুন
এক ব্যক্তি সবসময় জীবনে অভাব-অনটনে ভুগছিলেন। একজন আলেম তাকে নিয়মিত "আস্তাগফিরুল্লাহ" পড়ার পরামর্শ দেন। তিনি প্রতিদিন শত শত বার ইস্তিগফার করতে থাকেন। কিছুদিন পর তিনি জানান, তাঁর রিজিকে বরকত এসেছে, মন শান্ত হয়েছে এবং জীবনের অনেক কঠিন বিষয় সহজ হতে শুরু করেছে।
"তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো... তিনি তোমাদের ওপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দ্বারা সাহায্য করবেন, " — সূরা নূহ, ৭১:১০–১২
📌 Collected
বাচ্চা না হওয়ার জন্য জরায়ুতে 'কপার-টি' পরেছিল মা। অতঃপর বাচ্চা কপার-টি হাতে নিয়েই বের হয়েছে।
(ছবি প্রথম কমেন্টে)
01/08/2026
ডেভিড ইমন যেদিন ডট ইন্টারনেটের কাছে দুই কোটি টাকা চাঁদা চেয়ে ফোনে থ্রেট দিলো, সেই কল রেকর্ডিংটা আমি সেইদিনই শুনেছিলাম। নট গনা লাই, প্রচন্ড মর্মাহত হয়েছিলাম।
একটা লোক, যার নামের আগে শীর্ষ সন্ত্রাসীর ট্যাগ আছে, সে এত ক্ষ্যাঁত কেন?? এ তো ঠিকমতো থ্রেটই দিতে জানে না।
ভালো মানের কোনো সন্ত্রাসী এভাবে রাস্তার টোকাই পান্ডাদের মত থ্রেট দেয় না। এইদেশে আগে যারা শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলো, তাদের একটা লেভেল ছিলো, তাদের একটা ক্লাস ছিলো। তারা কখনো কাউকে ফোন দিয়ে বলতো না, অমুককে জিজ্ঞেস করিস আমি কে!! তমুককে আমার নাম বলিস!!
আরে বেকুব, তোর নাম জানার জন্য যদি অমুক তমুককে জিজ্ঞেসই করতে হয়, কিসের সন্ত্রাসী তুই?? বেসিক কোয়ালিটি আছে, এমন কোনো সন্ত্রাসী কি এইসব কথা বলে নাকি??
থ্রেট দিতে পারতো গোলাম রহমানের ছেলে ফেরদৌস। ভালো নাম ফেরদৌস জাহাঙ্গীর। সন্ত্রাসী হিসেবে ফেরদৌসকে চিনতো না, ঢাকা শহরে এমন কোনো মায়ের ছেলে ছিলো না। ফেরদৌসের চাঁদা চাওয়ার স্টাইল নিয়ে এখনও ডজনখানেক সিনেমা বানানো সম্ভব।
তবে এগুলোর মধ্যে যেই ইউনিক স্টাইলটা আমার সবচেয়ে ফেভারিট, সেইটা বলি। মাঝেমধ্যে ফেরদৌস চাঁদা চাওয়ার জন্য বড় বড় প্রতিষ্ঠানে নিজের লোক পাঠাতো। এই কাজে ব্যবহার করা হতো সদ্য দাঁড়ি গোঁফ গজানো কিশোর বয়সী ছেলেদেরকে।
একটা প্রতিষ্ঠানে একটা ছেলেই যেতো, কাঁধে থাকতো ব্যাগ। এসে বিনয়ী গলায় বলতো, এমডি বা চেয়ারম্যান স্যারের সাথে দেখা করতে চাই।
কাঁধে ব্যাগ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা সদ্য দাঁড়ি গোঁফ গজানো একটা কিশোর ছেলেকে কোনো প্রতিষ্ঠানের লোক ভয় পাওয়া দূরে থাক, পাত্তাও দিতো না। অনেক সময় ছেলেগুলাকে কাকুতি মিনতি করে এরপরে চেয়ারম্যান বা এমডির রুমে ঢুকতে হতো।
রুমে ঢুকার পরে বসামাত্র কিশোর ছেলেটার হাবভাব বদলে যেতো। ধীরেসুস্থে ব্যাগ থেকে একটা রিভলবার আর একটা মোবাইল বের করে টেবিলের উপরে রাখতো। ওই আমলে একেকটা মোবাইলের দাম ছিলো লাখখানেক টাকা। এরচেয়ে অনেক কম টাকায় রিভলবারগুলা পাওয়া যেতো।
রিভলবারটা শুধু দেখানোই হইতো, কখনো গুলি করা হইতো না। রিভলবার দেখানোর পরে আস্তে ধীরে ছেলেগুলো মোবাইল ফোনের একটা নাম্বারে ডায়াল করতো। এরপরে এমডি, চেয়ারম্যান বা মালিকের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলতো, "ভাই কথা বলবেন।"
এই "ভাই" হইলো ফেরদৌস। ফেরদৌস অত্যন্ত শান্ত, নম্র, ভদ্রসুরে কথা শুরু করতো, "আমার নাম ফেরদৌস, তবে আপনারা আমাকে এই নামে চেনেন না। আপনারা আমাকে চেনেন কালা জাহাঙ্গীর নামে..."
এত ভদ্রভাবে কথা বলার পরেও কালা জাহাঙ্গীরের ফোন পেয়ে প্যান্ট ভিজে নাই, এমন ব্যবসায়ী ঢাকা শহরে কমই ছিলো। চাঁদার এমাউন্ট নিয়ে দর কষাকষি করার সাহসও দেখা যায় নাই কারও মধ্যে।
এসএসসিতে পাঁচটা লেটার মার্কসহ স্টার মার্কস পাওয়া স্টুডেন্ট ছিলো কালা জাহাঙ্গীর। দোর্দন্ডপ্রতাপে ঢাকা শহর দাপিয়ে বেড়ানো এই লোক এখনো বহু বছর ধরে মোস্ট ওয়ান্টেড লিস্টে এক নাম্বারে।
অথচ গ্রেফতার দূরে থাক, এতদিনেও সিম্পলি কৈশোরের একটা ছবি ছাড়া আর কিছু পাওয়া যায় নাই কালা জাহাঙ্গীরের ব্যাপারে।
এইগুলা হলো ক্লাস, এইগুলো হলো অরা। শীর্ষ সন্ত্রাসী হলে এরকম হওয়া উচিৎ।
অথচ এখন দেশের শীর্ষ সন্ত্রাসীরা ফোনে থ্রেট দিয়ে বলে, অমুককে জিজ্ঞেস করিস আমি কে!! এরপরে গোঁফ ফেলে দিয়ে সীমান্ত দিয়ে পালানোর সময় ছিঁচকে চোরের মত ধরা পড়ে পুলিশের হাতে।
পুলিশ থাপ্পড় দিয়ে বাড়ি কোথায় জিজ্ঞেস করলে চিটাইঙ্গা টোনে জবাব দেয়, "ডাকা, ফুরান ডাকা।"
কি একটা অধ:পতন!!
ছি:!!
30/07/2026
দিন শেষে ব্রাজিল হেরে যায় 😭😀
26/07/2026
সাম্প্রতিক আন্দোলনগুলোর গতিপ্রকৃতি ও প্যাটার্ন পর্যবেক্ষণ করলে কয়েকটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে:
১. বিদেশকেন্দ্রিক নেতৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ: আন্দোলন তৈরির রূপকাররা সাধারণত নির্দিষ্ট কিছু দেশে অবস্থান করেন। তাদের তথাকথিত 'যোগ্যতা' বা প্রভাব দেশীয় সমাজ সহজে অনুধাবন করতে না পারলেও আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীগুলোর কাছে তারা দ্রুত সমাদৃত হন।
২. সামাজিক সংকট থেকে রাজনৈতিক রূপান্তর: এরা শুরুতেই কোনো প্রত্যক্ষ রাজনৈতিক এজেন্ডা সামনে আনে না। পরিবেশ, দুর্নীতি, পাবলিক পরীক্ষার অনিয়ম কিংবা কোটা সংস্কারের মতো বাস্তবিক ও সর্বজনীন নাগরিক সমস্যাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে। আন্দোলন যখন ব্যাপক জনসমর্থন পায়, তখন কৌশলে সেটিকে রাজনৈতিক সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ দেওয়া হয়।
৩. সহিংস গোষ্ঠীর ব্যবহার ও 'মব রুলing': শুরুর দিকেই সমাজের রাষ্ট্রবিরোধী, সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন বা অপরাধপ্রবণ অংশকে আন্দোলনে যুক্ত করা হয়। এদের সহিংস আচরণ ও গণপিটুনির (লিঞ্চিং) প্রবণতা বেশ স্পষ্ট। পরবর্তীতে রাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার পর এদের আইন হাতে তুলে নেওয়া বা 'মব সাইকোলজি' চর্চার অবাধ সুযোগ দেওয়া হয়।
৪. অস্থিতিশীলতা তৈরি মূল লক্ষ্য: মূল উদ্দেশ্য কেবল 'রেজিম চেঞ্জ' বা ক্ষমতার রদবদল নয়, বরং সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে অপরাধের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা।
৫. তরুণদের মনস্তাত্ত্বিক ও আর্থিক প্রলোভন: তরুণ প্রজন্মকে অতিরিক্ত উত্তেজিত (ওভার-স্টিমুলেট) করা হয় এবং নির্দিষ্ট কিছু গোষ্ঠীকে আর্থিক সুবিধা দেওয়া হয়। অনেকেই কেবল 'হিরো' হওয়ার তাড়নায় এতে অংশ নিয়ে পরবর্তীতে চরম হতাশায় ভোগে।
৬. ভাষাগত বিকৃতি ও আক্রমণাত্মক আচরণ: এসব আন্দোলনের অন্যতম বড় লক্ষণ হলো ভাষার চরম অবক্ষয় এবং অস্বাভাবিকভাবে গালিগালাজ ও অকথ্য ভাষার ব্যবহার।
প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতে সাম্প্রতিক অস্থিরতাগুলোর ক্ষেত্রে এই কৌশলগুলো কতটা প্রভাব ফেলে এবং তারা কীভাবে তা সামাল দেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
20/07/2026
লিওনেল মেসির আবেগঘন বার্তা এবং একটি যুগের সমাপ্তি
ফাইনালের আগের দিন ইনস্টাগ্রামে লিওনেল মেসির দেওয়া আবেগঘন বার্তাটি ছিল অত্যন্ত অর্থবহ ও তাৎপর্যপূর্ণ। সতীর্থদের উদ্দেশ্যে তিনি লিখেছিলেন—"জেতাই সবকিছু নয়, বরং সবচেয়ে মূল্যবান ছিল এই দীর্ঘ পথচলা। একসঙ্গে লড়াই করা এবং একটি পরিবারের মতো প্রতিটি মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়া।" এই বার্তার গভীরে তাকালে স্পষ্ট বোঝা যায়, মাঠের পর্দার আড়ালে কী ঘটছিল তা তিনি আগেই আঁচ করতে পেরেছিলেন। ইউরোপীয় ফুটবল রাজনীতির সূক্ষ্ম মারপ্যাঁচে তাদের যে কাপ জিততে দেওয়া হবে না, সেই ইঙ্গিত হয়তো তিনি আগেই পেয়েছিলেন।
আজকের খেলার মাঠে সেই আশঙ্কাই সত্যি হতে দেখা গেল। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত কামব্যাক করা মার্তিনেস কিংবা আগের ম্যাচের গোলদাতাদের কাউকেই আজ মূল একাদশে নামানো হয়নি। কৌশলগত কারণের আড়ালে কোচের এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে যে অন্য কোনো সমীকরণ ছিল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মূলত এই কারণেই ফাইনাল শুরুর ৬-৭ ঘণ্টা আগেই মেসি লিখেছিলেন—এই যাত্রা ও স্মৃতিগুলো আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসে চিরকাল অমলিন হয়ে থাকবে। প্রকারান্তরে, তিনি গতকালই মানসিকভাবে বিদায় নিয়ে নিয়েছিলেন; আজ মাঠে নেমেছিলেন কেবলই পেশাদারিত্বের খাতিরে, নিয়ম রক্ষার খাতিরে।
পুরো ম্যাচে মেসিকে চেনা ছন্দে দেখা যায়নি, কারণ নিয়তি ততক্ষণে নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল। অন্যদিকে স্পেনের আগ্রাসী ও ক্ষুধার্ত আক্রমণের পাশাপাশি রেফারির ভূমিকাও ছিল চরম বিতর্কিত। কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই ৬ জনকে হলুদ কার্ড এবং ১ জনকে লাল কার্ড দেওয়ার সিদ্ধান্তগুলো ছিল সম্পূর্ণ পক্ষপাতদুষ্ট। মনে হচ্ছিল, মেসির শ্রেষ্ঠত্বকে লণ্ডভণ্ড করতে মাঠ এবং মাঠের বাইরে সর্বশক্তি প্রয়োগ করা হয়েছে।
তবে মেসির শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্য এই ট্রফির কোনো প্রয়োজন নেই। সেমিফাইনালেই বিশ্ববাসী দেখেছে তাঁর জাদুকরী রূপ। ফুটবলকে যে কতটা নান্দনিক ও সুন্দর করে তোলা যায়, সেদিন তিনি তা নতুন করে শিখিয়েছেন। আমি আগেও বহুবার লিখেছি, মেসির কোনো কাপের প্রয়োজন নেই। তিনি ফুটবল ইতিহাসে যে মহাকাব্য রচনা করে গেছেন, তা এই তথাকথিত বিশ্বকাপ ট্রফির চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান ও অমূল্য।
ইতিহাসের সেরা জাদুকরের জন্য শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা অবিরাম। জয়তু মেসি—তুমিই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ!
Click here to claim your Sponsored Listing.
Website
Address
Dinajpur