Creations by me

Creations  by me

Share

সবাই একটু সাহায্য করবেন পাশে থেকে

আমিও পাশে আছি বন্ধুদের পাশে☺️

24/06/2026

Love you��

24/06/2026

ও মাগো টু�����
# creationbyme

23/06/2026

টাকা যতদিন সন্মান ততোদিন✌️✌️✌️

23/06/2026

ভালোবাসার যন্ত্রনা�������





#2026 reel

23/06/2026

চলে গেলাম বানিজ্য মেলা����
# viralvideo


banijjomela

22/06/2026

মজার লিচু���

video

me
me

20/06/2026

তুমি আামার ভালো বান্ধবী❤️❤️

19/06/2026

বান্ধবী কে আংটি গি্ফ্ট করলাম🙃

17/06/2026

পর্ব ৩: ঝড়ের রাত
সেদিনের পর থেকে মেহরিন প্রায় প্রতি রাতেই অদ্ভুত ঘটনা দেখতে শুরু করে।
করিডোরে ছায়া হাঁটে।
মধ্যরাতে দরজায় ধাক্কার শব্দ হয়।
আয়নায় অপরিচিত মুখ দেখা যায়।
রাশেদের আচরণও আরও অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে।
এক রাতে প্রচণ্ড ঝড় শুরু হয়।
বজ্রপাতের আলোয় বাড়ি বারবার কেঁপে উঠছিল।
রাশেদ হঠাৎ দেখতে পায়, দ্বিতীয় তলার তালাবদ্ধ ঘরের দরজা খোলা।
সে রাগে ফুঁসতে ফুঁসতে উপরে উঠে যায়।
মেহরিন তার পেছনে যায়।
ঘরে ঢুকতেই দরজাটি নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়।
হঠাৎ ঘরের সবকিছু কাঁপতে শুরু করে।
আলমারির দরজা ধীরে ধীরে খুলে যায়।
ডায়েরির পাতাগুলো বাতাস ছাড়াই উল্টাতে থাকে।
তারপর আয়নার ভেতর থেকে সেই নারীর প্রতিচ্ছবি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
সাবিহা।
রাশেদের মুখ মুহূর্তেই ফ্যাকাশে হয়ে যায়।
সে যেন তাকে চিনতে পেরেছে।
মেহরিন বিস্ময়ে দেখল, রাশেদ ভয়ে কাঁপছে।
সাবিহার কণ্ঠ ভেসে এলো—
"আমাকে মনে আছে?"
রাশেদ চিৎকার করে উঠল।
"না! দূরে থাক!"
ঘরের বাতাস হঠাৎ বরফের মতো ঠান্ডা হয়ে যায়।
আয়নার কাঁচ ফেটে যায়।
চারদিকে অদ্ভুত ফিসফিস শব্দ ছড়িয়ে পড়ে।
সাবিহার ছায়া ধীরে ধীরে রাশেদের দিকে এগিয়ে আসে।
রাশেদ পালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু দরজা খুলতে পারে না।
বজ্রপাতের প্রচণ্ড আলোয় পুরো ঘর এক মুহূর্তের জন্য সাদা হয়ে যায়।
তারপর সব অন্ধকার।
পরদিন সকালে প্রতিবেশীরা বাড়ির ভেতর থেকে মেহরিনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে।
কিন্তু রাশেদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না।
ঘরটি সম্পূর্ণ খালি।
শুধু আয়নার সামনে পড়ে ছিল সেই ডায়েরি।
শেষ পাতায় নতুন করে একটি বাক্য লেখা ছিল—
"অন্যায়ের বিচার কখনও হারিয়ে যায় না।"
আর তার নিচে ছিল একটি নতুন নাম—
রাশেদ।
(সমাপ্ত)

17/06/2026

পর্ব ২: নিষিদ্ধ ঘরের রহস্য
রাশেদের অত্যাচার দিন দিন বেড়েই চলছিল। সে প্রায়ই রাগারাগি করত, জিনিসপত্র ভাঙত এবং মেহরিনকে অপমান করত।
তাদের বাড়ির দ্বিতীয় তলায় একটি পুরোনো ঘর ছিল, যেটি সবসময় তালাবদ্ধ থাকত।
মেহরিন বহুবার জিজ্ঞেস করেছিল,
"ঘরটা বন্ধ কেন?"
রাশেদ সবসময় একই উত্তর দিত।
"ওটা নিয়ে তোমার মাথা ঘামানোর দরকার নেই।"
এই উত্তর শুনে মেহরিনের কৌতূহল আরও বাড়তে থাকে।
একদিন রাশেদ অফিসে গেলে সে ঘরটির সামনে যায়। দরজার নিচ দিয়ে ঠান্ডা বাতাস বের হচ্ছিল। অথচ ঘরটি বছরের পর বছর বন্ধ।
হঠাৎ সে ভেতর থেকে খুব মৃদু কান্নার শব্দ শুনতে পেল।
একজন নারীর কান্না।
তার পুরো শরীর কাঁপতে শুরু করল।
সেদিন রাতে রাশেদ ঘুমিয়ে পড়ার পর মেহরিন চুপিচুপি তার আলমারি তল্লাশি করে। অনেক খোঁজার পর একটি পুরোনো চাবি খুঁজে পায়।
পরদিন দুপুরে সাহস করে সে তালাবদ্ধ ঘরটি খুলে ফেলে।
দরজা খুলতেই ধুলোর গন্ধে পুরো ঘর ভরে যায়।
ঘরের ভেতরে ছিল একটি পুরোনো খাট, একটি আয়না এবং একটি কাঠের আলমারি।
আলমারি খুলতেই সে একটি ডায়েরি খুঁজে পায়।
ডায়েরিটি ছিল এক নারী, সাবিহা-র।
পাতার পর পাতা জুড়ে লেখা ছিল ভয়ংকর সব ঘটনা।
সাবিহা লিখেছিল—
"আমার স্বামী আমাকে সবাই থেকে আলাদা করে ফেলেছে। এই বাড়ি থেকে আমি বের হতে পারি না।"
আরেক পাতায় লেখা—
"আজ আমাকে এই ঘরে আটকে রাখা হয়েছে। যদি কেউ এই ডায়েরি খুঁজে পায়, জেনে রেখো আমি সাহায্য চাইছি।"
মেহরিনের হাত কাঁপতে লাগল।
সবচেয়ে ভয়ংকর ছিল শেষ পাতা।
সেখানে শুধু লেখা ছিল—
"সে আসছে..."
তার নিচে শুকিয়ে যাওয়া রক্তের দাগ।
ঠিক তখনই ঘরের আয়নায় মেহরিন দেখতে পেল তার পেছনে একজন নারী দাঁড়িয়ে আছে।
ফ্যাকাশে মুখ।
এলোমেলো চুল।
শূন্য চোখ।
মেহরিন আতঙ্কে ঘুরে দাঁড়ায়।
কিন্তু সেখানে কেউ ছিল না।
শুধু ঠান্ডা বাতাস।
আর দূর থেকে ভেসে আসা কান্নার শব্দ।

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Dinajpur?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Bus Stand
Dinajpur