Md Rasel Sarker
I'm Md Rasel Sarker, an Tax Lawyer of National Board of Revenue - NBR (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) Bangladesh.
I completed LL.B, Hon's & Master’s - Department of Accounting (1st Class). I'm passionate about Tax legal service & Property consultant.☎️ 01671 411322
06/09/2026
#লাভ #ব্যাংকের
01/09/2026
🔥 #বাংলাদেশ #ব্যাংকের #লাভ - অর্থনীতি কি বলে ?
✅২০২৫–২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা প্রায় ২৫,৯৭৭ কোটি টাকা।
সংখ্যাটা দেখেই হয়তো অনেকের মনে প্রশ্ন এসেছে—বাংলাদেশ ব্যাংক এত টাকা আয় করে কীভাবে?
আমরা সাধারণ ব্যাংকের কথা ভাবলে বিষয়টা সহজ। ব্যাংক মানুষের কাছ থেকে আমানত নেয়, সেই টাকা ঋণ দেয়, আর ঋণের সুদ থেকে আয় করে।
কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংক তো বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়। তাহলে এত বড় অঙ্কের আয় আসে কোথা থেকে?
আসলে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল উদ্দেশ্য লাভ করা নয়। মুদ্রানীতি পরিচালনা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংকিং খাতে তারল্য ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিচালনা এবং আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখাই এর মূল দায়িত্ব।
কিন্তু এসব দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে থাকে বিপুল পরিমাণ financial assets। আর সেখান থেকেই আসে আয়ের বড় অংশ।
💵 প্রথম উৎস—সরকারি Treasury Bill ও Bond
সরকার যখন বাজেট ঘাটতি মেটাতে Treasury Bill, Treasury Bondসহ বিভিন্ন সরকারি সিকিউরিটিজ ইস্যু করে, বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে থাকা এসব securities থেকে সুদ আয় হয়।
অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে থাকা সরকারি securities অনেকটা তার জন্য interest-earning asset হিসেবে কাজ করে।
🌎 দ্বিতীয় উৎস—বৈদেশিক মুদ্রার সম্পদ
দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পুরোটা নগদ ডলার হিসেবে পড়ে থাকে না।
এর একটি অংশ বিদেশি সরকারি securities, ব্যাংক deposit এবং অন্যান্য অনুমোদিত financial assets-এ রাখা হয়।
এসব সম্পদ থেকেও বাংলাদেশ ব্যাংক interest ও investment income পায়।
🏦 তৃতীয় উৎস—ব্যাংকগুলোকে ধার দিয়ে সুদ
কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকের সাময়িক তারল্য সংকট হলে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন liquidity facility-এর মাধ্যমে অর্থ দিতে পারে।
যেমন Repo বা অন্যান্য monetary operation।
এই অর্থের ওপর ব্যাংককে সুদ দিতে হয়। ফলে সেটিও বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি আয়ের উৎস।
এছাড়া commission, discount, dividend ও অন্যান্য financial income থেকেও কিছু অর্থ আসে।
📊 তাহলে গত কয়েক বছরে মুনাফা কত?
প্রকাশিত/অনুমোদিত হিসাব অনুযায়ী—
🔹 ২০২২–২৩: ৳১০,৭৪৮ কোটি
🔹 ২০২৩–২৪: ৳১৫,৩০০ কোটি
🔹 ২০২৪–২৫: ৳২২,৬২০ কোটি
🔹 ২০২৫–২৬: ৳২৫,৯৭৭ কোটি
অর্থাৎ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিট মুনাফা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে।
শুধু ২০২৪–২৫ থেকে ২০২৫–২৬ অর্থবছরেই বৃদ্ধি প্রায় ৳৩,৩৫৭ কোটি।
🤔 অর্থনীতিতে চাপ থাকলেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আয় কেন বাড়তে পারে?
মূল্যস্ফীতি বেশি হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সাধারণত মুদ্রানীতি কঠোর করে এবং নীতি সুদহার বাড়ায়।
এর প্রভাবে Treasury Bill ও Bond-এর yield-ও বাড়তে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতে যদি বড় অঙ্কের সরকারি securities থাকে, তাহলে সেগুলো থেকে পাওয়া interest income বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়।
আবার অর্থনীতিতে liquidity সংকট তৈরি হলে অনেক ব্যাংকের বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ধার নেওয়ার প্রয়োজন বাড়তে পারে।
ফলে—
সুদহার বাড়ে → securities থেকে interest income বাড়তে পারে
এবং
ব্যাংকের liquidity প্রয়োজন বাড়ে → বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে borrowing বাড়ে → interest income বাড়তে পারে
অবশ্য বাস্তবে বিষয়টি এত সরল নয়। কোন securities কখন কেনা হয়েছে, maturity কত, interest rate কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের asset portfolio কেমন—এসবের ওপরও আয় নির্ভর করে।
🖨️ তাহলে কি টাকা ছাপিয়েই বাংলাদেশ ব্যাংক লাভ করে?
এটা নিয়ে সবচেয়ে বেশি ভুল ধারণা আছে।
"১০০ টাকার নোট ছাপতে ১০ টাকা খরচ হলো, তাই ৯০ টাকা লাভ"—এভাবে হিসাব করা ঠিক নয়।
বাজারে থাকা currency বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি liability। এর বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের balance sheet-এ থাকে বিভিন্ন financial assets।
Currency issuance-এর সঙ্গে seigniorage-এর সম্পর্ক আছে, কিন্তু seigniorage আর accounting profit এক জিনিস নয়।
আরেকটা বিষয় মনে রাখা জরুরি—মোট আয় আর নিট মুনাফা এক জিনিস নয়। কোনো financial asset-এর হিসাবের মূল্য বেড়ে গেলেই সেটা সবসময় হাতে নগদ আসা বোঝায় না। তাই বাংলাদেশ ব্যাংকের মুনাফা বুঝতে হলে শুধু শেষের সংখ্যাটা দেখলেই হবে না—আয় কোন খাত থেকে এসেছে, ব্যয় কত, আর revaluation gain/loss কতটা প্রভাব ফেলেছে, সেটাও দেখা দরকার।
মুহাম্মদ রাসেল সরকার
কর্মকর্তা,
DBH Finance PLC
Click here to claim your Sponsored Listing.
Contact the business
Telephone
Website
Address
Gazipur
1750