MR music media

MR music media

Share

আমি সংগীতপ্রিয় মানুষ। সংগীত -🎤 প্রেরণা ও আত্মার খোরাক: কষ্টের সময় সংগীত সান্ত্বনা দেয়, আবার আনন্দের মুহূর্তকে করে তোলে আরও স্মরণীয় ----------

22/09/2026

বিকেল হলেই সাথী তার চাচাতো বোন এবং পাড়ার অন্যান্য মেয়েদের সাথে দলবেঁধে লুকোচুরি, কানামাছি, ওপেনটি বায়োস্কোপ, বরফ-পানি বা কুতকুত খেলায় মেতে ওঠে।
পুতুল খেলা এই বয়সে কিছুটা কমে আসলেও তারা এখনো নিয়মিত পুতুল নিয়ে খেলা করে।
ছেলে পুতলের জন্য মেয়ে দেখতে এবং মেয়ে পুতুলের জন্য ছেলে দেখতে যাওয়া (পুতুলের সাথে পুতুলের বিয়ের জন্য) ।
ছেলে পক্ষ মেয়ে পক্ষের বাড়িতে এবং মেয়ে পক্ষ ছেলে পক্ষের বাড়িতে যাওয়া।
ঘর কেমন, পরিবেশ কেমন,ছেলে বা মেয়ে দেখতে কেমন।
পছন্দ অপছন্দের ব্যাপার আছে। পছন্দ হলেই আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ে।
এসবের পাশাপাশি এরা ‘চোর-পুলিশ’ ও ‘ডাক্তার-রোগী’ খেলতে ভালোবাসে। যেখানে তারা ডাঃ এবং মায়ের ভূমিকা অভিনয় করে।
পৃষ্ঠা নং ৬

21/09/2026

সাথী'র বয়স ১০ বছর।
একটি ১০ বছরের মেয়ের সৌন্দর্য মূলত তার অবোধ সরলতা, প্রাণ চঞ্চলতা এবং শৈশব থেকে কৈশোরে পদার্পণের এক অপূর্ব সন্ধিক্ষণের মধ্যে নিহিত।
সাথী'র রূপে কোনো কৃত্রিমতায় নেই, বরং প্রাকৃতিক ভাবেই সে অনন্য ও সতেজ।
তার চোখ দু'টি সাধারণত গভীর, উজ্জ্বল এবং কৌতূহলে ভরা। চোখের মনিতে কোনো ক্লান্তি বা জটিলতা নেই , কেবল আছে একরাশ সরলতা।
কোমল ত্বক ও চুলে সিল্কি ভাব,রোদ-বৃষ্টিতে ছুটে চলা এবং তার ত্বকে আছে এক সহজাত লাবণ্য।
তার চুলগুলো বাতাসে ওড়ে—কখনো দুটি বিনুনি বাঁধা, যা তার চপলতাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
মিষ্টি হাসি, তার হাঁসিতে কোনো কৃত্রিমতা বা লোকদেখানো ভাব নেই ।
সাথী হাসলে গালে টোল পড়ে এবং তার মুক্তোর মতো দাঁত বের হলে এক অদ্ভুত মায়া তৈরি হয়।
সাথী এক জায়গায় শান্ত হয়ে বসে থাকে না ,
সাথী প্রজাপতির মতো এদিক-ওদিক ছুটে বেড়ায় এবং এসবের মধ্যেই তার আসল সৌন্দর্য।
তার প্রতিটি পদক্ষেপেই যেন এক ধরনের ছন্দ ।
সাথী যেকোনো নতুন জিনিস দেখলেই অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে , বড় বড় চোখ করে প্রশ্ন করে এবং পৃথিবীটাকে নিজের মতো করে আবিষ্কার করার চেষ্টা সাথী'র সৌন্দর্যকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।
সাথী আর পুরোপুরি ছোট শিশুটি নেই, আবার বড়দের মতো গম্ভীরও নয়। এই দুইয়ের মাঝামাঝি এক মিষ্টি লজ্জা বা জড়তা সাথী'র অভিব্যক্তিতে প্রকাশ পায়।
পৃষ্ঠা নং ৫

19/09/2026

ইতিমধ্যেই সাথী'র বাবা চাচা'রা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামে জমি দান করে, নিজেদের অর্থায়নে গ্রামে একটা স্কুল তৈরি করে দিয়েছে।
চারজন শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে। শিক্ষক গনের মাসিক সম্মানীও উনারা দেন।
গ্রামের সব ছেলে মেয়েরা এই স্কুলেই পড়ে।
সাথীও এই স্কুলের ক্লাস ফোরের ছাত্রী।
সাথী'র বাবা স্কুলের সভাপতি। উনি খুব বিচক্ষণ এবং সৌখিন মানুষ।
গ্রাম থেকে প্রায় দুই কিঃ মিঃ দূরে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত রেল স্টেশন। স্টেশন সংলগ্ন একটা ব্যাবসা বান্ধব প্রসিদ্ধ বাজার।
বাজারেই প্রাইমারী স্কুল, হাইস্কুল, মাদ্রাসা, এতিমখানা, ড্রিগ্রী কলেজ ও পুলিশ ক্যাম্প।
যদিও মফস্বল বাজার। তবুও সব ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও রেলস্টেশনের কারণে, আশপাশের গ্রাম থেকে নানাবিধ লোকজনের প্রচুর সমাগম ।
এই বাজারেই সাথী'র বাবা'র কাপুড়ের ব্যাবসা। ব্যাবসা প্রতিষ্ঠানে তিন জন বেতন ভুক্ত কর্মচারী রাখা আছে। তারাই ব্যাবসা পরিচালনা করে।
সাথী'র বাবা মাঝে মধ্যে গিয়ে বসে।
পৃষ্ঠা নং ৪

18/09/2026

সাথী'র বাবা চাচাদের প্রায় পাঁচশ বিঘা জমি। সারি সারি বড় বড় গোলা
(গোলা হচ্ছে বাঁশের তৈরি ধান, গম, সোলা,মসুরি রাখার বড় পাত্র)। গোয়াল ভরা গরু, ছাগল, ভেড়া।
বড় বড় আম কাঁঠালের বাগান।
বড় বড় তিনটি পুকুর। পুকুর ভরা বড় বড় মাছ। একটা মাছও বিক্রি করে না।
গ্রামের অধিকাংশ মানুষ এসব গাছের ফল খায়।
প্রায় ত্রিশ বিঘা জমি বাঁশ বাগান।
গ্রামের যারা গরীব মানুষ। যাদের তেমন কিছু নেই, তাদের বাঁশের দরকার হলে, ঐ বাগান থেকেই বাঁশ কেটে নিয়ে কাজে লাগায়।
গ্রামের কেউ কোন অপরাধ করলে বাদীপক্ষ কখনো থানায় যায় না।
সাথী'র বাবা চাচা'রা-ই বিচার করে মিমাংসা করে দেয়।
অর্থাৎ তারাই এই গ্রামের সব চেয়ে ক্ষমতাধর, সম্পদশালী ও পরোপকারী পরিবার।
গ্রামের অধিকাংশ মানুষ তাদের সমীহ করে চলে।
সাথী বাবা মায়ের প্রথম সন্তান।
পৃষ্ঠা নং ৩

14/09/2026

সবুজ অনেক দুরন্ত।
তবে লেখা পড়ায় বেশ ভাল।
স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে সে বিভিন্ন কাজে ব্যাস্ত।
বিভিন্ন পাখির বাসা থেকে পাখির বাচ্চা নিয়ে, খাঁচায় বন্দী করে পোষ মানানো।
কবুতর তার প্রিয়। কবুতর গুলোও সবুজকে খুব পছন্দ করে।
শীত কালে কুকুরের বাচ্চা নিয়ে মাঠে গিয়ে খেজুরের রস খাওয়ানো।
সুযোগ পেলেই বিলে ডুবায় গিয়ে মাছ ধরে।
পাড়ার ছেলে মেয়েদের সঙ্গে বিকেলে মার্বেল খেলা, সান্ধায় লুকোচুরি খেলা।
গ্রাম্য পরিবেশে একটা প্রাইমারী পড়ুয়া ছেলে। পাড়ার আর পাচটি ছেলে মেয়ে যা যা করে, সবুজও তাদের মতই।
তখনও সবুজদের বাড়িতে হারিকেন নেই।
কুপির আলোয় সান্ধায় পড়তে বসে।
যদি কোন দিন কোন অপরাধ করে।
সেদিন দাদার বিছানায় গিয়ে পড়তে বসে।
কারণ বাবা'র বকাবকি থেকে রেহাই পাওয়া।
সামনে বার্ষিক পরীক্ষা।
ভাল রেজাল্টের আশায় সবুজের বাবা একজন প্রাইভেট মাষ্টার ঠিক করে দিল। মাষ্টারের বেতন মাসে দশ টাকা।
প্রতিদিন সন্ধায় সেই মাষ্টারের কাছে পড়তে যাওয়া শুরু করল।
এবার বার্ষিক পরীক্ষা।
কত নিয়ম নীতি।
পরীক্ষার সময় ডিম খাওয়া যাবে না।
ডিম খেলে পরীক্ষার খাতায় ডিমের মত শূন্য পাবে ইত্যাদি ইত্যাদি।
নিয়ম মেনেই পরীক্ষা শেষ হল।
রেজাল্টের অপেক্ষা।
নির্ধারিত দিনে রেজাল্ট আউট হল।
রোল নম্বর হল এক।
বাড়ির সবাই ভীষণ খুশি।
পৃষ্ঠা নং ২

12/09/2026

আশির দশক। অজো পাড়া গা। মেঠো রাস্তা ঘাট।
নেই বিদ্যুৎ । গ্রামটিতে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। গ্রামের অধিকাংশ ঘরই মাটির দেওয়াল এবং খড় কুটার ছাওনি । দু পাঁচ জন ব্যাতিত সবাই কৃষক । গ্রামটিতে শিক্ষার আলো এসে পৌঁছেনি। দু চার জন হয়তো স্কুলে যায়, তাও তিন চার মাইল দূরে স্কুল । গ্রামটি থেকে কোন মেয়ে স্কুলে যাওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারেনি।
সবুজের বাবা কিছুটা লেখা পড়া জানা একটু সৌখিন মানুষ। তার ছোট খাটো একটা ব্যাবসা আছে । সবুজ বাবা মায়ের প্রথম সন্তান। বাবা মায়ের প্রবল ইচ্ছা ছেলেকে লেখা পড়া শিখাবে। যথারীতি নিয়ম মেনে সবুজকে স্কুলে ভর্তি করিয়ে দিলেন।
স্কুলের সুন্দর বিল্ডিংটায় পুলিশের ক্যাম্প। ঐ বিল্ডিংয়ের একটা রুমে স্যারদের অফিস।
অন্য একটা বিল্ডিং, ইটের দেওয়াল টিনের ছাওনি। কোন জানালা দরজা নেই। একটাই রুম। বেঞ্চ আলাদা আলাদা করে সাজানো।
প্রথম শ্রেণী থেকে পঞ্চম শ্রেনী পর্যন্ত এক রুমেই পাঠদান। অবশ্য রুমটা অনেক বড়।
ওটাই সবুজদের স্কুল ।
গ্রাম থেকে যে সব ছেলেরা স্কুলে যায়, সবুজও তাদের সাথে স্কুলে যাওয়া শুরু করল।
পৃষ্ঠা নং ১

10/09/2026

জীবন এক মুহূর্তেই পাল্টে যেতে পারে।
হঠাৎ একটি অসুখ, একটি অপ্রত্যাশিত মুহূর্ত।
কিছুই নিশ্চিত নয়। ভালো সময়, আপনার সুন্দর চেহারা, এমনকি প্রিয়জনেরাও।
আজ যা খুব স্বাভাবিক মনে হচ্ছে , এক সময় হয়তো সেটিই পাওয়ার জন্য দিনরাত প্রার্থনা করতে হবে।
তাই যে যা পেয়েছেন, তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করুন।

17/08/2026

আমার চাকরিস্থলে অফিসের সামনেই গাছটি।
এম ডি এবং এডমিন অফিসার সহ গাছটি লাগিয়ে ছিলেন।
তবে উনারা কেউ গাছটির নাম বলতে পারলেন না।
যদি গাছটি কেউ চিনে থাকেন। দয়া করে কমেন্টে জানাবেন।
゚viralシfypシ゚viralシ

13/08/2026

পদ্মা সেতুর মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তের টোল প্লাজা এবং মূল সেতুর আগের দৃশ্য !
゚viralシfypシ゚viralシ

09/08/2026

চাকরিস্থলে কাজের অনেক চাপ থাকায়, আপাতত গানের ভিডিও তৈরী করা সম্ভব হচ্ছে না।
সুযোগ পেলে আবার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ !!

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Jessore?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Website

Address

Jessore