Love React
彡𝐃𝐨𝐧'𝐓 𝐒𝐡𝐨𝐰 𝐌𝐞 𝐘𝐨𝐮𝐫 𝐀𝐭𝐭𝐢𝐭𝐮𝐝𝐞"彡♥
㋡
:
𝐂𝐨𝐙ヅ🖕
👑
:
シ𝐈 𝐅𝐮𝐜𝐤 𝐘𝐨𝐮𝐫
🥰➻➻দেখি আমার পেজে কাদের রাজত্ব বেশি➻➻❤️
(ইসলাম ধর্ম) (হিন্দু)
🥰 ❤️
16/10/2023
আজ যে আমার বিয়ে হবে সেটা আমি সকালেও জানতাম না। দুপুরে ভাত খাচ্ছি হঠাৎ খালা এসে হাজির,
--- বাজান তাড়াতাড়ি আমার সাথে চল এক্ষুণি বিয়ে করেএকটা মেয়ের জীবন বাঁচাতে হবে।
আমার বাপ,মা মরে যাওয়ার পর এই খালা আমার একমাত্র আপনজন পাশের গ্রামে থাকে।
--- খালা তুমি বললে আমি সব কিছু করতে পারি আর এ তো সামন্য বিয়ে। কিন্তু ঘটনা কি?
--- ঘটনা মারাত্মক বাজান, আমার দেওরের মা মরা মেয়ে নুরী।নুরীর সৎ মা বুড়ো বেটার সাথে ওর বিয়ে ঠিক করেছে। মেয়েটা কাঁদতে কাঁদতে আমার গলা জড়িয়ে ধরে বললো,
--- চাচি ঐ বুড়ো খাটাসরে বিয়ে করার আগে আমি গলায় ফাঁস দেবো। আগামী কাল বিয়ে। তুই আজই বিয়ে করে নুরী রে তোর বাড়িতে আনবি।
ভ্যান ভাড়া করে গ্রামের হাট থেকে একখান লাল শাড়ি, চুরি, লিপস্টিক আর কাজল কিনে খালা রে সাথে নিয়ে বিয়ে করতে যাচ্ছি।খালার বাড়িতেই বিয়ে হলো। নুরীর আব্বা আমার দু'হাত ধরে বললো,
--- মা মরা মেয়ে সৎ মার সংসারে অনেক কষ্ট করেছে ওরে তুমি সুখে রেখো বাজান।
নুরী সবাই কে জড়িয়ে ধরে একটু কান্নাকাটি করে ভ্যানে উঠে বসলো।আমার কাছে সব স্বপ্ন মনে হচ্ছে ,এখনও পর্যন্ত ভালো করে বউ এর মুখ দেখতে পেলাম না। ভ্যানে বসে আঁড়চোখে বউএর মুখ দেখার চেষ্টা করছি।হঠাৎ নুরী ঘোমটা সরিয়ে বললো,
--- দেখেন তো আমার কাজল কি লেপ্টে গেছে? কান্নাকাটি করছি তো, মুখখান কি বেশি কালো লাগছে?
--- কাজল একটু লেপ্টে গেছে আস্তে করে মোছো উঠে যাবে।
--- আমি আন্দাজে কিভাবে মুছবো?আপনি একটু মুছে দিতে পারছেন না?গ্রামের লোকজন তো আপনারে মন্দ বলবে। তারা বলবে,
--- আক্কাস আলি বিয়ে করে বউ আনছে এক্কেবারে সাড়া গাছের পেত্নী।
আমি কাঁপা কাঁপা হাতে কাজল মুছতে গেছি।
--- ও আল্লা আপনার তো দেখি হাত কাঁপে। থাক আপনার মোছার কাজ নেই আমি মুছছি।
সন্ধ্যার পরপর বাড়িতে এসে হারিকেন ধরালাম।
--- আপনার বাড়িতে আর কেউ থাকে না?
--- নাহ্ আমি একাই থাকি,এই একখান ঘরই আমার।
নুরী অবাক হয়ে বললো,
--- বাসর ঘরে একটু আধটু ফুল না থাকলে হয়? আমার কত শখ বাসর ঘরে ফুল থাকবে।
মনে মনে ভাবলাম বউটার এতো ফুলের শখ! কিন্তু এতো রাতে ফুল কোথায় পাবো? উঠানে মাচায় লাউ, কুমড়ো গাছে ফুল ধরে আছে তাই তুলে এনে বউয়ের হাতে দিলাম।
--- এই ফুল দিয়ে আমি কি করবো? এখন কি ফুল ভেজে দেবো? আপনি খাবেন?
--- আরে না দুপুরের ভাত তরকারি আছে তোমার রান্না করতে হবে না। তুমি বললে বাসর ঘরে ফুল থাকবে তাই নিয়ে এলাম।
--- এই ফুল! আচ্ছা ঠিক আছে, আপনি একটু বাইরে যান আমি খাট সাজাই।
একটু পরে ঘরে ঢুকে দেখি লাউ, কুমড়োর ফুল বিছানায় ছড়িয়ে মধ্যেখানে ঘোমটা মাথায় দিয়া বউ বসে আছে।দুরুদুরু বুকে বউয়ের মাথা থেকে ঘোমটা ফেলে হারিকেনের আলোয় বউয়ের মুখ ভাল করে দেখলাম। কি মায়াভরা মুখ!আচ্ছা একটা ধাঁধার উত্তর দেন তো দেখি আপনার মাথায় কেমন বুদ্ধি।
--- ভাসুর শ্বশুর দেখলে দিই, পর পুরুষ দেখলে দিই, আপনি আমার আপনজন কিন্তু আপনারে দেখলে দিই না বলেন তো কি?
--- আমি জানিনা বউ, বলে দেও।
--- আজ সারারাত মাথা খাটান না পারলে কাল বলবো।
--- নুরী তুমি আমারে আপনি করে বলছো কেন? তুমি করে বলো।
--- ও আল্লা এইটা আপনি কি বলেন ! আমার আব্বা বেয়াদবি শিখাইনি।আব্বা বলেছে যারা বয়সে বড়ো তারা গুরুজন। গুরুজনদের কখনও তুই তুমি বলতে হয় না। আপনি আমার থেকে দশ বছরের বড়ো তো হবেনই আমি আপনারে তুমি করে বলতে পারবো না ।
নুরী কেমন ঠোঁট টিপে হাসছে।আমি ভালো করে বুঝেতে পেরেছি, এই মেয়ে আমার জীবন তেজপাতা করে দেবে।
নুরী খুব সাংসারিক মেয়ে।সেই ছোটকালে মা'র ভালবাসা পাইছি আর এখন নুরী ভালবাসে। মেয়েটা খুব ভান করে, দেখায় সে আমারে একটুও ভালবাসে না কিন্তু আমি তো বুঝি।দুপুরে ভাত খাওয়ার সময় নুরী আল্লাদি গলায় বললো,
--- আপনি আমারে একটা নুপূর বানিয়ে দেবেন? আমার খুব শখ।
--- ঠিক আছে বউ ধান উঠলে বানিয়ে দেবো।
হাসি আনন্দে কিভাবে যে ছয়মাস পার হয়ে গেল!রাতে ঘুমিয়ে আছি হঠাৎ নুরী ধাক্কা দিয়ে বললো,
--- একটা ধাঁধার উত্তর দেন তো, কোন গাছ একবার ফল দিয়ে মরে যায়?
--- এইটা একটা কথা হলো বউ! রাত দুপুরে ধাঁধা!
--- বলেন না, স্বপ্ন দেখে ঘুম ভাঙছে মনটা খুবই খারাপ।
--- পারবো না বউ, তুমি বলে দেও।
--- এইটা হলো কলাগাছ।আমার মনের মধ্যে কু ডাকছে মনে হয় আমি ও কলাগাছের মতো একবার ফল দেবো।
--- বউ তুমি কি কও না কও ! তুমি কি গাছ যে ফল দিবা?
--- বেক্কল মানুষ! ঘুমান।
হঠাৎ মাথার ভিতরে চিড়িক দিয়ে উঠলো, উত্তেজনায় উঠে বসে বউয়ের গায়ে ধাক্কা দিয়ে বললাম,
--- বউ তোমার কি ছেলে মেয়ে হবে ?
--- যতটা বেক্কল ভাবছিলাম ততটা না।
--- আমি আব্বা হবো এতো বড়ো আনন্দের খবর তুমি আমারে এখন দেচ্ছো বউ!
আনন্দে সারারাত ঘুম হলো না।আমার সাধ্য অনুযায়ী নুরীরে যত্ন করতে লাগলাম।সকাল থেকে নুরী যেন কেমন করছে।
--- বউ খারাপ লাগছে?
--- আপনি দাইরে খবর দেন।আর চাচিরে আনতে লোক পাঠান।
ঘরের ভিতর থেকে নুরীর চাপা গোঙানির আওয়াজ আসছে।আমার বুকের ভেতরটা ফালাফালা হয়ে যাচ্ছে, আহারে মা হওয়া এতো কষ্টের!একটু পরে বাচ্চার কাঁন্নার আওয়াজ পেলাম।ঘর থেকে খালা বের হয়ে বললো,
--- আক্কাস রে তোর ছেলে হয়েছে তবে নুরীর অবস্থা খুব খারাপ সদরে নেওয়া লাগবে রক্ত কিছুতেই বন্ধ হচ্ছেনা। জলদি ভ্যান ঠিক কর।
সদর আমাদের গ্রাম থেকে দশ মাইল দূরে। ভ্যানে করে নুরীরে নিয়ে যাচ্ছি।নুরীর মুখটা কেমন ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে। ইশারায় আমাকে কাছে ডেকে আস্তে আস্তে বললো,
--- আপনি মানুষটা বেক্কল হইলেও বড্ড ভালো।আপনার সাথে আর আমার থাকা হলো না, আফসোস আমি সৎমার অত্যাচার সহ্য করেছি আমার ছেলেরও সৎ মা'র অত্যাচার সহ্য করতে হবে। আপনি আমারে কথা দেন আমার ছেলেকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষের মতো মানুষ করবেন।
--- আমি তোমাকে কথা দিচ্ছি বউ তোমার ছেলেটারে মানুষের মতো মানুষ করবো।আর একটা কথা দিলাম নুরীকে, আমার ছেলের উপরে কোনদিন ও সৎ মায়ের ছায়া পড়তে দেবো না কিন্তু সেই কথা নুরী আর শুনতে পেলো না তার আগেই আমাদের ছেড়ে চলে গেল।
নুরী চলে গেছে আজ ছাব্বিশ বছর।নুরী রে, দেওয়া কথা আমি রাখিছি ছেলেটা এখন ডাক্তার। সৎ মায়ের ছায়া ওর উপর পড়তে দিইনি। অনেক কষ্টে মানুষ করিছি।আজ আমার ছেলের বিয়ে বৌমা ও ডাক্তার। দুইজনের আগে থেকে ভাব ভালবাসা আছে।বাসর ঘর নিজের হাতে লাউ আর কুমড়ার ফুল দিয়া সাজায়ছি।হাত ধরে বৌমাকে ঘরে নিয়া আসলাম। বৌমা অবাক হয়ে ঘর সাজানো দেখছে।
--- এতো সুন্দর করে ঘর কে সাজিয়েছে আব্বা? অনেক রকমের ফুল দিয়ে ঘর সাজানো দেখেছি কিন্তু লাউ আর কুমড়োর ফুল দিয়ে সাজানো এই প্রথম দেখলাম।
--- আমি সাজায়ছি গো আম্মা , আপনার পছন্দ হয়েছে? আপনার শ্বাশুড়ি আম্মা রে যখন বিয়ে করে আনছিলাম তখন সে লাউ, কুমড়োর ফুল দিয়া ঘর সাজায়ছিল।
--- খুবই সুন্দর হয়েছে আব্বা । আম্মারে আপনি অনেক ভালবাসতেন তাই না আব্বা?
--- আম্মা এই নুপূর দুটো নেন।নুরীর খুব নুপুরের শখ ছিলো। টাকার অভাবে বানাতে পারিনি, যখন বানালাম তখন নুপূর পরার পা নেই। আপনি নুপূর পায়ে দিলে আমি খুব খুশি হবো গো আম্মা।
--- আব্বা আপনাকে আর একা একা গ্রামে থাকতে হবে না। আমরা গ্রামে চলে আসবো, আপনার ছেলে বলেছে গ্রামে হাসপাতাল বানাবে। আম্মার মতো গ্রামের আর কেউ যেন বিনা চিকিৎসায় মারা না যায়।
--- কি বলছেন আম্মা! সব সত্যি?
--- হ্যাঁ আব্বা আপনার ছেলে তো হাসপাতালের নামও ঠিক করেছে " নুরী দাতব্য হাসপাতাল " খুব তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে।
আনন্দে আমার চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে। ঝাপসা চোখে আমি স্পষ্ট দেখলাম কাজল লেপ্টে যাওয়া অতি মায়াময় একখানা মুখ, ঠোঁট টিপে হাসছে।
-----( #সমাপ্ত) ( #ছোটগল্প)
(কেমন লাগলো মন্তব্য করবেন। ধন্যবাদ)
আমাদের নতুন পেজ টা নিল লেখায় চাপ দিয়ে ফলো করুন 👉👉 Love React
12/10/2023
লিজেন্ডদের চোখ ফাঁকি দেওয়া একেবারে অসম্ভব...! 🙂🫣
বউকে শুনিয়ে শুনিয়ে কবিতা আবৃত্তি করছিঃ
"বাসায় আমি বসে আছি, লাগছে বড় একা, 😳😌
বউ আমার কয় না কথা, খাইছি আমি ছ্যাঁকা।" 🤭😁
কবিতা শুনে বউ মুচকি হেসে জবাব দিলোঃ
"সারাদিন তোমার মতন, আজাইরা থাকি না আমি,
অফিসে তুমি না গিয়ে, কেনো করো পুংটামি।" 🙄🙄
রুমে মা হাজির। আমাদের এমন ছন্দ দেখে মা বললোঃ
"ছেলে আমার রইছে বাসায়, করে না কেউ যতন!
মুখটা তার হইছে এখন বিড়ালের মতন।" 😁😆
আব্বা বারান্দায় বসে পেপার পড়ছে। আমাদের এমন ছন্দ শুনে হাসতে থাকলো। আম্মা রাগি ভাব নিয়ে বললো.... 😡😤
-- 'মনে পরে সেই কথা?? চুবাইলাম তোমায় বিলে!!
তখন কিন্তু তুমি আশিকের মতন ছিলে।" 😂😆
আব্বায় মনে হয় কিছুটা লজ্জা পেলো। সেই টপিক বাদ দিয়ে পরক্ষণেই বললোঃ
- 'অফিসে না গিয়ে আশিক, বাসায় রইছে কেনো বসে?? 🤔
আমি কিন্তু উঠলে ওর গালে, চড় দিব কষে।'" 😡😡
দাঁত খোঁচাতে খোঁচাতে "রোদেলা" রুমে হাজির।
সেও বললোঃ
-- 'ভাইয়াকে একা পেয়ে দিচ্ছে সবাই বকা,
ভাইয়ার মুখ চিকার মতন, লাগছে বোকাসোকা।' 😆😁
সবার এমন ছন্দ শুনি শিহরিত। রোদেলাও দেখি কম না। এই হতচ্ছাড়ি ছন্দ পারলো কেমনে?? 🤔🤔
একটু পর আবার রুমে ছোট ভাই হৃদয় হাজির। সেও বললোঃ
- 'ভাইয়া তুমি রাগ করে, বাসা থেকে যাও চলে,
সেই খুশিতে লাফালাফি করবো, উঠে আব্বার কোলে।"' 😜🤭
আব্বা ভ্রু-কুঁচকে তাকিয়ে বললোঃ 🤨
-- 'ফাজলামো তুই করবি না, এইখান থেকে সর,
নইলে তোর গালে, মারব একটা চড়।" ✋
আমাদের সবাইকে অবাক করে ডিগবাজি দিয়ে রুমে আমার ফ্রেন্ড 'রিয়াদ' হাজির। সে এসেই আমার পেটে গুতো মারলো৷ তারপর বললোঃ
- 'সবাই এতো বকছে তোরে, লজ্জায় যা মরে..!
সেই সুযোগে চল্লিশা খেয়ে, ঘুরবো ঘোড়ায় চরে।" 😁🤭
তারপর আর কিছু মনে নাই। জ্ঞান ফিরে নিজেকে হাসপাতালে আবিষ্কার করলাম। ডাঃ আমায় দেখেই বললোঃ
- 'তোমাদের পরিবারে ছন্দের মেলা,
এই যে দিলাম ঔষধ, খেয়ো তিন বেলা।' 😂😁🤣
আপুরা Edit ছাড়া একটা পিক দিনতো এলাকার বাচ্চাদের ভয় দেখাবো ভারি দুষ্টামি করছে 😐🫣
প্রায়-ই এই ভাবনাটা মাথায় আসে!
একদিন তো সফলতা আর ব্যর্থতার হিসাব কোষতে হবে।
সেদিন যদি দেখি জীবনের উদ্দেশ্য অর্জনে আমি ব্যর্থ!
স্বপ্নগুলো পড়ে আছে হয়ে আহত! দেখতে পায়নি স্বপ্ন দেখা দু-চোখ সফলতার!
তবে কি সেদিন দুশ্চিন্তায় নিমগ্ন হবো? হতাশায় কাটাব জীবনের বাকিটা সময়?
নাকি রবের দেওয়া ফয়সালাকে হাসি মুখে মেনে নেব?
সত্যিই কি পারবো ব্যর্থতাকে মেনে নিয়ে হাসি মুখে জীবনের বাকিটা সময় কাটাতে নাকি বিষন্নতা ছেয়ে যাবে শরীরের প্রতিটা ভাঁজে ভাঁজে?
অথচ এই সময় একদিন আসবে জীবনের দরজায়। সফলতা আর ব্যর্থতার হিসাব কোষতে হবে বসে নিরালায়!
#অ্যারেঞ্জড_ম্যারেজেও_ভালোবাসা_হয়
বাসর ঘরে ঢুকে পাশে বসতেই বৌ আমাকে বলল,
----------------ঘড়িতে তাকিয়ে দেখুন তো কয়টা বাজে??
বাসর রাতে বৌয়ের এমন সাহসী প্রশ্নে কিছুটা বিচলিত হলাম।
তখন ঘড়িতে তাকিয়ে দেখি রাত ২.৩০মিঃ।
আমি বৌয়ের পাশে বসে আস্তে করে বললাম----
শোনো, আমার এখন বিয়ে করার কোন ইচ্ছেই ছিলো না।
আমার বাবা-মায়ের পছন্দেই তোমাকে বিয়ে করেছি।
তবে আমার কারো সাথে কোন সম্পর্ক ও নেই।
কিন্তু আমি বিয়ের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত ছিলাম না।
তাই আমি এখন চাইলেও এত সহজে তোমাকে বউ হিসেবে মানতে বা বৌয়ের অধিকার দিতে পারবোনা।
কথা গুলো বলে শেষ করা মাত্রই নতুন বউ আমার পাঞ্জাবির কলারটা চেপে ধরে বলল,
--------------আমাকে কি খেলার পুতুল মনে হয় নাকি??
পছন্দ হয়নি, বিয়ে করতে চাননি এইটা আগে বলতে পারলেন না??
নিজের মায়ের মন রক্ষা করতে আমার সব আশা-স্বপ্ন কে কেন বলিদান দিতে হবে?
বিয়ে করার ইচ্ছে নেই, এইটা আমাকে আগে বললেই পারতেন।
তবেই আমি আমার পক্ষ থেকে বিয়ে ভেঙে দিতাম।
মায়ের প্রতি ভন্ড ভক্তি শ্রদ্ধা দেখাতে গিয়ে আমার জীবনটা কেন এইভাবে নষ্ট করে দিলেন হুম?
আমি তো আপনার কোন ক্ষতি করিনি।
এখন আমি যেভাবে বলব সেভাবেই সব হবে। ঠিক আছে????
বলেই কলার টা ছেড়ে দিলো।
পরে আবার বলল....
----আচ্ছা যা হবার তা তো হয়েই গেছে।
দিতে হবে না আপনাকে বউয়ের অধিকার।
যান নিচে গিয়ে ঘুমান।
একদম খাটে ঘুমাতে পারবেন না।
বলেই আমার বালিশ পা ফ্লোরে ছুড়ে মারলো।
আমি ও বাধ্য ছেলের মতো ফ্লোরেই শুয়ে পড়লাম।
আর মনে মনে ভাবতে লাগলাম, কেমন গুন্ডি মেয়ে রে বাবা।জীবনেও এমন মেয়ে দেখিনী।
মনে তো হচ্ছে জীবন পুরাই তেজপাতা করে ছাড়বে।
|
|
ফ্লোরে ঘুমই আসছেনা।
কখনই ফ্লোরে ঘুমাইনি।
কিন্ত আজকে নিজের অমতে বিয়ে করার কারনেই ফ্লোরে
ঘুমাতে হচ্ছে।
এর মধ্যে মশার আন্দোলন।
ইসসসসসস,,,,,,সহ্য হচ্ছেনা।
চোখ বন্ধ শুয়ে করে আছি।কখন জানি ঘুমটা লেগে গেছে
বুঝতেই পারিনি।
হঠাৎই সজাগ হয়ে দেখি আমার শরীরে কম্বল আর পাশে ও মশার কয়েল লাগানো।
মনটাতে একটু স্বস্তি পেলাম,ও মানুষ ভালো, মনে মায়া-দয়া আছে।
।
।
পরের দিন ঘুম থেকে উঠেই দেখি টেবিলে চা রাখা।
চা খেয়ে, ফ্রেশ হয়ে রুমে বসে ফোন টিপছিলাম তখনই তানিয়া (আমার বৌ) এসে বললো.....
----এইযে সেই কতক্ষন যাবত খাবার নিয়ে সবাই অপেক্ষা করছে
আর আপনি ঘরে বসে আছেন কেন?
এখনি নিচে চলুন আগে......!!
বলেই আমার কানের কাছে এসে আস্তে করে বললো...
-----নাকি খাবার টা রুমে নিয়ে আসবো?
আমি তো হার্ট এ্যাটাক হতে হতে বেচেঁ গেছি।
আমি তো ভাবছিলাম,বউ বুঝি এইবার ও কলার ধরেই আমাকে খাবার টেবিলে নিয়ে যাবে।
কিন্তু না,বউয়ের স্বর পাল্টে গেছে, তবে কি বউ আমার প্রেমে পড়ে গেল নাকি??
কথাটা ভাবতে ভাবতেই বউয়ের দিকে তাকালাম।
হা হয়ে তাকিঁয়ে আছি, বউ তো আমার হেব্বি সুন্দরী।
রাতে তো ভাবছিলাম হিটলারনি। এখন দেখি না মায়াময়ী।
এইবার যে আমি বউয়ের প্রেমে পড়ে গেলাম।
নিজেই নিজেকে বললাম...
---- মনে হয় তুই তোর হিটলারনি বউয়ের প্রেমে পড়ে গেছিস।
হঠাৎ একটা বিকট শব্দে বাস্তবে ফিরলাম।
সামনে তাকিঁয়ে বউ আমার ফ্লোরে পড়ে চোখ বন্ধ করে
আছে।
বুঝতে পারলাম,পাগলীটা খুবই ব্যথা পেয়েছে।
দৌড়ে গিয়ে টেনে তুলে বসাতে গেলাম আর অমনি আস্তে করে বলল.....
----কেমন স্বামী গো আপনি??
আমি তো একটু ভ্যাবাচ্যকা খেয়ে গেলাম।
বললাম...
----আমি আবার কি করলাম।
বৌ বলল....
----আমি মাটিতে পড়ে আছি কই কোলে করে নিয়ে
বিছানায় শোয়াবেন, তা না করে আমার হাত ধরে টানছেন।
সাথে সাথেই আমি কোলে করে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিলাম।
আমায় শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলল....
----ইচ্ছে করে এইভাবেই ধরে রাখি সারাটা জীবন।
কিন্তু আপনি তো আমাকে পছন্দই করেন না।
কথা শেষ করেই তানিয়া দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়লো।
আমারও বুকের ভিতরটা দুমড়ে মুচড়ে গেল।
আমারো খুব বলতে ইচ্ছা হচ্ছিল, কপালে একটা চুমো একেঁ দিয়ে বলি ...
----পাগলী আমি যে তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি গো।
কিন্তু পারলাম না।
কোথায় জানি একটা বাধাঁ পাচ্ছিলাম।
এই সুযোগে তানিয়া আমাকে ঠেলে বিছানায় ফেলে দিয়ে দৌড়ে পালালো।
আমি শুধু ওর চলে যাওয়ার দিকে তাকিঁয়ে রইলাম।
পরক্ষনেই খেয়াল হলো,ও তো ব্যথা পেয়েছে।
যার কারনে কোলে করে উঠাতে হলো।
বুঝতে আর বাকি রইলো না, এইবারও আমাকে বোকা বানানো হয়েছে।
পাগলিটার সাথে খুনসুটি প্রেম করতে করতেই কেটে গেল
২টা বছর।
এখন কেউ কাউকে ছাড়া কিছু ভাবতেই পারিনা।
আমার পাগলীটা এখন গর্ভবতী।
তাই খুব যত্ন নিই তার।
আজকেই বাচ্চা হবার তারিখ দিয়েছে ডাক্তার।
আমি অফিসে ছিলাম, হঠাৎই বাবার ফোন পেয়ে ছুটে
গেলাম হসপিটাল।
গিয়েই শুনলাম আমার ঘর আলো করে এসেছে এক ছোট্ট রাজকন্যা।
কিন্তু....
আমার পাগলিটার কোন সাড়া শব্দ পাচ্ছিনা কেন??
ভয়ে আৎকে উঠলাম।
অনেকের মুখেই শুনেছি,বাচ্চা জন্ম দিতে গিয়ে মারা গেছে অনেক মা।
সে ভয়েই বাচ্চা নিতে চাইনি।
কিন্তু ওর নাকি বাচ্চা লাগবেই।
ওর ইচ্ছে পূরন করতে গিয়েই কি তবে......???
আর ভাবতেই পারছিনা।
আর একটা মিনিট ও নষ্ট না করে, দৌড়ে গেলাম কেবিনে।
গিয়ে দেখি বাচ্চা টা হাত পা নাড়িয়ে খেলছে।
কিন্তু তানিয়া চোখ বন্ধ করে রেখছে।
ওর নিঃশ্বাস আছে কি নাই তা দেখার মতো ধৈর্য আমার
ছিলোনা।
তাই তানিয়াকে জড়িয়ে চিৎকার করে ফেললাম।
সাথে সাথেই কানের কাছে একটু ব্যথা অনুভব করলাম।
পরে দেখি তানিয়া আমার আস্তে করে কানে কামড় দিয়ে বলল....
-----কি ভাবছিলা তোমাকে একা রেখে চলে যাবো??
আরে না গো, আমি চলে গেলে, তোমাকে জ্বালাবে কে??
আমিও বুকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে রাখলাম।
আর বললাম,বড্ড ভালোবাসি রে পাগলি তোকে।
ছাড়বোনা কখনই। 💗💗
📖The End📖
09/10/2023
লিজেন্ডদের চোখ ফাঁকি দেওয়া অসম্ভব...! 🙂😃
,👉পাপ করার আগে ৩টি কথা মনে রাখবেন ১=[আল্লাহ সব
দেখতাছেন ২=[ফেরেস্তা সব লেখতাছেন ৩=[মৃত্যু যে কোন সময় হতে পারে, আল্লাহ তাওফীক দান করুন আমীন 🤲
😭বো*বা ছেলে যখন ই গান গাইতো, 😭
সেখানে কা*লা মেয়েটি দৌড়ে যেত😊
তার গান শুনতে। 🤩
একদিন মেয়েটির অ*ন্ধ চাচা 😺
তাদেরকে দেখে ফেলল। 😕
সে গিয়ে মেয়েটির বাবাকে
সব কিছু বলে দিল। ☹️
তার বাবা বেচারার
দুই পা ই অবশ, 😔
হাঁটতে ও পারে না।
মেয়ের এরকম কাহিনি শুনে
দৌড়ে ছুটে গেল। 😀
সাইকেল নিল, 🥸
বাইকে কি**ক মেরে স্টার্ট দিল।😳
ঘোড়ায় চড়ে পৌছে গেল। 🐸
সেখানে পৌছে পেছন থেকে
ত**লো**য়ারটা বের করে
গু**লি করলো। 🫠
দুইটা তী*র গিয়ে ছেলের বু*কে লাগলো
আর মেয়েটা ম*রে গেল। 🥺
08/10/2023
ছোট্ট ভালোবাসার গল্প 🥰
আমি : কি,,,, বলেন আজ কোন খবর নিয়ে আসছেন 🫣🫣
মিম : না মানে 😊
আমি : বলে ফেল যা বলতে আসছো 😊
মিম : বলি তাহলে 🙂
আমি : হুম বলো 😊
মিম : তুমি না আমাকে অনেক ভালোবাসো 😊
আমি : হ্যাঁ ভালোবাসি তো 🥰
মিম : আমার জন্য তো তুমি সব করতে পারো তাইনা 😊😊
আমি : ও আচ্ছা বুঝলাম,, তোমার লাল নীল যে জুতাটা আছে ওইটার পুত পুত শব্দ শুনতে আসতে হবে এই তো?
মিম : আরে না 🙁🙁
আমি : কি তাহলে
মিম : আমার না এখন ফুচকা খাইতে ইচ্ছা করে 🥰
আমি : রাত ২:০০ টা বাজে এখন ফুচকা কই পাবো??
মিম : আমি জানিনা আমার এখন ফুচকা খাইতে ইচ্ছা করছে 😭ফুচকা না খেয়ে আজ ঘুমাবো না 🙁🙁
আমি : আরে আমি এত রাতে কই পাব ফুচকা 😑🫣
মিম : তুমি আমার জন্য সামান্য এইটুকু করতে পারবোনা 🙁
আমি : আরে এখন আমি ফুচকা কই পাবো এত রাতে সেইটা বলো 😑😑
মিম : আমি জানিনা আমি চাই ফুচকা চাই কই থেকে আনবা তোমার ব্যাপার 🙁🙁যদি না দাও আমি ঘুমাবো না 🙂
আমি : কাল সকালে আমি তোমাকে সাথে করে নিয়ে যাব তোমার যত ইচ্ছা তুমি খেও তাও এই মাঝরাতে পাগলামি করো না 😑😑
মিম : না এখন খাব ফুচকা 🙁
আমি : তুমি না আমার লক্ষী গার্লফ্রেন্ড এমন করো কেন বোঝো তো এই রাতে কই পাব ফুচকা সব দোকান তো বন্ধ এখন,,,, সকালে সাথে নিয়ে যাব তোমাকে যত ইচ্ছা খাইও কথা দিলাম 🥰
মিম : সত্যি নিয়ে যাবা তুমি তো জমিদার ঘুম থেকে ওঠো একটার সময় 🙁আমাকে কখন নিয়ে যাবা 😑😑
আমি : কাল ৮.০০ সময় উঠবো যদি না উঠি তুমি যা বলবা সেটা হবে 🥰
মিম : আচ্ছা কাল সকালে যদি না পাই দেখব শুভরাত্রি 🥰
আমি : অশুভ রাত্রি 🙁
👉এভাবে বেঁচে থাকুক হাজারো ভালোবাসার মানুষ গুলো 🥀🥀
মন ছুয়া গল্প ও ফানি পোস্ট পেতে এখনি আমাদের গ্রুপে জয়েন করুন👉 নিয়তি
06/10/2023
☞ গল্পটি মনযোগ দিয়ে পড়ে আপনার মতামত জানান?←←
মেয়ে:-আমাকে ভুলে যাও।
ছেলে:-কেন?
মেয়ে:-কারন আমি তোমাকে ভালোবাসতে পারব না।
ছেলে:-তাহলে এই দুইবছর কেন আমার সাথে কাটিয়েছো???
মেয়ে:-আমি দুই বছর ভুলে যেতে চাই।
ছেলে:-আমার দোষ কি যে আমাকে ছেড়ে চলে যাবে....???
মেয়ে:-তোমার কোন দোষ নেই।
ছেলে:-তাহলে.?
মেয়ে:- তাহলে কিছুই না , তুমি আমাকে ভুলে যাও।
ছেলে:-আমি কি দেখতে খারাপ..?এই জন্য ছেড়ে চলে যাবে??
মেয়ে:-তা না।
ছেলে:-তাহলে কেন ছেড়ে যাবে?
মেয়ে:-কারন বলতে পারব না।তুমি আমাকে প্লিস ভুলে যাও।
ছেলে:-আমিত তোমাকে ভুলে যাবার জন্য ভালবাসিনি।আমি
তোমাকে জীবন সাথী করার জন্য ভালবেসেছি।
মেয়ে:-কিন্তু আমি তোমার জীবন সাথী হতে পারবো না।ভুলে
যাও আমাকে।
ছেলেটা মেয়েটার হাতটা কাছে টেনে নিয়ে।
ছেলে:-কেন? আমার দোষটা বল।
মেয়েটা তার হাতটা হেচকা টান দিয়ে
মেয়ে:-কারন তোমার চাকরি নেই।
ছেলেটা পকেটে থেকে চাকরির এপয়েন্টমেন্ট লেটার বের করে
মেয়ের হাতে দিয়ে
ছেলে:-দেখ গতকাল আমার চাকরি হয়েছে।ত্রিশ হাজার টাকা
বেতন।
মেয়ে:-তবুও আমি তোমাকে ভালবাসতে পারব না।
ছেলে:কিন্তু কেন?
মেয়ে:-কারন তুমি বিয়ের পর আমাকে নিয়ে তোমার মা বাবার
সাথে থাকবে কিন্তু আমি এটা সহ্য করতে পারব না।কারন
তোমার মা বাবা সারাদিন খুক খুক করে কাশে এটা আমার ভাল
লাগে না।
ছেলে:-অফিস থেকে আমাকে
একটা ফ্লাট দেয়া হয়েছে সাথে একটা গাড়ি।
মেয়ে:-সত্যি।আমি তোমাকে ভালবাসি।
ছেলে:-কিন্তু আমি তোমাকে ভালবাসি না।
মেয়ে:-একটু আগে না বললে ভালোবাসি।এখন আবার এ কথা
বলছ কেন?
ছেলে:-একটু আগে আসল কারনটা
জানতাম না।
মেয়ে:-প্লিস এমন করনা।আমাদের দুইবছরের সম্পর্ক এভাবে নষ্ট
কর না।
ছেলে:-আসলে তুমি আমাকে
ভালোবাসতে পারনি।তুমি ভালোবেসেছ টাকাকে।আর যে
নারী বিয়ের পর তার শ্বশুর-শাশুড়িকে
নিজের পিতামাতার
মতই আপন করে নেয় না তাকে আমার প্রয়োজন নেই।
ছেলেটা এটা বলে মেয়ের হাত থেকে চাকরির এপয়েন্টমেন্ট
লেটারটা নিয়ে দুই বছরের সম্পর্ক নষ্ট করে
চলে গেল।
ছেলেটা কি ভুল সিদ্ধান্ত নিল নাকি রাইট সিদ্ধান্ত নিল...?
__আপনার__মতামত_কি...??.
©যারা এখনো আমাদের গ্রূপে জয়েন না হয়ে গল্প পড়ছেন তারা এখনোই আমাদের গ্রূপে জয়েন হয়ে নিন আমাদের গ্রুপ টা পাবলিক করা আমাদের গ্রূপের গল্প গল্প মন ছুঁয়ে যাবে নীল লেখায় চাপ দিয়ে জয়েন হন
👉👉 নিয়তি
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Website
Address
Khulna