as-shifa Rukiya centre
কোরআন সুন্নাহ অনুযায়ী
জ্বীন জাদু ও বদনজরের
চিকিৎসা ও পরামর্শ দেওয়া হয়।
Raqi Abdullah Al-Mamun
ইমু ওয়াটসাপ নাম্বার-01969-242731
03/08/2026
শয়তান নিবাস!
লেখাঃ শাইখ Atik Ullah হাফিযাহুল্লাহ
আমাদের বাড়িঘরের ৫টি স্থানে শয়তান ‘বসত’ গাড়ে। এসব স্থান সম্পর্কে সতর্ক থাকা জরুরী। বিশেষ করে ঘরে ছোট সন্তান থাকলে।
১) দীর্ঘদিন যাবত যে বিছানায় কেউ শোয়নি। শয়তান এমন বিছানা দখল করে বসে। নবীজি (ﷺ) বলেছেন, পুরুষের জন্য একখানা চাদর, তার স্ত্রীর জন্য একখানা চাদর এবং তৃতীয়টি অতিথির জন্য। আর চতুর্থটি শয়তানের জন্য (মুসলিমঃ ২০৮৪)।
বসীরাহঃ এজন্য অব্যবহৃত বিছানা ভাঁজ করে রাখা নিরাপদ। ভাঁজ না করতে পারলে নিয়মিত বিছানা ঝাড়া উচিত। অথবা আয়াতুল কুরসি ও রুকইয়ার আয়াত পড়ে ফুঁ দেয়া পানি ছিটানো উচিত। দুই বা তিনদিন পরপরই এমনটি করা উচিত।
২) হাম্মাম (বাথরুম)। এটা সবার জানা আছে। হাম্মামে সবচেয়ে দুষ্ট আর খবিস প্রকৃতির শয়তানরাই থাকে। এজন্য হাম্মামে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করা ভীষণ জরুরী। নবীজি (ﷺ) বলেছেন, এসব পায়খানার স্থান হচ্ছে (জ্বিন ও শয়তানের) উপস্থিতির স্থান। সুতরাং যারা পায়খানায় যাবে তারা যেন এ দোয়া পড়েঃ
أعوذُ باللهِ مِن الخُبُثِ والخبائثِ
অর্থাৎ- আমি নাপাক নর-নারী শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই (আবু দাউদঃ ০২)।
৩) দীঘদিন ধরে ঝুলিয়ে রাখা অব্যবহৃত, অধোয়া জামাকাপড়। আলমারি ওয়ার্ডরোবে দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকা পোশাকাশাকও এই ঝুঁকির আওতামুক্ত নয়। নবীজি (ﷺ) বলেছেন, তোমাদের জামাকাপড় ভাঁজ করে রাখো। কারণ, এসব জামাকাপড়ের কাছে দুষ্টজ্বিনেরা ফিরে ফিরে আসে। আর শয়তান ভাঁজ করা জামাকাপড় পড়েনা। মেলে দেয়া পোশাক পেলে পড়ে। (সিলসিলাহ যয়ীফাঃ ২৮০১)।
বসীরাহঃ আমরা অনেকেই জামাকাপড় ঝুলিয়ে রাখি। হাতের নাগালে রেখে, যখন ইচ্ছা পরার সবিধার্থে আমরা সাধারণত জামাকাপড় লটকে রাখি। যে কোনো ক্ষতি-অনিষ্ট থেকে বাঁচতে হলে, এসব পোশাকে কুরআন পড়া পানি ছিটিয়ে দেয়া নিরাপদ। মাঝেমধ্যে আলমারি, ওয়ার্ডরোব খুলে জামাকাপড়ে সূরা ফাতিহা ও আয়াতুল কুরসি পড়ে ফুঁ দিতে পারি।
৪) প্রাণী বা মানুষের মূর্তি ও পুতুল। এসব পুতুল-মূর্তি ঘরে থাকলে, ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না। ফেরেশতার আগমন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে, এসব পুতুল-মূর্তির আড়ালে শয়তান (দুষ্ট জ্বিন) আশ্রয় গ্রহণ করে। নবীজি (ﷺ) বলেছেন, যে ঘরে কুকুর ও মূর্তি-ভাস্কর্য থাকে, সে ঘরে ফেরেশতা প্রবেশ করে না (মুসলিমঃ ২১০৬)।
বসীরাহঃ আরেক বর্ণনায় আছে, ঘরে ‘ছবি’ থাকলেও ফেরেশতা প্রবেশ করে না।
৫) আগুন জ্বালানোর স্থান। উনুন-চুলা। এসব স্থান জ্বিন-শয়তানের খুবই প্রিয় জায়গা। কারণ তারা আগুনেরই সৃষ্টি। এজন্য যখনই আগুনের কাছে যাবো, রান্নাবান্নার কাজে চুলার কাছে যাবো, মুখে মনে আল্লাহর যিকির করার অভ্যেস গড়ে তুলব। ইন শা আল্লাহ।
نعوذ بالله من الشيطان الرجيم
ইয়া আল্লাহ, আমাদেরকে ও আমাদের সন্তান-সন্ততিকে জ্বিন-শয়তানের অনিষ্ট থেকে হেফাজত করুন। আমীন...
বেশি বেশি শেয়ার করে অন্যের কাছে পৌঁছে দিবেন ইনশাআল্লাহ
রুক্বইয়াহ চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন
01969-242731
☎️ 01976-242740
➡️ রাক্বি হাঃ আব্দুল্লাহ আল-মামুন
আপনি কি আজকের লাইভ সেশনে অংশগ্রহণ করেছিলেন...?
02/08/2026
২৬ জন সদস্য নিয়ে, আজ আমাদের "মাসব্যাপী রুক্বইয়াহ প্রজেক্ট" গ্রুপে - আশিক জ্বীনের রুক্বইয়াহ করা হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ
অনেক অনেক ইফেক্ট হয়েছে অধিকাংশ সদস্যদের
লাইভ রেকর্ডিং আপনিও শুনতে পারেন।
➡️ https://t.me/acv25d/38
সম্পূর্ণ ফ্রিতে জয়েন করতে চাইলে, আপনার নাম ঠিকানা ফোন নাম্বার লিখে টেলিগ্রামে ইনবক্স করুন
➡️ https://t.me/acv25d/38
যারা জ্বীনের মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়, তাদের কাছে যাওয়া হারাম , তাদের কথা বিশ্বাস করলে ঈমান নষ্ট হয়ে যায়।
02/08/2026
খারাপ গল্প, অশ্লীল ভিডিও, অনৈতিক ছবি এবং অবাধ বিনোদনের প্রতি বারবার আসক্তি মানুষের ঈমান, চিন্তা ও চরিত্রের ওপর গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
শয়তান এসব মাধ্যমকে ব্যবহার করে মানুষের অন্তরে কুমন্ত্রণা (ওয়াসওয়াসা) সৃষ্টি করে। ফলে ধীরে ধীরে অশ্লীল চিন্তা, হারাম কল্পনা, গুনাহের প্রতি আকর্ষণ এবং ইবাদতের প্রতি অনীহা জন্ম নিতে পারে।
চোখ মানুষের অন্তরে পৌঁছানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই হারাম দৃশ্য বারবার দেখার ফলে সেই দৃশ্য মানুষের স্মৃতি ও চিন্তায় গেঁথে যায়। এরপর একের পর এক ওয়াসওয়াসা, কল্পনা ও কুপ্রবৃত্তি মানুষকে ঘিরে ধরে। এর ফলে হৃদয় কঠিন হয়ে যেতে পারে, আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল হয়ে পড়া, সালাতে অমনোযোগিতা এবং পাপের প্রতি স্বাভাবিকতা তৈরি হওয়ার মতো ক্ষতি দেখা দিতে পারে।
তাই একজন মুমিনের উচিত নিজের দৃষ্টিকে সংযত রাখা, অশ্লীল ও ক্ষতিকর কনটেন্ট থেকে দূরে থাকা, নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত করা, সকাল-সন্ধ্যার যিকির ও দোয়া পালন করা এবং আল্লাহর কাছে অন্তরের পবিত্রতা ও হিফাজত কামনা করা।
নোট:- এটা শয়তান কেন্দ্রিক জাদু, এই যাদুতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের যে সমস্ত ক্ষতি হয়ে থাকে।
১- মানসিকতার পরিবর্তন ঘটা
২- পড়ালেখার চাকরি ও ব্যবসায় অবনতি ঘটা
৩- সমস্ত প্রকারের হালাল সম্পর্কে অবনতি ঘটা
৪- ক্যান্সার, ইনফেকশন, মাইগ্রেন সহ শারীরিক বড় বড় ব্যাধি তৈরি হওয়া।
মুক্তির উপায়:-
১- সমস্ত প্রকার গুনাহ থেকে বিরত থাকা
২- সমস্ত ফরজ ইবাদের ঠিক মত আদায় করা
৩- সকাল সন্ধ্যা ও রাত্রে ঘুমানোর আগে আমল করা
(এগুলো করা সম্ভব না হলে অথবা এগুলো করার পরেও ঠিক না হলে)
কুরআন সুন্নাহ অনুযায়ী রুকিয়া চিকিৎসা গ্রহণ করা।
as-shifa Rukiya centre
আবু মুহাম্মদুল্লাহ 🖋️
আজ থেকে শুরু হচ্ছে "মাসব্যাপী রুক্বইয়াহ প্রজেক্ট" সম্পূর্ণ ফ্রিতে জয়েন করতে চাইলে আপনার ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে মাত্র ১০ জন ব্যক্তিকে মেনশন করুন।
জ্বীন সম্পর্কে কি জানতে চান প্রশ্ন করুন
01/08/2026
মেডিকেল চিকিৎসা বিজ্ঞান ও ইসলামী চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ থেকে মাইগ্রেশন সম্পর্কে আলোচনা।
➡️ প্রথমে মেডিকেলে চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ।
মাইগ্রেন হলো এক ধরনের স্নায়বিক (Neurological) মাথাব্যথা, যা সাধারণ মাথাব্যথার চেয়ে বেশি তীব্র এবং বারবার ফিরে আসতে পারে। এটি সাধারণত মাথার এক পাশে বেশি অনুভূত হলেও অনেকের ক্ষেত্রে পুরো মাথাতেও হতে পারে। ব্যথা কয়েক ঘণ্টা থেকে ২–৩ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
📍মাইগ্রেনের সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:
•তীব্র ধুকপুক বা স্পন্দনযুক্ত মাথাব্যথা
মাথার এক পাশে বা উভয় পাশে ব্যথা
•আলো (Photophobia) ও শব্দ (Phonophobia) সহ্য করতে কষ্ট হওয়া
•বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
•দৈনন্দিন কাজ করলে বা হাঁটাচলা করলে ব্যথা বেড়ে যাওয়া
•মাথা ঘোরা
•চোখে ঝাপসা দেখা বা আলো ঝলকানি দেখা (কিছু রোগীর ক্ষেত্রে, একে অরা (Aura) বলা হয়)
•অতিরিক্ত ক্লান্তি বা দুর্বল লাগা
•কী কারণে মাইগ্রেনের আক্রমণ হতে পারে?
•পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া বা অতিরিক্ত ঘুম
•মানসিক চাপ
•দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা
•অতিরিক্ত উজ্জ্বল আলো বা তীব্র শব্দ
•কিছু নির্দিষ্ট খাবার (যেমন চকলেট, পুরনো চিজ, অতিরিক্ত ক্যাফেইন ইত্যাদি)
•কিছু নারীর ক্ষেত্রে মাসিকের সময় হরমোনের পরিবর্তন
•কখন দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
•জীবনের সবচেয়ে তীব্র মাথাব্যথা হঠাৎ শুরু হলে
•মাথাব্যথার সঙ্গে হাত-পা অবশ হওয়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া
•জ্বর, ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া বা খিঁচুনি থাকলে
•মাথায় আঘাতের পর নতুন করে তীব্র মাথাব্যথা শুরু হলে
যদি আপনার মাথাব্যথা মাসে বারবার হয় বা দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত করে, তাহলে একজন নিউরোলজিস্ট বা মেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। সঠিক চিকিৎসায় অধিকাংশ মানুষের মাইগ্রেন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
এই হল চিকিৎসাবিজ্ঞানের সমস্ত আলোচনার সারমর্ম
➡️ এবার চলুন ইসলামিক চিকিৎসা বিজ্ঞান কি বলে
মাথাব্যথার অনেক কারণ থাকতে পারে। সাধারণ কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- মাইগ্রেন
-টেনশন হেডেক (মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, উদ্বেগ)
-পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া বা অতিরিক্ত ঘুম
-দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকা বা রক্তে শর্করা কমে যাওয়া
-পানিশূন্যতা (কম পানি পান করা)
-উচ্চ বা নিম্ন রক্তচাপ
-চোখের সমস্যা (চশমার পাওয়ার পরিবর্তন, চোখে অতিরিক্ত চাপ)
-সাইনাসের প্রদাহ (সাইনুসাইটিস)
-জ্বর বা অন্যান্য সংক্রমণ
-ঘাড়ের পেশিতে টান বা দীর্ঘক্ষণ মোবাইল/কম্পিউটার ব্যবহার
-অতিরিক্ত ক্যাফেইন (চা-কফি) গ্রহণ বা হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া
-কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
-অতিরিক্ত শব্দ, উজ্জ্বল আলো বা তীব্র গন্ধ
-মাথায় আঘাত
এ সমস্ত কারণে আপনার মাথা যন্ত্রণা হতে পারে যা কিছু ক্ষেত্রে ঔষধ না খেলেও ঠিক হয়ে যায় আবার কিছু ক্ষেত্রে ঔষধ খাওয়ার পর সুস্থ হয়ে যায়,কিন্তু যদি এমন হয়, এখানে উল্লেখিত কোন কারণ আপনার মধ্যে নাই এরপরও মাথা যন্ত্রণা হচ্ছে
দীর্ঘদিন যাবৎ মাথা যন্ত্রণা চলছে কোন কারণ ছাড়া, ঔষধ খেলেও কাজ হয় না অথবা সাময়িক সময়ের জন্য বন্ধ হলেও আবার শুরু হয়ে যায়!
এমন রোগীদের ক্ষেত্রে ইসলামী চিকিৎসা বিজ্ঞান কি বলে?
আমরা জানি শয়তান আমাদের প্রকাশ শত্রু সে সুযোগ পেলেই আমাদের উপর প্রভাব বিস্তার করে।
এসম্পর্কে আল্লাহতালা কুরআনে বলেন
إِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمْ عَدُوٌّ فَاتَّخِذُوهُ عَدُوًّا ۚ إِنَّمَا يَدْعُو حِزْبَهُ لِيَكُونُوا مِنْ أَصْحَابِ السَّعِيرِ
অর্থ:
"নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের শত্রু। অতএব তোমরা তাকে শত্রু হিসেবেই গ্রহণ করো। সে তো তার অনুসারীদেরকে শুধু এ জন্যই আহ্বান করে, যাতে তারা জাহান্নামের অধিবাসী হয়।" — সূরা ফাতির, ৩৫:৬
তাই আমরা যখনই আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল হই অর্থাৎ কবিরা গুনাহ করি এবং ইবাদত থেকে বিরত থাকি, তখনই মূলত শয়তান আমাদেরকে আক্রমণ করে এবং আমাদের শরীরে বাসা বাঁধে।
শয়তান প্রথমে মানুষের শরীরে যেই দুইটি স্থানে আঘাত করে তা হল। ১- দিমাগ (ব্রেন) ২- কল্ব (হৃদয়)
যার কারণে ব্যক্তির অতিরিক্ত মাথা যন্ত্রণা করে
বারবার ভুলে যাই এবং অতিরিক্ত রেগে যায়
আর এই সমস্যাটা মূলত দুষ্টু জ্বীন শয়তান কেন্দ্রিক
এমত অবস্থায় আপনি যতই ডাক্তার দেখান ওষুধ খান এবং মেডিকেলে চিকিৎসা গ্রহণ করেন না কেন কিছুতেই শয়তানের এই গিঁট ধ্বংস করা সম্ভব নয়।
এখন আপনাকে ফিরে যেতে হবে ইসলামের দিকে
গ্রহণ করতে হবে কোরআন সুন্নাহ অনুযায়ী চিকিৎসা
বিশেষ করে মাথা যন্ত্রণার পাশাপাশি যদি আপনি প্রতিনিয়ত অদ্ভুত স্বপ্ন দেখে থাকেন, শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতে লেগে থাকে তাহলে আপনার জন্য অত্যন্ত জরুরী রুক্বইয়াহ চিকিৎসা গ্রহণ করা।
তবে আমরা শুধুমাত্র রুকিয়াহ চিকিৎসা গ্রহণের জন্য পরামর্শ দেয় না, ব্যক্তির পরিপূর্ণ অবস্থা যাচাই করে মেডিকেলে চিকিৎসার পাশাপাশি রুকিয়া চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকি
আপনার সমস্যা সম্পর্কে বিস্তারিত বাংলায় লিখে অথবা বয়স করে হোয়াটসঅ্যাপে জানান, আমরা আপনাকে সঠিক পরামর্শ দেওয়ার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
আশ-শিফা রুক্বইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার খুলনা
➡️ 01969-242731
রাকী হাঃ আব্দুল্লাহ আল-মামুন
☎️ 01976-242740
31/07/2026
📢 আজ রাত ৮:৩০ টায় | ফ্রি অডিও লাইভ রুক্বইয়াহ সেশন
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।
ইনশাআল্লাহ, আজ রাত ৮:৩০ মিনিটে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে একটি ফ্রি অডিও লাইভ রুক্বইয়াহ সেশন অনুষ্ঠিত হবে।
🕌 আজকের বিষয়:
🔹 আইন হাসাদ (বদ নজর)
🔹 বিবাহে বাধা
🔹 পড়ালেখায় বাধা
🔹 রিজিকে বাধা
আয়োজনে:
আশ-শিফা রুক্বইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার খুলনা
➡️ as-shifa Rukiya centre
🎙️ রুক্বইয়াহ পরিচালনা করবেন:
রাক্বি হাঃ আব্দুল্লাহ আল-মামুন
📲 টেলিগ্রাম চ্যানেলে যুক্ত হোন:
https://t.me/QL7uhFdMel8wMjll
⚠️ অনুরোধ: নির্ধারিত সময়ের ৫–১০ মিনিট আগে চ্যানেলে যুক্ত হয়ে প্রস্তুত থাকুন। পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও উপকৃত হওয়ার সুযোগ করে দিন।
হে আল্লাহ আমাদের সকলকে কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক শিফা দান করুন। আমীন
আশিক জ্বীনে আক্রান্ত বিবাহিত এক বোনের রুক্বইয়াহ চিকিৎসার অংশ।
বিবাহর আগে থেকেই শারীরিক মানসিক বিভিন্ন রকম সমস্যা আক্রান্ত এই বোন। অনেক ফকির কবিরাজ দেখিয়েছে কিন্তু সমস্যা দিন দিন বেড়েই চলছিল।
অতিরিক্ত মাথা যন্ত্রণা করা ও চুল পড়া
বারবার ভুলে যাও এবং অতিরিক্ত মেজাজ খারাপ হওয়া
শারীরিক অসুস্থতা লেগেই থাকা।
সামান্য বিষয়ে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি হওয়া
ইত্যাদি আরো অনেক সমস্যায় জর্জরিত এই বোন
রুক্বইয়াহ শুরু করার পর পরই অনেক কান্নাকাটি ও অস্থিরতা বেড়ে যাওয়া, কিছুক্ষণের মধ্যেই শয়তান একটিভ হয়ে কথা বলতে শুরু করা।
প্রথমে শয়তান যেতে না চাইলেও পরবর্তীতে আজাবের আয়াত তেলাওয়াতের পর আল্লাহর ইচ্ছায় চলে যেতে বাধ্য হয়। আলহামদুলিল্লাহ
পেশেন্টের অবস্থা আগের থেকে অনেক ভালো আলহামদুলিল্লাহ
সকলে দোয়া করবেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেন তাকে পরিপূর্ণ সুস্থতা দান করেন।
______________________________________
আশ-শিফা রুক্বইয়াহ এন্ড হিজামা সেন্টার খুলনা
চিকিৎসা ও পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুন
➡️ 01969-242731
☎️ 01976-242740
➡️ as-shifa Rukiya centre
➡️ রাক্বি হাঃ আব্দুল্লাহ আল-মামুন 🖋️
Click here to claim your Sponsored Listing.