MR Lifestyle

MR Lifestyle

Share

Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MR Lifestyle, Health/Beauty, Khulna.

31/03/2026

হাম (Measles) মোকাবিলায় একটি ছোট ক্যাপসুল অমেক জরুরি

​হাম একটি ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের জন্য কখনো কখনো মারাত্মক হয়ে দাঁড়াতে পারে। কিন্তু আপনি কি জানেন, সামান্য একটি ভিটামিন এ (Vitamin A) ক্যাপসুল হামের ঝুঁকি এবং মৃত্যুহার প্রায় ৫০% পর্যন্ত কমিয়ে দিতে পারে? একজন পুষ্টিবিদ হিসেবে আমি আপনাদের এই বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানাতে চাই:
​চলুন জেনে নিই কেন হাম নিরাময়ে ভিটামিন এ-র কোনো বিকল্প নেই:
​🛡️ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:
হামের ভাইরাস শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে দেয়। ভিটামিন এ আমাদের শরীরের 'শ্বেত রক্তকণিকা' তৈরি ও সক্রিয় করতে সাহায্য করে, যা ভাইরাসের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ করে।
​🫁 ফুসফুসের সুরক্ষা (নিউমোনিয়া প্রতিরোধ):
হামের সবচেয়ে বড় জটিলতা হলো নিউমোনিয়া। ভিটামিন এ ফুসফুসের ভেতরের আস্তরণ বা টিস্যুকে সুস্থ রাখে, ফলে ভাইরাসের আক্রমণে ফুসফুস সহজে ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।
​👁️ অন্ধত্ব থেকে মুক্তি:
হামের কারণে শিশুদের চোখের কর্নিয়া মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ভিটামিন এ চোখের রেটিনা ও কর্নিয়াকে সতেজ রাখে এবং হামজনিত স্থায়ী অন্ধত্বের ঝুঁকি দূর করে।
​🚽 ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণ:
হামের সময় অনেক শিশুর তীব্র ডায়রিয়া হয়। ভিটামিন এ অন্ত্রের (Intestine) ভেতরের সুরক্ষা স্তর মজবুত করে, যা শরীরকে পানি শূন্যতা ও সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচায়।
​✅ মনে রাখার মতো কিছু তথ্য:
​হাম আক্রান্ত শিশুকে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ২টি ডোজে ভিটামিন এ ক্যাপসুল দেওয়া হয়।
​প্রথম ডোজ শনাক্ত হওয়ার সাথে সাথে এবং দ্বিতীয় ডোজ তার ২৪ ঘণ্টা পর।
​শিশুর বয়স অনুযায়ী ডোজের পরিমাণ (IU) ভিন্ন হতে পারে, তাই স্বাস্থ্যকর্মীর পরামর্শ নিন।
​💡 আমাদের করণীয়:
হামের লক্ষণ (জ্বর, শরীরে লালচে দানা, চোখ লাল হওয়া) দেখা দিলেই শিশুকে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান এবং ভিটামিন এ নিশ্চিত করুন। সঠিক সময়ে সঠিক পুষ্টিই পারে একটি শিশুকে সুস্থ রাখতে।

​আপনার পরিচিতদের সচেতন করতে পোস্টটি শেয়ার করুন।
সুস্থ থাকুক প্রতিটি শিশু! ❤️

​পুষ্টিবিদ মফিজুর রহমান
​কনসালটেন্ট ডায়েটিশিয়ান, BNWA (বাংলাদেশ নিউট্রিশন অ্যান্ড ওয়েলনেস একাডেমি)
​ইন্সট্রাক্টর, রূপসা নার্সিং ইনস্টিটিউট
​ #হাম_সচেতনতা #ভিটামিন_এ #স্বাস্থ্য_টিপস #পুষ্টিবিদ_মফিজুর_রহমান

30/03/2026

শিশুদের হাম (Measles) একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শ্বাসনালিকে আক্রান্ত করে। এটি 'মরবিলিভাইরাস' (Morbillivirus) নামক এক প্রকার আরএনএ ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে ঘটে। সঠিক সময়ে চিকিৎসা ও পুষ্টির যত্ন না নিলে এটি নিউমোনিয়া বা মস্তিষ্কের প্রদাহের মতো জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

আজ আমি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে হামের কারণ, লক্ষণ, প্রতিকার ও পুষ্টিগত পরামর্শ আলোচনা করবো।

শিশুদের হাম: কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার

👉 সংক্রমণের কারণ ও বিস্তার (Etiology and Transmission)
হাম একটি বায়ুবাহিত রোগ। আক্রান্ত শিশুর হাঁচি-কাশির মাধ্যমে নির্গত জলকণা (Respiratory droplets) বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।
এটি প্যারামিক্সোভিরিডি (Paramyxoviridae) ভাইরাস পরিবারের সদস্য। এটি এতটাই সংক্রামক যে, একজন আক্রান্ত শিশু থেকে প্রায় ১২-১৮ জন সুস্থ শিশু সংক্রমিত হতে পারে। এর ইনকিউবেশন পিরিয়ড (Incubation Period): শরীরে ভাইরাস প্রবেশের পর লক্ষণ প্রকাশ পেতে সাধারণত ১০-১৪ দিন সময় লাগে।

২. লক্ষণসমূহ (Clinical Manifestations)
হামের লক্ষণগুলোকে প্রধানত তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়:
👉প্রাথমিক পর্যায় (Prodromal Stage): তীব্র জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া, শুকনো কাশি এবং চোখ লাল হওয়া (Conjunctivitis)।
👉কপলিক স্পট (Koplik’s Spots): এটি হামের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। জ্বর শুরুর ২-৩ দিন পর মুখের ভেতরের গালে ছোট ছোট সাদাটে বা লবণ দানার মতো দাগ দেখা যায়।
👉র‍্যাশ বা ফুসকুড়ি (Exanthematous Stage): জ্বর শুরুর ৩-৫ দিন পর কান ও ঘাড়ের পেছন থেকে লালচে দানা দেখা দেয় এবং তা ধীরে ধীরে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।

৩. প্রতিকার ও চিকিৎসা (Treatment and Prevention)
হামের সুনির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ নেই। মূল লক্ষ্য হলো লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা এবং জটিলতা রোধ করা।
👉 টিকা প্রদান (Vaccination): হাম প্রতিরোধের প্রধান অস্ত্র হলো MR (Measles-Rubella) টিকা। সাধারণত ৯ মাস বয়সে প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাস বয়সে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়।
👉বিশ্রাম ও সতর্কতা: আক্রান্ত শিশুকে আলাদা ঘরে রাখা উচিত যাতে অন্যদের সংক্রমণ না হয়। পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং শরীর স্পঞ্জ করে জ্বর নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়।
👉চিকিৎসকের পরামর্শ: তীব্র জ্বর বা শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

একজম পুষ্টিবিদ হিসেবে আমার পরামর্শ হলো:

হামের চিকিৎসায় পুষ্টির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য।
১. ভিটামিন-এ (Vitamin A Therapy)
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, হাম আক্রান্ত প্রতিটি শিশুকে ভিটামিন-এ ক্যাপসুল দেওয়া বাধ্যতামূলক। হাম শরীরে ভিটামিন-এ এর মজুদ কমিয়ে দেয়, যা থেকে অন্ধত্ব বা স্থায়ী চোখের ক্ষতি হতে পারে। বয়স অনুযায়ী নির্দিষ্ট ডোজে ভিটামিন-এ গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

২. হাইড্রেশন (Hydration)
জ্বরের কারণে শরীর থেকে প্রচুর পানি বেরিয়ে যায়। তাই ডিহাইড্রেশন রোধে:
👉 শিশুকে প্রচুর পরিমাণে পানি, ফলের রস এবং ডাবের পানি খাওয়ানো উচিত।
👉বুকের দুধ খাওয়া শিশুদের ক্ষেত্রে বারবার দুধ পান করানো চালিয়ে যেতে হবে।

৩. উচ্চ প্রোটিন ও ক্যালরিযুক্ত খাবার
সংক্রমণের সাথে লড়াই করতে শরীরের শক্তির প্রয়োজন।
👉সহজপাচ্য খাবার: খিচুড়ি (চাল, ডাল ও সবজির মিশ্রণ), সুজি বা নরম ভাত দেওয়া যেতে পারে।
👉প্রোটিন: ডিমের কুসুম, মুরগির মাংসের স্যুপ বা পাতলা ডাল পেশি ক্ষয় রোধে সাহায্য করে।

৪. খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

জিঙ্ক (Zinc) এবং ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ খাবার (যেমন: লেবু, মাল্টা, পেয়ারা) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। জিঙ্ক সাপ্লিমেন্ট ডায়রিয়ার ঝুঁকিও কমায়।

সতর্কতা: হামের সময় শিশুকে কোনোভাবেই বাইরের বা অস্বাস্থ্যকর খাবার দেওয়া যাবে না। র‍্যাশ থাকাকালীন শরীর পরিষ্কার রাখতে হবে এবং চুলকানি কমানোর জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে ক্যালামাইন লোশন ব্যবহার করা যেতে পারে।

#হাম

25/03/2026

আপনার শরীরের ফ্যাট কি আপনার বন্ধু নাকি শত্রু?

​আমরা অনেকেই মনে করি 'ফ্যাট' মানেই খারাপ। কিন্তু বিজ্ঞানের ভাষায় সব ফ্যাট এক নয়! আমাদের শরীরের কোথায় ফ্যাট জমছে, তার ওপর নির্ভর করে আমাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি।
চলুন সংক্ষেপে জেনে নিই ৩ ধরনের ফ্যাট সম্পর্কে:

​১. সাবকুটেনিয়াস ফ্যাট (Subcutaneous Fat):

এটি চামড়ার ঠিক নিচে থাকে, যা আপনি হাত দিয়ে চেপে ধরতে পারেন। হাত, পা বা উরুর চর্বি সাধারণত এই ক্যাটাগরির। এটি শরীরকে আঘাত থেকে বাঁচায় এবং উষ্ণ রাখে। এটি সরাসরি প্রাণঘাতী নয়, তবে অতিরিক্ত বেড়ে গেলে জয়েন্টের সমস্যা তৈরি করে।

​২. ভিসেরাল ফ্যাট (Visceral Fat) — সাবধান!
এটি থাকে পেটের গভীরে, আমাদের লিভার, হার্ট এবং অন্ত্রের চারপাশে। বাইরে থেকে পেট শক্ত মনে হলে বুঝবেন এটি ভিসেরাল ফ্যাট। এটি সরাসরি রক্তে বিষাক্ত টক্সিন ছড়ায়, যা থেকে ডায়াবেটিস এবং হৃদরোগের ঝুঁকি তৈরি হয়। একে বলা হয় 'সাইলেন্ট কিলার'।

​৩. একটোপিক ফ্যাট (Ectopic Fat):
যখন ফ্যাট রাখার জায়গা ফুরিয়ে যায়, তখন চর্বি লিভার বা হার্টের মতো অঙ্গে ঢুকতে শুরু করে (যেমন: ফ্যাটি লিভার)। এটি শরীরের স্বাভাবিক বিপাক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে।

​💡 বাঁচার উপায় কী?
✅ প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি বা ব্যায়াম করুন।
✅ চিনি এবং অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট (সাদা ভাত, ময়দা) কমিয়ে প্রোটিন ও ফাইবার বাড়ান।
✅ পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন।
​আপনার শরীর আপনার সবচেয়ে বড় সম্পদ। আজই সচেতন হোন! 🏃‍♂️🍎

23/03/2026

🟡 ভিটামিন-ই: শরীরের জন্য কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

ভিটামিন-ই (Vitamin E) হলো একটি fat-soluble antioxidant vitamin। এর প্রধান কাজ শরীরের কোষকে ক্ষতিকর ফ্রি-র‍্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করা। মানবদেহে এটি কোষের মেমব্রেন, ত্বক, চোখ, মস্তিষ্ক এবং ইমিউন সিস্টেমকে সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ভিটামিন-ই মূলত tocopherol এবং tocotrienol নামের যৌগ দিয়ে তৈরি। এর মধ্যে alpha-tocopherol মানুষের শরীরে সবচেয়ে কার্যকর ও প্রধান ফর্ম।

১️⃣ ভিটামিন-ই এর শারীরবৃত্তীয় ভূমিকা

১. শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট

ভিটামিন-ই শরীরের কোষকে oxidative stress থেকে রক্ষা করে।
ফ্রি-র‍্যাডিক্যাল কোষের ক্ষতি করে এবং বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়ায় যেমন

হৃদরোগ

ক্যান্সার

বার্ধক্যজনিত কোষ ক্ষতি

Vitamin E lipid peroxidation কমিয়ে কোষের মেমব্রেনকে সুরক্ষা দেয়।

২. ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করা

ভিটামিন-ই T-cell mediated immune response উন্নত করে।
বিশেষ করে বয়স্কদের ক্ষেত্রে এটি সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

৩. ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্য

ভিটামিন-ই ত্বকের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

কারণ এটি—

ত্বকের moisture barrier বজায় রাখে

সূর্যের ক্ষতিকর UV damage কমাতে সাহায্য করে

ত্বকের aging process ধীর করে

ক্ষত দ্রুত শুকাতে সহায়তা করে

৪. হৃদযন্ত্রের সুরক্ষা

ভিটামিন-ই LDL oxidation কমাতে সাহায্য করে।
Oxidized LDL হলো atherosclerosis বা ধমনীতে প্লাক জমার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

তাই পর্যাপ্ত ভিটামিন-ই হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়ক।

৫. স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতা

ভিটামিন-ই স্নায়ুকোষকে oxidative damage থেকে রক্ষা করে।

এ কারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ—

নিউরোপ্যাথি প্রতিরোধে

মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে

৬. প্রজনন স্বাস্থ্যে ভূমিকা

ভিটামিন-ইকে অনেক সময় “fertility vitamin” বলা হয়।

এটি সাহায্য করে—

s***m quality উন্নত করতে

হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখতে

reproductive tissue সুরক্ষা দিতে

২️⃣ ভিটামিন-ই এর খাদ্য উৎস

প্রাকৃতিক খাদ্য থেকেই ভিটামিন-ই পাওয়া সবচেয়ে ভালো।

🥜 বাদাম ও বীজ

কাঠবাদাম

সূর্যমুখী বীজ

চিনাবাদাম

🫒 তেল

সূর্যমুখী তেল

সয়াবিন তেল

অলিভ অয়েল

🥬 সবুজ শাকসবজি

পালং শাক

লাল শাক

ব্রকলি

🥑 অন্যান্য খাবার

অ্যাভোকাডো

গমের অঙ্কুর (wheat germ)

ডিম

মাছ

৩️⃣ দৈনিক ভিটামিন-ই এর প্রয়োজন

বয়স দৈনিক প্রয়োজন

শিশু (1-3 বছর) 6 mg
শিশু (4-8 বছর) 7 mg
কিশোর 11 mg
প্রাপ্তবয়স্ক 15 mg/day
গর্ভবতী 15 mg
স্তন্যদানকারী মা 19 mg

৪️⃣ ভিটামিন-ই এর ঘাটতির লক্ষণ

ভিটামিন-ই ঘাটতি খুব সাধারণ নয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়।

লক্ষণগুলো হলো—

পেশি দুর্বলতা

স্নায়ু ক্ষতি (neuropathy)

চোখের সমস্যা

ইমিউন দুর্বলতা

চলাফেরায় সমন্বয়হীনতা

ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি—

malabsorption রোগী

chronic liver disease

prematurity baby

৫️⃣ অতিরিক্ত ভিটামিন-ই এর ঝুঁকি

খাবার থেকে বেশি পাওয়া সাধারণত ক্ষতিকর নয়।
কিন্তু অতিরিক্ত supplement সমস্যা তৈরি করতে পারে।

সম্ভাব্য ঝুঁকি—

রক্তপাতের ঝুঁকি

anticoagulant ওষুধের সাথে interaction

nausea

diarrhea

Upper limit (UL): 1000 mg/day

৬️⃣ শোষণ ও বায়োঅ্যাভেইলেবিলিটি

ভিটামিন-ই একটি fat-soluble vitamin, তাই এটি ভালোভাবে শোষিত হয় যখন খাবারে কিছু পরিমাণ fat থাকে।

উদাহরণ
শাকসবজি যদি সামান্য তেল দিয়ে রান্না করা হয়, তাহলে ভিটামিন-ই এবং অন্যান্য fat-soluble vitamin এর শোষণ বাড়ে।

গবেষণায় দেখা গেছে—

Vitamin E oxidative stress কমায়

disease risk কমাতে সাহায্য করতে পারে
immune function উন্নত করে

তবে বড় ডোজ supplement সবসময় প্রয়োজনীয় নয়; balanced diet সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।



Nutritionist Mofizur Rahman

20/03/2026

Eid Mubarak! 🌙✨

May this beautiful day bring peace to your heart, happiness to your home, and barakah to your life. May your sacrifices be accepted, your prayers answered, and your days filled with gratitude and joy.

Let’s celebrate Eid with kindness, compassion, and togetherness. Remember those in need, share your blessings, and spread smiles wherever you go.

Wishing you and your loved ones a joyful and meaningful Eid. 🌸

18/03/2026

ভিটামিন-এ এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস সমূহ।
লিভার, ডিমের কুসুম, দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার।
গাজর,কুমড়া, মিষ্টি আলু,লাল শাক, সবুজ শাক-সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-এ থাকে।
তাই রোজ খাদ্য তালিকায় এই খাবার গুলা অল্প হলেও রাখবেন।
ভিটামিন-এ জাতীয় খাবার শিশুর মানসিক ও শারীরিক বিকাশে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করে।

#2026

18/03/2026

এর লক্ষণ সমুহ

17/03/2026

🧠🌿 মেন্টাল হেলথ ও পুষ্টি: আপনার মস্তিষ্কও খাবার চায়

আমরা সাধারণত শরীরের সুস্থতা নিয়ে যতটা ভাবি, মেন্টাল হেলথ নিয়ে ততটা ভাবি না। অথচ সত্যটা হলো—আপনি যা খান, তার সরাসরি প্রভাব পড়ে আপনার মুড, চিন্তা, এমনকি সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার ওপর।

একজন দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, খাবার শুধু পেট ভরায় না—এটা ব্রেইনের জ্বালানি।

🔬 কীভাবে খাবার মেন্টাল হেলথে কাজ করে?

• আমাদের মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটার (যেমন serotonin, dopamine) তৈরি হয় খাবারের উপাদান থেকে
• Gut-Brain Axis—অর্থাৎ পেট ও মস্তিষ্কের সংযোগ—মুড ও ইমোশনে বড় ভূমিকা রাখে
• পুষ্টির ঘাটতি হলে দেখা দিতে পারে ক্লান্তি, উদ্বেগ, মন খারাপ, এমনকি ডিপ্রেশন

🥗 মেন্টাল হেলথ ভালো রাখতে যেসব পুষ্টি গুরুত্বপূর্ণ:

✔️ Omega-3 fatty acids (মাছ, বিশেষ করে সামুদ্রিক মাছ)
✔️ Vitamin B-complex (ডাল, শাকসবজি, সম্পূর্ণ শস্য)
✔️ Magnesium (বাদাম, বীজ, কলা)
✔️ Protein (ডিম, মাছ, মাংস, ডাল)
✔️ Probiotics (দই, ফার্মেন্টেড খাবার)

⚠️ যেগুলো কমানো জরুরি:

❌ অতিরিক্ত প্রসেসড খাবার
❌ অতিরিক্ত চিনি (শর্করা)
❌ বেশি ক্যাফেইন
❌ অনিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস

💡 বাস্তব কিছু পরামর্শ:

• প্রতিদিন নিয়মিত সময়ে খাবার খান
• প্লেটে রঙিন খাবার রাখুন—এটা পুষ্টির বৈচিত্র্য নিশ্চিত করে
• পর্যাপ্ত পানি পান করুন
• রাতে ভালো ঘুম নিশ্চিত করুন
• প্রয়োজন হলে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন

আসল কথা হলো:

মেন্টাল হেলথ শুধু “মনের ব্যাপার” না—এটা শরীর, বিশেষ করে আপনার খাদ্যাভ্যাসের সাথে গভীরভাবে যুক্ত। তাই নিজেকে ভালো রাখতে চাইলে, আপনার প্লেটটা আগে ঠিক করুন।

আপনার খাবারই আপনার অনুভূতিকে গড়ে তোলে।
Eat smart, feel better. 🌿



Nutritionist Mofizur Rahman MR Lifestyle

16/03/2026

For online and Offline Diet Consultancy just knock

16/03/2026

শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে ভিটামিন-এ এর ভূমিকা অসাধারণ।

14/03/2026

ভিটামিন-এ শিশুর বুদ্ধি বিকাশে ব্যাপক ভূমিকা রাখে।তাই শিশুকে বেশী বেশী ভিটামিন এ জাতীয় খাবার দিবেন।

Nutritionist Mofizur Rahman

13/03/2026

চোখের স্বাস্থ্য রুক্ষায় ভিটামিন-এ এর গুরুত্ব অপরিসীম। তাই চোখ ভালো রাখতে নিয়মিত ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবার খান।

নিয়মিত স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন টিপস পেতে MR Lifestyle পেজে চোখ রাখুন।


Nutritionist Mofizur Rahman

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Khulna?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Category

Culinary Team

Attire

Telephone

Address

Khulna