Fulmia's Thinking

Fulmia's Thinking

Share

I like to work and share my new thinking.I try to make conscious people about their health.

06/09/2025

হাসি খুশি থাকলে মন ভালো থাকে। ゚viralシfypシ゚viralシ

05/09/2025

゚viralシfypシ゚viralシ

Photos from  Fulmia's Thinking 's post 10/07/2025

#আমরা আমাদের সন্তানদেরকে পানিতে ডুবতে দিব না।
#পানিতে ডোবাঃ
যখন একজন ব্যক্তির শরীর পানির নিচে চলে যায়,তার নাক ও মুখ পানির নিচে থাকে এবং সে শ্বাস নিতে পারে না এই অবস্থাকে পানিতে ডোবা বলে।

#ডুবে যাওয়া ঘটনা যে যে কারণে ঘটতে পারে তার কারণ নিচে দেওয়া হল। যথাঃ

১।সাঁতার না জানা।
২।প্রবল স্রোত বা দ্রুত বেগের পানিতে ডুবে যাওয়ার ঘটনা বেশি ঘটে,তাই বর্ষাকালের জন্য এটি একটি বড় সমস্যা।
৩।সাঁতার কাটতে কাটতে ক্লান্ত হওয়া।
৪।ডুবে যাওয়ার ঘটনা ছেলে ও পুরুষদের মধ্যে বেশি দেখা যায়।কারণ তাদের ঝুঁকি নেয়ার প্রবণতা বেশি থাকে বলে বেশি দুর্ঘটনা ও আঘাতের শিকার হয়।

#ডুবে যাওয়া কি প্রতিরোধ করা যায়?

হ্যাঁ,ডুবে যাওয়া প্রতিরোধ করা যায় বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে তা নিচে দেওয়া হল।যথাঃ

১।প্রবল স্রোতে সাঁতার না কাটা।
২।শিশুদের ছোটবেলা হতে সাঁতার শেখানো।
৩।যারা সাঁতার জানে না তাদের দিকে নজর রাখা গোসল বা সাঁতার কাটার সময়।
৪।ডুবতে থাকা ব্যক্তিদের উদ্ধারের সময় লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করা।
৫।শিশুদের ডুবে যাওয়া হতে রক্ষা করতে বাড়ির বড় পানি ভর্তি পাত্র বা বালতি সব সময় ঢেকে রাখা উচিত।

#পানিতে ডুবে যাওয়ার পরিণতিঃ

১।মৃত্যু হতে পারে।
২।ডুবে যাওয়ার পরে যারা বেঁচে যান তারা নানারকম সমস্যায় ভুগে।অক্সিজেনের অভাবে তাদের মস্তিষ্কের ক্ষতি হতে পারে,হাঁটতে,কথা বলা ও দেখতে সমস্যা হয়।
৩।যদি ফুসফুসে পানি ঢুকে তাহলে মারাত্মক সমস্যা হয়।
৪।পানিতে ডুবে যাওয়া হতে বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ ও পানির প্রতি ভয় সৃষ্টি হয়।

#ডুবে যাওয়ার লক্ষণঃ

১।ডুবে যাওয়া নিঃশব্দে ঘটে।
২।ডুবতে থাকা ব্যক্তি সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে ও শ্বাস- প্রশ্বাস নিতে পারে না।
৩।ডুবতেরথাকা ব্যক্তির মাথা নিচের দিকে থাকতেরপারে এবং মুখ পানির সমতরে থাকে
৪।ব্যক্তির চোখ বড় বড় হয় ও আতংকে দেখা দেয় চেহারায়।
৫।ডুবতে থাকা ব্যক্তি পানির মধ্যে সোজা থাকার চেষ্টা করতে পারে এবং হাত-পা নাড়িয়ে অদৃশ্য সিঁড়ি বেড়েনউঠতে চাওয়ার মতো দেখাতে পারে।
৬।কিছুক্ষণ লড়াই করার পর ব্যক্তির মুখ পানিতে নিচের দিকে ভেসে থাকতে পারে।

#প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাঃ(ডুবতে থাকা ব্যক্তির সাহায্য)

১।ডুবতে থাকা ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট দুরত্ব হতে সাহায্য করতে হবে।ডুবে যাওয়া ব্যক্তির দিকে লাঠি বা দড়ি বাড়িয়ে দিতে হবে বা শুকনো কাঠের গুড়ি বা কলাগাছের গুঁড়ি এগিয়ে দিতে হবে যা আঁকড়ে ভেসে থাকতে পারে।
২।সাঁতার না জানলে অন্যকে বাঁচাতে পানিতে ঝাঁপ দেওয়া যাবে না।
৩।শিশুদেরকে জানাতে হবে যে,কাউকে পানিতে ডুবে যেতে দেখলে প্রাপ্ত বয়স্কদের জানাতে হবে।

#একজন ডুবে যাওয়া ব্যক্তিকে উদ্ধার করার পর যা যা করা উচিতঃ

১।যদি ব্যক্তি জাগ্রত থাকে বা কাশে,তাকে অবশ্যই কাশতে উৎসাহিত করতে হবে এতে ব্যক্তির ফুসফুস হতে পানি বের হয়ে আসবে।
২।পিঠে হালকা ভাবে চাপড় দিতে হবে।
৩।জোর করে বমি করানোর চেষ্টা করানো যাবে না।
৪।আশ্বস্ত ও শান্ত রাখাতে হবে।
৫। আস্তে আস্তে শ্বাস -প্রশ্বাস নিতে উৎসাহিত করা।
৬।ব্যক্তিকে উল্টো করে ঝুলিয়ে পানি বের করানোর চেষ্টা করা যাবে না, এটা পুসপুস হতে পানি বের করানো সটিক পদ্ধতি নহে।
৭।ব্যক্তিকে শুকনো কাপড় বা কম্বল দিয়ে ঢেকে শরীর গরম রাখার চেষ্টা করতে হবে।
৮।ব্যক্তির অবস্থান পর্যালোচনা করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া।

#ডুবে যাওয়া ব্যক্তি উদ্ধারের পর অচেতন থাকলে যা যা করা উচিতঃ

১।পানি হতে তুলে ব্যক্তিকে মাটিতে শুয়ে দিতে হবে।
২।মাথা সামান্য পিছনে ঝুঁকিয়ে মুখ খুলে শ্বাসনালী পরিস্কার করে দিতে হবে।
৩।ব্যক্তি শ্বাস নিচ্ছে কি না দেখতে হবে।
৪।যদি ব্যক্তি শ্বাস নেয় তাহলে কাত করে শুয়িয়ে দিতে হবে এটি ফুসফুস হতে পানি বের হতে সাহায্য করে।
৫।ব্যক্তিকে শুকনো কাপড় বা কম্বল দিয়ে ঢেকে শরীর গরম রাখার চেষ্টা করতে হবে।
৬।ব্যক্তিকে উল্টো করে ঝুলিয়ে পানি বের করানোর চেষ্টা করা যাবে না, এটা পুসপুস হতে পানি বের করানো সটিক পদ্ধতি নহে।
৭।যদি ব্যক্তি শ্বাস না নেয় তাহলে বুঝতে হবে ব্যক্তি মারা গেছেন।

07/07/2025

#গর্ভবতী মায়ের মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে আলোচনা।

#মানসিক স্বাস্থ্যঃ

মনের স্বাস্থ্যকে মানসিক স্বাস্থ্য বলে। অর্থাৎ সকল পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বুঝায়।এটি শরীর ও মনের সুস্থতা ও নৈতিকতার সমন্বিত রুপ ও তার সংগতি বিধান।

#মানসিক সমস্যাঃ

মানসিক সমস্যা হলো এমন এক ধরনের সমস্যা যা ব্যক্তির কার্যাবলির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। অর্থাৎ মানসিক সমস্যা বা মানসিক রোগ হলো এক ধরনের অবস্থা যা ব্যক্তির মন ও আচরণের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এটি ব্যক্তির মেজাজ, চিন্তাভাবনা এবং আচরণে পরিবর্তন আনতে পারে। এর ফলে ব্যক্তি দৈনন্দিন জীবন যাপনে সমস্যা অনুভব করতে পারে।

#বেবি ব্লুজঃ

মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা যেকোনো নারীর হতে পারে বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় এবং প্রসবের পরের বছর এই অবস্থাকে "বেবি ব্লুজ" বলা হয়।

#গর্ভবতী মায়ের মানসিক সমস্যার লক্ষণঃ

১। মেজাজের পরিবর্তন
২।অতিরিক্ত বা কম ঘুম
৩।ক্ষুধা হ্রাস বা বৃদ্ধি,
৪।কাজে মনোযোগ দিতে অসুবিধা
৫।সামাজিক কার্যকলাপ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেয়া
৬।একা অনুভব কর এবং আত্মহত্যার চিন্তা
৭। উদ্বেগ, ভয়, অথবা সবসময় বিষণ্ণ বোধ করা।
৮।শারীরিক সমস্যা যেমনঃ ক্লান্তি, শরীরে ব্যথা, মাথাব্যথা, হজমের সমস্যা, ইত্যাদি।
৯।অস্বাভাবিক আচার-আচরণ যেমনঃ অতিরিক্ত রাগ করা, ভাঙচুর করা, বা অসংলগ্ন কথা বলা।
১০।চলাফেরার সমস্যা এবং
১১।হ্যালুসিনেশন হওয়া যেমনঃঅলীক কিছু দেখা বা শোনা, অথবা অবাস্তব ধারণায় বিশ্বাস করা।

১০ জন গর্ভবতী নারীর মধ্যে ১বা২ জনের প্রসবের পর ডিপ্রেশনে ভুগতে পারে।

গর্ভবতী মায়ের মানসিক এই সমস্যা ১ মাসের অধিক হলে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া উচিত।

#গর্ভবতী মায়ের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা ভালো করার উপায়ঃ

১।জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা।
২।শখের প্রতি মনোযোগ
৩।সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখা
৪।পর্যাপ্ত ঘুম
৫।পুষ্টিকর ও সুষম খাবার খাওয়া
৬।ধর্মীয় কাজে মনোনিবেশ করা
৭।নিয়মিত ব্যায়াম করা
৮।নিয়মমাফিক জীবন-যাপন করা
৯।বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়স্বজনদের সাথে মেলামেশা করা এবং
১০।ধুমপান ও মাদক থেকে দূরে রাখা

#গর্ভবতী মায়ের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা ভালো করার খাবার তালিকাঃ

১।গর্ভবতী মায়েদের প্রতিদিন আমিষ খাওয়া উচিত। এই আমিষ বিভিন্ন উৎস হতে পাওয়া যায়।যেমনঃ মাছ,মাংস ও মুরগির ডিম হতে।সবজি যেমনঃ ডাল,সয়াবিন ও বাদামে প্রচুর আমিষ থাকে এছাড়াও দুধ,দই ও পনিরেও প্রচুর আমিষ আছে।
২।চাল,আলু ও রুটিতে শর্করা আছে যা শরীরে শক্তি যোগায় ও শিশুর ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।
৩।আয়রন ও ক্যালসিয়াম শরীরে রোগ প্রতিরোধ বাড়ায়।শিশুর মস্তিষ্ক বিকাশ, দৃষ্টি শক্তি বাড়ায়,হাড় ও রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে।
৪।পাকা কলা,আনারস(পরিমাণ মত),পাকা পেঁপে(পরিমাণ মত),আম,নারিকেল, ডুমুর,শসা,শিম,কুমড়ো ইত্যাদি খেতে পারেন।
৫।তেল ও চর্বি শরীরে শক্তি যোগায়,গর্ভনালী গঠন ও শিশুর অভ্যন্তরীণ অঙ্গ -প্রত্যঙ্গ বিকাশে সহায়তা করে।এছাড়া ঘি,মাখন ও চিনাবাদামেও চর্বি ও তেল থাকে এগুলোও খেতে পারেন।

ধন্যবাদ সকলকেই।
ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন এবং ভুল ধরিয়ে দিবেন যাহাতে সঠিকভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে পারি।
#নিজে জানুন অন্যকে জানতে সাহায্য করুন।
#আল্লাহ সবার মঙ্গল ও দীর্ঘজীবী করুক এই দোয়া করি। সবার জন্য শুভকামনা ও ভালোবাসা রইল।

09/06/2025

Health is Wealth.

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fulmia's Thinking posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.