Moriom Compounding & Wellness Center
Homeopathy: an effective treatment. It may even offer long lasting to permanent cure
Homeopathic treatment is an effective method of healing – in both acute and chronic conditions, as claimed by millions of patients and thousands of homeopathic doctors.
EECP চিকিৎসা (Enhanced External Counterpulsation)
এটি হৃদরোগের জন্য একটি নন-ইনভেসিভ (অপারেশন ছাড়া) থেরাপি। সাধারণত যাদের বুকে ব্যথা (Angina) বারবার হয়, অথবা ব্লকেজ আছে কিন্তু বাইপাস/স্টেন্ট করা যাচ্ছে না বা করতে চাইছেন না — তাদের জন্য EECP ব্যবহার করা হয়।
⭐ EECP কীভাবে কাজ করে?
EECP চলাকালীন রোগীকে বিছানায় শোয়ানো হয় এবং পা–কোমর বরাবর ইলাস্টিক কফ লাগানো হয়।
মেশিনটি হৃদপিণ্ডের সাথে সমন্বয় করে:
হৃদপিণ্ড বিশ্রামে থাকলে (Diastole): কফগুলো ফুলে রক্ত ওপরে (হার্টে) ঠেলে দেয় → হার্টে রক্ত সরবরাহ বাড়ে
হৃদপিণ্ড সংকোচনের সময় (Systole): কফগুলো দ্রুত নরম হয়ে যায় → হার্টের কাজ কমে, প্রেসার কম পড়ে
এর ফলে হার্টের চারপাশে নতুন ছোট রক্তনালী (Collateral) তৈরি হতে পারে।
⭐ EECP কেন করা হয়? (ইন্ডিকেশন)
বারবার বুকে ব্যথা (Chronic Angina)
করোনারি আর্টারিতে ব্লক কিন্তু স্টেন্ট/বাইপাস সম্ভব না
স্টেন্ট/বাইপাসের পরেও ব্যথা না কমা
হৃদপিণ্ডের রক্ত সঞ্চালন দুর্বল হলে
যারা হার্টের অপারেশন ঝুঁকি নিতে পারেন না
⭐ EECP চিকিৎসার সুফল
বুকে ব্যথা কমে
হাঁটাচলা/ব্যায়াম সহনশীলতা বাড়ে
হৃদপিণ্ডে রক্ত প্রবাহ বাড়ে
ওষুধের পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে
জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়
⭐ EECP কতদিন করতে হয়?
সাধারণত 35 সেশন (প্রতিদিন 1 ঘণ্টা করে, সপ্তাহে 6 দিন)
পুরো কোর্স শেষ করতে প্রায় 6–7 সপ্তাহ লাগে
⭐ EECP কারা করতে পারবেন না? (Contraindication)
গুরুতর হৃদযন্ত্রের ভালভ সমস্যা
অনিয়ন্ত্রিত হাইপারটেনশন
অর্টিক অ্যানিউরিজম
পায়ের রক্তনালীতে সমস্যা (গুরুতর PAD)
গর্ভবতী নারী
হার্টে রক্ত জমাট (LV thrombus)
যখনই সবজি খাবেন সেখানে লেবুর রস অবশ্যই মেশাবেন!
আয়রন হলো হিমোগ্লোবিনের মূল উপাদান, যা লোহিত রক্তকণিকায় (RBC) থাকে। হিমোগ্লোবিনের কাজ হলো ফুসফুস থেকে অক্সিজেন শরীরের প্রতিটি কোষে পৌঁছে দেওয়া। আয়রনের অভাবে রক্তশূন্যতা (Iron-deficiency anemia), ক্লান্তি, দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, মনোযোগ কমে যাওয়া, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, চুল পড়া ও ত্বক ফ্যাকাশে হয়ে যায়।
আয়রন (Iron) সমৃদ্ধ সবজি মূলত দুই ধরনের হয়:
১. নন-হিম আয়রন (Non-heme iron) যেটা উদ্ভিদজাত খাবারে পাওয়া যায়। ২. হিম আয়রন (Heme iron) যেটা প্রাণিজ খাবারে পাওয়া যায় (মাংস, মাছ ইত্যাদি)।
শাকসবজির আয়রন হলো নন-হিম আয়রন, যা শরীর সহজে শোষণ করতে পারে না। লেবুর রসে প্রচুর ভিটামিন সি (অ্যাসকরবিক এসিড) থাকে। ভিটামিন সি আয়রনকে ফেরাস আয়রনে (Fe²⁺) রূপান্তর করে, যা শরীর সহজে শোষণ করতে পারে।ফলে শাকসবজির আয়রন শরীরে দ্রুত ও বেশি পরিমাণে শোষিত হয়।
পালং শাক বা লাল শাক ভাজি করার পর তার উপর লেবুর রস ছিটিয়ে দিলে শরীর আয়রন বেশি শোষণ করবে। কাঁচা সালাদ (শাক, শসা, টমেটো) এর সাথে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে আয়রন শোষণ আরও ভালো হয়।
এছাড়াও আয়রন সমৃদ্ধ সবজি খাওয়ার সাথে সাথে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার (লেবু, কমলা, আমলকি, টমেটো) খাওয়া গেলেও আয়রন দ্রুত শোষণ হবে।
সতর্কতা:
রান্নার সময় লেবুর রস দিলে ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই রান্নার পর বা খাওয়ার আগে লেবুর রস দেওয়া সবচেয়ে ভালো।
চা/কফি খাবার সাথে সাথে খাবেন না, কারণ এতে থাকা ট্যানিন আয়রন শোষণ কমায়।
গর্ভবতী অবস্থা কি ডাবের পানি খাওয়া যাবে
হ্যাঁ, গর্ভাবস্থায় ডাবের পানি খাওয়া নিরাপদ এবং উপকারী। এতে ইলেকট্রোলাইট, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, এবং ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা শরীরের পানিশূন্যতা রোধ করতে সহায়ক।
গর্ভাবস্থায় ডাবের পানির উপকারিতা:
1. ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করে – গরম আবহাওয়ায় বা বমি বেশি হলে শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে।
2. হজমে সহায়তা করে – কোষ্ঠকাঠিন্য ও হজমজনিত সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।
3. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে – এতে থাকা পটাশিয়াম উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক।
4. শক্তি যোগায় – এতে প্রাকৃতিক চিনি থাকায় তা শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে।
5. ইমিউনিটি বাড়ায় – এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
সতর্কতা:
অতিরিক্ত না খাওয়া ভালো, কারণ এতে চিনি ও ক্যালোরি থাকে, যা ওজন বাড়াতে পারে।
ডায়াবেটিস থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত, কারণ এতে প্রাকৃতিক চিনি থাকে।
সতেজ ডাবের পানি খাওয়া ভালো, কারণ বোতলজাত ডাবের পানিতে সংরক্ষণকারী রাসায়নিক থাকতে পারে।
সতর্কবার্তা :
গর্ভাবস্থায় পরিমাণমতো ডাবের পানি খাওয়া শরীরের জন্য ভালো, তবে যদি কোনো অস্বস্তি বা সমস্যা অনুভব করেন, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
22/02/2025
খেজুর চিনি একটি প্রাকৃতিক মিষ্টি, যা পরিশোধিত চিনির স্বাস্থ্যকর বিকল্প। এতে প্রাকৃতিক শর্করা, ভিটামিন বি, আয়রন, পটাশিয়াম, এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এটি রক্তস্বল্পতা কমানো, হজমশক্তি উন্নত করা, এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক।
খেজুর চিনির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় এটি রক্তে শর্করার মাত্রা ধীরে বাড়ায়, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য তুলনামূলক নিরাপদ। এটি হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষা করে এবং প্রাকৃতিক শক্তি যোগায়।
খেজুর চিনি চা, মিষ্টান্ন, ওটস, এবং শিশুদের খাবারে সহজেই ব্যবহার করা যায়। তবে অতিরিক্ত সেবন এড়িয়ে পরিমিতভাবে খাওয়া উচিত।
চির তরুণ ও নিরোগ থাকার অব্যর্থ টিপস দিলেন দেবী শেঠী
এই সহজ পরামর্শগুলো বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক ডা. দেবী শেঠীর। রো*গমুক্ত ও চিরতরুণ থাকার অব্যর্থ উপায় বলছেন তিনি।
১. খুব ধীরে ধীরে চেষ্টা করতে করতে কয়েক মাসের
মধ্যে সকালে ঘুম থেকে উঠে চার গ্লাস পানি
খাওয়ার অভ্যাস করুন। এর পর বাথরুমে যান।
২. বাথরুম থেকে ফিরে এসে আরও এক গ্লাস পানি
খান এবং তার পর খান দুধ ছাড়া খুব হালকা এক
কাপ চা। আপনার ওজন বেশি হলে চিনি খাওয়া ছেড়ে
দিন। চা কখনোই অতিরিক্ত গরম খাবেন না।
৩. সারা দিনে ৮ থেকে ১২ গ্লাস বাড়তি পানি
খাবেন।
৪. পানি খাওয়ার নাম হচ্ছে হাইড্রোথেরাপি রা
জলচিকিৎসা। মূলত এটি হচ্ছে প্রায় সাড়ে ৫ হাজার
বছরের প্রাচীন ভারতীয় চিকিৎসা। আধুনিক
বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়েছে- ঘুম থেকে
উঠে ধীরে ধীরে চার গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস
করলে প্রায় ৩৬ ধরণের রোগ হয় না এবং হলেও
সেরে যায়।
৫. অপর পক্ষে, দুধহীন এবং দুধ-চিনি-হীন হালকা
গরম চা হচ্ছে আড়াই হাজার বছর আগের একটি
চায়নিজ হারবাল মেডিসিন । সেকালে এই চা দিয়ে
হার্ট, ব্লাড প্রেসার (উচ্চ রক্তচাপ) ও পেটের
নানা রকম রোগের চিকিৎসা করা হতো। আবার
আধুনিক বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে- চায়ে
রয়েছে অ্যান্টিঅিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে
নিশ্চিত অবদান রাখে। এ ছাড়াও অন্য বহুগুণ
রয়েছে চায়ে। তবে যে চা-টা প্রক্রিয়াজাত হয়নি, সে
চায়ের গুণাগুণই অপেক্ষাকৃত ভালো।
৬. ভিটামিন সি একটি বৈপ্লবিক খাদ্যপ্রাণ এর
গুণাগুণ অসংখ্য। জানা গেছে, দিনে ১ হাজার
মিলিগ্রাম ভিটামিন সি খেলে মানুষ চির তরুণ থাকে।
তবে ট্যাবলেট খেলে কিছুই উপকার পাওয়া যায় না।
প্রতিদিনই কমবেশী খেতে হবে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ
তাজা ফলমূল। ভিটামিন সিও ক্যান্সার ঠেকাতে
সাহায্য করে। আমলকি, সব ধরনের লেবু, টমেটো,
কমলা, পেয়ারা, নানা রকর টক স্বাদের ফলে
বিভিন্ন মাত্রায় ভিটামিন সি রয়েছে।
৭. ধূমপানসহ সকল ধরণের নেশা জাতীয় অভ্যাস
ত্যাগ করুণ। কারণ নেশা মানুষকে সকল দিক দিয়ে
ধ্বংস করে দেয়।
৮. রেডমিট অর্থাৎ গরু, মহিষ, খাসি, ভেড়া
ইত্যাদির মাংস খাওয়া ছেড়ে দিতে হবে। ফার্মের
মুরগিও চলবে না। শুধু চর্বিহীন বাচ্চা মুরগির মাংস
খাওয়া চলতে পারে।
৯. প্রচুর পরিমাণে আধা-সেদ্ধ শাক-সবজি,
তরিতরকারি এবং খুব অল্প পরিমাণে ভাত-রুটি
খাওয়া উচিত।
ভাজাভুজি খাবেন না। অতিরিক্ত তেল, চর্বি, ঘি,
মাখন খাবেন না। মসলার বিভিন্ন ভেষজ গুণ আছে,
তবুও রান্নায় খুব বেশি মসলা ব্যবহার করবেন না।
১০. সালাদ হিসাবে প্রতিদিন বেশি করে খাবেন
কাঁচা লেটুস পাতা, পুদিনা পাতা, টমেটো ইত্যাদি।
১১. বিধিনিষেধ না থাকলে সকালে খালি পেটে এক
চামচ মধু খাবেন।
১২. ছোট-বড় সব ধরনের মাছ খাবেন। সমুদ্রের
মাছ খাওয়া অভ্যাস করতে পারলে তো খুবই ভালো।
কেননা, এটা মহৌষধ। গাদা-গাদা মাছের কাটা খাওয়া
ঠিক নয়। ওতে পাকস্থলিতে পাথর হতে পারে।
১৩. সূর্যমূখী ফুলের বীজ হচ্ছে হার্টের ভেষজ
ওষুধ। রান্নায় সূর্যমূখী তেল ব্যবহার করলে
হার্টের সুরক্ষা যেমন হয়, তেমনি হার্টের অসুখ
থাকলে তা সারাতে সাহায্য করে।
১৪. প্রতিদিন অল্প একটু টক দই খাওয়ার অভ্যাস করুন।
টক দই উচ্চ রক্তচাপকে নিয়ন্ত্রণে আনতে
সাহায্য করে ।
@ পিওথলির পাথর কী?
পিওথলি বা গলব্লাডার একটি ছোট অঙ্গ যা লিভারের নিচে অবস্থিত এবং পিত্তরস জমা করে রাখে, যা খাদ্য হজমে সহায়তা করে। যখন পিত্তরসে থাকা উপাদানগুলো কঠিন আকার ধারণ করে, তখন পিওথলিতে পাথর তৈরি হয়।
> পিওথলির পাথরের লক্ষণ:
- পেটের ডান দিকে ব্যথা
-ব্যথা ডান কাঁধেও অনুভব হতে পারে
-তৈলাক্ত খাবার বেশি খেলে পেট ফাঁপা হতে পারে
- বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া
- জ্বর
১০০℅ চিকিৎসা প্রদান করা হয়
হোয়াটস্যাপ /ফেসবুক পেজ /ফেসবুক প্রোফাইল /সরাসরি ফোনকলের মাধ্যমেও এপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করতে পারবেন। #
https://www.facebook.com/profile.php?id=100076482250794&mibextid=ZbWKwL
The School of Homeopathic Emergency Medicine Emergency medicine is the medical speciality concerned with the care of illnesses or injuries requiring immediate medical attention. Emergency physicians continuously learn to care for unscheduled and undifferentiated patients of all ages.
""তালবিনা - যবের ছাতু হাজার বছরের প্রাচীন খাবার । আমাদের পূর্ব পুরুষ গন এনার্জি ড্রিঙ্ক হিসাবে এটা খেতেন। এটি রাসূলুল্লাহ (সা.) এর সুন্নাত ""
তালবিনা এ রয়েছে অ্যামিনো অ্যাসিড, এটি এতটাই শক্তিশালী যে, বিজ্ঞানীরা এটাকে "অলৌকিক অণু" বা "Miracle Molecule" হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। এর বিশেষ গুণের কারণে আমাদের শরীর L-Arginine কে Nitric Oxide এ রূপান্তর করে Blood Vessels-কে প্রশস্ত ও খুলে দেওয়ার মাধ্যমে বাঁধাগ্রস্ত রক্তের চলাচল প্রক্রিয়া সুগম করে দেয়। মাত্রানুযায়ী রক্ত সঞ্চালন আমাদের শরীরে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কার্যাবলীতে সহায়তা করে, যা নিয়মিত সুন্নতি তালবিনা পান করে বজায় রাখা সম্ভব।
পেটের গ্যাসের সমস্যা প্রায় সবার । নিয়মিত ২ বেলা খেলে পেটের গ্যাসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে ১ সপ্তাহের মধ্যে ইন শা আল্লাহ ।
গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ার কারণে ছাতুতে উপস্থিত শর্করা খুব ধীরে ধীরে রক্তে মিশে থাকে। ফলে এই ধরনের খাবার খেলে হঠাৎ করে শরীরে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই থাকে না। সেই কারণেই তো ডায়াবেটিক রোগীরও ইচ্ছা হলে ছাতু খেতে পারেন। প্রসঙ্গত, একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত ছাতুর সরবত খেলে রক্তচাপ অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
আপনি কি করোনারি আর্টারি ডিজিস অথবা হৃদরোগে আক্রান্ত?
আপনার কি প্রায় সময় বুকে ব্যথা হয় অথবা ঘন ঘন হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে অথবা আপনার কি হার্টে ব্লক ধরা পড়েছে?আপনি কি উচ্চ রক্তচাপ জনিত সমস্যায় ভুগছেন অথবা স্নায়ুবিক ও শারীরিক দুর্বলতাজনিত সমস্যা লক্ষ করছেন?
‘তালবিনা’ রুগ্ন ব্যক্তির হৃদয়ে প্রশান্তি আনে
এ এক আশ্চর্যজনক খাবার। শুধু খাবার বলবে ভুল হবে, এ যেন এক বিস্ময়কর ঔষধ। পাকস্থলী এবং অন্ত্রতে আলসারের রোগীদের সকালের নাস্তায় নবী সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময়ে উন্নত মানের ব্যবস্থাপত্র হিসেবে তালবিনা দেয়া হতো।
তালবিনা পানের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপকার :
০১) সুস্থ ও স্বাভাবিক রক্তচাপ বজায় রাখতে সাহায্য করে।
০২) স্বাভাবিকভাবে কার্ডিওভাসকুলার হেলথ বা হৃদযন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
০৩) ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
০৪) নার্ভাস সিস্টেমকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
০৫) হাঁড় এবং কোষের বৃদ্ধি ও পুনর্গঠনে সহায়তা করে।
০৬) পুরুষের শক্তি বৃদ্ধি ক্ষমতা পুনর্বহাল করতে সাহায্য করে।
০৭) চর্বি ও শর্করার বিপাকীয়তায় সাহায্য করে।
০৮) অ্যান্টি-এইজিং হরমোন তৈরিতে সহযোগিতা করে।
০৯) ইমিউন সিস্টেমকে কার্যকর রাখতে বা রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।
১০) পেশী বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করে এবং এটি শরীরচর্চাকারী উনাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
১১।এটি হৃদযন্ত্রের সুস্থতা ও ইমিউন প্রক্রিয়াকে কার্যকরী ও সচল রাখে।
স্বাস্থ্যের বহুবিধ উপকারিতার জন্য তালবিনা দেহে অনেক উত্তেজনাকর ঘটনার অবতারণা করে থাকে, এতে অবাক হওয়ারও কিছু নেই। তালবিনা এবং এর শক্তিশালী পুষ্টি সমৃদ্ধ উপাদানের ফলশ্রুতির মাধ্যমে আপনার পুরো পরিবারের সুস্বাস্থ্য সুরক্ষিত হবে।
"মানুষ আজ প্রকৃতির অনুভূতি বুঝতে সক্ষম কারণ বিশ্বে সুন্দরী নারী রয়েছে" বাড়িতে শারীরিক সুস্থতার জন্য আমরা আছি আপনার পাশে
09/12/2021
Click here to claim your Sponsored Listing.
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
1216