Urmi beauty solution

Urmi beauty solution

Share

এখানে স্বল্প মূল্যে বিয়ে সহ অন্যান্য অনুষ্ঠানের মেয়েদের সাজানো হয়।

24/11/2025

💖❤️

23/11/2025
Photos from Urmi beauty solution 's post 20/12/2024

❤️❤️❤️

20/12/2024

আপনাদের নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো ডিজাইনের মেহেদী দিয়ে দেওয়া হয়❤️

Photos from Urmi beauty solution 's post 19/12/2024

Same same🥰

19/12/2024

চোখে ঘুম এনে দেয় যে ব্যায়াম!
অনিদ্রা দূর করতে যোগাসন বা ইয়োগাতে রয়েছে বিশেষ কিছু ব্যায়ামের নির্দেশনা। যে ব্যায়াম অনুশীলনের পর শান্তির ঘুম নেমে আসতে শুরু করবে আপনার চোখে। জানেন কি সেই ব্যায়ামটির নাম?
নিয়মিত একটি ব্যায়াম অনুশীলন করলেই অনিদ্রা সমস্যা দূর হয়ে চোখে নেমে আসবে শান্তির ঘুম।

নিয়মিত একটি ব্যায়াম অনুশীলন করলেই অনিদ্রা সমস্যা দূর হয়ে চোখে নেমে আসবে শান্তির ঘুম। ছবি:

২ মিনিটে পড়ুন
সাধারণত রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে সহজ কিছু ব্যায়ামের কথা উল্লেখ রয়েছে যোগাসনে। এসব ব্যায়াম শরীর কিংবা হার্টের গতি বাড়িয়ে তুলে না বরং স্বাভাবিক রাখে। আবার এনে দেয় প্রশান্তির ঘুমও।



ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, অনিদ্রা দূর করার একটি কার্যকরী যোগাসন হলো বলাসন। নিয়মিত বলাসন অনুশীলনে মন শান্ত হয়। অনিদ্রা দূর হয়। ক্লান্তি দূর হয়। হাড় মজবুত হয়। মেদ কমে। হজম শক্তি বাড়ে। দেহে রক্ত সঞ্চালনের প্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখে।




বলাসন অনুশীলন করার নিয়ম: প্রথমে হামাগুড়ি দেয়ার মতো বসতে হবে। এরপর ধীরে ধীরে হাত ও মাথা সামনের দিকে নিচু করতে হবে। প্রণাম করার স্টাইলে কপাল ঠেকবে মাটিতে। নিতম্ব পায়ের গোড়ালির উপর রাখতে হবে। এবার হাত দুটো সামনে মাটিতে রাখুন, যেন তালু মাটি স্পর্শ করে।



বলাসন অনুশীল করার পর অবশ্যই শবাসন অনুশীলন করতে হবে। এতে আপনার শরীরে আরাম মিলবে। এরপরই চোখে নেমে আসবে প্রশান্তির ঘুম।




শবাসন অনুশীলন করার নিয়ম: সবচেয়ে সহজ আসন মনে হলেও শবাসন করতে মানসিক স্থিরতার প্রয়োজন। চিত হয়ে শুয়ে পা দুটি লম্বা করে ছড়িয়ে দিন।



দুটি হাত শরীরের দু’পাশে শরীরসংলগ্ন রাখুন। হাতের তালু দুটি শিথিল করে রাখুন। চোখ বন্ধ করুন। বেশ কিছুক্ষণ এভাবে মরার মতো পড়ে থাকার পর ধীরে ধীরে উঠে বসুন। এতে মন এবং মস্তিষ্ক দুটোই শান্ত থাকবে।

19/12/2024

ফ্যাটি লিভারের সমাধান সহজ ব্যায়ামে
জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাস লিভারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই ফিট থাকতে ও লিভারের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে নিয়মিত সহজ কিছু ব্যায়াম করার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
বাংলাদেশে ফ্যাটি লিভারে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই লিভারের সুরক্ষায় নিয়মিত কিছু সহজ ব্যায়াম করার অভ্যাস করুন। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে ফ্যাটি লিভারে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই লিভারের সুরক্ষায় নিয়মিত কিছু সহজ ব্যায়াম করার অভ্যাস করুন। ছবি: সংগৃহীত
লাইফস্টাইল ডেস্ক

২ মিনিটে পড়ুন
বাংলাদেশে ফ্যাটি লিভারে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ ফ্যাটি লিভারই এক সময় কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে হেপাটাইটিস রোগের।



বিশেষজ্ঞদের কথায়, লিভারে সামান্য ফ্যাট থাকে। তবে এই ফ্যাটের আধিক্য হলেই সমস্যা। সে ক্ষেত্রে লিভার ফাইব্রোসিস ও সিরোসিসের মতো অসুখ দেহে বাসা বাঁধে। আর সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্যাটি লিভার ডিজিজের তেমন কোনো উপসর্গ থাকে না বললেই চলে।

বিশ্ব হেপাটাইটিস দিবসে আজ তাই আসুন জেনে নিই, লিভার সুস্থ রাখতে ও ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তি পেতে সহজ কিছু সহজ ব্যায়াম সম্পর্কে-

১। হাঁটা: ফ্যাটি লিভারের সমস্যা কমাতে নিয়মিত ব্যায়াম করার অভ্যাসের বিকল্প নেই। ফ্যাটি লিভার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে সবচেয়ে সহজ ব্যায়াম হলো নিয়মিত ১৫ মিনিট হাঁটার অভ্যাস।

২। সাইকেল চালানো: এরোবিক এক্সারসাইজের মধ্যে জনপ্রিয় একটি ব্যায়াম সাইকেল চালানো। পেট, লিভার, পায়ের ফ্যাট বা মেদ ঝড়াতে সাইকেল চালানোর অভ্যাস করতে পারেন।

৩। সাঁতার: এরোবিক এক্সারসাইজের আরেকটি অন্যতম ব্যায়াম হলো সাঁতার। এ ব্যায়াম শুধু লিভার ও পেটেরই নয়, পুরো শরীরকে মেদমুক্ত রাখতে সাহায্য করতে পারে।

আরও পড়ুন: দীর্ঘায়ু পেতে সকালের নাশতায় কী খাবেন?

৪। ভুজঙ্গাসন: ফ্যাটি লিভার থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে প্রতিদিন ভুজঙ্গাসন অনুশীলন করতে পারেন। এ আসন অনুশীলনে প্রথমে মেঝেতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ুন। এবার হাতের তালু মেঝের ওপর ভর দিয়ে পাঁজরের দুপাশে রাখুন।


নিয়মিত এভাবে ভুজঙ্গাসন করুন।


এরপর কোমর থেকে পা পর্যন্ত মাটিতে রেখে হাতের তালুর ওপর ভর দিয়ে বাকি শরীর ধীরে ধীরে উপরের দিকে তুলুন। মাথা বেঁকিয়ে উপরের দিকে তাকান।



তবে মনে রাখবেন, ব্যায়াম করার পাশাপাশি অবশ্যই তেল, মসলা, মিষ্টি, অ্যালকোহল খাওয়া কিংবা ধূমপান করার অভ্যাস বাদ দিতে হবে। তবেই এই অসুখ থেকে মুক্তি নিশ্চিত।

19/12/2024

শীতে গরম পানিতে গোসল করলে কী হয়?
দেশে শুরু হয়ে গেছে শীতের দাপট। শীতের এ ঠান্ডা আবহাওয়ায় সবচেয়ে বেশি অসুবিধা হয় গোসল করার সময়। শীত থেকে বাঁচতে তাই অনেকেই গরম পানিতে গোসল করেন।
শীতকালে গোসলে অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহারে ত্বকের আর্দ্রতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্কিন ডিজিজ ও মানসিক প্রশান্তিও নষ্ট হতে পারে। ছবি: সংগৃহীত
শীতকালে গোসলে অতিরিক্ত গরম পানি ব্যবহারে ত্বকের আর্দ্রতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্কিন ডিজিজ ও মানসিক প্রশান্তিও নষ্ট হতে পারে। ছবি: সংগৃহীত
লাইফস্টাইল ডেস্ক

১ মিনিটে পড়ুন
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ অভ্যাস স্বল্প সময়ের জন্য আরাম দিলেও দীর্ঘ মেয়াদে ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনে। এ অভ্যাসে ত্বকের ফলিকলগুলো নষ্ট হতে শুরু করে। পেটে গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়। চুলের ক্ষতি করে। রক্তচাপ বাড়িয়ে দিয়ে হৃদ্‌রোগ আর স্ট্রোকের ঝুঁকিও বাড়িয়ে তোলে।




তা ছাড়া গরম পানিতে গোসল করার অভ্যাস যাদের রয়েছে তাদের ঠান্ডাজনিত রোগ, টনসিল, সর্দি ও কাশির সমস্যা লেগেই থাকে। তাই গরম পানি কিংবা কুসুম গরম পানিতে গোসল না করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।

তাহলে শীত থেকে বাঁচতে করণীয় কী? এমন প্রশ্নের উত্তরে বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঠান্ডা আবহাওয়ার কারণে পানি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় থাকে না। বরং স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ঠান্ডা থাকে। তাই এ ক্ষেত্রে এ ঠান্ডা পানির সঙ্গে গরম পানি এমনভাবে মেশাতে হবে যে পানি স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরে আসে।



ভারতীয় সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮-এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গোসলের সময় কুসুম গরম পানি কিংবা বেশি গরম পানি ব্যবহার উচিত নয়। বরং ব্যবহার করা উচিত স্বাভাবিক তাপমাত্রায় পানি। আর পানিকে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ফিরিয়ে আনতে ঠান্ডা পানির সঙ্গে সামান্য গরম পানি মেশানোই যথেষ্ট। তা না হলে ত্বকের আর্দ্রতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি স্কিন ডিজিজ ও মানসিক প্রশান্তিও নষ্ট হতে পারে।

19/12/2024

শীতে খুশকি দূর করুন সহজ ৩ উপায়ে
শীতকালে ধুলাবালু বেশি থাকার কারণে চুলে খুশকি হয় বেশি। খুশকির প্রভাবে মাথায় প্রচণ্ড চুলকানি ছাড়াও চুল নিয়মিত পড়তে পারে। তবে খুশকি কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়। খুশকির জন্য যদি ব্যক্তিবিশেষে রোগগুলো নির্ণয় করে চিকিৎসা করা হয়, তবে অনেক ভালো ফল পাওয়া যায়।
শীতকালে খুশকি দূর করতে ঘরোয়া সমাধান দেখে নিন।
শীতকালে খুশকি দূর করতে ঘরোয়া সমাধান দেখে নিন।

২ মিনিটে পড়ুন
আবহাওয়ার জন্যে বা জিনগত সমস্যায়, যে কারনেই খুশকির সমস্যা হোক না কেন এ যেন চুলের সাজের এক বাধা। অনেকে অনেক কিছু ব্যবহার করেও এই খুশকি থেকে পরিত্রাণ পান না।

অনেকেই এজন্যে অতিরিক্ত মাথা ধোয়া থেকে শুরু করে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি শ্যাম্পু ব্যবহার করেন খুশকি দূর করতে। তাছাড়া অতিরিক্ত প্রসাধনির ব্যবহারও করেন কেউ কেউ। তবুও এ থেকে রক্ষা মেলে না। তাই যে কোন প্রসাধনী নয় এ সমস্যার সমাধান আছে ঘরেই।

জেনে নিন ৩ উপায়

১. ঘরোয়া উপায়ে খুশকি দূর করতে হলে প্রথমে একটি বাটিতে এক চামচ দই, ৫-৬টি কারিপাতা এবং সামান্য একটু আদা নিয়ে এক সঙ্গে বেটে নিন। এই মিশ্রণ মাথায় মেখে রাখুন অন্তত পক্ষে আধা ঘণ্টা। কারিপাতা না পেলে বাজার থেকে কারিপাতার গুঁড়ো কিনেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

২. আমলকী ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মাথার ত্বকে লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিন। পরদিন সকালে ধুয়ে ফেলুন।

আরও পড়ুন: ফেসিয়াল করার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যা করবেন না

৩. দুই টেবিল চামচ লেবুর রস নিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এরপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। তারপর এক কাপ পানিতে এক চা–চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। লেবুর রস মেশানো পানি দিয়ে পুরো চুল ধুয়ে নিন। তারপর শ্যাম্পু করে নিন। খুশকি দূর না হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিন এটি ব্যবহার করতে পারেন।

19/12/2024

শীতে ত্বক ভালো রাখতে যে ৫টি নিয়ম মেনে চলবেন
হিমেল হাওয়া বইছে, আসছে শীত। তাই আগাম প্রস্তুতি দরকার ত্বকের জন্য। আমাদের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল। আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে ত্বকে বিভিন্ন পরিবর্তন দেখা যায়। এ ধরনের পরিবর্তন কোনো রোগের জন্য নয়, বরং আমাদের শরীরকে আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে সাহায্য করে। শীতকালে শরীরকে উষ্ণ রাখার জন্য ত্বক খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে যাঁদের ত্বক শীতল আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারেন না, তাঁদের ত্বকে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়।

১. একটু বেশি পানি খান
অনেকে শীতকালে পানি কম খান, যা মোটেও ঠিক নয়। বরং শীতকালে পানি বেশি খেতে হয়, যাতে ত্বক আর্দ্র থাকে। অনেকে শীতের কারণে গোসল করা থেকে বিরত থাকেন, এটাও ঠিক নয়। শীতে প্রতিদিন সামান্য উষ্ণ পানিতে গোসল করা প্রয়োজন। তবে বেশি উষ্ণ পানি ব্যবহারে ত্বক আরও শুষ্ক হতে পারে।

২. ত্বকের আর্দ্রতায় লোশন বা তেল
শীতের শুরুতে ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়, ঠোঁট ফেটে যায়, হাত ও পা ফেটে যেতে পারে, ফলে চুলকানিও হতে পারে। তাই ত্বক শুষ্ক হলে পেট্রোলিয়াম জেলি, অলিভ অয়েল, বডি লোশন ব্যবহার করা যায়। তবে সবচেয়ে উপকারী হলো প্রাকৃতিক অলিভ অয়েল, এতে কোনো ধরনের রাসায়নিক উপাদান মিশ্রিত থাকে না। গোসলের পর অলিভ অয়েল ব্যবহার করা ভালো। তবে শর্ষের তেল ব্যবহার করা যাবে না। চাইলে অনেক সময় বিশুদ্ধ নারকেল তেল ব্যবহার করা যায়। শীতকালে যেহেতু পানি কম ব্যবহার করা হয়, সে কারণে খোসপাঁচড়া বা চুলকানির প্রকোপ বাড়ে, যা অত্যন্ত ছোঁয়াচে। দীর্ঘদিন চুলকানি থাকলে ত্বকে বিভিন্ন ধরনের প্রদাহ হয় এবং জীবাণু সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এ ধরনের চুলকানি হলে দেরি না করে চর্মরোগ–বিশেষজ্ঞের চিকিৎসা নেওয়া দরকার, যাতে কোনো ধরনের জটিলতা না হয়।

৩. ঠোঁট থাক আর্দ্র
ঠোঁটে যেকোনো ধরনের লিপজেল বা পেট্রোলিয়াম জেলি লাগানো যাবে। পায়ের গোড়ালি ফেটে গেলে পেট্রোলিয়াম জেলি নিয়মিত ব্যবহার করা এবং সুতির মোজা পরতে হবে।

৪. সুতি কাপড় পরুন
যাঁদের অ্যালার্জিজনিত সমস্যা আছে, তাঁরা ভেতরে সুতি অথবা ফ্লানেল কাপড়ের জামা পরে তার ওপর উলের কাপড় পরতে পারেন।

৫. গায়ে রোদ লাগান
শীতে প্রতিদিন কিছুক্ষণ রোদে থাকা দরকার। এতে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি পাবে। ভিটামিন ডি ত্বককে সুন্দর ও মসৃণ করে এবং বার্ধক্য রোধ করে।

ডা. তুষার সিকদার: চর্ম, অ্যালার্জি ও যৌন রোগবিশেষজ্ঞ, সহযোগী অধ্যাপক, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, ঢাকা

18/12/2024

Ajasker makeup look❤

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Mymensingh?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Website

Address

Mymensingh