omor guidelines
তাহাজ্জুদ এমন একটি নামাজ যে নামাজে কোন মানুষ থাকে না সং আল্লাহ তায়ালা নিজেই ডাকে
08/11/2025
ধর্ম
‘কবুল’ বলা ছাড়াও যেসব শব্দে বিয়ে হয়ে
‘কবুল’ বলা ছাড়াও যেসব শব্দে বিয়ে হয়ে যায়
বিয়ের মাধ্যমে দুইজন প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষের মধ্যে বৈধ ও পবিত্র সম্পর্ক স্থাপন হয়। এই সম্পর্কের মাধ্যমে একজন মানুষ ধর্মীয় বিধান পালনের নিকটবর্তী হয় এবং তার জন্য গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়। এক হাদিসে রাসূল সা.বলেছেন—
বিজ্ঞাপন
‘যে ব্যক্তি বিয়ে করল সে তার অর্ধেক ইমান (দ্বীন) পূর্ণ করে ফেলল। অতএব, বাকি অর্ধেকাংশে সে যেন আল্লাহকে ভয় করে।’ (বায়হাকি, শুআবুল ইমান)
অপর হাদিসে হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এরশাদ করেন, ‘হে যুবক সকল! তোমাদের মধ্যে যে বিয়ের দায়িত্ব পালন করতে সক্ষম সে যেন বিয়ে করে। কারণ, বিয়ে করলে দৃষ্টিকে নিচু রাখা যায় এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করা যায়। আর যে ব্যক্তি বিয়ের দায়িত্ব পালন করতে পারবে না সে যেন রোজা রাখতে থাকে। কারণ রোজা তার খাহেশকে কমিয়ে দেবে (বুখারি, মুসলিম)।
বিজ্ঞাপন
ফিকহে হানাফির দৃষ্টিতে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার জন্য ‘ইজাব’ (প্রস্তাব) ও ‘কবুল’ (গ্রহণ) আবশ্যক। তবে 'কবুল' শব্দটি ছাড়াও এমন কিছু শব্দ ও বাক্য আছে যেগুলোর মাধ্যমে এই গ্রহণযোগ্যতা প্রকাশ পায় এবং বিয়ে বিশুদ্ধ হয়ে যায়।
আরও পড়ুন
কবুল না বলে আলহামদুলিল্লাহ বললে বিয়ে হবে?
মেয়েদের যেসব গুণ দেখে বিয়ে করতে বলেছেন মহানবী
নববধূর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় স্বামী যে দোয়া পড়বেন
বিজ্ঞাপন
বিয়ে সম্পাদনের মৌলিক শর্তসমূহ
১. ইজাব। পক্ষবিশেষের পক্ষ থেকে স্পষ্ট প্রস্তাব।
২. কবুল। অপর পক্ষের সম্মতিসূচক জবাব।
৩. স্পষ্ট বাক্য। এমন শব্দ ব্যবহার করতে হবে যার মাধ্যমে নিকাহ বোঝা যায়।
৪. সাক্ষী। দুজন পুরুষ অথবা এক পুরুষ ও দুই নারী সাক্ষীর উপস্থিতি।
‘কবুল’ না বলেও যেসব শব্দে বিয়ে সম্পন্ন হয়
১.ক্ববিলতু। আমি (গ্রহণ করলাম) ইজাবের জবাবে যদি বর বা কনে বলে ক্ববিলতু, তাহলে এটি পূর্ণ কবুল হিসেবে গণ্য হবে।
২. রদ্বিতু। আমি সন্তুষ্ট / রাজি হলাম। এই শব্দটি সরাসরি কবুল না হলেও, ইজাবের পর ব্যবহার হলে তা কবুল ধরা হবে।
৩.তাজায়াজ্জাত্তুহা। আমি তাকে বিবাহ করলাম। বর নিজেই যদি বলে, অর্থাৎ, আমি অমুককে বিবাহ করলাম — তাহলে এটি বিবাহের স্পষ্ট স্বীকৃতি।
৪. আনকাহতু নাফসি ইয়্যাহু। আমি নিজেকে তার সাথে বিবাহ করলাম। এই শব্দচয়নেও কবুলের অর্থ পাওয়া যায়।
৫. আজাযতুহু। আমি একে অনুমোদন করলাম। প্রতিনিধির মাধ্যমে করা ইজাব যদি মূল ব্যক্তি অনুমোদন করে, তাহলেও নিকাহ সহীহ।
ফিকহি কিতাবসমূহ থেকে দলিল
১. الفتاوى الهندية: ফতোয়ায়ে হিন্দিয়া—
ويجوز النكاح بألفاظ هي صريحة في النكاح، كأنكحت، وتزوجت، وقبلت، ورضيت، ونحوها
(الفتاوى الهندية، ج، ص)
বাংলা অনুবাদ: নিকাহ সেই সব স্পষ্ট শব্দ দ্বারা জায়েয হয়, যেমন أنكحتُ, تزوجتُ, قبلتُ, رضيتُ ইত্যাদি।
২. الهداية: হেদায়া (২য়)—
ويعتبر الإيجاب والقبول بلفظ يدل عليه صريحاً
(الهداية، ج، ص)
অর্থ: ইজাব ও কবুল এমন শব্দে হতে হবে, যা দ্বারা স্পষ্টভাবে নিকাহ বোঝায়।
৩. الدر المختار مع رد المحتار: ফতোয়ায়ে শামী —
ويصح النكاح بكل لفظ صريح يدل على التمليك في الحال، كزوجتك، أنكحتك، وتزوجت ونحوها
(الدر المختار، ج، ص؛ رد المحتار)
কোরআন থেকে দৃষ্টান্ত—
فَإِمْسَاكٌ بِمَعْرُوفٍ أَوْ تَسْرِيحٌ بِإِحْسَانٍ
অর্থ, ভদ্রভাবে স্ত্রীর সঙ্গে জীবন যাপন করো, কিংবা সম্মানের সঙ্গে তাকে বিদায় দাও। (সূরা বাকারা, ২:২২৯)
এখানে “إِمْسَاكٌ” দ্বারা দাম্পত্য জীবনে সম্মতি ও স্বীকৃতির বিষয়টি প্রকাশ পায়, যা কবুলের মর্ম বোঝায়।
হাদিস থেকে দলিল—
النكاح عن تراض
অর্থ: নিকাহ পরস্পরের সম্মতির ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়। (সুনান ইবনু মাজাহ)
এই হাদিস থেকে বুঝা যায়, সরাসরি 'কবুল' শব্দ ছাড়াও সম্মতির প্রকাশ থাকলে এবং প্রেক্ষাপট পরিষ্কার হলে বিয়ে হয়ে যাবে।
ফিকহে হানাফি মতে, ‘কবুল’ শব্দটি ছাড়া অন্য শব্দ বা বাক্য দিয়ে যদি সম্মতির প্রকাশ ঘটে এবং তা স্পষ্টভাবে নিকাহের ইঙ্গিত দেয় তাহলে সেই নিকাহ বৈধ ও সহীহ। তবে এসব ক্ষেত্রে সাক্ষী, প্রেক্ষাপট, এবং স্পষ্টতা অপরিহার্য।
তবে রাখতে হবে, যদিও শরয়ী দৃষ্টিতে বিভিন্ন বিকল্প শব্দে নিকাহ (বিবাহ) সম্পন্ন হয়, তবুও সমাজে ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে 'আমি কবুল করলাম' শব্দ ব্যবহার করাই উত্তম।
ঈমানের মেহনত,,,
বন্ধু,, যে নেয়ামত তোমাকে---------হেদায়েতের পথে নিয়ে আসে!
তা ওই নেয়ামতের থেকে উত্তম,,, যা তোমাকে পথ ভ্রষ্ট বানায়,
বন্ধু ফিরে আসো,,
ঈমানের মেহনত,,,
বন্ধু,, যে নেয়ামত তোমাকে---------হেদায়েতের পথে নিয়ে আসে!
তা ওই নেয়ামতের থেকে উত্তম,,, যা তোমাকে পথ ভ্রষ্ট বানায়,
বন্ধু ফিরে আসো,, #
আমি নেশা ছেড়ে ভালো হতে চাই,,
আমি চাই দেশে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন হোক,, দেশে ইসলামী আইন চলুক,, এরকমই আর্তনাদ বাংলার বুকে এক যুবক ছেলের
দোয়াই ইবাদত" এর অর্থ হলো দোয়া হলো এক ধরনের ইবাদত এবং এটি ইবাদতের মূল। এই কথাটি ইসলামে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত, যেখানে বলা হয়েছে যে আল্লাহর কাছে দোয়ার চেয়ে উত্তম কোনো আমল নেই। দোয়া হলো আল্লাহকে আহ্বান করা এবং তাঁর কাছে প্রার্থনা ও মিনতি জানানো, যা আধ্যাত্মিক যোগাযোগের একটি প্রত্যক্ষ মাধ্যম।
দোয়ার তাৎপর্য ও গুরুত্ব
ইবাদতের মূল: দোয়াকে ইবাদতের "মগজ" বা মূল বলা হয়েছে, কারণ এটি বান্দা ও আল্লাহর মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের পথ খুলে দেয়।
আল্লাহর নৈকট্য লাভ: দোয়ার মাধ্যমে বান্দা আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারে।
কোরআনের আদেশ: পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেছেন, "তোমরা আমাকে ডাক, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব"।
অহংকারের বিপরীত: যারা অহংকার করে দোয়া করে না, তারা আল্লাহর ইবাদত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়, যা জাহান্নামে প্রবেশের কারণ হতে পারে।
শ্রেষ্ঠ আমল: আল্লাহর কাছে দোয়ার চেয়ে উত্তম কোনো আমল নেই বলে হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে।
দোয়ার আদব
দৃঢ় সংকল্প: দোয়া করার সময় দৃঢ় সংকল্প এবং আকুতি নিয়ে প্রার্থনা করা উচিত।
আশাবাদী হওয়া: দোয়া কবুল হবে এই বিশ্বাস ও আশা নিয়ে দোয়া করা জরুরি।
খাঁটি মনে দোয়া করা: আল্লাহ চান বান্দা যেন খাঁটি মনে তাঁর কাছে আবেদন করে।
এই জিহাদ শুধু মুমিনের জন্য
24/10/2025
"তোমার নখ, চুল এবং র*ক্ত- কবর দাও, কারণ এগুলো সবই মৃত।"
[সুনান আল-কুবরা, ৭৬]
মুহান্না (র:) বলেন:
আমি ইমাম আহমদকে এমন একজন ব্যক্তির সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছি যে তার চুল এবং নখ কেটে ফেলে, তার কি সেগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলা উচিৎ,
নাকি ফেলে দেওয়া উচিত?
তিনি বললেন: "এগুলোকে কবর দাও।"
আমি তাকে বললাম- আপনি কি দেখেছেন?
তিনি বললেন: "হ্যাঁ, ইবনে উমর এগুলো মাটিতে পুঁতে দিয়েছেন।"
হাফিজ ইবনে হাজার (র:) বলেন:
"আমাদের আলেমরা এগুলোকে কবর দেওয়া পছন্দনীয় বলে মনে করেছেন কারণ এগুলো মানুষের অংশ।"
[ফাতহুল বারী, ৪/৮৪]
(আর তাছাড়াও এগুলো পুঁতে ফেলাই অধিক উত্তম। কেননা মন্দ লোকেরা এগুলো ব্যবহার করে অনৈতিক কাজ করে থাকে।)
নিশ্চয়ই নামাজ মানুষের জীবন পরিবর্তন করে
17/10/2025
জুমার দিনে আসরের নামাজের পর দরুদ পাঠ করা একটি বিশেষ আমল, কারণ এই সময়ে দোয়া কবুল হয়। একটি হাদিস অনুযায়ী, যে ব্যক্তি জুমার দিন আসরের নামাজের পর নিজের জায়গায় বসে ৮০ বার একটি নির্দিষ্ট দরুদ পাঠ করবে, তার ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হবে এবং আমলনামায় ৮০ বছরের ইবাদতের সওয়াব লেখা হবে। এই সময়টি দোয়া, ইস্তেগফার এবং দরুদ পাঠের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
দরুদ পাঠের নিয়ম ও ফজিলত
ফজিলত: হাদিস অনুযায়ী, এই আমল করলে ৮০ বছরের গুনাহ মাফ হয় এবং ৮০ বছরের নফল ইবাদতের সওয়াব পাওয়া যায়।
দরুদ: “
দরুদটি হলো— اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ وَعَلَى آلِهِ وَسَلِّم تَسْلِيْمَا (উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিনিন নাবিয়্যিল উম্মিয়্যি ওয়া আলা আলিহী ওয়াসাল্লিম তাসলিমা।)
পদ্ধতি: আসরের নামাজ শেষ করে নিজের নির্দিষ্ট জায়গায় বসে ৮০ বার এই দরুদটি পড়তে হবে।
সময়: আসরের নামাজের পর থেকে মাগরিবের আগ পর্যন্ত এই সময়টি দোয়া কবুলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় অন্যান্য দোয়া, ইস্তেগফার এবং কুরআন তেলাওয়াত করাও উত্তম।
জুম্মা মোবারক 💕
মুসলমানের পরবর্তী জেনারেশন
অর্থাৎ আমাদের পরবর্তী,,
আলহামদুলিল্লাহ,,,
Click here to claim your Sponsored Listing.