Shubhojit kumar pal -DMF
ডিপ্লোমা চিকিৎসক
ডিএমএফ(ঢাকা)
বিএমডিসি রেজি.নং: ডি-১০১৭১
জেনারেল প্রাকটিশনার
25/08/2026
সততা, যোগ্যতা বনাম চাকচিক্য: একজন ডিপ্লোমা চিকিৎসকের কিছু অনুভুতি
ঢাকা শহরের বড় হাসপাতালে দীর্ঘ ৭টি বছর যখন দিন-রাত এক করে নিজের সর্বোচ্চ যোগ্যতা দিয়ে রোগীদের সেবা দিয়েছি, তখন মনে মনে একটাই ইচ্ছা ছিল— একদিন নিজের এলাকায় ফিরে যাব। নিজের অর্জিত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন প্রশিক্ষণ এবং ৪ বছরের ডিপ্লোমা (MATS) ডিগ্রির অভিজ্ঞতা দিয়ে নিজের এলাকায় গিয়ে মানুষকে সঠিক স্বাস্থ্যসেবাটি দিবো। এবং বিগত ৩ বছর ধরে সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছি।
চিকিৎসা কোনো ব্যবসা নয়, এটি একটি পবিত্র সেবা। একজন রোগীর সঠিক রোগ নির্ণয় করা এবং সঠিক ওষুধটি প্রেসক্রিপশনে লেখা ( কার্য পরিধীর সীমানা বজায় রেখে), এবং প্রয়োজনে নিজের চেয়ে যোগ্য উচ্চ শিক্ষিত বা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে রোগীকে তার সুস্থতার জন্য রেফার করা—এটাই একজন প্রকৃত চিকিৎসকের মূল সার্থকতা।
সম্প্রতি শহরের কিছু স্বনামধন্য বিশেষজ্ঞ (Specialist) চিকিৎসক যখন আমার লেখা প্রেসক্রিপশন দেখে আমার চিকিৎসার ভূয়সী প্রশংসা করলেন, তখন বুকটা গর্বে ভরে উঠেছিল। মনে হয়েছে, আমার সততা ও যোগ্যতা সঠিক পথেই আছে।
কিন্তু মাঝে মাঝে একটু খারাপ লাগে যখন দেখি, গ্রামীণ সরলতার সুযোগ নিয়ে শুধু বাহ্যিক চাকচিক্য আর নামের মিল থাকার কারণে কিছু রোগী বিভ্রান্ত হচ্ছেন। সঠিক যোগ্যতা বা ডিগ্রি না নিয়েও অনেকে শুধু চতুরতার আশ্রয় নিচ্ছেন।
আমার এলাকার সকল ভাই-বোন ও মা-বোনদের উদ্দেশ্যে শুধু একটি অনুরোধ— স্বাস্থ্য আপনার, সিদ্ধান্তও আপনার। ভুল জায়গায় গিয়ে প্রতারিত হওয়ার আগে দয়া করে চিকিৎসকের প্রকৃত ডিগ্রি, রেজিষ্ট্রেশন এবং অভিজ্ঞতা যাচাই করে নিন। শুধু সুন্দর চেম্বার দেখে নয়, চিকিৎসকের যোগ্যতা দেখে নিজের জীবনের সিদ্ধান্ত নিন।
আমি কোনো চটকদার বিজ্ঞাপন বা চতুরতায় বিশ্বাসী নই। আমার ঢাকা শহরের বিশেষায়িত হাসপাতালে কাজের ৭ বছরের অভিজ্ঞতা এবং আপনাদের সুস্থতাই আমার আসল পরিচয়।
আপনাদের ভালোবাসায় আমি এই এলাকায় সঠিক ও সততার সাথে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যেতে চাই।
সবাই সুস্থ থাকুন, সচেতন থাকুন। 🙏
#জনসচেতনতা #সঠিক_চিকিৎসা #অভিজ্ঞতা
17/08/2026
👾ডেঙ্গু সচেতনতা 🤕
বর্ষা শুরু হলেই ডেঙ্গু জ্বরের ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়। এই সময়ে ডেঙ্গুর মশা খুব বেশি সক্রিয় হয় এবং এর কামড় থেকে ডেঙ্গু জ্বর হয়। ডেঙ্গু একটি গুরুতর অসুখ, যার ফলে প্রচণ্ড জ্বর, শরীর ব্যথা, গাঁটে ব্যথা ও শক্ত হয়ে যাওয়া ইত্যাদি হয়। এতে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। সাধারণ জ্বরের তুলনায় ডেঙ্গু অনেক বিপজ্জনক, কারণ এর মৃত্যুহার প্রায় ১.৩%। সময়মতো চিকিৎসা নিলে শরীরে লাল রক্তকণিকা (Red Blood Cells) কমে যাওয়া রোধ করা যায় এবং অনেক জটিলতা থেকে বাঁচা যায়।
👉ডেঙ্গু জ্বর কী?
ডেঙ্গু জ্বর ডেঙ্গু ভাইরাসের কারণে হয়, যা এডিস মশার (Aedes mosquito) কামড়ে ছড়ায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এটিকে বড় ধরনের রোগের তালিকায় রেখেছে। ডেঙ্গু বেশি দেখা যায় আমেরিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে।
👉ডেঙ্গু ভাইরাসের ৪ ধরন আছে — DENV-1, DENV-2, DENV-3, DENV-4। যদি মশা কোনো আক্রান্ত মানুষকে কামড়ায়, ভাইরাস মশার শরীরে প্রবেশ করে। পরে সেই মশা যখন কোনো সুস্থ মানুষকে কামড়ায়, তখন ভাইরাস রক্তে ঢুকে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
👉ডেঙ্গু কীভাবে ছড়ায়?
এডিস এজিপ্টি মশা ডেঙ্গু ছড়ায়। আক্রান্ত মানুষকে কামড়ালে ভাইরাস মশার শরীরে যায়, কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমণ হয় না। ভাইরাস সক্রিয় হতে ৮–১২ দিন লাগে। এরপর মশা সুস্থ কাউকে কামড়ালে ভাইরাস তার রক্তে ঢুকে যায় এবং সে অসুস্থ হয়ে পড়ে।
ডেঙ্গুতে প্লেটলেটসের সংখ্যা ওঠা-নামা করে। সাধারণত একজন সুস্থ মানুষের প্লেটলেটস ১.৫–৪ লাখ ইউনিট হওয়া উচিত। ১ লাখের নিচে নেমে গেলে তা বিপদের লক্ষণ।
👉ডেঙ্গু বনাম সাধারণ জ্বর
★ কারণ: সাধারণ জ্বর হয় ভাইরাস/ব্যাকটেরিয়ায় (যেমন সর্দি, ফ্লু), আর ডেঙ্গু হয় এডিস মশার কামড়ে।
★ লক্ষণ: সাধারণ জ্বরে হালকা থেকে মাঝারি জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথা ব্যথা হয় এবং ২–৩ দিনে সেরে যায়। ডেঙ্গুতে হঠাৎ প্রচণ্ড জ্বর (৩৯–৪০°C), চোখের পেছনে ব্যথা, পেশি ও গাঁটে তীব্র ব্যথা ("ব্রেকবোন ফিভার"), ক্ষুধামন্দা, চরম ক্লান্তি হয়। কয়েকদিন পর ত্বকে লাল ফুসকুড়ি বা রক্তক্ষরণের দাগ দেখা যায়।
★ বিশেষ লক্ষণ: ডেঙ্গুতে প্লেটলেটস দ্রুত কমে যায়, ফলে মাড়ি/নাক থেকে রক্ত পড়া, গায়ে নীলচে দাগ বা প্রস্রাবে রক্ত আসতে পারে।
★ চিকিৎসা: সাধারণ জ্বরে বিশ্রাম, তরল খাবারই যথেষ্ট। ডেঙ্গুতে ডাক্তারের তত্ত্বাবধান, নিয়মিত প্লেটলেটস পরীক্ষা ও প্রয়োজনে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়।
👉ডেঙ্গুর লক্ষণ
ডেঙ্গু মশার কামড়ের ৪–৬ দিনের মধ্যে লক্ষণ দেখা দেয়, যা ১০–১২ দিন থাকে —
★ হঠাৎ উচ্চ জ্বর (১০২°F পর্যন্ত বা বেশি)
★প্রচণ্ড মাথা ব্যথা
★চোখের পেছনে ব্যথা
★তীব্র ক্লান্তি ও দুর্বলতা
★২–৫ দিনের মধ্যে ত্বকে লাল দাগ
★নাক বা মাড়ি থেকে রক্ত পড়া
এসব হলে অবিলম্বে ডাক্তার দেখান।
👉ডেঙ্গুর পরীক্ষা
ডেঙ্গু শনাক্তে রক্ত পরীক্ষা হয়, যাতে ভাইরাসের অ্যান্টিবডি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যাচাই হয়। দেরি হলে লিভার ফাংশন টেস্ট (LFT), কিডনি ফাংশন টেস্ট (KFT), এক্স-রে, ইসিজি, আল্ট্রাসাউন্ড ইত্যাদি করানো হয়।
👉ডেঙ্গুর চিকিৎসা
ডেঙ্গুর জন্য নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই। চিকিৎসা মূলত লক্ষণ অনুযায়ী হয় —
★ ওষুধ: প্যারাসিটামল
ডাক্তারের পরামর্শে নিন (ব্যথা/জ্বরের জন্য)।
★পানি: বেশি পরিমাণে পানি, স্যুপ, জুস ইত্যাদি পান করুন।
★পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা: চারপাশে পানি জমতে দেবেন না।
👉ডেঙ্গু প্রতিরোধের উপায়
★মশারি ব্যবহার করুন, ফুলহাতা জামা পরুন, মশা তাড়ানোর ক্রিম ব্যবহার করুন।
★বাড়ির-আশেপাশে পানি জমতে দেবেন না, ড্রাম/টব ঢেকে রাখুন।
★ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে ডাক্তার দেখান।
👉শেষ কথা:
ডেঙ্গু মশার কামড় থেকে বাঁচা সবচেয়ে জরুরি। আক্রান্ত হলে শরীর ঢেকে রাখুন, পেঁপে পাতা, গিলয়, ছাগলের দুধ ইত্যাদি খেতে পারেন। সুষম খাদ্য, ব্যায়াম ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ডেঙ্গু ও অন্যান্য রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়।
10/08/2026
🌡️ বাচ্চার হুট করে জ্বর, কাশি বা ঠান্ডা? জেনে নিন ঘরে বসে প্রাথমিক সেবা!
প্রিয় বাবা-মায়েরা, ঋতু পরিবর্তনের এই সময়ে শিশুদের হুট করে জ্বর, সর্দি বা কাশি হওয়া খুবই সাধারণ বিষয়। মাঝরাতে বা হুট করে বাচ্চা অসুস্থ হয়ে পড়লে প্যানিক বা আতঙ্কিত না হয়ে শান্ত থাকুন। ডাক্তারের কাছে যাওয়ার আগে ঘরে বসেই আপনি কিছু প্রাথমিক যত্ন নিতে পারেন।
১. জ্বর কমানোর সঠিক উপায়:
* গা মোছানো: হালকা কুসুম গরম পানিতে সুতি কাপড় ভিজিয়ে বাচ্চার পুরো গা বারবার মুছে দিন। মাথায় জলপট্টি দিতে পারেন। কখনই বরফ পানি বা অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি ব্যবহার করবেন না।
* সঠিক পোশাকে রাখা: বাচ্চাকে ভারী কাঁথা-কম্বল দিয়ে ঢেকে রাখবেন না। এতে শরীরের তাপমাত্রা আরও বেড়ে যায়। পাতলা ও সুতি পোশাক পরিয়ে রাখুন যেন বাতাস চলাচল করতে পারে।
* ওষুধের নিয়ম: চিকিৎসকের আগে থেকে দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ী বাচ্চার ওজন মেপে সঠিক ডোজে প্যারাসিটামল সিরাপ দিতে পারেন। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক বা কড়া ওষুধ দেবেন না।
২. কাশি ও সর্দির আরাম:
* স্যালাইন ড্রপ: বাচ্চার নাক বন্ধ থাকলে বা শ্বাস নিতে কষ্ট হলে নরমাল স্যালাইন নোজ ড্রপ (যেমন: Soloবা Norsol) প্রতি নাকে ১-২ ফোঁটা দিয়ে নাক পরিষ্কার করে দিন ৩/৪ বার।
* মধু ও কুসুম গরম পানি: বাচ্চার বয়স ১ বছরের বেশি হলে ১ চামচ মধু এবং কুসুম গরম পানি খাওয়াতে পারেন। এটি কাশির জন্য দারুণ উপশম। (মনে রাখবেন, ১ বছরের কম বয়সী শিশুকে ভুলেও মধু দেবেন না)।
* তরল খাবার: বাচ্চার গলা ভেজা রাখতে ঘন ঘন বুকের দুধ (ছোট বাচ্চাদের জন্য), স্যুপ, বা ডাবের পানি খাওয়ান।
🚨 কখন দ্রুত ডাক্তারের কাছে বা হাসপাতালে যাবেন?
সব জ্বর ঘরে বসে ভালো হয় না। নিচের লক্ষণগুলো দেখলে দেরি না করে অবিলম্বে শিশু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন:
* বাচ্চার বয়স ৩ মাসের কম এবং শরীরের তাপমাত্রা ১০০.৪° ফারেনহাইট বা তার বেশি হলে।
* বাচ্চা যদি একটানা দ্রুত শ্বাস নেয়, শ্বাস নেওয়ার সময় পাঁজরের চামড়া ভেতরের দিকে ঢুকে যায়।
* যদি বাচ্চা একদমই খেতে না চায়, অলস বা নিস্তেজ হয়ে পড়ে, অথবা সারাক্ষণ ঘুমাতে থাকে।
* খিঁচুনি হলে বা প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেলে।
💡 মনে রাখবেন: প্রাথমিক সেবা রোগীকে সাময়িক আরাম দেওয়ার জন্য, এটি ডাক্তারের বিকল্প নয়। বাচ্চার অবস্থা বুঝতে আপনার সচেতনতাই সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে।
পোস্টটি শেয়ার করে অন্য বাবা-মায়েদেরও সচেতন করুন। ❤️
------------------------------
04/08/2026
"সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন!
হেলাফেলায় নিজের জীবনকে ঝুঁকিতে ফেলবেন না। সস্তা প্রচার আর ডিগ্রিহীন মানুষের ভুল চিকিৎসায় প্রতি বছর হাজারো মানুষ কিডনি ও লিভারের স্থায়ী ক্ষতি করছেন।
মনে রাখবেন—দামী বা কড়া ওষুধ মানেই ভালো চিকিৎসা নয়। সঠিক নিয়মে রোগ নির্ণয় এবং সঠিক মাত্রার ওষুধই সুস্থতার চাবিকাঠি।
আপনার এলাকার মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, চর্ম এবং প্রাথমিক চিকিৎসায় সঠিক পরামর্শ দিতে নিয়োজিত আছেন সরকারি নিয়মে ডিগ্রি ও রেজিষ্ট্রেশনপ্রাপ্ত, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ এবং ঢাকা শিশু হাসপাতাল থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং ঢাকার কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালে দীর্ঘদিন কর্মরত অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মেডিকেলএসিস্ট্যান্ট/ ডিপ্লোমা চিকিৎসক।
যেকোনো সমস্যায় ভুল জায়গায় গিয়ে প্রতারিত হবেন না।
সঠিক ডিগ্রি দেখে চিকিৎসা ও পড়ামর্শ নিন।"
26/07/2026
# # 📢 আপনার সোনামণি কি জ্বরে ভুগছে? সঠিক জ্বর চিনুন, বিপদ থেকে বাঁচুন!
শিশুদের জ্বর কেবল সাধারণ ঠান্ডা লাগা নয়, এটি হতে পারে অন্য কোনো বড় রোগের সংকেত। লক্ষণের ভিন্নতা দেখে বুঝে নিন আপনার শিশু কোন ধরনের জ্বরে আক্রান্ত:
*
* ডেঙ্গু জ্বর: তীব্র জ্বরের সাথে চোখের পেছনে ব্যথা, শরীরে লালচে র্যাশ বা দানা, এবং বমি বমি ভাব হওয়া।
* টাইফয়েড জ্বর: দিন দিন জ্বর ক্রমাগত বাড়তে থাকা, তীব্র মাথাব্যথা, পেট ব্যথা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া হওয়া।
* নিউমোনিয়া জ্বর: তীব্র জ্বরের সাথে বুক ধড়ফড় করা, ঘন ঘন শ্বাস নেওয়া, এবং কাশির সাথে বুকের খাঁচ নিচে দেবে যাওয়া।
* মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI): জ্বরের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ না থাকা এবং প্রস্রাব করার সময় শিশুর তীব্র কান্না বা জ্বালাপোড়া হওয়া।
* মেনিনজাইটিস জ্বর: অতিরিক্ত জ্বরের সাথে শিশুর ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, আলো সহ্য করতে না পারা এবং অতিরিক্ত বমি হওয়া।
* ভাইরাল জ্বর: জ্বরের সাথে সাধারণ সর্দি, নাক দিয়ে পানি পড়া, হালকা কাশি এবং সারা শরীরে মৃদু ব্যথা থাকা।
*
⚠️ অভিভাবকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শিশুকে কখনোই নিজে থেকে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়াবেন না। জ্বর ১০২° ফারেনহাইটের বেশি হলে, শিশু নিস্তেজ হয়ে পড়লে বা খিঁচুনি দেখা দিলে এক মুহূর্তও দেরি না করে নিকটস্থ হাসপাতাল, চিকিৎসাকেন্দ্র, বা চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।
26/07/2026
# # 📢 আপনার সোনামণি কি ডায়রিয়ায় আক্রান্ত?
লক্ষণগুলো চিনে রাখুন!
শিশুর শরীরের সামান্য অবহেলাও বড় বিপদের কারণ হতে পারে। আপনার শিশুর মধ্যে নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবিলম্বে সতর্ক হোন:
* ঘন ঘন পায়খানা: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ৩ বার বা তার বেশি পাতলা বা পানির মতো পায়খানা হওয়া।
* পানির ঘাটতি: চোখ বসে যাওয়া, চামড়া ঢিলে হয়ে যাওয়া এবং খিটখিটে মেজাজ বা অতিরিক্ত ক্লান্তি।
* প্রস্রাবের পরিমাণ হ্রাস: শিশু ৬ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে প্রস্রাব না করা বা কান্নার সময় চোখ দিয়ে পানি না পড়া।
* বমি ও জ্বরের প্রকোপ: পাতলা পায়খানার পাশাপাশি বারবার বমি হওয়া এবং শরীরে তীব্র জ্বর থাকা।
* মলত্যাগে পরিবর্তন: পায়খানার সাথে রক্ত, মিউকাস বা আম যাওয়া এবং অতিরিক্ত দুর্গন্ধ থাকা।
* স্তন্যপানে অনীহা: শিশু বুকের দুধ বা কোনো খাবার এবং তরল একদমই খেতে না চাওয়া।
⚠️ সতর্কতা: লক্ষণ দেখামাত্রই শিশুকে ঘন ঘন খাবার স্যালাইন (ORS), বুকের দুধ এবং তরল খাবার খাওয়ান। অবস্থার উন্নতি না হলে বা শিশু অতিরিক্ত নিস্তেজ হয়ে পড়লে অবহেলা না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে অথবা শিশু চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হোন।
26/07/2026
"আপনার শিশুর একটি সাধারণ কাশি কি নিউমোনিয়ায় রূপ নিচ্ছে? সময় থাকতে সচেতন হোন, জীবন বাঁচান।"
১. সাধারণ লক্ষণের দিকে নজর রাখুন (প্রাথমিক পর্যায়):
শিশুর শুরুতেই যদি এই লক্ষণগুলো দেখা যায়, তবে অবহেলা না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন:
* 🌡️ হঠাৎ তীব্র বা একটানা কাশি ও সর্দি
* 🔥 উচ্চ জ্বর এবং শরীর খিটখিটে হওয়া
* 🍼 গলা ব্যথার কারণে বুকের দুধ বা খাবার খেতে না পারা।
২. বিপদ চিহ্নগুলো চিনুন (জরুরি নিউমোনিয়ার লক্ষণ):
নিচের যেকোনো একটি লক্ষণ দেখলেই কোনো দেরি না করে শিশুকে অবিলম্বে হাসপাতালে বা ডাক্তারের কাছে নিয়ে যান:
* ⏱️ দ্রুত শ্বাস নেওয়া: (২ মাসের কম শিশুর মিনিটে ৬০ বার, ২-১১ মাসের শিশুর ৫০ বার এবং ১-৫ বছরের শিশুর ৪০ বারের বেশি শ্বাস নেওয়া)।
* 🫁 বুকের খাঁচা দেবে যাওয়া: শ্বাস নেওয়ার সময় শিশুর পাঁজরের নিচের চামড়া ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া।
* 🔊 বুকে শব্দ হওয়া: শ্বাস ছাড়ার সময় বাঁশির মতো (Wheezing) বা ঘড়ঘড় শব্দ হওয়া।
* 😴 ঝিমিয়ে পড়া: শিশু অতিরিক্ত নিস্তেজ হয়ে পড়া বা চোখ মেলতে কষ্ট হওয়া।
* 👄 ঠোঁট ও নখ নীল হওয়া: অক্সিজেনের অভাবে ঠোঁট বা জিহ্বা নীলচে হয়ে যাওয়া।
৩. প্রতিরোধের উপায় (আমাদের করণীয়):
* 🤱 শিশুর বয়স ৬ মাস হওয়া পর্যন্ত কেবলমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ান (এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়)।
* 💉 সরকারি টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুকে নিউমোনিয়া (PCV) ও পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা সময়মতো দিন।
* 🚭 শিশুর সামনে ধূমপান করবেন না এবং ঘরের ভেতরের রান্নার ধোঁয়া ও ধুলাবালি থেকে শিশুকে দূরে রাখুন।
*
মূল বার্তা (Call to Action):
"শিশুর দ্রুত শ্বাস নেওয়া বা বুকের খাঁচা দেবে যাওয়া মানেই জরুরি অবস্থা। সচেতন হোন, শিশুকে সুরক্ষিত রাখুন।"
— জনস্বার্থে
------------------------------
# kumar pal -DMF
#
31/05/2026
চর্ম রোগের সঠিক চিকিৎসা নিলে
ভালো হয়ে যায়।
শুভজিত কুমার পাল-
ডিএমএফ,(ঢাকা)
মেসার্স সবিতা ফার্মেসি
বারঘরিয়া বাজার।
& Acne Scar Treatment (ব্রণ, ব্রণের দাগ)
Treatment (পিগমেন্টেশন / দাগের চিকিৎসা)
Treatment (মেছতা চিকিৎসা)
Treatment (ফ্রেকলস / ছোট ছোট দাগ)
Brightening (ত্বক উজ্জ্বলকরণ
Dermatitis (অ্যালার্জিক ডার্মাটাইটিস / একজিমা)
(সোরিয়াসিস)
Skin Infections (ভাইরাল ত্বকের সংক্রমণ)
Infections (ছত্রাকজনিত সংক্রমণ / ফাঙ্গাল ইনফেকশন)
(ওয়ার্ট / আঁচিল)
(খোসপাঁচড়া)
(শ্বেতী / ভিটিলিগো)
11/04/2026
❤️❤️
09/04/2026