Fi-Ardi

Fi-Ardi

Share

"My Lord, increase me in knowledge." ❣️
Al-Quran (20:114)

"And whoever puts all his trust in Allah, He will be enough for him."❣️
Al-Quran (65:3)

30/12/2024

■ থার্টি ফার্স্ট নাইট কি ইসলাম সমর্থিত?

১. অ-শ্লী-লতা ও বে-হা-য়াপনা:

এ রাত্রিকে কেন্দ্র করে চলে অশালীন ও বে-হা-য়াপনার মহোৎসব। যুবতীরা আঁটসাঁট, অশালীন ও অর্ধ ন-গ্ন পোশাক পরিধান করে অবাধে চলাফেরা করে। অথচ এ প্রসঙ্গে নবী (সা:) বলেন,

“ঐসব নারী যারা হবে পোষাক পরিহিতা কিন্তু প্রায় নগ্ন। যারা পরপুরুষকে আকৃষ্ট করবে এবং নিজেরাও আকৃষ্ট হবে। তাদের মাথা বক্র উঁচু কাঁধ বিশিষ্ট উটের ন্যায়। তারা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। এমনকি জান্নাতের সুগন্ধিও পাবে না।”
(সহীহ মুসলিম: ২১২৮)

২. শিরক যুক্ত শ্লোগান:

মুসলিমদের অনেকেই বর্ষবরণ করতে দিয়ে শিরকের মধ্যে লিপ্ত হয়ে ইমান হারা হচ্ছে। আর তাদের শ্লোগান হচ্ছে-

মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা
অগ্নি স্নানে সূচি হোক ধরা।”

উক্ত শ্লোগানে অ-গ্নি-পূজ-কদের আ-গু-ন দ্বারা পবিত্র হওয়ার ভ্রান্ত বিশ্বাস সু-স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হচ্ছে। অথচ অ-গ্নি-কে সম্মান করা, আ-গু-নে-র কাছে সাহায্য চাওয়া এবং আ-গু-ন দ্বারা পবিত্র হওয়ার ধারণা করা শিরক। আর আল্লাহ তা’য়ালা বলেন,

“নিশ্চয় আল্লাহ তা’য়ালা তার সাথে শিরুক কারীকে ক্ষমা করবেন না।”
(সূরা নিসাঃ ১১৬)

৩. বিজাতীয় সাদৃশ্য:

থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন সম্পূর্ণরূপে বিজাতীয় সংস্কৃতি। এ রাত্রিতে বলে ও ম্যাসেজের মাধ্যমে অভিবাদন জানানো, আতশবাজি, পটকাবাজি, ফ্যাশন শো, ফায়ার প্লে, ট্যাটাে বা উল্কি অংকন, ডিজে পার্টি ও কনসার্ট, নেশা সেবনসহ বিজাতীয় সংস্কৃতির সাথে সাদৃশ্য রাখে। ইসলাম এটি কঠোরভাবে নিষেধ করেছে।

রাসূল (স.) বলেছেন,
“যে ব্যক্তি কোনাে সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করলো সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।”
(আহমদ, আবু দাউদ, মিশকাতঃ ৪৩৪৭)

■ যুব সমাজকে ধ্বংস ও নারীদের সম্ভ্রম নষ্ট করার নীল নকশা:

যুব সমাজকে ধ্বংস ও নারীদের সম্ভ্রম নষ্ট করার জন্যই থাটি ফার্স্ট নাইট বাংলাদেশে আমদানি করা হয়েছে। ২০০০ সালের ৩১ শে ডিসেম্বর রাত ১২টা ২৫ মিনিটে গুলশানে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনকারী এক তরুণীকে কিছু মা-তা-ল যুবক শ্লী-ল-তা হানি করে ও তার শরীরের বেশীর ভাগ কাপড় ছিঁড়ে ফেলে। (সূত্র- দৈনিক মানবজমিন, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০০০ইং)

আর ২০০১ সালের শাওন আখতার বাধনের ক্ষত-বি-ক্ষ-ত দেহ কে না দেখেছেন? আরও কত বাধন। এ থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় থার্টি ফার্স্ট নাইট একটি যৌ-ন উৎসব। যা তাদের জন্য অসম্মান জনক। অথচ, আল্লাহ তা’য়ালা বলেন:

“আর তোমরা যেনার নিকটবর্তী হয়ো না।”
(সূরা বনী-ইসরাইল: ৩২)

“মহান আল্লাহ যাবতীয় অ-শ্লী-ল অন্যায় কাজ হারাম করেছেন।”
(সূরা আল আ’রাফ: ৩২)

৪. গান বাজনা:

থার্টি ফার্স্ট নাইটকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বিভিন্ন কনসার্টে নারী পুরুষের একসঙ্গে গান বাজনা, ন-গ্ন নৃত্য যেন আবশ্যকীয় বিষয় হয়ে দাড়িঁয়েছে। অথচ ইহা আল্লাহ তায়ালা ও রাসূল (সা) সম্পূর্ণ হারাম ও অবৈধ বলে ঘোষণা করেছেন। (সূরা লুকমান-৬, সহীহ বুখারী-৫৫৯০, ৬৮৯১)

৫.আতশবাজী ও পটকাবাজী:

এ রাতে আনন্দ উল্লাস উপভোগ করার জন্য মধ্যরাত থেকে শুরু হয় আ-ত*শ-বা-জীও পট-কা-বাজী। যা জনমনে ব্যাপক আ-ত-ঙ্ক ও ভী-তি সৃষ্টি করে এবং জনসাধারণের জন্য কষ্টদায়ক হয়। অথচ আল্লাহ বলেন: যা বিনা অপরাধে মুমিন পুরুষ ও মুমিন নারীদের কষ্টদেয়, তারা মিথ্যা অপবাদ ও প্রকাশ্য পাপের বোঝা বহন করে। (সূরা আহযাব-৫৮, সহীহ বুখারী-২৯০৫)

৬. অর্থ অপচয়:

এ রাতকে কেন্দ্র করে অনেক অর্থ অনৈসলামিক ও হারাম কাজে ব্যায় করা হয়। যা অপচয় ও অপব্যায়ের শামিল। আর ইসলাম অপব্যাকারীকে শয়তানের ভাই হিসাবে আখ্যায়িত করেছে। (সূরা বানী ইসরাঈল ২৬-২৭)

৭. যুবক-যুবতীর অবাধ মেলামেশা:

এ রাত্রিতে বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, কমিউনিট সেন্টার, সমুদ্র সৈকত, নাইট ক্লাব গুলোতে যুবক-যুবতীরা অবাধে মেলামেশা ও অ-প-ক-র্মে লিপ্ত হয়। অথচ ইসলাম ইহাকে কঠোরভাবে নিষেধ করেছে। রাসূল (সা) বলেছেন: অবশ্যই কোন পুরুষ কোন নারীর সাথে নির্জনে একত্রিত হলে তাদের তৃতীয়জন হয় শয়তান। (তিরমিযি, মিশকাত-১৩১৮, সহীহ)

সংগৃহীত!!

02/12/2024

মানুষকে যখন দুঃখ-দৈন্য স্পর্শ করে, তখন সে একনিষ্ঠভাবে তার প্রতিপালককে ডাকে; পরে যখন তিনি তার প্রতি অনুগ্রহ করেন, তখন সে যার জন্য তাঁকে ডাকছিল তা ভুলে বসে এবং সে আল্লাহর পথ হতে অন্যকে বিভ্রান্ত করার জন্য আল্লাহর অংশী ঠিক করে নেয়। বল, ‘অবিশ্বাস অবস্থায় তুমি কিছুকাল জীবনোপভোগ করে নাও, বস্তুতঃ তুমি জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত।’- সূরা যুমার (৩৯ঃ০৮)

17/11/2024

দুনিয়াবি দুর্বলতা নাকি এটা চরম সৌভাগ্য??

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছি যারা নিজের অনেক দুর্বল ভাবি, এর পিছনের কারণ হতে পারে শারীরিক বা মানসিক অক্ষমতা, অসুস্থতা, সম্পদের সীমাবদ্ধতা কিংবা তথাকথিত চেহারার অ-সৌন্দর্যতা। তবে আসলেই কি এগুলো আমার দুর্বলতা নাকি এইটা আমার সৌভাগ্য ? আসুন জেনে আসি একটা-একটা পয়েন্ট ধরে।

যদি বলেন শারিরীক বা মানসিক অক্ষমতা কারো দুর্বলতা তাহলে আমি বলবো সে পুরোপুরি আল্লাহর রহমতকে বুঝতে পারে নি। শারীরিক ভাবে অক্ষম কোনো লোক কখনও কাউকে অন্যায় ভাবে আঘাত করার সুযোগ পাই না, অর্থাৎ এ একটা বিশাল অপরাধ থেকে সে আগেই অব্যাহতি পাওয়ার সুযোগ পেয়েছে।

অন্যদিকে ইসলামে যত্ত পাপ আছে তার মধ্যে অন্যতম বড় পাপ প্রতারণা করা, মানসিকভাবে অক্ষম কোনো ব্যাক্তি কখনও কারো সাথে প্রতারণা করতে পারে না,, তাহলে বলেন তো এটা তার দুর্বলতা নাকি চরম সৌভাগ্য?

সম্পদের সীমাবদ্ধতা নিয়ে কি আর বলবো? আপনারা দেখতেই পান অতিরিক্ত ধনী ব্যাক্তি কয়জন আল্লাহ ওয়ালা হয় এবং গরীব কয়জন ব্যাক্তি আল্লাহ ওয়ালা হয়,, এ পরিসংখ্যান আমাকে বলা লাগবে না, আপনারাই ভালো জানেন এ বিষয়ে,, এখানে একটা হাদিসের অংশ উল্লেখ করা যেতে পারে,“ জান্নাতে বেশিরভাগ প্রবেশ করবে তারা হবে দরিদ্র শ্রেণির ব্যাক্তি। ”

কিয়ামতের দিন একজন দরিদ্র ব্যাক্তির যে হিসাব হবে তা হবে অত্যন্ত সরল অন্যদিকে ধনী ব্যাক্তির হিসাব হবে ততটাই জটিল। তাই দরিদ্রতা মোটেও আপনার দুর্বলতা না বরং এইটা আল্লাহর এক বিশেষ নিয়ামত।

পরিশেষের টা খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক সেটা হলো রূপ বা সৌন্দর্যের সীমাবদ্ধতা। বর্তমানে সবচেয়ে জঘন্য যে অপসংস্কৃতি চালু রয়েছে তা হলো GF - BF ( বস্তুত ইসলামে এটির নাম হলো যেনা তবে যা আমাদের তরুণ সমাজে প্রেম নামে প্রচলিত )। যে যতই বলুক ” ফেস ডাজেন্ট ম্যাটার ” -

আমি যেকোনো কারো সাথে বাজি ধরতে পারি ফেস ম্যাটার ভাই ( উল্লেখ্য বাজি ইসলামের হারাম তবে কথার গুরুত্ব বুঝাতে এ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে) । তো যে ছেলে বা মেয়েটি দেখতে এতটা আকর্ষণীয় না,তারা ভাবতে পারে আল্লাহ কেন আমাকে এইভাবে সৃষ্টি করলেন? আমি কেন তাদের মতো না?

বিশ্বাস করেন এ যুগে এইটাই আপনার জন্য বিশেষ নিয়ামত, সাময়িক খারাপ লাগা কাজ করতে পারে তবে আপনি যে কতবড় পাপ ও ফিতনা থেকে বেঁচে গেছেন তা বলে শেষ করা যাবে না। এটা মোটেও আপনার সীমাবদ্ধতা না বরং আপনি চরম সৌভাগ্যবান।

দুনিয়াবি দুর্বল একজন ব্যাক্তি কখনও অহংকারি হওয়ার সুযোগ পায় না, এক্ষেত্রে সে একটা বড় গুনাহের কাজ থেকে বেঁচে যায়,, (উল্লেখ্য যার অন্তরে সরিষা দানা পরিমাণ অহংকার থাকবে সে কোনোদিনও জান্নাতে যাবে না এমনকি ইবলিস ও শয়তান রূপ ধারণ করেছিল এই অহংকার করার জন্যই)...

তাই বলা যেতেই পারে দুনিয়াবি দুর্বলতা কোনো দুর্বলতা না বরং এটি আপনার চরম সৌভাগ্য।

Note: Team Fi-Ardi

16/11/2024
15/11/2024

ফেসবুকে প্রতিনিয়ত গান বাজনা পোস্ট করছো, আফসোস তোমার পুরো টাইমলাইন জুড়ে শুধু নাচ-গান ও অশ্লীলতা। গান-বাজনা নিজে শুনে এক গুনাহ করছো, অন্য যতজন তোমার ওই পোস্ট দেখছে তাদের গোনাহের সমপরিমাণ গোনাহ বোনাস হিসাবে পাচ্ছো। তুমি তোমার রব থেকে বহু দূরে চলে গেছ, এটির প্রমাণ তোমার দুই কাঁধে ফেরেশতাকে দেয়া লাগবে না। এটির জন্য তোমার টাইমলাইন ও সার্চ হিস্ট্রি যথেষ্ট।

ট্রেন্ডের নামে নতুন মিউজিক ,অশালীন পোস্ট। ওল্লাহী, কসম তোমার তোমার দেখা, তোমার রিয়েক্ট করা এবং তোমার শেয়ার করা প্রতিটা পোস্ট তোমার বিপক্ষে সাক্ষী দিবে।


তুুমি ৩ঘন্টার একটা অশ্লীল মুভি কোনো সমস্যা ছাড়াই দেখতে পারো, তবে ৩ মিনিটের একটি ইসলামিক ভিডিও তোমার পুরো দেখার সময় হয় না,,, নতুন ট্রেন্ডিং গান তোমার মনে প্রশান্তি নিয়ে আসে কিন্তু ওই কুরআনের সুমধুর তিলওয়াত তুমি শুনার চেষ্টাও করো না। তবে কি তুমিই সেই যে শুনেও শুনেনা, বুঝেও বুঝেনা। যাদের চোখে আল্লাহ পর্দা মেরে রেখেছে এবং অন্তরে মোহর।

আমি জানি শতকরা ৯০ ভাগ মানুষই এখান পর্যন্ত পোস্টটি পড়বে না, তবে যারা পড়বে তাদের উদ্দেশ্যে বলি সবসময় স্মরণ রাখবেন ১ হাজারে, ৯৯৯ জন লোক জাহান্নামে যাবে। আপনিও যদি ওই ট্রেন্ডের স্রোতে গা ভাসানো লোক হন তবে ভেবে দেখেন নিজের অবস্থা টা কোন জায়গায়।

পরিশেষে একটা কথায় বলতে চাই, নদীর স্রোতে গা ভাসানো কচুরিপানা হয়ো না বরং সে গাছ হও যা তীব্র বন্যায় ও মাথা উচু করে টিকে থাকে।

Note: Team Fi-Ardi

09/11/2024

আরে শুনো আয়াতটা তোমার জন্যই লেখা, দেখবা কিভাবে? আসো আলোচনা করি -

পুরো আয়াতের অনুবাদটা কিছুটা এরকম,
❝ আর যারা কুফরী করে, তাদের আমলসমূহ মরুভূমির মরিচিকার মত, পিপাসিত ব্যক্তি যাকে পানি মনে করে। অবশেষে যখন সে তার কাছে আসবে, তখন সে দেখবে সেটা কিছুই নয়। আর সে সেখানে আল্লাহকে দেখতে পাবে। অতঃপর তিনি তাকে তার হিসাব পরিপূর্ণ করে দেবেন। আর আল্লাহ অতি দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী। ❞
সূরা নুর (২৪ঃ৩৯)।

কুফরী কী?

কাফির (আরবি: كافِر) একটি আরবি শব্দ, যা আরবি কুফর (আরবি: َكَفَر) ধাতু থেকে আগত, যার শাব্দিক অর্থ হল ঢেকে রাখা, লুকিয়ে রাখা এবং এর ব্যবহারিক অর্থ হল অবাধ্যতা, অস্বীকার করা, অকৃতজ্ঞতা। ইসলামী শরীয়তের পরিভাষায় কুফর ঈমানের বিপরীত।

কি ভাবতেছ আমি তো মুসলিম তাহলে আয়াতটা কিভাবে আমাকে নিয়ে লেখা? ওকে দেখ তাহলে.....

রাসূল (সাঃ) বলেন, “আমাদের ও তাদের (কাফিরদের) মধ্যে যে পার্থক্য তা হলো সালাত। অতএব, যে সালাত ছেড়ে দিল সে কুফুরী করল।” (আবু দাউদ, নাসাঈ, তিরমিযী, ইবন মাজাহ)

“সাহাবায়ে কিরাম সালাত ব্যতীত অন্য কোনো আমল ছেড়ে দেওয়াকে কুফুরী মনে করতেন না।” (সুনান তিরমিযী)

উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “যে ব্যক্তি সালাত ছেড়ে দিল ইসলামে তার কোনো অংশ নেই।”

তারমানে বুঝা গেল যে মুসলিম ইচ্ছে করে সালাত ছেড়ে দিলো সে কুফরী করলো, অর্থাৎ সে তার সব আমল নষ্ট করলো। তার আমল গুলো মরিচীকার ন্যায় যা অনেক হলেও কোনো লাভ নাই,,তাই আমি বা আপনি যতই ভালো কাজ করি, ভালো উপদেশ দিই যাই ই করি,, দিনশেষে নামাজ না আদায় করলে আমরা কুফরী করলাম ( উল্লেখ্য যে কুফরী করে তাকেই কাফির বলে).....

বিষয়টা হলো ইসলাম কবুলের পর সর্বপ্রথম যে ইবাদত ফরজ হয় তা হলো নামাজ, কিয়ামতের দিন সবার প্রথমে হিসাব নেয়া হবে নামাজের, নামাজ সম্পর্কে বলে আসলে শেষ করা যাবে না। জানি না আমার লেখনীতে আয়াতের মূল মেসেজ টা দিতে পারলাম কিনা....

ইন্জিনিয়ারিং টার্মে বলা হলে বিল্ডিং এর ভিত্তি যদি ঠিক না হয় তাহলে যেমন বিল্ডিং টিকবে না ঠিক তেমনি ইসলামের ভিত্তি হলো নামাজ,, এটা ঠিক না থাকলে আপনার কোনো আমলই গ্রহনযোগ্য মনে করা হবেনা।

তাই মহান আল্লাহ আমাদের মতো লোকদের জন্য বলেছেন আমাদের আমল মরিচীকার ন্যায়।
যা দেখা গেলেও বস্তুত তার কোনো অস্তিত্ব নাই।

আল্লাহ আমাকে এবং সকলকে ৫ ওয়াক্ত সালাত সময়মতো আদায় করার তৈফিক দান করুক। - আমিন

Note: Fi-Ardi Team

Want your business to be the top-listed Beauty Salon in Rajshahi?
Click here to claim your Sponsored Listing.

Telephone

Address

Rajshahi