Ani Jahan Pia
Hi! everyone.
Myself Ani Jahan Pia
I make content about makeup and skin care.I basically take classes on makeup .you can directly complete your makeup courses by me .
14/09/2026
সময়ই মানুষের জীবনের সবচেয়ে নীরব,অথচ সবচেয়ে প্রভাবশালী শিক্ষক।কারণ, সময় কখনো আগাম কোনো সতর্কবার্তা দেয় না,কোনো অজুহাত শোনে না,আবার কোনো ভুল শুধরে নেওয়ার দ্বিতীয় সুযোগও হাতে এনে দেয় না।জীবনের কিছু মোড় এবং সত্য রয়েছে যা কেবল সময়ের আবর্তেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে—অবুঝ হৃদয়ে আমরা ভেবেছিলাম সময় অসীম, কিন্তু একলা রাতে টের পাই বড্ড বেশি দেরি হয়ে গেছে।
যেসব ভালোবাসার জন্য আমরা বুক আগলে লড়াই করেছি,সময় মেখে নেওয়া বাতাস এসে দেখেছে—সেখানে কেবল নীরবতা জমে আছে।
শৈশবের সেই হাসিমাখা রূপকথাগুলো বড় হওয়ার ব্যস্ততায় যে কখন হারিয়ে গেল,আমরা তা টেরও পেলাম না।আমরা যাদের চিরদিনের ভেবে ধরে রেখেছিলাম,তারা কেবল একেকটা অধ্যায় হয়ে স্মৃতির পাতায় রয়ে গেল।
কত অভিমান,কত অপূর্ণ কথা বুকে চেপে রেখেছিলাম,অথচ এখন আর সেই মানুষকে বলার কোনো সুযোগ নেই।সময় আমাদের কাছে এসে সব কাড়েনি ঠিকই,তবে বেঁচে থাকার অদম্য অনুভূতিগুলো যে নীরব ছলে শুষে নিয়েছে।ফেলে আসা সেইসব বিকেল আর আড্ডারা আজকে হঠাৎ মেঘলা আকাশের মতো মনের মাঝে হু-হু করে কাঁদে।
আমরা ভালো থাকার অভিনয়ে এতটা পারদর্শী হয়ে উঠেছি যে,আসল হাসিটা কীভাবে হাসতে হয় তা-ই ভুলে গেছি।চোখের জল মোছার জন্য অসংখ্য হাত পেয়েছি হয়তো,কিন্তু নিঃস্ব হয়ে ভেঙে পড়ার সময়টা যে পুরোটাই একা কেটেছে।সময়ের নিষ্ঠুর নিয়মে কিছু আলো চিরতরে নিভে যায়,আর আমরা সেই অন্ধকারে আলোর শূন্যতা মেপে চলি।
যাকে ভেবেছিলাম অমলিন আশ্রয়,সময়ের প্রবল ঝড়ে তার ছায়াটুকুও আর আজ কোথাও পাওয়া যায় না। জীবনে এমনও কিছু আক্ষেপ জমা হয়ে থাকে,যা পুরো জীবন দিয়ে চুকিয়ে দিলেও কোনোদিন শেষ হতে চায় না।আমরা যাকে হারিয়ে যাওয়ার ভয়ে দিনরাত অস্থির হতাম, সেই মানুষটিই একদিন কত সহজে নিঃশব্দে অচেনা হয়ে গেল।প্রতিটি মোড় পেরোনোর পর আমরা বুঝতে পারি,কত অপূর্ণ স্বপ্ন বুকে চেপেই আমাদের পথ হেঁটে যেতে হয়।অতীতের পৃষ্ঠাগুলোতে এত ক্ষত আঁকা আছে যে,সময় চলেও গেলেও বুকটা বারবার ভেঙে খানখান হয়ে যায়।
সময় শুধুই বয়ে যায় না, জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মুহূর্তগুলোকে আমাদের থেকে যোজন যোজন দূরে ঠেলে দেয়।জীবনের শেষ প্রান্তে পৌঁছে আমরা বুঝতে পারি, সত্যিই বেঁচে থাকার কত সুন্দর সুযোগ আমরা হাতছাড়া করে ফেলেছি।ভালো থাকার হাজার চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু শূন্যতা মনের কোনায় ঠিক এমনভাবে জেগে থাকে,যা কোনোদিন মেটানো যায়না।আমরা প্রতি মুহূর্তে নতুন দিনকে স্বাগতম জানাই ঠিকই,কিন্তু সাথে নিয়ে হাঁটি সেই অগণিত মৃত অনুভূতিদের।
দিনশেষে নির্জনতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এই কঠিন সত্য মেনে নিতে হয়—সময় আর ফেরত আসে না,কেবল স্মৃতির বুকে রক্তক্ষরণ রেখে যায়।
06/09/2026
আমার তো মনে হয়,ভালোবাসা বোধহয় পৃথিবীর একমাত্র ঋতু,যার আসার কোনো পূর্বাভাস নেই। কখন কার আকাশে মেঘ জমবে,কোথায় বৃষ্টি নামবে, আর কোথায় সমস্ত মেঘ নিয়েও মাটি তৃষ্ণার্ত থেকে যাবে,তার কোনো নিয়ম নেই।
কেউ হয়তো খুব অল্প ভালোবেসেই কারও জীবনে পূর্ণিমার মতো জেগে থাকে। তার জন্য আলাদা করে কিছু করতে হয় না,তবু ভালোবাসা এসে তার দুয়ারে থামে।
আবার কেউ বুকের সমস্ত নদী উজাড় করে দেয়,নিজের ভেতরের শেষ আলোটুকুও কারও নামে রেখে দেয়।তবু সেই মানুষটির কাছে তার ভালোবাসা পৌঁছায় না।সমুদ্র পেরিয়েও যেন এক ফোঁটা জল হয়ে ফিরে আসে।
ভালোবাসার এই জায়গাটাই সবচেয়ে অদ্ভুত।এখানে অনুভূতির গভীরতা কখনো প্রাপ্তির নিশ্চয়তা নয়।কেউ অল্প দিয়ে পূর্ণ হয়ে যায়,কেউ সমস্তটা দিয়েও অপূর্ণ থেকে যায়।
তাই ভালোবাসাকে বোধহয় কোনো দাঁড়িপাল্লায় মাপা যায় না।কতটা দিলে কতটা পাওয়া যাবে তার কোনো অঙ্ক নেই।
ভালোবাসা শুধু নিজের মতো করে এসে পড়ে।
কখনো কারও ঘর ভরিয়ে দেয়,আবার কখনো একজন মানুষের সমস্ত হৃদয় নিয়েও তাকে শূন্য হাতে ফিরিয়ে দেয়।
03/09/2026
জীবনটা আসলে চিরুনিতে পেঁচিয়ে যাওয়া চুলের মতোই—বিশৃঙ্খল।
যতই আঁচড়াও,যতই গোছাতে চাও,কিছুতেই সবটা একসাথে গুছিয়ে আসে না।একটা জট ছাড়াতে গেলে আরেকটা জট লেগে যায়।একটা সমস্যা শেষ হওয়ার আগেই আরেকটা সমস্যা এসে সামনে দাঁড়ায়।
আমরা সবাই চাই জীবনটা পরিপাটি থাকুক—
সুন্দর,সাজানো,ঝলমলে।
কিন্তু বাস্তব জীবন কখনোই পুরোপুরি পরিপাটি হয় না।
কখনো মন এলোমেলো হয়, কখনো পরিস্থিতি,কখনো সম্পর্ক,কখনো ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা।
আর একজন নারী যখন নিজের পথটা নিজেকেই হাঁটতে শেখে,তখন এই এলোমেলো দিনগুলোর ভারটাও অনেক সময় নিজের কাঁধেই নিতে হয়।কাউকে সব কথা বলা হয় না,সব কষ্ট দেখানোও হয় না।কখনো নিজের মন খারাপ নিজেকেই বুঝিয়ে বলতে হয়—
“এটাও কেটে যাবে।”
আর মজার ব্যাপার হলো—
এই জটগুলোকে যত জোর করে টানতে যাই,ততই যেন আরও বেশি পেঁচিয়ে যায়।
আরও বেশি ছিঁড়ে যায় কিছু জিনিস,আরও বেশি ব্যথা লাগে।
জীবনের কিছু জিনিসও তাই ধৈর্য নিয়ে ছেড়ে দিতে হয়।
আস্তে আস্তে,নরম হাতে,সময় নিয়ে।
সবকিছু আজই ঠিক করতে হবে—এমন কোনো কথা নেই।
কিছু প্রশ্নের উত্তর সময় দেবে, কিছু কষ্ট সময় কমিয়ে দেবে, আর কিছু বিষয় হয়তো মেনে নিয়েই সামনে এগিয়ে যেতে হবে।
জীবন মানেই তো সবসময় নিখুঁত একটা ছবি নয়।
কখনো কখনো এলোমেলো ছবিটাই সবচেয়ে সত্যি।
06/08/2026
প্রত্যেকটা মানুষ যে শুধু চোখের পানি ফেলেই কাঁদে ব্যাপারটা কিন্তু এমন নয়।কেউ কেউ শুধু একটু বেশি নরম হৃদয় নিয়ে জন্মায়,আর সারাজীবন সেই হৃদয়ের মূল্যই দিয়ে যায়।
সংবেদনশীল হৃদয়ের মানুষগুলোর জীবনের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা কী,জানেন?
সে অভিমান করে,
রাগও করে,কিন্তু সেই অভিমান কিংবা রাগ বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারে না।একটু আন্তরিক ডাক,একটু ভালোবাসা,কিংবা সামান্য একটি ক্ষমা—এসবের কাছে তার সমস্ত অভিমান নীরবে হার মেনে যায়।শেষ পর্যন্ত সে নিজের অনুভূতিকেই নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষী মনে করতে শুরু করে।একসময় নিজের কোমলতাকেই নিজের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা মনে হয়।
যারা সম্পর্ককে বাঁচিয়ে রাখতে নিজের অহংকারটুকুও নীরবে সরিয়ে রাখে,তারা দিনশেষে প্রায়ই এক গভীর শূন্যতার ভেতর ডুবে যেতে থাকে।যাদের মনে হিংসা নেই, প্রতিশোধ নেই,কৃত্রিম কঠোরতা নেই—এমন স্বচ্ছ হৃদয়ের মানুষগুলোই সম্পর্কের ভেতরে সবচেয়ে বেশি আঘাত পায়।
সংবেদনশীল মানুষ কখনো সম্পর্কের লাভ-লোকসানের হিসাব করে না।তারা শুধু মানুষটাকে হারাতে চায় না। তাই নিজের কষ্টটুকুও চুপচাপ গিলে ফেলে,যদি তাতে সম্পর্কটা আরেকটু বেঁচে থাকে।
সামান্য একটু ভালোবাসা পেলেই যারা সব ভুলে যায়, সামান্য একটু সহানুভূতি পেলেই আবার নতুন করে বিশ্বাস করতে শেখে—সবচেয়ে বেশি যন্ত্রণাও তারাই পায়। কারণ তারা ভালোবাসার পরিমাণ মাপে না,ভালোবাসার আন্তরিকতাটুকুই তাদের কাছে যথেষ্ট।
যে মানুষটি একটি আন্তরিক স্পর্শে সব অভিমান ভুলে যেতে পারে,তাকে ভাঙতে সবচেয়ে কম পরিশ্রম লাগে।
তাদের সবচেয়ে বড় ভুল হলো,তারা সবাইকে নিজের মতো ভাবতে শেখে।তাই তারা বিশ্বাস করে,যেমন তারা কাউকে ইচ্ছে করে কষ্ট দিতে পারে না,তেমনি কেউ ইচ্ছে করে তাদেরও কষ্ট দেবে না। আর ঠিক এই বিশ্বাসটাই একদিন তাদের সবচেয়ে গভীর ক্ষত হয়ে দাঁড়ায়।
তবে আশ্চর্যের বিষয় জানেন?
এই সামান্য চাওয়াটুকুও অনেক সময় তাদের ভাগ্যে জোটে না।কারণ মানুষের এক অদ্ভুত স্বভাব আছে—যাকে হারানোর ভয় থাকে না,তাকে যত্ন করতেও শেখে না।আর যখন কেউ বুঝে যায়,এই মানুষটি বারবার ফিরে আসবে,তখন তার ভালোবাসাকেই স্বাভাবিক ধরে নিতে শুরু করে।
এই সময়ে অনেকেই নীরব মানুষকে সহজলভ্য ভেবে ভুল করে।যে মানুষটি বারবার ফিরে আসে,তার অপেক্ষার মূল্য সবাই বুঝতে শেখে না। তাই অবহেলা,অবজ্ঞা আর অনুচ্চারিত আঘাতগুলো ধীরে ধীরে ঠিক সেই মানুষটির দিকেই জমতে থাকে,যে সবচেয়ে কম কষ্ট দেওয়ার যোগ্য ছিল।
তারা প্রতিশোধ নিতে জানে না।তাই হারিয়েও অভিশাপ দেয় না,দূরে গিয়েও নীরবে ভালো থাকার প্রার্থনাই করে।
সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হলো যারা সবচেয়ে বেশি ভালোবাসতে জানে,তারাই প্রায়শই সবচেয়ে কম বোঝা হয়।
তবু সংবেদনশীল মানুষগুলো বদলে যায় না।
কারণ তারা জানে—নিষ্ঠুর হয়ে যাওয়া খুব সহজ,কিন্তু কোমল থেকে যাওয়াই সবচেয়ে বড় সাহস।হয়তো তারা বারবার ভাঙে,তবু একদিন ঠিক এমন একজন মানুষের দেখা পায়,
যে তাদের সরলতাকে দুর্বলতা নয়,আশ্রয় বলে আগলে রাখে।
পৃথিবী শক্ত মানুষের জন্য নয়, নিরাপদ মানুষের জন্যই সুন্দর হয়ে ওঠে।আর যে হৃদয় কাউকে নিরাপত্তা দিতে জানে, বিনিময়ে অবহেলাও পেলে তার ভালোবাসার সৌন্দর্য কমে যায় না।কারণ সংবেদনশীল মানুষের প্রকৃত শক্তি তার কঠোর হয়ে ওঠায় নয়—অসংখ্য আঘাতের পরও নিজের কোমলতাকে বাঁচিয়ে রাখার মধ্যে।
04/08/2026
জীবনের সব বাঁকে পরিণতি থাকতে হবে,এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।কিছু গল্প অসম্পূর্ণ থাকে বলেই হয়তো তাদের সৌন্দর্য এতটা গাঢ় হয়।আকাশ আর মাটির যেমন কোনোদিন মিলন হয় না, অথচ তাদের মধ্যকার এই বিশাল শূন্যতাই পুরো জগতটাকে ধরে রাখে;কিছু সম্পর্কও ঠিক তেমনই,দূরত্বেই তাদের আসল মর্যাদা।
একটা বয়স বা সময় অতিক্রম করার পর মানুষ বুঝতে শেখে,জীবন থেকে কেউ হারিয়ে গেলে জীবন থেমে যায় না।শুধু বদলে যায় জীবনের দেখার চশমাটা। অতীতকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকাটা এক ধরনের আত্মছলনা।যে চলে গেছে,সে তো শুধুই একজন পথিক ছিল;কিন্তু যে থেকে গেছে,সে হলো এই ক্ষতের মাধ্যমে অর্জিত চরম বাস্তবতা।
আমরা প্রায়শই ভুল মানুষের পেছনে নিজের সমস্ত আবেগ অপচয় করে ফেলি,আর ভেবে নিই হয়তো এটাই শেষ।কিন্তু জীবনের ক্যানভাস অনেক বড়।একটা ভুল অধ্যায় কখনোই একটা আস্ত বইয়ের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না।যে ধাক্কাটা আজ আমাদের চূর্ণবিচূর্ণ করে দিচ্ছে বলে মনে হয়,কয়েক বছর পর পেছনে ফিরে তাকালে বোঝা যায়,ওটা আসলে সঠিক পথে হাঁটার দিকনির্দেশনা ছিল।
এখন আর কারো প্রতি কোনো অভিযোগ জমে থাকেনা।যে চিনেছে,সে থেকে গেছে;যে চিনতে পারেনি,সে দূরে গিয়ে তার নিজের জন্য সঠিক মানুষকে খোঁজার স্বাধীনতা পেয়েছে।এতে রাগ বা ক্ষোভের কিছু নেই।জগতটা তো ভালোবাসার চেয়েও অনেক বেশি অভিজ্ঞতার ওপর দাঁড়িয়ে।
স্মৃতিগুলো আজ আর কাঁদায় না,বরং স্মিত হাসির জন্ম দেয়।বুঝতে পারি,যে মায়াটা একদিন বুকের মধ্যে প্রবল ঝড় তুলতো,তা আজ কেবলই প্রশান্ত এক হাওয়ায় পরিণত হয়েছে।এই যে নিজের ভেতরের এই পরিপক্বতা,এই শান্ত ভাব,এটাই তো জীবনের আসল জয়।
এখন আমি আর কারো জীবনের কেন্দ্রবিন্দু হতে চাই না।নিজের একটা ছোট্ট আকাশ গড়ে তুলেছি,যেখানে রোদ-বৃষ্টি সবই আমার নিজস্ব।যে এসেছে তাকেও স্বাগতম,আর যে চলে গেছে তার জন্য একরাশি নিরব শুভকামনা।
পাওয়া না পাওয়ার হিসাব-নিকাশ চুকিয়ে দিয়ে এখন আমি শুধু বাঁচতে চাই,শব্দহীন,শর্তহীন এবং পূর্ণাঙ্গ এক স্বাধীন মানুষ হয়ে। কারণ জীবন তো একটাই,তাকে অন্যের অবহেলার খোরাক বানিয়ে নষ্ট করার কোনো মানে হয়না!
02/08/2026
উঠে দাঁড়াতে কারো হাত না লাগলেও ঘুরে দাঁড়াতে খুব তীব্রভাবে আঘাত পাওয়াটা জরুরি।
28/07/2026
অধিকাংশ অপেক্ষার শেষটা অনিশ্চিত—তবুও মানুষ অপেক্ষা করে।
কারণ মানুষ জানে,
সব গল্পের শেষ মিলনে হয় না,
সব ভালোবাসা পূর্ণতা পায় না, সব স্বপ্নও বাস্তবে রূপ নেয়না।
তবুও হৃদয় আশাকে ছাড়তে শেখে না।বুকের ভেতর কোথাও না কোথাও বিশ্বাস থেকে যায়—
হয়তো আজ নয়,কাল;
হয়তো এই পথে নয় অন্য কোনো পথে,
একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।
কিছু অপেক্ষা হয় দিনশেষে সমস্ত ব্যস্ততার পর প্রিয় মানুষটার ফিরে আসার,
কিছু অপেক্ষা হয় একটি ফোনকলের,একটি বার্তার, একটি দেখা হওয়ার।আবার কিছু অপেক্ষা এমন কিছুর জন্য,যার কোনো নিশ্চয়তাই নেই।তবুও মানুষ প্রতিদিন একই রকম করে অপেক্ষা করে।কারণ অপেক্ষা না করলে হয়তো বেঁচে থাকাটাই অর্থহীন হয়ে যায়।
সময় অনেক কিছু বদলে দেয়।
মানুষ বদলে যায়,
সম্পর্ক বদলে যায়, অনুভূতিগুলোও একসময় নিঃশব্দ হয়ে যায়।
কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে মানুষের ভেতরের আশাটা খুব সহজে মরে না।
হাজারটা কষ্ট,শতবার ভেঙে পড়ার পরও মানুষ আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখে,আবার নতুন করে অপেক্ষা শুরু করে।
হয়তো সব অপেক্ষার কোনো শেষ নেই।হয়তো কিছু অপেক্ষা সারাজীবন অপূর্ণই থেকে যায়।তবুও মানুষ অপেক্ষা করে,কারণ সে বিশ্বাস করতে ভালোবাসে।
সে জানে,অলৌকিক কিছু না ঘটলেও,আশা নিয়ে বেঁচে থাকাটাই জীবনের সবচেয়ে বড় সাহস।
জীবন আসলে নিশ্চিত কোনো প্রতিশ্রুতির নাম নয়;জীবন হলো অনিশ্চয়তার মাঝেও আলো খুঁজে নেওয়ার গল্প। তাই অধিকাংশ অপেক্ষাই অনিশ্চিত হলেও,মানুষ অপেক্ষা করে।কারণ মানুষ বেঁচেই থাকে আশা,বিশ্বাস আর অপেক্ষার উপর ভর করে।
হয়তো এটাই জীবনের সবচেয়ে নির্মম,আবার সবচেয়ে সুন্দর সত্য।
27/07/2026
আমি তুমি আমরা মিলে আমাদের একটা ছোটো গল্প ছিল,
দিনশেষে জমানো কথা বলার জন্য একজন বিশেষ কেউ ছিল,
আমাদের অযুত নিযুত বা অল্প ভুলে ভরা ফর্দ ছিল,
এক সহস্র কোটি অথবা অসীম দেখা ছন্নছাড়া কল্প ছিল।
ঠুনকো কথায় তুমুল রাগার একশো একটা ঝগড়া ছিল,
তোমার সাথে আমার জমানো এক পৃথিবী অভিমান ছিল!
ভালোবাসার কথা লিখে রাখার জন্য অদৃশ্য একটা দিনলিপি ছিল,
মুখে না বলেও দেখে সব কথা বুঝে নেয়ার মত দু জোড়া চোখ ছিল;
ভালোবাসা নামের একটা অচিন অসীম আদুরে মায়ার অদৃশ্য একটান ছিল,
এইযে এত কিছু ছিল,তার মধ্যে শুধু আমার একান্ত তুমিটাই নেই আমার কাছে আর।
তাই তো অবেলায়,অবহেলায় দিন গুলো চলে গিয়ে আবার রাত আসে।এই দূরে থাকা তুমিটা ছাড়া রোজ ঘুমিয়ে পড়তে আমার কষ্ট হয়,
তুমিবিহীন এই সকাল গুলোতে প্রতিবার জেগে উঠে পাশের শূন্য বালিশটার দিকে তাকাতে আমার কী ভীষণ অসহ্য রকম কষ্ট হয়!তা কি তুমি জানো?
জানোনা,,,,
জানতে পারবেও না আর।
25/07/2026
I have been destroyed in a thousand ways,
And now,
I know a thousand ways to rebuild myself…
22/07/2026
যে তোমাকে সময় দিলো,সে তোমাকে তার জীবনের একটি অংশ দিয়ে দিলো।গাছের চারার মাঝে যেমন ঠিক মত জল না দিলে গাছ মরে যায়, তেমন করে সময় না দিলে যেকোন সম্পর্কেরই রঙ হারিয়ে যায়।
মানুষ টাকা দিয়ে কিনে দামি ঘড়ি উপহার দিতে পারে,কিন্তু সময় দেয় না।অথচ মানুষ জানে না সময়ের চেয়ে মূল্যবান উপহার আর কিছু হতে পারে না।
তোমাকে আমি সময় দিচ্ছি মানে তোমাকে বুঝিয়ে দিচ্ছি, সবার আগে তুমি আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।ব্যাস্ততা তো থাকেই,তবুও ব্যাস্ততার মাঝেও তোমাকে একটা টেক্স অথবা কল দিয়ে দুপুরে খেয়েছো কী না জিজ্ঞেস করার মানে,আমি আছি। অহেতুক যে কোন ব্যাপার নিয়ে তোমার সাথে অনেক ধরে সময় গল্প করার মানে হলো,তুমি আশে-পাশে থাকলে আমার ভালো লাগে।
সময়ের চেয়ে সেরা উপহার আর কিছু নেই।যে মানুষটা আমাদের কাছে সেরা,তাকে দিতেও হয় সেরা উপহার। সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ,এই সময়ের অভাবে কত সম্পর্ক ভেঙে টুকরো টুকরো হতে দেখেছি হিসাব নেই।কত বিশ্বাসের ঘরে তৃতীয় ব্যাক্তি সুঁই হয়ে ঢুকে কুড়োল হয়ে সম্পর্কের বুক ছিড়েখুঁড়ে বেরিয়ে গেছে বলে শেষ করা যাবে না।
সময় হলো সিমেন্ট বালুর মতো,প্রয়োজনের চেয়ে কম দিলে সম্পর্ক ভেঙেচুরে ধসে যায়।
Category
Contact the business
Telephone
Website
Address
Rajshahi
6100