IFRAA
Welcome to my page���
ঘরোয়া দাওয়াত। 🥰🥰
゚
22/07/2026
শুভ দুপুর। 🥰😋
22/07/2026
‼️ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনাল রাউন্ড নিয়ে বাঙালিদের ছড়ানো এসব গুঞ্জনের ৯০% সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট, তবে ড্রেসিংরুমের গম্ভীর পরিবেশ এবং প্রেসিডেন্টের অনুপস্থিতির পেছনে কিছু সুনির্দিষ্ট ও যৌক্তিক কারণ ছিল, যার সাথে কোনো "ইচ্ছাকৃত হেরে যাওয়া" বা "ষড়যন্ত্রের" দূরতম সম্পর্কও নেই।
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে একে কেবলই একটি ফাইনালে হেরে যাওয়ার স্বাভাবিক হতাশা এবং কিছু কুসংস্কারের ফল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গুজবের পয়েন্টগুলোর আসল সত্যতা নিচে পরিষ্কার করা হলো:
🔴 লিওনেল মেসির ড্রেসিংরুমের ভাষণম্যাচ শুরুর আগে মেসির ড্রেসিংরুমের একটি ভিডিও এবং ম্যাচের পর তার আবেগঘন বক্তব্য নিয়ে কিছুটা আলোচনা অবশ্যই হচ্ছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম The Mirror-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মেসি ম্যাচের আগে সতীর্থদের কিছু একটা নিয়ে মন শক্ত করতে বলেছিলেন, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হালকা কিছু থিওরি ছড়ায়। তবে আসল সত্য হলো, ৩৯ বছর বয়সী মেসি ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর ড্রেসিংরুমে অত্যন্ত ভেঙে পড়েন এবং সতীর্থদের উদ্দেশে অশ্রুসিক্ত চোখে বিদায়ী বক্তব্য দেন, কারণ এটিই ছিল জাতীয় দলের জার্সিতে তার শেষ ম্যাচ। হারের পর তার চেহারা গম্ভীর থাকা এবং "সব ভুলে খেলায় মন দাও" বলাটা ইচ্ছাকৃত হারের লক্ষণ নয়, বরং একজন অভিজ্ঞ অধিনায়কের ভেঙে পড়া দলকে সান্ত্বনা দেওয়ার স্বাভাবিক চেষ্টা ছিল।
🔴মেসির পরিবারের স্টেডিয়ামে না থাকার দাবিএই দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। মেসির স্ত্রী আন্তোনেলা রোকুজ্জো (Antonela Roccuzzo) এবং তার তিন ছেলে (থিয়াগো, মাতেও ও চিরো) পুরো টুর্নামেন্ট জুড়েই স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারানোর পর আন্তোনেলা নিজেই ছেলেদের নিয়ে আর্জেন্টিনার জার্সি পরা ছবি Instagram-এ পোস্ট করে ফাইনালে যাওয়ার আনন্দ প্রকাশ করেছিলেন। ফাইনাল ম্যাচেও তারা ভিআইপি বক্সে আর্জেন্টিনার অন্যান্য খেলোয়াড়দের পরিবারের সাথেই বসা ছিলেন।
🔴আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের স্টেডিয়ামে না আসাআর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই (Javier Milei) সত্যিই ফাইনালে স্টেডিয়ামে আসেননি, তবে এর কারণ কোনো রাজনৈতিক বা অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র ছিল না, বরং ছিল চরম অন্ধবিশ্বাস বা কুসংস্কার।আর্জেন্টাইন ফুটবল সংস্কৃতিতে "কাবালা" (Cábala) নামের একটি গভীর কুসংস্কার রয়েছে, যেখানে মনে করা হয় দেশের প্রেসিডেন্ট মাঠে আসলে দল হেরে যায় (যাকে তারা অপয়া বা 'Mufa' বলে)।
প্রেসিডেন্ট মিলেই আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমকে নিজেই জানান, তিনি পুরো টুর্নামেন্টে বুয়েনস আইরেসের বাসভবনে বসে নির্দিষ্ট একটি লাকি জ্যাকেট পরে খেলা দেখেছেন। ফাইনাল দেখতে আমেরিকা গিয়ে তিনি দলের লাক বা ভাগ্য নষ্ট করতে চাননি বলেই নিজ দেশে থেকে যান।
🔴উল্লেখ্য, ফাইনালে স্পেনের রাজা ফিলিপ, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন।
🔴আন্তর্জাতিক মহলের প্রতিক্রিয়াআমেরিকা, ইউরোপ বা আর্জেন্টিনার মূলধারার কোনো গণমাধ্যমে "আর্জেন্টিনা ইচ্ছা করে হেরে গেছে বা কোনো চাপে পড়ে হেরে গিয়েছে" এমন কোনো আলোচনা বা খবর দূর-দূরান্তেও নেই।
আন্তর্জাতিক ফুটবল বিশ্লেষকরা স্পষ্ট দেখিয়েছেন যে, আর্জেন্টিনা পুরো ম্যাচে স্পেনের কৌশলের কাছে পরাস্ত হয়েছে। অতিরিক্ত সময়ে ১০ জনের দলে পরিণত হওয়া এবং ১০৬ মিনিটে গোল খাওয়া স্পষ্ট প্রমাণ করে যে তারা শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করেছিল।
⚠️⚠️বাঙালিদের মধ্যে যেহেতু ফুটবল নিয়ে আবেগ অনেক বেশি, তাই যেকোনো বড় হারের পর এরকম মুখরোচক ও কাল্পনিক গল্প বা "কন্সপিরেসি থিওরি" তৈরি হওয়াটা আমাদের দেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি নিয়মিত ট্রেন্ড মাত্র।🙄
10/07/2026
আমিও বানিয়ে নিলাম ভাইরাল ইজি মোমো আর চিকেন ফ্রাই। 😋🥟🍗
06/07/2026
আমরা ছোট্টবেলা থেকে ব্রাজিল সাপোর্টার,
শেষদিন পর্যন্ত ব্রাজিলের সাপোর্টারই থাকবো। 🇧🇷❤️
We love you from our heart 🇧🇷❤️🙏🏼 thank you so much 🙏🏼
06/07/2026
চেষ্টার কোনো কমতি ছিলো না😭
কিন্তু কপালে নাই।💔🇧🇷
04/07/2026
Good Afternoon 🥰😋
04/07/2026
Good morning 🥰😁
Click here to claim your Sponsored Listing.